Nutrilife with Lamisha

Nutrilife with Lamisha Stay with Nutritious lifestyle. Nourish Your Life with the Power of Nutrition.
Talks.

Address :Chandpur, Bangladesh
Work: Hand painting
I hope to assist you with my best work.

02/06/2024

আজকে আমরা জানব উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার নিয়ে।এখন কথা হচ্ছে উচ্চ ক্যালরি যুক্ত সব খাবার যে যাদের ওজন বেশি তারা কম খাব তা কিন্তু না।উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারেও ভালো এবং খারাপ আছে।তাই আমরা যদি Healthy life চাই তাহলে আমরা ভালো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গুলো খাব।ভালো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারটাও আমরা পরিমাণ মত খাব Serving maintain করেই খাব।
তাহলে প্রথম জানব যে ভালো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার
কোনগুলো।
উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার শরীরের ওজন বাড়ানোর, পেশী গঠনের, বা শক্তি বৃদ্ধির জন্য উপকারী হতে পারে। কিছু ভালো উচ্চ ক্যালরি খাবার :

√ বাদাম এবং বীজ: কাজু, আখরোট, চিয়া বীজ, এবং ফ্ল্যাক্সসিড।
√বাদামের মাখন: পিনাট বাটার, আখরোটের বাটার, এবং কাজু বাটার।
√এভোকাডো: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং পুষ্টিতে সমৃদ্ধ।
√তেল: অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, এবং এভোকাডো তেল।
√শুকনো ফল: কিসমিস, খেজুর, এবং আঞ্জির(ডুমুর জাতীয় একধরনের ফল)।
√Whole graun: কুইনোয়া, বাদামী চাল, সম্পূর্ণ গমের পাস্তা, এবং ওটস।
√ডেইরি প্রোডাক্টস: দই, দুধ।
√প্রোটিন উৎস: মুরগির মাংস, গরুর মাংস(পরিমিত পরিমাণে)সালমন মাছ, এবং টোফু।
√ডাল: মসুর ডাল, ছোলা, এবং বিন।
√ স্টার্চযুক্ত সবজি:আলু, মিষ্টি আলু, এবং ভুট্টা।

এই খাবারগুলি আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে পুষ্টিকর উপায়ে ক্যালরি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

আর এখন জানব খারাপ উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার নিয়ে।খারাপ উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারগুলির মধ্যে বেশিরভাগই প্রক্রিয়াজাত, চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ হয়ে থাকে। এ ধরনের খাবারগুলি অতিরিক্ত ক্যালরি সরবরাহ করলেও পুষ্টিগুণ খুব কম থাকে। নিচে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

√ফাস্ট ফুড: যেমন বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রায়েড চিকেন ইত্যাদি। এগুলিতে প্রচুর তেল ও চিনি ব্যবহার করা হয়।
√প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস: চিপস, প্রেটজেলস, ও প্রক্রিয়াজাত চিজ স্ন্যাকস এগুলির মধ্যে আছে।
√মিষ্টি পানীয: সোডা, এনার্জি ড্রিঙ্ক, এবং চিনিযুক্ত জুস।
√মিষ্টি: কেক, পেস্ট্রি, ডোনাট, আইসক্রিম, চকোলেট বার ইত্যাদি।
√প্রক্রিয়াজাত মাংস: যেমন সসেজ, বেকন,রেড মিট ইত্যাদি।

এই ধরনের খাবারগুলো অতিরিক্ত ক্যালরি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং চিনি সরবরাহ করে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। এ ধরনের খাবার খুব কম পরিমাণে বা Avoid করাই ভালো।

আচ্ছা আমরা ছোটবেলায় একটা Cartoon দেখতামনা যে Popeye কি দেখতাম ওর যখন অনেক শক্তি দরকার হত, যখন ও দুর্বল হয়ে যেত তখন একটা ...
02/06/2024

আচ্ছা আমরা ছোটবেলায় একটা Cartoon দেখতামনা যে Popeye কি দেখতাম ওর যখন অনেক শক্তি দরকার হত, যখন ও দুর্বল হয়ে যেত তখন একটা কৌটা বের করে কি যেন খেত এরপর ও অনেক পাওয়ারফুল হয়ে যেত।আসলে কি খেত জানেন Spinach খেত যেটা হলো পালংশাক। পালং শাক এর এমনি অনেক পুষ্টি গুন আছে।এই পালংশাক যদি সুপ করে খাওয়া যায় তাহলে এর পুষ্টিগুন আরও প্রোপার ভাবে পাওয়া যাবে।
পালং শাক (Spinach) একটি পুষ্টিকর সবজি যা স্বাস্থ্যর বিভিন্ন উপকারিতা প্রদান করে। পালং শাকের কিছু প্রধান উপকারিতা নিম্নরূপ:

1. উচ্চ পুষ্টিমান: পালং শাক ভিটামিন এ, সি, কে, এবং ফলিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম, আয়রন, এবং ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে।

2. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ: পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের ফ্রি র‌্যাডিক্যাল দূর করে, ক্যান্সার এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

3. হাড়ের স্বাস্থ্য: এতে থাকা ভিটামিন কে হাড়ের মজবুতি বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে।

4. রক্তচাপ নিয়ন্ত্র: পালং শাকে উচ্চ মাত্রায় নাইট্রেট থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে।

5. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি: পালং শাকের ভিটামিন এ এবং ক্যারোটিনয়েডস চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।

6. হজমের উন্নতি: পালং শাকে প্রচুর ফাইবার থাকে যা হজম প্রক্রিয়া সুষ্ঠু রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

7. ত্বকের স্বাস্থ্য: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং বার্ধক্য রোধ করে।

পালং শাক নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

01/06/2024

আমাদের মাঝে একটা ভুল ধারণা আছে যে অতিরিক্ত ঘামে Fat burn হয়।মানে শুধু ঘামালেই Fat burn হয়। ।আসলে বেপারটা তা না।আমরা যখন Breathing করি তখন আমাদের 86%Fat burn হয়।আর 10% burn হয় urine এর মধ্য দিয়ে।আর বাকি যে 4% থাকে সেটা sweat মানে ঘামের মাধ্যমে burn হয়।তাই আমরা যখন ব্যায়াম করি বা হাঁটা,দৌড়ানো এসব Exercise গুলো করি তখন আমাদের Breathing time বেড়ে যায় সঠিক পরিমাণে এবং আমরা ঘামতেও থাকি।তাই
ব্যায়াম বা Exercise করলে সঠিক পরিমাণে Fat burn হয়।আর কেউ যদি দৈনিক ব্যায়াম করতে না পারে তাহলে তার উচিৎ দৈনিক 30-45 মিনিট হাঁটা।

মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য যা স্বাস্থ্যকর ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর উপকারীতা নিচে তুলে ধরা হলো:1. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভ...
31/05/2024

মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য যা স্বাস্থ্যকর ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর উপকারীতা নিচে তুলে ধরা হলো:

1. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব: মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
2. অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণাবলী: মধুতে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বৃদ্ধিকে রোধ করার ক্ষমতা থাকে।
3. কাঁশি নিরাময়: মধু প্রাকৃতিক কাঁশি নিরাময়ক হিসেবে কাজ করে এবং গলা ব্যথা কমাতে সহায়ক।
4. দ্রুত ক্ষত নিরাময়: মধুতে রয়েছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণাবলী যা ক্ষত ও পোড়া নিরাময়ে সাহায্য করে।
5. পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী: মধু হজমশক্তি বাড়াতে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা কমাতে সহায়ক।
6. শক্তি বৃদ্ধি:মধু দ্রুত শক্তি প্রদান করে এবং শারীরিক ও মানসিক কাজের ক্ষমতা বাড়ায়।
7. ত্বকের যত্ন: মধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে, ব্রণের সমস্যা কমায় এবং ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল করে তোলে।

এই সকল গুণাবলীর জন্য মধু স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে, মধু ব্যবহারের আগে বিশেষ করে যদি কোন স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে, তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।এবং ডায়াবেটিস যাদের আছে তাদের মধু খাওয়া নিষেধ।

30/05/2024

অমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা হলো:

1. ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা: অমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের লিপিড বাধা মজবুত করে, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমাতে সহায়ক।

2. প্রদাহ কমানো: অমেগা-৩ এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাগুণ রয়েছে, যা ত্বকের প্রদাহ, লালভাব, এবং ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। এটি বিশেষত অ্যাকনে প্রবণ ত্বকের জন্য উপকারী।

3. ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো: এটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং ত্বককে মসৃণ ও কোমল রাখে।

4. সুরক্ষামূলক বাধা প্রদান: অমেগা-৩ ত্বকের সুরক্ষামূলক বাধা উন্নত করে, যা বাইরের ক্ষতিকারক উপাদান থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

5. বয়সের ছাপ কমানো: অমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের কোলাজেন উত্পাদন বাড়ায়, যা বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমাতে সহায়ক।

6. সৌরদাহের প্রভাব কমানো: এটি সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

7. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: নিয়মিত অমেগা-৩ গ্রহণ ত্বককে স্বাস্থ্যবান ও উজ্জ্বল রাখে।

√এই সকল উপকারিতা পেতে তেলযুক্ত মাছ (যেমন স্যামন, সার্ডিন), চিয়া বীজ, ফ্ল্যাক্সসিড, আখরোট, এবং অমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যেতে পারে।

√অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কলস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে, কিন্তু সব চর্বি অস্বাস্থ্যকর নয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য।

√আমাদের দেশে ইলিশ মাছেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। ইলিশ মাছ পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকলে সামুদ্রিক মাছ স্যামন এবং টুনা মাছ খাওয়া যেতে পারে। মাছ থেকে যে ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায় তা DHA এবং EPA নামে পরিচিত যার স্বাস্থ্য উপকারিতাও বেশি।

√ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের আরেকটি রূপ হলো ALA যা ভেজিটেবল ওয়েল, ওয়াল নাট বা বাদাম, গাঢ় পাতাযুক্ত শাক যেমন-Spinach মানে পালংশাক এ পাওয়া যায়।

16/05/2022

Nature 💚💚

💥💥
16/05/2022

💥💥

💜💜
14/05/2022

💜💜

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutrilife with Lamisha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram