Mahi homeopathic Clinic

Mahi homeopathic Clinic Please take homeopathic treatment and safe your life from disease call me for appointment

Do you have Ej*******on very fast. Permanently to solve the problem.  you can  consulte.
01/10/2025

Do you have Ej*******on very fast. Permanently to solve the problem. you can consulte.

01/10/2025

Writer Dr.Rabin Barman, MD (Gold Medalist in Homeopathy )

লাইসিন / লাইসিনাম / হাইড্রোফোবিনাম

কেমন লেখা থাকবে আমার মেটিরিয়া মেডিকায়, তার দুই একটি ঔষধের লেখার স্যাম্পেল দেখাচ্ছি। আমার লেখা সহজ মেটিরিয়া মেডিকা বইটা মাস দুয়েকের মধ্যেই বেরুবে।

আজ দেখাচ্ছি লাইসিন ঔষধটি কিভাবে লিখেছি।

ভূমিকা --- অনেকেই এটা জানেন ১৮৮৩ সালে পাগলা কুকুরের লালা থেকে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছিলেন ফ্রান্সের লুই পাস্তুর।

কিন্তু অনেকে এটা জানেন না লুই পাস্তুরের আবিষ্কারের ৫০ বছর আগে অর্থাৎ ১৮৩৩ সালে পাগলা কুকুরের লালাকে শক্তিকৃত করে সুস্থ মানুষের শরীরে পরীক্ষা করেছিলেন হোমিওপ্যাথিক জগতের গর্ব ডাক্তার কনস্ট্যানটাইন হেরিং। পাস্তুর গবেষণা করেছিলেন পাগলা কুকুরের লালার ক্রুড অংশ নিয়ে, আর হেরিং গবেষণা করেছিলেন পাগলা কুকুরের লালার ডাইনামিক এ্যাকশন নিয়ে।

কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছিল পাস্তুুরের। তার গবেষণায় প্রস্তুত হয় রেবিস বা জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন।
( A R S -- Anti Rabies Vaccine ).

তবে পাগলা কুকুরের লালা শক্তিকৃত করে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ তৈরি করার জন্য একটা পাগলা কুকুরের দরকার ছিল। কিন্তু বহুদিন ধরে হেরিং সাহেব কোথাও পাগলা কুকুর পাচ্ছিলেন না। তিনি সবাইকে বলে রেখেছিলেন একটা পাগলা কুকুর পেলে তাকে জানাতে। অবশেষে ১৮৩৩ সালের ২৭শে আগস্ট রাস্তায় রুটি বিক্রি করা একজন রুটিওয়ালা একটি পাগলা কুকুরের সন্ধান পান এবং হেরিংকে তা জানান। হেরিং সাহেব দেখেন কুকুরটি সত্যিই পাগল, তখন কুকুরটিকে ধরে বেঁধে তার লালা সংগ্রহ করেন হেরিং, এবং তা শক্তিকৃত করে পরীক্ষা আরম্ভ করেন

এখন দেখা যাক পাগলা কুকুরের লালা শক্তিকৃত করে সুস্থ মানুষের মধ্যে প্রুভিংয়ের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিতে যে ঔষধটি উপহার দিয়েছেন ডাঃ হেরিং সেখানে আমরা কি লক্ষণসমষ্টি পেয়েছি।

১) এই ঔষধের প্রথম কথা আমাদের মনে রাখতে হবে ঔষধটি কাজ করে ব্রেন ও নার্ভাস সিস্টেমের উপর। তার প্রমান -- পাগলা কুকুর কামড়ালে যখন জলাতঙ্ক রোগ হয় তার মস্তিষ্ক আক্রমিত হয়, সে লোককে কামড়াতে চায়, মারতে চায়, আঘাত করতে চায়, সে সবকিছুতে ভয় পায়।

২) কুকুর তা সে ভালো কুকুর বা পাগলা কুকুর, কামড়ানোর পর থেকে যখন কোন না কোন প্রবলেম বা অসুবিধা চলতে থাকে তখন আমরা লাইসিন ২০০, বা ১০০০ শক্তির এক বা দুই ডোজ অবশ্যই প্রয়োগ করবো। তবে যেহেতু ঔষধটি ডিপ অ্যাক্টিং বা দীর্ঘমেয়াদী গভীর, তাই ১৫, ২০ বা ২৫ দিনের মধ্যে এই ঔষধ আর রিপিট করবো না, বা অন্য কোন ঔষধ দেবো না।

অনেকের ধারণা শুধু পাগলা কুকুর কামড়ানোর পরে কোন অসুবিধা হলে লাইসিন, কিন্তু না, মনে রাখতে হবে শুধু পাগলা কুকুর নয়, যে কোন কুকুর, এমনকি বাড়ির পোষা কুকুর কামড়ানোর পরেও কোন অসুবিধা চলতে থাকলে, বা তার পর থেকে কোন কমপ্লেন বা অসুবিধা হচ্ছে মনে করলে এক বা দুই ডোজ লাইসিন ২০০, বা ১০০০ অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে।

৩) কোন রোগীর রোগলক্ষণ বা অসুস্থতা সুনির্দিষ্ট ঔষধে কাজ করছে না। কিন্তু তাকে কখনো পাগলা বা ভালো কোন কুকুরে কামড়ায়নি। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেল তার বাবা বা মাকে তার জন্মের আগে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। এমতাবস্থায় ঐ রোগীকে আরোগ্যের অন্তরায় হিসাবে বংশে কুকুরের কামড়ানোর ইতিহাস মেনে এক বা দুই রোজ লাইসিন ২০০ বা ১০০০ দিলে আরোগ্যের বাধা অবলুপ্ত হয় এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়। লক্ষণটি পরীক্ষিত বা প্রমাণিত।

৪) এই ঔষধের ৪টি বৃদ্ধি অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কারণ এই ৪টি বৃদ্ধি এই ঔষধের প্রধান ৪টি চরিত্রগত লক্ষণ -----

* কোথাও কলকল করে জল পড়ার দৃশ্য দেখলে বৃদ্ধি --
কোথাও কলকল করে জল পড়ার দৃশ্য দেখলে বা ঐ শব্দ শুনলে অসুস্থ বোধ করে, বা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তা সে বাথরুমের বা বেসিনের কলে মৃদুভাবে জল পড়ার দৃশ্য বা শব্দ হোক, বা কোন স্রোতস্বিনী নদীর পাশে জোয়ার বা ভাঁটার সময়ের হু হু করে প্রবাহিত হওয়া জলের গর্জন হোক, বা কোন পাহাড়ি বা পার্বত্য এলাকার উপর থেকে নিচে ঝর্ণার জল পড়ার তর্জন গর্জনের দৃশ্য বা শব্দ হোক, শরীর খারাপ লাগে। তারা অসুস্থ বোধ করে। এমন কি আগে দেখা এমন দৃশ্য মনের মধ্যে আসলেও তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। -- মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, পায়খানা বা প্রস্রাবের বেগ আসা, ইত্যাদি৷ যে কোন অসুবিধা হতে পারে।

* চকচক বা ঝকঝকে আলোতে রোগের বৃদ্ধি----

যে সব আলো খুব চকচক দবা ঝকঝক করে, বা খুব উজ্জ্বল আলো, যাতে চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে, বা একবার জ্বলছে একবার জ্বলছে, একবার নিভছে, এমন ঝিকিমিকি বা চোখ ঝলসানো লাইট দেখলে শরীর খারাপ হয়, কোন না কোন দিক থেকে তারা অসুস্থতা বোধ করে, যেমন -- মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, বা পায়খানা প্রস্রাবের বেগ আসা, ইত্যাদি।

* সূর্যের তাপ মোটেই সহ্য করতে পারে না ---

রোদ বা সূর্যের তাপ এরা মোটেই সহ্য করতে পারে না। সামান্য রোদ লাগলেই অসুস্থ হয়ে পড়ে, রোদে বেরুলে বা একটু ঘোরাঘুরি করলেই কোন না কোন অসুস্থতা বোধ করে, যেমন --মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, দুর্বলতা, ইত্যাদি।

( রোদ বা সূর্যের তাপ মোটেই সহ্য করতে পারে না, কোন না কোন অসুবিধা হয় --- জেলস, গ্লোনোইন, ল্যাকেসিস, নেট্রাম কার্ব, নেট্রাম মিউর, পালস )

* জলপানে বিভিন্ন রোগের বৃদ্ধি। জল পানের পরে কোন না কোন অসুবিধা বোধ করে বা কোন না কোন রোগ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন --বমি বা বমির ভাব, তড়কা, ইত্যাদি। অনেক সময় জল পান তো দূরের কথা, সামনে জলের গ্লাস বা জলের পাত্র দেখলেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

৫) মুখে খুব লালা আসে, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Profuse salivation.

৬) বারবার থুথু ফেলার অভ্যাস। বাচ্চা, বড় সবার মুখে খুব থুথু আসে, এবং যেখানে সেখানে পিক পিক করে থুতু ফেলে বা ফেলতে চায়। মুখে খুব লালা আসে বলেই মনে হয় এই লক্ষণটি দেখা দেয়। ( সিনা )।

৭) বারবার প্রস্রাবের বেগ হয়, বিশেষ করে কোথাও কলকল বা ছলছল করে জল পড়ছে তা দেখলে বা ঐ শব্দ শুনলে।

৮) জল পিপাসা বেশি, কিন্তু জল খেতে ভয়। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে জল তো মোটেই খায় না, জল দেখলে আঁতকে ওঠে, ভয় পায়। জলাতঙ্ক হলে এই লক্ষণ খুব বেশি দেখা যায় বলেই তো রোগটার নাম হয়েছে জলাতঙ্ক, অর্থাৎ জলে আতঙ্ক। ইংরেজিতে হাইড্রো-ফোবিয়া, হাইড্রো মানে জল, আর ফোবিয়া মানে ভয়। সুতরাং পিপাসা থাকলেও জল খেতে অনেক সময় আতঙ্ক বা ভয়, লক্ষণটি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ।

৯) লবণ খাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা, অতিরিক্ত লবণ ছাড়া ভাত খেতে পারে না।

১০) পুরুষদের যৌন উত্তেজনা খুব বেশি। খুব, খুব বেশী। ইংরেজিতে বলে যেতে পারে Too much lascivious. কিন্তু এই যৌন উত্তেজনার তিনটি অদ্ভুত লক্ষণ আছে খেয়াল রাখতে হবে।

ক) পারভার্টেড সেকস, অর্থাৎ বিকৃতভাবে স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে চায়, বা যৌন উত্তেজনা নিবারণ করতে চায়। কিরকম বিকৃত উপায়ে -- যেমন, স্ত্রীকে খুব মারধোর না করলে তার সেক্স উঠবে না, যৌনদ্বারের বদলে স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাস করার প্রবল ইচ্ছা, বা, যৌন উত্তেজনার সময় সে কি করবে বুঝে উঠতে পারে না, পাগলের মত করতে থাকে। আঁচড়ে, কামড়ে, খামচে,তার স্ত্রীকে যেন মেরে ফেলবে এমন ভাব।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিভিন্ন রকম অ্যাবনরমাল বা অস্বাভাবিক উপায়ে সেক্স চরিতার্থ করতে না পারলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

খ) বহু রোগীর একটা কমপ্লেন পাওয়া যায় - ডাঃবাবু, আমার তাড়াতাড়ি শুক্রপাত হয়ে যায়। এটা একটা বিরাট সমস্যা। কারণ শুক্রপাত হওয়ার সাথে সাথে পুরুষের পুরুষাঙ্গের উত্থান নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ পুরুষাঙ্গ আর শক্ত থাকে না। ফলে সহবাসের আনন্দ মাটি হয়ে যায়, যেহেতু প্রকৃতির নিয়মে পুরুষকে একটা এ্যাকটিভ ভূমিকা নিতে হয়। কিন্তু তাড়াতাড়ি শুক্রপাত হয়ে গেলে স্ত্রীর যদি সেক্স না মেটে তাহলে তার মন মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, অনেকেই জানে না এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটতে থাকলে মহিলাদের শরীর খারাপ হতে থাকে, তাদের মানসিক অবসাদ থেকে নানা রকম রোগে ভোগা আরম্ভ হয়।

কিন্তু লাইসিনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩০ মিনিট, ৪০ মিনিট, ১ ঘন্টা হয়ে যায়, তবু তাদের শুক্রপাত হয় না। আর পুরুষদের যেহেতু শুক্রপাত না হওয়া পর্যন্ত শরীর ও মনের শান্তি আসে না, তাই শুক্রপাত না হওয়া পর্যন্ত এরা সহবাস চালাতেই থাকে। হয়তো অনেক আগেই তার স্ত্রী বা পার্টনারের আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদা মিটে গেছে, কিন্তু তবু স্বামীর চাহিদা না মেটায় হয়তো তারা বিছানায় পড়ে থাকে, এবং একটা সময়ে অত্যন্ত কষ্ট অনুভব করতে থাকে।

লাইসিনের এ এক বিচিত্র লক্ষণ, কিছুতেই শুক্রখলন হতে চায় না। ঘন্টা বেজে যায়, তবু যেন স্কুলে ছুটি হয় না, এমন ব্যাপার আর কি!

গ) মাঝে মাঝে রাত্রিবেলা এত সেক্স বা যৌন উত্তেজনা বাড়ে যে পুরুষাঙ্গের উত্তেজনার সাথে ঘুম ভেঙে যায়।

১১) বারবার প্রস্রাবের বেগ হয়, প্রস্রাব হয়ও অনেক। ( মার্ক সল)

১২) গলায় যেন কিছু আটকে আছে, কোথাও যেন খাবার আটকাচ্ছে। খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হলে ঠিক যেমন সিমপটম দেখা দেয়, ঠিক সেই রকম আর কি! বিশেষ করে তরল খাদ্য খেতে যেন বেশি কষ্ট হয় ( ল্যাকেসিস )।

এই লক্ষণ হয় কারণ --এই ঔষধের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে মাংসপেশির কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হওয়া। মাংসপেশী হঠাৎ করে স্প্রিংয়ের মতন ফুলে উঠে। ফলে যেখানে মাংসপেশির এমন সংকোচন ও প্রসরণ হবে সেখানে এই লক্ষণ দেখা দেবে।

মাংসপেশির এই কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হওয়া এই ঔষধের একটি প্রধান লক্ষণ, তার প্রমান পাওয়া যায় কুকুরদের সহবাস দেখলে। লক্ষ্য করলে দেখা যায় সহবাস করার পরে কুকুরের পুরুষাঙ্গ কুকুরীর যোনিপথ থেকে কিছুতেই বেরুচ্ছে না। এক বিশ্রী অপ্রীতিকর অবস্থায় কুকুর দুইটি অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। এর কারণ তো মহিলা কুকুরের যোনিপথের মাংসপেশির কনস্ট্রিকসন বা সংকীর্ণতা। কুকুরদের এই লক্ষণটিকে অনুধাবন করলে মানুষের শরীরে কোথাও মাংসপেশির ঐরকম কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হলে পাগলা কুকুরের লালা থেকে তৈরী এই লাইসিন ঔষধটির কথা তাই অবশ্যই আমাদের ভাবতে হবে । ( ক্যাকটাস )।

১৩) মহিলাদেরও সেক্স বেশি থাকে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভ্যাজাইনা বা বাংলায় যাকে যোনিপথ বলা হয়, তা অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। সাধারণত সেক্সচুয়াল উত্তেজনা হলে কিছু গ্লান্ডের মাধ্যমে ভ্যাজাইনা বা যোনিপথে বেশ কিছু রসের আমদানি হয়, ফলে পুরো যোনিপথ পিচ্ছিল হয়ে যায়, প্রকৃতির নিয়মে স্বচ্ছ ভাবে সহবাস করার জন্য এই সিস্টেম । কিন্তু লাইসিন মহিলাদের ভ্যাজাইনার গ্লান্ডগুলি থেকে কোন রস নির্গত হয় না, ফলে পুরো যোনিপথ শুষ্ক হয়ে থাকে। ফলে সহবাসের সময় তাদের ভীষণ কষ্ট হয়।

( যোনিপথ সব সময় ভীষণ রকম শুষ্ক থাকে, সহবাসে বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয় -- বার্বেরিস, ফেরাম, গ্রাফাইটিস, লাইকো, লাইসিন, নেট্রাম মিউর*, সিপিয়া) ।

আবার যোনিপথের ভিতরে শুষ্ক শুধু নয়, যোনিপথের বাইরে, এ্যানাটমির ভাষায় যে জায়গাটিকে আমরা Pudenda বলি, সেইসব জায়গাগুলি খুব সেনসিটিভ থাকে। তাই পুরুষের পুরুষাঙ্গ যোনিপথের ভিতরে প্রবেশ করার আগেই পিউডেনডা জায়গাটা সেনসিটিভ হওয়ার জন্য ভীষণ সুড়সুড় করে বা অস্বস্তি বোধ হয়। এমনকি সহবাসের সময় ব্যতীত অন্য সময়ও কাপড়চোপড়ের স্পর্শে এলাকাটি খুব সুড়সুড় করে এবং অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

( পিউডেনডা ও ভ্যাজাইনা খুবই সেনসিটিভ, সামান্য স্পর্শই সুড়সুড় করে ওঠে -- বার্বেরিস, ক্রিয়োজোট, লাইসিন*, নেট্রাম মিউর, প্লাটিনা*, সিপিয়া, স্টাফিসেগ্রিয়া*, থুজা )।

ইংরেজিতে অল্প কথায় আমরা বলতে পারি -- Increased sexual desire in females, but va**na is very dry and sensitive, so coition is very painful and uncomfortable

১৪) ইন্দ্রিয় শক্তি অত্যন্ত প্রখর তাই শরীর বাহ্যিক কোন কিছু সহজে গ্রহণ করতে পারে না, বা সহ্য করতে পারে না
( Acuteness of senses )

যেমন--বেশী জোরের শব্দ বা চেঁচামেচি, খুব গরম বা খুব ঠান্ডা আবহাওয়া, কেউ যদি তাকে স্পর্শ করে , উজ্জল ঝিকমিক করা আলো, কলকল,বা ছলছল করে জল পড়ার শব্দ, বা নদী নালায় জল গড়ানোর গর্জন ,ইত্যাদি।

১৫) আরও কয়েকটি মানসিক লক্ষণ -----

* মাঝে মাঝে পাগলের মতন ব্যবহার করে, মনে হয় যেন সে পাগল হয়ে গেছে।
( A form of insanity )

যেন নিজেকেই নিজে চিনতে পারে না, ( Loss of self identity ), কুকুরের মতন চিৎকার করে, লোককে মারে কামড়ায়। অত্যন্ত খারাপ ও উদ্ধত ব্যবহার করে, বিশ্রী খারাপ নোংরা কথা বলে বা খারাপ ভাষা থেকে গালিগালাজ করে, জিনিসপত্র ভাঙ্গে, ছেঁড়ে, বা ছুড়ে ফেলে।

* মনে মনে ভয় পায় সে বোধহয় পাগল হয়ে যাবে,

* কুকুরকে ভয় পায় এবং ঘৃণা করে,

* খুব অধৈর্য,

* ভীষণ উৎকণ্ঠা বা দুঃশ্চিন্তা,

১৬) কয়েকটি ক্লিনিক্যাল স্টেটস ----

* মাথাঘোরা --- যদি কুকুরে কামড় দেওয়ার পর থেকে হয়, তা সে কুকুর পাগলা হোক কিংবা পাগলা না হোক।
কলকল,বা ছলছল করে জল পড়ছে এমন দৃশ্য দেখলে বা ঐরকম শব্দ শুনলে মাথাঘোরা বাড়ে। রোদ লাগলেও মাথা ঘোরা বাড়ে।

* মাথাব্যথা -- যদি কুকুরে কামড় দেওয়ার পর থেকে হয়, তা সে কুকুর পাগলা হোক কিংবা পাগলা না হোক। কলকল বা ছলছল করে জল পড়ছে এমন দৃশ্য দেখলে বা ঐ রকম শব্দ শুনলে মাথাব্যথা বাড়ে, রোদ লাগলেও মাথাব্যথা বাড়ে।

* গলায় যদি খাবার আটকে যায় --অথচ পরীক্ষায় দেখা গেছে খাদ্যনালীতে টিউমার হয়নি, বা ক্যান্সার হয়নি, কিন্তু খাবার আটকে যাচ্ছে, বা খাবার গিলতে অসুবিধা হচ্ছে, শক্ত খাবারের থেকে তরল খাবারের বেশি অসুবিধা। কারণ, --মাংসপেশির কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন। বিশেষ করে লক্ষণটি যদি কুকুরে কামড়ানোর পরে দেখা যায়, তা সে কুকুর পাগল হোক কিংবা পাগল না হোক!

* বধিরতা --বধিরতা যদি কুকুরে কামড়ানোর পর থেকে দেখা যায়, তা সে কুকুর পাগল হোক, কিংবা পাগল না হোক।

* ডায়েরিয়া বা ডিসেন্ট্রি ---যদি কুকুরের কামড়ের পর থেকে দেখা যায়, তা সে পাগল হোক, কিংবা পাগল না হোক। রানিং ওয়াটার অর্থাৎ কলকল ছলছল করে জল বইছে বা পড়ছে,এমন শব্দ শুনলে, বা দৃশ্যটি দেখলে সাথে সাথে মলত্যাগের বেগ হয়।

* অনিদ্রা ---অনিদ্রা যদি কুকুরের কামড়ের পর থেকে চলতে থাকে, তা সে কুকুর পাগল হোক কিংবা পাগল না হোক।

* জরায়ুর প্রলাপ্স----জরায়ুর প্রলাপ্সের এটি একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঔষধ। তবে এই রোগের গ্রেড আছে। থার্ড গ্রেড, অর্থাৎ যেখানে জরায়ুর লিগামেন্ট বা বাঁধন সব ঢিলে হয়ে জরায়ু সব সময় বাইরে বেরিয়ে আছে, সেইসব ক্ষেত্রে কোন ঔষধে কোন লাভ হবে না। ফাস্ট ডিগ্রি অর্থাৎ মলত্যাগের সময় , বা কোন ভারী কাজ করার সময় যখন জরায়ুর নিচের অংশ মাঝে মাঝে বেরিয়ে পড়ছে, পরে আবার ঢুকে যাচ্ছে, শুধুমাত্র এমন ক্ষেত্রেই ঔষধ কার্যকরী হয়। এমন ক্ষেত্রে লাইসিন অত্যন্ত উপকারী। অনেকে বলেছেন --অনেকদিন ধরে চলতে থাকা জরায়ুর প্রলাপস এই ঔষধে আরোগ্য হয়েছে।
( It is said to have cured many cases of uterine prolapse even years standing ).

* গাড়িতে চলাকালীন অনেক রোগের বৃদ্ধি হতে পারে ( ককুলাস )

* বৃষ্টির সময় অনেক রোগের বৃদ্ধি হয়

* রোগাক্রমণের জায়গায় আস্তে আস্তে হাত বুলালে আরাম লাগে বা আরাম বোধ হয়।

29/09/2025

Writer Dr.Rabin Barman, MD,(Gold Medalist in Homeopathy)

ফসফরাস

★ ভূমিকা --- ফসফরাস মৌলটি ১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে জার্মানির হেনিং ব্র্যান্ড আবিষ্কার করেছিলেন। দুইটি প্রধান ফর্মে ফসফরাস পাওয়া যায়। সাদা এবং লাল রংয়ের।

হ্যানিম্যান এই মৌল থেকে ঔষধ আবিষ্কার করতে চাইলেন। কিন্তু ফসফরাস এ্যালকোহলে দ্রবীভূত হচ্ছিল না,তাই হানিম্যান ফসফরাসকে সুগার অব মিল্কের সাথে মিশিয়ে 6x পর্যন্ত ট্রাইটুরেশন করে পরে অ্যালকোহলে দ্রবীভূত করে শক্তিকৃত করেন। হ্যানিম্যান তার মেটিরিয়া মেডিকা পিউরা বইয়ে ফসফরাসকে স্থান দেননি, স্থান দিয়েছেন ক্রনিক ডিজিজ বইয়ে।

হ্যানিম্যানের লিপিবদ্ধ করার লক্ষন এবং পরবর্তীকাল রিপ্রুভিং ও বিভিন্ন বিজ্ঞ হোমিওপ্যাথদের সংগৃহীত ক্লিনিক্যাল সিম্পটমস থেকে যে চিত্র আমরা পাই, তা নিম্নরূপ।

১) ফসফরাসের রোগীরা দেখতে সাধারণত সুন্দর হয় ----

লম্বা পাতলা সৌষ্ঠব চেহারা। তাদের চুল পাতলা ও সুন্দর, চোখের ভ্রুুগুলি টানা টানা ও সুন্দর, যেন তুলি দিয়ে আঁকা। বুক ও পেট বা কোমর বেশি চওড়া বা মোটা নয়, অর্থাৎ বেশী মেদবহুল নয়। ইংরেজিতে যে চেহারাকে বলা হয় স্লিম ফিগার। এই রকম স্লিম ফিগার করার জন্য বা ধরে রাখার জন্য সিনেমার নায়ক নায়িকারা বিভিন্নভাবে ডায়েট কন্ট্রোল করে বা ব্যায়াম ও শরীরচর্চা করে। কিন্তু সেই স্লিম ফিগার বা মেদবর্জিত চেহারা ফসফরাসের বাচ্চা বা যুবক যুবতী বা বড়রা কোন খাদ্যনীতি না মেনেই বা ব্যায়াম বা শরীর পরিচর্যা না করেই গড গিফটেড বা প্রকৃতি নিয়ন্ত্রিতভাবে সরাসরি পায়। বলা যেতে পারে এই ধরনের যুবক যুবতীদের প্রতি প্রথম দর্শনে অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে, বা তার সাথে প্রেম বা কামনা বাসনায় মত্ত হওয়ার জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষায় আকাঙ্ক্ষিত হয় ।

২) এরা ভীষণ বুদ্ধিমান হয়--

এরা দেখতে যেমন সুন্দর , তেমনি তীক্ষ্ণ এদের বুদ্ধি। তীক্ষ্ণ দৃষ্টির মধ্যে যেন তীক্ষ্ণ বুদ্ধি লুকিয়ে থাকে। ফসফরাসের বাচ্চারা তাই পড়াশোনায় খুব ভালো হয়। ব্রেনি বা ইন্টেলিজেন্ট অর্থাৎ মেধাবী হয়। পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে করতে যুবক যুবতীরা তরতর করে এগিয়ে চলে, এবং পরবর্তী জীবনে প্রত্যেকেই সাফল্য লাভ করে। কেউ শিক্ষক, বা অধ্যাপক হয়, কেউ বড় কর্পোরেট অফিসে দায়িত্বশীল পদে চাকরিতে প্রবেশ করে।

৩) স্বভাব কিন্তু ভীরু --

ফসফরাস দেখতে সুন্দর, বুদ্ধি প্রখর, কিন্তু এরা খুব ভীরু প্রকৃতি হয়। জীবনের প্রতি পদে এদের ভয় আর আতঙ্ক। ভীষণ শব্দ ভীতি, সামান্য শব্দে চমকে ওঠে, মেঘ গর্জনের বা বজ্রপাতের সময়ের জোরের শব্দে ভীষণভাবে চমকে ওঠে ও ভয় পায়। অন্ধকারেরও ভীষণ ভয়। বাচ্চারা অন্ধকারে মোটেই থাকতে চায়না।

৪) যৌন উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি ---

ছেলে মেয়ে, যুবক যুবতী, বা বয়স্কদের মধ্যেও যৌন উত্তেজনা বা সেক্সুচুয়াল আর্জ অত্যন্ত বেশি থাকে। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে বলা হয়েছে --মোটাসোটা ব্যক্তিদের থেকে যারা সরু রোগা পাতলা বা দুর্বল চেহারার নারী-পুরুষ, তাদের সেক্স আর্জ বা যৌন উত্তেজনা বা যৌন আকাঙ্ক্ষা একটু বেশি থাকে। এ কথা যে বহুলাংশে সত্য তা প্রমাণিত হয়েছে গান্ধীজীর আত্মজীবনী থেকে। গান্ধীজী মানুষটি সৎ ছিলেন, তাই তার আত্মজীবনীতে তিনি কোন মিথ্যা কথা লিখতে চান নি। তার যে যৌন উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি ছিল তা তিনি তার আত্মজীবনীতে অকপটে স্বীকার করে লিখেছেন বাবার মৃত্যুর রাতেও তিনি স্ত্রী-সম্ভোগ থেকে বিরত থাকতে পারেননি।

যাইহোক ফসফরাসের যৌন উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি। পুরুষদের মধ্যে সঙ্গমেচ্ছা এবং লিঙ্গোচ্ছ্বাস অত্যন্ত প্রবল ভাবে দেখা যায়।

৫) অত্যন্ত চঞ্চলতা --

ফসফরাসের রোগীরা এক জায়গায় চুপচাপ বসে থাকতে পারে না, কিছু করার জন্য, বা কোন জিনিসপত্র ধরার জন্য তাদের হাত নিসপিস করতে থাকে। এক জায়গায় স্থিরভাবে কিছুক্ষণ থাকতে পারে না। কখনো বসে, কখনো দাঁড়ায়, কখনো এদিক ওদিক ঘুরঘুর করে। চেম্বারে ফসফরাসের বাচ্চা আসলেই বোঝা যায়, বিশেষ করে যদি চেম্বারে খোলামেলা জায়গা একটু বেশি থাকে, তাহলে সেই বাচ্চাকে আর দেখে কে! লাফালাফি, দাপাদাপি, দৌড়াদৌড়ি, ছোটাছুটি সমানে করতেই থাকে।

৬) দয়ামায়া খুব বেশি --

ফসফরাস রোগীদের দয়া মায়া খুব বেশি থাকে। এরা মানুষের আপদে বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে, উপকার করে অর্থাৎ উপকার করার মানসিকতা। এদের চরিত্র যেন ভূপেন হাজারিকার গাওয়া সেই গানের লাইনটার মতন -- " মানুষ মানুষের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না, ও বন্ধু!
"
( এই লক্ষনটি কষ্টিকামেও আছে )

৭) ভীষণ শীতকাতুরে। এদের শীত খুব বেশী। সব সময় গায়ে কাপড়-চোপড় রাখতে চায়।

৮) খাবার দাবার ঠান্ডা পছন্দ করে। ঠান্ডা জল খেতে চায়, বাইরে বেরুলে কোল্ড ড্রিংকস বা আইসক্রিম খেতে চায়। আইসস্ক্রিমের উপর অত্যন্ত লোভ থাকে। বাচ্চারা নিজেরাই ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা জল খায়, এমনকি ফ্রিজের মধ্যে বরফ থাকলেও সেই বরফ ভেঙ্গে চিবিয়ে খেতে চায়।

( শীত বেশি, অথচ খাবার দাবার সব ঠান্ডা খেতে চায়, এই লক্ষনটি সাইলিশিয়াতেও আছে) ।

৮) জ্বালা ---হাতের তালুতে জ্বালা, পায়ের তলায় জ্বালা, মাথার চাঁদিতে জ্বালা, পেটে জ্বালা, বুকে জ্বালা, পিঠে জ্বালা, মেরুদণ্ড বরাবর জ্বালা। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জ্বালা। জ্বালা ফসফরাসের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। পিঠের দুই স্কাপুলা হাড়ের মাঝখানে অত্যন্ত জ্বালা খুবই উল্লেখযোগ্য। মাথা ও পেট বাদে অন্য সব জায়গার জ্বালা ঠান্ডা প্রয়োগে উপশম হয়।

( জ্বালা ঠান্ডা সেঁকে বা ঠান্ডা জল প্রয়োগে উপশম হয় --- এপিস, মেডো, ফস, সিকেলি)

( জ্বালা গরম সেঁকে উপশম হয় --- আর্সেনিক এ্যালবা )

৯) শরীরের বিভিন্ন জায়গায় খালি খালি ভাব ---শরীরের বিভিন্ন জায়গা মনে হয় যেন খালি হয়ে গেছে, যেন ফাঁপা -- এমন অনুভূতি। মাথা, পেট, বুক, গলা, ইত্যাদি যে কোন জায়গায় ফসফরাসের রোগীরা খালি খালি ভাব অনুভব করতে পারে ।

১০) রক্তস্রাবের প্রবণতা ---ইংরাজিতে এই লক্ষণটিকে বলা হয় -হেমোরেজিক ডায়াথেসিস। ডায়াথেসিস কথার অর্থ হলো টেন্ডেন্সি বা প্রবণতা। তাই হেমারেজিক ডায়াথেসিস অর্থে শরীরে যে কোন জায়গা দিয়ে রক্ত্রস্রাব হওয়ার প্রবণতা। মেয়েদের মাসিকের সময় প্রচুর পরিমাণে রক্তস্রাব হয় ( মেনোরেজিয়া), কিংবা যখন তখন অনিয়মিতভাবে প্রচুর পরিমাণে মাসিক স্রাব হয় ( মেট্রোরেজিয়া )। নাক থেকে রক্তপাত হয় ( এপিসট্যাকসিস, কাশির সাথে প্রচুর রক্তস্রাব হয় ( হেমোপটিসিস ), বমিতে অনেক রক্ত্রস্রাব ( হেমাটেমেসিস )। কিডনি বা ব্লাডারে পাথরের জন্য হোক, বা টিউমারের জন্য হোক, প্রসাবদ্বার দিয়ে প্রচুর পরিমানে রক্তস্রাব হয় ( হেমাচুরিয়া। দাঁত তোলার পরেও রক্তস্রাব কিছুতেই বন্ধ হতে চায় না।

তাই ফসফরাসে রক্তস্রাবের প্রবণতা কিছুতেই ভুললে চলবে না।

( প্রচুর রক্ত স্রাবের প্রবণতা --- কার্বো ভেজ, ইপিকাক, ক্রিয়োজোট, হ্যামামেলিস, মিলিফোলিয়াম, ফসফরাস, ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এ্যাসিড, ইত্যাদি) ।

১১) মিষ্টি খাবারে খুব অনিচ্ছা, মাছও খুব একটা পছন্দ করে না। ভাতের পাতে আলাদা করে লবন খেতে চায়, কারণ এরা কাঁচা লবণও খেতে খু্ব ভালোবাসে।

১২) ক্ষুধা খুব বেশি, বাংলায় যাকে বলা যেতে পারে রাক্ষুসে ক্ষুধা। সবসময় ক্ষুধা। খাওয়ার পরেই আবার ক্ষুধা পায়। ( সিনা, লাইকো ) । মাঝরাত্রে ঘুম ভেঙে খিদে পায়। জ্বরের সময় সাধারণত মানুষের খিদে কমে যায়, কিন্তু জ্বরের সময় ফসফরাসের খিদে বেড়ে যায় --এটা একটা অস্বাভাবিক লক্ষণ মনে রাখতে হবে।

( ঘুম ভেঙে জল পিপাসা পায় -- মেডোরিনাম) ।

১৩) বাচ্চারা গায়ে লেপটে থাকতে ভালোবাসে, বিশেষ করে যার সাথে বেশি ভালো সম্পর্ক তার কোলের মধ্যে ঢুকে, গলা জড়িয়ে চ্যাপটা-চেপটি করে বসতে চায়, বা শুতে চায়। এই লক্ষন বড়দের মধ্যেও অন্যভাবে পাওয়া যেতে পারে, যেমন -- গলা জড়াজড়ি করে বসতে চায়, শরীরে শরীরে জড়াজড়ি করে শুতে চায়, হাঁটার সময় বন্ধুর গলা জড়িয়ে হাঁটতে চায়। ইত্যাদি। ইংরেজিতে এই লক্ষণটিকে বলা হয় --- ( Magnetized desire to.)

১৪) কনসটিপেশন বা কোষ্ঠবদ্ধতায় ভুগতে পারে, তবে বেশিরভাগ রোগী ডায়রিয়াতে ভোগে। প্রায়ই ডায়েরিয়া বা পাতলা পায়খানায় ভোগে।

১৫) বামদিকে রোগাক্রমনের প্রবনতা বেশি । বামদিকে চেপে শুলে অনেক রোগের বৃদ্ধি হয়, বিশেষ করে কাশি বা শ্বাসকষ্ট বাড়ে।

Writer Dr.Rabin Barman, MD (Gold Medalist in Homeopathy)  টিউবারকিউলিনামসাবধান, কোন বাজে মেটিরিয়া মেডিকা কিনে আর অর্থ নষ...
29/09/2025

Writer Dr.Rabin Barman, MD (Gold Medalist in Homeopathy)

টিউবারকিউলিনাম

সাবধান, কোন বাজে মেটিরিয়া মেডিকা কিনে আর অর্থ নষ্ট করবেন না। নিজেরা কিছু বোঝেনা, শুধু কপি করা বা চোতা করা। ফলে কিছুই বুঝাতে পারবে না। এসব লেখকদেরকে বলুন -----

পরের মুখে শেখা বুলি
নটের মত কেন বলো,
যদি থাকে অভিজ্ঞতা
সেই পথে ভাই চলো।

খুব তাড়াতাড়ি বাংলা মেটিরিয়া মেডিকা বই উপহার দেবো।

আজ লিখছি টিউবারকিউলিনাম

ভূমিকা

টিউবারকিউলোসিস রোগের মূলে যে একটি জীবানু তা প্রথম আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ ১৮৮২ সালে। তা জানার পরে আমেরিকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ সোয়ান একটি গরুর লিম্ফ গ্লান্ড থেকে কিছু টিসু নিয়ে টিউবারকিউলিনাম ঔষধটি তৈরি করেন।

পরে ডাঃ কেন্ট একই ফর্মুলায় নিজের তত্ত্বাবধানে একজন পশু চিকিৎসককে দিয়ে টি বি আক্রান্ত একটি ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে টিসু কালেকশন করে ফিলাডেলফিয়ার বোরিক এ্যান্ড ট্যাফেল কোম্পানিকে দিয়ে আলাদাভাবে টিউবারকিউলিনাম ঔষধ তৈরি করান, এবং স্কিনার মেশিনে ৩০,২০০, ১০০০, ইত্যাদি উচ্চশক্তি বানান। কেন্ট তার তত্ত্বাবধানে তৈরি হওয়া টিউবারকিউলিনামের নাম দিলেন টিউবারকিউলিনাম বোভাইনাম। কারণ, বোভাইনাম ইংরাজি শব্দের অর্থ ষাঁড় জাতীয় গরু। যেহেতু ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে তিনি ঔষধটি তৈরি করিয়েছিলেন তাই এই নামটি তিনি দিয়েছিলেন।

তবে টিউবারকিউলিনাম আর টিউবারকিউলিনাম বোভিনাম মোটামুটি একই ভাবে একই রকম কাজ করে।

এর বেশ কিছুদিন পরে লন্ডনের ডাঃ বার্নেট টি বি হওয়া একজন মানুষের ফুসফুসের অংশ কালেকশন করে নিজের তত্ত্বাবধানে ট্রাইটেশন করিয়ে 1X শক্তি তৈরি করান এবং পরে জাম্পিং পোটেনসির মাধ্যমে ৩০, ২০০, ১০০০, ইত্যাদি শক্তি বানান। তিনি এই প্রিপারেশনের নাম দেন ব্যাসিলিনাম। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় লক্ষন মোটামুটি ঐ টিউবারকিউলিনামের মতন পাওয়া গেল।

তবে এই সব প্রিপারেশনগুলি ক্লিনিক্যালি পরীক্ষা হয়েছে। কোন প্রিপারেশন হ্যানিম্যানিয়ান পদ্ধতিতে প্রুভিং হয়নি।

ক্লার্কের ডিকসনারি অব মেটিরিয়া মেডিকা বা বোরিকের বইয়ের টিউবারকিউলিনাম ঔষধের রিলেশনে টিউবারকিউলিনাম কচ, টিউবারকিউলিনাম এ্যাভেরি, ইত্যাদি নামে কিছু ঔষধ দেখতে পাওয়া যায়। তবে এগুলি মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। ডাঃ পিয়ার স্মিথ তার Defective illness বইয়ে কিছু নোসোডস আলোচনা প্রসঙ্গে এইসব নতুন প্রিপারেশন সম্বন্ধে পরিষ্কারভাবে বলেছেন --As for the other Tuberculinum preparations, the indications we have are theoretical, arbitrary, conventional and empirical.

যাইহোক টিউবারকিউলিনাম এবং টিউবারকিউলিনাম বোভিনামের ক্লিনিক্যালি পাওয়া লক্ষণগুলি মোটামুটি একই রকম ----

★ প্রায় সর্দি কাশি লাগে, খুব সাবধানে থাকলেও কিভাবে যে সর্দি লাগে, কোথা থেকে লাগে, কেমন ভাবে লাগে, তা মোটেই বোঝা যায় না। দুই চার দিন অন্তর শুধু ঠান্ডা বা সর্দি কাশি লেগেই চলে। তাই মজা করে বলা যেতে পারে -- টিউবারকিউলিনাম রোগীর বিয়ের রাতে ঠান্ডা লাগলে তা সারে তার হানিমুন সফর শেষ হলেও সারে না।

( সহজে সর্দি লাগে -- ব্যারাইটা কার্ব, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, হিপার, কেলি কার্ব, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, সোরিনাম, সাইলিসিয়া )

★ প্রচন্ড দুর্বলতা। দুর্বলতার কারণও বোঝা যায় না, খিদে ভালো, খায়-দায় ভালো, অথচ শরীরে ভীষণ দুর্বলতা। সবরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও খারাপ কিছু রোগ ধরা পড়ে না, কিন্তু শরীরে ভীষণ দূর্বলতা।

( ভীষণ দুর্বলতা --- আর্সেনিক, জেলস ) ,

★ শরীর দিন দিন শুকিয়ে যায়, অর্থাৎ রোগা হতে থাকে, ওজন কমতে থাকে। খায় দায় অথচ শরীর শুকিয়ে যেতে থাকে, গায়ে মোটেই মাংস লাগে না, চেহারার কোন উন্নতি নেই

( এ্যাব্রোটেনাম, আয়োডাম, নেট্রাম মিউর, স্যানিকিউলা, টিউবার, )

★ লম্বা রোগাটে চেহারা, বুকের ছাতি প্রশস্ত নয়, কাঁধ দুটি যেন ভিতরের দিকে ডেবে থাকে।

★ পরিচ্ছন্ন, আর্টিস্টিক এবং শিল্পী মনের --- এরা খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা টিপটপ থাকতে ভালোবাসে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেড়াতে ভালোবাসে। বাচ্চারা বড়দের হাত ধরে টেনে টেনে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে চায়।

★ গান-বাজনা খুব একটা পছন্দ করে না।

★ অ্যাডভেঞ্চার টাইপের মানসিকতা ---কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করে না, যখন যা মনে হয় তাই করে । হঠাৎ ডিসিশন নিয়ে কোন জায়গায় বেড়াতে বেরিয়ে পড়ে। অফিসে জানালো না, স্ত্রীর সাথে কোন আলোচনা করলো না, কোথায় থাকবে, কিছু অসুবিধা হবে কি না , এসব চিন্তা করার কোন মানসিকতা থাকে না। কুইক ডিসিশন, কুইক স্টার্ট।

★ যে খাবারে রোগ বৃদ্ধি সেই খাবার খেতে চায়, যে কারণে রোগবৃদ্ধি সেই কারণকে কোনরকম গুরুত্ব দিতে চায় না,

★ ঝড়-বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে, এইরকম আবহাওয়ায় মনে রোমাঞ্চ অনুভব করে।
( কার্সিনোসিন, সিপিয়া)

( ঝড় বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে না, ভয় পায়,বা শরীর খারাপ করে --- জেলস, নেট্রাম কার্ব, মেডো, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, ফসফরাস, সোরিনাম, রানানকিউলাস , রডোডেনড্রন,)

★ ভীষণ রাগ, জেদ --- অতি সহজেই রেগে যায়, রাগ কিছুতেই কন্ট্রোল করতে পারে না, রাগের চোটে জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে বা ভেঙে ফেলে। অতিশয় রুক্ষ, ও অসন্তুষ্ট৷ কোন ব্যাপারে কোনরকম উৎকন্ঠ থাকে না।

★ মনের বড় পরিবর্তনশীলতা ---বৈচিত্রতাই এদের জীবনের অঙ্গ। এক জায়গা বেশিদিন ভালো লাগে না, এক চাকরি বেশিদিন ভালো লাগে না, একই জায়গায় থাকতে বেশি দিন ভালো লাগে না, একই রকম জামা প্যান্ট পরতে বেশি দিন ভালো লাগে না, এক বন্ধু বেশিদিন ভালো লাগেনা, একজন ডাক্তারকে বেশীদিন দেখাতে চায় না --দুই চার দিন পরেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। এদের সাথে যারা প্রেম করে তাদের কপালেও দুঃখ জোটে, হয়তো মেয়েটি স্বপ্ন দেখছিল ঘর বাঁধার, কিন্তু তার স্বপ্ন দেখার মাঝেই পাখি অন্য ডালে বসতে আরম্ভ করে!

( সবকিছুতে পরিবর্তনশীলতা নয়, শুধু যৌনসংসর্গ অর্থাৎ সহবাস করার জন্য বা সেক্স ডিজায়ার চরিতার্থ করার জন্য নিত্য নতুন পার্টনার চায়, সম্পর্ক একবার হয়ে গেলে আর যোগাযোগ রাখতে চায় না --- ফ্লুওরিক এ্যাসিড )

★ বড় আশবাদী ----নানান রকম রোগে ভুগলেও, এবং ভীষণ শারীরিক দুর্বলতা থাকলেও এরা খুব আশাবাদী, কোনরকম নৈরাশ্যবোধে ভোগে না, সহজে হতাশ হয় না।

( মোটেই আশাবাদী নয়, সহজে হতাশ বা আশাহত হয় -- সোরিনাম )

★ রোগের পরিবর্তনশীলতা ---এই ঔষধে শুধু একজন মানুষের মনের পরিবর্তন হয় তা নয়, একজন মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগেরও পরিবর্তন দেখা যায়, রোগ এক অর্গান থেকে অন্য অর্গানে, বা এক সিস্টেম থেকে অন্য সিস্টেমে ধাবিত হয়। যেমন কিছুদিন রেসপিরেটরি সিস্টেমের শ্বাসকষ্টের রোগ চলার পরে ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের পাকস্থলী বা ইনটেসটিনের রোগ আরম্ভ হয়। কিছুদিন পর পর রোগের এইরকম সিস্টেমের পরিবর্তন হওয়ার পিছনে আপাতগ্রাহ্য কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

★ টিউবারকিউলার ডায়াথেসিসের উন্নতি হয় ---- টিউবারকিউলার ডায়াথেসিস রোগীদের ঠিক করতে বা সুস্থ রাখতে এই ঔষধের উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ লক্ষন মিলিয়ে দিলে রোগীদের অত্যন্ত উপকার হয়।

ব্যাপারটা কি? ডায়াথেসিস কথার অর্থ হলো প্রবণতা বা টেন্ডেন্সি। যেমন, রোগীর টি বি হয়নি। বাহ্যিক কোন পরীক্ষা নিরীক্ষায় টি বির কোন জার্ম পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু টি বি রোগ হলে যে সব কমন সিমপটমসগুলি দেখা যায়, সেইরকম কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যেমন --শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকছে বিশেষ করে রাতের দিকে, খিদে কম হচ্ছে, চেহারা শুকিয়ে যাচ্ছে , ওজন কমে যাচ্ছে, প্রায়ই সর্দি কাশি লাগছে, রাতে ঘুমের মধ্যে শরীরে অল্পস্বল্প ঘাম হচ্ছে, ঘাড়ের লিম্ফ গ্লান্ড দুই একটা ফুলে থাকছে, ইত্যাদি।

এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা এমন স্টেজে টি বির মতন লক্ষণ পেলেও যেহেতু সব রিপোর্ট নেগেটিভ, তাই টি বির কোন ঔষধ দিতে পারবে না, আর দিলেও তা মারাত্মক ক্ষতিকর হবে। এই ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিকৃত টিউবারকিউলিনাম রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে -- রক্তে টি বির জার্ম নেই, তবু এমন টি বি, রোগের লক্ষনের মতন ভাব হচ্ছে কেন? উত্তর হচ্ছে -- রোগীর শরীরে টিবির জার্ম ঢুকেছে, তারা শরীরে অবস্থান করছে, কিন্তু জীবণী শক্তির সঙ্গে লড়াই করে ঠিক মতন আক্রমণ সানাতেতে পারছে না। রোগের এই অবস্থাকে বলা যেতে পারে সুপ্ত প্যাথলজি বা ডাইনামিক প্যাথলজি। বাজারে যেসব প্যাথলজি বা প্রাকটিস অব মেডিসিন বই পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন কোর্সে পড়ানো হয়, যা চিকিৎসকরা জানে, পড়ে, মানে, তা হচ্ছে সবই ডায়নামিক প্যাথলজির পরের স্টেজ, অর্থাৎ গ্রস প্যাথলজি, অর্থাৎ স্ট্রাকচারাল প্যাথলজি। ডায়নামিক প্যাথলজির কথা কোন প্রাকটিস অব মেডিসিনে বইয়ে বলা নেই।

★ মাংস, ও মিষ্টি পছন্দ করে, পাতে কাঁচা নুনও অনেকে খেতে চায়৷ তবে মাংস কখনো অপছন্দের তালিকায়ও থাকে।

★ রোগী শীতকাতর কি গরম কাতর তা পরিষ্কার বোঝা যায় না, তবে কিছুটা গরম কাতর বলা যেতে পারে,তাই এই বিষয় নিয়ে বেশি মাথা না ঘামানোই ভালো।

★ সামান্য চলাফেরায় বা পরিশ্রমে শরীরে খুব ঘাম হয়, তার সাথে থাকে দুর্বলতা।

★ রোগীর আগে একবার টি বি হয়েছিল, ঔষধ খেয়েছিল, ঔষধের কোর্স কমপ্লিটও করেছিল। কিন্তু তারপর থেকেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, প্রায় সর্দি কাশি লাগছে, ঘাড়ের কাছে গ্লান্ড ফুলছে, খিদে ভালো হচ্ছে না, এমন ক্ষেত্রে টিউবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ ঐ রোগীকে সুস্থ করে।

★ সব লক্ষণ মিললেও সুনির্দিষ্ট ঔষধে কোনো কাজ হচ্ছে না, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন ঔষধ দিতে থাকলেও স্যাটিশফ্যাক্টরি বা আশাতীত ফল পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু বংশে কারুর টি বি ছিল, তা সে মায়ের বাড়ির দিকেই হোক বা বাবার দিকেই হোক, এমন ক্ষেত্রে টিইবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির এক ডোজ প্রয়োজন হতে পারে, এবং দ্রুত রোগী উন্নতির দিকে যেতে পারে।

★ ট্যাকিকার্ডিয়া, অর্থাৎ হার্ট রেট কারুর কারুর বেশি হতে পারে।

★ জিভের উপরটা অনেকের লিচু ফলের বা স্ট্রবেরি ফলের বাইরের মতন ডুমো ডুমো দেখা যায়। একে বলা হয় Strawberry tongue.

★ পিপাসা ভালো, ঠান্ডা জল খেতে চায়।

★ ক্ষুধা পরিবর্তনশীল, কখনো ভালো ক্ষুধা, আবার কখনো একেবারেই ক্ষুধা থাকে না।

★ অনেক লক্ষণ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

★ যদি কিছু চরিত্রগত লক্ষন মেলে তবে উপকার পাওয়া যেতে পারে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যাল কন্ডিশনগুলিতে --

* মহিলাদের ব্রেস্ট টিউমারে ,

* মহিলাদের মাসিকের সময় পেট ব্যথায়,

* মর্নিং ডায়েরিয়া অর্থাৎ সকালের দিকে পাতলা পায়খানা চলতে থাকলে ,

* তীব্র মাথা যন্ত্রণায়, বিশেষ করে ডান দিকের, এবং স্কুলে যাওয়া মেয়েদের ,

* বহুদিন ধরে ভুগতে থাকা টনসিলাইটিস রোগে,

* বিষফোঁড়া যখন দলে দলে বের হয়, ( সালফার )

* শরীরের স্থানে স্থানে একজিমা হতে থাকলে

★ টিউবারকিউলার মেনিনজাইটিস রোগে , ইত্যাদি।

26/09/2025

Bell's Palsy (প্যারালাইসিস হয়ে মুখ বেকে যায়) রোগের জন্য
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়া যায়।

রোগী দেখার সময় : বিকাল ৩ টা হতে ৫ পর্যন্ত।

যোগাযোগ : মাছ বাজারের পূর্ব পাশে, সাত্তার মার্কেট, আমতলা বাজার, শিমুলিয়া, আশুলিয়া, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৮৮৯৯৭৬৪৫১

30/08/2025

Hypothalamus আমাদের মস্তিষ্কের (brain) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা থ্যালামাসের নিচে এবং পিটুইটারি গ্রন্থির উপরে অবস্থিত। এর প্রধান কাজ হলো শরীরের ভেতরের পরিবেশ (internal environment) বা homeostasis বজায় রাখা। Hypothalamus হলো শরীরের "Master Regulator", যা হরমোন, স্নায়ু ও শারীরবৃত্তীয় কাজের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
Hypothalamus এর প্রধান কাজসমূহ
1. হরমোন নিয়ন্ত্রণ
Hypothalamus থেকে releasing ও inhibiting hormone নিঃসৃত হয়, যা পিটুইটারি গ্রন্থিকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি (thyroid, adrenal, go**ds ইত্যাদি) সঠিকভাবে কাজ করে।
2. শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
শরীর গরম হলে ঘাম সৃষ্টি করে, ঠান্ডা হলে কাঁপুনি দিয়ে উষ্ণতা বাড়ায়।
3. ক্ষুধা ও তৃষ্ণা নিয়ন্ত্রণ
Hypothalamus আমাদের খাওয়ার ইচ্ছা (hunger center) ও পানি পানের ইচ্ছা (thirst center) নিয়ন্ত্রণ করে।
4. ঘুম ও জাগ্রত অবস্থা নিয়ন্ত্রণ
ঘুমের চক্র (sleep-wake cycle) নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
5. অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ
sympathetic ও parasympathetic system কে নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে হার্টবিট, রক্তচাপ, হজম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
6. আবেগ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ
ভয়, আনন্দ, দুঃখ, রাগ ইত্যাদি আবেগে ভূমিকা রাখে।
7. প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
Gonadotropin-releasing hormone (GnRH) নিঃসৃত করে, যা পিটুইটারিকে প্রভাবিত করে এবং reproductive hormones নিয়ন্ত্রণ করে।
Hypothalamic dysfunction জন্য উপসর্গের উপর ভিত্তি করে Constitutional Remedy সিলেকশন করতে হয়। এর জন্য আপনি একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন

23/08/2025

Writer Dr.Rabin Barman sir

রেপার্টরির ব্যাপার স্যাপার

পার্ট --৬

তাহলে আমরা জানলাম কেন্টের নিজের হাতে কারেকশন করা তাঁর রেপার্টরি বইটির থার্ড এডিশন মৃত্যুর কিছুদিন আগে শেষ করেছিলেন, কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য পাবলিশ হয়েছিল ১৯২৪ সালে। এবং তার পরে এ্যামেরিকায় রিপ্রিন্ট হয়েছিল ১৯৩৫, ১৯৪৫, ও ১৯৫৭সালে। তারপর আমেরিকায় আর এই বই ছাপা হয়নি। কলকাতায় ছাপা হয় ১৯৬১ সালে।

