চিকিৎসক তপন দেব

চিকিৎসক তপন দেব Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from চিকিৎসক তপন দেব, Medical and health, বাসাবো , সবুজবাগ, Dhaka.

🌿 প্রকৃতির ছোঁয়ায় সুস্থ জীবন! 🌿
আমাদের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা আপনাকে দিচ্ছে স্থায়ী, কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন সমাধান! সুস্থ শরীর, প্রশান্ত মন, আর দীর্ঘমেয়াদী রোগমুক্তির জন্য এখনই আমাদের সাথে থাকুন! ✨💚

সবই বুঝলাম কিন্তু বাচ্চাটার সাথে কিসের শত্রুতা কিসের এত জেদ কিসের এত শত্রুতা, তোদের কি একটু ও মায়া হয় না বাচ্চাদের মেরে ...
24/04/2026

সবই বুঝলাম কিন্তু বাচ্চাটার সাথে কিসের শত্রুতা
কিসের এত জেদ কিসের এত শত্রুতা, তোদের কি একটু ও মায়া হয় না বাচ্চাদের মেরে ফেলতে

পরিষ্কার মানেই কি সাবান? না… এখানেই মেয়েরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে।নারীর শরীর নিজেই নিজের যত্ন নিতে পারে। বিশেষ করে শরীরের ...
24/04/2026

পরিষ্কার মানেই কি সাবান? না… এখানেই মেয়েরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে।

নারীর শরীর নিজেই নিজের যত্ন নিতে পারে। বিশেষ করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে অতিরিক্ত কিছু ব্যবহার করলেই উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়।

সমস্যা কোথায়?
অনেকে মনে করেন ভেতরে সাবান ব্যবহার করলে পরিষ্কার থাকবে বা সুগন্ধ থাকবে। কিন্তু বাস্তবটা ঠিক উল্টো। সাবান ভেতরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, যা শরীর নিজে থেকেই বজায় রাখে।

অতিরিক্ত সাবান ব্যবহারে কী কী হতে পারে?
১. পিএইচ ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়।
২. ভালো ব্যাকটেরিয়া কমে যায়।
৩. ইনফেকশনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
৪. জ্বালাপোড়া, চুলকানি ও অস্বস্তি শুরু হয়।
৫. অস্বাভাবিক ডিসচার্জ বা স্রাব হতে পারে।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, যেটাকে আপনি পরিচ্ছন্নতা ভাবছেন, সেটিই ধীরে ধীরে আপনার শরীরে সমস্যা তৈরি করছে।

তাহলে সুস্থ থাকতে কী করবেন?
- বাইরের অংশ পরিষ্কার রাখতে সাধারণ পানি ব্যবহার করুন।
- খুব বেশি প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মাইল্ড কোনো প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন।
- ভেতরে বাড়তি কিছু ঢোকানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন।

একটি জিনিস সবসময় মাথায় রাখুন:
নারীর শরীর কোনো কেমিক্যাল দিয়ে পরিষ্কার করার বস্তু নয়। এটি প্রাকৃতিকভাবেই একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিস্টেম। আপনি একে যত স্বাভাবিক থাকতে দেবেন, তত ভালো থাকবেন।

শেষ কথা:
পরিষ্কার মানেই সাবান নয়, সচেতন থাকাটাই আসল পরিচ্ছন্নতা।

এমন আরও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।

#স্বাস্থ্যকথা #সচেতনতা

ভিডিও দেখলাম এক কলেজ শিক্ষিকার গালে জুতা দিয়ে বারি দিচ্ছেন এক বিএনপি নেতা। ভিডিওটা দেখে কমেন্টে নেতাকে ধুমায়ে গালি দেয়ার...
24/04/2026

ভিডিও দেখলাম এক কলেজ শিক্ষিকার গালে জুতা দিয়ে বারি দিচ্ছেন এক বিএনপি নেতা। ভিডিওটা দেখে কমেন্টে নেতাকে ধুমায়ে গালি দেয়ার জন্য গেলাম।

গিয়ে দেখি ভিডিওর আগের অংশ, জুতা খোলার আগেই ওই নেতার গালে ঠাটিয়ে চড় মেরেছেন ওই শিক্ষিকা। ভাবলাম এক হাতে তালি বাজে না। শিক্ষিকারেও কয়েকটা বকা টকা দেয়ার জন্য কমেন্ট সেকশনে গেলাম।

গিয়ে দেখি নেতা নাকি চাঁদা তুলতে গেছে। তাই ঠাটিয়ে চড় খেয়েছে। আবার রুট চেঞ্জ করে নেতাকে গালি দিতে যাব ভাবছিলাম।

তারপর দেখলাম, মহিলা ওই নেতারে মাঠের মাঝে ব্রক ল্যাসনারের মতো আছাড় দিয়ে ফেলে লুঙ্গি টুঙি খুলে ফেলতেছে।

এগজ্যাক্টলি কার জন্য করুণা বোধ করব নাকি নিউটনের তিন সূত্র মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ দিব ভাবতে ভাবতে আবার দেখি চাঁদাটাদা ইস্যু না, মহিলার সাথে নাকী অন্য ইস্যু নিয়ে পূর্ব থেকে ওই লোকের সমস্যা চলছে।

আপাতত আর কাউকে গালি না দিয়ে নিজেকেই গালি দিতে যাচ্ছি, ফেসবুকে ঢুকে বাঙ্গু মিডিয়ার বেতাছিড়া আর্ধেক আর্ধেক খবর কেন পড়ি, সেই বলদামির জন্য!

পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়ার কারণ ও করণীয়:কেন পিরিয়ড অনিয়মিত হয়?১. হরমোনের ভারসাম্যহীনতাইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের...
23/04/2026

পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়ার কারণ ও করণীয়:

কেন পিরিয়ড অনিয়মিত হয়?

১. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটলে মাসিক চক্র এলোমেলো হয়ে যায়। বিশেষ করে থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা থাকলে এটি খুব বেশি ঘটে।

২. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
এটি বর্তমানে নারীদের মধ্যে খুব সাধারণ সমস্যা। এতে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয় এবং হরমোনের তারতম্যের কারণে পিরিয়ড মাসের পর মাস বন্ধ থাকতে পারে বা দেরিতে হয়।

৩. অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ক্লান্তি
অতিরিক্ত স্ট্রেস শরীরের কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা সরাসরি রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৪. পুষ্টির অভাব ও ওজন
রক্তস্বল্পতা বা আয়রনের অভাব থাকলে পিরিয়ডে সমস্যা হতে পারে। আবার শরীরের চর্বি বা ফ্যাট লেভেল খুব বেশি বা খুব কম হলেও পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।

শরীরের যে লক্ষণগুলো এড়িয়ে যাওয়া বিপদজনক:

- চক্রের স্থায়িত্ব: যদি পিরিয়ড ২১ দিনের কম বা ৩৫ দিনের বেশি অন্তর হয়।
- অতিরিক্ত রক্তপাত: যদি প্রতি ১-২ ঘণ্টা অন্তর প্যাড পরিবর্তন করতে হয় বা রক্ত জমাট বাধা চাকা (clots) যায়।
- দীর্ঘস্থায়ী পিরিয়ড: যদি ৭ দিনের বেশি সময় ধরে ব্লিডিং হতে থাকে।
- প্রচণ্ড ব্যথা: তলপেটে এমন ব্যথা যা স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেয়।

কীভাবে সমাধান পাওয়া সম্ভব?

- খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার (যেমন—বাদাম, সামুদ্রিক মাছ, সবুজ শাকসবজি) বেশি রাখুন। চিনি ও অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
- বিএমআই (BMI) নিয়ন্ত্রণ: শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন সঠিক রাখা পিরিয়ড নিয়মিত করার প্রাথমিক ধাপ।
- চিকিৎসকের পরামর্শ: ঘরোয়া অভ্যাসেও যদি ২-৩ মাস টানা অনিয়মিত থাকে, তবে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম (USG) বা হরমোন প্রোফাইল টেস্ট করানো উচিত।

পরিশেষে
পিরিয়ড নিয়ে লজ্জা বা জড়তা কাটিয়ে শরীরের এই সিগন্যালগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। সচেতনতাই পারে ভবিষ্যতের বড় কোনো জটিলতা (যেমন বন্ধ্যাত্ব বা টিউমার) থেকে রক্ষা করতে।

আপনার এই সচেতনতামূলক লেখাটি অনেক মানুষের উপকারে আসবে। আপনি কি স্বাস্থ্যবিষয়ক আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা টিপস যোগ করতে চান?

সন্তান জন্মদানের পরবর্তী এই সময়টা যেকোনো দম্পতির জীবনের সবথেকে চ্যালেঞ্জিং একটি পর্যায়। আপনি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত...
23/04/2026

সন্তান জন্মদানের পরবর্তী এই সময়টা যেকোনো দম্পতির জীবনের সবথেকে চ্যালেঞ্জিং একটি পর্যায়। আপনি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। বিশেষ করে পুরুষদের জন্য এই মানসিকতা এবং জ্ঞান থাকা জরুরি যে, তার স্ত্রী কোনো ইচ্ছাকৃত অবহেলা করছেন না, বরং তার শরীর একটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই সময়ের সমস্যা এবং সমাধানের বিষয়গুলো নিচে সহজভাবে উপস্থাপন করা হলো:

কেন এই অনীহা ও শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়?

সন্তান হওয়ার পর একজন মায়ের শরীরে প্রধানত দুটি বড় পরিবর্তন ঘটে যা সহবাসের আগ্রহ কমিয়ে দেয়:

১. ব্রেস্টফিডিং হরমোন (Prolactin): যখন মা শিশুকে দুধ খাওয়ান, তখন শরীরে প্রোল্যাকটিন হরমোন বেড়ে যায়। এটি ইস্ট্রোজেন হরমোনকে কমিয়ে দেয়, যার ফলে যৌনাঙ্গ শুকিয়ে যায় এবং মিলনে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

২. মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি: সারারাত জেগে বাচ্চার দেখাশোনা করা এবং নিজের শরীরের পুষ্টির অভাবের কারণে সেক্স ড্রাইভ বা ইচ্ছা একদম শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।

পুরুষদের করণীয় ও মানসিক সমর্থন

পুরুষদের বুঝতে হবে যে, ১০ মাস গর্ভধারণ এবং তারপর সন্তান লালন-পালনের ধকল একজন নারীর শরীরকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়। এই সময়ে পরকীয়া বা অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ কেবল সম্পর্কের দূরত্বই বাড়ায় না, বরং নিজের স্ত্রীর প্রতি অবিচার করা হয়।

ধৈর্য ধরুন: স্ত্রীকে সময় দিন। জোরপূর্বক শারীরিক মিলন মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সহযোগিতা করুন: ঘরের কাজে বা বাচ্চার দেখাশোনায় সাহায্য করলে স্ত্রীর মানসিক চাপ কমবে, যা ধীরে ধীরে তার আগ্রহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

খোলামেলা কথা বলুন: অভিযোগ না করে তার শারীরিক কষ্টের কথা শুনুন এবং তাকে আশ্বস্ত করুন যে আপনি তার পাশে আছেন।

শারীরিক ও মানসিক পুনরুদ্ধার (এক মাসের গাইডলাইন)

শারীরিক ও হরমোনাল ভারসাম্য ফেরাতে নিচের খাবার ও পদক্ষেপগুলো নিয়মিত গ্রহণ করা যেতে পারে:

১. সঠিক পুষ্টি:
ড্রাই ফ্রুটস ও বাদাম: কাজু, কাঠবাদাম, আখরোট এবং খেজুর শক্তির চমৎকার উৎস। এগুলো প্রতিদিন এক মুঠো করে খেলে ক্লান্তি দূর হয়।

জিনসিং বা হারবাল সাপোর্ট: এটি হরমোনের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে এবং স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে সঠিক মাত্রায় সেবন করা উচিত।

রয়েল জেলি বা মধু: প্রাকৃতিক মধু বা রয়েল জেলি শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

২. লুব্রিকেন্ট ও ম্যাসাজ অয়েলের ব্যবহার:
ন্যাচারাল অয়েল বা জেল: মিলনের সময় ন্যাচারাল লুব্রিকেন্ট বা ওয়াটার-বেসড জেল ব্যবহার করলে ড্রাইনেস কমে এবং ব্যথা অনুভূত হয় না।

পেলভিক এক্সারসাইজ: ডেলিভারির পর পেশী শক্ত করতে হালকা কিগেল ব্যায়াম করা যেতে পারে যা পরবর্তীতে আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।

৩. মানসিক প্রশান্তি:
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট নিজের জন্য রাখা, হালকা হাঁটাচলা করা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা শরীরের হরমোনগুলোকে আবার সচল করতে সাহায্য করে।

শেষ কথা:
স্ত্রীর এই কঠিন সময়ে তাকে সাপোর্ট করা একজন আদর্শ পুরুষের দায়িত্ব। মনে রাখবেন, ওষুধ বা জেলের চেয়েও বড় ঔষধ হলো স্বামীর ভালোবাসা ও সহমর্মিতা। শরীর যখন সুস্থ হবে এবং মন যখন শান্ত থাকবে, তখন দাম্পত্য জীবন আবার আগের মতোই আনন্দময় হয়ে উঠবে।

যৌন জীবনকে আনন্দময় এবং সতেজ রাখতে পজিশন বা ভঙ্গিমার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একঘেয়েমি কাটাতে এবং নারীদের দ্রুত অর...
23/04/2026

যৌন জীবনকে আনন্দময় এবং সতেজ রাখতে পজিশন বা ভঙ্গিমার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একঘেয়েমি কাটাতে এবং নারীদের দ্রুত অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি নিশ্চিত করতে নিচে কিছু কার্যকর ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. নারীদের দ্রুত অর্গাজমের জন্য সেরা পজিশন
গবেষণা অনুযায়ী, অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পেনেট্রেটিভ সেক্স বা প্রবেশ করানো অর্গাজমের জন্য যথেষ্ট নয়; এর সাথে ক্লিটোরাল স্টিমুলেশন বা ভগাঙ্কুরের উত্তেজনা জরুরি।

ওম্যান অন টপ (কাউগার্ল): এই পজিশনে নারী উপরে থাকেন, ফলে তিনি নিজেই গতি, গভীরতা এবং অ্যাঙ্গেল নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এতে তার ক্লিটোরিস পুরুষের শরীরের সাথে ঘর্ষণে দ্রুত উত্তেজিত হয়।

ডগি স্টাইল: পেছন থেকে এই পজিশনে প্রবেশ করলে তা সাধারণত জি-স্পটে সরাসরি আঘাত করতে সাহায্য করে। এই অবস্থায় কোমরের নিচে বালিশ ব্যবহার করলে তা আরও কার্যকর হয়।

মিশনারি উইথ আ টুইস্ট: সাধারণ মিশনারি পজিশনে যদি নারীর নিতম্বের নিচে একটি বালিশ দেওয়া হয়, তবে অ্যাঙ্গেল পরিবর্তনের কারণে ঘর্ষণ ও গভীরতা বৃদ্ধি পায়, যা তৃপ্তি ত্বরান্বিত করে।

২. গর্ভধারণের জন্য সহায়ক টিপস
বৈজ্ঞানিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো পজিশন গর্ভধারণের গ্যারান্টি দেয় না, তবে কিছু কৌশল শুক্রাণুকে জরায়ুর কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে:

মিশনারি বা ডগি স্টাইল: গভীর অনুপ্রবেশ ঘটে এমন পজিশন বেছে নেওয়া ভালো।

বিশ্রাম: মিলনের পর অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলে শুক্রাণু সহজে জরায়ুর দিকে অগ্রসর হতে পারে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো ওভুলেশন পিরিয়ড বা সঠিক সময়ে মিলন করা।

৩. ছোট পেনিসের ক্ষেত্রে কার্যকর কৌশল
শরীরের গঠন যেমনই হোক, সঠিক কৌশল আনন্দ বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ:

কোমর উঁচু রাখা: মিশনারি পজিশনে নারীর নিতম্বের নিচে বালিশ দিলে প্রবেশপথের দূরত্ব কমে এবং ঘর্ষণ বাড়ে।

পা কাঁধে রাখা: নারী পা দুটো পুরুষের কাঁধে বা উপরে তুলে ধরলে অনুপ্রবেশ অনেক গভীর অনুভূত হয়।

স্পুনিং: পাশাপাশি শুয়ে মিলন করলে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ছোট পেনিসের ক্ষেত্রেও ঘর্ষণ বজায় রাখা সহজ হয়।

৪. শারীরিক দুর্বলতা বা বয়স্কদের জন্য আরামদায়ক পজিশন
বয়স বা শারীরিক সমস্যার কারণে অনেকের জয়েন্টে বা পিঠে ব্যথা থাকতে পারে। তাদের জন্য:

স্পুনিং (পাশাপাশি শোয়া): এতে শরীরের ওপর চাপ কম পড়ে এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে অন্তরঙ্গতা বজায় রাখা যায়।

ওয়েজ পিলো: বাজারে বিশেষ ধরণের ত্রিকোণাকৃতি বালিশ পাওয়া যায় যা পিঠ বা কোমরকে সাপোর্ট দেয়। এটি ব্যবহারে হাঁটু বা কোমরে চাপ না দিয়েই আরামদায়কভাবে মিলন সম্ভব।

৫. অর্গাজমের গোল্ডেন রুল
মনে রাখবেন, অর্গাজম কেবল পজিশনের ওপর নির্ভর করে না। নারীদের ক্ষেত্রে ফোরপ্লে যেমন আলিঙ্গন, চুম্বন বা ওরাল সেক্স অর্গাজম পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়। একে অপরের সাথে খোলামেলা কথা বলা এবং নতুন কিছু ট্রাই করার মানসিকতাই সম্পর্কের আনন্দ বজায় রাখে।

সারকথা: বিছানায় নতুনত্ব আনা মানেই সম্পর্কের আয়ু বাড়ানো। বালিশ বা নতুন অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে দেখুন, একঘেয়েমি কেটে গিয়ে আপনার ব্যক্তিগত জীবন হবে আরও রঙিন ও প্রাণবন্ত।

সব মেয়েরাই সন্তান জন্মের পর বিশ্রাম পায় না।সব মেয়ের কপালে গরম ভাত, এক গ্লাস দুধ আর একটু যত্ন জোটে না।কেউ কেউ আছে—যারা সে...
23/04/2026

সব মেয়েরাই সন্তান জন্মের পর বিশ্রাম পায় না।
সব মেয়ের কপালে গরম ভাত, এক গ্লাস দুধ আর একটু যত্ন জোটে না।
কেউ কেউ আছে—যারা সেলাইয়ের ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা, রাতভর না ঘুমানোর ক্লান্তি নিয়েও মুখে হাসি রেখে থাকে।
কারণ তাদের কাঁদার সময় নেই।
কিছু মেয়েরা বাচ্চা জন্ম দিয়ে বাসায় ফিরেই বিছানায় শুয়ে থাকতে পারে না।
ওদের জন্য কেউ রান্না করে না।
উল্টো, নিজের দুর্বল শরীরটা টেনে নিয়ে রান্নাঘরে দাঁড়াতে হয়।
চুলার আগুনের তাপে ঘাম ঝরে, সেলাই টানে, তবুও নিজের খাবার নিজেকেই রান্না করতে হয়।
এক হাতে নবজাতক, অন্য হাতে খুন্তি।
এক পাশে কান্না, অন্য পাশে সংসারের দায়িত্ব।
মা হওয়া খুব সুন্দর—কিন্তু মা হওয়ার পরের পথটা সব সময় সহজ না।
অনেক মেয়ের গল্পেই নেই বিশ্রাম, নেই আদর, নেই “তুমি বসো, আমি করে দিচ্ছি” বলা একটা মানুষ।
তবুও তারা চুপ থাকে।
কারণ তারা মা।
কারণ তারা শক্ত।
কারণ তাদের কষ্টের চেয়ে সন্তানের হাসিটা বড় হয়ে যায়।
সব মায়ের জন্য একটু সহানুভূতি থাকুক।
একটু যত্ন থাকুক।
একটু “তুমি একা না”—এই কথাটা থাকুক। 🤍❤️❤️

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রগাঢ় ইন্টিমেসি হলো মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া। ইন্টিমেসির শাব্দিক অর্থ হল- অন্তরঙ্গতা, ঘনিষ্ঠতা, গভীর ভাবে ...
23/04/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রগাঢ় ইন্টিমেসি হলো মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া। ইন্টিমেসির শাব্দিক অর্থ হল- অন্তরঙ্গতা, ঘনিষ্ঠতা, গভীর ভাবে ছুঁয়ে যাওয়া। আমার মনে হয় না মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার থেকে বড়ো কোনো অন্তরঙ্গতা আছে এই দুনিয়ায়। মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার চেয়ে ঘনিষ্ঠতা আছে মানব দেহে। মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার চেয়ে গভীর ভাবে স্পর্শ করার আর কোনো পন্থা আছে ছুঁয়ে যাওয়ার। যখন একটা হাত মাথা স্পর্শ করে তখন একই সাথে ভালোবাসা, কেয়ার, সহানুভূতি, স্নেহ, আদর এবং আত্মিক কথোপকথন তৈরী হয় যা আর কোনো স্পর্শেই হয়না। মানুষ এই মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার অনুভূতি পেলে হয়তো অর্ধেক সুস্থ হয়ে যেতে পারে, অর্ধেক বেঁচে যেতে পারে। হারিয়ে যাবার নিমিত্তে দুনিয়া ভুলতে পারে।

আমার মাথায় কেউ হাত বুলিয়ে দিলে আমি নিশ্চিত কেঁদে ফেলবো। এই যে লিখছি মনে হচ্ছে কেউ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর চোখটা জ্বলজ্বল করে উঠছে। মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়াটা ভাবলেই কান্না চলে আসে আর পেলে তো আমি দুনিয়া ভুলে কান্না করে দিই। পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো নেশা হলো এই মাথায় হাত বুলানো পাবার নেশা, এই ক্রেভিংস নির্বাপিত হবার নয়। একটু যদি কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিতো!

দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা । আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল Natur...
23/04/2026

দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা । আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল Nature-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের বাজারে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির মাংসে বিপজ্জনক মাত্রায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল (অ্যান্টিবায়োটিক) অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে ।
গবেষণায় মোট ৫৫৮টি মুরগির মাংসের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নমুনা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান অতিক্রম করেছে । অর্থাৎ, এসব মাংসে এমন পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবশিষ্টাংশ মূলত আসে পোল্ট্রি খামারে অতিরিক্ত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে । অনেক ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ বা দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নিয়ম না মেনেই এসব ওষুধ ব্যবহার করা হয় ।

এই পরিস্থিতি শুধু খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিই তৈরি করছে না, বরং আরও বড় একটি বৈশ্বিক সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করছে—অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স । নিয়মিত এই ধরনের মাংস খেলে মানুষের শরীরে এমন ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে, যেগুলো ভবিষ্যতে ওষুধে কাজ করবে না ।

গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এখনই কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে । তারা পোল্ট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নজরদারি বাড়ানো, নিয়ম কঠোর করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ।

প্রতিদিনের ক্যালরির ২% যদি ট্রান্স ফ্যাট থেকে আসে, ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে ২৩% পর্যন্ত !"ট্রান্স ফ্যাট" শব্দটা শুনত...
23/04/2026

প্রতিদিনের ক্যালরির ২% যদি ট্রান্স ফ্যাট থেকে আসে, ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে ২৩% পর্যন্ত !
"ট্রান্স ফ্যাট" শব্দটা শুনতে বেশ জটিল, তবে আমাদের প্রতি দিনের খাদ্য তালিকায় এগুলো প্রায় অত্যাবশকীয় অংশ । একই তেল বারবার ব্যবহার করে তৈরী করা ভাজাপোড়া (সিঙ্গারা, পরোটা, পুরি, মোগলাই কিংবা চিকেন ফ্রাই) না খেলে আমাদের নাস্তা কিংবা ইফতার কোনটাই তেমন জমেই না । আবার বেকারী সামগ্রী (চিপস, বিস্কুট, কেক, পাউরুটি) এগুলোতে ব্যবহৃত ট্রান্স ফ্যাটের ব্যাপারে প্রশাসনের তদারকি কিংবা মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরী, দুই ক্ষেত্রেই কোন দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই ।

বায়ু দূষণ, পানি দূষণের জন্য আমরা সমগ্র পৃথিবীতে বিখ্যাত । এর পাশাপাশি প্রতিদিনের এমন অভূতপূর্ব খাদ্য তালিকা; ক্যান্সারের জন্য যেন আদর্শ পরিবেশ ।

ধূমপান কিংবা অ্যালকোহল সেবন সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হলেও অন্তত এগুলোকে ক্ষতিকর হিসাবে চিহ্নিত করা হয় । সিগারেটের প্যাকেটে অন্তত লেখা থাকে "ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর" । কিন্তু ট্রান্স ফ্যাট (ভাজাপোড়া বা বেকারি সামগ্রী) নামক নীরবঘাতক আমাদের নিত্যদিনের নাস্তার অনুসঙ্গ । হাসপাতালের ক্যান্টিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং, গুলশান স্কয়ার কিংবা গ্রামের মোড়ের ভাজাপোড়ার দোকান সবখানেই চলছে ট্রান্স ফ্যাট নামক গুপ্ত বিষের অবাধ বিচরণ ।

প্রতিদিন আমাদের ইয়ং জেনারেশন মারা যাচ্ছে কেউ কি দেখার নেই ❓

একজন আপু গা'র্লস গ্রুপে পোস্ট করেছে এই গ'রমে বা'চ্চার ক'ষ্ট দেখে উনি স্বামীকে বলছে এসি কি'নে দিতে।স্বামী জবাবে বলছে যেদি...
22/04/2026

একজন আপু গা'র্লস গ্রুপে পোস্ট করেছে এই গ'রমে বা'চ্চার ক'ষ্ট দেখে উনি স্বামীকে বলছে এসি কি'নে দিতে।স্বামী জবাবে বলছে যেদিন বাবা-মা আর নিজের ঘরের জন্য দুই এসি একসাথে কি'নতে পারবে সেদিন এসি কি'নবে।এই কথা শুনে আপু রা'গ করে দুইদিন যাবত স্বামীর সাথে কথা বলে না।😑

এই পোস্ট পড়ে মনে পড়ে গেল আমার স্বামীও আমাকে বলেছিল কিছুদিন পরে বাবা-মা আর নিজের ঘরের জন্য দুই এসি একসাথে কি'নবে।আমাদের নিজের সংসার হলেও বাবা-মাকে বাড়িতে রেখে সে এসিতে ঘুমাতে চায় না।আমার মনে হয় কমবেশি সব ছেলেরাই এই কথা বলবে এবং বলা উচিৎও।এজন্য ই হয়তো বাবা-মা'রা ছেলে সন্তান চায়।যাই হোক আমি আবার কখনোই এসব বিষয়ে রা'গ করি না আর স্বামীর সামর্থ্যের উপরে গিয়ে কোন আবদার করি না।আলহামদুলিল্লাহ আমি যেহেতু নিজে ইন'কাম করি হাতে টা'কা থাকায় নিজেই এসি কি'নে ফেলি।এরপর কিছুদিন স্বামীকে অনেকবার বলেছি তোমার বাবা-মাকে ছাড়া ক'ষ্ট করে তোমাকে এসির নিচে ঘুমাতে হবে না,তুমি অন্য রুমে ঘুমাও কিন্তু বেডায় তখন বলছিল তোমাদের ছাড়া আমার ঘুম আসে না তাই ক'ষ্ট করে হলেও এখানে ঘুমাতে হবে।🥴
© Collected

পুরো একটা কেক কেনার সামর্থ্য তার ছিল না... কিন্তু সে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে রাজি ছিল না। 🎂💔একজন বাবা জানতেন তাঁর মেয়ের জ...
21/04/2026

পুরো একটা কেক কেনার সামর্থ্য তার ছিল না... কিন্তু সে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে রাজি ছিল না। 🎂💔
একজন বাবা জানতেন তাঁর মেয়ের জন্মদিন আসছে।
তার বেশি কিছু ছিল না। একটা পুরো উদযাপনের জন্য যথেষ্ট নয়। এমনকি একটা আস্ত কেকের জন্যও যথেষ্ট নয়।
এবং তার মেয়ে কিছুই চাইছিল না।
কোনো প্রত্যাশা নেই। চাপ নেই।
কিন্তু তার কাছে সেটা কোনো ব্যাপার ছিল না।
তাই তিনি তাঁর সাধ্যমতো করলেন।
সে এক টুকরো কেক নিয়ে বাড়ি ফিরল।
শুধু একটি.
সরল। ছোট। এমন কিছু যা নিয়ে বেশিরভাগ মানুষ দ্বিতীয়বার ভাববে না।
কিন্তু যখন সে তাকে সেটা দিল...
এটা সব বোঝায়.
কারণ ব্যাপারটা এর আকারের ওপর নির্ভর করে না।
বিষয়টা ছিল প্রচেষ্টা নিয়ে। ভাবনাটা নিয়ে। এর পেছনের ভালোবাসাটা নিয়ে।
কখনো কখনো ক্ষুদ্রতম জিনিসগুলোই সবচেয়ে বড় অর্থ বহন করে।
বিশেষ করে যখন তা এমন কারো কাছ থেকে আসে যিনি নিজের সর্বস্ব দিয়েছেন। ♥️

Address

বাসাবো , সবুজবাগ
Dhaka
ঢাকা-১২১৪

Telephone

+8801821870170

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিকিৎসক তপন দেব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to চিকিৎসক তপন দেব:

Share