Pure Healthcare

Pure Healthcare Natural healing through detoxification & regeneration

19/07/2025

হঠাৎ যুদ্ধ বেঁধে গেলে তখন কিন্তু আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ থাকে না? সেনাবাহিনী একইসঙ্গে প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং যুদ্ধ করতে পারে না! একইভাবে মানবদেহ যুগপৎ শক্তি উৎপাদন ও প্রতিরক্ষা গড়তে পারবে না।

একসঙ্গে দুই করার চেষ্টা আত্মঘাতী পদক্ষেপ। একসঙ্গে দুইটি খরগোশকে ধরার চেষ্টা করলে একটাও ধরতে পারবেন না। এমনকি দুই নৌকায় পা দিলে সুনির্দিষ্ট কোনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন না!

ঠিক এই কারণেই রোগাক্রান্ত অবস্থায় ভারী খাদ্যগ্রহণে পূর্ণ বিরতি দেওয়া উচিত। কেননা শরীর খাদ্যের হজম প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ করতে অপারগ। রোগাক্রান্ত শরীরে খাদ্য ঢোকানো মানে রোগকেই শক্তি যোগানোর মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আমাদের করণীয় হলো মুখ দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে (যেমন ইঞ্জেকশন) বাইরে থেকে (শরীরে শক্তি যোগানোর অজুহাতে) ভারী খাবার ঢোকানো থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। শরীরকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখলে শরীর তার নিজস্ব (জমাকৃত) শক্তিতেই রোগমুক্ত হতে পারবে ইনশাল্লাহ। এ সময় রোগীকে সবোর্চ্চ কিছু তরল খাবার (যেমন লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে হালকা কুসুম গরম পানি অথবা তাজা সবুজ পাতার রস অথবা রসালো ফলের রস) পান করতে দেওয়া যেতে পারে। এর পাশাপাশি অবশ্যই দোয়া ও দান অব্যাহত রাখতে হবে। তাহলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন ইনশাল্লাহ।

এই নিয়মটা মানুষ হয়েও আমরা জানি না, কিন্তু বনের পশুরা ঠিকই জানে! সে কারণে অসুস্থ হলে তারা প্রথমেই খাদ্যগ্রহণে পূর্ণ বিরতি দেয় এবং প্রাকৃতিক নিয়মে আবার সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম হয়ে ওঠে।

পুনশ্চ :- আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক হিসেবে স্বীকৃত হিপোক্রেটিস উপরোক্ত নিয়মেই চিকিৎসা করতেন। কিন্তু এখনকার প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিধারী চিকিৎসকেরা হিপোক্রেটিসের নামে শপথ নিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করলেও বাবার শিখিয়ে দেওয়া পদ্ধতি মানেন না!

চিকিৎসার নামে খাদ্যগ্রহণে বিরতি দেওয়ার পরিবর্তে কেমিক্যালের তৈরি নানা রকম সিন্থেটিক ড্রাগস রোগীর শরীরে নানান উপায়ে জোড়পূর্বক ঢোকাতে থাকেন। তাঁদের এই প্রচেষ্টার কারণে রোগের লক্ষণ ধামাচাপা পড়লেও প্রকৃতপক্ষে রোগ কিন্তু নিরাময় হয় না। অথচ লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়াকেই রোগের চিকিৎসা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়..!

সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে...
01/11/2024

সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে...

25/10/2024

আপনি কি অসুস্থ? রোগে ভুগছেন? সমস্যা যেটাই হোক না কেন, মাত্র এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় যে কোনো জটিল রোগ থেকে মুক্তিলাভের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব! মনে রাখবেন- চিকিৎসা মাফিয়ারা (তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে) যে রোগকে যত জটিল বলে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে, তার তত সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে। আপনি যে রোগেই আক্রান্ত হন না কেন, রোগমুক্ত হওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় নিম্নরূপ :-

ঘরে বসে নিজ দায়িত্বে চিকিৎসা শুরুর প্রথম তিনদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরপর হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস, ভিনেগার আর যৎসামান্য প্রাকৃতিক মধু মিশিয়ে পান করতে থাকুন। সারাদিনের মধ্যে মাত্র এক-দু’বার এক গ্লাস বিভিন্ন সবুজ পাতার (তুলসী পাতা, পুদিনা পাতা, লেটুসপাতা, ধনেপাতা ইত্যাদি ব্লেন্ড করে) রস পান করতে পারেন। এর বাইরে অন্য কোনোকিছু ছুঁয়েও দেখবেন না। বিশেষ এই পানীয় অবশ্যই মাটির সমতলে বসে (দুই হাতে গ্লাস ধরে) কুলি করতে করতে কমপক্ষে তিন বা ততধিক শ্বাসে (ঢোকে) পান করবেন।

প্রথম তিনদিনের জলচিকিৎসার জন্য জমজম কূপের পানি যোগাড় করতে পারলে খুব ভালো হয়। ‌ নিদেনপক্ষে পাহাড়ি ঝর্ণার পানি যোগাড় করবেন এবং সেই পানি কাঁসা বা মাটির কলসে সংরক্ষণ করবেন।

চতুর্থ দিন সকালে ঘুম থেকে জেগে এক গ্লাস পানি পান করার পর খানিকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে এসে প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবারের রংধনু (সাত রঙের) নাস্তা খেতে পারেন। অথবা আপনার ওজন যত কেজি, তত গ্রাম দেশীয় মৌসুমি ফল খেয়ে পেট ভরুন। তবে টক আর মিষ্টি ফল একসঙ্গে খাওয়া যাবে না।

বেলা ১১টার দিকে তোকমা দানা, চিয়া বীজ, তিষি, ইসুবগুলের ভুষি অগ্রিম ভিজিয়ে রেখে এক গ্লাস খেতে পারেন। অথবা এক গ্লাস পাকা চালকুমড়া/কচি লাউয়ের রস (সঙ্গে একটা আমলকি) পান করতে পারেন।

দুপুরে বাতাবি লেবু অথবা কাঁচা বাঁধাকপি/পেঁপে কুচি করে কেটে আদা-রসুন-পেঁয়াজ-কাঁচা হলুদ-সন্ধক/বিট লবণ-মরিচ-কাসুন্দি মাখিয়ে খাবেন। ফাঁকে ফাঁকে দিনভর লেবুর পানি (দিনে একবার মধুসহ) পান চলবে।

বিকেলে গরম মসলা ফুটিয়ে (অথবা গুঁড়ো মিশিয়ে) এক কাপ আদা/কালোজিরার চা পান করবেন।

সূর্যাস্তের আগে অল্প পরিমাণে খেজুর/কলা/কুল (বড়ই)/ডালিম (আনার)/ত্বীন/জলপাই/আঙুর (যে কোনো একটি বা দু’টি ফল) খাবেন।

প্রতিবেলায় খাবার খাওয়ার পর অন্তত ৪০ কদম হাঁটাহাঁটি করবেন।

প্রতিদিন নিমপাতা সিদ্ধ করা পানিতে পা চুবিয়ে ৪০ মিনিট বসে থাকবেন আর খালি পায়ে কাদামাটির ওপরে হাঁটবেন অথবা কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন।

চতুর্থ দিন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এক কাপ সাজনা পাতা, কালোজিরা ও হলুদ মিশ্রিত চা অথবা গ্রিন/রোজেলা টি পান করতে পারেন। অথবা এক বাটি বিটের স্যুপ আদা-রসুন-গোলমরিচ সহকারে খাবেন।

শাকসবজি ও ফলমূলগুলো অবশ্যই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে আবাদকৃত (রাসায়নিক সার ও কীটনাশক-মুক্ত) হতে হবে। বাজার থেকে কেনা জিনিসের বিশ্বাস নাই!

চতুর্থ থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত একই নিয়মের পুনরাবৃত্তি চলবে। এ সময় আগুনের স্পর্শযুক্ত (রান্না করা) সর্বপ্রকার খাদ্যগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবেন।

যাদের মুঠোভরে ড্রাগস সেবনের বদাভ্যাস এবং একদিন ড্রাগস সেবন না করলে মনে হয় কিছুই খাইনি, তাঁরা সান্ত্বনাস্বরূপ এক কৌটা spirulina ক্যাপসুল কিনে প্রতিদিন ২+২+২ নিয়মে খেতে পারেন!

কোনো অবস্থাতেই রাত জাগবেন না। এশার নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে যাবেন এবং তাহাজ্জুদের সময় বিছানা ছাড়বেন। ফজরের নামাজের পর হাঁটাহাঁটি করবেন (সম্ভব হলে দৌড়াবেন বা সাইকেল চালাবেন) এবং গায়ে সূর্যের নরম আলো লাগাবেন। নিমগাছের নিচে/পাশে বসে খানিকক্ষণ প্রাণায়াম/দমচর্চা/ইয়োগা করতে পারেন।

গোসল করবেন স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা বরফ মিশ্রিত পানি দিয়ে। এর বাইরে সময় কাটাবেন মূলত মাতৃভাষায় ধর্মগ্রন্থ ও মনীষীদের জীবনী পাঠ করে (প্রাণখুলে হাসার জন্য হাস্য-কৌতুকের বইও পড়তে পারেন)। প্রাকৃতিক চিকিৎসার পুরো সময়টুকু সামাজিক গণমাধ্যম অথবা টেলিভিশন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন।

সপ্তাহব্যাপী প্রাকৃতিক চিকিৎসা চলাকালে এক থেকে দুইবার whole body oil message therapy অথবা আকুপ্রেশার থেরাপি নিতে পারেন। এছাড়া একবার হিজমা করালে উপকারের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যাবে। অপেক্ষাকৃত জটিল রোগীদেরকে প্রতিদিন এনিমা করতে হবে।

উপরোক্ত দাওয়ার পাশাপাশি সুস্থতার বিশেষ নিয়তে দান করবেন (প্রতিদিন তিনজন অভুক্তকে খাওয়াতে পারেন) এবং প্রতি ওয়াক্তে নামাজ আদায়ের সময় দুই রাকাত অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করে (দীর্ঘ সেজদায়) মহান আল্লাহতালার কাছে রোগমুক্তির প্রার্থনা করবেন। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবকেও আপনার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করতে বলবেন। দোয়া ছাড়া অন্য কোনোকিছু আল্লাহর সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারে না!

এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসা শেষ করার পর আপনার যেখানে মন চায় টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। আপনার রোগ যেটাই হোক না কেন, জটিলতার মাত্রা কমতে শুরু করবে এবং শারীরিক পরিস্থিতির অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে আপনি নিজেই চমকে উঠবেন!

🔴 No KIDNEY Patient Will Ever Lose a Kidney Again (thanks to this) https://youtu.be/tXXt9T5vCqU🔥 Where Toxins Come From ...
18/10/2024

🔴 No KIDNEY Patient Will Ever Lose a Kidney Again (thanks to this) https://youtu.be/tXXt9T5vCqU
🔥 Where Toxins Come From and Why They Harm Your Kidneys:
1. Meat (Animal Protein):
Toxins: Meat produces high levels of urea and creatinine during protein metabolism. These waste products build up in the blood when your kidneys can’t filter them properly.
Harm: Excessive intake of meat causes higher BUN levels and makes it harder for your kidneys to function. Additionally, red meats are high in phosphorus, which can worsen kidney damage.
2. Dairy:
Toxins: Dairy products are rich in phosphorus and protein, both of which can harm your kidneys when they build up in the blood.
Harm: Dairy can worsen hyperphosphatemia (high phosphorus levels), leading to bone disease and vascular calcification.
3. Packaged and Processed Foods:
Toxins: These foods often contain phosphate additives and sodium, both of which contribute to higher phosphorus and blood pressure.
Harm: The phosphorus from additives is absorbed more easily by the body, worsening kidney damage. High sodium increases blood pressure, which puts more stress on the kidneys.
4. Smoking and Second-Hand Smoking:
Toxins: Ci******es contain toxins like ni****ne, which damage blood vessels and reduce blood flow to the kidneys. Even second-hand smoke exposes you to these harmful chemicals.
Harm: Smoking accelerates kidney damage by narrowing blood vessels and worsening high blood pressure. It also increases the risk of cardiovascular disease, which is closely linked to kidney health.
5. NSAIDs (Non-Steroidal Anti-Inflammatory Drugs):
Toxins: Drugs like ibuprofen and naproxen reduce blood flow to the kidneys, especially in people with existing kidney issues.
Harm: NSAIDs can cause kidney damage or acute kidney failure, especially if taken regularly over time. In CKD patients, these drugs further impair kidney function.

__________________

খাদ্য যখন পথ্য হয়, রোগ তখন দূরে রয় !!!আপনি কি জটিল কোনো রোগে ভুগছেন? মাত্র এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় যে কোনো জটি...
18/10/2024

খাদ্য যখন পথ্য হয়, রোগ তখন দূরে রয় !!!

আপনি কি জটিল কোনো রোগে ভুগছেন? মাত্র এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় যে কোনো জটিল রোগ থেকে মুক্তিলাভের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব! মনে রাখবেন- চিকিৎসা মাফিয়ারা (তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে) যে রোগকে যত জটিল বলে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে, তার তত সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে। আপনি যে রোগেই আক্রান্ত হন না কেন, রোগমুক্ত হওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় নিম্নরূপ :-

ঘরে বসে নিজ দায়িত্বে চিকিৎসা শুরুর প্রথম তিনদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরপর হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস, ভিনেগার আর যৎসামান্য প্রাকৃতিক মধু মিশিয়ে পান করতে থাকুন। সারাদিনের মধ্যে মাত্র এক-দু’বার এক গ্লাস বিভিন্ন সবুজ পাতার (তুলসী পাতা, পুদিনা পাতা, লেটুসপাতা, ধনেপাতা ইত্যাদি ব্লেন্ড করে) রস পান করতে পারেন। এর বাইরে অন্য কোনোকিছু ছুঁয়েও দেখবেন না। বিশেষ এই পানীয় অবশ্যই মাটির সমতলে বসে (দুই হাতে গ্লাস ধরে) কুলি করতে করতে কমপক্ষে তিন বা ততধিক শ্বাসে (ঢোকে) পান করবেন।

প্রথম তিনদিনের জলচিকিৎসার জন্য জমজম কূপের পানি যোগাড় করতে পারলে খুব ভালো হয়। ‌ নিদেনপক্ষে পাহাড়ি ঝর্ণার পানি যোগাড় করবেন এবং সেই পানি কাঁসা বা মাটির কলসে সংরক্ষণ করবেন।

চতুর্থ দিন সকালে ঘুম থেকে জেগে এক গ্লাস পানি পান করার পর খানিকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে এসে প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবারের রংধনু (সাত রঙের) নাস্তা খেতে পারেন। অথবা আপনার ওজন যত কেজি, তত গ্রাম দেশীয় মৌসুমি ফল খেয়ে পেট ভরুন। তবে টক আর মিষ্টি ফল একসঙ্গে খাওয়া যাবে না।

বেলা ১১টার দিকে তোকমা দানা, চিয়া বীজ, তিষি, ইসুবগুলের ভুষি অগ্রিম ভিজিয়ে রেখে এক গ্লাস খেতে পারেন। অথবা এক গ্লাস পাকা চালকুমড়া/কচি লাউয়ের রস (সঙ্গে একটা আমলকি) পান করতে পারেন।

দুপুরে বাতাবি লেবু অথবা কাঁচা বাঁধাকপি/পেঁপে কুচি করে কেটে আদা-রসুন-পেঁয়াজ-কাঁচা হলুদ-সন্ধক/বিট লবণ-মরিচ-কাসুন্দি মাখিয়ে খাবেন। ফাঁকে ফাঁকে দিনভর লেবুর পানি (দিনে একবার মধুসহ) পান চলবে।

বিকেলে গরম মসলা ফুটিয়ে (অথবা গুঁড়ো মিশিয়ে) এক কাপ আদা/কালোজিরার চা পান করবেন।

সূর্যাস্তের আগে অল্প পরিমাণে খেজুর/কলা/কুল (বড়ই)/ডালিম (আনার)/ত্বীন/জলপাই/আঙুর (যে কোনো একটি বা দু’টি ফল) খাবেন।

প্রতিবেলায় খাবার খাওয়ার পর অন্তত ৪০ কদম হাঁটাহাঁটি করবেন।

প্রতিদিন নিমপাতা সিদ্ধ করা পানিতে পা চুবিয়ে ৪০ মিনিট বসে থাকবেন আর খালি পায়ে কাদামাটির ওপরে হাঁটবেন অথবা কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন।

চতুর্থ দিন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এক কাপ সাজনা পাতা, কালোজিরা ও হলুদ মিশ্রিত চা অথবা গ্রিন/রোজেলা টি পান করতে পারেন। অথবা এক বাটি বিটের স্যুপ আদা-রসুন-গোলমরিচ সহকারে খাবেন।

শাকসবজি ও ফলমূলগুলো অবশ্যই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে আবাদকৃত (রাসায়নিক সার ও কীটনাশক-মুক্ত) হতে হবে। বাজার থেকে কেনা জিনিসের বিশ্বাস নাই!

চতুর্থ থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত একই নিয়মের পুনরাবৃত্তি চলবে। এ সময় আগুনের স্পর্শযুক্ত (রান্না করা) সর্বপ্রকার খাদ্যগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবেন।

যাদের মুঠোভরে ড্রাগস সেবনের বদাভ্যাস এবং একদিন ড্রাগস সেবন না করলে মনে হয় কিছুই খাইনি, তাঁরা সান্ত্বনাস্বরূপ এক কৌটা spirulina ক্যাপসুল কিনে প্রতিদিন ২+২+২ নিয়মে খেতে পারেন!

কোনো অবস্থাতেই রাত জাগবেন না। এশার নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে যাবেন এবং তাহাজ্জুদের সময় বিছানা ছাড়বেন। ফজরের নামাজের পর হাঁটাহাঁটি করবেন (সম্ভব হলে দৌড়াবেন বা সাইকেল চালাবেন) এবং গায়ে সূর্যের নরম আলো লাগাবেন। নিমগাছের নিচে/পাশে বসে খানিকক্ষণ প্রাণায়াম/দমচর্চা/ইয়োগা করতে পারেন।

গোসল করবেন স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা বরফ মিশ্রিত পানি দিয়ে। এর বাইরে সময় কাটাবেন মূলত মাতৃভাষায় ধর্মগ্রন্থ ও মনীষীদের জীবনী পাঠ করে (প্রাণখুলে হাসার জন্য হাস্য-কৌতুকের বইও পড়তে পারেন)। প্রাকৃতিক চিকিৎসার পুরো সময়টুকু সামাজিক গণমাধ্যম অথবা টেলিভিশন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন।

সপ্তাহব্যাপী প্রাকৃতিক চিকিৎসা চলাকালে এক থেকে দুইবার whole body oil message therapy অথবা আকুপ্রেশার থেরাপি নিতে পারেন। এছাড়া একবার হিজমা করালে উপকারের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যাবে। অপেক্ষাকৃত জটিল রোগীদেরকে প্রতিদিন এনিমা করতে হবে।

উপরোক্ত দাওয়ার পাশাপাশি সুস্থতার বিশেষ নিয়তে দান করবেন (প্রতিদিন তিনজন অভুক্তকে খাওয়াতে পারেন) এবং প্রতি ওয়াক্তে নামাজ আদায়ের সময় দুই রাকাত অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করে (দীর্ঘ সেজদায়) মহান আল্লাহতালার কাছে রোগমুক্তির প্রার্থনা করবেন। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবকেও আপনার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করতে বলবেন। দোয়া ছাড়া অন্য কোনোকিছু আল্লাহর সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারে না!

এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসা শেষ করার পর আপনার যেখানে মন চায় টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। আপনার রোগ যেটাই হোক না কেন, জটিলতার মাত্রা কমতে শুরু করবে এবং শারীরিক পরিস্থিতির অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে আপনি নিজেই চমকে উঠবেন!

Fully naturally grown agro...
06/10/2024

Fully naturally grown agro...

06/10/2024

খাদ্য যখন পথ্য হয়, রোগ তখন দূরে রয় !!!

আপনি কি জটিল কোনো রোগে ভুগছেন? মাত্র এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় যে কোনো জটিল রোগ থেকে মুক্তিলাভের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব! মনে রাখবেন- চিকিৎসা মাফিয়ারা (তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে) যে রোগকে যত জটিল বলে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে, তার তত সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে। আপনি যে রোগেই আক্রান্ত হন না কেন, রোগমুক্ত হওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় নিম্নরূপ :-

ঘরে বসে নিজ দায়িত্বে চিকিৎসা শুরুর প্রথম তিনদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরপর হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস, ভিনেগার আর যৎসামান্য প্রাকৃতিক মধু মিশিয়ে পান করতে থাকুন। সারাদিনের মধ্যে মাত্র একবার এক গ্লাস বিভিন্ন সবুজ পাতার (তুলসী পাতা, পুদিনা পাতা, লেটুসপাতা, ধনেপাতা ইত্যাদি) রস পান করতে পারেন। এর বাইরে অন্য কোনোকিছু ছুঁয়েও দেখবেন না। বিশেষ এই পানীয় অবশ্যই মাটির সমতলে বসে (দুই হাতে গ্লাস ধরে) কুলি করতে করতে কমপক্ষে তিন শ্বাসে পান করবেন।

প্রথম তিনদিনের জলচিকিৎসার জন্য জমজম কূপের পানি যোগাড় করতে পারলে খুব ভালো হয়। ‌ নিদেনপক্ষে পাহাড়ি ঝর্ণার পানি যোগাড় করবেন এবং সেই পানি কাঁসা বা মাটির কলসে সংরক্ষণ করবেন।

চতুর্থ দিন সকালে ঘুম থেকে জেগে এক গ্লাস পানি পান করার পর খানিকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে এসে প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবারের রংধনু (সাত রঙের) নাস্তা খেতে পারেন। অথবা আপনার ওজন যত কেজি, তত গ্রাম দেশীয় মৌসুমি ফল খেয়ে পেট ভরুন। তবে টক আর মিষ্টি ফল একসঙ্গে খাওয়া যাবে না।

বেলা ১১টার দিকে তোকমা দানা, চিয়া বীজ, তিষি, ইসুবগুলের ভুষি অগ্রিম ভিজিয়ে রেখে এক গ্লাস খেতে পারেন। অথবা এক গ্লাস পাকা চালকুমড়া/কচি লাউয়ের রস (সঙ্গে একটা আমলকি) পান করতে পারেন।

দুপুরে বাতাবি লেবু অথবা কাঁচা বাঁধাকপি/পেঁপে কুচি করে কেটে সন্ধক/বিট লবণ-মরিচ-কাসুন্দি মাখিয়ে খাবেন। ফাঁকে ফাঁকে দিনভর লেবুর পানি (দিনে একবার মধুসহ) পান চলবে।

বিকেলে গরম মসলা ফুটিয়ে (অথবা গুঁড়ো মিশিয়ে) এক কাপ আদা/কালোজিরার চা পান করবেন।

সূর্যাস্তের আগে অল্প পরিমাণে খেজুর/কলা/কুল (বড়ই)/ডালিম (আনার)/ত্বীন/জলপাই/আঙুর (যে কোনো একটি ফল) খাবেন।

প্রতিবেলায় খাবার খাওয়ার পর অন্তত ৪০ কদম হাঁটাহাঁটি করবেন।

চতুর্থ দিন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এক কাপ সাজনা পাতা, কালোজিরা ও হলুদ মিশ্রিত চা অথবা গ্রিন/রোজেলা টি পান করতে পারেন। অথবা এক বাটি বিটের স্যুপ আদা-রসুন-গোলমরিচ সহকারে খাবেন।

শাকসবজি ও ফলমূলগুলো অবশ্যই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে আবাদকৃত (রাসায়নিক সার ও কীটনাশক-মুক্ত) হতে হবে।

চতুর্থ থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত একই নিয়মের পুনরাবৃত্তি চলবে। এ সময় আগুনের স্পর্শযুক্ত (রান্না করা) সর্বপ্রকার খাদ্যগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবেন।

যাদের মুঠোভরে ড্রাগস সেবনের বদাভ্যাস এবং একদিন ড্রাগস সেবন না করলে মনে হয় কিছুই খাইনি, তাঁরা সান্ত্বনাস্বরূপ এক কৌটা spirulina ক্যাপসুল কিনে প্রতিদিন ২+২+২ নিয়মে খেতে পারেন!

কোনো অবস্থাতেই রাত জাগবেন না। এশার নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে যাবেন এবং তাহাজ্জুদের সময় বিছানা ছাড়বেন। ফজরের নামাজের পর হাঁটাহাঁটি করবেন (সম্ভব হলে দৌড়াবেন বা সাইকেল চালাবেন) এবং গায়ে সূর্যের আলো লাগাবেন। নিমগাছের নিচে বসে খানিকক্ষণ প্রাণায়াম/দমচর্চা/ইয়োগা করতে পারেন।

গোসল করবেন স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা বরফ মিশ্রিত পানি দিয়ে। এর বাইরে সময় কাটাবেন মূলত মাতৃভাষায় ধর্মগ্রন্থ ও মনীষীদের জীবনী পাঠ করে (প্রাণখুলে হাসার জন্য হাস্য-কৌতুকের বইও পড়তে পারেন)। প্রাকৃতিক চিকিৎসার পুরো সময়টুকু সামাজিক গণমাধ্যম অথবা টেলিভিশন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন।

সপ্তাহব্যাপী প্রাকৃতিক চিকিৎসা চলাকালে এক থেকে দুইবার whole body oil message therapy অথবা আকুপ্রেশার থেরাপি নিতে পারেন। এছাড়াও একবার হিজমা করালে উপকারের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যাবে।

উপরোক্ত দাওয়ার পাশাপাশি সুস্থতার বিশেষ নিয়তে দান করবেন (প্রতিদিন তিনজন অভুক্তকে খাওয়াতে পারেন) এবং প্রতি ওয়াক্তে নামাজ আদায়ের সময় দুই রাকাত অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করে (দীর্ঘ সেজদায়) মহান আল্লাহতালার কাছে রোগমুক্তির প্রার্থনা করবেন। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবকেও আপনার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করতে বলবেন। দোয়া ছাড়া অন্য কোনোকিছু আল্লাহর সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারে না!

এক সপ্তাহের প্রাকৃতিক চিকিৎসা শেষ করার পর আপনার যেখানে মন চায় টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। আপনার রোগ যেটাই হোক না কেন, শারীরিক পরিস্থিতির অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে আপনি নিজেই চমকে উঠবেন!

হঠাৎ ভুলে যাচ্ছেন, অনেক সময় মনে করতে পারছেন না। এমন অবস্থায় পুদিনা পাতা হতে পারে আপনার জন্য পথ্য। এই নিয়ে আমার লেখা Ajke...
05/10/2024

হঠাৎ ভুলে যাচ্ছেন, অনেক সময় মনে করতে পারছেন না। এমন অবস্থায় পুদিনা পাতা হতে পারে আপনার জন্য পথ্য।

এই নিয়ে আমার লেখা Ajker Patrika য়,

জেনে নিই, ভালো থাকি
ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে পুদিনাপাতা

আপনি কি জানেন, পুদিনা মস্তিষ্কের সুরক্ষা দিতে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে?

সতেজ পুদিনাপাতার রস বা চা স্বাদের জন্য দুর্দান্ত। দৈনন্দিন রুটিনে মাত্র এক চামচ পুদিনাপাতার রস খেয়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করা সম্ভব।

ডিমেনশিয়া একটি জটিল রোগ। এটি মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের ক্ষতির কারণে হয়। এই ক্ষতির ফলে স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি, ভাষা ব্যবহার এবং দৈনন্দিন কাজ করার ক্ষমতা চলে যায়।

ডিমেনশিয়া কেন হয়

আলঝেইমার রোগ: এটি ডিমেনশিয়ার সাধারণ কারণ। এই রোগে মস্তিষ্কে অ্যামিলয়েড এবং টাউ নামক বিষাক্ত পদার্থ জমে যায়। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষ ধ্বংস হয়।

ভাস্কুলার ডিমেনশিয়া: স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের রক্তনালির ব্লক হওয়ার ফলে একধরনের ডিমেনশিয়া হয়।

লেভি বডি ডিমেনশিয়া: এই রোগে মস্তিষ্কের কোষে অস্বাভাবিক প্রোটিন জমে যায়।

ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনশিয়া: এই রোগে মস্তিষ্কের সামনের অংশ এবং কপালের অংশের কোষ ধ্বংস হয়।

ডিমেনশিয়ার অন্যান্য কারণের মধ্যে আছে মস্তিষ্কে আঘাত, মস্তিষ্কের টিউমার, হাইড্রোসেফালাস, বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ভিটামিনের অভাব ইত্যাদি।

ডিমেনশিয়ার লক্ষণ

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
ভাষা ব্যবহারে সমস্যা
চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া
দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা
ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন
বিভ্রান্তি
মেজাজের পরিবর্তন
অবসাদ

এখনো ডিমেনশিয়ার নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। তবে কিছু কিছু ওষুধ দিয়ে লক্ষণগুলো অনেকটা কমানো যায়; পাশাপাশি থেরাপি, সামাজিক যোগাযোগ এবং পরিবারের যত্নের মাধ্যমে রোগীর জীবনযাত্রার মান অনেকটা উন্নত করা যায়। যেহেতু ডিমেনশিয়ার চিকিৎসা নেই, তাই এর প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে পুদিনাপাতা হচ্ছে সহজ উপায়।

কীভাবে পুদিনা ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করতে পারে

পুদিনায় মানুষের শরীরের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যৌগ থাকে। এগুলো মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ: এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যেমন রোম্যারিনিক অ্যাসিড। এটি মস্তিষ্কের কোষগুলোকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো আলঝেইমার রোগ এবং ডিমেনশিয়া থেকে মুক্ত থাকতে সহায়তা করে।

মস্তিষ্কের কার্যকলাপ উন্নত করে: নিয়মিত পুদিনা সেবন মস্তিষ্কের কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মনকেও সতেজ রাখে।

প্রদাহ কমায়: দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ ডিমেনশিয়ার সঙ্গে যুক্ত। পুদিনার প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য মস্তিষ্কসহ সারা শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

মস্তিষ্কে রক্ত​​​​ প্রবাহের গতি বাড়ায়: পুদিনা রক্ত​​সঞ্চালন উন্নত করে মস্তিষ্কে রক্ত ​​​​প্রবাহে গতি আনে। এই বর্ধিত রক্তসঞ্চালন মস্তিষ্কের কোষগুলো সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন এবং পুষ্টি দেয়।

কীভাবে পুদিনা খাবেন

এক কাপ গরম পানিতে তাজা পুদিনাপাতা ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে নিন। সেই পানিকে পুনরায় জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো খেতে পারেন।

তাজা পুদিনাপাতা ছায়ায় শুকিয়ে সেটা চায়ের মতো পান করতে পারেন। পাতা ছেঁড়ার পর ছায়ায় শুকিয়ে নিন।

যেকোনো স্মুদিতে এক চামচ টাটকা পুদিনাপাতা যোগ করে নিন। এতে স্বাদ বাড়বে এবং মস্তিষ্ক শক্তিশালী করবে।

যেকোনো সালাদে কয়েকটা তাজা পুদিনাপাতা মিশিয়ে দিতে পারেন। এটি মস্তিষ্ক চাঙা করার অন্যতম স্বাস্থ্যকর উপায়।

মস্তিষ্কের প্রতিরক্ষামূলক সুবিধা পেতে প্রচুর পুদিনার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন মাত্র এক চামচ তাজা পুদিনাপাতার রস অথবা ১০ থেকে ১২টি তাজা ও শুকনা পুদিনা যথেষ্ট। চা হিসেবে খাওয়া হোক বা খাবারে—পুদিনাপাতা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে কাজ করে।

প্রতিদিনের ডায়েটে পুদিনাপাতা রাখুন। এটি ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করবে।

Vegitable soup এর preparation.....
05/10/2024

Vegitable soup এর preparation.....

নিজেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাকৃতিক মাছ ধরি এবং খাই।ভালো খাবো, সুস্হ্য থাকবো।
04/10/2024

নিজেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাকৃতিক মাছ ধরি এবং খাই।

ভালো খাবো, সুস্হ্য থাকবো।

04/10/2024

Let Lifestyle and Food be the Medicine

28/09/2024

খাদ্যাভ্যাসের ভুলগুলো শুধরিয়ে নিতে পারলে মলত্যাগে কোনো ঝামেলা হয় না, বরং শরীরে আরামবোধ হয়!

Address

Motijheel
Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Healthcare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram