Amar Jotno - আমার যত্ন

  • Home
  • Amar Jotno - আমার যত্ন

Amar Jotno - আমার যত্ন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amar Jotno - আমার যত্ন, Home Health Care Service, Confidence Tower, 2nd Building Shahjadpur, Gulshan/2, .

গ্রাহকদের দায় ও দায়িত্ব সম্পর্কে মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সেবার চাহিদা অনুযায়ী কাজ করা জরুরি। গ্রাহকদের প্রতি ...
17/04/2024

গ্রাহকদের দায় ও দায়িত্ব সম্পর্কে মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সেবার চাহিদা অনুযায়ী কাজ করা জরুরি।

গ্রাহকদের প্রতি আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গুলো নিম্নলিখিত বিষয় ভিত্তি মাথায় রেখেই ১০ বছর ধরে সেবা দিয়ে আসছি:

১। গ্রাহকের প্রত্যাশা এবং প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা।
২। গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা এবং তাদের প্রশ্ন ও সমস্যার সমাধানে সক্ষম হওয়া।
৩। গ্রাহকের প্রতি সম্মান এবং মেধার সাথে চিন্তা করা।
৪। গ্রাহকের সন্তুষ্টিকর অভিজ্ঞতা তৈরি করতে প্রয়াস করা।
৫। গ্রাহকের প্রতি যত্ন ও সহায়তা প্রদান করা।
৬। গ্রাহকের প্রতি নিষ্ঠার সাথে চলার চেষ্টা করা।
৭। গ্রাহকদের প্রতি সম্মান এবং সেবার মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানে প্রিয়জন টিম শতভাগ চেষ্টায় নিরোলস ভাবে রয়েছে।

আমাদের সম্পর্কে গ্রাহকদের ধারণা পেতে ও আপনাদের মতামত প্রকাশ করার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ

4.6 ★ · Home health care service

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস আজ। আধুনিক নার্সিং পেশার রূপকার ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ১...
11/05/2023

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস আজ। আধুনিক নার্সিং পেশার রূপকার ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উদ্যাপন করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি উদ্যাপন করা হবে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় শক্তিশালী নার্স নেতৃত্বের বিকল্প নেই—বিশ্ব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নার্সিং খাতে বিনিয়োগ বাড়ান এবং নার্সদের অধিকার সংরক্ষণ করুন।’

What a match!!!Congratulations Champions 🧨🧨🧨
18/12/2022

What a match!!!
Congratulations Champions 🧨🧨🧨

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে প্যালিয়েটিভ কেয়ার দেওয়া হয়। দুরারোগ্য ...
16/12/2022

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে প্যালিয়েটিভ কেয়ার দেওয়া হয়। দুরারোগ্য ব্যাধি নির্ণয়, মূল্যায়ন এবং রোগের কারণে যন্ত্রণা বা ব্যথা উপশমের সব পদক্ষেপগুলো এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

মুমূর্ষু বা গুরুতর যেকোনো রোগীর উপশমকারী সেবা রোগের লক্ষণ নিরাময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রোগীর জীবনযাত্রার বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানো, রোগের পর্যাপ্ত ওষুধ দেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে তার জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিময় করার চেষ্টা করা হয়। প্রতিটি মানুষের প্যালিয়েটিভ কেয়ার নেওয়ার জন্য আলাদা প্রয়োজন ও লক্ষ্য থাকে। তাই রোগীর পরিবারকে সেবা দেওয়ার প্রশিক্ষণ, শোক বহন করার জন্য কাউন্সেলিং প্রভৃতিও প্যালিয়েটিভ কেয়ারের অংশ।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার কাদের জন্য:
অনেক দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে প্যালিয়েটিভ কেয়ার দেওয়া হয়। বর্তমানে প্যালিয়েটিভ কেয়ার সবচেয়ে বেশি দেওয়া হয় হৃদরোগ, ক্যান্সার, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, এইডস, ডায়াবেটিসের জন্য। এছাড়া কিডনি ফেইলিওর, লিভার রোগ, পারকিনসনস্ রোগ, স্নায়ুরোগ, আলঝেইমার ইত্যাদির জন্য এই সেবা প্রযোজ্য।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার মানে শুধুই মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর সেবা নয়। এমনকি প্যালিয়েটিভ সেবা দেওয়া মানে এই নয় যে রোগের চিকিৎসা থেমে থাকবে। গুরুতর যেকোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রোগের যন্ত্রণা মুক্তির জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার একটি ভালো পদক্ষেপ। মুমূর্ষ রোগীর সেবা প্যালিয়েটিভ কেয়ারের একটি বডড়ো অংশ কিন্তু সবটুকু নয়।

কী সেবা দেওয়া হয়?
প্যালিয়েটিভ কেয়ারের জন্য উপযুক্ত গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগীদের প্রধান দুটি লক্ষণ থাকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট। ক্যান্সার, এইডস, হৃদরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা জীবনের শেষ মুহূর্তে প্রচণ্ড যন্ত্রণা অনুভব করে। প্যালিয়েটিভ কেয়ারের পর্যাপ্ত পরিমাণে যথাযথ ওষুধের মাধ্যমে এই ব্যথা উপশমের ব্যবস্থা করা হয়। রোগ বা রোগের চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আরও অনেক লক্ষণ নিরাময় করা হয় এই সেবার মাধ্যমে, যেমন বমিভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অনিদ্রা, অরুচি ইত্যাদি।

শিশুদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার:
শিশুর গুরুতর রোগ–আক্রান্ত শিশু এবং তার পরিবারের ওপরে গভীর প্রভাব ফেলে। চিকিৎসার পাশাপাশি প্যালিয়েটিভ সেবা শিশুর কষ্ট অনেকটুকু কমাতে পারে। মনে রাখতে হবে প্যালিয়েটিভ কেয়ার মানেই মুমূর্ষু ব্যক্তির সেবা নয়। প্যালিয়েটিভ সেবার মাধ্যমে ব্যথা ও অন্যান্য লক্ষণ নিরাময়ের পাশাপাশি শিশু ও তার পরিবারকে রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা হয়, পরিবারের সাথে সুন্দর সময় কাটানোর ব্যবস্থা করা হয়।

সেবাদানকারী পরিবারের জন্য:
পরিবারের কোনো সদস্য রোগীর সেবা দিতে চাইলে তাকে রোগের ব্যাপারে বিস্তারিত জ্ঞান, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সাপোর্ট গ্রুপের ব্যবস্থা করা হয়। দুঃসংবাদ ও শোক মেনে নেওয়ার প্রস্তুতি ও কাউন্সেলিং করা হয় প্যালিয়েটিভ কেয়ারের অংশ হিসেবে।

কেন প্যালিয়েটিভ কেয়ার প্রয়োজন:
প্যালিয়েটিভ কেয়ার মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ। রোগীকে অতিরিক্ত যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করা এবং মর্যাদার সাথে জীবনের শেষ দিনগুলো কাটানোর ব্যবস্থা করা স্বাস্থ্য সেবাদানকারীদের নৈতিক দায়িত্ব। রোগ নির্ণয়ের পরপরই চিকিৎসার সাথে প্যালিয়েটিভ সেবা নিলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব। এতে রোগীর জীবনযাত্রা সুবিধাময় হয় এবং হাসপাতাল ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা কমে। রোগ, বয়স অথবা আয় নির্বিশেষে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে প্যালিয়েটিভ কেয়ার পাওয়া সবার অধিকার।

বাংলাদেশে বর্তমানে কিছু হাসপাতালে প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট রয়েছে। এছাড়া কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্যালিয়েটিভ সেবা দিয়ে থাকে। প্যালিয়েটিভ সেবা বিশেষজ্ঞ কয়েকজন চিকিৎসক বর্তমানে বাংলাদেশে কাজ করছেন। তবে গুরুতর রোগে সেবাদানকারী সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের প্যালিয়েটিভ কেয়ার প্রশিক্ষণ থাকা জরুরি।

আমার যত্ন দীর্ঘ আট বছর এর অভিজ্ঞতায় পেশেন্ট এর নিজ বাসায় প্যালিয়েটিভ সেবা দিয়ে আসছে তাই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা পেতে কল করুন +880 1994-888999 ভিজিট করুন আমাদের অফিস ও ওয়েবসাইটে https://priyojon.care

তোমার মাঝেই স্বপ্নের শুরু, তোমার মাঝেই শেষ। তবুও ভাললাগা-ভালোবাসায় তুমি, আমার বাংলাদেশ।স্বাধীন আকাশ, মুক্ত ডানা উড়তে কোথ...
15/12/2022

তোমার মাঝেই স্বপ্নের শুরু, তোমার মাঝেই শেষ। তবুও ভাললাগা-ভালোবাসায় তুমি, আমার বাংলাদেশ।

স্বাধীন আকাশ, মুক্ত ডানা
উড়তে কোথাও নেইতো মানা
সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা




#আমারযত্ন

Home Health Aide Services by ExpertsA Home Health Aide is a trained bedside attendant, who assists elderly or bedbound c...
14/12/2022

Home Health Aide Services by Experts
A Home Health Aide is a trained bedside attendant, who assists elderly or bedbound clients in performing their daily activities. We provide round-the-clock support, helping the patient with personal care, feeding, personal hygiene, etc. We also monitor general health by regularly measuring essential vitals like heart rate, blood pressure and more.

The Home Health Aide helps with:

Oral Hygiene
Bed Bath/Sponge Bath
Skin Care with non-medicated lotions
Assistance with Urinal/Bedpan
Assistance in getting dressed
Care of Pressure Sores


Help with Eating
Feeding
Nasogastric Feeding
Encourage Fluids
Restricted fluids
(When asked to do so)
Medication Reminders


Assistance for Bathroom
Assistance for Bedside
Commode
Incontinence Care
Diaper Change
Emptying Colostomy Bag
Emptying Uro Bag


Assistance with Walking
Changing Positions in Bed
Assistance with Home Exercises
Range of Motion Exercises
Fall Prevention
Appointments


Organizing Mail
Reading Books
Taking Incoming Phone Calls
Taking Walks Together
Assistance in Exercise
Writing Letters
Transportation for Medical Appointments
Help with Planning and Keeping Appointments
Monitoring Television Viewing


Temperature
Pulse
Respiration
Blood Pressure
Oxygen Saturation
General Random Blood Sugar
Intake & Output (Hourly)


Medication Alerts
Special Dates
Immunization Dates


First Aid
Basic Life Support


Administering of medication
Preparing meals/snacks for patient
Patient’s laundry
Cleaning of dishes of patient
Sweeping and taking out trash from patient’s room

?
The services can be booked for 12 or 24 hours based on your need.
We offer weekly and monthly packages to suit your needs.
You may select a time slot convenient to you.


Elderly parents or patients recovering from physical illness, requiring support in performing their daily activities.
Patients who have undergone surgery and need support during the recovery phase.

Nuclear families with working couples, unable to stay home who need someone to take care of their parents.

CareLine 24Hours Support 01999-093949 WhatsApp always

 #বাচ্চার_পড়াশুনায়_অনীহাঃ================বাচ্চা পড়াশুনা করতে চাইবে না, মনোযোগ দিবে না এটাই স্বাভাবিক। কারণ পড়াশুনাটাকে আ...
15/02/2022

#বাচ্চার_পড়াশুনায়_অনীহাঃ
================
বাচ্চা পড়াশুনা করতে চাইবে না, মনোযোগ দিবে না এটাই স্বাভাবিক। কারণ পড়াশুনাটাকে আমরাই এমনভাবে তৈরি করেছি (আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিখন পদ্ধতি, মা-বাবার চাপ) এতে বাচ্চারা আনন্দের কিছু দেখে না। এই যে আনন্দের অভাব, এখান হতেই অনাগ্রহ শুরু > অনাগ্রহ হতে ভীতি > ভীতি হতেই এড়ানোর চেষ্টা (Avoiding Tendency)!

তাহলে দেখা যায় ভীতি হতেই শুরু, আমরা যদি বাচ্চাদের এই ভীতি হতে বের করে আনতে পারি তাতে ধীরে ধীরে আমরা বাচ্চাদের পড়াশুনায় মনোযোগী করে তুলতে পারি। নিচে কিছু টিপস শেয়ার করলাম আপনাদের জন্যঃ

#প্রথমঃ পরাশুনার চাপ হতে বের করে আনা। বাচ্চার রুটিন এমনভাবে সেট করতে হবে যেন, খাওয়া, ঘুমানো, বেড়াতে যাওয়া, খেলতে যাওয়ার মতই পড়াশুনা একটা স্বাভাবিক রুটিনের অংশ।

#দ্বিতীয়তঃ বাচ্চাকে Target দিবেন না, ছোট বাচ্চাদের কাছে Target প্রায়ই একটা ভীতিকর, অংকে ১০০ পেতেই হবে, এই ধরণের Target বাচ্চাদের পরাশুনার মজা নষ্ট করে দেয়, ওরা তখন জানার চেয়েও Target এ পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে, যা বাচ্চার stress তৈরি করে।

#তৃতীয়তঃ Target পূরণ না হলে সে জানে, তার জন্য বাবা-মার তিরস্কার অপেক্ষা কড়ছে। বাবা মাও এই ক্ষেত্রে বাচ্চাকে তুলনা করতে থাকে অন্য বন্ধুদের সাথে, ক্রমাগত এই ধরণের তিরস্কার বাচ্চার মনে অনীহা তৈরি করে।

#চতুর্থতঃ বাচ্চাকে বই এর প্রতি আগ্রহী করে তুলুন। বর্তমান দুনিয়া আমাদের সামনে খোলা, পরাশুনার বিষয়টাই You Tube এর ভিডিও তে দেখান, এরপর বাচ্চাকে ছোট ছোট Activity দিন, দেখবেন বাচ্চা ধীরে ধীরে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

#পঞ্চমতঃ স্কুলের প্রতি আগ্রহী করে তুলুন। ওর বন্ধুদের গল্প করুন, আপনার নিজের স্কুল জীবনের গল্প বলুন।

#ষষ্ঠতঃ বাচ্চা যে সময়টাই পড়ছে, তাই ফোকাস করুন। আপনি চান বাচ্চা যেন ১ ঘন্টা পড়ে কিন্তু সে ৩০ মিনিট পড়ে উঠে গেল, আপনি তাকে ৩০ মিনিটের জন্যই Praise করুন, সন্ধ্যায় বাবা বাসায় এলে বাবার সামনে ৩০ মিনিটের জন্যই প্রশংসা করুন।

পড়াশুনার সাথে যেমন ক্যারিয়ার জড়িত, একই সাথে বাচ্চারা যখন অন্য বাচ্চার সাথে গল্প করে, খেলা ধুলা করে, তার কিছু Social Skill তৈরি হয়, এই Social Skill টাও বাচ্চার জীবনে পড়াশুনার মতই সমান গুরুত্বপূর্ণ এইটাও আমাদের বুঝতে হবে। সুতরাং বাচ্চাকে তুলনা, তিরস্কার না করে, উৎসাহিত করুন, আগ্রহী করে তুলুন। এর কোন বিকল্প নেই, এটা আমরা বুঝি কিন্তু বাচ্চা তো বুঝে না, তাকে আনন্দের সাথে শেখান।

#এডভোকেট_জাকিয়া_আয়মুন
প্যারেন্টিং ট্রেনার ও কোচ

 #সন্তানের_সাথে_আপনার_বন্ডিং_টা_কেমন?একটু উল্টোভাবে ভাবুন, আপনার সন্তান কি মনে করে যে আপনি তার সবচাইতে কাছের মানুষ? আপনি...
10/02/2022

#সন্তানের_সাথে_আপনার_বন্ডিং_টা_কেমন?
একটু উল্টোভাবে ভাবুন, আপনার সন্তান কি মনে করে যে আপনি তার সবচাইতে কাছের মানুষ? আপনিই তাকে সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝেন?

সহজ একটা ভাবনা হল, সে আমার সন্তান তাকে আমি জন্ম দিয়েছি, তাকে নিয়ে আমার সমস্ত দুনিয়া, তার সাথে বন্ডিং আমার অবশ্যই দৃঢ়। আপনার সন্তানকে ভালোবাসেন তার জন্য সব করছেন তাতেই কি তার সাথে সম্পর্কটা অনেক কাছের হয়ে যায়? আপনি মনে করেন আপনি আপনার সন্তানকে বুঝেন, আপনি তার জন্য পরিশ্রম করছেন, তার ভালো থাকার জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করছেন, এবং তার ভালোর জন্য়ই আপনি সব কি করছেন। একটু ভেবে দেখুনতো আপনি যেমন করে ভাবছেন, আপনার সম্পর্কে সন্তানও কি তাই ভাবে?

#আপনার বাচ্চা যখন খুব ছোট তখন সে আপনার উপর নির্ভরশীল, সে আপনার কথা শুনছে মানছে আপনাকে সব বলছে। একটু বড় হওয়া শুরু করলে সে নিজেকে আলাদা করতে থাকে , তার একটা দুনিয়া তৈরি করে, আপনি যদি ছোট হতেই একটা বন্ডিং তৈরি করতে না পারেন সন্তানের ঐ দুনিয়াটা আপনার কাছে সবসময় আড়ালই থেকে যাবে, আপনার সাথে তার দূরত্ব বাড়বে।

একসময় শুধুমাত্র এই কারনে আপনারা একে অপরকে দোষারোপ করবেন, বাবা মায়েরা সন্তানের যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত কাজের জন্য দায়ী করে যাবেন, ভাববেন না যে বাচ্চা কি করছে, কাদের সাথে মিশছে কেন আপনার জানা নেই , একটাই কারন আপনার সাথে সন্তানের বন্ডিং টা শক্ত নয়।

একিভাবে সন্তান দায়ী করে বাবা মা কে, তাদের কঠিন আচরণকে, শাস্তিগুলোকে , তাদের সময় না দেয়াকে, তাদের ধারনা তাদের বন্ধু যতটা ভালো বুঝে ততটা তাদের মা বাবা ও বুঝে না।
এই পুরো বিষয়গুলো তৈরি হয় শুধুমাত্র সম্পর্কে বন্ডিং খুব দৃঢ় না হলে।

#বন্ডিং_তৈরিতে_কি_করতে_হবে ?
সন্তানের সাথে বন্ডিং তৈরি করার ভীষণ কার্যকর একটা উপায় হলো তার সাথে কোয়ালিটি টাইম আতিবাহিত করা। এইখানে কারো কোন দ্বিমত নেই, সকল অভিভাবকরাই জানেন। আমরা যেটা জানিনা তা হল কীভাবে কোইয়ালিটি টাইম অতিবাহিত করে।

#অভিভাবকদের_বাচ্চার_সাথে_কোয়ালিটি_টাইম_বিষয়ে_খুব_সাধারন_কিছু_ভুল_ধারনাঃ

আমারা যারা পুরোপুরিভাবে গৃহিনি মা তারা ধরেই নেই , আমদের পুরো সময়টাই যায় সন্তানের সাথে তাই আমরা অবশ্যই কোয়ালিটি টাইম দিচ্ছি। প্রক্ষান্তরে , কর্মজীবী মায়েরা মনে করেন আমরা যেহেতু পুরো সময় থাকতে পারছিনা তাই আমি যখনই সময় পাই আমার বাচ্চাকে ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছি, তার পছন্দের খেলনা দিচ্ছি , তার পছন্দের জায়গায় খেলতে নিয়ে যাচ্ছি যা হয়ত আমাদের বাবা মা করেননি আমাদের জন্য, কিন্তু আমরা করছি এবং বাচ্চা এতে খুশি ও হয়, তাই আমি অবশ্যই কোয়ালিটি টাইম অতিবাহিত করছি।

#তাহলে_এখন_প্রশ্ন_বাচ্চার_সাথে_কখন_কীভাবে_কোয়ালিটি_টাইম_অতিবাহিত করা যায়?
বাচ্চার সাথে কয়ালিটি টাইম অতিবাহিত করার নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে তা হলঃ

ালবেলা বাচ্চা যখন ঘুম থেকে উঠে
াচ্চা স্কুল থেকে ফেরার পর। ( কর্মজীবী মায়েরা এই সময়টা না পেলেও ১০ মিনিট টাইম ফোন যদি পারেন বাচ্চার সাথে কথা বলুন
িকাল বেলা খেলার সময় বা খেলতে যাওয়ায় আগে
াতে ঘুমানোর আগে।

#মনে_রাখবেন এই সময়গুলোতে আপনার পুরো মনোযোগ থাকবে বাচ্চার দিকে, বাচ্চাকে পাশে নিয়ে টিভি দেখা কিংবা মোবাইল দেখা, অন্য দিকে মনোযোগ একটু রেখে বাচ্চার প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দেয়া বাচ্চার সাথে কোয়ালিটি টাইম অতিবাহিত করা নয়। আপনি যখন বাচ্চার সাথে আছেন সে যেন পুরোপুরিভাবে ফিল করতে পারে যে আপনি তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন , তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন, এই সময় তার সাথে হ্যা , না এই রকম উত্তর দিবেন না, বন্ধুর মত গল্প করুন। এই গল্প করার ধরন, কমিউনিকেট করার ধরনও আমাদের জানতে হয়। তাই আমরা বলে থাকি প্যারেন্টিং এর এই জার্নিটা একদিনের নয়, এটার কোন মেজিক স্পেল নেই , এইটা একটা প্রসেস ।

প্রসেসটা অভিভাবক হিসেবে আমাদের আগে আয়ত্ব করতে হয় এবং সন্তানদের এই প্রসেসে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।

সাইকোলজিক্যাল টিপস একজন পজেটিভ মা হয়ে ওঠার A to Z ❤️ A = Affection : সন্তানকে মৌখিকভাবে এবং অমৌখিক বা নন ভারবাল ভালোবাসা...
09/02/2022

সাইকোলজিক্যাল টিপস
একজন পজেটিভ মা হয়ে ওঠার A to Z

❤️ A = Affection : সন্তানকে মৌখিকভাবে এবং অমৌখিক বা নন ভারবাল ভালোবাসা প্রদান করুন। আপনি সন্তানকে এভাবে বলতে পারেন, আমার বাবুটা আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি।
❤️ B = Beliefs : সন্তানের প্রতি একটা সুস্থ, ইতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করুন এবং বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করুন।
❤️ C = Consistency : শিশুকে নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে বা যে কোন ক্ষেত্রে নির্দিষ্টতা বজায় রাখুন, আজ একভাবে বলা কাল একভাবে বললে শিশুরা বিভ্রান্ত হতে পারে।
❤️ D = Discipline : শিশুকে ইতিবাচক পদ্ধতিতে নিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলা শেখান।
❤️ E = Example: শিশুর কাছে নিজেকে ইতিবাচক রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করুন। আপনি শিশুর মধ্যে যে ধরনের পরিবর্তন দেখতে চান সবার আগে নিজের মধ্যে সে ধরনের পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসুন।
❤️ F = Flexibility: নিজের মধ্যে ফেলেক্সিবিলিটি রাখুন, ধৈর্য্য ধারন করুন, সহানুভুতি দেখান, প্রয়োজনে ক্ষমা করতে শিখুন।
❤️ G = Gratitude : সন্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন, তাকে ধন্যবাদ দিন, শিশুর সাথে মার্জিত আচরন করুন। আপনি যে আপনার শিশুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন তা সত্যি সত্যি নিজের মধ্যে ধারন করতে হবে।
❤️ H = Healthy Habits: শিশুর সাথে ইতিবাচক ভাবে ধর্মীয় আচার এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপ অনুশীলন করুন। আপনি শিশুকে যেটা শেখাতে চান বা শিশুকে দিয়ে যেটা করাতে চান সেগুলো আপনি আগে নিজে অনুশীলন করুন এবং এটার ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।
❤️ I = I-messages: শিশুকে নিজের দ্বায়ীত্ব এবং কর্তব্যবোধের প্রতি সচেতন করুন, নিজেকে আত্ন নির্ভরশীল হতে শেখান, তাকে তার চিন্তা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, এবং তার কাজ কর্মের প্রতি তার দ্বায়ীত্ব নিতে উতসাহিত করুন। তার মধ্যে নিজস্বতা তৈরি করুন।
❤️ J = Joy: শিশুকে সব সময় হাসি খুশি এবং আনন্দের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। মায়ের হাসি মুখ সন্তানকে অনেক বেশি আনন্দ দিতে পারে।
❤️ K = Kindness : একজন ইতিবাচক বাবা মা সব সময় সন্তানের সহায়ক হয়ে থাকে এবং তার অনুগুতিগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তার যত্ন নেন এবং তাকে উৎসাহিত করে থাকেন।
❤️ L = Letting Go: সন্তানকে সব সময় সব কিছুতে পারফেক্ট হতে হবে, এই চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিন। তাকে তার মত করে বেড়ে উঠতে দিন।
❤️ M = Mindfulness: বর্তমানে থাকুন, সন্তান যেভাবে আছে তাকে সেভাবেই ভালোবাসুন, তুলনা করা বিচার করা ছেড়ে দিন।
❤️ N = Nurturing : তাকে অন্যের সাথে তুলনা না করে একজন আলাদা ব্যক্তি হিসেবে জানার চেষ্টা করুন এবং তাকে সেভাবে পরিচর্চা করুন।
❤️ O = Openness: শিশুর সাথে কমিউনিকেট করার সময় কোন প্রকার বিচার করা ছাড়াই তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। এবং যোগাযোগের সময় সৎ থাকুন।
❤️ P = Partnership: একে অন্যের প্রতি বিশ্বাস বজায় রাখুন, সম্মান বজায় রাখুন, কার কি দ্বায়ীত্ব সেগুলো সম্পর্কে সচেতন হোন। অভিন্ন মুল্যবোধ বজায় রাখুন, সবার প্রতি পরিষ্কার প্রত্যাশা রাখুন, এবং অনবদ্য যোগাযোগ বজায় রাখুন।
❤️ Q = Quiet Time : ধৈর্য্য ধারন করা শিখুন, আপনার যা নেই তা তো আপনি দিতে পারবেন না।
❤️ R = Resilience : সহনশীল হোন, লাইফ স্কিল গুলো শেখান, কঠিন কোন কাজকেও উদাহন দিয়ে দিয়ে শেখান। মনে রাখবেন, কঠিন সময় বেশিক্ষন স্থায়ী হয় না, তবে মানুষ এটাকে কঠিন করে তোলে।
❤️ S = Safety: শিশুকে তার শারীরীকভাবে, মানসিক ভাবে এবং ইমোশনালগতভাবে, নিরাপত্তা প্রদান করুন। যাতে তারা সকল ক্ষেত্রে নিরাপত্তা অনুভব করে থাকে।
❤️ T = Togetherness: শিশুকে গুনগত সময় দিন, শিশুর সাথে ওয়ান টু ওয়ান যোগাযোগ করুন, এবং ঐ সময়টা শুধুমাত্র তাকেই দিন, এবং তার প্রতি ফোকাস থাকুন।
❤️ U = Uncritical Words: শিশুর ক্ষেত্রে সমস্যার প্রতি ফোকাস করুন, ব্যক্তির প্রতি নয়, উন্নতির প্রতি ফোকাস করুন ফলাফলের প্রতি নয়, সামনের দিকে ফোকাস করুন, পেছনের দিকে নয়।
❤️ V = Vulnerable: শিশুরা অনেক কান্নাকাটি করবে, সব সময় আপনি একা একা সমস্যার সমাধান করতে নাও পারতে পারেন, তখন প্রয়োজনে পেশাজীবীদের কাছ থেকে সহযোগীতা নিতে পারেন।
❤️ W = Wings: জীবনের উন্নতলাভ, আনন্দ এবং সাফল্য পাওয়ার নীতিগুলো শেখান, এবং তাকে তার নিজের মত করে শর্ত সেট করতে দিন।
❤️ X = XO: এক্সট্রাওর্ডিনারি হোন। অন্যরা কি ভাবছে, কি মনে করছে, কি বিশ্বাস করছে সেগুলোর উপরে নির্ভর না করে আপনার যা করা উচিত আপনি তাই করুন।
❤️ Y = Yes!: প্রায় সময়ই শিশুকে হ্যাঁ বলুন, তাদের স্বপ্নগুলোর প্রতি হ্যাঁ বলুন, তার উৎসাহগুলোকে হ্যাঁ বলুন, মনে রাখবেন তাদের শৈশব কিন্তু একবারই আসবে।
❤️ Z = Zeal: শিশুর দীপ্তিময়তা, ক্ষমতা এবং ইতিবাচকতা সম্পর্কে জানুন, শিশুর জন্য ঔজ্জ্বল্যতা এবং ভালোবাসার আধার হোন, এবং একটি উত্তরাধীকার ছেড়ে দিন।

ধন্যবাদান্তে
দীপন চন্দ্র সরকার
এসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং এম ফিল গবেষক
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Address

Confidence Tower, 2nd Building Shahjadpur, Gulshan/2

1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amar Jotno - আমার যত্ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Amar Jotno - আমার যত্ন:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram