Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(4)

30/03/2026

পানিশূন্যতার সাধারণ লক্ষনগুলো জেনে নিন

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নিয়মিত ওষুধ খান, কিন্তু জীবনযাপনে খুব একটা পরিবর্তন আনেন না। বিশেষ করে কোলেস্টের...
30/03/2026

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নিয়মিত ওষুধ খান, কিন্তু জীবনযাপনে খুব একটা পরিবর্তন আনেন না। বিশেষ করে কোলেস্টেরল বেশি ধরা পড়লে অনেকেই ভাবেন ওষুধ তো খাচ্ছি, ব্যায়াম বা ডায়েট নিয়ে এত চিন্তা করার কী আছে, আবার কেউ কেউ সময়ের অভাব, আলসেমি বা ভুল ধারণার কারণে ব্যায়ামকে একেবারেই গুরুত্ব দেন না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শরীর একটা মেশিন না যে শুধু ওষুধ দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে ওষুধ, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপন এই তিনটি একসাথে কাজ করে।

কোলেস্টেরল কমানোর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধ হলো Statins। এগুলো মূলত
লিভারে কোলেস্টেরল তৈরির প্রক্রিয়া কমায় LDL কোলেস্টেরল কমায়, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তাই যাদের কোলেস্টেরল খুব বেশি বা আগে থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি আছে, তাদের জন্য ওষুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ওষুধ খেলেই যে সব ঠিক হয়ে যাবে এমনটা নয়। ওষুধে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমে না, HDL কোলেস্টেরল তেমন বাড়ে না, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও মেটাবলিজম ঠিক হয় না, ওজন, ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এসবের ঝুঁকি রয়ে যায়। মানে, ওষুধ একটা অংশ ঠিক করে, কিন্তু পুরো সিস্টেমকে ঠিক করেনা।

তাহলে সমাধান? নিয়মিত ব্যায়াম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সরাসরি এবং শক্তিশালী প্রভাব ফেলে। HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বাড়ায়, LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) কমাতে সাহায্য করে, ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম (যেমন দ্রুত হাঁটা) বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিতভাবে উপকারী। তেল-চর্বি ও প্রসেসড খাবার কমান। মাছ, শাকসবজি, ফাইবার বেশি খান। ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ নিয়মিত খান।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

শরীর সোজা রেখে বসা বা হাঁটাব এই বিষয়টা আমরা অনেকেই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি। কিন্তু বাস্তবে মোবাইল হাতে ঝুঁকে থাকা, ল্যাপট...
29/03/2026

শরীর সোজা রেখে বসা বা হাঁটাব এই বিষয়টা আমরা অনেকেই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি। কিন্তু বাস্তবে মোবাইল হাতে ঝুঁকে থাকা, ল্যাপটপের সামনে কুঁজো হয়ে বসা, বা সারাদিন একই ভঙ্গিতে কাজ করা এসবই এখন আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাস। অনেকেই ভাবেন, এতে এমন কী হবে? কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে শরীরের ভুল ভঙ্গি আমাদের শরীরে ধীরে ধীরে এমন কিছু সমস্যা তৈরি করে, যা একসময় বড় রোগে রূপ নিতে পারে। শরীরের ভঙ্গি শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের বিষয় না এটা সরাসরি আমাদের হাড়, পেশি, স্নায়ু, এমনকি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার সাথেও জড়িত।

শরীরের স্বাভাবিক ভঙ্গি হলো এমন একটি অবস্থান, যেখানে মেরুদণ্ড তার স্বাভাবিক কার্ভ বজায় রেখে শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখে। কিন্তু যখন আমরা সামনে ঝুঁকে বসি, কাঁধ কুঁজো করে রাখি, ঘাড় নিচের দিকে ঝুলিয়ে রাখি, দীর্ঘ সময় এক ভঙ্গিতে থাকি তখন সেটাকে বলা হয় বাঁকানো বা ভুল ভঙ্গি। দীর্ঘদিন এমন ভঙ্গিতে থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারেঃ-

✔️ দীর্ঘস্থায়ী ঘাড় ও পিঠের ব্যথা
সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রথম লক্ষণই হলো ব্যথা।
ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, মেরুদণ্ডের ওপর অসম চাপ পড়ে, পেশি শক্ত হয়ে যায় (muscle stiffness)

✔️ মেরুদণ্ডের বিকৃতি
দীর্ঘদিন ভুল ভঙ্গিতে থাকলে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট হতে পারে। দেখা দিতে পারে পিঠ অতিরিক্ত বাঁকা হয়ে যাওয়া, কোমরের অংশ অতিরিক্ত বাঁকা হওয়া। এতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং চলাফেরা কষ্টকর হয়ে ওঠে।

✔️ ডিস্ক সমস্যা
মেরুদণ্ডের হাড়গুলোর মাঝে থাকে নরম ডিস্ক, যা শক অ্যাবজর্বারের মতো কাজ করে। ভুল ভঙ্গির কারণে ডিস্কের ওপর চাপ বেড়ে যায়, ডিস্ক সরে যেতে পারে বা ফুলে উঠতে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে তীব্র কোমর ব্যথা, পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ ভাব, সায়াটিকা (Sciatica)।

✔️ স্নায়ু চাপে সমস্যা
যখন মেরুদণ্ড বা পেশি সঠিক অবস্থানে থাকে না, তখন স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। এতে হতে পারে হাত বা পায়ে ঝিনঝিনি, অবশ ভাব, দুর্বলতা। কখনো কখনো ব্যথা হাত বা পায়ে ছড়িয়ে যায়।

✔️ শরীরের স্থায়ী গঠন পরিবর্তন
দীর্ঘদিন ভুল ভঙ্গিতে থাকলে শরীর সেই অবস্থাতেই অ্যাডজাস্ট হয়ে যায়। তখন কাঁধ একদিকে নেমে যায়, ঘাড় সামনে চলে আসে (forward head posture)। শরীরের সামগ্রিক গঠন বদলে যায়
এগুলো পরে ঠিক করা অনেক কঠিন হয়ে যায়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

28/03/2026

তরমুজের উপকারিতাগুলো জেনে নিন-

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা কমন মানসিকতা কাজ করে এত ছোট সমস্যা, এটা নিয়ে আবার ডাক্তার দেখানোর কী আছে? মাথা একটু ধরেছে, হাল...
28/03/2026

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা কমন মানসিকতা কাজ করে এত ছোট সমস্যা, এটা নিয়ে আবার ডাক্তার দেখানোর কী আছে? মাথা একটু ধরেছে, হালকা জ্বর, মাঝে মাঝে বুক জ্বালা, অনিয়মিত মাসিক এসবকে আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই। ব্যস্ততা, ভয়, বা অযথা টেস্টের খরচ বাঁচানোর চিন্তা সব মিলিয়ে আমরা বিষয়গুলোকে ছোট করে দেখি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শরীরের ছোট ছোট সিগন্যালই অনেক সময় বড় সমস্যার শুরু হতে পারে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, কোনো উপসর্গই হঠাৎ করে আসে না। শরীরের ভেতরে কিছু পরিবর্তন শুরু হলেই সেটা ছোট লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়। যেমন বারবার মাথা ব্যথা হতে পারে মাইগ্রেন, চোখের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ। দীর্ঘদিন হালকা জ্বর হতে পারে কোনো সংক্রমণ বা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ইঙ্গিত। অনিয়মিত মাসিক হতে পারে হরমোনজনিত সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম এর লক্ষণ। বুক জ্বালা বা অ্যাসিডিটি দীর্ঘদিন হলে গ্যাস্ট্রিক আলসার পর্যন্ত গড়াতে পারে। অর্থাৎ, যেটাকে আপনি অল্প ভাবছেন, সেটা আসলে বড় সমস্যার শুরুর সিগন্যাল হতে পারে।

পরীক্ষা না করানোর ঝুঁকিঃ-

✅ রোগ ধরা পড়ে দেরিতে
✅ জটিলতা বাড়ে
✅ চিকিৎসার খরচ বাড়ে
✅ মানসিক চাপ তৈরি হয়

কোনো উপসর্গ ৩-৫ দিনের বেশি থাকলে গুরুত্ব দিন। একই সমস্যা বারবার হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন হলে বেসিক কিছু পরীক্ষা (রক্ত, প্রস্রাব, আল্ট্রাসনোগ্রাম) করাতে দ্বিধা করবেন না। নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করুন। নিয়মিত হেলথ চেকআপ (বছরে অন্তত ১ বার) করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

হঠাৎ আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হলেই বা বৃষ্টি নামলেই অনেকেরই হাড়ে হাড়ে ব্যথা বেড়ে যায়। পুরোনো ব্যথাটা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।ব...
27/03/2026

হঠাৎ আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হলেই বা বৃষ্টি নামলেই অনেকেরই হাড়ে হাড়ে ব্যথা বেড়ে যায়। পুরোনো ব্যথাটা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।বিশেষ করে যাদের আগে থেকে জয়েন্ট বা মাংসপেশির সমস্যা আছে, তারা মৌসুম পরিবর্তনের সময় এই অস্বস্তিটা বেশি টের পান।

কেন মৌসুম বদলালে ব্যথা বাড়ে?

🔹 মৌসুম পরিবর্তনের সময় বায়ুচাপ কমে গেলে আমাদের শরীরের টিস্যু সামান্য ফুলে উঠতে পারে। এতে জয়েন্টের ভেতরে চাপ বাড়ে, ফলে ব্যথা অনুভূত হয় বিশেষ করে হাঁটু, কোমর বা কাঁধে।

🔹 মৌসুম খারাপ হলে আমরা কম চলাফেরা করি, ব্যায়াম কম হয়। এতে জয়েন্ট ও মাংসপেশি আরও শক্ত হয়ে গিয়ে ব্যথা বাড়ে।

🔹 বৃষ্টির সময় বা আর্দ্র আবহাওয়ায় জয়েন্টে অস্বস্তি বাড়তে পারে। এতে ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহও কিছুটা বেড়ে যেতে পারে।

🔹 ঠান্ডা আবহাওয়ায় মাংসপেশি ও লিগামেন্ট শক্ত হয়ে যায়। এতে নমনীয়তা কমে গিয়ে চলাফেরার সময় ব্যথা বাড়তে পারে।

🔹 যাদের আগে থেকে অস্টিওআর্থ্রাইটিস, পুরোনো চোট বা ব্যথা আছে, তাদের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পরিবর্তন এই সমস্যাগুলো আরো বাড়িয়ে দেয়।

মৌসুম বদলালে শরীরের ব্যথা বাড়া খুব সাধারণ বিষয় কিন্তু এটাকে অবহেলা করা ঠিক না। সঠিক যত্ন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে আপনি সহজেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

সবাইকে মহান  স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা
26/03/2026

সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

ঈদের সময়টায় আমরা সাধারণত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি খাই। বিভিন্ন ধরনের মাংস, রিচ খাবার, মিষ্টি, বাইরের খাবার সবকিছুই একট...
25/03/2026

ঈদের সময়টায় আমরা সাধারণত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি খাই। বিভিন্ন ধরনের মাংস, রিচ খাবার, মিষ্টি, বাইরের খাবার সবকিছুই একটু বেশি হয়ে যায়। সমস্যা হয় তখনই, যখন এই খাবারগুলো ঠিকমতো সংরক্ষণ করা হয় না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি থাকে। তাই ঈদের পরপরই অনেকের ডায়রিয়া বা ফুড পয়জনিংয়ের মতো সমস্যায় পড়া অস্বাভাবিক কিছু না।

ঈদের পর ডায়রিয়া বা ফুড পয়জনিংয়ের প্রধান কারণগুলোঃ-

🔹 অনেক সময় বাইরে খাওয়ার সময় বা শরবত/জুসে ব্যবহৃত পানি বা বরফ নিরাপদ হয় না, যা সহজেই ইনফেকশন ঘটাতে পারে।

🔹 খাবার তৈরির সময় বা খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার না থাকলে ব্যাকটেরিয়া সহজেই শরীরে ঢুকে পড়ে।

🔹 হঠাৎ করে বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে হজমে সমস্যা হয়, যা ডায়রিয়া বা পেট খারাপের কারণ হতে পারে।

🔹 গরু বা খাসির মাংস ঠিকমতো সিদ্ধ না হলে তাতে জীবাণু থেকে যেতে পারে।

ডায়ারিয়া হলে পর্যাপ্ত পানি ও ORS পান করুন, খিচুড়ি, সাদা ভাত, কলা, স্যুপ এ ধরনের সহজপাচ্য খাবার খান, বিশ্রাম নিন
শরীরকে সময় দিতে হবে সুস্থ হওয়ার জন্য। যদি ২ দিনের বেশি ডায়রিয়া চলতে থাকে, প্রচণ্ড পানিশূন্যতা (মুখ শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া) দেখা দেয়, বারবার বমি হয়, মলে রক্ত বা কালো রঙ দেখা দেয় তবে চিকিৎসা নিতে হবে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

20/03/2026

ঈদ মোবারক। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুবেচ্ছা।

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক
20/03/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক

অনেক সময় আমরা লক্ষ্য করি পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে রোগীর নিজের কষ্টের পাশাপাশি আশেপাশের মানুষদের ভয়, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগও ...
19/03/2026

অনেক সময় আমরা লক্ষ্য করি পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে রোগীর নিজের কষ্টের পাশাপাশি আশেপাশের মানুষদের ভয়, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। স্বাভাবিকভাবেই প্রিয় মানুষ অসুস্থ হলে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই ভয়, আতঙ্ক বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা অজান্তেই রোগীর উপর মানসিক চাপ তৈরি করে, যা তার সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে। রোগীর মানসিক অবস্থা তার শারীরিক সুস্থতার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। পরিবার যদি অতিরিক্ত ভয় বা নেতিবাচক কথা প্রকাশ করে, তাহলে রোগীর মনে হতাশা, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে। ফলে চিকিৎসা চললেও রোগীর মানসিক শক্তি কমে যায় এবং রোগ মোকাবেলার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।

পরিবারের সদস্যরা যদি বারবার রোগের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনা করেন, খারাপ সম্ভাবনার কথা বলেন বা উদ্বিগ্ন আচরণ করেন, তাহলে রোগী নিজেও মনে করতে শুরু করেন যে তার অবস্থা খুবই গুরুতর। এর ফলে রোগীর মধ্যে দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত ভয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, ঘুমের সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা।
দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্বেগ রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। বিজ্ঞানসম্মতভাবে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন স্ট্রেস থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, ক্ষত বা অসুস্থতা সেরে উঠতে সময় বেশি লাগে, রক্তচাপ বাড়তে পারে, ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য রোগীর মানসিক শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পরিবার যদি বারবার বলে এই রোগ খুব খারাপ, এটা থেকে ঠিক হওয়া কঠিন, কি হবে কে জানে
তাহলে রোগীর মনে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে। ফলে রোগী চিকিৎসার প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে, নিয়ম মেনে ওষুধ খাওয়ার প্রবণতাও কমে যেতে পারে।

রোগের চিকিৎসা শুধু ওষুধ বা পরীক্ষা নির্ভর নয়; রোগীর মানসিক অবস্থা এবং পারিবারিক পরিবেশও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবারের অতিরিক্ত ভয় বা উদ্বেগ অনেক সময় অজান্তেই রোগীর উপর মানসিক চাপ তৈরি করে, যা তার সুস্থ হওয়ার পথে বাধা হতে পারে। তাই রোগীর সামনে আতংক বা ভয় প্রকাশ করবেন না। রোগীর সাথে সবসময় ইতিবাচক কথা বলুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram