DrugHub

DrugHub বাংলাদেশের বিভিন্ন ড্রাগ নিয়ে Annimation এর

কাউকে ব্লাডের জন্য কল দেওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন। ১- ডোনারের যাতায়াত খরচ২- যে বেলায় ব্লাড দিবে ঐ বেলার খাওয়ার ...
25/09/2022

কাউকে ব্লাডের জন্য কল দেওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন।
১- ডোনারের যাতায়াত খরচ
২- যে বেলায় ব্লাড দিবে ঐ বেলার খাওয়ার খরচ
৩- ডাব, স্যালাইন পানি, কিছু ফলমূল কিনে দেওয়ার খরচ দেয়াটা কমনসেন্সের ব্যাপার এবং পরবর্তী ২৪ ঘন্টা ডোনারের খোঁজ খবর রাখবেন।

পারলে কোন এক সময় বাসায় দাওয়াত দিবেন। 💕
ব্লাড দেয়ার আগে অনেকে ডোনার কে বলে ব্লাড দেয়া একটা কমন বেপার এগুলো না বলা। 🥺

অনেকে ভালবাসা নিয়ে আসে ব্লাড দিতে, কিন্তু এগুলা শুনে মন খারাপ করে ফেলে। যারা ব্লাড দেয় তারা বেশিরভাগই স্টুডেন্ট, মেসে থেকে পড়াশুনা করে। তারা প্রতিনিয়ত ব্লাড দেয়। অনেক সময় দেখা যায় পরের দিন এক্সাম, তবুও ব্লাড দেয়।

আবার, যারা ব্লাড খুঁজে দেয় তারাই জানে ১ ব্যাগ ব্লাড খুঁজে বের করা কতটা কষ্টের। সময়, শ্রম দিয়ে ডোনারকে খুজে বের করতে হয়। অনেকেই তো সেগুলা জানেনই না। এগুলা হাইড স্টোরি থাকে।

কিন্তু রোগীর রিলেটিভদের ব্যবহার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিবেকহীনতার পরিচয় দেয়। কোনো খোজ খবরই নিতে চায়না যে চরম এই বিপদের সময় এই রক্ত কোথা থেকে এলো। একজনকে বলে দেয়, তারপর মনে হয় সব দায়ভার ঐ বেচারার। নিজের সম্মান রক্ষার জন্য হলেও ঐ বেচারা ডোনারকে কেয়ার করে। অনেক ডোনার জবও করেনা। হয়তো আত্মীয় স্বজন, না হয় পরিচিত, নতুবা মানবতার জন্য মানুষের বিপদে এগিয়ে যায়।

নামীদামী হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেন,একদিনে ৩/৪ হাজার টাকা করে কেবিন ভাড়া দিতে পারেন। কিন্তু যে মানুষটা তার সবথেকে মূল্যবান জিনিস দিয়ে আপনাকে হেল্প করছে,তার কদর করবেন না, তা হতে পারেনা।
©

যে দেশে ২৫০মিলি গ্রাম পানির বোতল কিনে খেতে হয়,সে দেশে বিনা টাকায় ৪৫০ মিলি গ্রাম রক্ত দাতাকে সম্মান করা আপনার কর্তব্য।

ধন্যবাদ

23/09/2022

ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বা ঔষধ লিখে কোম্পানি থেকে ডাক্তারদের কমিশন গ্রহণ করা
ইদানীং প্রায় শোনা যাচ্ছে বা আমরা জানতে পারছি যে, নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তাররা রুগীকে রেফার করলে সেই ডাক্তারদেরকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার নির্দিষ্ট অংকের টাকা কমিশন হিসেবে দিয়ে থাকে। এমনকি নির্দিষ্ট ঔষধ কোম্পানির ঔষধ লেখার কারণেও ডাক্তারবৃন্দকে কমিশন দেওয়া হয়ে থাকে। এখন প্রশ্ন হল, এগুলো হারামের মধ্যে পড়বে নাকি হালালের মধ্যে?

আসুন, আগে জেনেনিই ডাক্তারের কাজ কি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাজ কি?

ডাক্তারের কাজ হল রুগীর রোগ অনুপাতে চিকিৎসা দেওয়া এবং সেই চিকিৎসার জন্য বিনিময় নেওয়া।

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাজ হল রুগীর রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়া। যেন ডাক্তারদের বুঝতে সুবিধা হয়।।আর এই পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত শ্রমের বিনিময়ে টাকা-পয়সা নেওয়া।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বুঝলাম যে, ডাক্তার রোগীর রোগের চিকিৎসা দেওয়া বাবদ পয়সা নিয়ে থাকে। আর এ কাজে অনেক সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট তাকে সাহায্য করে থাকে।

#কিন্তু সমস্যা হল, ডাক্তার যদি নির্দিষ্ট কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রুগীকে রিপোর্ট আনতে রেফার করে, তখন সেই সেন্টারের মালিকরা যেহেতু পূর্বেই ডাক্তারের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকে তাই তারা রোগীর থেকে অতিরিক্ত টাকা রাখে। যেমন - ধরুন, একটা টেস্ট করাতে রুগীর খরচ পড়ল ১০০০ টাকা। অথচ এখানে সেন্টারের মূল খরচ ৬০০/৭০০ টাকা। বাকিটা মাস শেষ যে ডাক্তার রেফার করেছে তাকে কমিশন হিসেবে দিয়ে থাকে।

এটা ডাক্তারের জন্য ঘুষ বা উৎকোচ হিসেবে গণ্য হয়।

কেন ঘুষ হিসেবে গণ্য হবে? কারণ উল্লেখ করছি,

তবে আসুন ঘুষের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেছেন আগে জেনেনিই ।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

لعنةُ اللهِ على الرّاشِي والمُرْتَشِي

" ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার ওপর আল্লাহর লা'নত।"

(সুনানে আবি দাউদঃ ৩৫৮০, সুনানে তিরমিজি ঃ ১৩৩৭, ইবনে মাযাঃ ২৩১৩ )

#এভাবে কমিশন নেওয়া ঘুষ বলে গণ্য হবে?

আল্লামা শামী (রাহি) "রদ্দুর মুহতার" কিতাবে লিখেছেন,

إنْ دَلَّنِي عَلَى كَذَا فَلَهُ كَذَا فَدَلَّهُ فَلَهُ أَجْرُ مِثْلِهِ إنْ مَشَى لِأَجْلِهِ مَنْ دَلَّنِي عَلَى كَذَا فَلَهُ كَذَا فَهُوَ بَاطِلٌ وَلَا أَجْرَ لِمَنْ دَلَّهُ إلَّا إذَا عَيَّنَ الْمَوْضِعَ

فَالْإِجَارَةُ بَاطِلَةٌ؛ لِأَنَّ الدَّلَالَةَ وَالْإِشَارَةَ لَيْسَتْ بِعَمَلٍ يُسْتَحَقُّ بِهِ الْأَجْرُ، وَإِنْ قَالَ عَلَى سَبِيلِ الْخُصُوصِ بِأَنْ قَالَ لِرَجُلٍ بِعَيْنِهِ: إنْ دَلَلْتَنِي عَلَى كَذَا فَلَكَ كَذَا إنْ مَشَى لَهُ فَدَلَّهُ فَلَهُ أَجْرُ الْمِثْلِ لِلْمَشْيِ لِأَجْلِهِ؛ لِأَنَّ ذَلِكَ عَمَلٌ يُسْتَحَقُّ بِعَقْدِ الْإِجَارَةِ إلَّا أَنَّهُ غَيْرُ مُقَدَّرٍ بِقَدْرٍ فَيَجِبُ أَجْرُ الْمِثْلِ، وَإِنْ دَلَّهُ بِغَيْرِ مَشْيٍ فَهُوَ وَالْأَوَّلُ سَوَاءٌ

"যদি আমাকে কেউ এমন পথ বাতলে দেয়, তবে সে এত পারিশ্রমিক পাবে-------- এমন ইজারার চুক্তি বাতিল। কেননা, পথ দেখানো বা ইশারা করা এমন কোন শ্রম না যে কেবল এর জন্য সে বিনিময়ের হকদার হবে।
যদি সে বিশেষভাবে বলে থাকে, যেমন সে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে বলল, যদি তুমি আমাকে এমন পথের খোঁজ দেও , তবে তুমি এত টাকা পাবে। সেই গাইড যদি তার সাঙ্গে তাকে পথের সন্ধান দিতে কিছু কদম চলে এবং তাকে পথের সন্ধান দেয়, তবে সে হাটার কারানে উক্ত পারিশ্রমিক পাবে। কেননা, হাটা এমন একটি আমল যার কারনে ইজারা চুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের হকদার সে হতে পারবে। ---------।

(রদ্দুল মুহতারঃ ৯/১৩০)

এই একি ফাতাওয়া হানাফী মাযহাবের সকল প্রাচীন ও আধুনিক ফাতাওয়ার কিতাবে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সমকালীন আরব আলেমগণও একি ফাতাওয়া দিয়েছেন।

দেখুন, ইমদাদুল ফাতাওয়া ঃ ৩/৪১০, আহসানুল ফাতাওয়া ঃ ৭/৩০৭, কিতাবুল নাওয়াযিলঃ ১২/ ৩৫৪-৩৫৮, ইসলামি ওয়েবঃ ১৯৮৩২৯ নং ফাতাওয়া।

#ঔষধ কোম্পানি থেকে তাদের ঔষধ লেখার কারণে ডাক্তারদেরকে যে কমিশন দেওয়া হয়ে থাকে তা 'সাদ্দুর যারায়েব' বা রুগীদেরকে ক্ষতি থেকে বাঁচানো এবং ডাক্তারদেরকে অসৎ পথ অবলম্বন করা থেকে ফেরানোর জন্য হারাম বলা হয়েছে। ইসলামি ওয়েবে বিস্তারিত কারন সহকারে লেখা হয়েছে।

দেখুন,

وقد بينا العلة وهي أنه لو فتح هذا الباب لعم الفساد ولتنافست الشركات في اجتذاب الأطباء... والمتضرر من هذه المنافسة هو المريض أولاً وآخراً، فيتضرر بأن يوصف له دواء وغيره أفضل منه، ويتضرر كذلك بارتفاع ثمن الدواء، لأن ما يأخذه هؤلاء الأطباء يتحمله في النهاية المريض، ولو سلم طبيب من ذلك الغش وكان لا يصف الدواء إلا إذا كان أفضل من غيره ولمن يحتاجه فغيره لن يراعي ذلك، فيمنع الجميع سدا للذريعة، وأصل سد الذرائع الذي هو منع الأمر المباح في الأصل أو الظاهر لكونه يتوصل به إلى حرام أو يؤول إليه، إنما ينظر فيه إلى الغالب، فالله عز وجل منع سب آلهة المشركين لئلا يسبوا رب العالمين؛ وإن كان هذا قد يحصل من بعض ولا يحصل من غيره، قال تعالى: وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ {الأنعام:108

(ইসলামি ওয়েবঃ ১৯৮৩২৯ নং ফাতাওয়া )

নোটঃ কেউ যদি আগে ভুল করে বা না জেনে এমন পথে অর্থ ইনকাম করে থাকে, তবে তার উচিত খালেস দিলে তাওবা করা এবং উক্ত মূল্য কত হতে পারে? অনুমান করে সেই পরিমান গরীবদেরকে দান করে দিবে।------------------- (আল্লাহু আ'লাম বিস সাওয়াব)

©

08/09/2022

আমড়ার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা।

মৌসুমী ফলঃ আমড়া।উপকারীতাঃ১.ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।২.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও...
07/09/2022

মৌসুমী ফলঃ আমড়া।

উপকারীতাঃ

১.ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।

২.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

৩.রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।

৪.আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তাল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।

৫.আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়।
মুখের রুচি ফিরে আসায় ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

৬.বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।

৭.রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮.সর্দি-কাঁশির ক্ষেত্রে এটি বেশ উপকারী।

৯.হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

02/09/2022

দাউদ, খোস-পাঁচড়া, চুলকানি ও নখের নষ্ট হওয়া রোগ ইত্যাদি।
ওষুধের নামঃ Tab.Xfin 200mg



#দাউদ

06/07/2022

সুস্থ গরু চেনার উপায়।

সবাইকে অগ্রীম ঈদ মোবারক!

সামনে আসছে ঈদুল আজহা। আপনার কোরবানের গরু সুস্থ ও কেমিক্যাল মুক্ত কি না। তা অবশ্যই আপনার জানা উচিত। কিন্তু কিভাবে চিনবেন? তাই আপনাদের জন্য এই ভিডিও।

25/06/2022

ডাক্তার এক পাগল জিজ্ঞেস করল তুমি পাগল হলে কিভাবে ?

পাগল বললো: আমি কি আর সাধে পাগল হ‌ইছি??

আমি এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে ছিলাম !!!

তার এক যুবতী মেয়ে ছিল।
তাকে বিয়ে করলো আমার বাবা !!!!

আমার মেয়ে হয়ে গেল আমার মা এবং আমি হয়ে গেলাম আমার বাবার শশুর।

তার ঘরে হইলো একটা মেয়ে, সে হলো আমার বোন কিন্ত আমি তার নানির জামাই!

সে দিক থেকে সে আমার নাত্নিও।

এভাবে আমার একটা ছেলে হইলো,
তো আমার ছেলে হল আমার বাপের সালা !!

আর আমি হলাম আমার ছেলের ভাইগ্না,

ডাক্তার : চুপ কর সালা তুই আমারেও পাগল বানাইয়া ফেলবি🤣

DrugHub এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ❤️ঈদ মোবারক ❤️
02/05/2022

DrugHub এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ❤️
ঈদ মোবারক ❤️

 #সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইটসজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষক...
24/04/2022

#সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইট

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশনাল সুপার ফুড।

★ প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-

* একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন c রয়েছে।

* দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।

* গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

★ এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

★ সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

★ মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।

★ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

★ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

★ এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

★ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

★ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

★ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

★ সাজনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

★ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

Collected

05/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।
Courtesy:
PROFESSOR DR AKM SHAMSUL KABIR
MBBS FCPS MD

04/04/2022

রোজায় চিকিৎসা:
১. রোজা অবস্থায় ইনহেলার, নাকের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে।
২. রোজা অবস্থায় চোখ, ও কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।
৩. হার্টের এনজাইনার সমস্যার জন্যে বুকে ব্যথা উঠলে ব্যবহৃত নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহবার নিচে ব্যবহার করলে রোজা নষ্ট হবে না।
৪. রোজা রেখে শিরাপথে খাদ্য-উপাদান ছাড়া কোনো ওষুধ ত্বক, মাংসপেশি বা হাড়ের জোড়ায় ইনজেকশান হিসেবে প্রয়োগ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
৫. রোজা রাখা অবস্থায় স্যালাইন বা গ্লুকোজ জাতীয় কোনো তরল শিরাপথে গ্রহণ করা যাবে না।
৬. চিকিৎসার প্রয়োজনে রোজা রেখে অক্সিজেন কিংবা চেতনা নাশক গ্যাস গ্রহণে রোজা নষ্ট হবে না।
৭. চিকিৎসার প্রয়োজনে ক্রিম, অয়েনমেণ্ট, ব্যাণ্ডেজ, প্লাস্টার ইত্যাদি ব্যবহার করলে এবং এসব উপাদান ত্বকের গভীরে প্রবেশ করলেও রোজার কোনো সমস্যা হবে না।
৮. রোজা রেখে দাঁত তোলা যাবে। দাঁতের ফিলিং করা যাবে এবং ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া দাঁত পরিষ্কার করার সময় অসাবধানতাবশত কিছু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হবে না।
৯. রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষার জন্যে রক্ত দিতে বাধা নেই।
১০. কাউকে রক্তদানে এবং রক্তগ্রহণেও বাধা নেই।
১১. চিকিৎসার জন্যে যোনিপথে ট্যাবলেট কিংবা পায়ুপথে সাপোজিটোরি ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
১২. পরীক্ষার জন্যে যোনিপথ কিংবা পায়ুপথে চিকিৎসক বা ধাত্রী আঙুল প্রবেশ করালেও রোজার সমস্যা হবে না।
১৩. রোজা রেখে জরায়ু পরীক্ষার জন্যে হিস্টেরোস্কপি এবং আই.ইউ.সি.ডি ব্যবহার করা যাবে।
১৪. হার্ট কিংবা অন্য কোনো অঙ্গের এনজিওগ্রাফি করার জন্যে কোনো রোগ নির্ণয়কারক দ্রবণ শরীরে প্রবেশ করানো হলে রোজার ক্ষতি হবে না।
১৫. কোনো অঙ্গের আভ্যন্তরীণ চিত্রধারণের জন্যে সেই অঙ্গের প্রবেশপথে কোনো ক্যাথেটার বা নালীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তরল রঞ্জক প্রবেশ করালে রোজা নষ্ট হবে না।
১৬. রোগ নির্ণয়ের জন্যে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করলেও রোজা নষ্ট হয় না। তবে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করার সময় ভেতরে তরল কিংবা অন্য কোনো কিছু প্রবেশ করানো যাবে না যার খাদ্যগুণ রয়েছে।
১৭. রোজা রাখা অবস্থায় না গিলে মাউথওয়াশ, মুখের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে এবং গড়গড়া করা যাবে।
১৮. রোজা রাখা অবস্থায় লিভারসহ অন্য কোনো অঙ্গের বায়োপসি করা যাবে।
১৯. রোজা রাখা অবস্থায় পেরিটোনিয়াল কিংবা মেশিনে কিডনি ডায়ালাইসিস করা যাবে।
রোজা রাখা অবস্থায় চিকিৎসা সংক্রান্ত কী কী করা যাবে আবার কী কী করা যাবে না তা নিয়ে যেমন সাধারণ রোগীদের মধ্যে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাব রয়েছে, তেমনি নানা সংশয় ও বিভ্রান্তি রয়েছে চিকিৎসকদের মাঝেও। এ সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করার জন্যে ১৯৯৭ সালের জুন মাসে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত নবম ফিক্বহ-চিকিৎসা সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সম্মেলনে জেদ্দা ইসলামিক ফিকহ একাডেমি, আল আজহার ইউনিভার্সিটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর এবং ইসলামিক শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (আইএসইএসসিও) প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এই সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল--রোজা অবস্থায় যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগে রোজা নষ্ট হবে না সে বিষয়ে একটা সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। এ লক্ষ্যে ইসলামিক চিন্তাবিদগণ চিকিৎসা বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা ও গবেষণা করে রোজা অবস্থায় ওষুধ প্রয়োগ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পর্কে সুচিন্তিত তথ্য উপস্থাপন করেন যা ২০০৪ সালে বিখ্যাত ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
(তবে নাকের ড্রপের ব্যাপারে অনেক স্কলার আপত্তি করেন। অনেকসময় এসব ফিক্বহী বিষয়ে বিভিন্ন স্কলারদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। সব স্কলারের মতামতের প্রতিই আমাদের শ্রদ্ধা থাকা প্রয়োজন।)
Collected

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DrugHub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to DrugHub:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram