Jahan's Hijama & Ruqyah

Jahan's Hijama & Ruqyah হিজামা এবং রুকইয়াহ রাসূল (সাঃ) এর সুন্নাহ্ চিকিৎসা পদ্ধতি।

05/10/2023

আলহামদুলিল্লাহ্ গত ১৭ই রবিউল আউয়াল (৩রা অক্টোবর , ২০২৩) রোজ মঙ্গলবার থেকে নিজস্ব চেম্বারে রোগীদের হিজামা করানো শুরু হলো। শুরু হলো Jahan's Hijama & Ruqyah এর পথচলা। توكلت على الله একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করেই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নবীজীর একটি সুন্নাহের প্রচারের লক্ষ্যেই আমাদের পথচলা। ইনশাআল্লাহ্ আমরা ভালো কিছুই করবো।সবার কাছে দু'আ র দরখাস্ত।

09/03/2023

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারাকাতুহ!

https://www.facebook.com/100050584865110/posts/678735397155950/
14/09/2022

https://www.facebook.com/100050584865110/posts/678735397155950/

বৃষ্টির সময়ের ৬টি সুন্নাহ

{১} বৃষ্টির দোয়া পাঠ করা।

দোয়াটি হলো- اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا “হে আল্লাহ কল্যাণকর বৃষ্টি দাও” (বুখারী: ৬৯১)

অতিবৃষ্টি বা ক্ষতিকর বৃষ্টি হলে এই দোয়া পাঠ করা- اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا، وَلاَ عَلَيْنَا “হে আল্লাহ আমাদের আশপাশে (জনবসতির বাহিরে) বৃষ্টি দাও, আমাদের উপর নয়।’’ (বুখারী: ৯৩৩)

{২} আল্লাহর ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকা।

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলে এবং ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হলে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘাবড়ে যেতেন যে, এটি আল্লাহর আযাব কিনা। (সহীহ মুসলিম: ১৯৫৭)

{৩} বৃষ্টিকে আল্লাহর রহমত বলে অভিহিত করা।

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, প্রিয়নবী সা. যখন বৃষ্টি দেখতেন তখন বলতেন, “এ তো আল্লাহর রহমত।” (সহীহ মুসলিম: ১৯৫৭)

{৪} বৃষ্টি-বাদল সংক্রান্ত কুসংস্কার থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হওয়া।

প্রিয়নবী সা. হাদীসে কুদসীতে বলেন, “যে বলে, আল্লাহর করুণা ও রহমতে আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে হল আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের (শক্তির) প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে বলেছে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টিপাত হয়েছে, সে আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী।” (সহীহ মুসলিম: ৮৪৬)

{৫} বৃষ্টির পানি গায়ে লাগানো।

রাসুলুল্লাহ সা. বৃষ্টির পানি গায়ে লাগাতেন। সহীহ মুসলিম: ১৯৫৬

{৬} বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়, তাই এ সময়ে দোয়া করা।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “দুই সময়ের দো’আ প্রত্যাখ্যাত হয় না কিংবা কম প্রত্যাখ্যাত হয়। (এক) আযানের সময়। (দুই) বৃষ্টির সময়।” সহীহুল জামে: ৩০৭৮

02/07/2022

জিলহজে আমলে সালেহ
-
ভূমিকা (এক): আমাদের প্রকাশিত বই ‘খুলুকিন আযীম’ ও প্রকাশিতব্য বই ‘উসওয়াতুন হাসানা ও আমলে সালিহ’-এর নির্যাস একটি পোস্টে জমা করার তামান্না ছিলো। রব্বে কারিম তাওফিক দিয়েছেন। তিনটি বই মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি পৃষ্ঠা ছেঁকে আনা হয়েছে এই সুন্নতগুলো। আরও অসংখ্য সুন্নত বাকি রয়ে গেছে। রব্বে কারিম তাওফিক দিলে সেগুলোও যোগ করার চেষ্টা করব। ইন শা আল্লাহ। খাস করে দোয়ার দরখাস্ত, রব্বে কারিম যেন বইগুলোকে কবুল করে নেন।
ভূমিকা (দুই): এই দশদিনে সুন্নতগুলো এক এক করে পালন করার চেষ্টা করতে পারি। কিছু সুন্নত তো প্রায় সবাই নিয়মিত আদায় করে থাকেন। রব্বে কারীম তাওফিক দান করুন। আমীন।

--
১ঃ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
জিলহজের প্রথম দশকের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই (বুখারি: ৯৬৯)।
২ঃ আল্লাহ তাআলা সূরা ফজরে এই দশ দিনের শপথ করেছেন।
৩ঃ এই মাসেই শুধু ইসলামের সমস্ত মৌলিক ইবাদত করার সুযোগ আছে। নামাজ, রোজা, হজ, কুরবানি।
৪ঃ এই দশ দিনের আমল আল্লাহর কাছে জি/হা/দে/র চেয়েও উত্তম।
৫ঃ জিলহজের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে, কুরবানির জন্তু জবেহ করা পর্যন্ত নখচুল না কাটা।
৬ঃ কুরবানির জন্তুকে ভাল করে খাইয়ে-দাইয়ে মোটাতাজা করা।
৭ঃ হজে না গিয়ে ঘরে থেকেও সম্ভব হলে মক্কায় ‘হাদি’ (কুরবানির জন্তু) পাঠাতে পারি।
জিলহজের জিকির
বেশি বশি পড়ব।
উঠতে বসতে পড়ব।
সময় পেলেই পড়ব। ইন শা আল্লাহ।
১ঃ সুবহানাল্লাহ (سبحَان الله)। আলহামদুলিল্লাহ (الحمدُلله)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لا إله إلا الله)। আল্লাহু আকবার (الله أكبر)।
২ঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سبحان الله وبحمدِه)। সুবহানাল্লাহিল আযীম (سبحان الله العَظيم)।
৩ঃ লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (لا حَول ولا قُوة إلا بالله)।
৪ঃ আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি (أستغفر الله و أتُوب إليه)।
৫ঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (اللهُم صل وسلم على نبينا مُحمد)।
৬ঃ লা ইলাহ ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
لا إله إلا الله وحدهُ لا شريك له ، له المُلك وله الحمد وهو على كُل شيء قدِير
৭ঃ হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।
حسبي الله لا إله إلا هو ، عليه تَوكلت وهُو ربّ العرش العظيم
৮ঃ আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজআলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।
اللهم إجعلنِي من التَوابين وإجعلنِي من المُتطهرين
৯ঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন।
لا إله إلا أنت سبحانك إني كُنت من الظَالمين
১০ঃ ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবির পাঠ করা।
الله أكبر، الله أكبر،لا إله إلاالله والله أكبر،الله أكبر ولله الحمد
তাকবিরঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
জিলহজের অন্যান্য আমলঃ
১১ঃ সামর্থ থাকলে কুরবানি করা।
১২ঃ একেবারে শেষ সময়ে সাহরি খাওয়া।
১৩ঃ সাহরিতে খেজুর খাওয়া।
১৪ঃ সময় হওয়ার সাথে সাথে ইফতার করে ফেলা।
১৫ঃ ঈদের নামাজ আদায় করা।
১৬ঃ জিলহজের প্রথম নয়দিন রোজা রাখা। বিশেষ করে নয় তারিখে আরাফার রোজা রাখা। এই নয়দিনে সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজা রাখা যেতে পারে।
সাধারণ আমল
১৭ঃ ফরজ নামাজ আদায় করা।
১৮ঃ বেশি বেশি দোয়া করা।
১৯ঃ আযান ও ইকামতের জবাব দেয়া।
২০ঃ বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা।
২১ঃ সাধ্যানুযায়ী কুরআন তাদাব্বুর করা। আমলের নিয়তে চিন্তা ভাবনা করে বুঝে বুঝে তিলাওয়াত করা।
২২ঃ অল্প হলেও প্রতিদিন নতুন আয়াত বা সূরা মুখস্থ করার চেষ্টা করা।
২৩ঃ একটা আয়াত হলেও তাফসীর পড়তে পারি। অন্যের সাথে আয়াতটি নিয়ে মত বিনিময় করতে পারি।
২৪ঃ কুরআন শেখাতে পারি। বিশেষ করে শিশুদের সূরা ফাতিহা ও ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করাতে পারি।
২৫ঃ সামর্থ অনুযায়ী সদকা করা।
২৬ঃ মাতা-পিতার প্রতি বাড়তি সদাচার করতে পারি।
২৭ঃ ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের খোঁজ-খবর করতে পারি।
২৮ঃ মেহমানের একরাম-সম্মান করতে পারি।
২৮ঃ মেহমানকে বিদায় জানাতে এগিয়ে যেতে পারি। তাকে তুলে দেয়ার জন্য গাড়ি পর্যন্ত যেতে পারি।
২৯ঃ জুমার দিন গোসল করতে পারি।
৩০ঃ জুমার দিন আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারি।
৩১ঃ জুমার দিন আগে আগে মসজিদে যেতে পারি।
৩২ঃ ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসতে পারি।
৩৩ঃ মসজিদে গিয়ে কাতারের ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে পারি।
৩৪ঃ কাতার সোজা করায় সক্রিয় অংশ নিতে পারি। নিজের থেকে কাতার পুরো করতে পারি।
৩৫ঃ মুচকি হেসে কথা বলতে পারি।
৩৬ঃ চারপাশে ছড়িয়ে থাকা আল্লাহর আয়াত বা নিদর্শন নিয়ে ভাবতে পারি। পিঁপড়ার সৃষ্টি নিয়ে ভাবতে পারি। নিজের চোখ নিয়ে ভাবতে পারি।
৩৭ঃ সুনানে রাওয়াতেব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাগুলো বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে আদায় করতে পারি। ফজরের আগে দুই রাকাত, জোহরের আগে চার, পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পর দুই রাকাত, এশার পার দুই রাকাত সুন্নত আদায় করতে পারি।
৩৮ঃ ইশরাক ও চাশতের নামাজ পড়তে পারি।
৩৯ঃ সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো করতে পারি।
৪০ঃ পাঁচ নামাজের পর মাসনুন দোয়া ও আমল করতে পারি।
৪১ঃ প্রতিটি ক্ষেত্রের দোয়া ও জিকির পড়তে পারি।
৪২ঃ ওজু অবস্থায় ঘুমাতে পারি।
৪৩ঃ পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মিলেমিশে খাবার গ্রহণ করতে পারি।
৪৪ঃ সাদা পোশাক পরতে পারি।
৪৫ঃ সাদা চুলে মেহেদি লাগাতে পারি।
৪৬ঃ নেক নিয়তে, পরোপকারের নিয়তে ফলদার বা ছায়াদার গাছ লাগাতে পারি।
৪৭ঃ মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজন পুরো করতে পারি।
৪৮ঃ মুসলিম ভাইবোনের জন্য ইস্তেগফার করতে পারি।
৪৯ঃ গুনাহ থেকে বাঁচার নিয়তে স্ত্রীর সাথে বেশি বেশি সময় কাটাতে পারি।
৫০ঃ সওয়াবের আশায়, সুন্নতের নিয়তে রুকিয়া করতে পারি।
৫১ঃ সওয়াবের আশায়, সুন্নতের নিয়তে ‘হিজামা’ করাতে পারি।
৫২ঃ মাইয়েতের কাফন ও দাফনে শরিক হতে পারি।
৫৩ঃ মুসলিমের দেয়া কষ্ট পেয়ে সবর করতে পারি।
৫৪ঃ অন্যে কষ্ট দিলেও, বিনিময়ে তার সাথে সুন্দর ব্যবহার করতে পারি।
৫৫ঃ সবার সাথে কোমল আচরণ করতে পারি।
৫৬ঃ কাজেকর্মে ধীরস্থিরতা অবলম্বন করতে পারি। বিশেষ করে নামাজে।
৫৭ঃ মুখে সবসময় স্মিত হাসি লেপ্টে রাখতে পারি।
৫৮ঃ যতই ক্রোধ উঠুক, সওয়াবের আশায় কষ্ট করে হলেও দমন করতে পারি।
৫৯ঃ অন্যকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করতে পারি।
৬০ঃ সলাতুত তাওবা আদায় করতে পারি।
৬১ঃ সলাতুত তাসবীহ আদায় করতে পারি।
৬২ঃ দুই রাকাত তাহিয়াতুল ওজু পড়তে পারি।
৬৩ঃ মসজিদে গিয়ে বসার আগে দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করতে পারি।
৬৪ঃ সুযোগ পেলে, অন্য মুসলিম ভাইকে ‘নসীহা’ করতে পারি। নিজেও নসীহত অনুযায়ী আমল শুরু করতে পারি।
৬৫ঃ নিরক্ষরকে অক্ষর শেখাতে পারি। কাউকে মাসয়ালা শেখাতে পারি।
৬৬ঃ আমর বিল-মারূফ-সৎকাজের আদেশ করতে পারি।
৬৭ঃ সম্ভাব্য পরিসরে অসৎ কাজে নিষেধ করতে পারি।
৬৮ঃ সুযোগ পেলে মাজলুমের সাহায্য করতে পারি। এখন তো মাজলুমের অভাব নেই।
৬৯ঃ প্রতিদিন আগের দিনের চেয়ে বেশি পরিমাণে দৃষ্টি অবনত রাখার আমল করতে পারি।
৭০ঃ আল্লাহর জন্য ভাই-বেরাদর, বন্ধুবান্ধবের সাথে দেখা করতে যেতে পারি।
৭১ঃ জানাজায় শরিক হতে পারি।
৭২ঃ বিপদগ্রস্ত, শোকগ্রস্তকে সান্ত্বনা দিতে পারি।
৭৩ঃ অসুস্থ ভাইবোনকে দেখতে যেতে পারি।
৭৪ঃ কেউ দাওয়াত দিলে সাড়া দিতে পারি।
৭৫ঃ দুঃখীজনকে সমবেদনা জানানো।
৭৬ঃ ঋণ পরিশোধ করা। অল্প হলেও শোধ করা।
৭৭ঃ অভাবীকে সাধ্যানুযায়ী করজ দেয়া।
৭৮ঃ অভাবী ঋণগ্রহীতাকে ঋণ পরিশোধের জন্য সুবিধাজনক সময় দেয়া।
৭৯ঃ অভাবী ঋণগ্রহীতার ঋণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া। সম্ভব হলে মাফ করে দেয়া।
৮০ঃ অন্যের কাছে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে অসমর্থ ব্যক্তিকে ঋণ পরিশোধে সাহায্য করা। গরীব লোকের দোকানের বকেয়া পরিশোধ করা।
৮১ঃ অন্যের জন্য সুপারিশ করা। চাকরি পেতে, ঋণ পেতে। প্রয়োজন পুরো করতে।
৮২ঃ প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়া বা অন্য কোনো কারণে কিনে নেয়া পণ্য ফেরৎ দিতে চাইলে ফেরত নিতে পারি। এটাকে নবীজি সা.-এর ভাষায় বলে (‏إقالة النادم)। অত্যন্ত চমৎকার আর মহত্তর দারুণ এক সুন্নাহ।
৮৩ঃ পথ থেকে কষ্টকর বস্তু সরিয়ে দিতে পারি।
৮৪ঃ ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি চাওয়া। তিনবার অনুমতি চাওয়ার পরও দরজা না খুললে ফেরত যাওয়া।
৮৫ঃ হাই এলে রোধ করার চেষ্টা কর।
৮৬ঃ ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জায়নামাজে বসে জিকির-আজকারে মশগুল থাকা।
৮৭ঃ নিজের পরিবার-পরিজনকে সলাতের আদেশ করা।
৮৮ঃ ঘরে ফিরে এসে ও ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দুই রাকাত সলাত আদায় করা।
৮৯ঃ কোনও মুসলিম নতুন নেয়ামত লাভ করলে, তাকে স্বাগত জানানো।
৯০ঃ সময়-সুযোগ করে ইনসাফের সাথে ওসিয়ত লিখে রাখা।
৯১ঃ বস্ত্রহীন মুসলিমকে বস্ত্র দান করা।
৯২ঃ জুতো পরিধানের সময় ডান পায়ে আগে পরা।
৯৩ঃ জুতো খোলার সময় আগে বাম পা খোলা।
৯৪ঃ বসে পানি পান করা।
৯৫ঃ মৃত ব্যক্তিকে কালিমার তালকীন করা। মনে মুখে মুখে কালিমা পড়ানোর চেষ্টা করা। তার কানে শোনা যায় মতো করে উচ্চ স্বরে কালিমা পড়তে থাকা।
৯৬ঃ প্রতিটি কাজ ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করা।
৯৭ঃ নিয়মিত মিসওয়াক করা। ঘরে প্রবেশের আগে মিসওয়াক করা।
৯৮ঃ উত্তম পন্থায় গ্রহণ করা ঋণ পরিশোধ করা।
৯৯ঃ প্রয়োজনে ইস্তেখারা সলাত আদায় করা।
১০০ঃ আনন্দে সিজদায়ে শোকর আদায় করা। অনন্দ সংবাদে দুই রাকাত সলাতুশ শোকর আদায় করা।
১০১ঃ কোনো বিষয়ে কসম করলে, শরীয়তের প্রয়োজনে, অন্যের কল্যাণের উদ্দেশ্যে কসম ভেঙে কাফফারা আদায় করা।
১০২ঃ ঘরের মানুষটাকে কাজেকর্মে সাধ্যমতো সাহায্য করা।
১০৩ঃ হেঁটে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।
১০৪ঃ সলাতে দাঁড়ালে সামনে ‘সুতরা’ ব্যবহার করা।
১০৫ঃ সাধ্যমতো সুন্দর সুরে কুরআন তিলাওয়াতের চেষ্টা করা।
১০৬ঃ তাওফিকে কুলোলে গরীবকে কুরবানির জন্য ‘ছাগল’ হাদিয়া দেয়া।
১০৭ঃ নিজে বিয়ে করা বা অন্যকে বিয়ে করতে সহযোগিতা করা।
১০৮ঃ দুই বিবদমান ব্যক্তির মাঝে লেগে থাকা ঝগড়া মিটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা।
১০৯ঃ সৎসঙ্গ অবলম্বন করা। ভাল মানুষের সাথে বেশি বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করা।
১১০ঃ দীনের খেদমতের উদ্দেশ্যে ‘ওয়াকফ’ করা। মসজিদের জন্য, জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য মাদরাসার জন্য জায়গা-জমি দান করা।
১১১ঃ তাওফিক থাকলে হজ করা।
১১২ঃ মুসলিম ভাইকে আল্লাহর জন্য মহব্বত করা।
১১৩ঃ অন্যকে ক্ষমা করা।
১১৪ঃ এক নামাজের পর আরেক নামাজের অপেক্ষায় থাকা।
১১৫ঃ মসজিদে দীনি মুজাকারা ও হালকায় শরিক হওয়া।
১১৬ঃ ওলামায়ে কেরামকে সম্মান-তাজীম করা।
১১৭ঃ এটা হালাল না হারাম, জায়েজ না না জায়েজ, এমন সন্দেহপূর্ণ বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা।
১১৮ঃ সাধ্যমতো সুন্নতের প্রচার ও প্রসার ঘটানো।
১১৯ঃ অন্যকে হাদিয়া দেয়া।
১২০ঃ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মুসলিম ভাইরে সাথে মুসাফা (হ্যান্ডশেক) করা।
১২১ঃ বড়কে সম্মান করা। ছোটকে স্নেহ করা।
১২২ঃ স্বামীর ডাকে সাড়া দেয়া। স্বামীর অনুগত্য করা।
১২৩ঃ স্বামীর বাড়ির কাজে শরিক হওয়া।
১২৪ঃ মসজিদ পরিষ্কার করার কাজে শরিক হওয়া।
১২৫ঃ পিপাসার্তকে পানি পান করানো।
১২৬ঃ অন্যের ভালো কাজ বা অনুগ্রহে শুকরিয়া আদায় করা। জাযাকাল্লাহু খাইরান বলা।
১২৭ঃ অন্যের ভাল কাজের প্রতিদান দেয়া। তার জন্য দোয়া করা।
১২৮ঃ আল্লাহর ভয়ে কাঁদা।
১২৯ঃ আল্লাহর কাছে ‘শাহাদত’ চেয়ে দোয়া করা।
১৩০ঃ বেচা ও কেনায় উদার সহিষ্ণু আচরণ করা। গরিব ক্রেতাকে ছাড় দেয়া। গরিব বিক্রেতাকে ন্যয্য দামের চেয়ে বেশি দেয়ার চেষ্টা করা।
১৩১ঃ মুসলিম ভাইয়ের দোষত্রুটি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করা।
১৩২ঃ এতিমের প্রতিপালন করা। পুরোটা না পারলে এতিমখানায় দান করার চেষ্টা করা।
১৩৩ঃ বিধবার প্রয়োজন পূরণে এগিয়ে যাওয়া।
১৩৪ঃ মসজিদ নির্মাণে শরিক হওয়া।
১৩৫ঃ অন্যকে ভালো কাজের সন্ধান দেয়া। ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করা।
১৩৬ঃ দীনি কিতাবাদি ছাপানোর কাজে সহযোগিতা করা।
১৩৭ঃ অনলাইনে, অফলাইনে দীনি ইলম প্রসারে শরিক হওয়া।
১৩৮ঃ সম্ভব হলে ওয়াজ করা। নিজের সংশোধনের উদ্দেশ্যে অন্যের ওয়াজ শোনা।
১৩৯ঃ পরিচারক ও মজদুর শ্রেণির কাজ সহজ করে দেয়া। গরিব পেশাজীবীকে সাহায্য করা। স্বল্পবুদ্ধি, প্রতিবন্ধীকে পেশাগত দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করা। বিনামূল্যে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা।
১৪০ঃ অন্যের মনে আনন্দ পৌঁছানো।
১৪১ঃ অন্যকে আহার করানো।
১৪২ঃ এতিমের মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়া।
১৪৩ঃ নিয়মিত ওজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করা।
১৪৪ঃ কন্যা, বোন ও ফুফুদের সাহায্যে তৎপর থাকা। তাদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখা।
১৪৫ঃ স্ত্রী ও সন্তানের জন্য সাধ্যমতো খরচ করা।
১৪৬ঃ শিশুদের আদর করা। তাদের সাথে খুনসুটি খেলা করা।
১৪৭ঃ স্থান ও কালের সাথে সম্পৃক্ত কল্যাণমূলক কাজ ও ইবাদতের কথা ব্যাপকভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়া। রমজানে রোজার কথা। জিলহজে হজের কথা, জুমার দিন জুমার সুন্নতের কথা।
১৪৮ঃ আমানত রক্ষা করা। আমানত মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া।
১৪৯ঃ সওয়াবের আশায় অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার কাজে শরিক হওয়া।
১৫০ঃ বন্দীমুক্তির চেষ্টা করা।
১৫১ঃ বন্দী ও আল্লাহর রাস্তায় মেহনতে শরিক হওয়া ভাইদের অসহায় পরিবারের খোঁজখবর রাখা।
১৫২ঃ চতুষ্পদ জন্তু, পশুপাখির প্রতি সদয় আচরণ করা।
১৫৩ঃ মুসলিম শিশুদের উপযোগী বইপত্র ছাপিয়ে বিতরণ করা। তাদের জন্য নির্দোষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
১৫৪ঃ বিশুদ্ধ ইলম শিখে, আমানতের সাথে অন্যের কাছে সেই ইলম পৌঁছৈ দেয়া।
১৫৫ঃ মুসলিম ভাইয়ের সম্মান রক্ষায় সচেষ্ট সরব হওয়া।
১৫৬ঃ কুরআন তিলাওয়াত শোনা।
১৫৭ঃ অন্যের ভালো, কেউ ইলম শিখলে, হিফজ করলে, পুরস্কৃত করে উৎসাহ দেয়া।
১৫৮ঃ দীন মহফিলের আয়োজন করা। সভা-সেমিনারের ব্যবস্থা করা।
১৫৯ঃ গরিব ভাইবেরাদর, পাড়া-প্রতিবেশিকে জামাকাপড়, থালাবাসন সাময়িক প্রয়োজনে ‘হাওলাত’ দিতে পারি।
১৬০ঃ জনকল্যাণমূলক সেবাসংস্থা প্রতিষ্ঠা করা। সেবাকার্য পরিচালনা করা।
১৬১ঃ হাজি সাহেবের খরচ বহন (স্পন্সর) করার চেষ্টা করা। পুরোটা না হলেও কিছুটা হলেও।
১৬২ঃ তালিবে ইলমকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করা।
১৬৩ঃ ‍কুরআন তিলাওয়াতের সময় আযাবের আয়াত এলে, সাথে সাথে ক্ষমা চাওয়া।
১৬৪ঃ সুসংবাদের আয়াত এলে আল্লাহর কাছে তা প্রার্থনা করা।
১৬৫ঃ হামদ বা প্রশংসার আয়াত এলে, তাসবীহ পড়া। সুবহানাল্লাহ বলা।
১৬৬ঃ গভীর রাতে ঘুম ভাঙলে এই দোয়া পড়া,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার।
১৬৭ঃ তাওবা করার পর সাথে সাথে সদকা করা।
১৬৮ঃ হারাম থেকে বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
১৬৯ঃ উত্তম প্রতিবেশি হওয়া। প্রতিবেশির সাথে বাড়তি সদাচার করতে পারি।
১৭০ঃ বেশি বেশি সালাম দিতে পারি।
১৭১ঃ অন্যকে আহার করাতে পারি।
১৭২ঃ অন্যের সাথে সুন্দর ও মিষ্টি করে কথা বলতে পারি।
১৭৩ঃ কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ আদায় করতে পারি।
১৭৪ঃ তাহাজ্জুদে উঠতে না পারলেও, শেষ রাতে ঘুম ভাঙলে কয়েকবার ইস্তেগফার করে নিতে পারি।
ইয়া আল্লাহ, আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

Author: Atik Ullah

25/06/2022

🌠 #হাদীস_নিয়ে_জানা_অজানা…

১.প্রশ্নঃ হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ নবী (সাঃ) এর কথা, কাজ ও মৌন সমর্থনকে হাদীস বলে।

২. প্রশ্নঃ হাদীস কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ হাদীস দুপ্রকারঃ মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) হাদীস ও মারদূদ (অগ্রহণযোগ্য) হাদীস।

৩. প্রশ্নঃ মাকবূল হাদীস কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ মাকবূল হাদীস দুপ্রকারঃ ছহীহ ও হাসান।

৪. প্রশ্নঃ মারদূদ বা অগ্রহণযোগ্য হাদীস কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ দুপ্রকারঃ যঈফ (দুর্বল) ও জাল (বানোয়াট)।

৫. প্রশ্নঃ সহীহ হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ যে হাদীসটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, উহার সনদ পরস্পর সম্পৃক্ত, তার মধ্যে গোপন কোন ত্রুটি নেই এবং উহা শাযও (তথা অন্য কোন অধিকতর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনার বিরোধী) নয় তাকে সহীহ হাদীস বলে।

৬. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ৬টি। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ।

৭. প্রশ্নঃ কুতুবে সিত্তা বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ হাদীসের ছয়টি গ্রন্থকে বুঝানো হয়। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ। (বুখারী ও মুসলিমের সবগুলো এবং অন্য কিতাবগুলোর অধিকাংশ হাদীস বিশুদ্ধ)

৮ প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীতে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৭০০৮টি। মতান্তরেঃ ৭৫৬৩টি।

৯. প্রশ্নঃ সহীহ মুসলিমে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৩০৩৩টি।

১০. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীতে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৩৯৫৬টি।

১১. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৫২৭৪টি।

১২. প্রশ্নঃ সুনানে নাসাঈতে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৫৭৫৮টি।

১৩. প্রশ্নঃ সুনানে ইবনে মাজাহতে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ৪৩৪১টি।

১৪. প্রশ্নঃ হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোন কিতাবে সবচেয়ে বেশী হাদীস সংকলিত হয়েছে?

উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদে।

১৫. প্রশ্নঃ মুসনাদে আহমাদে কতটি হাদীস রয়েছে?

উত্তরঃ ২৭৭৪৬টি।

১৬. প্রশ্নঃ ছয়টি প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থ ছাড়া আরো ৫টি হাদীস গ্রন্থের নাম উল্লেখ করুন?

উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদ, মুআত্ত্বা মালেক, দারাকুত্বনী, সুনানে দারেমী, সুনানে বায়হাক্বী।

১৭. প্রশ্নঃ রিয়াযুস্‌ সালেহীন কিতাবটির লেখক কে?

উত্তরঃ ইমাম নববী রহ.।

১৮. প্রশ্নঃ জাল হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ যে কথাটি মানুষে তৈরী করেছে, অতঃপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে জাল হাদীস বলে।

১৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কুরআনের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ কোনটি?

উত্তরঃ সহীহ বুখারী।

২০. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীর একটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?

উত্তরঃ হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ) প্রণীত ফাতহুল বারী।

২১. প্রশ্নঃ কোন দুটি হাদীস গ্রন্থকে সহীহায়ন বলা হয়?

উত্তরঃ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম।

২২. প্রশ্নঃ মুত্তাফাকুন আলাইহি বলতে কি বুঝানো হয়?

উত্তরঃ যে হাদীসটি ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নিজ নিজ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সে হাদীস সম্পর্কে বলা হয় মুত্তাফাকুন আলাইহে।

২৩. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীর প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?

উত্তরঃ তুহফাতুল আহওয়াযী।
লেখকঃ আবদুর্‌ রহমান মুবারকপুরী (রহঃ)।

২৪. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদের প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?

উত্তরঃ আউনুল মাবূদ।
লেখকঃ শামসূল হক আযীমাবাদী (রহঃ)।

২৫. প্রশ্নঃ মারফূ হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ যে হাদীসটির সনদ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথা, কাজ বা সমর্থন হিসেবে রাসূল সাঃ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে তাকে মারফূ হাদীস বলে।

২৬. প্রশ্নঃ মাওকূফ হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ যে হাদীসটি কোন সাহাবীর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাওকূফ হাদীস বলে।

২৭. প্রশ্নঃ মাকতূ হাদীস কাকে বলে?

উত্তরঃ যে হাদীসটি কোন তাবেঈর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাক্বতূ হাদীস বলে।

২৮.শরীয়তের প্রধান মূলভিত্তি কি কি?

উত্তরঃ কুরআন ও হাদিস।

২৯. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীসের উপর আমল করার হুকুম কি?

উত্তরঃ যঈফ হাদীসের উপর আমল করা উচিত নয়।

৩০. প্রশ্নঃ হাদীসের সনদ বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ হাদীস বর্ণনার সময় বর্ণনাকারীদের সিলসিলা বা ধারাবাহিকভাবে তাদের নাম উল্লেখকে সনদ বলা হয়।

৩১. প্রশ্নঃ হাদীসের মতন কাকে বলা হয়?

উত্তরঃ হাদীসের মূল বক্তব্যটিকে মতন বলা হয়।

৩২. প্রশ্নঃ কোন খলীফার যুগে সর্বপ্রথম হাদীস কিতাব আকারে লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়?

উত্তরঃ খলীফা ওমর বিন আবদুল আযীযের (রহঃ) যুগে।

৩৩. প্রশ্নঃ হাদীসের গ্রন্থ জগতে সর্বপ্রথম কোন কিতাবটি লিপিবদ্ধ করা হয়?

উত্তরঃ মুআত্ত্বা ইমাম মালেক। এতে ১৭০০টি হাদীস লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

৩৪. প্রশ্নঃ ইমাম বুখারী কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ২৫৬ হিঃ

৩৫. প্রশ্নঃ ইমাম মুসলিম কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ২৬১ হিঃ

৩৬. প্রশ্নঃ ইমাম তিরমিযী কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ২৭৯ হিঃ

৩৭. প্রশ্নঃ ইমাম নাসাঈ কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ৩০৩ হিঃ

৩৮. প্রশ্নঃ ইমাম আবু দাউদ কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ২৭৫ হিঃ

৩৯. প্রশ্নঃ ইমাম ইবনে মাজাহ কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ২৭৩ হিঃ

৪০. প্রশ্নঃ ইমাম বুখারীর প্রকৃত নাম কি?

উত্তরঃ মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)।

৪১. প্রশ্নঃ ইমাম মুসলিমের প্রকৃত নাম কি?

উত্তরঃ মুসলিম বিন হাজ্জাজ নিশাপুরী (রহঃ)।

৪২. প্রশ্নঃ ইমাম তিরমিযীর আসল নাম কি?

উত্তরঃ মুহাম্মাদ বিন ঈসা তিরমিযী (রহঃ)।

৪৩. প্রশ্নঃ ইমাম নাসাঈর নাম কি?

উত্তরঃ আহমাদ বিন শুআইব নাসাঈ (রহঃ)।

৪৪. প্রশ্নঃ ইমাম আবু দাউদের নাম কি?

উত্তরঃ আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আছআছ সিজিসতানী (রহঃ)।

৪৫. প্রশ্নঃ ইমাম ইবনে মাজাহর নাম কি?

উত্তরঃ মুহাম্মাদ বিন ইয়াযীদ ইবনে মাজাহ কাযবীনী (রহঃ)।

✍️তথ্য সংগ্রহ ও সংকলনে– ভাই Nayeem Ashrafi
Alokito Geani

আলহামদুলিল্লাহ্ হিজামা এবং রুকইয়াহ এর পাশাপাশি একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত আছি, আপনারা পাত্র/পাত্রীর প্রয়োজনে এই পেইজে এবং...
23/06/2022

আলহামদুলিল্লাহ্ হিজামা এবং রুকইয়াহ এর পাশাপাশি একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত আছি, আপনারা পাত্র/পাত্রীর প্রয়োজনে এই পেইজে এবং তাদের গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। পোস্টে গ্রুপ লিঙ্ক দেয়া আছে।
এই গ্রুপ একমাত্র ফী সাবিলিল্লাহ্ কাজ করে যাচ্ছে নিরবে। সর্বপ্রথম ফেসবুক ভিত্তিক এই গ্রুপ আত্মপ্রকাশ করেছিলো 2017তে। একটু পেছনের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন তখন ফেসবুক কতজন ব্যবহার করতো এবং অনলাইন বা সোশ্যাল মিডিয়ার উপর আস্থা রাখতে পারতো কত% লোক! তখন এই নিকাহ গ্রুপের যাত্রা কতটা কষ্টকর ছিলো ।অনেক দুর্গম পথ পেরিয়ে যখন নিকাহ গ্রুপে অনেক সফল বিয়ে হয় । বর্তমানে অনেক ম্যারেজ মিডিয়ার জন্ম হয়েছে, তারা টাকার বিনিময়ে সেবা দেয় । কিন্ত এখন পর্যন্ত নিকাহ গ্রুপ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করবে ইনশাআল্লাহ্। শতভাগ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কাজ করছে এই নিকাহ্ গ্রুপ।

https://www.facebook.com/2553235978234837/posts/3950700345155053/

সাকসেস স্টোরি!!!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ্।

আলহামদুলিল্লাহ্! সর্বপ্রথম আল্লাহ্ সুবহা'নাহু ওয়াতা'য়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। অতঃপর "নিকাহ গ্রুপের" সম্মানিত এডমিনদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। মহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে এবং নিকাহ্ গ্রুপের মাধ্যমে গত ৩/৬/২২ তারিখে আমার বোনের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে । আল্লাহ্ তায়ালা এই গ্রুপ সংশ্লিষ্ট সকলকে দুনিয়া এবং আখেরাতে উত্তম বিনিময় দান করুন। আমীন।

নবদম্পতির জন্যে দোয়ার অনুরোধ রইলো, তাদের দাম্পত্য জীবন যেন মহান আল্লাহ তা'য়ালা বরকতময় করে দেন।

মূল পোস্টের লিংক-https://www.facebook.com/groups/nikahgroupbd/permalink/1229843714421860/

আপনিও আপনার আহলিয়া / দ্বীনের অর্ধেক খুঁজে নিতে যুক্ত হতে পারেন আমাদের নিকাহ গ্রুপে।

আপনি যদি আমাদের গ্রুপ মেম্বার না হয়ে থাকেন তাহলে লিংকে ক্লিক করে গ্রুপে জয়েন করুন।
গ্রুপ লিংক - https://www.facebook.com/groups/nikahgroupbd/

21/06/2022

শোকার্তকে সান্ত্বনা দেয়ার দোয়া
إِنَّ لِلّٰهِ مَا أَخَذَ، وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأَجَلٍ مُسَمًّى فَلْتَصْبِرْ وَلْتَحْتَسِبْ
তরজমাঃ নিশ্চয় যা নিয়ে গেছেন আল্লাহ্‌ তা তাঁরই, আর যা কিছু প্রদান করেছেন তাও তাঁর। তাঁর কাছে সব কিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। কাজেই সবর করা এবং সওয়াবের আশা করা উচিত।
উচ্চারণঃ ইন্না লিল্লা-হি মা আখাযা, ওয়ালাহু মা আ‘তা, ওয়া কুল্লু শাই’ইন ‘ইনদাহু বিআজালিম মুসাম্মা, ফালতাসবির ওয়াল তাহতাসিব।
সূত্রঃ উসামা ইবনু যাইদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)-এর একজন কন্যা তাঁকে খবর পাঠান যে, আমার একটি পুত্র মৃত্যুপথযাত্রী, আপনি একটু আমার বাড়িতে আসুন। তখন তিনি এ কথাগুলো বলে তাঁকে ধৈর্য ধরতে এবং আল্লাহর কাছে সাওয়াব লাভের আকাঙ্খা রাখতে নসীহত করেন।
আমরা বলেছি যে, যিকর, দুআ, ইসতিগফার, দরুদ, সালাম, অভিনন্দন, সান্ত্বনা ইত্যাদি বিষয়ে মুমিন যে কোনোভাষায় ও বাক্যে নিজের মনের আবেগ প্রকাশ করতে পারেন। তবে সাওয়াব ও বরকতের জন্য সুন্নাত বাক্য উত্তম।
(বুখারীঃ ১২৮৪)

Author: Atik Ullah

21/06/2022

একঃ দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দোয়াঃ ১
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ
তরজমাঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনারই এক বান্দার পুত্র এবং আপনার এক বাঁদীর পুত্র। আমার কপাল (নিয়ন্ত্রণ) আপনার হাতে; আমার উপর আপনার নির্দেশ কার্যকর; আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটি নামের উসীলায়; যে নাম আপনি নিজের জন্য নিজে রেখেছেন অথবা আপনি আপনার কিতাবে নাযিল করেছেন অথবা আপনার সৃষ্টজীবের কাউকেও শিখিয়েছেন অথবা নিজ গায়েবী জ্ঞানে নিজের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন—আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তি, আমার বক্ষের জ্যোতি, আমার দুঃখের অপসারণকারী এবং দুশ্চিন্তা দূরকারী।
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু ‘আবদিকা ইবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল কুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী।
বসীরাহঃ যে কোনো ব্যক্তি যদি কখনো দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠাগ্রস্ত অবস্থায় বা দুঃখ বেদনার মধ্যে নিপতিত হয়ে উপরের বাক্যগুলি বলে দু‘আ করে, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করবেনই এবং তার বেদনাকে আনন্দে রূপান্তরিত করবেনই।” উপস্থিত সাহাবীগণ বলেন : তাহলে আমাদের উচিত এ বাক্যগুলো শিক্ষা করা। তিনি বললেন : “হাঁ, অবশ্যই, যে এগুলো শুনবে তার উচিত এগুলো শিক্ষা করা।” হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য।
বি. দ্র. মহিলারা এ দুআ পাঠ করলে দুআর শুরুতে বলবেন: “আল্লা-হুম্মা ইন্নী আমাতুকা, ওয়া বিনতু আবদিকা ওয়া বিনতু আমাতিকা ...”,
অর্থাৎ: হে আল্লাহ আমি আপনার বান্দী, আপনার (একজন) বান্দার কন্যা, আপনার এক বান্দীর কন্যা ....।
(আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা। আহমাদ ১/৩৯১)।
দুইঃ দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দোয়াঃ ২
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
তরজমাঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নি আ‘ঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালা‘ইদ দ্বাইনে ওয়া গালাবাতির রিজা-লি (বুখারী: ২৮৯৩)।
বসীরাহঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দো‘আটি বেশি বেশি করতেন।
তিনঃ দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়াঃ ৩
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ الْعَظِيْمُ الْحَلِيْمُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيْمِ
তরজমাঃ আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি মহান ও সহিষ্ণু। ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি মহান আরশের রব্ব। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি আসমানসমূহের রব্ব, যমীনের রব্ব এবং সম্মানিত আরশের রব্ব।
উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ‘আযীমূল হালীম। লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদ্বি ওয়া রব্বুল ‘আরশিল কারীম

Author: Atik Ullah

20/06/2022

কুরআনি সীরাহ
১ঃ নবীজিকে কাফেররা নানাভাবে কষ্ট দিয়েছে। কটুকাটব্য করেছে। শারিরিক নির্যানত করেছে। অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেছে। পাগল, যাদুকর, গণক-কী না বলেছে। নানা ভাবে হেনস্থা করেছে।
২ঃ পুরো জ্ঞাতিগোষ্ঠিকে ভাতেপানিতে মারার চূড়ান্ত বন্দোবস্ত করেছে। নবী বংশের অবোধ নিষ্পাপ শিশু, অসহায় বৃদ্ধদেরও রেহাই দেয়নি কুরায়শরা। চারদিক থেকে ঘেরাও করে একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে হত্যার পাঁয়তারা করেছে। নবীজি সা কখনো। পাথর ফেলে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে। মারাত্মক বিশ খাইয়ে শেষ করে দিতে চেয়েছে। পাথরবৃষ্টিতে নবীজি পুরো শরীরকে রক্তাক্ত করে দিয়েছে।
৩ঃ পেয়ারা নবীজি এত নির্যাতন সয়েও কখনো আল্লাহর কাছে অভিযোগ করেননি। অবিশ্বাস্য সহনশীলতায় সব কিছু হজম করে নিয়েছেন। টুঁ-শব্দটি করেননি। আপন কাজ করে গেছেন। মিথ্যা অভিযোগের জবাব দেননি। হককথার বিরুদ্ধে কাফেরদের প্রতিরোধেও প্রত্যুত্তর করেননি।
৪ঃ শুধু একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করেছেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম কুরআনের অবহেলা সহ্য করেন নি। কাফেরদের এহেন ধৃষ্টতা মুখ বুজে মেনে নেননি। আল্লাহর কাছে অভিযাগ করেছেন,
یَـٰرَبِّ إِنَّ قَوۡمِی ٱتَّخَذُوا۟ هَـٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ مَهۡجُورࣰا
হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায় এ কুরআনকে বিলকুল পরিত্যাগ করেছিল (ফুরকানঃ ৩০)।
৫ঃ দীনের পথে থাকা ব্যক্তির উচিত নয়, কাফেরদের পক্ষ থেকে ধেয়ে আসা ব্যক্তি আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে মূল্যবাণ সময় নষ্ট করা।
৬ঃ দীনের পথিকদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হবে বাকসংযম আর সবর। সব সময় দীনের স্বার্থই প্রাধান্য পাবে। ব্যক্তিস্বার্থ গৌন থাকবে।
৭ঃ আমি সবসময় সতর্ক থাকব, আমার দ্বারা যেন কোনওভাবেই কুরআনের প্রতি অবহেলা প্রকাশ না পায়।
৮ঃ নবীজি নিজের ওপর আক্রমণ সহ্য করেছেন। দীনের ওপর আক্রমণ সহ্য করেননি। দীনের ব্যাপারে আপস নেই।
রব্বে কারীম আমাদের নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

Author: Atik Ullah

19/06/2022

পবিত্রতা-পরিচ্ছন্নতা (ওজু-ইস্তিঞ্জা)
১. হাম্মামের দোয়া
নবীজি হাম্মামে প্রবেশ করার সময় বলতেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খাবায়েস।)
ইয়া আল্লাহ, আমি পুরুষ ও নারী খবীস জি¦নের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি (বুখারী, হাদিস নং : ১৪২)।
২. হাম্মাম থেকে বের হওয়ার পরও নবীজি পড়তেন,
غُفْرَانَكَ الْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ أَذْهَبَ عَنِّي الْأَذٰى وَعَافَانِيْ.
(গুফরানাক আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী, আযহাবা আন্নিল আযা ওয়া আফানী।)
‘ইয়া আল্লাহ, আপনার কাছে ক্ষমা চাই। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার কষ্ট দূর করেছেন এবং স্বস্তি দান করেছেন।’
(উক্ত দোয়ায় দুটি অংশ আছে। প্রথম অংশ ‘গুফরানাক’, ইবনে মাজাহ, হাদিস নং : ৩০০, আয়েশা রা.-এর সুত্রে; দ্বিতীয় অংশ-আনাস রা.-এর সূত্রে, ইবনে মাজাহ, হাদিস নং : ৩০১)
৩. ওযুর পরে তাশাহহুদ।
একবার পড়তে পারি,
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ.
(আশ্হাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ।)
‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আল্লাহর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল (মুসলিম, হাদিস নং : ২৩৪)।’
৪. ওযু শেষ করে এই দোয়া পড়বো,
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ.
(সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়াআতূবু ইলাইক।)
হে আল্লাহ! আপনার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি (হিসনুল মুসিলম।)।
৫. এই দোয়াটি পড়বো,
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتطَهِّرِيْنَ.
(আল্লাহুম্মাজআলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজআলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।)
‘ইয়া আল্লাহ, আমাকে আন্তরিক তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। আমাকে ভালভাবে পবিত্রতা অর্জনকারীদের দলে শামিল করে নিন (মুসলিম, হাদিস নং : ২৩৪)।
৬. পেয়ারা নবীজি ওযুর পর আরেকটি দোয়াও পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ.
(আল্লাহুম্মাগফিরলী যাম্বী ওয়া ওয়াসসিলী ফী দারী, ওয়া বারিক লী ফী রিযকী।)
‘ইয়া আল্লাহ, আমার গুনাখাতা মাফ করে দিন। আমার বাড়িঘর প্রশস্ত করে দিন। আমার রিজিকে বরকত দান করুন (মুসনাদ : ৮/৪৫০৬)।’

Author: Atik Ullah

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jahan's Hijama & Ruqyah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Jahan's Hijama & Ruqyah:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram