শিশু চিকিৎসক ডাঃ নাজিয়া তাসনিম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শিশু চিকিৎসক ডাঃ নাজিয়া তাসনিম

শিশু চিকিৎসক ডাঃ নাজিয়া তাসনিম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শিশু চিকিৎসক ডাঃ নাজিয়া তাসনিম, Doctor, Dhaka.

ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস, ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

বিকাল ৫টা-রাত ৮ টা
জাইন মেডিকেল সেন্টার
খানপল্লী, মাটিকাটা, ইসিবি চত্ত্বর, ঢাকা
(ইনবক্সে সিরিয়াল নেয়া হয়)

রাজশাহীর জনপ্রিয় চিকিৎসক প্রফেসর ডা আজিজুল হক আজাদ স্যার তার চেম্বারে আগত রোগীদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছেন। স্যার সার্...
16/11/2025

রাজশাহীর জনপ্রিয় চিকিৎসক প্রফেসর ডা আজিজুল হক আজাদ স্যার তার চেম্বারে আগত রোগীদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছেন।

স্যার সার্ভিস দেয়ার ক্ষেত্রে জটিল এবং যে রোগ গুলো ডায়াগনোসিস হচ্ছে না সেগুলো কে প্রাধান্য দিয়েছেন।

সাধারণ সমস্যার জন্য অপেক্ষাকৃত নবীন চিকিৎসকদের সার্ভিস নেয়ার জন্য বলেছেন।

পোষ্ট: ডা. ইমরান হোসেন মালিথা স্যার, (রাজশাহীতে চিকিৎসা গ্রুপ)

শিশুদের ডায়রিয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো রোটাভাইরাস।এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শিশুরা সাধারণত১. জ্বর২. বমি৩. পেট ব্যথা- এসব ...
07/11/2025

শিশুদের ডায়রিয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো রোটাভাইরাস।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শিশুরা সাধারণত
১. জ্বর
২. বমি
৩. পেট ব্যথা- এসব উপসর্গে ভোগে।

এরপর শুরু হয় ডায়রিয়া, যা অনেক সময় ৫-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
এই সময়ে শিশু দ্রুত দুর্বল ও পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে।
যথাযথ যত্ন ও চিকিৎসা না পেলে এটি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

তবে সুখবর হলো, রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব!

১. সঠিক সময়ে রোটাভাইরাস টিকা দিলে এই সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।
২. শিশুকে সর্বদা পরিষ্কার পানি ও নিরাপদ খাবার দিন।
৩. ডায়রিয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে ওরস্যালাইন শুরু করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

💉 রোটাভাইরাস টিকার সময়সূচি:
রোটাভাইরাস টিকা মুখে খাওয়ানো হয় এবং মোট দুই বা তিন ডোজে দেওয়া হয় (টিকার ধরন অনুযায়ী)।

১. প্রথম ডোজ: শিশুর ৬ সপ্তাহ বয়সে
২. দ্বিতীয় ডোজ: ১০ সপ্তাহ বয়সে
৩. (যদি তিন ডোজের টিকা হয়) তৃতীয় ডোজ: ১৪ সপ্তাহ বয়সে

👉 ২৪ সপ্তাহ বয়সের পর সাধারণত রোটাভাইরাস টিকা আর শুরু করা যায় না, তাই সময়মতো দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের দেশে পাওয়া যায় যে নামে:
১) Rotarix (GlaxoSmithKline)- ২ ডোজের টিকা
২) Rotateq (MSD/Merck)- ৩ ডোজের টিকা

-
ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস, ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

#রোটাভাইরাস #ডায়রিয়া #শিশুর_যত্ন #শিশুস্বাস্থ্য #পানিশূন্যতা #টিকা_নিন #রোটাভাইরাস_টিকা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

02/11/2025

🎉 আজ আমার ফেসবুক পেজের ৫ বছর! 🎉
আমি পেইজ প্রমোশনের জন্য কখনো কিছুই করি নি। তাও প্রায় আড়াই হাজারের মতো সমর্থক পেয়েছি। যেটুকু লিখি, শুধু সচেতনতার সৃষ্টির উদ্দ্যেশ্যে।
আপনাদের অসীম ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ❤️
আপনাদের প্রত্যেকটা লাইক, শেয়ার, কমেন্ট আমার জন্য অমূল্য। 🙏🤗

🥚 আয়াত আর ডিমের গল্প আজ আমার চেম্বারে এল ছোট্ট আয়াত, বয়স মাত্র ৯ মাস। হাসিখুশি, কৌতূহলী চোখে সব কিছু দেখছে।ঠান্ডা-কাশির ...
20/10/2025

🥚 আয়াত আর ডিমের গল্প

আজ আমার চেম্বারে এল ছোট্ট আয়াত, বয়স মাত্র ৯ মাস। হাসিখুশি, কৌতূহলী চোখে সব কিছু দেখছে।
ঠান্ডা-কাশির সমস্যা নিয়ে আলাপ হওয়ার পর আয়াতের মা বললেন, “ডাক্তার আপা, আয়াত এখনো ডিম খায় না। অনেকে বলছে, ডিম দিলে অ্যালার্জি হতে পারে। আসলে কি ওকে ডিম দিতে পারি?”

এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ভাবলাম, সবার জন্য একটু বিস্তারিতভাবে বলি।

ডিম একটি সুপার ফুড, অর্থাৎ ছোট্ট পরিমাণেই প্রচুর পুষ্টি থাকে।

-প্রোটিন: শিশুর শরীরের কোষ, পেশি ও টিস্যু গঠনে সাহায্য করে।
-আয়রন (Iron): রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, শক্তি যোগায়।
-কোলিন (Choline): মস্তিষ্কের বিকাশ ও স্মৃতিশক্তির জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি এমন একটি পুষ্টি উপাদান, যা শিশুর মস্তিষ্কের কোষের গঠন ও কার্যকারিতায় সরাসরি ভূমিকা রাখে। শিশুর ভবিষ্যৎ শেখার ক্ষমতা, মনোযোগ ও স্মৃতির বিকাশে কোলিনের ভূমিকা অপরিসীম।
-ভালো চর্বি (Healthy fats): মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বৃদ্ধি ঘটায়।
-ভিটামিন A, D, E, B12 ও সেলেনিয়াম: শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

৬ মাস বয়স থেকে ধীরে ধীরে শিশুকে ভালোভাবে সিদ্ধ ডিম খাওয়ানো যায়। প্রথমে শুধু ডিমের কুসুম দিন (ভালোভাবে সিদ্ধ ও ম্যাশ করা অবস্থায়)। কোনো সমস্যা না হলে কয়েকদিন পর সাদা অংশও দিতে পারেন। অল্প পরিমাণে শুরু করুন এবং প্রতিক্রিয়া যেমন ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট বা ফুলে যাওয়া লক্ষ্য করুন।

কাঁচা বা আধা সেদ্ধ ডিম কখনো দেবেন না। অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সব শুনে আয়াতের মা হাসিমুখে বললেন, “কাল থেকেই ওকে অল্প অল্প করে ডিমের কুসুম দেব।”

আমিও হেসে বললাম, “একদম ঠিক। আয়াতের জন্য এটা হবে বুদ্ধির খাবার।” 💚

ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস, ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর


#শিশুপুষ্টি #ডিম #শিশুরস্বাস্থ্য #মস্তিষ্কেরবিকাশ #কোলিন #শিশুরবিকাশ #নবজাতক #বাচ্চারখাদ্য #ডিমখাওয়ানো #শিশুপুষ্টিকরখাবার
#ভাইরালシ #সচেতনতা #পেডিয়াট্রিশিয়ানেরপরামর্শ

 #টাইফয়েডটিকা বাচ্চাকে দিবো নাকি দিবো না? অনেক বাবা-মা'ই এই সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করছেন। এই পোস্টে সে ব্যাপারেই আমি আলো...
12/10/2025

#টাইফয়েডটিকা বাচ্চাকে দিবো নাকি দিবো না? অনেক বাবা-মা'ই এই সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করছেন। এই পোস্টে সে ব্যাপারেই আমি আলোচনা করবো।

ট্রেনিং পিরিয়ড থেকে শুরু করে এখন কর্মজীবনেও হাসপাতালে অসংখ্য টাইফয়েড আক্রান্ত শিশু দেখি।
অনেক সময় দেখি, সামান্য অসাবধানতা বা দেরির কারণে শিশুটি মারাত্মক অবস্থায় চলে গেছে। সত্যি বলতে, এই রোগের কষ্ট শুধু শিশুর নয়, পুরো পরিবারের।
এই কারণেই আমি মনে করি, আপনার সন্তানকে টাইফয়েড টিকা অবশ্যই দিবেন। আগে এই টিকা বেসরকারিভাবে নিজ উদ্যোগে নিতে হতো, কিন্তু এখন সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।

📅 দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে: ১২ অক্টোবর ২০২৫
📍 স্থান: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র

👶 যাদের টিকা দেওয়া হবে
৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশু ও কিশোর-কিশোরী। বিদ্যালয়ে পড়ুয়া এবং বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা উভয়েই এই টিকা নিতে পারবে।

💉 টিকার নাম: টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV)
🩸 ডোজ: মাত্র ১টি, যা দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দেয়

🔍 কেন এই টিকা এত গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশে টাইফয়েড এখনো শিশুদের অন্যতম বড় শত্রু।
দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ানো এই ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর সময়মতো চিকিৎসা না পেলে রক্ত সংক্রমণ, অন্ত্র ফেটে যাওয়া কিংবা মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

প্রতি ১ লাখে প্রায় ৯০৫ জন ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোর এই রোগে আক্রান্ত হয়।
তাই এই টিকা শুধু একটি ইনজেকশন নয়, এটি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য এক শক্ত ঢাল।

💬 কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১️⃣ টাইফয়েড টিকা কতটা নিরাপদ ও কার্যকর?
এই TCV টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং অত্যন্ত কার্যকর। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত এবং বাংলাদেশে ব্যবহৃত অন্যান্য টিকার মতোই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

২️⃣ এই টিকা শরীরের কোন জায়গায় দেওয়া হয়?
উপরের বাহু বা উরুর মাংসে ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়।

৩️⃣ কেন ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের দেওয়া হচ্ছে?
কারণ এই বয়সের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনো গড়ে উঠছে, তাই টিকা তাদের সুরক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর।

৪️⃣ ১৫ বছরের বেশি কেউ কি নিতে পারবে?
সরকারি ক্যাম্পেইনে এই টিকা ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য। এর বেশি বয়সের কেউ চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শে টিকা নিতে পারেন।

৫️⃣ টিকা নিলে কি টাইফয়েড সংক্রমণ একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না?
না, তবে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় এবং জটিলতা প্রায় শূন্যে নেমে আসে।

৬️⃣ টিকা দেওয়ার পর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি?
সাধারণত খুবই হালকা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যেমন ইনজেকশন দেওয়া স্থানে সামান্য ব্যথা, ফোলা বা জ্বর। এগুলো এক-দুই দিনের মধ্যেই সেরে যায়। গুরুতর কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

টিকা নেওয়ার আগে ও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

১️⃣ শিশুকে খালি পেটে টিকা দিতে যাবেন না, আগে হালকা খাবার খাওয়ান।
২️⃣ ঢিলেঢালা পোশাক পরিয়ে আনুন যাতে টিকা দেওয়া সহজ হয়।
৩️⃣ টিকা নেওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট টিকাকেন্দ্রে অবস্থান করুন।
৪️⃣ অন্য শিশুর সামনে টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিশুরা নিজ বিদ্যালয়েই টিকা পাবে।
বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুরা নিকটস্থ কমিউনিটি ক্লিনিক বা নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন 👉 www.vaxepi.gov.bd

প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
একটি ছোট্ট টিকা হয়তো আপনার সন্তানের ভবিষ্যতে অসুস্থতা থেকে মুক্তির সবচেয়ে বড় ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
সবার সহযোগিতায় আমরা দেখতে চাই টাইফয়েডমুক্ত বাংলাদেশ। 💚

ডা. নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস (ডিইউ), ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

#টাইফয়েড #সচেতনতা

07/10/2025

বাংলাদেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষের, প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসকের উচ্চ পরামর্শ ফি বা ভিজিট নিয়ে অভিযোগ আছে। সেই সাথে অভিযোগের শেষ নেই তাদের রোগী দেখার খুবই অল্প সময় নিয়ে।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে খুব স্বল্প খরচে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর সুযোগ আছে। আমার নিজ কর্মক্ষেত্র, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই দেখেছি, অধ্যাপকদের পরামর্শ ফি মাত্র ৪০০ টাকা। যেখানে মিড লেভেলে আমার পরামর্শ ফি ছিলো ৩০০ টাকা। এটা কর্তৃপক্ষ থেকে নির্ধারণ করা এবং এতে আমাদের কোনো হাত নেই। আমরা সবাই বেতনভুক্ত কর্মকর্তা। আমি দেখতাম, অনেক রোগীই প্রথমবার রিসিপশনে এসে অধ্যাপকের ভিজিট ৪০০ টাকা শুনে নাক ছিটকাতো! মানে, বিষয়টি এমন যে অধ্যাপকের ভিজিট ৪০০ টাকা! উনি কি আসলেই অধ্যাপক! 🥴

আবার ইভিনিং চেম্বারে সেই একই অধ্যাপকই তারা ৮০০-১০০০ টাকা ভিজিট দিয়ে দেখিয়ে যেতো তৃপ্তির ঢেকুর তুলে।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, এদেশের অধিকাংশ রোগী/সাধারণ মানুষেরাই এখনো মনে করেন, যে চিকিৎসকের ভিজিট বেশি সেই চিকিৎসক বেশি ভালো। যার ভিজিট বা পরামর্শ ফি কম সে তুলনামূলক কম ভালো ডাক্তার 🥴

লিখা- Dr. Tonmoy Kr

প্রিয় বাবা মা, আমি একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিনই দেখি আপনারা কতটা ভালোবাসা আর চিন্তায় বাচ্চাদের বড় করছেন। সবচেয়ে বে...
06/10/2025

প্রিয় বাবা মা, আমি একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিনই দেখি আপনারা কতটা ভালোবাসা আর চিন্তায় বাচ্চাদের বড় করছেন। সবচেয়ে বেশি যেটা আমাকে জিজ্ঞেস করেন তা হলো “ডাক্তার, আমার বাচ্চার ওজন কি ঠিক আছে?”

আপনাদের এই চিন্তা খুব স্বাভাবিক। তাই আজ আমি আপনাদের কিছু সহজ সূত্র শেয়ার করছি যেন ঘরে বসেই বুঝতে পারেন আপনার সন্তানের ওজন ঠিক আছে কিনা।

🔹 নবজাতক (০ থেকে ১ বছর):

>জন্মের সময় স্বাভাবিক ওজন ২.৫ থেকে ৪ কেজি।
>জন্মের পর প্রথম কয়েক দিনে ৫ থেকে ১০ শতাংশ ওজন কমতে পারে (এটা একেবারে স্বাভাবিক)।
>৪ থেকে ৫ মাসে জন্মের ওজন দুই গুণ হয়।
>১ বছরে জন্মের ওজন তিন গুণ হয়ে যায়।

🔹 ১ থেকে ১০ বছর বয়সে সহজ সূত্র:


ওজন (কেজি) = ২ × বয়স (বছর) + ৮


উদাহরণ, ২ বছর = ১২ কেজি
৫ বছর = ১৮ কেজি
৮ বছর = ২৪ কেজি

🔹 উচ্চতা আর বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন WHO এর growth chart অনুযায়ী দেখতে হয় ওজন ঠিক আছে কিনা। ৫ম থেকে ৮৫তম পার্সেন্টাইলের মধ্যে থাকলে সাধারণত ওজন স্বাভাবিক ধরা হয়।

যদি কখনো মনে হয় বাচ্চার ওজন কমে যাচ্ছে বা হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছে তাহলে দেরি না করে একজন শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমি আছি আপনাদের পাশে, যেকোনো দরকারে গ্রুপে পোস্ট করুন, ইনবক্স করুন।

(রেফারেন্স WHO Child Growth Standards)


#শিশুস্বাস্থ্য #শিশুরওজন #বাচ্চারযত্ন #সুস্থশিশু #পেডিয়াট্রিশিয়ানেরপরামর্শ #বাচ্চারপুষ্টি #শিশুপরামর্শ #স্বাস্থ্যশিক্ষা


ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস (ডিইউ), ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

📢 শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই যা মানবেন:✅ শিশুকে কোলে বসান বা আধাশোয়া অবস্থায় রাখুন।❎ কখনো শুইয়ে রেখে মুখে ওষুধ ঢালব...
01/10/2025

📢 শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই যা মানবেন:

✅ শিশুকে কোলে বসান বা আধাশোয়া অবস্থায় রাখুন।
❎ কখনো শুইয়ে রেখে মুখে ওষুধ ঢালবেন না।

✅ গালের একপাশে ধীরে ধীরে ওষুধ দিন।
❎ সরাসরি গলার দিকে বা একসাথে বেশি দেবেন না—শিশুকে নিজে গিলতে দিন।

✅ ঘন বা আঠালো ওষুধ দুধের সাথে মিশিয়ে দিন।
বিশেষ করে নবজাতক বা ছোট্ট শিশুর ক্ষেত্রে।

✅ ডাক্তারের দেওয়া মাপের চামচ বা ড্রপার ব্যবহার করুন।
অনুমানের উপর নয়, সঠিক মাত্রায় দিন।

ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস (ডিইউ), ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

শিশুর মাথার সামনের নরম জায়গা (ফোঁটানি / চাঁদি)শিশুর মাথার হাড় জন্মের সময় পুরোপুরি জোড়া লাগে না। তখন হাড়গুলোর মাঝখানে...
30/09/2025

শিশুর মাথার সামনের নরম জায়গা (ফোঁটানি / চাঁদি)

শিশুর মাথার হাড় জন্মের সময় পুরোপুরি জোড়া লাগে না। তখন হাড়গুলোর মাঝখানে কিছু নরম ফাঁকা জায়গা থাকে, যেগুলো ঝিল্লির মতো টিস্যু দিয়ে ঢাকা। সবচেয়ে বড় আর সামনে যে ফাঁকা নরম জায়গাটা থাকে, সেটাকেই বলা হয় অ্যান্টেরিয়র ফন্টানেল – বাংলায় ফোঁটানি বা স্থানীয় ভাষায় চাঁদি (চাদি)।

🔵 কাজ কী?

এই নরম জায়গাটার কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে:

১) জন্মের সময় সাহায্য করে – হাড়গুলো পুরোপুরি শক্ত না থাকায় প্রসবের সময় শিশুর মাথা একটু চেপে যেতে পারে, ফলে সহজে জন্ম হয়।

২) মস্তিষ্ক বড় হওয়ার সুযোগ দেয় – জন্মের পরও শিশুর মস্তিষ্ক দ্রুত বড় হয়। নরম ফাঁকা জায়গাটা থাকায় খুলির হাড়গুলো ধীরে ধীরে বড় হতে পারে এবং মস্তিষ্কের জন্য জায়গা তৈরি হয়।

৩) চিকিৎসকের জন্য সংকেত – ডাক্তাররা এই ফোঁটানি/চাঁদি দেখে শিশুর শরীরের পানির অবস্থা, মস্তিষ্কের চাপ বা কিছু রোগের ইঙ্গিত বোঝেন।

🔵 সাধারণত কবে বন্ধ হয়?

বেশিরভাগ শিশুর ক্ষেত্রে জন্মের পর ধীরে ধীরে ফোঁটানি/চাঁদি ছোট হয় এবং ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।
তবে সব শিশুর ক্ষেত্রে সময়টা একরকম হয় না।
কখনও কখনও ২ বছর বয়স পর্যন্তও খোলা থাকতে পারে, সেটি অনেক সময় স্বাভাবিক।

🔵 কোন কোন কারণে দেরিতে বন্ধ হয়?

✔️ রিকেটস (Rickets) – শরীরে ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে।

✔️ হাইপোথাইরয়েডিজম – শরীরে থাইরয়েড হরমোন কম হলে।

✔️ জেনেটিক বা জন্মগত কিছু অবস্থা – যেমন ডাউন সিনড্রোম।

✔️ মাথার ভেতরে চাপ বেশি হলে – বিভিন্ন কারণে মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ বেড়ে গেলে।

🔵 কবে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

যদি শিশুর বয়স ২ বছরের বেশি হয়ে যায়, তারপরও ফোঁটানি/চাঁদি বন্ধ না হয়

বা ফোঁটানি/চাঁদির জায়গা সবসময় ফুলে থাকে, অস্বাভাবিক মনে হয়

বা শিশুর অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে

তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

#শিশুস্বাস্থ্য #শিশুরযত্ন #পেডিয়াট্রিক্স #চিকিৎসকপরামর্শ #নবজাতকযত্ন #ফোঁটানি #চাঁদি #মায়েদেরজন্যটিপস #পেডিয়াট্রিশিয়ান

- ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস (ডিইউ), ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

কেনো ম্যাডাম?
18/09/2025

কেনো ম্যাডাম?

18/09/2025
জন্মের সময় যেসব শিশু একটু ছোট হয় বা প্রিম্যাচিউর হয়, তাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বেশি থাকে।বাংলাদেশে স্বাভাবিক নবজাতকের জন্মের...
05/09/2025

জন্মের সময় যেসব শিশু একটু ছোট হয় বা প্রিম্যাচিউর হয়, তাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বেশি থাকে।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক নবজাতকের জন্মের সময় ওজন ধরা হয় ২.৫ কেজি থেকে ৪ কেজি।
আর গর্ভের ৩৭ সপ্তাহের আগে জন্ম নিলে সেই শিশুকে বলা হয় প্রিম্যাচিউর শিশু।

এমন শিশুদের জন্য একটি অসাধারণ, সহজ আর নিরাপদ যত্নের উপায় হলো-
ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (KMC)

আজ আমরা KMC কী সেটা নিয়ে আলাপ করবো।
KMC হলো নবজাতককে মায়ের বা বাবার খালি বুকে খালি গায়ে সোজাভাবে ধরে রাখা।
ঠিক যেমন ক্যাঙ্গারু তার শিশুকে বুকের কাছে রাখে।

👉 উপকারিতা:

শিশুর শরীর গরম থাকে, ঠান্ডা লাগে না।

বুকের দুধ ভালোভাবে খেতে পারে।

ওজন দ্রুত বাড়ে।

সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

শিশু শান্ত থাকে, ভালো ঘুমায়।

মা-বাবার সাথে ভালোবাসার বন্ধন আরও গভীর হয়।

👉 কীভাবে করবেন?

১. মা বা বাবা জামা খুলে খালি বুকে শিশুকে সোজাভাবে শোয়াতে হবে।
২. শিশুর বুক মায়ের/বাবার বুকের সাথে লেগে থাকবে।
৩. মাথা কাঁধের পাশে থাকবে, যেন নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা না হয়।
৪. ওড়না বা কাপড় দিয়ে দুজনকে জড়িয়ে রাখতে হবে।
৫. দিনে যত বেশি সময় রাখা যায়, তত ভালো।

#নবজাতক #ক্যাঙ্গারুমাদারকেয়ার


ডাঃ নাজিয়া তাসনিম
এমবিবিএস (ডিইউ), ডিসিএইচ (সিএমএইচ, ঢাকা)
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ
রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
তায়রুননেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু চিকিৎসক ডাঃ নাজিয়া তাসনিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category