কিন্তু এহার্ট এ্যান্ড কোম্পানি তৃতীয় এডিশন ছাপতে অনেক প্রিন্টিং মিসটেক করেছে।

কেন্টের নিজের হাতের করা কালেকশন কপি যেটি প্রেসে পাঠানো হয়েছিল, তার আরও দুইটি হুবহু কারেকশন কপি করেছিলেন কেন্টের দুই প্রিয় ছাত্র ডাঃ গ্লাডউইন এবং ডাঃ জে এস পুগ।

১৯১৬ সালে কেন্টের নিজের হাতে কারেকশন করা তৃতীয় এডিশন যখন ১৯২৪ সালে বেরুলো তখন ডাঃ গ্লাডউইন এবং ডাঃ পুগ তাদের কাছে থাকা দুইটি কপির সাথে মিলিয়ে দেখলো অনেক ভুল হয়েছে।

সব চেক করার পরে ভুল ভ
গুলি আবার ঠিক করে ডাঃ গ্লাডউইন তার কপিটা আরও একবার চেক করার জন্য তার বন্ধু কেন্টের অন্য এক প্রিয় ছাত্র ডাঃ অস্টিনকে দিলেন।

ডাঃ অস্টিন একটু ঘাঁটাঘাঁটি করে তাদের বন্ধু ডাঃ পিয়ার স্মিথকে দিলেন।

ডাঃ পিয়ার স্মিথ খুব সিরিয়াস মানুষ ছিলেন ।
তিনিই সর্বপ্রথম ১৯৫৮ সালে বলেছিলেন হ্যানিম্যানের অর্গাননের ষষ্ঠ সংস্করণে ৫০ সহস্রতমিক পদ্ধতিতে ঔষধ তৈরীর কথা বলে গেছেন। অথচ ১৯২১ সালে মিলানির মেয়ের কাছ থেকে ষষ্ঠ সংস্করণের পান্ডুলিপি পাওয়ার পরে ডাঃ উইলিয়াম বোরিকের তত্ত্বাবধানে বইটি ছাপার পরেও দীর্ঘ ৩৭ বছর সবাই বইটি উল্টে পাল্টে দেখলেও হ্যানিমান ঔষধ তৈরির যে একটা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতির কথা বলে গেছেন তা এই পিয়ার স্মিথ ছাড়া কারুর চোখেই পড়েনি, বা কেউ খেয়াল করে নি। তিনিই সর্বপ্রথম " দ্য হিডেন ট্রেজারস ", নাম দিয় ব্রিটিশ জার্নাল অফ হোমিওপ্যাথিতে লিখে ব্যাপারটি সবার দৃষ্টিগোচর করেন।

এখানেও পিয়ার স্মিথ ভালভাবে স্ক্রুটিনি করে দেখলেন কারেকশন করা বইয়ের থেকে অনেক কিছু বাদ পড়েছে, অনেক জায়গায় সিরিয়াস মিসটেক হয়েছে, এবং যে সব ভুলগুলি এ্যামেরিকান এডিশনে ছিল, তা ইন্ডিয়ান এডিশনেও অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।

তিনি লক্ষ্য করলেন এক জায়গার লেখা অন্য জায়গায় ঢুকে গেছে, অনেক সাব রুবরিক লেখায় গন্ডগোল হয়েছে। অনেক জায়গায় ঔষধের গ্রেডেশনেও গন্ডগোল হয়েছে। যেমন on waking, অনেক জায়গায় on walking হয়েছে।
যেমন, তৃতীয় সংস্করণে Mind section এ Striking রুবরিকের সাব-রুবরিকে তিনি লিখেছিলেন -- strike himself --Tarent, Verat -v, কিন্তু তা ছাপা হয়নি।

এই গল্প জানার পরে অবাক বিস্ময়ে মানলাম, সিরিয়াসনেস কম থাকার ব্যাপারটা পৃথিবীর সব জায়গাতেই আছে।

যাইহোক, প্রতিটি চ্যাপ্টারের প্রতিটি পৃষ্ঠা, প্রতিটি রুবরিক, সারুবরিক, সব নিখুঁতভাবে খুঁটিয়ে খুটিয়ে দেখে ডাঃ স্মিথ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন নতুন করে কেন্ট সাহেবের তৃতীয় এডিশন ছাপার দরকার।

পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কাজ করে, সব ঠিকঠাক করে পিয়ার স্মিথ কেন্টের রেপাটরি আবার নতুন করে ছাপতে চাইলেন। আমেরিকায় এই বই পাঁচবার ছাপা হয়েছে, আর ইন্ডিয়াতে একবার, অর্থাৎ মোট ৬ বার ছাপা হয়েছে।

সব বারের ছাপাগুলিকে নতুন নতুন এডিশন ধরলে তাদের ছাপার বর্তমান এডিশন হবে এই নামে।
" কেন্টস ফাইনাল জেনারেল রেপার্টরি --সেভেন্থ এডিশন "।

কিন্তু আমাদের ভারত বাংলাদেশের মানুষের রক্তে চুরি ব্যাপারটা যে জড়িয়ে আছে, তার আরেকবার প্রমাণ পাওয়া গেল।

পিয়ার স্মিথের সুইজারল্যান্ডের বাড়িতে একটি দক্ষিণ ভারতীয় চাকর ছিল। সে এই বইয়ের কাজকর্ম দেখে এবং অনেকের সাথে পিয়ার স্মিথের কথাবার্তা শুনে বুঝেছিল এই বইটা মনে হচ্ছে খুব মূল্যবান কিছু ব্যাপার হবে। সে পুরো ম্যানুসস্ক্রিপ্ট চুরি করে ভারতে ফিরে আসে। মনে মনে সে ভাবে, বিরাট একটি স্বর্ণখনি সে পেয়েছে, এবং বহু মূল্যে বড় কোন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে এই ম্যানুসস্ক্রিপ্ট বিক্রিও করা যাবে হয়তো!

বইটি অনেক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের হাত ঘুরে শেষে দিল্লির ডাঃ দেওয়ান হরিশচাঁদের হাতে পৌঁছায়।

ডাঃ দেওয়ান হরিশ চাঁদ এবং ডাঃ পিয়ার স্মিথের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সেই সময়ের ইন্টারন্যাশনাল হোমিওপ্যাথিক কনফারেন্স তারাই পরিচালনা করতেন।

ডাঃ হরিশচাঁদ ইতিমধ্যে খবর পেয়েছেন ডাঃ পিয়ার স্মিথের বাড়ী থেকে কারেকশন করা কেন্টের বইটি চুরি হয়েছে।

চুরি হওয়া কপিটি হাতে পেয়ে ডাঃ হরিশচাঁদ আর দেরি করেন নি। শীঘ্রই সব ঘটনা ডাঃ পিয়ার স্মিথকে জানান।

দুই বন্ধু আলোচনা করে দুজনে একসাথে বইটি ছাপার সিদ্ধান্তে আসেন, এবং ১৯৭৯ সালে " কেন্টস ফাইনাল জেনারেল রেপার্টরি, সেভেনথ এডিশন ", নাম দিয়ে পাবলিশ করেন। অনেক জায়গায় কেন্টের নিজের হাতের কারেকশন করা রুবরিক বা ঔষধের ছবি দিযেছেন।

কিন্তু সিন্থেসিস রেপার্টরিতে অনেক নতুন রুব্রিক বা সাব রুব্রিক এবং ঔষধ যোগ হওয়ায়, এবং বি জৈন পাবলিশিং কোং কেন্টের পুরাতন রেপার্টরি অনেক কম দামে বিক্রি করতে থাকায় এই বই বেশি চিকিৎসকরা কেনেন নি, এবং বইটি সব চিকিৎসকদের কাছে পরিচিতি হতেও পারেনি।

( চলবে )

Address

Dhaka
1345

Opening Hours

Tuesday 02:00 - 16:00
Thursday 02:00 - 16:00
Saturday 02:00 - 16:00
Sunday 02:00 - 16:00

Telephone

+8801889976451

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahi homeopathic Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahi homeopathic Clinic:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram