মিলনতত্ত্ব

মিলনতত্ত্ব This platform empowers people with accurate knowledge about intimacy & wellbeing.

Official page of the Bangladeshi community group “মিলনতত্ত্ব (Sex Education & Solution Centre)” dedicated to promoting sex education, awareness & healthy relationships.

27/02/2026

নরসিংদীর কিশোরী আমেনাকে ১৫ দিন আগে জো'রপূর্বক তুলে নিয়ে ৬ জন মিলে ধ/র্ষণ করে। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে আমেনার বাবাকে বলা হয়, সে যেন পরিবার নিয়ে গ্রামে চলে যায়। অসহায় বাবা এতে রাজি হয় এবং সামনের মাসে চলে যাবে বলে জানায়।

কিন্তু জীবিত আমেনাকে নিয়ে গ্রামে ফেরা আর হলো না। আজ বাবার কাছ থেকে জো'রপূর্বক আমেনাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুনরায় শারীরিক নি'র্যাতন চালিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে।

এ কেমন বাংলাদেশ? বাকরুদ্ধ!

A 6 year old little g’irl, Tahia Tasnim, was b’rutally r’aped and k’illed  by some powerful people of our country in Hat...
26/02/2026

A 6 year old little g’irl, Tahia Tasnim, was b’rutally r’aped and k’illed by some powerful people of our country in Hatirjheel.

Locals say she was a’ssaulted and then her t’hroat was c’ut. The c’rime happened around 11:30 PM.

According to local people’s statement :
They r@ped the little girl first and then cut her throat .
Police stopped the investigation because this case is related to someone very powerful from our country .
They mur/dered her yesterday ( 24 Feb 2026) at 11.30 pm and police is now covering up the case.

We can assume that powerful individuals are involved because, There are a’llegations that CCTV footage was erased and the investigation is being blocked. The b’ody was reportedly returned without a proper a’utopsy.

it is h’eartbreaking and t’errifying. We demand a fair investigation. We demand justice for Tahia Tasnim.

সরকারের বানানো ফেইক হারকিউলিসের দরকার নেই। মোল্লা উমরের মতো আসল হারকিউলিসের দরকার বাংলাদেশে।

মেয়েটাকে গণ-ধর্ষ-ণ করে। তারপর নাকি স্থানীয় মেম্বার মিমাংসা করে দিসে। তারপর মেয়েটাকে ১৫ দিন পর হত্যা করসে। মানুষ এত পাষণ্...
26/02/2026

মেয়েটাকে গণ-ধর্ষ-ণ করে। তারপর নাকি স্থানীয় মেম্বার মিমাংসা করে দিসে। তারপর মেয়েটাকে ১৫ দিন পর হত্যা করসে।

মানুষ এত পাষণ্ড আর নির্বোধ হয় কেমনে!
ধর্ষ-ক কে কীভাবে ছাগলগুলো শালিসী বিচারে মীমাংসা করে।

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় সরিষা ক্ষেত থেকে আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে মাধবদী থানাধীন মহিষাশুড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আমেনা আক্তার মাধবদীর বিলপাড় এলাকার আশরাফ হোসেনের মেয়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, আশরাফ হোসেন কাজের সুবাদে সেখানে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

নিহতের সৎপিতা আশরাফ হোসেন অভিযোগ করেন, প্রায় ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল তার মেয়েকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার আহমদের নেতৃত্বে মিমাংসা হয়।

বুধবার রাতে তিনি মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে বের হলে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে আমেনাকে জোর করে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন সকালে স্থানীয়রা সরিষা ক্ষেতের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

26/02/2026

একবার সহবাসের পর ওযূ না করে পুনরায় মিলিত হ’লে এবং মিলনের পর গর্ভবতী হ’লে ঐ বাচ্চার কোন সমস্যা হয় কি?

সুন্নাত হচ্ছে দ্বিতীয়বার মিলনের পূর্বে ওযূ করে নেওয়া। কারণ এতে মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পায় (ছহীহুল জামে‘ হা/২৬৩)। তবে ওযূ বা গোসল না করলেও কোন বাধা নেই (ত্বাহাবী, শরহু মা‘আনিল আছার হা/৭৮৯)। সুতরাং ওযূ ছাড়া মিলন করার পর গর্ভে সন্তান আসলে সন্তানের কোন সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। এটি সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারমাত্র।

-মাসিক আত-তাহরীক

08/02/2026

আমিও পথচারী, আপনি জালিম নাকি পথচারী?

কলম: Manira Sultana Papri একবার ভাবুন তো, প্রেগনেন্সির পুরো সময় আপনাকে বিছানায় শুয়ে কাটাতে হচ্ছে, খাওয়া, প্র স্রাব,পা...
01/02/2026

কলম: Manira Sultana Papri

একবার ভাবুন তো, প্রেগনেন্সির পুরো সময় আপনাকে বিছানায় শুয়ে কাটাতে হচ্ছে, খাওয়া, প্র স্রাব,পায়খা*না, সব করতে হচ্ছে বিছানায়, একবার ভাবুন সে কষ্ট কত তীব্র। হ্যাঁ এভাবেই কাটছিলো দুর্ভাগা মেয়েটির প্রেগনেন্সি
পিরিয়ড। আহারে মা। মায়েরা কিনা করে একটা সন্তানের জন্য।
একবার ভাবুন একটা মেয়ে মা হতে গিয়ে কি স্যাক্রিফাইস করে। একবার ভাবুন তারপরও যদি সে তার সন্তানকে না বাঁচাতে পারে এবং নিজেকে না বাঁচাতে পারে, তাহলে তার মতো অসহায় আর কে আছে?
মৃত বাচ্চা পেটে নিয়ে যদি আট ঘন্টা লেবার রুমের ঠান্ডা জায়গায় পড়ে থাকতে হয় একা। অসহায়। নিজের সাথে কি ঘটতে যাচ্ছে না জানা, না বুঝতে পারা মানুষটার অবস্থা একটু ভাবুন।
না জানি কত স্মৃতি তার মনে পড়েছে। না জানি কত ভয় তার লেগেছে। না জানি সে কত কথা বলতে চেয়েছে। হয়তো কয়েক মিটার দূরেই ওয়েটিং রুমে তার হাজবেন্ড বসা,সে জানে,কিন্তু তার সাথে কথা বলবার মতো
সুযোগ সে পায়নি।
শুনেছি মৃ ত্যুর আগে নাকি মানুষের চোখের সামনে সারাটা জীবন ভেসে ওঠে। ডোরার চোখে কি ভেসে উঠেছিল সেদিন? কোনদিন কেউ জানবে না।

মেয়েটার নাম ছিলো ডোরা। একদিন আগেও যে স্বপ্ন দেখছিল তার কোল জুড়ে সন্তান আসবে, আজকে সে সন্তানও
মৃ ত।
সেও মৃ ত। ডোরা আর কোনদিন এভাবে হাসবেনা।
ডোরা তার সন্তানকেও রেখে যেতে পারলো না।
ডোরা আমার এক্স কলিগ এবং বন্ধু ডোনার ছোট বোন।
সে নিজেও একজন ডাক্তার।
Dr. Chand Sultana Dora
MBBS, Khulna Medical College (Batch K-19)
Aspiring Pulmonologist,BMU

কি হয়েছিলো সেদিন ডোরার সাথে??
আমি এখানে ডোরার বন্ধু PG তে যে একজন গাইনী ডাক্তার ড: মহুয়া পারভীনের বক্তব্যটাই আমার ভাষায় তুলে ধরলাম।

Khulna Medical College K19 batch-এর চাঁদ সুলতানা ডোরা।
২৯ সপ্তাহের প্রেগন্যান্সি ছিল। ঘটনার দিন রাতে প্রায় এগারোটার দিকে ডোরা তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ফোন করে জানায়—বিকেল থেকে সে বেবির নড়াচড়া ঠিকভাবে বুঝতে পারছে না। বিষয়টি নিয়ে সে খুব উদ্বিগ্ন ছিল এবং অনুরোধ করে যেন কেউ এসে দেখে।

রাত সাড়ে এগারোটার দিকে সেই বন্ধু ডোরার বাসায় পৌঁছায়। স্টেথোস্কোপ ও ডপলার—দুটো ব্যবহার করেও fetal heart beat পরিষ্কারভাবে ট্রেস করা যাচ্ছিল না। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ডোরাকে দ্রুত Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BMU)-এর fetomaternal department-এ নিয়ে যাওয়ার।

BMU-তে ২৯ সপ্তাহের গর্ভকাল বিবেচনায় CTG খুব reliable না হলেও ডপলার দিয়ে হার্টবিট কনফার্ম করার চেষ্টা করা হয়। একবার হার্টবিট প্রায় ১৩০ bpm দেখালেও এরপর আর স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।

এর কিছুক্ষণ পর ডোরার শরীরে কাঁপুনি শুরু হয়। তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর সে বমিও করে। তখন জানানো হয় ইমার্জেন্সি আল্ট্রাসাউন্ড করা দরকার, যা স্কয়ার হাসপাতালে করা হবে। ডোরার হাজবেন্ডের সঙ্গে তাকে স্কয়ারের উদ্দেশে রওনা করানো হয়।
এখানে উল্লেখ্য যে ডোরার হাজব্যান্ড, তিনি নিজেও একজন ডাক্তার
Dr. Nazrul Islam Ranju.
MS. BSC in Orthopedic, BMU.

যাইহোক
রাত প্রায় একটা বাজে। পথে ওই বন্ধু বাসায় ফিরে যায়।
কারণ পর্যন্ত সকালে তার খুব জরুরী একটা ট্রেনিং আছে।

রাত প্রায় দুইটার দিকে ডোরার হাজবেন্ড ফোন করে জানায়—ডপলারে নাকি fetal heart beat পাওয়া গেছে এবং কিছুক্ষণ পর আল্ট্রাসাউন্ড করা হবে। এই খবরের পর সবাই কিছুটা আশ্বস্ত হয়।

কিন্তু তার একটু পরে ফোন করে জানানো হয়—বেবিটি মা রা গেছে। বলা হয়, সকালে ডাক্তার এলে ডেলিভারি করানো হবে। সকালের দিকে কেউ স্কয়ারে পৌঁছানোর চেষ্টা করলেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে কাউকে সহজে অ্যালাও করা হচ্ছিল না।
ডোরার বোনের কাছ থেকে জানতে পারি,
মৃত সন্তান পেটে থাকা অবস্থায় ডোরাকে প্রায় ৮ ঘণ্টা লেবার রুমে ফেলে রাখা হয়।
সকাল দশটার দিকে তাকে OT তে নেয়া হয় বাচ্চা ডেলিভার করার জন্য।

দুপুরের দিকে হঠাৎ খবর আসে—ডোরার cardiac arrest হয়েছে দুবার এবং তাকে ICU-তে নেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই জানা যায়—ডোরা আর বেঁচে নেই।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই সময়ের মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল—এই প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট উত্তর কেউ দিতে পারেনি।
ডেলিভারির সময় কী হয়েছিল,
কীভাবে পরিস্থিতি এত দ্রুত মারাত্মক হয়ে উঠল,
কোন পর্যায়ে জটিলতা শুরু হয়—
এসব বিষয়ে পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যা মেলেনি।

আমরা যারা সাধারন মানুষ আমরা না হয় মেডিকেল টার্ম বুঝবোনা।
হসপিটালে ডোরার হাজব্যান্ড ছিলেন যিনি নিজে একজন স্বনামধন্য ডাক্তার। তিনিও কি বুঝতেন না?
তাকে কেন কোথাও ঢুকতে দেয়া হয়নি?
কেন কিছু এক্সপ্লেইন করা হয়নি?
দুটো প্রাণ এভাবে চলে গেল, এর ক্লারিফিকেশন স্কয়ার হসপিটাল কি দেবে?
কে দায় নেবে মা এবং সন্তানের মৃ*ত্যুর?
অনেকগুলো প্রশ্ন থেকে গেল।
আশা করি স্কয়ারের কাছে এর উত্তর আছে।

এই লেখাটা আমি লিখছি,
আমাদের সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য যারা হসপিটালগুলোতে গিয়ে বলতে গেলে হারিয়ে যান।
কোথায় যেতে হবে কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে,
কোন ওষুধ টা কোথায় পাওয়া যায়, কে ঠিক বলছে
কে ঘোল খাওয়াচ্ছে হসপিটালে?
কে অযথা কতগুলো টেস্ট ধরিয়ে দিচ্ছে, কিংবা অযথা বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে হসপিটালে হোল্ড করে রেখে
ভিকটিমের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে,
এরকম অসংখ্য কেইস আমরা জানি পরিচিতজনদের ভেতর থেকেই।

একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদের কাছে কি কোন ভিজিবিলিটি থাকবে না?
মানুষ কখন হসপিটালে যায়?
যখন মানুষ সবচেয়ে অসহায় হয়। যখন মানুষ ভীষণ অসুস্থ হয়। যখন মানুষ মৃ ত্যুর কাছাকাছি যায়,
এরকম ভালনারেবল অবস্থায় মানুষের
কাছ থেকে টাকা আদায় করা বা তাদেরকে হয়রানি করা
কতটা মানবিক?

একজন সাধারন মানুষ বোঝে না বলে তাকে হয়রান করা না হয় সোজা।
কিন্তু যে নিজে একজন ডাক্তার, যার হাজবেন্ড একজন ডাক্তার, যার বন্ধু ডাক্তার, তাদের কাছেও যদি মিনিমাম ভিজিবিলিটি না থাকে,
তাহলে আমার আপনার মত সাধারন মানুষ কতটা নিরাপদ?? আমরা কোন ভরসায় আমাদের প্রাণপ্রিয় মানুষকে হসপিটালে ছেড়ে আসবো?
কিভাবে বুঝব সেই বদ্ধ ঘরে তার সাথে কি ঘটনা ঘটছে??
আমরা যদি হসপিটাল কে ভরসা করতে না পারি তাহলে কাকে করবো ??

প্রশ্ন করুন, প্রশ্ন তুলুন।
আজকে ডোরার সাথে হয়েছে, কাল হয়তো আমার সাথে বা আপনার সাথে হবে।
প্রশ্ন করুন।

স্কয়ারে তো আপনারা ও চিকিৎসা নেন। নিতে যাবেন।
এই ঘটনাটা আপনার মাথায় থাকুক। যাতে আপনার কোন আত্মীয়-স্বজনের সাথে এই ঘটনা না ঘটে।
আপনার একটা শেয়ার বা একটা সচেতনতা হয়তোবা
একটা মূল্যবান প্রাণ বাঁচাতে পারে আপনার আমার কিংবা অন্য কারোর।

A Simple Evening Workout To Stay Active And Energized ✅তবে নতুন যারা ব্যায়াম শুরু করবেন, তারা নাম্বারটি কমিয়ে ফেলবেন, ...
27/01/2026

A Simple Evening Workout To Stay Active And Energized ✅

তবে নতুন যারা ব্যায়াম শুরু করবেন, তারা নাম্বারটি কমিয়ে ফেলবেন, ১০ থেকে ১৫ বার এরমধ্যেই।

নয়তো ৬০ টা স্কোয়াট দিলে আপনাকে আর খুজে পাওয়া যাবেনা। বাকিগুলো স্টার্ট করতে পারবেন না।
এক্সারসাইজ গুলো না বুঝলে নাম লিখে ইউটিউবে Search করবেন।

সুস্থ থাকুন, ফিট থাকুন 🤍

26/01/2026

আমাদের ক্যাম্পাসের এক সিনিয়র, আরমান ভাই(ছদ্মনাম) কিছুদিন আগে আমাকে জানালেন যে ওনার কিছু ভাল্লাগে না, রাতে ঘুমও আসে না। ওনার একমাত্র পছন্দের কাজ হচ্ছে ফোন স্ক্রল করে রিলস দেখা।

ভাইয়ের মেজাজ মর্জি প্রায় সময়ই খারাপ থাকে। কোন কিছুতে ফোকাস একেবারেই রাখতে পারেন না। অল্পতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন আর এটা ওটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন। আবার, কাজ করতে গেলে দেখা যায় এনার্জি নাই।

ইদানীং সেক্স ড্রাইভও কমে গেছে, ভাবীকে দেখলে নাকি একটু বিরক্তই লাগে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ভাই ভাবী কি রাগারাগি বেশি করে??

ভাই উত্তর দিলেন, নাহ।

তাইলে বিরক্ত কেন লাগে??
এমনেই।

ওহ।

বলতে বলতে ভাই ফোন স্ক্রল করা শুরু করলেন।

আরমান ভাইয়ের এই অবস্থা হচ্ছে এক প্রকার ডোপামিন ডেফিসিয়েন্ট অথবা ডোপামিন এডিকশন স্টেট।

কয়েক সপ্তাহ পর আবার একদিন ভাই ফোন দিলেন।
এবার শুনলাম, ভাইয়ের মেমোরি উইকনেস শুরু হয়েছে। সেই সাথে যখন তখন উড়াধুড়া ক্ষুধা লাগা।

ভাইকে বললাম চেম্বারে আসেন। আমার চেম্বারে আসা তো একটু ভেজালেরই ব্যাপার বটে। আসতে আসতে মোটামুটি ৩ সপ্তাহ লেগে গেল।

আমি ভাইকে কয়েকটা সিম্পল ট্রিক ফলো করতে বললাম, ১৫ দিন যাবত। প্রয়োজনে অফিস থেকে সিক লিভ নিতে হবে তাও এইটা করতেই হবে।

মাস দুই চেষ্টা করে ভাই ছুটিটা ম্যানেজ করলেন।

১)সন্ধ্যার পর থেকে অন্ধকারে থাকা। বাটন ফোন ইউজ করা।
২)জিরো সুগার-কোন প্রকার সুগার না খাওয়া
৩)প্রতিদিন ৪০ হাজার আইইউ ভিটামিন ডি নেয়া(ভিটামিন ডি লেভেল চেক করে এরপর বলেছি, সবার জন্য এটা প্রযোজ্য না)
৪)দিনে ১ ঘন্টা করে রোদে থাকা
৫)টিভি দেখা অফ করে দেয়া
৬)অন্তত ৩০ মিনিট কুড়াল দিয়ে কাঠ কাটা অথবা কোদাল দিয়ে মাটি কাটা বা লনের ঘাস কাটা(এটা শারীরিক শক্তির পাশাপাশি ফোকাস ডেভেলপমেন্টে কাজে আসে)
৭)দিনে অন্তত ৩০০ গ্রাম গরুর গোশত খাওয়া
৮)ভাত-রুটি-আলু না খেয়ে ছোলা-বার্লি-খেজুর খাওয়া
৯)দিনে অন্তত ১ ঘন্টা হাটা
১০)সচেতন ভাবে নাক দিয়ে নি:শ্বাস নেয়া।

১৫ দিন পর আরমান ভাই তাজা।

ওনার বেশিরভাগ সমস্যাই ৭-৮ দিন থেকেই ঠিক হয়ে গেছে।

এখন উনি আগের মত প্রবলেম হলেই বাটন ফোনে শিফট করেন।

যাদের এংজাইটি, মেজাজের ভারসাম্যহীনতা, ফোকাসের অভাব, মেমরি উইকনেস এবং সেক্স ড্রাইভ কমে যাবার সমস্যা আছে, এই দশটা ট্রিক ফলো করার জন্য ১৫ দিন না পারেন, ৭ দিনের একটা ব্রেকে যান। সম্ভব হলে অবশ্যই এর সাথে যোগ করবেন স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং।

জীবন একটাই, বেচে থাকাটা উপভোগ করার জন্য মাঝে মাঝে এসব করতে হয়।

©Sajal Deit Falsafa

Extra Virgin Coconut oil - যা খাওয়া যায়। শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অসংখ্য বেনিফিট আছে এই তেলের। Extra Virgin Coconut Oil ...
21/01/2026

Extra Virgin Coconut oil - যা খাওয়া যায়। শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অসংখ্য বেনিফিট আছে এই তেলের। Extra Virgin Coconut Oil দ্রুত এনার্জি দেয় ও মেটাবলিজম সাপোর্ট করে, হজমশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এটি স্কিন ও চুল ভালো রাখে, ড্রাইনেস ও খুশকি কমায়। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হওয়ায় হরমোন ও নার্ভ ফাংশন সাপোর্ট করে। যেগুলো মাথায় আসলো সেগুলো বললাম।

ভালো সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটির জন্য, বডিকে সম্পূর্ণ ফিট রাখতে হবে।

বাংলাদেশে এই ২ টা প্রোডাক্ট অথেন্টিক মনে হলো। কিন্তু দাম Ceylon এর তুলনায় থেকে দিগুন, যদিও এই ২ টিই USDA certified.

দাম বেশি হলেও ডক্টর জাহাঙ্গীর কবির উনার প্রতিষ্ঠানের টা নেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রীলংকার Ceylon Coconut oil এর রিভিউ জানতে চাচ্ছি। যারা ব্যবহার করেছেন তারা জানাবেন৷

21/01/2026

আজ একজন ফোন করে বলল- আমার স্ত্রীর বয়স ৩৩, দেখতে ফর্সা। কিন্তু তার মুখে অনেক মেছতার দাগ। তাছাড়া শারিরীকভাবে সে অত্যন্ত দূর্বল।

জিজ্ঞেস করলাম- জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনারা কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেন (মেছতার অন্যতম একটি কারণ জন্মবিরতিকরণ পিল সেবন)।

লোকটা উত্তর দিল- ও বড়ি খায়, সুখী বড়ি।

বুঝিয়ে বললাম- এজন্যই এত সমস্যা আপনার স্ত্রীর। এই জন্মনিরোধক পিলগুলো মানবদেহে হরমোনাল পরিবর্তন আনে। এজন্য মেয়েদের নানা ধরণের শারিরীক সমস্যা দেখা দেয়।
কনডম ব্যবহারে এই সমস্যা হয় না। তাছাড়া কনডম নিরাপদও। এতে আপনিও ভালো থাকবেন, আপনার স্ত্রীও ভালো থাকবেন।

কনডমে আরাম পাই না, মজা নাই- লোকটা হেসে বলল। হাসিতে নির্লজ্জতা মাখা ছিল।

বললাম- পুরুষও ইনজেকশন নিতে পারে জানেন?

জানে, বলল লোকটা।

তাহলে আপনি ইনজেকশন নিচ্ছেন না কেন? এতে আপনার আরামেরও ব্যাঘাত ঘটবে না। সবসময় শুধু স্ত্রীকেই কেন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে?

লোকটা দাঁত ক্যালিয়ে হেসে বলল- সাইড ইফেক্ট হয়, শরীল কিড়মিড় করে, দূর্বল লাগে, গিরায় গিরায় শূলায়। তাছাড়া এসব বাড়ির মহিলারাই নিবে। এটাই তো নিয়ম।

আমি বললাম- ঠিক আপনার যে সমস্যাগুলো হয়, সেসব আপনার স্ত্রীরও হয়। আপনার স্ত্রী কখনো মুখ ফুটে বলে না, সহ্য করে যায়। ওরা ধরে নিয়েছে এটাই নিয়ম।

লোকটা বিজবিজ করে "আমার বউ, আমি যা ইচ্ছা খাওয়ামু। যত ইচ্ছা পিল খাওয়ামু। দরকার হলে মবিল, আলকাতরা, পেট্রোল, ডিজেল খাওয়ামু। আইছে নারীবাদী জ্ঞান মারাইতে" বলে খট করে ফোনটা কেটে দিল।

©Dr Humayun Kabir

বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?এক মহিলা নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, "ফদ্বীলাতুশ শা...
19/01/2026

বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?

এক মহিলা নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, "ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ - রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম। কিন্তু এখন বিয়ের পর আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না!"

নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, "হে আমার মুসলিম বোন তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী?"

মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, "শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছেন!"

শাইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন, "আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ পায়না, আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না। কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক আদায় করবে না।"

শাইখ নাসিরউদ্দিন আলবানী রহি.
(সহীহ আত তারগীব ১৯৩৯)

©Amatullah guraba

Address

Dhaka
1000

Website

https://www.facebook.com/DesireShop.MilonTotto/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category