Women’s Health Care

Women’s Health Care পিরিয়ড বা প্রেগন্যান্সির বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ এর জন্য ইনবক্সে করেন🥰
(1)

🇨🇭পিরিয়ড (মাসিক) চলাকালীন সময়ে নীচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন। 🇨🇭পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি,বা  কোমল পানীয় এবং ...
23/02/2025

🇨🇭পিরিয়ড (মাসিক) চলাকালীন সময়ে নীচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন।

🇨🇭পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি,বা কোমল পানীয় এবং নারিকেল একদম খাবেন না

🇨🇭 এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ
পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে
লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। শ্যাম্পু ব্যাবহার
এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

🇨🇭এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকা
রস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে
দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে।

🇨🇭এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন
শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত
পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে
ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে
পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার,
জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।

🇨🇭গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন
সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে
পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের
মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।

🇨🇭 এই তথ্যটুকু আমাদের স্ত্রী, মা,বোন, কন্যা,সকলের কাছে পৌছে দিতে হবে। সচেতন হোন সুন্দর জীবন গড়ুন।

পিরিয়ড অনিয়মিত হলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। এর কারণ এবং প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ কিছু...
15/02/2025

পিরিয়ড অনিয়মিত হলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। এর কারণ এবং প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ কিছু সমস্যা নিচে উল্লেখ করা হলো— ১. হরমোনজনিত সমস্যা: • অনিয়মিত পিরিয়ড সাধারণত হরমোনের অসামঞ্জস্যতা (Hormonal Imbalance) এর কারণে হয়। • পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ হতে পারে। ২. গর্ভধারণে সমস্যা: • অনিয়মিত মাসিক ডিম্বাণু উৎপাদনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যা গর্ভধারণে জটিলতা আনতে পারে। • অভুলেশন ঠিকমতো না হলে ফার্টিলিটি কমে যেতে পারে। ৩. শারীরিক সমস্যা: • রক্তস্বল্পতা (Anemia): অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি হতে পারে। • হাড় দুর্বল হওয়া: ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। • ওজন ওঠা-নামা: পিরিয়ড অনিয়মিত হলে ওজন দ্রুত কমতে বা বাড়তে পারে। ৪. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা: • ডিপ্রেশন ও স্ট্রেস: অনিয়মিত পিরিয়ড মুড সুইং, ডিপ্রেশন বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। • ইরিটেবল মুড: হরমোনের ওঠানামা শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। পিরিয়ড সমস্যা থাকলে আমাদের এই ভেষজ উপাদানটি গ্রহন করতে পারেন:

অনিয়মিত পিরিয়ড , পিরিয়ড সমস্যা , পিরিয়ডের অনিয়ম ,

অনিয়মিত পিরিয়ড নিরাময়ে আয়ুর্বেদিক ওষুধের কার্যকারিতা১. হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা:এই ওষুধটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি, ...
15/02/2025

অনিয়মিত পিরিয়ড নিরাময়ে আয়ুর্বেদিক ওষুধের কার্যকারিতা

১. হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা:
এই ওষুধটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যা শরীরের হরমোন ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে এবং পিরিয়ড নিয়মিত করতে সাহায্য করে।

২. রক্ত সঞ্চালন উন্নত করা:
আয়ুর্বেদিক ওষুধ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং জরায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ায়, যা মাসিক নিয়মিত হতে সহায়তা করে।

৩. ব্যথা এবং অস্বস্তি কমানো:
এতে থাকা ভেষজ উপাদান পিরিয়ডের সময় ব্যথা, ক্র্যাম্প এবং অস্বস্তি কমাতে কার্যকর।

৪. স্ট্রেস এবং মানসিক চাপ হ্রাস:
স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্যহীনতার অন্যতম কারণ। এই ওষুধটি মানসিক চাপ কমিয়ে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।

৫. প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ সমাধান:
এটি সম্পূর্ণ ভেষজ উপাদানে তৈরি, তাই এটি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কার্যকরভাবে অনিয়মিত পিরিয়ড নিরাময়ে সাহায্য করে।

৬. পিসিওএস (PCOS) ব্যবস্থাপনা:
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (PCOS) কারণে পিরিয়ড অনিয়মিত হলে, এই ওষুধটি এর উপসর্গ হ্রাস করে পিরিয়ড স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।

৭. হজম এবং শক্তি বৃদ্ধি:
আয়ুর্বেদিক ওষুধ শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং শক্তি বাড়াতে সহায়ক।

৮. প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়:
এই ওষুধে ব্যবহৃত উপাদান যেমন অশোক ছাল, লোধ্রা, তুলসী, মেথি ইত্যাদি

https://zatiqeasy.com/shop/61096?product=461504

অনিয়মিত পিরিয়ড হলে কি কি হ্মতি হয়?অনিয়মিত পিরিয়ড (Irregular periods) নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে প...
28/01/2025

অনিয়মিত পিরিয়ড হলে কি কি হ্মতি হয়?

অনিয়মিত পিরিয়ড (Irregular periods) নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। এটি শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য এবং প্রজনন ব্যবস্থার সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। অনিয়মিত পিরিয়ড থেকে যেসব ক্ষতি হতে পারে তা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. গর্ভধারণে সমস্যা

অনিয়মিত পিরিয়ড মানে ওভুলেশন অনিয়মিত হতে পারে। ফলে গর্ভধারণের সঠিক সময় নির্ধারণ করা কঠিন হয় এবং এটি বন্ধ্যাত্বের (infertility) একটি প্রধান কারণ হতে পারে।

২. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

অনিয়মিত পিরিয়ড সাধারণত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) বা থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এটি শরীরের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ত্বক, চুল এবং ওজন বৃদ্ধির সমস্যার কারণ হতে পারে।

৩. ইউটেরাস বা ওভারির রোগের ঝুঁকি

অনিয়মিত পিরিয়ড দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকলে ইউটেরাইন হাইপারপ্লাসিয়া, ইউটেরাইন ক্যান্সার, বা ওভারি সিস্ট হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৪. এনিমিয়া (রক্তশূন্যতা)

কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (Heavy bleeding) হতে পারে। এটি শরীরে লৌহের অভাব ঘটিয়ে এনিমিয়ার কারণ হতে পারে।

৫. মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা

পিরিয়ডের অনিয়ম শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। এটি নারীর মধ্যে চিন্তা, দুশ্চিন্তা, এবং বিষণ্ণতা তৈরি করতে পারে।

৬. বয়সজনিত জটিলতা

অনেক সময় অনিয়মিত পিরিয়ড প্রি-মেনোপজাল লক্ষণ হতে পারে, যা দ্রুত বার্ধক্যের ঝুঁকি বাড়ায়।

করণীয়:

১. সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখা: স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা কমতে পারে।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন বা ওজনের ঘাটতি হরমোনাল সমস্যার কারণ হতে পারে।
৩. ডাক্তার দেখানো:
• পিরিয়ড যদি ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের বেশি ব্যবধানে হয়।
• অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে।
• পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে।
৪. পরীক্ষা করা: থাইরয়েড, PCOS, বা প্রোল্যাকটিন লেভেল পরিমাপ করে নিশ্চিত হওয়া।

নিয়মিত চিকিৎসা ও সঠিক যত্নের মাধ্যমে অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ফিলিপাইনের সবচেয়ে মারাত্মক রোগগুলির মধ্যে একটি; স্তন ক্যান্সারফিলিপাইনে স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে অভিযান সর্বদা তীব্র ছ...
25/01/2025

ফিলিপাইনের সবচেয়ে মারাত্মক রোগগুলির মধ্যে একটি; স্তন ক্যান্সার

ফিলিপাইনে স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে অভিযান সর্বদা তীব্র ছিল, তবুও এটি এখনও ফিলিপিনো মহিলাদের জন্য একটি বিশাল হুমকি। ফিলিপাইন সোসাইটি অফ মেডিকেল অনকোলজি জানিয়েছে যে স্তন ক্যান্সার দেশে ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ রূপ, প্রতি ৫০,০০০ ক্যান্সার নির্ণয়ের মধ্যে ১৬% ক্ষেত্রে এটি ঘটে।

দেশে, প্রথম পাঁচ বছরে চারজন মহিলার মধ্যে একজন এবং রোগ নির্ণয়ের পর ১০ বছরে পাঁচজনের মধ্যে দুজন মারা যায়।

স্তন ক্যান্সার কী?

বয়ঃসন্ধির পরে, একজন মহিলার স্তনে চর্বি, সংযোগকারী টিস্যু এবং হাজার হাজার লোবিউল থাকে, ক্ষুদ্র গ্রন্থি যা বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য দুধ তৈরি করে। ক্ষুদ্র টিউব বা নালীগুলি স্তনবৃন্তের দিকে দুধ বহন করে।

ক্যান্সারে, শরীরের কোষগুলি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পায়। এটি অত্যধিক কোষ বৃদ্ধি যা ক্যান্সারের কারণ হয়।

স্তন ক্যান্সার হতে পারে:

ডাক্টাল কার্সিনোমা: এটি দুধের নালীতে শুরু হয় এবং এটি সবচেয়ে সাধারণ প্রকার।

লোবিউলার কার্সিনোমা: এটি লোবিউলে শুরু হয়।

আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সার হলো যখন ক্যান্সার কোষগুলি লোবিউল বা নালীর ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে এবং কাছাকাছি টিস্যুতে আক্রমণ করে, যার ফলে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
**অ-আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সার হলো যখন ক্যান্সার এখনও তার উৎপত্তিস্থলের মধ্যেই থাকে এবং এখনও ছড়িয়ে পড়েনি। তবে, এই কোষগুলি অবশেষে আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে।

স্তন ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণগুলি হল সাধারণত স্তনের ঘন টিস্যুর একটি অংশ, অথবা স্তনে বা বগলে একটি পিণ্ড।

অন্যান্য লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
বগলে বা স্তনে ব্যথা যা মাসিক চক্রের সাথে পরিবর্তিত হয় না
স্তনের ত্বকে কমলা রঙের ত্বকের মতো ফোলাভাব বা লালভাব
স্তনের একটিতে বা তার চারপাশে ফুসকুড়ি
স্তনের স্তন থেকে স্রাব, সম্ভবত রক্ত থাকা
স্তনস্তন ডুবে যাওয়া বা উল্টানো
স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন
স্তন বা স্তনের ত্বকের খোসা ছাড়ানো, খোসা ছাড়ানো বা স্কেলিং
বেশিরভাগ পিণ্ড ক্যান্সারযুক্ত নয়, তবে মহিলাদের স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার দ্বারা পরীক্ষা করানো উচিত।

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড...
25/01/2025

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!
ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।
চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”
সূত্র :- রেড্ডি।
সংগ্রহ :- ভাস্কর।

পিরিয়ড কেন হয়??পিরিয়ড (Menstruation) হলো মহিলাদের প্রজনন প্রক্রিয়ার একটি স্বাভাবিক অংশ, যা মাসিক চক্রের (menstrual cycle...
23/01/2025

পিরিয়ড কেন হয়??

পিরিয়ড (Menstruation) হলো মহিলাদের প্রজনন প্রক্রিয়ার একটি স্বাভাবিক অংশ, যা মাসিক চক্রের (menstrual cycle) সময় ঘটে। এটি জরায়ুর ভেতরের স্তর (endometrium) পুরু হয়ে রক্ত ও টিস্যুর মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

পিরিয়ড হওয়ার কারণ:

1. ডিম্বাণু উৎপাদন (Ovulation):
প্রতি মাসে ডিম্বাশয় (o***y) একটি ডিম্বাণু (egg) মুক্ত করে। এই প্রক্রিয়াকে ওভুলেশন বলে।

2. গর্ভধারণ না হলে:
ডিম্বাণুটি যদি শুক্রাণুর সাথে মিলিত না হয় বা নিষিক্ত না হয়, তবে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না।

3. জরায়ুর দেয়াল ভেঙে যাওয়া:
গর্ভধারণের প্রস্তুতি হিসেবে জরায়ুর ভেতরের দেয়াল পুরু হয়ে যায়। কিন্তু গর্ভধারণ না হলে এই দেয়াল ভেঙে যায় এবং তা রক্ত ও টিস্যুর মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে আসে।

পিরিয়ডের সময়কাল:

সাধারণত প্রতি ২৮ দিন পর পিরিয়ড হয়, যদিও এটি ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হতে পারে। রক্তপাত ৩-৭ দিন স্থায়ী হয়।

পিরিয়ড একটি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এটি মেয়েদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

পিরিয়ডের সময় ব্যথা হয় কেন?ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষক ড. কেটি ভিনসেন্ট পির...
10/08/2024

পিরিয়ডের সময় ব্যথা হয় কেন?

ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষক ড. কেটি ভিনসেন্ট পিরিয়ডের ব্যথা নিয়ে গবেষণা করে বলেন, ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ নারীর ঋতুস্রাব যন্ত্রণাদায়ক হয় এবং এর মধ্যে অনেকের যন্ত্রণা এতো বেশি হয় যে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হয়। জরায়ু গঠনকারী টিস্যু থেকে এসময় এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়, যার কারণে ব্যথা হয়। পিরিয়ডের সময় প্রোস্টাগ্ল্যানডিনস নামে এক ধরনের পদার্থ জরায়ুর পেশিকে সংকুচিত করে এবং প্রদাহ তৈরি করে।
যার ফলে এই সময় ব্যথা হয়। পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু উপায় চলুন জেনে নিই।

একজন মেয়ে প্রথম যখন গর্ভধারন করেন তার কাছে বিষয়টি খুব স্বপ্নময় হয়ে থাকে। অনাগত শিশুকে নিয়ে তার মধ্যে থাকে বিভিন্ন জল্পনা...
02/08/2024

একজন মেয়ে প্রথম যখন গর্ভধারন করেন তার কাছে বিষয়টি খুব স্বপ্নময় হয়ে থাকে। অনাগত শিশুকে নিয়ে তার মধ্যে থাকে বিভিন্ন জল্পনা কল্পনা ।

গর্ভের সন্তান কি ছেলে নাকি মেয়ে? গর্ভের শিশু এখন কতটুকু বড় হয়েছে? ওর কি চুল গজিয়েছে? এখন কি ও চোখ খুলতে পারে? ইত্যাদি কত কী!

প্রয়োজন ছাড়া তো আর আল্ট্রাসাউন্ড করে বাচ্চা দেখতে পাবেন না, তাই আপনার এসব প্রশ্নের উত্তর জানার সহজ উপায় হচ্ছে গর্ভাবস্থায় প্রতি সপ্তাহে কী ঘটে তা নিয়ে ধারণা নেয়া।


প্রথম তিন সপ্তাহ
এ সময়ের মধ্যে শুক্রাণু এবং ডিম্বানু একত্রিত হয়ে একটি কোষে রূপান্তর হয় যাকে ভ্রুনকোষ বলা হয় । এই সময়ের মধ্যে যদি কারও একাধিক ডিম্বানু বের হয় এবং নিষিক্ত হয় তাহলে তার একাধিক ভ্রুনকোষ থাকতে পারে। (যমজ বা তারও বেশি)

৪র্থ সপ্তাহ :
নিষিক্ত যে ডিমটি ফেলোপিয়ান টিউবের মধ্যে দিয়ে জরায়ুর দিকে এগিয়ে যায় সেই ডিমটি একটি একক কোষ হতে শুরু করে এবং পুনরায় পুনরায় সেটা বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হতে থাকে । জরায়ুর কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে এই ডিম বিভক্ত হতে হতে প্রায় ১০০টি কোষেরও বেশী কোষে পরিনত হয়,যাকে বলা হয় ভ্রুন ।

একটি অংশ হল কোষের ভেতরের অংশ যা পরিপূর্ণ ভ্রুনে পরিনত হবে এবং আরেকটি হল বাইরের অংশ যা ভেতরের ভ্রূণকে পুষ্টি যোগাবে এবং রক্ষা করবে । গর্ভফুলও এই সময়ের মধ্যেই গঠিত হতে শুরু করে ।

৫ম সপ্তাহ :
এ সপ্তাহ থেকে শিশুর মস্তিষ্ক এবং হৃৎপিণ্ড গঠন হয়। ভ্রুণ জরায়ুতে বেড়ে উঠতে থাকে এবং ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকে । ভ্রুনের বাইরের অংশ মায়ের রক্ত সরবরাহের সংযোগের সাথে সংযোগ স্থাপনের কাজ শুরু করে । আর ভ্রুনের ভেতরের অংশ প্রথমে দুইটি স্তরে এবং পরে তিনটি স্তরে বিভক্ত হয়ে যায় । পরবর্তীতে এই প্রত্যেকটি স্তর দিয়েই শিশুর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তৈরী হয় ।

৬ষ্ঠ সপ্তাহ:
এই সপ্তাহে শিশু খুব তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে এবং শিশুর পেছনের দিকের স্নায়বিক নালীটি বন্ধ হয়ে যায় এবং শিশুর হৃদপিণ্ড রক্ত সঞ্চালন শুরু করে । এই সময় শিশুর কানের অভ্যন্তরীণ অংশ চোয়ালের সাথে সংযোগস্থাপন করে এবং শিশুর শরীর ইংরেজী C এর মত বক্র আকার ধারন করে ।

৭ম এবং ৮ম সপ্তাহ:
এই সপ্তাহে শিশুর মস্তিস্ক এবং মুখমণ্ডল আগের থেকেও সুগঠিত হতে থাকে । নাকের ছোট ছোট ফুটো স্পষ্ট হতে থাকে এবং চোখের লেন্স গঠিত হতে থাকে । এই সময় ছোট ছোট শাখা প্রশাখার মত হয়ে হাত এবং পা স্পষ্ট হতে থাকে ।

এ সময়েই শিশুর তরুণাস্থি গঠিত হয় যা পরে হাত এবং পায়ের হাড় এ পরিনত হয় । উপরের ঠোঁট এবং নাক গঠিত হতে থাকে ।

৯ থেকে ১১ সপ্তাহঃ
৯ম সপ্তাহে শিশুর মুখমণ্ডল গঠিত হতে থাকে । চোখ বড় এবং আরও সুস্পষ্ট হতে থাকে এবং সেখানে কিছু রঙও থাকে । মুখ ও জিহবা থাকে এবং সাথে থাকে কিছু ছোট ছোট স্বাদ তন্তু । হাত এবং পা এবং আঙ্গুল গঠন শুরু হয়।

১০ম সপ্তাহে শিশুর মাথা আরও বেশি গোল হতে থাকে এবং ঘাড়, গলা গঠিত হওয়া শুরু করে । এই সময় শিশুর চোখের পাতা বন্ধ হতে শুরু করে তার চোখকে রক্ষা করার জন্য । চোয়ালের হাড় গঠন শুরু হয় । শিশুর হৃদপিণ্ড এই সময়ে পুরোপুরি গঠিত হয়ে যায়।

১১তম সপ্তাহে শিশুর চোখ দুটো আলাদা হয় এবং কান একটু একটু করে স্থাপিত হতে থাকে । শিশুর যকৃতে লাল রক্ত কনিকা তৈরী হতে শুরু করে । এই সময় শিশুর লিঙ্গ ধীরে ধীরে তৈরী হতে শুরু করে । এইসময় কানের আকৃতি দৃশ্যমান হতে থাকে এবং তার হাত এবং পায়ের আঙুল আলাদা হতে থাকে । সেখানে নখও থাকে ।


১২ থেকে ১৪ সপ্তাহঃ
১২ তম সপ্তাহে ভ্রুনটি পুরোপুরি গঠিত হয়ে যায় । সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, পেশীসমূহ, হাত,পা এবং হাড়গুলো জায়গামত স্থাপিত হয়ে যায় এবং শিশুর যৌন অঙ্গগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে । শিশুর কংকাল যা তন্তু দিয়ে গঠিত তা ধীরে ধীরে শক্ত হাড়ে পরিণত হতে থাকে ।

১৩-১৪ তম সপ্তাহে শিশুর প্রস্রাব তৈরী হতে থাকে এবং সে এমনিয়টিক ফ্লুইড এর মধ্যে প্রস্রাব করতে থাকে ।

১৫ থেকে ১৭ সপ্তাহঃ
এ সময়ে শিশুর কংকালে হাড় তৈরী হতে থাকে এবং তার চুলের ধরনও ঠিক হতে থাকে ।


শিশুর চোখ সামনের দিকে দেখতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে নড়াচড়া করতে থাকে।

কানগুলো চূড়ান্ত রূপলাভ করার প্রায় কাছাকাছি চলে আসে । শিশু মুখ দিয়ে চোষার ক্ষমতা লাভ করতে থাকে । এই সময়ে শিশুর নড়াচড়া সুসমন্বিত হতে থাকে এবং আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় তা ধরা পড়ে ।

১৮ থেকে ২০ সপ্তাহঃ
১৮তম সপ্তাহে শিশুর কান তার মাথার পাশে পুরোপুরিভাবে স্থাপিত হয়ে যায় এবং এই সময় হয়ত শিশু শুনতে পায় ।

১৯তম সপ্তাহে ভারনিক্স কেসিওসা নামে একটি আঠালো পনিরের মত পদার্থ শিশুকে ঢেকে দিতে শুরু করে । এই আঠালো পদার্থটি শিশুর নরম ত্বককে শক্ত হয়ে যাওয়া, ফেটে যাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের ঘর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করে ।

২০ তম সপ্তাহে শিশু নড়াচড়া করতে শুরু করে এবং মা তা বুঝতে পারে ।

২১ থেকে ২৩ সপ্তাহঃ
২১তম সপ্তাহে শিশু আরও অনেক বেশী কর্মক্ষম হয়ে ওঠে এবং ঢোক গিলতে সক্ষম হয় । এই সময়ের মধ্যেই শিশুর ঘুমানো এবং জেগে ওঠার একটি প্রবনতা তৈরী হয় । শিশুর এই জেগে ওঠা বা ঘুমানো মায়ের জেগে থাকা বা ঘুমানোর মত হয় না । এমন হতে পারে, মা যখন রাতে ঘুমাচ্ছে তখন শিশু জেগে আছে এবং নড়াচড়া করছে । যদিও এখনও শিশুর ফুসফুস ঠিকমত কাজ করতে পারে না কিন্তু শিশু শ্বাস প্রশ্বাস এর চর্চা করতে থাকে যেন জরায়ুর বাইরে সে বেঁচে থাকতে পারে । এই সময়ে শিশু মায়ের কাছে থেকে অক্সিজেন গ্রহন করতে থাকে নাড়ির মাধ্যমে এবং জন্মের আগে পর্যন্ত সে এভাবেই মায়ের কাছে থেকে অক্সিজেন গ্রহন করতে থাকবে ।

২২তম সপ্তাহে শিশুর চোখের উপরে ভ্রু তৈরী হতে শুরু করে ।

২৩তম সপ্তাহে শিশুর চামড়ায় ভাঁজ দেখা দেয় এবং চামড়ার রঙ গোলাপী থেকে ধীরে ধীরে লাল হতে শুরু করে । হাতের তালুর রেখা এবং পায়ের তালুর রেখা তৈরী হতে শুরু করে । মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে তাদের জরায়ু এবং ডিম্বাশয় নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপিত হয়ে যায় যেখান থেকে ডিম উৎপাদন হবে আর ছেলেদের ক্ষেত্রে তলপেট থেকে অণ্ডকোষ নিচে ঝুলতে থাকে ।

২৪ থেকে ২৬ সপ্তাহঃ
২৪তম সপ্তাহে শিশুর মাথায় চুল গজাতে শুরু করে ।

২৫তম সপ্তাহে শিশুর চমকে ওঠার প্রতিক্রিয়া তৈরী হতে থাকে । এই সময় শিশু হয়ত পরিচিত কোন শব্দের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাতে সক্ষম হয় যেমন, কথা,নড়াচড়া,স্পর্শ ইত্যাদির প্রতি সে প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম হয় ।

২৬তম সপ্তাহে শিশুর হাতের আঙ্গুল পুরোপুরি তৈরী হয়ে যায়

২৭ এবং ২৮ সপ্তাহঃ
২৭তম সপ্তাহে শিশুর ফুসফুস, মস্তিস্ক, স্নায়ুতন্ত্র, এবং পরিপাক্তন্ত্র তৈরী হয়ে যায় কিন্তু পুরোপুরি পরিপক্ক হয় না । এগুলো পুরোপুরি পরিপক্ক হতে গর্ভাবস্থার শেষ সময় পর্যন্ত লেগে যায় এবং এগুলো শিশুর জন্মের পর ঠিকঠাকভাবে কাজ করা শুরু করে । এর আগে এগুলো প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর হতে থাকে ।

২৮তম সপ্তাহে শিশুর চোখের পাতা আংশিকভাবে খোলে এবং শিশুর চোখের পাপড়ি গঠিত হতে থাকে । এই সময়ে শিশুর হৃদস্পন্দন আগের চেয়ে একটু কমে মিনিটে ১৪০বার হয় ।

২৯ থেকে ৩১ সপ্তাহঃ
২৯তম সপ্তাহে শিশুর হাড় পুরোপুরি গঠন হয়ে যায় যদিও সেগুলো খুব নরম এবং নমনীয় থাকে ।

৩০তম সপ্তাহে শিশুর চোখ কিছু সময়ের জন্য খোলা থাকে এবং মাথায় অনেক চুল দেখা যায় । এই সময়ে তার হাড়ের মজ্জায় লাল রক্তকণিকা গঠিত হতে থাকে এবং শিশু তার হাতের আঙ্গুল চুষতে পারে ।

৩১তম সপ্তাহে শিশুর স্নায়ুতন্ত্র এমন পর্যায়ে আসে যখন সে শরীরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে ।

৩২ থেকে ৩৪ সপ্তাহঃ
এ পর্যায়ে পায়ের নখ দৃশ্যমান হয় । এই সময় শিশুর শরীর প্রয়োজনীয় খনিজ যেমন, লৌহ, ক্যালসিয়াম শোষণ করতে থাকে । এই সময়ে শিশু নিচের দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকে এবং জন্ম নেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে থাকে । এটা সেফালিক প্রেজেন্টেশন নামে পরিচিত ।


শিশুর চোখের তারা সংকোচন ও প্রসারন হতে শুরু করে এবং তার চোখে আলো পড়লে তা সে সনাক্ত করতে পারে । এই সময় শিশুর হাড় আরও শক্ত হয় এবং মাথার খুলি থেকে আলাদা হয় ।

৩৫ থেকে ৪০ সপ্তাহঃ
৩৫তম সপ্তাহে শিশুর অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো গোল হতে শুরু করে এবং তার ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে ।

৩৬তম সপ্তাহে শিশুর ফুসফুস শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয় । এই সময় শিশু স্তন পান করার জন্য প্রস্তুত হয় এবং তার পরিপাকতন্ত্র পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যায় বুকের দুধ পরিপাক করার জন্য ।

৩৭তম সপ্তাহকে গর্ভাবস্থার পরিপূর্ণ সময় বলে গন্য করা হয় । এই সময়ে শিশুর সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো কাজ করার প্রস্তুত হয়ে যায় । এই সময় শিশুর মাথা মায়ের শ্রোণীর দিকে নিম্নগামী হতে থাকে । যখন শিশুর মাথা এভাবে নিচে নেমে আসতে থাকে এই অবস্থাকে বলা হয় “এংগেজড” ।

পিরিয়ডের ব্যথায় কেন গরম পানি খাবেন???পিরিয়ডের সময়ে মেনস্ট্রয়াল ক্র্যাম্পের প্রকোপ কমাতে গরম পানির কোনো বিকল্প হয় না। এ...
02/08/2024

পিরিয়ডের ব্যথায় কেন গরম পানি খাবেন???

পিরিয়ডের সময়ে মেনস্ট্রয়াল ক্র্যাম্পের প্রকোপ কমাতে গরম পানির কোনো বিকল্প হয় না। এই সময় গরম পানি পান করা শুরু করলে অ্যাবডোমিনাল মাসলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে ব্যথা কমতে সময় লাগে না

Address

Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Women’s Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Women’s Health Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram