Dr.Md.Ashraful Islam

Dr.Md.Ashraful Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Md.Ashraful Islam, Surgeon, Dhaka.

01/06/2023

একটি গল্প দিয়ে লিপিড প্রোফাইলকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে.....

আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয় তবে এই শহরের প্রধান সমাজবিরোধী হচ্ছে *কোলেষ্টেরল*। এর সাথে কিছু সাঙ্গপাঙ্গ আছে। তবে একেবারে ডানহাত *ট্রাইগ্লিসারাইড*। এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় মাস্তানি করে রাস্তা Block করা, শহরকে ব্যতিব্যস্ত রাখা। *হৃৎপিন্ড* হলো এই শহরের প্রাণকেন্দ্র। শহরের সব রাস্তাগুলো এসে মিশেছে প্রাণকেন্দ্রে। সমাজবিরোধীর সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আপনারা সবাই জানেন। এরা নিত্য নতুন হাঙ্গামা বাধিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রকে অচল করে দিতে চায়।

আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে, তাদের ছত্রভঙ্গ করে জেলে‌ ভরবে ?
হ্যাঁ, আছে। তার নাম *H D L* এই ব্যক্তি পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা এসব মাস্তানদের রাস্তা থেকে তুলে এনে জেলে ভরে রাখে। জেল মানে *লিভার*। *লিভার* এইগুলোকে বাইল সল্ট বানিয়ে শহরের পয়নিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে (পায়খানার সাথে) শহর থেকে বের করে দেয়। কি অদ্ভুত শাস্তি মাস্তানদের!
আর একজন আছে *L D L*.
তিনি‌ আবার ক্ষমতালোভী। তিনি ক্ষমতার জোরে তাদের জেলখানা থেকে তুলে আবার রাস্তায় বসিয়ে দেন। মাস্তানদের মাতলামোতে পুরো শহরে জ্যাম লেগে যায়।
*H D L* হায় হায় করে দৌড়ে আসে। কিন্তু সে *L D L* আর মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে পেরে ওঠেনা। পুলিশের *(H D L*) সংখ্যা যত কমে মাস্তানরা ততই উল্লসিত হয়।

শহরের পরিবেশ হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর।

এমন শহর কার ভালো লাগে বলুন?

আপনি মাস্তানদের কমিয়ে পুলিশ বাড়াতে চান?

*তবে হাঁটুন।*
আপনার প্রতি কদমে পুলিশ পোস্টিং *(H D L)* বাড়বে,
যত পুলিশ বাড়বে, ততই *Cholesterol* (মাস্তান) *Triglyceride* (মাস্তানের চামচে), *L D L* কমবে।

আপনার শহর *(শরীর)* প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।
আপনার শহরের প্রানকেন্দ্র *(হার্ট)* মাস্তানদের অবরোধ *(হার্ট ব্লক )* থেকে বাঁচবে।
আর শহরের প্রানকেন্দ্র *(হার্ট)* সুস্থভাবে বাঁচা মানে আপনিও সুস্থভাবে বাঁচবেন।

তাই সময় বা সুযোগ পেলেই শুরু করুন ।

04/05/2023
Deep Vein Thrombosis: পায়ে রক্ত জমাট বাঁধলে কী করবেন?শরীরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া অন্যতম বড় সমস্যা। মানুষের মৃত্যু পর্যন...
23/06/2022

Deep Vein Thrombosis: পায়ে রক্ত জমাট বাঁধলে কী করবেন?

শরীরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া অন্যতম বড় সমস্যা। মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে এই কারণে। হার্টে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার বিষয়ে আমরা প্রত্যেকেই কম-বেশি জানি। কিন্তু পায়েও রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এর পরিস্থিতি মারাত্মক হতে পারে। কিন্তু পায়ে রক্ত জমাট বাঁধলেও অনেকে তা বুঝতে পারেন না। ফলে চিকিৎসা সঠিক সময়ে হয় না। ফলে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে (Beware of these signs of blood clot in your legs)।

রক্ত জমাট বাঁধলে তা যে সব সময় খারাপ পরিণতি হয় তা সম্পূর্ণ ভুল। কিছু ক্ষেত্রে অনেক উপকার পাওয়া যায়। শরীরের কোনও অংশ কেটে গেলে রক্ত বের হয়। এবং তা যদি অতি দ্রুত জমাট বেঁধে যায় তাহলে রক্ত বের হওয়া বন্ধ হয়। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। কিন্তু শরীরের ভিতরে রক্ত জমাট বাঁধলেই বিপদ। হার্ট, মস্তিষ্ক-সহ একাধিক অংশে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। এক্ষেত্রে বড়সড় বিপদ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ শরীরের ভিতর রক্ত জমাট বাঁধলে তা নিজে থেকে ফের তরল হয় না। বাইরে থেকে কোনও ওষুধ প্রয়োগ করার পর তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এবং রক্ত জমাট বাঁধার পর শিরা ও ধমনীর মধ্যে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা যায়। যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে সঠিক ভাবে রক্ত পৌঁছয় না। বাড়তে থাকে বিপদ। কোনও শিরা বা ধমনীর মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধলে যে পরিস্থিতি তৈরি হয় তাকে বলে ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (Deep Vein Thrombosis) সংক্ষেপে DVT বলে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জমাট বাঁধার পরিস্থিতি তৈরি হলে অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয় DVT-র মাধ্যমে। কিন্তু Deep Vein Thrombosis বা DVT কী? জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত…
ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস কী?
ন্যাশনাল ব্ল্যাড ক্লট অ্যালায়েন্স (National Blood Clot Alliance) অনুযায়ী, প্রতি দিন যে সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয় তাদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনের মৃত্যু হয় রক্ত জমাট বাঁধার কারণে। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে, রক্ত জমাট বাঁধার কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। ২৫ বছর হোক বা ৮৫ বছর বয়স হোক, যে কোনও বয়সে রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থাকে। ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস হয় যখন শরীরের কোনও শিরা বা ধমনীর মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এই পরিস্থিতিকে অনেক সময় শুধু থ্রম্বোসিসও বলা হয়। পায়ের ক্ষেত্রেও ডিপ ভেইন সিনড্রোম দেখা যায়। মূলত দীর্ঘক্ষণ একই ভাবে শুয়ে থাকলে বা পায়ের কোনও নড়াচড়া না করলে এই সমস্যা তৈরি হয়। যদি সঠিক সময়ে DVT-এর সঠিক চিকিৎসা না করা হয় তাহলে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনকী পায়ে রক্ত জমাট বাঁধলে মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। সাধারণ ভাবে খুব একটা মারাত্মক পরিস্থিতি না হলেও জমাট বাঁধা রক্ত যদি ব্রেন বা ফুসফুসে পৌঁছে যায় তখনই চিন্তার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখনই ঝুঁকি বেড়ে যায়। মৃত্যুও হতে পারে রোগীর। কিন্তু কী ভাবে বুঝবেন যে আপনার পায়ে রক্ত জমাট বেঁধে যাচ্ছে?
পায়ে জমাট বাঁধার উপসর্গগুলি হল-
1.পা ফুলে যাওয়া
পায়ে রক্ত জমাট বাঁধলে পা ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সমস্যা একটি পায়ে দেখা দিতে পারে অথবা দু'টি পায়ে এই সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মাঝে মাঝে পা অসাড় হয়ে যেতে পারে। যার ফলে হাঁটতে সমস্যা দেখা দেয়। তবে দু'টি পায়ে এই উপসর্গ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। সাধারণত একটি পায়ে এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। এটি অতি সাধারণ উপসর্গ। এছাড়াও পায়ের বিভিন্ন পেশিতে টান ধরতে পারে।

2.পা লাল হয়ে যেতে পারে…
ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস হলে পা লাল হয়ে যেতে পারে। এমনকী পায়ের চামড়ার রঙ পরিবর্তন হতে পারে। পায়ের ভিতরে যেহেতু রক্ত জমাট বেঁধে যায় তাই এই উপসর্গ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকী লাল হয়ে যাওয়া অংশে হাত দিলে অসহ্য ব্যথা অনুভব হতে পারে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন?

যদি DVT-র কোনও উপসর্গ প্রকাশ পায় তাহলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন। কারণ যত দ্রুত এই রোগের চিকিৎসা করানো সম্ভব ততই মারাত্মক কোনও পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই সমাধান করা সম্ভব। এবং যদি পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয় তাহলে কোনও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রয়োজন। কারণ এই পরিস্থিতির চিকিৎসার জন্য কোনও বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ইঞ্জেকশন বা ওষুধ খাওয়ানো দরকার। সে কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকা জরুরি। এছাড়া পালমোনারি এম্বলিজম (Pulmonary Embolism)-এর পরিস্থিতি তৈরি হলেও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। DVT-র একটি রূপ হল পালমোনারি এম্বলিজম।

কাদের ঝুঁকি সব থেকে বেশি…

DVT যে কোনও বয়সে পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি সব থেকে বেশি থাকে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের। এছাড়াও শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন যাঁদের বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা দেখা যায়। পাশাপাশি রক্তের সম্পর্কের মধ্যে কেউ যদি DVT-তে ভোগেন, অন্যরাও এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।এছাড়াও যে সব মহিলা দীর্ঘ দিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান অথবা মেনোপজের পর হরমোন নিচ্ছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া অনেক অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ দিন রোগীকে শুয়ে থাকতে হতে পারে- সেক্ষেত্রে রোগীর DVT-র সমস্যা দেখা দিতে পারে। মূলত ক্যানসার, হার্ট, নিউমোনিয়া, হাড় ভাঙা ইত্যাদি ক্ষেত্রে রোগীদের DVT দেখা দিতে পারে।

সমাধান কী ভাবে?

প্রথমত শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বজায় রাখতে হবে।

প্রতি দিন নিয়ম করে আধ ঘণ্টা হাঁটতে হবে। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকে।

যাঁরা দীর্ঘক্ষণ অফিসে বসে কাজ করেন তাঁরা কাজ করার ফাঁকে অল্প হাঁটাহাঁটি করতে হবে। পায়ের পেশি যাতে সচল থাকে তার জন্য অল্প কিছু ব্যায়াম করতে হবে।

দীর্ঘক্ষণ ধরে কোনও যাত্রা করলে পা সচল রাখতে হবে। ট্রেনে যাতায়াত করলে একঘণ্টা অন্তর অন্তর একটু হেঁটে আসতে হবে।

যাঁরা শয্যাশায়ী তাঁদের নিয়ম করে পায়ের ব্যায়াম করিয়ে দিতে হবে। যাতে রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকে সেই দিকে নজর রাখতে হবে।

এছাড়াও অনেক ওষুধ ব্যবহারে পায়ে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। তাই সেক্ষেত্রে কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

ইকিগাই, জাপানিদের দীর্ঘজীবনের মূল রহস্য! অনলাইন ডেস্কজাপানের মানুষ বিশ্বাস করে যে আপনি এমন একটি কাজ করুন, যে কাজটা করতে ...
20/05/2022

ইকিগাই, জাপানিদের দীর্ঘজীবনের মূল রহস্য!

অনলাইন ডেস্ক

জাপানের মানুষ বিশ্বাস করে যে আপনি এমন একটি কাজ করুন, যে কাজটা করতে আপনি ভালবাসেন এবং যে কাজটা আপনি ভালভাবে করতেও পারেন। তাদের দাবি, এমন কাজ করলে আপনি ভাল থাকবেন, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন।

তাদের কাছে ভাল থাকার ধারণাটাই (কনসেপ্ট) হচ্ছে- ব্যস্ত থাকা। জাপানিরা এটিকে ‘ইকিগাই’ বলে থাকেন। ইকিগাই মানে হচ্ছে-আপনার বেঁচে থাকার অর্থ। অর্থাৎ কোন জিনিসগুলো আপনাকে আরও বেশি বছর বাঁচার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়, এটাই হচ্ছে ইকিগাই। সুতরাং ইকিগাই অর্থ হচ্ছে- ভাল থাকা, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা।

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ওকিনাওয়ার মানুষজন পৃথিবীর যেকোনও অঞ্চলের মানুষের চেয়ে এমনকি জাপানেরও অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের চেয়ে বেশি বছর বাঁচে। তাদের গড় আয়ু বেশি।
একবার দু’জন লোক ওই দ্বীপে শতবর্ষী মানুষদের সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন। ইকিগাই নিয়ে তাদের কাছ থেকে তথ্য জানতে গিয়েছিলেন। তদের ভাল থাকার রহস্য নিয়ে সেই সাক্ষাৎকারে মোটামুটি যেসব বিষয় ফুটে উঠেছিল, সেগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরলে ১০টি নিয়মে ভাগ করা যায়। সেগুলো হল-

১. কখনও অবসর নেবেন না

জাপানিদের ভাষায় অবসর বলে কোনও শব্দ নেই। তাদের মতে, আপনি হয়তো অফিস থেকে অবসর নিতে পারেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি বাসায় এসে শুয়ে থাকবেন। আপনাকে সব সময় এমন কিছু একটা করতে হবে যেটা আপনি ভালবাসেন। যেটা আপনার জীবন, আপনার পরিবার কিংবা আপনার সমাজে যেটার মূল্য রয়েছে এবং কোনও না কোনওভাবে তা আপনার জীবন, পরিবার বা সমাজের তা উপকারে আসে। এ রকম কিছু করলে আপনি আরও বেশি বছর বাঁচার আগ্রহ পাবেন। আর তা না করে বরং বিছানায় শুয়ে থাকলে আপনি বাঁচার আগ্রহটাই হারিয়ে ফেলবেন।

২. ধীরে চলুন

ব্যস্ততা আমাদের জীবনের সঙ্গে নানাভাবে জড়িত। এই ব্যস্ততার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত অস্থিরতা। বর্তমানে ব্যস্ত জীবনে বেশিরভাগ মানুষ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু জাপানিদের মতে, অস্থিরতা থেকে বেরিয়ে এসে ধীলে চলুন নীতিতে চললে আপনি আরও বেশি বছর বাঁচবেন বা বাঁচার জন্য ইচ্ছা হবে।

৩. পেট ভরে খাবেন না

খাওয়ার সময় কখনও পুরোপুরি পেট ভরে খাবেন না। সেটা যে খাবারই হোক না কেন। চেষ্টা করবেন পেটের মোটামুটি ২০ ভাগ খালি রাখতে।

৪. ভাল বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ওঠাবসা

আপনার জীবনকে ভাল বন্ধু-বান্ধব দিয়ে বেষ্টন করে ফেলুন। তাদের সঙ্গে ওঠাবসা করুন। যাদেরকে বিপদে-আপদে সবসময় কাছে পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনের সময় সুপরামর্শ পাওয়া যায়। এতে দীর্ঘায়ু পাওয়া যায় বলে তাদের বিশ্বাস।

৫. পরবর্তী জন্মদিনের জন্য নিজের শরীরকে সঠিক আকারে ধরে রাখা

এর অর্থ হচ্ছে- নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া। পরবর্তী জন্মদিনেও যেন আপনার শরীর সঠিক আকারে থাকে সেজন্য নিয়মিত শরীর চর্চা করা। শরীর যেন কোনওভাবেই আকারে বুড়িয়ে না যায়। এজন্য ভারী শরীর চর্চার দরকার নেই। বরং হালকা শরীর চর্চার মাধ্যমেই শরীরের নিয়ন্ত্রণে রাখা। তাললে আপনি ভাল থাকবেন।

৬. হাসি

সবসময় হাসিখুশিতে থাকুন। নিজে হাসুন, অন্যদের হাসাতে চেষ্টা করুন। হাসিখুশির মাঝে থাকলে মন থাকলে, সেই সঙ্গে শরীর-স্বাস্থ্যও।

৭. প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে জড়ান

ভাল থাকতে এবং শরীর মন সুস্থ রাখতে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন। সব সময় চার দেয়ালের মধ্যে না থেকে মাঝে মাঝে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলুন। সুযোগ পেলেই গাছপালা, গ্রামের পরিবেশ ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করুন। তাহলে শরীর ও মন ভাল থাকবে।

৮. ধন্যবাদ দেওয়া

মানুষকে ধন্যবাদ দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যেকোনও ছোট-বড় কাজের জন্য মানুষকে ধন্যবাদ দিলে এটা আপনাকে ভাল রাখতে ও আপনাকে মানসিকভাবে প্রফুল্ল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯. বর্তমান নিয়ে ভাবুন

জাপানিদের মতে, বর্তমান সময় নিয়ে চিন্তা করুন। অতীত নিয়ে আক্ষেপ করবেন না। একই সঙ্গে ভবিষ্যত নিয়েও খুব বেশি চিন্তত হবে না। মনে করবেন- আজকের পুরো দিনটাই আপনার। তাই দিনটির সঠিক ব্যবহার করুন এবং যথাযথভাবে উপভোগ করুন। কাজের মাধ্যমে প্রতিটি দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখুন।

১০. ইকিগাই অনুসরণ করুন

জাপানিদের মতে, ইকিগাইয়ের মূল রহস্য হচ্ছে ইকিগাইয়ের নিয়মকানুন মেনে চলা। অর্থাৎ জীবনকে সুন্দর করা ও দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার জন্য আপনার জীবনের ইকিগাই খুঁজে বের করা এবং তা থেকে দূরে সরে না যাওয়া। এ জন্য আপনি যে কাজটিকে আপনি সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন, সেই কাজটি করা।
সূত্র: জাপান সরকারের ওয়েবসাইট, বিবিসি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, সিএনবিসি/ Bangladesh Pratidin

বিশ্রামহীন পায়ের সিন্ড্রোম (রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম) কি?বিশ্রামহীন পায়ের সিন্ড্রোমটি স্নায়ু তন্ত্রের সাথে জড়িত অবস্থায় থাক...
01/02/2022

বিশ্রামহীন পায়ের সিন্ড্রোম (রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম) কি?

বিশ্রামহীন পায়ের সিন্ড্রোমটি স্নায়ু তন্ত্রের সাথে জড়িত অবস্থায় থাকে এবং ক্রমাগত পায়ের নড়াচড়ার ফলে এই ঘটনাটি ঘটে। এটির ফলে থাই, পায়ের ডিমেও বিরলভাবে, হাতে, বুকে একটি অস্বস্তিকর সংবেদনশীলতা বা ভর না দিতে পারা বা চাপের সৃষ্টি হয় যা সন্ধ্যের পর বা রাতে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি কি?

উপসর্গগুলি খুব অস্বস্তিকর যা প্রতিদিন বা কোন কোন দিন হালকা থেকে মাঝারি হতে পারে। এগুলি হল:

পায়ে বেদনাদায়ক খিল ধরা, চুলকানো, প্রলম্বন, ভর দেওয়া, তীব্র যন্ত্রণা, জ্বালা বা ঢিপ ঢিপ করার মতো সংবেদনশীলতার সৃষ্টি (বিশেষত পায়ের ডিমে)।
মনে হয় যেন পায়ের রক্তবাহী নালিগুলি ঠাণ্ডা জল দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে গেছে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকা অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে।
ঘুমের সময় প্রতি 20 থকে 40 সেকেন্ডে স্বল্পভাবে অঙ্গ প্রতঙ্গের নড়াচড়ার পুনরাবৃত্তি (পিএলএমএস), অপ্রত্যাশিত ঝাঁকুনি বা হালকা টান ধরা।
জেগে থাকা বা বিশ্রামের সময় হঠাৎ অনিচ্ছাকৃত ভাবে পায়ের নড়াচড়া।
এর প্রধান কারণ কি কি?

এটির প্রধান কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি তবে মনে করা হয় এটি বংশগত বা জিনগত কারনের সাথে জড়িত। এর সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন কিছু কারণগুলি হল:

পেশীর কার্যকলাপ ও নড়াচড়ার নিয়ন্ত্রিত করার জন্য ডোপামিনের মাত্রা হ্রাস পাওয়া যা নিউরোট্রান্সমিটার নামে পরিচিত।
আয়রনের অভাবে অ্যানিমিয়া, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, ডায়াবেটিস বা গর্ভাবস্থার মতো অনন্তৰ্নিহিত কিছু স্বাস্থ্য পরিস্থিতি।
বিশেষত এর সাথে জড়িত নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ, ধূমপান, ক্যাফেইন, মদ্যপান, স্থুলতা, দুশ্চিন্তা ও স্বল্প ব্যায়ামের অভ্যাস।
কিভাবে এটি নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়?

উপসর্গের বিস্তারিত ইতিহাস, তাদের মনে হওয়া তীব্রতা, সময়ের সাথে তাদের উপস্থিতি, কিভাবে তারা স্বস্তি পাবে, অস্বস্তি বা দুশ্চিন্তাজনক উপসর্গগুলির কারণে ঘুমাতে সমস্যা ও অন্যান্য কারণগুলি থেকে এটি নির্ধারণ সম্পূর্ণ হয়। শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে এটি সঞ্চালিত হয়। এগুলি হল:

অ্যানিমিয়া, কিডনি সমস্যা ও ডাইয়াবেটিস আছে কিনা খুঁজে বের করতে রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
বেছানায় শুয়ে শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গগুলি নাড়াচাড়া না করেও অনিচ্ছাকৃত নড়াচড়া পর্যবেক্ষণের জন্য ইমোবিলেসন পরীক্ষা যা ঘুমের পরীক্ষার সাথে জড়িত।
ঘুমানোর সময় মস্তিষ্ক তরঙ্গ ও হৃদস্পন্দন, ও নিশ্বাসের হার পর্যবেক্ষণের জন্য পলিসোনগ্রাফি করা হয়।
বিশ্রামহিন পায়ের সিন্ড্রোমের সাথে জড়িত ব্যবস্থাপনা গুলি হল:

মৃদু ক্ষেত্রে জীবনশৈলীর উন্নইয়নের সাথে জড়িত ব্যবস্থাপনা গুলি হল:
উপরে আলোচিত বিষয়গুলি এড়িয়ে চলা।
ভালো ঘুমানোর অভ্যাস করা।
নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস করা।
পর্যায়ক্রমে জড়িত থাকা চিকিৎসাগুলি হল:
পায়ে ম্যাসেজ করা, ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক দেওয়া বা গরম জলে স্নান করা।
মনকে এর থেকে দূরে সরাতে নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখা, যেমন বই পড়া।
শিথিল বা প্রসারনে সহায়ক ব্যায়াম করা।
চিকিৎসার সাথে যে ওষুধগুলি ব্যবহার করা হয় সেগুলি হল:
ডোপামেন এগনিসটস, যার সাথে জড়িত রোপিনিরোলে,প্রেমিপেক্সলে বা রোটিগোটিনের মত চামড়ার দাগ।
ব্যথা কমানোয় সহায়ক ওষুধগুলির মধ্যে কোডিয়েন, গাবাপেন্টিন দেওয়া হয়।
টেমাজপাম ও লোপ্রাযোলেমের মতো ওষুধগুলি ঘুম সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
এই অবস্থা যদি আয়রনের অভাবের কারণে হয়, তাহলে আয়রন সম্পুরকের দ্বারা সমাধান করা হয় ও গর্ভাবস্থার জন্য হলে, এটি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।

"বেশি করে চিনি খান হাসপাতালের বিল বাড়ান "চিনি বা স্যুগারকে বলা হয় " হোয়াইট ডেথ", কারণ বিংশ শতকে চিনি এবং চিনিজাত খাদ্যের...
08/01/2022

"বেশি করে চিনি খান
হাসপাতালের বিল বাড়ান "

চিনি বা স্যুগারকে বলা হয় " হোয়াইট ডেথ", কারণ বিংশ শতকে চিনি এবং চিনিজাত খাদ্যের কারণে যে পরিমান মৃত্যু এবং অঙ্গহানী হয়েছে তা এলকোহল বা তামাকের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

চিনি শুধু ডায়াবেটিস নয়। স্থুলতা, দুর্বলতা, কিডনী, চোখ এবং রক্তনালির বিভিন্ন অসুখের মূল কারিগর চিনি।

সুস্থ থাকতে চাইলে কি কি করবেন -

১) চা/কফিতে কোন চিনি দিবেন না।

২) সাদা চাল/ সাদা আটার পরিবর্তে লাল চাল/ লাল আটা ব্যবহার করুন।

৩) রেস্টুরেন্ট ফুড মাসে ১ দিন খাবেন, সম্ভব হলে খাবেনই না।

৪) পেট ভরে সালাদ/ সব্জি খাবেন। ভাত, রুটি, ব্রেড, সেমাই, নুডলস কম খাবেন।

৫) চিনি ছাড়া নাশতার আইটেম বানাবেন। চকোলেট, আইসক্রিম, কেক, পুডিং এগুলো খুবই অল্প পরিমাণ খাবেন।

৬) প্রতিদিন অন্তত আধাঘন্টা ব্যায়াম করুন, শরীর থেকে ঘাম ঝরান, ব্যায়াম করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চিনি (যা ফ্যাটে রূপান্তরিত ) ব্যবহৃত হয়ে শেষ যাবে।

৭) মাসে একদিন ওজন দেখুন এবং বিএমআই ২১-২৩ এর ভেতরে রাখুন।

22/12/2021

Address

Dhaka

Telephone

+8801915637573

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Ashraful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Md.Ashraful Islam:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category