Dr.Tania Sultana

Dr.Tania Sultana Health discussion

11/04/2026

, ,
থাইরয়েডজনিত বন্ধ্যাত্ব (thyroid-related infertility) একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনেক সময় অবহেলিত কারণ।



🔹 থাইরয়েড কীভাবে বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি করে?

থাইরয়েড হরমোন (T3, T4, TSH) শরীরের হরমোনাল ব্যালান্স নিয়ন্ত্রণ করে। এর সমস্যা হলে প্রজনন ক্ষমতা সরাসরি প্রভাবিত হয়।

১. Hypothyroidism (থাইরয়েড কম কাজ করলে)
• অনিয়মিত মাসিক বা amenorrhea
• Ovulation না হওয়া (anovulation)
• Prolactin বেড়ে যাওয়া → ডিম্বস্ফোটন বাধাগ্রস্ত
• Luteal phase defect
👉 ফলে conception কঠিন হয়ে যায়



২. Hyperthyroidism (থাইরয়েড বেশি কাজ করলে)
• মাসিক অনিয়মিত বা কমে যাওয়া
• Ovulation ব্যাহত
• Implantation সমস্যা



🔹 অন্যান্য প্রভাব
• S*x hormone imbalance (Estrogen-Progesterone imbalance)
• SHBG পরিবর্তন
• Miscarriage এর ঝুঁকি বৃদ্ধি
• IVF success rate কমে যেতে পারে



🔹 লক্ষণ (যা দেখে সন্দেহ করা যায়)

Hypothyroidism:
• ওজন বৃদ্ধি
• ঠান্ডা সহ্য না হওয়া
• চুল পড়া
• ক্লান্তি

Hyperthyroidism:
• ওজন কমে যাওয়া
• অতিরিক্ত ঘাম
• বুক ধড়ফড়
• উদ্বেগ


🔹 গুরুত্বপূর্ণ কথা

✔ থাইরয়েড ঠিকভাবে কন্ট্রোল করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে fertility আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়
✔ Pregnancy planning-এর আগে thyroid screening করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
Dr. Tania sultana
Thyroid disease specialist

21/12/2025

শীতকালীন স্বাস্থ্য চেকলিস্ট:

• সুষম খাবার খান। প্রতিদিন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন।

• আপনার ওষুধগুলো যাচাই করুন। নিয়মিত ব্যবহৃত ওষুধ ঠিকমতো ও সময়মতো খাচ্ছেন কি না নিশ্চিত করুন।

• প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। হালকা হলেও নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।

• গ্রিজার , হিটার ও গ্যাসের যন্ত্রপাতি নিরাপদভাবে ব্যবহার করুন।

24/08/2022

বিপদে কিংবা সমস্যায় পড়লে মুমিন মুসলমানের হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
মহান আল্লাহ তাআলার উপর আস্থা এবং বিশ্বাসের সঙ্গে এসব দোয়ার যথাযথ আমলেই সম্ভব বিপদমুক্ত হওয়া।
বিপদ ও সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মুমিনের বিশেষ কার্যকরী দোয়া হচ্ছে-

> সুরা আল-ফাতেহাالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ - مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ - إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ - اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ - صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَএ সুরাটির বিশেষ একাধিক নাম হলো- আল-কাফিয়া বা যথেষ্টকারী, আশ-শাফিয়া বা আরোগ্যকারী। এটি আল্লাহর গুণ-প্রশংসার সুরা হওয়ায় এ সুরার আমলের দ্বারা ঝাঁড়-ফুক করাও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

> اَللهُ... اللهُ رَبِّىْ لَا اُشْرِكُ بِهِ شَيْئًاউচ্চারণ : ‘আল্লাহু… আল্লাহু রাব্বি; লা উশরিকু বিহি শাইআ।’অর্থ : ‘হে আল্লাহ!... আল্লাহ তুমিই আমার প্রভু। আমি তোমার সঙ্গে কাউকে শরিক করি না।’ (আবু দাউদ)

> لَا اِلَهَ اِلَّا اَنْتَ سُبْحَانَكَ اِنِّى كَنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَউচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জ্বলিমিন।’অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিঃসন্দেহে আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।’ (তিরমিজি)> প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ কিংবা দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে উত্তীর্ণ হতে তাঁর উম্মতকে এ দোয়া পড়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন-حَسْبُنَا اللهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْل – نِعْمَ الْمَوْلِى وَ نِعْمَ النَّصِيْرউচ্চারণ : হাসবুনাল্লাহু ওয়া নেমাল ওয়াকিল; নেমাল মাওলা ওয়া নেমান নাছির।'অর্থ : আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি কতই না উত্তম কাজ সম্পাদনকারী। আল্লাহ তাআলাই হচ্ছে উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।’

> لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إلَّا بِاللهউচ্চারণ : ‘লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।'অর্থ : ‘আল্লাহর সাহায্য ব্যতিত কোনো উপায় নেই আর কোনো ক্ষমতাও নেই।’ এ দোয়াটি জান্নাতের গোপন ভাণ্ডারসমূহের একটি। বিপদ ও সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বহু মানুষ থেকে পরিক্ষীত দোয়াও এটি।

> أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ - أَستَغْفِرُ اللهَউচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহ; আস্‌তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।'অর্থ : ‘আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।'

> لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ، وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِউচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আজিমুল হালিম; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদি ওয়া রাব্বুল আ’রশিল কারিম।’অর্থ : ‘আল্লাহ্ ব্যতিত সত্য কোনো মাবুদ নেই, তিনি অতি মহান, অতি সহনশীল। আল্লাহ ব্যতিত কোনো সত্য ইলাহ বা উপাস্য নেই, তিনি বিশাল আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতিত সত্য কোনো মাবুদ নেই, তিনি আসমান-জমিনের এবং মহান আরশের মালিক।’ (বুখারি)

> اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِن ضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِউচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউজুবিকা মিন দ্বালায়িদ দাইনি ওয়া ক্বাহরির রিজাল।’ (তিরমিজি)অর্থ : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।’ ((বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি ও মিশকাত)

> হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো দুঃখ-কষ্ট বা চিন্তা, অস্থিরতা তথা হতাশাগ্রস্ত হতেন তখন বলতেন-يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُউচ্চারণ : ইয়া- হাইয়ু ইয়া- ক্বাইয়ূ-মু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ।অর্থ : ‘হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।’ (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকেম, মিশকাত)

> হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, বিপদগ্রস্তের দোয়া হচ্ছে-اَللّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُوْ فَلَاتَكِلْنِىْ اِلَي نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ وَ أَصْلِحْ لِيْ شَانِي كُلُّهُ لا اِلَهَ اِلَّا أَنْتَউচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাহমাতাকা আরঝু ফালা তাকিলনি ইলা নাফসি; ত্বারফাতা আইন; ওয়া আসলিহলি শানি কুল্লুহু; লা ইলাহা ইল্লাহ আনতা। (আবু দাউদ, মিশকাত)অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার দয়া কামনা করি। তুমি আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও আমার নিজের হাত ছেড়ে দিও না। বরং তুমি স্বয়ং আমার সমস্ত ব্যাপার ঠিক করে দাও। তুমি ব্যতীত কোনো মা’বুদ নাই।

আল্লাহ তাআলা দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন।
বিপদ ও সমস্যা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন🤲

সংগৃহীত

13/07/2021

কোভিডঃ

#এটি এক প্রকার Droplet infection. একমাত্র হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময়েই লালার সূক্ষ্ম কণিকার মাধ্যমে ভাইরাস তার শরীর থেকে বেরোতে পারে। এবং তাও আপনার গায়ে লাগলে, পিঠে লাগলে, এমনকি তা খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে গেলেও আপনি আক্রান্ত হবেন না। ভাইরাস একমাত্র আপনার শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে গেলেই সংক্রমণ হয়।

হলেই মানুষ মরে না, এটি কোনো মারন ব্যাধি নয়। এর Death Rate দুই শতাংশেরও কম। কিন্তু Covid রোগী isolation-এ থেকে প্রচণ্ড ভাবে মানসিক ভাবেও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার immunity বা অনাক্রমনতা কমে যায়। তাই রোগীকে সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার দিন।।

#বাড়িতে Covid Patient না থাকলে বাড়ির মধ্যে Mask পরে থাকবেন না। ঘর থেকে না বেরোলে মনের বিকার ঘটা এবং immunity কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই বিকেলবেলা রাস্তায় না, বাগান থাকলে সেখানে বা না থাকলে ছাদে একটু হেঁটে ও শরীর চর্চা করে আসুন।শরীরচর্চা করা বা নির্জন ছাদে হাঁটার সময় মাস্ক পড়বেন না। সাবধানতা অবলম্বনের এক দারুণ অস্ত্র মাস্ক।

#কোভিড সংক্রান্ত কোনো রকম সমস্যা হলেই নিকটবর্তী হাসপাতালে যান। সেখানে তৎক্ষণাৎ বেড না পেলেও আপনাকে Oxygen দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং Rapid Test করানো হবে।

# কাপড়ের মাস্ক পরা, না পরা সমান। N95 এবং Sanitizer এখন essential commodities. তাই এদের দাম এখন বেঁধে দেওয়া। N95 এবং Sanitizer ব্যবহার করুন। Office-এ বা বাইরে থাকলে কিছুক্ষণ অন্তর হাত Sanitise করুন। একটু হাত ঘষে ফেলার মতো একটি ছোট্ট অভ্যাস যদি আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে তাহলে তা করবেন না কেনো?
এ বিষয়ে Face Shield - ও একটি দারুণ সুরক্ষা প্রদানকরী বস্তু। ব্যবহার করতে পারেন।

Dr.Tania Sultana

04/07/2021

❝সন্তানের বুদ্ধিমত্তা নির্ভর করে মায়ের জিনের উপর❞

‘আন্ডারস্টছান্ডিং মাদারস জেনেটিকস’ নামের এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, মায়ের সঙ্গ, ছোঁয়া, আবেগ শিশুর আইকিউ উন্নত করে। একজন শিশুর বুদ্ধিমত্তা নির্ভর করে তার মায়ের জিনের ওপর। সেখানে বাবার জিনের কোনো ভূমিকা নেই বললে চলে।
Dr. Tania Sultana

03/07/2021

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে কোভিডের তিনটি নতুন লক্ষণ:

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে যাদের কোভিড হচ্ছে তাদের ভেতর তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এগুলো হল:

(১) ঠান্ডা সর্দি
(২) মাথা ব্যাথা এবং
(৩) গলা ব্যাথা বা সোর থ্রোট

এর সাথে হাল্কা জ্বরও থাকতে পারে।

যুক্তরাজ্যে এখন কারও ভেতর এই তিনটি লক্ষণ দেখা দিলেই তাদেরকে কোভিড টেস্ট করতে বলা হচ্ছে। সম্প্রতি কিংস কলেজ লন্ডন পরিচালিত জো সিম্পটম স্টাডি নামের অ্যাপস ভিত্তিক একটি গবেষণায় বেশীরভাগ কোভিড রোগীদের ভেতরে এই নতুন লক্ষণগুলে পরিলক্ষিত হয়েছে।

পূর্বে কোভিডের প্রধাণ লক্ষণগুলো ছিল:

(১) উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর
(২) ক্রমাগত শুস্ক কাশি
(৩) স্বাদ এবং ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন।

বাংলাদেশে এখন যেহেতু ৮০ শতাংশের উপরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে কোভিড হচ্ছে তাই যাদের ভেতর উপরের তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিবে তাদেরই কোভিড টেস্ট করানো উচিত। এতে করে দ্রুত রোগ শনাক্ত করা যাবে। আর এর ফলে ত্বরিত আইসোলেশন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে দেশে করোনার বিস্তার এবং এর থেকে মৃত্যু, দুটোই কমানো যাবে।

****সংগৃহীত****

29/06/2021

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে বলা হচ্ছে "The Fastest and the Fittest" এবং "Extremely Dangerous"। কারণ এটি মারাত্মক সংক্রামক। এমনকি ইউকে বা আল্ফা ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও ৫০-৬০% বেশী সংক্রামক। স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমনের হার যত বাড়বে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উপর চাপও তত বাড়বে। তার সাথে সাথে বাড়বে মৃতের সংখ্যা।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট যে ভয়াবহভাবে ঢাকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা মারাত্মক সংক্রামক তা আমরা RT-PCR এর CT value দেখেও ধারনা করতে পারছি। বেশির ভাগ পজিটিভ কেইসেই ভাইরাল লোড অত্যন্ত বেশী, যা প্রমান করে ভাইরাসটির মারাত্মক সংক্রমন ক্ষমতা।

গোদের উপর বিষফোঁড়া ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের E484Q মিউটেশনের সাথে বিটা বা সাউথ আফ্রিক্যান ভ্যারিয়েন্টের K417N মিউটেশন যুক্ত হয়ে এই ভ্যারিয়েন্টের সৃষ্টি। ইতোমধ্যে ১১ টি দেশে এটি পাওয়া গেছে। ভারতের তিনটি প্রদেশে ৪০ জনের দেহে ইতোমধ্যে এই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। ৭ জনের উপর স্টাডি করে দেখা গেছে, তিন জন ভ্যাক্সিনের পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন এবং হোম আইসোলেশনে ছিলেন। আর বাকী ৪ জন যারা ভ্যাক্সিন নেননি, তাদের সকলকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে হয়েছে এবং এদের মাঝে ২ জন মারা গেছেন।

সুতরাং ভাইরাসের সংক্রমনের চেইন ভাঙ্গার জন্য ভ্যাক্সিনই প্রধান ভরসাস্থল। কঠিন আইন করে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরানো না গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহরূপ ধারন করবে।

দয়া করে সঠিকভাবে মাস্ক পরুন।।

29/06/2021

কোভিড ভ্যাকসিন: করোনাভাইরাস টিকার মিশ্র ডোজে (eg. Oxford+Pfizer) বেশি সুরক্ষা - অক্সফোর্ডের গবেষণার ফলাফল : BBC
Dr Tania Sultana.

20/05/2021

Some info about pulse oximetry and it's usage:

1) Pulse oximetry detects the level of oxygenation of your blood.

2) It is the most instant way of estimation of oxygenation.

3) The basic underlying principle is to pass red and infrared light through the finger by means of two light emitting diodes.

4) Oxygenated blood allows more red light to pass through and the deoxygenated blood, the infrared part.

5) As the test involves colouring issue and is wavelength dependent, nail polishes interfere with pulse oximetry reading..

6) Blue and green nail polishes cause the most significant interference and can produce falsely low oxygen values.

7) So, if possible do not use it on a finger that has nail polish of any colour, especially blue and green..

8) If all the finger nails are polished, use your toes..

9) If toes too couldn't be used for the same reason, clamp the oximeter on either of your ear lobes and record the reading...

10) Use a standard oximeter.. Sub-standard oximeters can give you falsely low values..

11) It's traditional to use either the right middle finger or the right thumb for oxygen estimation.

12) If the reading keeps fluctuating, keep the oximeter for one full minute till you get the final constant value..

13) Clean your finger with sanitizer before and after the use of the oximeter..

ঈদ মুবারাক🌙তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
13/05/2021

ঈদ মুবারাক🌙

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Tania Sultana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category