05/04/2023
আমার নাম তরী আমার বয়স ১৮। আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন আমার বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে প্রথম চটি গল্প পড়া এবং আমি তার নেশায় পড়ে যাই। আমারও গুদে বাড়া নেওয়ার ইচ্ছে হয়। কিন্তু বাবা-মায়ের কথা ভেবে বয়ফ্রেন্ড করা হয়নি। তাই বাড়া নেওয়া হয়নি। আমার সকল বান্ধবীরা তাদের বয়ফ্রেন্ডের সাথে অনেকবার করে সেক্স করেছে। এবং সেই গল্প আমাকে শুনিয়েছে। কিন্তু আমার করা হয়নি। তাই আমি ওদের কথা শুনে বাথরুমে গিয়ে শুধু ফিঙ্গারিং করি। এই ভাবেই দিন কাটছিলো আমার। আমি কলেজে ভর্তি হলাম আমাদের কলেজের ডিন প্রফেসর শান্তনু সেন এক নম্বরের মাগিচুদা । আমাদের কলেজে খুব কম মেয়েই আছে যাকে উনি চুদেন নি গুদ দেখলেই উনি নিজেকে ঠিক রাখতে পারেন না চুদার জন্য ছটপট করেন। উনার আমার উপর নজর কলেজের প্রথম দিন থেকে আমার বয়সের অনুযায়ী শরীরের গঠন একটু বেশি। আমার শরীরের বর্ণনা দিতে হলে আমার গায়ের রং দুধে আলতা ফর্সা আমার ফিগারের সাইজ হলো ৩৬ ২৪ ৩৬। পাড়ার অনেক ছেলে আমাকে দেখে হাত মারে আর আমি সেটা উপভোগ করি। আমাদের কলেজে তিনদিন পরে পরীক্ষা সেই জন্য কলেজে স্টাডি লিফ ট দেওয়া হবে আমি ক্লাসরুমে বসে ছিলাম পিয়ন এসে বললো আমাকে ডিন স্যার ডাকছেন। আমি ভয়ে ভয়ে ডিন স্যারের রুমে গেলাম ।
আমি -স্যার আসবো?
স্যার-ইয়েস কমন।
আমি -স্যার আমাকে ডাকছিলেন?
স্যার-হ্যাঁ , কাল থেকে স্কুলে ছুটি পর পর দুদিন তারপর তারপর তোমাদের পরীক্ষা তাই ভাবছিলাম তোমাদের প্রিপারেশন কেমন সেটা জানবো তুমি পড়াশোনায় ভালো তাই তোমাকেই জিজ্ঞেস করলাম।
আমি -স্যার প্রিপারেশন মোটামুটি হয়েছে।
স্যার-মোটামুটি ? টপ করতে পারবে তো?
আমি -অতটা ভালো ফলাফল হবে না স্যার।
স্যার-আচ্ছা ঠিক আছে।
আমি আসছি বলে বেরিয়ে আসছিলাম তখনই স্যারের হাত থেকে পেন পড়ে গেল আমাকে বলল পেনটা তুলে দিতে। আমি পেনটা তোলার জন্য নিজে জগতে আমার কুর্তি ভেতর দিয়ে আমার বুকের খাচটা স্পষ্ট হয়ে গেল। এবং দেখলাম স্যার ঐদিকেই তাকিয়ে আছে। আমি বুঝলাম। স্যারের মতলব। আমিও বুক দেখিয়ে পেন তুললাম। স্যার বলল আমাকে বসতে আমি বসলাম এবং স্যারের জন্য বুকের কাজটা একটু স্পষ্ট করে দিলাম।
স্যার দেখি সেদিকেই হাঁ করে তাকিয়ে আছে। আমাকে জিজ্ঞেস করল সাইজ কত আমি একটু লজ্জা পেয়ে বললাম থার্টি সিক্স। স্যার বলল এত বড় এই বয়সে আমি আবার লজ্জা পেলাম এবার স্যার একটু সাহস করে আবার জিজ্ঞেস করল করা হয় আমি জিজ্ঞেস করলাম কি স্যার বল