Dr.Era

Dr.Era আমি ডা.নিশাত তাসনিম ইরা
এমবিবিএস,পিজিটি(গাইনি&অবস)
ডিওসি(ডার্মাটোলজি&ভিডি)
জিপিওসি(জিপি)
এস.এম.ও
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

- একজন ডাক্তার অনলাইনে চিকিৎসা দেন বিকাশে টাকার বিনিময়ে।- এটা ভালো না খারাপ সে বিষয়ে যাওয়ার আগে আপনাদেরকে একটা গল্প শুনা...
26/11/2025

- একজন ডাক্তার অনলাইনে চিকিৎসা দেন বিকাশে টাকার বিনিময়ে।

- এটা ভালো না খারাপ সে বিষয়ে যাওয়ার আগে আপনাদেরকে একটা গল্প শুনাই।

- এমবিবিএস পাশ করার পর ঢাকাতে একটা প্রাইভেট হাসপাতালের ইমার্জেন্সীতে চাকরী করতাম।

- আমার পরিচিত একজন আমাকে ফোন দিয়ে বললো তার বউ এর হাত কেটে গেছে।

- আমি হাসপাতালে আছি। আপনি ভাবীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

- ঘটনা হলো উনার বউ, উনার উপর রাগ করে নিজের হাত নিজে কেটেছেন।

- বললাম সেলাই করতে হবে।

- ভাই, ভালো #সুতা দিয়ে সেলাই করবেন .... যাতে দাগ না থাকে।

- আমি রিসেপশনের লোকটাকে ডেকে বললাম .... রুগী আমার পরিচিত। নূন্যতম কতো টাকা লাগবে আমি নিজে সেলাই করে দিলে? (কেননা খরচের পরিমাণ আগে বলে নিলাম যাতে পরে সমস্যা না হয়)

- স্যার, আপনার #প্রসিডিউর ফি বাদ দিলে ৭৫০ টাকা দিলেই হবে।

- আমার পরিচিত .... ৭৫০ না ৫০০ টাকা দিবে।

- আচ্ছা স্যার, আপনি যা বলেন।

- আমি প্রোলিন সূতায় কসমেটিক সেলাই দিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখে দিলাম।

- প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে যাওয়ার সময় বলে .... ভাই, আপনি যেখানকার ডাক্তার সেখানে আবার টাকা লাগে নাকি। আর ডাক্তারদের টাকার অভাব আছে নাকি?

- আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারিনি।

- সেদিন ছিলো মাসের ৩০ তারিখ। আমার পকেটে #সর্বসাকুল্যে ৭৮০ টাকা ছিলো .... যা দিয়ে আরও ৩ দিন চলতে হবে, বেতন হওয়ার আগ পর্যন্ত।

- আমি নিজের পকেট থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বিল দিয়েছিলাম। ......
একটা বিষয় মনে রাখবেন, চিকিৎসা দেওয়া সেবা আবার এটা পেশাও।

- আমরা অনেকেই অন লাইনে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিয়ে থাকি। এটা আমাদের উদারতা ..... #দায়বদ্ধতা নয়।

- যারা এর জন্য ভিজিট রাখছে .... তারা আপনাকে উদারতা দেখায় নাই।

- এটা একটা সিম্পল হিসাব।।

Medical camp done....With Dr Md Abdul Ahad ...
30/09/2025

Medical camp done....
With Dr Md Abdul Ahad ...

28/09/2025
আজকের শুভ সকাল জানানো পাখিটিআল্ট্রা প্রব ধরার সাথে সাথেই নিজের পরিচয় জানান দিলরোগিনির বংশপ্রদ্বীপ ....
19/09/2025

আজকের শুভ সকাল জানানো পাখিটি
আল্ট্রা প্রব ধরার সাথে সাথেই নিজের পরিচয় জানান দিল
রোগিনির বংশপ্রদ্বীপ ....

18/06/2025

সতর্কতা মূলক পোস্ট
পুরোটা পরলে বুজতে পারবেন ।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমানে এই রোগটা ছরাচ্ছে৷
নিজে সতর্ক হন,, অন্যদেরকে সতর্ক করুন 🫵👍

আপনাদের সন্তানের চুলকানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার লেখা এই পোস্টটি ভালো ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন।
স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।

স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :

১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।

২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘ/র্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ই/ নফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।

৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:

১. চিকিৎসা:

☞ পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালোভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।

☞ আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।

☞ আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার শিশুর স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ দিতে পারেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

☞ অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

৩. একসাথে চিকিৎসা:

পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।

বিশেষ সতর্কতা:

শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারনভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।
আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য এবং শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

15/05/2025

পুদিনার চা-এর উপকারিতা:
* PCOS-নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, পুদিনাপাতার চা অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমিয়ে হরমোনজনিত সমস্যা যেমন-
*এটি মুখে অতিরিক্ত লোম, অনিয়মিত মাসিক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
* ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
*এটি ডিটক্স হিসেবে কাজ করে এবং বিপাকক্রিয়া (metabolism) উন্নত করে।
* চিনি ছাড়া খেলে ওজন কমানোর পথে সহায়ক হতে পারে।
2. হজমে সহায়তা করে
* স্পিয়ারমিন্ট চা গ্যাস্ট্রিক, গ্যাস, বুকজ্বালা, বমি ভাব এবং বদহজম কমাতে কার্যকর।
* এটি অন্ত্রকে শিথিল করে এবং পাচনতন্ত্রের কাজ সহজ করে।
3. স্ট্রেস ও উদ্বেগ কমায়
* এতে থাকা মেন্থল মন শান্ত করে, স্নায়ু শিথিল করে এবং ঘুমে সাহায্য করে।
* রাতের ঘুমের আগে খেলে ভালো ঘুম আসতে পারে।
4. মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন উপশম করে
*এর স্নায়ু-শান্তকারী উপাদান মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন কমাতে সহায়তা করে।
* ত্বক ও ব্রণের যত্নে উপকারী
৫. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় এটি ব্রণ ও ত্বকের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।
৬. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
* এর প্রাকৃতিক মেন্থল মুখকে সতেজ রাখে ও দুর্গন্ধ দূর করে।

13/05/2025

✍️ সরকারি হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট ক্লিনিক, যেখানেই রোগী নিয়ে যান না কেন, নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণের চেষ্টা করেই দেখুন না, কী ফল পাওয়া যায় !

✅ ১. সরকারি হাসপাতালে অপরিচিত যে লোকটি উপযাজক হয়ে আপনার ঘনিষ্ট হিসাবে ডাক্তারকে পরিচয় দিবে বা আপনার জন্য এখানে সেখানে ছুটোছুটি করবে, বুঝে নেবেন সে একজন দালাল। শুরুতেই তাকে মার্ক করে রাখুন। এড়িয়ে চলুন। তাতে টাকা, সম্মান ও রোগী তিনটাই বাঁচবে।

✅ ২. জরুরী বিভাগ থেকে ভর্তির পর কাগজটি নিজ হাতে বহন করে নিজের ওয়ার্ডে যাবার অভ্যাস করুন। অথবা বহনকারী লোকটি আপনাকে বড়সড় খরচ করিয়ে শুইয়ে দিতে পারে।

✅ ৩. ইমার্জেন্সীর ইএমও বা ওয়ার্ডের ডিউটি ডাক্তাররা ( ইন্টার্ন বা ইউনিটের সিএ, রেজিস্টার, আইএমও ) উচ্চশিক্ষিত ও আপনার রোগীর চিকিৎসা দেয়ার জন্য যথেষ্ঠ কোয়ালিফাইড।

সেখানে গিয়ে নিজের ক্ষমতা, শিক্ষাগত যোগ্যাতা, স্মার্টনেসের প্রমাণ দিতে যাবেন না। আপনি যতটুকু ভদ্রলোক হবেন, তারা তার চাইতে বেশি ভদ্র লোকের মত আপনাকে চিকিৎসা দিবে।

✅ ৪. হাসপাতালের সব সিরিয়াস রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় ইএমও/ ইন্টার্ন/সিএ/আইএমও / রেজিস্ট্রারের হাত দিয়েই। তারা জানে কীভাবে রোগীকে দ্রুত সময়ে প্রাণ রক্ষাকারী চিকিৎসা দিতে হয়। বড় স্যার কখন দেখবে, কেন এখনো প্রফেসর / কন্স্যালট্যান্ট/ বড় ডাক্তার আসছে না বলে অতি স্মার্টনেসের পরিচয় দিবেন না। এতে চিকিৎসা প্রদানকারী চিকিৎসকের প্রতি আপনার অনাস্থা প্রকাশ পাবে। সেক্ষেত্রে আপনার জন্য প্রয়োজনীয় ইমার্জেন্সী চিকিৎসা দেয়াটা তার পক্ষে বিব্রতকর হয়ে উঠলে আপনারই ক্ষতি।

✅ ৫. শুক্রবার সাধারণত হাসপাতালের কন্স্যালটেন্ট/প্রফেসর এর রাউন্ড বন্ধ থাকে। বন্ধের দিনে ইএমও/ আইএমও/ এইচএমও/ ইন্টার্নরা থাকেন। এসময় ডাক্তার নাই, ডাক্তার দেখে নাই বলে হুলস্থুল বা চেচামেচী করে কাউকে বিব্রত করবেন না বা অন্য রোগীর অসুবিধা সৃষ্টি করবেন না। ডাক্তাররাও মানুষ। মনে রাখবেন, সরকারের অন্য সব বিভাগ সপ্তাহে ২ দিন ছুটি পায়, আর হাসপাতালের ডাক্তারদের ছুটি ১ দিন।

✅ ৬. হাসপাতাল থেকে সাপ্লাইকৃত ঔষুধ ডাক্তাররা দিবে না। সংশ্লিষ্ট ঔষুধের জন্য নার্স বা ইনচার্জকে ভদ্র ভাষায় বলুন।

✅ ৭. রোগীর পাশ থেকে আপনার সমস্ত আত্মীয় স্বজনকে সরিয়ে ফেলুন। তারা রোগীর কোনো কল্যাণে আসবে না। তাদের জন্য চিকিৎসা প্রদানে দেরি হয়, এতে এমনকি রোগী মারাও যেতে পারে। রোগীর পাশে মানুষ যত কম থাকবে, তত রোগীর তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হবার সম্ভাবনা বাড়বে।

✅ ৮. সরকারী হাসপাতালে বেডের জন্য অযথা অনুযোগ / অনুরোধ করে করে চিকিৎসক বা নার্সদের অস্থির করে তুলবেন না। হাসপাতালে কেউ অযথা বেড দখল করে শুয়ে থাকেনা। সবাই অসুস্থ্য রোগী। সেখানে মুচি ডোম শুয়ে থাকলেও তাকে নামিয়ে আপনাকে উঠানো যাবেনা। বেড না থাকলে একজন ডাক্তারের মা নিজে অসুস্থ্য হয়ে আসলেও তাকে মেঝেতেই থাকতে হবে। সকল রোগী সমান। আর, রোগী বেড বা মেঝে যেখানেই থাকুক, সবাইকে সমান চিকিৎসাই দেওয়া হয়।

✅ ৯. কোন ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে অতিরিক্ত এটেনশন আদায়ের চেষ্টা করবেন না। যদি কোন রোগী বা তাদের আত্মীয় স্বজন হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স বা ষ্টাফদের খুব বেশী বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, অতিরিক্ত ঝামেলা এড়ানোর জন্য তখন হয়তো তারা সবাই ঐ রোগীকে এড়িয়ে চলতে পারেন। এটা খুবই স্বাভাবিক। এতে কিন্তু ক্ষতিটা আপনারই।

✅ ১০. রোগী কী খাবে… বলে বারবার বিরক্ত করবেন না। যদি স্যালাইন চলে তাহলে ভেবে নিন তাকে আলাদা করে খাওয়াতে হবেনা। খাবার বন্ধ রাখা হয় রোগীর ভালোর জন্যই। কিছুক্ষণ না খেলে আপনার রোগী মারা যাবেনা।

✅ ১১. ক্যানুলা খুলে গেছে, স্যালাইন অফ কেন, ঔষুধ কখন খাবে, কিভাবে খাবে, ঔষুধটা চেক করে দিন তো…. এই প্রশ্নগুলো নার্সকে ভদ্রভাষায় জিজ্ঞাসা করুন। সাধারণত এগুলো তাদের দায়িত্ব। তারা শিক্ষিত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। তাদের সম্মান করুন। এগুলো ডাক্তারের কাজ নয়।

✅ ১২. চিকিৎসককে সুন্দর ও ভদ্র ভাষায় সম্বোধন করুন। একইভাবে মহিলা ও পুরুষ নার্সকে " নার্স'" সম্বোধন করুন। আয়া বা কর্মচারীদেরকেও সুন্দর ভাষায় সম্বোধন করবেন। এগুলো আপনাকে ছোট করবে না বরং সম্মানীয় বানাবে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরাও আপনাকে সাহায্য ও সম্মান করবে।

✅ ১৩. সরকারি হাসপাতাল কিন্তু আপনার ট্যাক্সের টাকায় তৈরী! এই হাসপাতালকে নিজের টাকায় বানানো বাড়ির মতই পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে চেষ্টা করুন। আপনি যেখানে থুথু বা নোংরা ফেলবেন, অন্যেরা সবাই আপনার ফেলা জায়গাতেই আরো থুথু বা ময়লা ফেলে ভাসিয়ে দেবে। অপরাধের শুরুটা কিন্তু আপনিই করলেন!

✅ ১৪. হাসপাতালের ডাক্তারদের উপর বিশ্বাস রাখুন। আপনিই লাভবান হবেন। কারণ আপনাকে সেবা কম দিলে ডাক্তাররা লাভবান হবে না।

✅ ১৫. রোগী মারা গেলে ডাক্তারকে গালিগালাজ না করে স্ব-স্ব ধর্মের সৃষ্টিকর্তার কাছে অনুযোগ বা অভিযোগ করুন। ডাক্তার একজন মানুষ। তিনি চেষ্টা করেছেন কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আপনার রোগীর সুস্থ্যতা চাননি।

সংগৃহীত, সংযোজিত ও পরিমার্জিত।🙏

22/04/2025

সানস্ক্রিন দিলে কি ডাবল ক্লিনজিং MUST?

এক কথায় বলি — না, must না।
এখন আমি জানিনা আপনাদের মাথায় কে ঢুকিয়েছে - ডাবল ক্লিনজিং ছাড়া নাকি সানস্ক্রিন উঠে না!
ডাবল ক্লিনজিং খুব রিসেন্ট একটা জিনিস, এর আগে ও তো মানুষ স্কিনকেয়ার করেছে, তাদের তো সমস্যা হয়নি।

হ্যাঁ, এটা অনেক সময় কাজে দেয় — ধরুন, আপনি হেভি মেকআপ করেছেন। তখন একটু সুবিধা হয় কারণ চট করে মুখটা ক্লিন করা যায়। pore ও ক্লিন রাখে। অথবা খুব হেভি একটা ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন দিয়েছেন তখন ও অনেক স্কিন এর জন্য করে নেয়া ভালো।

কিন্তু তাই বলে “Must”? প্রতিদিন করতে হবে?
সব ক্ষেত্রে এমন না। সবার জন্য এমন না।

ডাবল ক্লিনজিং করবেন কি না তার জন্য প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে—

*আপনার স্কিনের কি আসলেই এর দরকার আছে কি না ?*

আপনি যদি ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন এবং আপনার স্কিন অ্যাকনে প্রন হয়- তাহলে ভেবে দেখতে পারেন।

কিন্তু যদি কেমিক্যাল সানস্ক্রিন দেন, ক্লিনজিং ভালো করে করেন, তাহলে আপনার আসলে দুইবার ক্লিঞ্জ করার দরকার নেই। আপনি চাইলেই স্কিপ করতে পারেন যদি আপনি স্কিন ভালো মতো পরিষ্কার করেন।

সত্য কথা হচ্ছে ডাবল ক্লিনজিংয়ের চাইতে বেশি জরুরি হচ্ছে—

১। একটা মাইল্ড / জেন্টল ক্লিনজার বেছে নেওয়া।
২।ওই ক্লিনজার দিয়ে কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড ম্যাসাজ করা।
৩।সবশেষে ভেজা কাপড় বা ওয়াশক্লথ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা — যেন ক্লিনজার লেগে না থাকে।

এই ৩ টা স্টেপ (যেগুলো ২ মিনিটেরও বেশি সময় নেয় না) করলে, ৯০% সময় আপনার স্কিন ক্লিন থাকবে—যে কোনও স্কিন টাইপই হোক না কেনো। হ্যাঁ ডাবল ক্লিনজিং ছাড়াই।

সুতরাং ডাবল ক্লিনজিং করবেন কি না তা সম্পূর্ণ ডিপেন্ড করে আপনার ক্লিনজিং টেকনিক এর উপর এবং আপনার সানস্ক্রিন এর টাইপ এর উপর।

এটা সবার জন্য মাস্ট না। কিছু ক্ষেত্রে করে নেয়া ভালো কিন্তু সবাই করতেই হবে এমন না।

আর“না করলেই স্কিন নষ্ট হয়ে যাবে”—এই ভুল ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।

তার মানে সানস্ক্রিন দিলে ডাবল ক্লিনজিং = ডিপেন্ড করে আপনার ত্বকের উপর, আপনার সিচুয়েশন এর উপর।

Mandatory? কখনোই না।

16/03/2025

একজন চিকিৎসক হিসেবে গর্ভবতী মায়েদের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই। আজকাল বিভিন্ন অনলাইন শপ এবং কিছু ফার্মেসিতে ফেটাল ডপলার (Fetal Doppler) নামের একটি ডিভাইস বিক্রি করা হচ্ছে, যা দিয়ে গর্ভের শিশুর হৃদস্পন্দন (হার্টবিট) শোনা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান গর্ভবতী মায়েদের এটি কিনতে উৎসাহ দিচ্ছে, কিন্তু এটি কোনো সাধারণ ডিভাইস নয়!

🔴 এই ডিভাইস চিকিৎসকদের ব্যবহারের জন্য, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়!

ফেটাল ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড (Ultrasound) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, যা শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু অনেকেই এটি কিনে বারবার ব্যবহার করছেন, যা শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

⚠️ ব্যক্তিগতভাবে ফেটাল ডপলার ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক:

✔ ভুল আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে পারে: শিশুর হার্টবিট পেলেই সব ঠিক আছে এমনটা ভাবা ভুল। অনেক সময় কোনো জটিলতা থাকলেও সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারেন না।

✔ অতিরিক্ত ব্যবহারে ঝুঁকি: আল্ট্রাসাউন্ডের অপ্রয়োজনীয় এক্সপোজার শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি দীর্ঘসময় ব্যবহৃত হয়।

✔ ভুল ধারণা থেকে দুশ্চিন্তা: অনভিজ্ঞদের দ্বারা সঠিকভাবে হার্টবিট শনাক্ত করা কঠিন। ফলে না শুনতে পারলে অযথা ভয় পেতে পারেন, যা গর্ভবতী মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

✅ করণীয়:

গর্ভের শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিজে থেকে কোনো ডিভাইস ব্যবহার না করে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেকোনো সমস্যা বা সন্দেহ হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

⚠ বিশেষ দৃষ্টিআকর্ষণ:

ফেটাল ডপলারের অবাধ বিক্রি বন্ধ হওয়া উচিত, এক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি করতে হবে এবং এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকদের ব্যবহারের মধ্যেই সীমিত রাখতে হবে। গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে দায়িত্বশীল হোন, বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে বিভ্রান্ত হবেন না।

গর্ভের শিশুর নিরাপত্তার জন্য সচেতন হোন, ভুল সিদ্ধান্ত থেকে দূরে থাকুন!

(এই পোস্টটি শেয়ার করুন, যেন আরও অনেক গর্ভবতী মায়েরা সচেতন হতে পারেন)

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Era posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category