Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(5)

21/05/2026

গর্ভাবস্থায় এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না

Making Rickshaw Great Again! America is celebrating their 250th birthday by building 100 rickshaws with their flags! You...
20/05/2026

Making Rickshaw Great Again!
America is celebrating their 250th birthday by building 100 rickshaws with their flags! You can ride these rickshaw in Dhaka soon.

Be aware: These rickshaw mamas may charge more!

রিকশাকে আবারও মহান করে তুলি!
আমেরিকা তাদের ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে নিজেদের পতাকার নকশায় ১০০টি রিকশা তৈরি করে! খুব শিগগিরই ঢাকায় এই রিকশাগুলোতে চড়তে পারবেন।

তবে সাবধান — এই রিকশা মামারা কিন্তু ভাড়া একটু বেশি চাইতে পারে!

20/05/2026

বেল্ট ব্যবহারের পূর্বে এই বিষয়গুলো জানা দরকার

আমাদের চারপাশে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যার জীবনে কখনো মাথাব্যথা হয়নি। একটু বেশি রোদে ঘোরাঘুরি হলে, রাতে ঠিকমতো ঘুম ন...
20/05/2026

আমাদের চারপাশে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যার জীবনে কখনো মাথাব্যথা হয়নি। একটু বেশি রোদে ঘোরাঘুরি হলে, রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে বা কাজের অতিরিক্ত চাপ থাকলে আমাদের মাথা ধরতেই পারে। আর এই সাধারণ মাথাব্যথা দূর করতে আমরা সাধারণত এক কাপ কড়া চা খাই বা একটা প্যারাসিটামল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু সমস্যাটা বাঁধে তখন, যখন আমরা এই একই ফর্মুলা একজন মাইগ্রেনের রোগীর ওপর প্রয়োগ করতে যাই। প্রায়ই শোনা যায় আরে, একটু মাথাব্যথাই তো এতো নাটক করার কী আছে? কিংবা একটু চা খেয়ে শুয়ে থাকো, ঠিক হয়ে যাবে। এই ধরণের মন্তব্যগুলো একজন মাইগ্রেন রোগীর মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়। কারণ, যিনি এই ব্যথার মধ্য দিয়ে যান, একমাত্র তিনিই জানেন এটা কতটা নরকযন্ত্রণা। মাইগ্রেন কিন্তু আপনার-আমার সাধারণ চার-পাঁচটা মাথাব্যথার মতো নয়। এটি তার চেয়েও অনেক বেশি জটিল এবং গভীর একটি সমস্যা।

মাইগ্রেন হলো একটি ক্রনিক নিউরোলজিক্যাল কন্ডিশন (Chronic Neurological Condition) বা দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক রোগ। সহজ কথায়, এটি আমাদের মস্তিষ্ক এবং রক্তনালীর এক ধরণের জটিলতার কারণে হয়। এটি কোনো সাধারণ রোগ নয়, বরং এটি পুরো শরীরকে কাবু করে ফেলার মতো একটি পরিস্থিতি তৈরি করে। মাথাব্যথা মাইগ্রেনের অনেকগুলো লক্ষণের মধ্যে প্রধান একটি লক্ষণ মাত্র, কিন্তু এটাই শেষ কথা নয়। একটি মাইগ্রেন অ্যাটাক হুট করে আসে না, এর পেছনে একটি পুরো চক্র বা সাইকেল থাকে। একটি পূর্ণাঙ্গ মাইগ্রেন অ্যাটাকের ৪টি ধাপ রয়েছেঃ-

1️⃣ প্রড্রোম (Prodrome) বা প্রাথমিক সংকেত
​এটি মাথাব্যথা শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা বা ১-২ দিন আগেই দেখা দিতে পারে। আপনার শরীর আপনাকে সংকেত দেবে যে কিছু একটা গড়বড় হতে চলেছে। এর লক্ষণগুলো হলো মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা হঠাৎ খুব বিষণ্ণ লাগা, বারবার হাই তোলা এবং ঘাড়ে তীব্র অস্বস্তি বা শক্ত ভাব, কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা (Food cravings)।

2️⃣ অরা (Aura) বা দৃষ্টিভ্রম
​সব মাইগ্রেন রোগীর এই ধাপটি হয় না (শতকরা ২০-৩০ জনের হয়)। মাথাব্যথা শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে এটি হয়। এতে রোগী চোখের সামনে আলোর ঝলকানি দেখে, আঁকাবাঁকা লাইন দেখে, কিংবা সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। অনেকের হাত-পায়ে সুই ফোটার মতো অনুভূতিও হতে পারে।

3️⃣ অ্যাটাক (Attack)
​এটিই হলো সেই কুখ্যাত ধাপ, যা সাধারণত ৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথার যেকোনো একপাশে (কখনো দুপাশেও হতে পারে) তীব্র দপদপানির (Throbbing pain) মতো ব্যথা হয়। মনে হয় কেউ হাতুড়ি দিয়ে মাথার ভেতরে আঘাত করছে।

4️⃣ পোস্টড্রোম (Postdrome)
ব্যথা কমে যাওয়ার পরও রোগী পুরোপুরি সুস্থ বোধ করে না। একে বলা হয় মাইগ্রেন হ্যাংওভার। এই সময়ে রোগী প্রচণ্ড ক্লান্ত অনুভব করে, শরীরে কোনো শক্তি পায় না এবং মাথায় একটা হালকা ফাঁপা বা ভারী অনুভূতি থেকে যায়।

মাইগ্রেনকে অবহেলা করবেন না। নিজের মনগড়া বা ফার্মেসি থেকে ঘনঘন ব্যথানাশক (Painkiller) ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করবেন না। এতে সাময়িক আরাম মিললেও পরবর্তীতে মেডিকেশন ওভারইউজ হেডেক বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত নতুন ধরণের মাথাব্যথা শুরু হতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমরা যখন অসুস্থ হই, তখন আমাদের প্রথম চিন্তাটাই থাকে নিশ্চয়ই কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়েছে, আবহাওয়া পরিবর্...
19/05/2026

আমরা যখন অসুস্থ হই, তখন আমাদের প্রথম চিন্তাটাই থাকে নিশ্চয়ই কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়েছে, আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে কিংবা ধকল বেশি গেছে। কিন্তু আমরা প্রতিদিন প্লেটে কী তুলে নিচ্ছি, সেটা যে আমাদের প্রতিদিনের শারীরিক অস্বস্তির প্রধান কারণ হতে পারে, এই সত্যটা আমরা অনেকেই এড়িয়ে যাই। মাথাব্যথা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, ক্লান্তি বা জয়েন্টে ব্যথার মতো দৈনন্দিন সমস্যাগুলোকে আমরা স্রেফ সাধারণ অসুস্থতা ভেবে ওষুধ খেয়ে চেপে রাখি। অথচ, একটু গভীরভাবে লক্ষ করলে দেখা যাবে, এই সমস্যাগুলোর সিংহভাগেরই সুতো বাঁধা রয়েছে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে।

মানুষ সাধারণত যেকোনো ঘটনার তাৎক্ষণিক ফলাফল খুঁজতে অভ্যস্ত। যেমন আঙুলে সুই ফুটলে সাথে সাথে ব্যথা লাগে, তাই আমরা সাবধান হই। কিন্তু খাবারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এমন হয় না (যদি না তীব্র ফুড পয়জনিং বা অ্যালার্জি থাকে)। অতিরিক্ত চিনি, রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট বা প্রসেসড ফুড খাওয়ার সাথে সাথেই কেউ অসুস্থ হয় না। এই খাবারগুলো শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে সাইলেন্ট ইনফ্লামেশন তৈরি করে। বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা এই ইনফ্লামেশন একসময় আর্থ্রাইটিস, ক্রনিক ফ্যাটিগ (দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি) বা অস্টিওপরোসিসের মতো জটিলতায় রূপ নেয়। যেহেতু প্রক্রিয়াটি ধীরগতির, তাই মানুষ বুঝতেই পারে না ৫ বা ১০ বছর আগের খাদ্যাভ্যাস আজকের এই ব্যথার জন্য দায়ী। ফুড অ্যালার্জি মানুষ সহজেই বুঝতে পারে কারণ এর প্রতিক্রিয়া তীব্র হয় (যেমন: চিংড়ি খেলে শরীর চুলকানো বা শ্বাসকষ্ট হওয়া)। কিন্তু ফুড ইনটলারেন্স বা খাবারের অসহনশীলতা ধরা কঠিন। গ্লুটেন (গমজাত খাবার) বা ডেইরি (দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার) অনেকের শরীর ঠিকঠাক হজম করতে পারে না। এর প্রতিক্রিয়া খাবার খাওয়ার সাথে সাথে না হয়ে কয়েক ঘণ্টা বা এমনকি ২-৩ দিন পর দেখা দিতে পারে। ততক্ষণে মানুষ অন্য অনেক কিছু খেয়ে ফেলে, ফলে ঠিক কোন খাবারের কারণে শরীর খারাপ লাগছে (যেমন: পেট ফাঁপা, জয়েন্ট পেইন বা ব্রেইন ফগ), তা চিহ্নিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমাদের অন্ত্র বা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টকে বলা হয় শরীরের দ্বিতীয় মস্তিষ্ক (Second Brain)। অন্ত্রে কোটি কোটি অণুজীব বা মাইক্রোবায়োম থাকে, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে। আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার বা ফাস্টফুড এই ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। এর ফলে যখন মুড সুইং, বিষণ্ণতা, বা তীব্র ক্লান্তি দেখা দেয়, মানুষ সেটাকে মানসিক চাপ বা কাজের চাপ মনে করে। অথচ মূল সমস্যাটি হয়তো তৈরি হচ্ছে তাদের হজম প্রক্রিয়ার অব্যবস্থাপনা থেকে।

আজকের দিনে সামান্য বুক জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টাসিড বা পেইনকিলার খাওয়া একটা রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ওষুধগুলো সাময়িকভাবে লক্ষণটি (Symptom) কমিয়ে দেয়, কিন্তু সমস্যার মূল কারণ (Root Cause) দূর করে না। অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে মাথাব্যথা হলে, মানুষ একটা পেইনকিলার খেয়ে নেয়। এতে শরীর যে সংকেত (Signal) দিচ্ছিল যে খাবারে গড়বড় আছে, তা চাপা পড়ে যায়। ফলে খাদ্যাভ্যাস বদলানোর প্রয়োজনীয়তা মানুষ আর অনুভব করে না।

তাই সুস্থ থাকতে হলে শরীরের ভেতরের সংকেতগুলো বুঝতে হবে। প্রতিদিন কী খাচ্ছেন এবং তার কয়েক ঘণ্টা পর শরীর কেমন আচরণ করছে, সেদিকে নজর দেওয়া শুরু করুন। রোগ প্রতিরোধের প্রথম ধাপটি শুরু হয় আপনার রান্নাঘর থেকেই।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

18/05/2026

লবণ কম খেলে যেসব সুফল পাবেন-

সারাদিন আমরা কতবার ফোনের স্ক্রিনে তাকাই, তার হিসাব হয়তো আমাদের কাছে নেই। টুং করে একটা শব্দ হলো কি হলো না, পকেট থেকে ফোন ...
18/05/2026

সারাদিন আমরা কতবার ফোনের স্ক্রিনে তাকাই, তার হিসাব হয়তো আমাদের কাছে নেই। টুং করে একটা শব্দ হলো কি হলো না, পকেট থেকে ফোন বের করে চেক করা আমাদের এক ধরণের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই ছোট্ট একটা নোটিফিকেশন আপনার মস্তিষ্কের ভেতরে ঠিক কতটা তোলপাড় সৃষ্টি করে? আমরা ভাবি, এক সেকেন্ডের জন্য একটা মেসেজ দেখে নিলে ক্ষতি কী। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এই এক সেকেন্ডের বিচ্যুতি আমাদের মনোযোগের গভীরতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। আমরা প্রযুক্তির সাথে সংযুক্ত হচ্ছি ঠিকই, কিন্তু নিজের অজান্তেই আমাদের মস্তিষ্ককে করে তুলছি অস্থির এবং ক্লান্ত।

যখনই ফোনে নোটিফিকেশন আসে, আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন (Dopamine) নামক এক ধরণের রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। একে বলা হয় ফিল গুড হরমোন। মস্তিষ্ক মনে করে নতুন কোনো পুরস্কার বা চমক অপেক্ষা করছে। ফলে আমরা বারবার ফোন চেক করার এক ধরণের তীব্র তাড়না অনুভব করি। এটি অনেকটা জুয়া খেলার নেশার মতো কাজ করে। মস্তিষ্ক আসলে একসাথে দুটো কাজ (Multitasking) করতে পারে না, বরং সে খুব দ্রুত এক কাজ থেকে অন্য কাজে সুইচ করে। একে বলা হয় Task Switching Cost। একবার নোটিফিকেশন দেখার পর পুনরায় আগের কাজে পুরোপুরি মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে একজন মানুষের গড়ে ২৩ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ফলে কাজের মান ও সৃজনশীলতা কমে যায়। মস্তিষ্কের সামনের অংশ বা Pre-frontal Cortex আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সারাক্ষণ নোটিফিকেশন চেক করলে এই অংশটি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে মানুষের ধৈর্য কমে যায়, খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা লোপ পায়। ফোন পকেটে না থাকলেও বা কোনো মেসেজ না আসলেও অনেকের মনে হয় ফোন কাঁপছে বা শব্দ হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে আপনার মস্তিষ্ক সারাক্ষণ ফোনের উত্তেজনায় কতটা আচ্ছন্ন হয়ে আছে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন মস্তিষ্কে কর্টিসল (Cortisol) বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে আমাদের হৃদস্পন্দন বাড়তে পারে এবং শরীরে এক ধরণের অদৃশ্য অস্থিরতা বা অ্যাংজাইটি তৈরি হয়।

প্রয়োজনীয় অ্যাপ বাদে বাকি সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। কাজের সময় বা পড়ার সময় ফোন অন্য রুমে রাখুন। ডিজিটাল ডিটক্স পালন করুন অর্থাৎ দিনে অন্তত ১-২ ঘণ্টা ফোন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোনের স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

17/05/2026

স্ট্রেচিংয়ের সঠিক নিয়ম জেনে নিন-

হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলে যা খাবেন, যা খাবেন না-থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বর্তমানে আমাদের দেশের খুব সাধারণ একটি সমস্যা ...
17/05/2026

হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলে যা খাবেন, যা খাবেন না-

থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বর্তমানে আমাদের দেশের খুব সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের গলার সামনের দিকে থাকা ছোট এই গ্রন্থিটি শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে হৃদস্পন্দন এবং তাপমাত্রার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। যখনই এই গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কমে যাওয়া) বা হাইপারথাইরয়েডিজম (হরমোন বেড়ে যাওয়া) দেখা দেয়। আর এই সমস্যার সমাধানে ওষুধের পাশাপাশি সঠিক জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস বড় ভূমিকা পালন করে। অনেকে মনে করেন থাইরয়েড হওয়া মানেই সব পছন্দের খাবার বন্ধ, আসলে কিন্তু তা নয়। বরং সঠিক পুষ্টির সমন্বয় থাইরয়েড রোগীদের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে দিতে পারে।

হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে যা খাবেন (হরমোন কম তৈরি হলে)
​এই সমস্যায় মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ফলে ওজন বাড়ার প্রবণতা থাকে।
🔹 আয়োডিনযুক্ত লবণ
🔹 সামুদ্রিক মাছ
🔹 ডিম
🔹 ডাল ও বীজ জাতীয় খাবার
🔹 প্রচুর পানি ও ফাইবার

কিছু খাবার আছে যা থাইরয়েড গ্রন্থির আয়োডিন শোষণে বাধা দেয়। এদের গয়ট্রোজেন বলা হয় যেমনঃ-
🔹 বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি
🔹 সয়াবিন

হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলে যা খাবেন
🔹 বাঁধাকপি, ফুলকপি
🔹 ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি
🔹 বাদাম ও শস্য

যা একদম এড়িয়ে চলা উচিত
🔹 প্রসেসড ফুড ও সুগার
🔹 অতিরিক্ত ক্যাফেইন
🔹 গ্লুটেন

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

14/05/2026

পেটের জ্বালা-পোড়ার কারণ ও প্রতিকার !

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

For contact ☎️
01313 71 72 72

13/05/2026

যে কারনে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আমাদের খেতে হবে

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share