মিলনতত্ত্ব

মিলনতত্ত্ব This platform empowers people with accurate knowledge about intimacy & wellbeing.

Official page of the Bangladeshi community group “মিলনতত্ত্ব (Sex Education & Solution Centre)” dedicated to promoting sex education, awareness & healthy relationships.

মাত্রাতিরিক্ত লাভের আশায় ডায়াজিপামের (ঘুমের ঔষধ) এম্পুলে নেলবুফিনের লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেখানে ডায়াজিপামের দ...
23/04/2026

মাত্রাতিরিক্ত লাভের আশায় ডায়াজিপামের (ঘুমের ঔষধ) এম্পুলে নেলবুফিনের লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেখানে ডায়াজিপামের দাম ৩-৪ টাকা সেখানে নেলবুফিন মার্কেট আউট হবার কারনে ২০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে!!!

কিছু কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে নেই যেমন মেথারস্প্যান, বাজারে নেই ২ বছরের বেশি হয়ে গেলো!! অথচ এটি বাচ্চা প্রসবকালীন মায়েদের জীবন রক্ষাকারী একটি ওষুধ। কারো কোনো উদ্দ্যোগ নেই ওষুধগুলো মার্কেটে আনার।

এই সুযোগে অসাধু ব্যাবসায়ীরা ভেজাল ওষুধ কিংবা এক ওষুধের লেভেল উঠিয়ে অন্য ওষুধের লেভেল লাগিয়ে বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে!!!! কি ভয়ংকর ব্যাপার। বাজারে মনিটরিং দুর্বল থাকায় বিপদে পড়ছে সাধারন মানুষ আর ডাক্তাররা।

কে জানে কোন ওষুধের বোতলে কোন ওষুধের লেভেল লাগানো!!!! মানুষ অসুস্থ হচ্ছে, মারা যাচ্ছে, বুঝতেও পারছেনা কেনো হচ্ছে কিভাবে হচ্ছে। যেমন হয়েছিলো ভেজাল হ্যালোথেনের কারনে মুসলমানি করতে যাওয়া বাচ্চার মৃত্যু!!!😥😥😥😥

সামান্য ২০০/৩০০ টাকার জন্য মানুষ মেরে ফেলতেও চিন্তা করছে না । কি আজব অবস্থা।

লিখেছেন Dr-Moshiur Rahman Mazumder

চমৎকার বাংলাদেশ! সোনার বাংলাদেশ! যারা এই জাতি নিয়ে স্বপ্ন দেখে, তাদের জন্য করুণা ও ঘৃণা।

নরমাল বনাম সিজার—আমাদের কি করণীয়বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।• কোন গর্ভবতী নারীর নরমালে বাচ্চা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকা সত...
22/04/2026

নরমাল বনাম সিজার—আমাদের কি করণীয়
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

• কোন গর্ভবতী নারীর নরমালে বাচ্চা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা ভয় দেখিয়ে অনর্থক সিজার করতে বাধ্য করা প্রতারনা ও জুলুম। সুস্পষ্ট না জায়েজ। এবং প্রতারণা ও জুলুমের মাধ্যমে উপার্জিত টাকাও অবৈধ।

• সত্যিকারের ন্যায়পরায়ণ, দ্বীনদার, অভিজ্ঞ, মুসলিম ডাক্তার যদি কোন পেশেন্টের ক্ষেত্রে বলেন যে, 'সিজার' না করলে বাচ্চা অথবা মায়ের জীবন বিপন্ন হতে পারে কিংবা অঙ্গহানীর প্রবল আশঙ্কা আছে তখন সিজার করা ওয়াজিব। এ ধরণের পরিস্থিতিতে স্বামী/শশুর/শাশুড়ী কিংবা অন্য কেউ 'নরমাল' ডেলিভারীর জন্য গর্ভবতী মেয়েকে বাধ্য করা না জায়েজ।

• যদি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণ অভিজ্ঞ ডাক্তারের সিদ্ধান্তের বিপরীতে গিয়ে পরিবারের লোকজন নরমালে বাধ্য করে, সুযোগ ও সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ না করে এবং এ কারনে মা কিংবা সন্তান মারা যায় অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ইসলামী আইনে (ইসলামী শাসনাধীন অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) তারা কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবে। ক্ষেত্রবিশেষে সংশ্লিষ্টদেরকে রক্তপণ (দিয়ত) দেয়া লাগতে পারে।

• নরমাল ডেলিভারী করতে গিয়ে ইন্তিকাল করলে, এবং কষ্ট সহ্য করলে যে সওয়াব হয় সিজার করতে গিয়ে মারা গেলে কিংবা অপারেশনের পরে নারীদের যে কষ্টের সম্মুখীন হতে হয় তাতেও ইনশাআল্লাহ একই রকম সওয়াব হবে। কারন এই ফযীলত নির্দিষ্টভাবে নরমাল ডেলিভারীর সাথে সম্পৃক্ত না বরং সন্তান জন্মদানের সাথে সম্পৃক্ত।

• নরমাল ডেলিভারী অবশ্যই প্রাকৃতিক কারনে উত্তম। নিজের সাধ্য ও সহ্যক্ষমতা অনুসারে প্রতিটি মায়েরই আল্লাহ প্রদত্ত এই পদ্ধতিতে ডেলিভারীর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। তবে অবশ্যই সেটা দক্ষ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও পরিবারের সদস্যদের খেয়াল খুশি ও স্বেচ্ছাচারিতার ফলে জোরপূর্বক নরমাল ডেলিভারী করতে গিয়ে স্ত্রী বা বাচ্চার জীবনকে হুমকির মুখে ফেলার নাম তক্বওয়া না বরং জাহালত। নিরেট মূর্খতা।

• মাওলানা গুনবী সাহেবের এ সংক্রান্ত বক্তব্যে আবেগ নির্ভর অতিরঞ্জন ও সুস্পষ্ট ভুল দৃশ্যমান। পাবলিক প্লেসে মাসআলা বলার ক্ষেত্রে তার আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

• মনে রাখবেন, আপনাদের পছন্দ অপছন্দের নাম ইসলাম না। ইসলামী আইনের নিজস্ব মূলনীতি আছে। তাই যারা শরীয়ত ও চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখেননা তারা এই বিষয়ে অন্যদের উপরে কোন ধরনের মতামত চাপিয়ে দেয়া বৈধ না। শুধুমাত্র আবেগের বশে যারা এই টপিকে অনর্থক ঝগড়া বিবাদ ও গালাগালি করছেন তাদের উচিত আল্লাহকে ভয় করা এবং নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রন করা। মাসআলা মাসাইল ও চিকিৎসা বিষয়ে শুধুমাত্র সার্টিফাইড মুফতী ও ডাক্তাররা কথা বলা উচিত। বাকিদের জন্য চুপ থাকা আবশ্যক।

মুফতী Affan Bin Sharfuddin হাফি.
বিভাগীয় প্রধান, উচ্চতর ইসলামী আইন অনুষদ, জামিয়া উসমান রা. ইমাম ও খতীব, বাইতুল মাহফুয জামে মসজিদ, নিকুঞ্জ- ২, খিলক্ষেত, ঢাকা

আমাদের প্রথম বেবির সময়টাতেই আমরা নরমাল ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি৷ সর্বোচ্চ চেষ্টা বলতে নিয়মিত চেকআপে থাকা, খা...
20/04/2026

আমাদের প্রথম বেবির সময়টাতেই আমরা নরমাল ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি৷ সর্বোচ্চ চেষ্টা বলতে নিয়মিত চেকআপে থাকা, খাবারদাবার, হাঁটাচলা, সেবাযত্ন ইত্যাদি।

ডেলিভারির সময়ে যখন হসপিটালে নিয়ে গেলাম, ডাক্তার চেক করে বললেন পানির পরিমাণ অনেক কম। এমন অবস্থায় নরমাল ডেলিভারি কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সিজারেই যেতে হবে।

আমরা ডাক্তারের সাথে কোনোরকম বাদানুবাদ করিনি। নরমালেই করতে হবে এমন গোঁ-ও ধরিনি। শুধু বলেছি—‘একটু ভাবতে দিন।’

এই ‘একটু ভাবনার’ সময়ে আমরা কী করেছি?

সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটা হসপিটালে গিয়ে, পুনরায় চেকআপ করালাম। আগের ডাক্তারের কোনো বক্তব্য তাদের জানাইনি আমরা। সেখানেও একই কথা—পানি বেশ কম৷ নরমালে সম্ভব নয়, সিজার করতে হবে।

এবার আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হলো৷ আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, সিজারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম এবং প্রথম হসপিটাল, যে হসপিটালে নিয়মিত আমরা চেকআপে ছিলাম, সেখানেই অপারেশান হয়।

প্রথমবার সিজার হলে, পরেরবারগুলোতেও সিজার করাতে হয়—এটাই নিয়ম। তবুও, শুভাকাঙ্খীদের কাছে এমন একজন গাইনি ডাক্তারের সন্ধান পেলাম যিনি প্রথমবার সিজার হলেও, দ্বিতীয়বারে সাকসেসফুলি নরমাল ডেলিভারি করাতে পারেন বলে নামডাক আছে। আমরা তার দ্বারস্থ হলাম। তার তত্ত্বাবধানে মেয়ের মা’কে রাখা হলো পুরোটা সময়। ডেলিভারির সময় যখন উপস্থিত, তিনি টেস্ট করে বললেন, প্রথম সিজারের স্কার থিকনেস (Scar Thickness) খুব কম৷ নরমাল ডেলিভারিতে গেলে সমস্যা হতে পারে। না যাওয়াটাই রিস্ক-ফ্রি।

ব্যস, আমরা আলহামদুলিল্লাহ বলে চলে এলাম। প্রথমবার যে হসপিটাল আর যে গাইনি ম্যাডামের তত্ত্বাবধানে সিজার হয়েছিল, তার কাছে এসে অপারেশানের ডেইট নিলাম। পরেরদিনই অপারেশান হয় আর আমাদের দ্বিতীয় রাজকন্যা দুনিয়ায় আসে, আলহামদুলিল্লাহ।

এতকিছু বলার কারণ হলো, চারপাশে কিছু ভাইদের দেখি নরমাল ডেলিভারির জন্য গোঁ ধরে বসে থাকে। ডাক্তাররা যতই বলে—যা কন্ডিশান তাতে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব না কোনোভাবেই, কিন্তু তারা তা মানতে নারাজ। তারা নরমালেই করাবে, তাতে যা হয় হবে!

যা হয় হবে মানে??

মানে, যদি এতে স্ত্রীর জীবনহানি হয়—তবুও।
যদি এতে গর্ভের বাচ্চাটার ক্ষতি হয়—তবুও।

আমি জানি যে, সিজার করাতে পারলে হসপিটালওয়ালার লাভ বেশি৷ একটা অপারেশান, অনেক টাকা। কিন্তু, সবসময় যে সবখানে একটা লাভ-ক্ষতির ব্যাপার থাকে তা তো না। একজন ডাক্তারের কথা আপনার অবিশ্বাস হলে, অন্য একজনের কাছে যান। ক্রসচেক করেন। রিপোর্টগুলো বেশ কয়েকটা জায়গায় পাঠিয়ে যাচাই করে, তারপর সিদ্ধান্ত নেন। যদি আপনার সিদ্ধান্তই হয় যে, দুনিয়া উল্টে গেলেও আপনি নরমাল ডেলিভারি ছাড়া কিছু মানবেন না, তাহলে তো হয় না।

একটু আগে একজন ভাইয়ের ঘটনা শুনলাম। তিনি খুবই গোঁ ধরেছিলেন যে, নরমাল ডেলিভারি ছাড়া অন্য কোনো অপশনে উনি যাবেনই না। ঠিক তাই করলেন৷ উনার স্ত্রীর নরমাল ডেলিভারির অবস্থা না থাকলেও, উনি জোর করে নরমাল ডেলিভারির দিকে গেলেন।

ফলাফল?

স্ত্রীর অবস্থা করুণ হয়ে পড়ে।
বাচ্চাটার অটিজমের মতো সমস্যা হয়ে যায়।

পরে যদিও তিনি ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু ততক্ষণে তো অনেক দেরি হয়ে গেল!

অনেকগুলো বাচ্চাকাচ্চায় ঘর ভরে থাকবে—এমনটা আমরাও চাই। কিন্তু, আমি তো আমার স্ত্রীর জীবন, নতুন অনাগত ভ্রুণটার জীবন নিয়ে বাজি ধরতে পারি না একটা শখ পূরণ করতে।

আল্লাহর কাছে বলি, তৃতীয়বারে তিনি যেন আমাদেরকে জময ভ্রুণ বা ট্রিপল ভ্রুণ উপহার দেন৷ সুস্থভাবে যেন তাদেরকে দুনিয়াতে তিনি নিয়ে আসেন। আল্লাহর কাছে চাইছি, যদি তিনি কল্যাণ রাখেন তাহলে দিবেন৷ কল্যাণ না থাকলে দিবেন না—সিম্পল অ্যাস দ্যাট।

অধিক বাচ্চাকাচ্চার বাবা হওয়ার জন্য কারও জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা—এটা কোনো দায়িত্ববান পুরুষের কাজ হয় কখনো?

আমার বাচ্চাটাও পরিপূর্ণ নরমালে হওয়ার জন্য সব ঠিক ঠাকছিল হঠাৎ করে গাইনি ডাক্তার বলল বাচ্চা মাথা আটকে গেছে সিজার করাতে হবে, এখন না করান নরমালের জন্য চেষ্টা করেন তাহলে হয়তো বা পরে সমস্যা হতে পারে নরমালে হতে অনেক সময় নিতে পারে।

তারপর আল্লাহর নামে সিজার করালাম।
সিজারের পর বাচ্চা যখন আমাদের হাতে আসত তখন ঠিকই দেখতে পেলাম বাচ্চার মাথায় কিছুটা টেপ পড়ে গেছে।
যদি সিজার না করানো হতো তাহলে হয়তো বা অনেক বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারতো।

আল্লাহ সর্বোচ্চ হেফাজতকারী।

© আরিফ আজাদ

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না [পর্ব ৪] সময়মতো খাওয়া, সকালে হাঁটা, ধূমপান ছাড়া, সক্কালে ওঠা, আগে আগে ঘুমানো এসব কথাকে কেউ ওষুধ মনে...
19/04/2026

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না [পর্ব ৪]

সময়মতো খাওয়া, সকালে হাঁটা, ধূমপান ছাড়া, সক্কালে ওঠা, আগে আগে ঘুমানো এসব কথাকে কেউ ওষুধ মনে করে না। ওষুধ বলতে বোঝে শুধু ট্যাবলেট-ক্যাপসুল। অথচ এসব লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন বিরাট বিরাট ওষুধ।

আমাদের শরীরে আছে বহু কেমিক্যাল। হরমোন, নিউরোট্রান্সমিটার, অজৈব লবণ, পানি, ভঙচঙ। এগুলোর মধ্যে লাগাতার বিক্রিয়া চলছে। লাগাতার প্রত্যেকে প্রত্যেকের কাজ করে চলেছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনে এদের কাজ এলোমেলো হয়৷ যেখানে যা হবার কথা না সেখানে সেটা হয়।

কোনো কেমিক্যাল অনধিকার চর্চা শুরু করে। কেউ বেরিয়ে যাবার কথা, না বেরিয়ে বেদ্দপি করে। এই মেডিফিকেশনগুলো দেহের স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে।

যারা পুরুষত্বহীনতায় ভুগছেন, ঘুমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। কম্পিউটারে যেমন রিসেট বাটন, আমাদের তেমন ঘুম। ঘুম দেহকে নর্মালে ফিরিয়ে আনে।

এবং অবশ্যই রাত বারোটার আগে ১/২ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি। রাত বারোটার আগে ১ ঘণ্টা ঘুম, রাত বারোটার পর ৩ ঘণ্টা ঘুমের সমান কাজ করে। রাত ১০ টায় ঘুমানোর অভ্যাস করুন। সব মিলিয়ে দিনে ৬-৯ ঘণ্টা ঘুমান।

✅ঘুমের জন্য প্রস্তুতি নিন সূর্য ডোবার পর থেকেই। সন্ধ্যার পর...
১. কোনো ডিভাইস নয়। মোবাইল টিপতে টিপতে ঘুমের বদভ্যাস বাদ দিন।
২. ঘরে সেই পুরনো আমলের হলুদ বাতি জ্বালাতে পারলে সবচেয়ে ভালো।
৩. ল্যাপটপে কাজ করতে হলে স্ক্রীন লালচে করে নিন।
৪. সবচেয়ে উত্তম হল, বই পড়া। বই পড়লে বেশ ঘুম আসে।
৫. ঘুমের আগে উযু করে নেয়া। শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে ফেলতে হবে।
৬. শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে এমন কাজ সন্ধ্যার পর করবেন না৷ যেমন: চা-কফি, গরম পানি, ব্যায়াম, ভারীকাজ।

শেষ পর্ব কেগেল এক্সারসাইজ নিয়ে অনেকবার পোস্ট করেছি।

আমি আমার নিজের দাম্পত্য জীবন সহ, আমার আরো বিবাহিত ভাইদের জীবন থেকে যেটা বুঝেছি, স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকলে অনেক সমস্যার ...
19/04/2026

আমি আমার নিজের দাম্পত্য জীবন সহ, আমার আরো বিবাহিত ভাইদের জীবন থেকে যেটা বুঝেছি, স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকলে অনেক সমস্যার সমাধানই হয়ে যায়। অথচ দূরে দুইজন দুই জায়গায় থাকলে দাম্পত্য জীবনে ও পারিবারিক জীবনে নানা রকম সমস্যা দানা বাঁধতে পারে।

ভুল বুঝাবুঝি, ভালবাসা এক্সপ্রেস করতে না পারা, অকারণ সন্দেহ ইত্যাদি। এমনকি শুধু স্বামী স্ত্রীর নিজেদের মধ্যে না, দুজনের দুই পরিবারের মধ্যেও নানাবিধ সমস্যা হতে পারে যদি স্বামী স্ত্রী দুইজন দূরে দুই জায়গায় থাকে।

এই সব গুলোরই সমাধান যতই যা হোক একসাথে থাকা, কাছাকাছি থাকা।
কাছাকাছি থাকলে ঘনিষ্ঠতা যেভাবে বাড়ে, আন্ডার স্ট্যান্ডিং যতটা ডেভেলপ হয়, পারস্পারিক মায়া দরদ যেভাবে বাড়ে, দূরে থেকে শুধুমাত্র মাসে দুই দিন বা সপ্তাহে একদিন একসাথে কাটিয়ে সেভাবে ঘনিষ্ঠতা, আন্ডার স্ট্যান্ডিং, মায়া মমতা বাড়ে না।
কিন্তু যে দুই বছর আমি ঢাকায় ছিলাম (পরিবার রাজশাহীতে) ঐ দুই বছর আমার স্ত্রীকেও আমার বাসায় রাখিনি।
যদিও শ্বশুর শ্বাশুরি আশা করে একটা মাত্র বউ কাছে থাকুক, তাই সে যাওয়া আসা করত, আমি আসলে আসত কিন্তু পার্মানেন্ট রাখিনি।
কারণ স্বামী এমন একজন ব্যক্তি যে কিনা মা এবং স্ত্রীর মধ্যে ম্যানেজমেন্ট করে, ব্যালেন্স করে।

স্বামী যখন দূরে তখন বউ শ্বাশুরির মধ্যে যেকোন সময় ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছেকৃত ভাবে হয়ত ঝামেলা হয়ে যেতে পারে। এখন আমি আসার পর সবাই একসাথে থাকি আলহামদুলিল্লাহ।
বিয়ে করা হয় বউকে কাছে রাখার জন্য, বউ এর থেকে দূরে থাকার জন্য না। যদি সামর্থ্য না থাকে বউকে কাছে রাখার তাহলে কিছুদিন পর বিয়ে করুন।
অনেকে আবার বিয়ে করে বউ রেখে প্রবাসে চলে যান, এরা কোন ক্যাটাগরির আমি মেলাতে পারিনা। দেখুন প্রয়োজন আর বিলাসিতা এক নয়।

অনেকেই আছেন প্রয়োজনে যেতে বাধ্য হয়ে থাকেন, কিন্তু ম্যাক্সিমামই তো বিলাসিতার জন্য, একটু খানি ভাল থাকার জন্য এই কাজ করে থাকেন। নিজেকেই প্রশ্ন করুন তো, আপনার টা প্রয়োজন না বিলাসিতা?
যদি প্রয়োজন হয়, তাহলেও কি খুব প্রয়োজন? পরিবারের কাছে থাকার চেয়েও?
আর সামর্থ্য কেন থাকবেনা? আপনার মেস ভাড়া যদি ১৫০০ টাকা হয়, আর ১৫০০ দিয়ে তিনহাজার টাকায় একটা কুড়েঘর ভাড়া নিন না?
খাবেন কম, পায়ে হেঁটে অফিসে যাবেন, পোশাক কিনবেন না, কিন্তু দিন শেষে একসাথে থাকবেন।
ভাতের ক্ষুধা মিটাবেন দুই কাপ চা একসাথে খেয়ে আড্ডা দিয়ে। স্ত্রী যখন কাঁধে যখন মাথা রাখবে, তখন পেটের ক্ষুধা কাঁধ দিয়েই চলে যাবে।
আর এত চিন্তার তো কিছু নেই। আল্লাহ বরকত দিয়ে দিবেন এই ভরসা, এই বিশ্বাস থাকা লাগে।
শুধুমাত্র ফ্যামিলির টানে, এবং ফ্যামিলির কাছে রিজিকের ব্যবস্থা না করতে পেরে, কিংবা ফ্যামিলিকেও আমার কাছে নিয়ে যেয়ে রাখতে পারিনি (স্ত্রী ছাত্রী ছিল, আর মা বাবা রাজশাহীতে। আর আমি তো বাবা মা ছেড়ে শুধু স্ত্রী নিয়ে থাকব না) ঢাকা থেকে চাকরি ছেড়ে চলে এসেছিলাম।

চারটা মাস বেকার বসে থেকেছি, মাত্র চারটা মাস। তারপর তো আলহামদুলিল্লাহ্‌ বরকতময় অবস্থা যাপন করছি সবাই একসাথে। আল্লাহ সম্মান জনক রিজিক দান করেছেন।
আমি আপনাকে রিস্ক নিতে বলছিনা, তবে তাওয়াক্কুল থাকলে রিস্ক নিন।
জীবিকার আগে পরিবারিক সম্পর্কে প্রাধান্য দিন।
আপনি বলবেন পরিবারের জন্যই তো জীবিকা। হ্যা সত্য। কিন্তু আপনার পরিবার আপনাকে ছেড়ে পোলাও মাংস খেতে চায়না বরং আপনাকে সাথে নিয়েই ডাল ভাত খেতে চায়।
প্রতিনিয়ত য‌দি কা‌ছে থেকে পা‌শে থে‌কে সুখ দুঃখ ভাগাভা‌গি না করা গে‌লো তো সেটা কেমন দাম্পত্য !
শুধু দূর থেকে টাকা পাঠিয়ে দেবার নাম পারিবারিক দায়িত্ব পালন নয়, দাম্পত্যের হক আদায় এভাবে হয়না। আপনি বলবেন আপনার সামর্থ্য নেই?
ভুল। হয়ত এটা বলতে পারেন যে স্বচ্ছল ভাবে চলার সামর্থ্য নেই। কিন্তু গরীবি হালে তো চলার সামর্থ্য আছে?
গরীবি হালে চলুন তবুও একসাথে থাকুন। যৌবনের অনেক সময় নষ্ট করে ফেলেছেন দূরে থেকে। প্রতিটা মিনিট মুল্যবান। এভেন প্রতিটা সেকেন্ড।
আপনি যদি আমাকে খোঁটা দেন, যে বিয়ের প্রথম দুই বছর আমিই তো ছিলাম ঢাকায়।
তাহলে শুনে রাখুন, আমার মত আপনি পারতেন না। আমাদের ছিল মাত্র একদিন ছুটি। শুক্রবার। তবুও প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় আসতাম আট ঘন্টার রাস্তা, আবার পর দিন সন্ধায় রওনা দিয়ে শনিবার সকালে অফিস ধরতাম। অর্থাৎ ষোল ঘন্টা ট্রাভেল করে ১০-১৫ ঘন্টা বাসায় থাকতে পারতাম।

দুই বছরে এক বৃহস্পতিবারও মিস যেতনা।
এভাবেই গিয়েছে আমার দুই বছর। প্রতি মাসে চারবার বাসায় আসতাম, এত কষ্ট হতো, কারণ আমি বাস জার্নি পারতাম না (এখন পারি), কত রাতে বাস পাইনি, ট্রাকের উপর উঠে বাসায় এসেছি।
যদিও কম বয়সে (আসলে কম না, বরং আমার বেশিই মনে হয়) বিয়ে করেছি, তবুও ঐ দুই বছরের জন্য নিজেকে ক্ষমা করতে পারিনা। বিবাহিত জীবনের ঐ দুই বছর কি ফিরে পাবো আর?

বৃদ্ধ বৃদ্ধা হয়ে একদিন বারান্দায় ভাববেন দুজন যে, আজ দুজনের সব আছে, ছেলে পেলে নাতি পুতি। কিন্তু একসাথে হারানো সময় গুলো নেই। খুব মিস করবেন কিন্তু কিছুই করার থাকবেনা। হারানো যৌবন আর দাম্পত্যের মুহুর্ত গুলো ফিরে পাবেন না।
আর সময়ও আপনাদের ক্ষমা করবে না, কারণ আপনি এর মুল্যায়ন করেন নি। সময় শোধ নিবে।
কী করে বুঝাই আপনাকে ! দূরে থেকেন না।
একসাথে থাকুন।
একসাথে থাকুন।
একসাথে থাকুন।
প্রতিদিন দুইবেলা খান, রোজা রেখে খাওয়া খরচ কমান। তবুও একসাথে থাকুন। নাহলে প্রচুর পস্তাবেন, প্রচুর।

আর বিবাহিত হয়েই ব্যাচেলর লাইফ কাটানোতে শতভাগ সুকুনও লাভ করতে পারবেন না। এই সেই অশান্তি লেগেই থাকবে।

//
আমি কেন নিজের উদাহরন দিই?
কারন অনেকেই বলে থাকেন, যে বলা সহজ করা কঠিন। তাই যা বলছি, নিজেও তা যে করেছিও সেটার রেফারেন্স টেনে দিই। আর নিজে যা পারিনা, তা অন্যদের বলিও না।

লেখা: Shah Mohammad tonmoy

গ্রুপে এমন কোনো পোস্ট Approve করা হয় না যেগুলো মানুষকে ট্রিগার করে বা বাজে কমেন্টের পরিবেশ তৈরি করে। কারণ এতে গ্রুপের পর...
17/04/2026

গ্রুপে এমন কোনো পোস্ট Approve করা হয় না যেগুলো মানুষকে ট্রিগার করে বা বাজে কমেন্টের পরিবেশ তৈরি করে। কারণ এতে গ্রুপের পরিবেশ নষ্ট হয় এবং আমাদের প্যানেলকে অপ্রয়োজনীয় সময় দিতে হয়।

আপনি আমাদের নিয়ে যা বলেছেন + আপনি যা পোস্ট করেছেন তাতে আপনি Ban খাওয়ার উপযুক্ত।

আপনার এইটা কোনো পোস্ট হলো? আপনার পোস্টের বিষয়বস্তু অস্পষ্ট ও কনফিউজিং।

আপনি লিখেছেন➤

আপনি স্যাটিসফাইট। ডিফারেন্ট কিছু হলে ভালো হতো। আবার এটা হোক আপনি চান না। কারন সে যেমন আছে তেমনি পছন্দ। মাঝে মাঝে মনে হয় অস্বাভাবিক কিছু। অর্থাৎ স্ত্রীকে স্বাভাবিক লাগে। অন্য মেয়েদের মনে হয় অস্বাভাবিক।

গ্রুপে পোস্ট করার আগে অনুগ্রহ করে বিষয়টি স্পষ্ট, প্রাসঙ্গিক এবং সম্মানজনকভাবে উপস্থাপন করবেন, সেক্ষেত্রেই Approve করা হবে৷

আপনি যে পোস্টটি করেছেন এবং আমাদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা গ্রুপের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের কমেন্ট করলে আমরা Ban করে দেই। আপনাকে সাসপেন্ড দেওয়া হয়েছে। গ্রুপের রুলস জেনে নিবেন৷ ভালো না লাগলে লিভ নিবেন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

পোস্ট সবার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে 🌿
অনেকের পোস্ট আমরা এইসব আজেবাজে পোস্ট এর ভিড়ে হারিয়ে ফেলি। আমাদের সময়ও দিতে হয় মনিটরিং এ। এজন্য অনেকের পোস্ট Approve করা সম্ভব হয়ে উঠেনা৷ ইমারজেন্সি হলে আমাদের পেইজে মেসেজ দিবেন।

বাংলাদেশি খবরে দেখলাম- জ্বালানি সংকটে খুলনার ৬টা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল অন্য একটা খবরে দেখলাম - সরকার জ্বাল...
16/04/2026

বাংলাদেশি খবরে দেখলাম- জ্বালানি সংকটে খুলনার ৬টা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল অন্য একটা খবরে দেখলাম - সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার জন্য কয়েকশো কোটি টাকা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে সাহায্য চেয়েছে।

যে দেশের সরকারকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার জন্য অন্য দেশগুলোর কাছে হাত পাততে (পড়ুন ভিক্ষা) করতে হচ্ছে। সেই দেশের সরকারি সেক্টরের প্রায় সকল কর্তারা দামি গাড়িতে চড়েন। সুন্দর বাড়িতে থাকেন। দেখলে মনে হয়- মাটিতে পা পড়ে না! মন্ত্রী-এমপি; সে সরকারি দলের হোক কিংবা বিরোধী দলের! উনারা আলো ঝলমলে প্রাসাদে থাকেন। দূর থেকে দেখলে মনে হয়

- আহা, কী চকচকে রঙিন উনাদের জীবন।

এটা আপনার মনে হয়। এবার চিন্তা করুন , যে দেশগুলো বাংলাদেশকে ভিক্ষা দেয় কিংবা ধার দেয়। তাঁরা দূর থেকে কী ভাবে? তাঁরা কি ভাবে জানেন?

- যে দেশের রাস্তায় বের বলে ঠিক মত হাঁটা যায় না । কারণ কোন হাঁটার রাস্তা নাই। যে দেশের প্রতিটা রাস্তায় ধূসর-মলিন জামা গায়ে মানুষজনকে হেঁটে বেড়াতে দেখা যায়। হাত পেতে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। সেই দেশের বড় কর্তারা সবাই কোট -প্যান্ট, টাই পরে দামি গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়।

তাহলে টাকাগুলো যায় কোথায়? আসলে কোন কিছুই নাগরিকদের পকেটে যায় না। ১০০টাকা ভিক্ষা দিলে ৮০ টাকা প্রথমেই উনারা মেরে দেন। এরপর ইউরোপ-অ্যামেরিকায় বেগম পাড়া বানান। আরও অনেক কিছুই করেন। এরপর যেই ২০ টাকা থাকে; সেটাও বিভিন্ন ধাপে মেরে দেয়ার পর সব শেষে মূল কাজের জন্য থাকে ১০ টাকা! এখন এই ১০ টাকায় আপনি কোন কাজটা করবেন?

এই জন্যই রাস্তা বানালে পরের বছর ভেঙে যায়। ব্রিজ বানাতে গিয়ে রডের পরিবর্তে দেয়া হয় বাঁশের শলা! তেল শোধানাগার বানানোর পর বছরের পর বছর পড়ে আছে। কারন ব্যাবহার করা যাচ্ছে না!

আচ্ছা, এই যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হয়ত আরও বন্ধ হবে। বর্তমান ইরান পরিস্থিতিতে এটা আমি মেনে নিচ্ছি। কারণ অনেক দেশেই হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে

- দেশের সাধারণ নাগরিকদের বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হয়ত লোড-শেডিং হবে। হোক, সমস্যা নেই। আপনারা যারা ভিআইপি আছেন। আপনাদের বাড়িতে কেন লোড-শেডিং হয় না?

কেন দেশের কোন সমস্যা আপনাদেরকে ছুঁয়ে যায় না? কেন আপনারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যান? আপনারা কি এই বুর্জোয়াতন্ত্রটা ভাঙতে পারেন না?

কেন এই দেশের সাধারণ নাগরিকদেরই আজীবন অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে? উত্তরটা খুব সহজ।

আমাদের ধূসর-অন্ধকার জীবনের বিনিময়ে আপনারা রঙিন-চকচকে জীবনে বাস করেন।

©Aminul Islam

নারী বাইকার ও উদ্যোক্তা আসমা আক্তার সম্প্রতি আরজে নিরবের সাক্ষাৎকারে এসে তার জীবনের কিছু ভয়ংকর যৌনতার হেনস্তার অভিজ্ঞতার...
14/04/2026

নারী বাইকার ও উদ্যোক্তা আসমা আক্তার সম্প্রতি আরজে নিরবের সাক্ষাৎকারে এসে তার জীবনের কিছু ভয়ংকর যৌনতার হেনস্তার অভিজ্ঞতার কথা বলছেন -

তিনি বলেন,বাংলাদেশে একজন নারী হিসেবে ব্যবসা দাঁড় করানোর চেয়ে পুরুষদের কুদৃষ্টি ও নোংরা মানসিকতা থেকে নিজেকে বাঁচানোই তার কাছে বেশি কঠিন মনে হয়েছে।

তার মতে, একজন সুন্দরী ও সফল ব্যবসায়ী হওয়াটা তার জীবনে অনেকটা অভিশাপের মতোই কাজ করেছে।
বড় বড় করপোরেট গ্রুপগুলোর কাছ থেকে নানা সময়ে অনৈতিক প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। কাজের কথা বলে সন্ধ্যার পর ডেকে পাঠানো এবং তাদের কথায় রাজি না হলে নানারকম হয়রানি বা খেসারত দেওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।

যারা মেয়েদের সফল করার স্বপ্ন দেখানোর কথা বলেন, তাদের অনেকেই মূলত সন্ধ্যার পর চা বা কফি পানের সঙ্গী খুঁজতেই এমনটা করেন বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

নিরাপত্তার চরম অভাব ও প্রশাসনের অসহযোগিতার এক ভয়াবহ চিত্রও তার কথায় উঠে আসে।

রাতের তিনটায় বৃষ্টির মধ্যে পিঠে ৫০ লাখ টাকা নিয়ে তিনি বাইক চালিয়েছেন, যা করতে একজন ছেলেও হয়তো সাহস পেত না। অথচ এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কাছে গেলে তারা সমাধানের বদলে আপস করার পরামর্শ দেয় এবং প্রভাবশালীদের সাথে একটু বসে কফি খাওয়ার কথা বলে।

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে থাইল্যান্ড ও বালিতে ব্যবসায়ের কাজে গিয়েও তিনি বাংলাদেশের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের হেনস্থার শিকার হয়েছেন। সেখানে তার ফ্যাক্টরি থাকার কথা জেনে তাকে ফোন দিয়ে সন্ধ্যার পর খাবারের আয়োজন করতে বলা হয়েছিল।

এমনকি তার সাথে থাকা এক মেয়ে কর্মীকে অনৈতিকভাবে খুশি করার প্রস্তাব দেওয়ায় আসমা আক্তার সেই প্রভাবশালীর গায়ে হাত তুলতেও পিছপা হননি।

© Ibrahim Bin Elias

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ৩]রুহ আর দেহ পরস্পর সংযুক্ত। একের প্রভাবে আরেকটি প্রভাবিত হয়। সকল মানসিক ব্যাধির এই দুটো ডাই...
10/04/2026

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ৩]

রুহ আর দেহ পরস্পর সংযুক্ত। একের প্রভাবে আরেকটি প্রভাবিত হয়। সকল মানসিক ব্যাধির এই দুটো ডাইমেনশন আছে। বস্তুবাদী বিজ্ঞান কেবল মনের শরীরী অংশটার (ব্রেইন, নার্ভ, নিউরোট্রান্সমিটার) চিকিৎসা করে। মনের অশরীরী অংশ (রুহ, নফস) বস্তুবাদ অস্বীকার করে, বস্তুবাদী বিজ্ঞান ধর্তব্য মনে করেনা।

ডিপ্রেশন কাটানোর বস্তুবাদী পদ্ধতিগুলোর একটা হল, খোলা হাওয়ায় হাঁটা (Aerobic exercise)। সবারই এটা প্রয়োজন। যারা পুরুষত্বহীনতায় ভুগছেন, তাদের আরও বেশি দরকার।

রাত দশটায় ঘুমান, তাহাজ্জুদে উঠুন। তাহাজ্জুদ পড়ে ফজর পড়ে হাঁটুন। জোর করে না, উপভোগ করে হাঁটুন। বিবিসাহেবাকে নিয়ে হাঁটতে পারেন। আপনার অক্ষমতা ওনাকেও স্ট্রেসে রেখেছে। হাঁটুন, গল্প করুন। হাঁটাহাঁটির একটা সার্কেলও মেইনটেইন করতে পারেন, যাদের সাথে হাঁটবেন রোজ।

একটু জোরে, হাত-পা খেলিয়ে হাঁটুন। যাতে গা টা একটু ঘামে। ঘণ্টাখানেক হাঁটুন। বিপদ কাটিয়ে সফল হয়েছেন, এমন একজন ভায়ের কমেন্ট:
"ফজরের পরে কয়েক মিনিট হাঁটা আর কয়েক মিনিট দৌড়, মানে দৌড়ে দৌড়ে ক্লান্ত হয়ে গেলে কয়েক মিনিট হেঁটে নিয়ে আবার দৌড়। মাঝারী গতির দৌড়। এভাবে করে আধাঘন্টা থেকে চল্লিশ মিনিট হাঁটা আর দৌড়। আর কিচ্ছু লাগেনি। সবকিছু সেরে গেছে। এলোপ্যাথি, হোমিও, হামদর্দ সবকিছু ফেল মারলেও দৌড়ে দৌড়ে সব ফিরে পেয়েছিলাম। এখন অবশ্য দৌড়ানো হয়না, কিন্তু রোজা করা হয়। কখনো একটু সমস্যা মনেহলে রোজার সংখ্যা বাড়িয়ে দিলেই ফিট ইনশাআল্লাহ"।

এক তো ডিপ্রেশন কাটবে। স্ট্রেস হরমোনগুলো নিউট্রালাইয হবে। আর দুই হল, টেস্টোস্টেরোন বাড়তে থাকবে। অর্থাৎ যাদের যৌন-ইচ্ছা কম (টেস্টোস্টেরোন হরমোন যৌনচাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে), তাদেরও বিরাট লাভ। মাঝারি ব্যায়াম-দৌড়ঝাঁপ টেস্টোস্টেরোন বাড়ায়। গিয়ে গরম পানিতে একটা গোসল করবেন, মনে করেন শরীর ঝরঝরা হয়ে গেল।

শরীর ঝরঝরে মানে মনও ঝরঝরে। এভাবেই দেখবেন কাটিয়ে উঠেছেন সমস্যা।
সবচেয়ে জরুরি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক। আল্লাহর সাথে একটা সম্পর্কের টান যে ফীল করে, শত বিপদেও সে স্ট্রেস অনুভব করে না। আলাদা পোস্ট হবে ইনশাআল্লাহ।

©মিলনতত্ত্ব

📌শেষ পর্ব আগামীকাল পাবেন।

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ২]ধূমপান ছাড়ুন।যদিও সিগারেটের নিকোটিন সাময়িক আনন্দানুভূতি দেয়। কিন্তু ডিপ্রেশন কাটানোর জন্য ...
07/04/2026

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ২]

ধূমপান ছাড়ুন।

যদিও সিগারেটের নিকোটিন সাময়িক আনন্দানুভূতি দেয়। কিন্তু ডিপ্রেশন কাটানোর জন্য ধূমপান ডিপ্রেশন আরও বাড়িয়ে দেয়। বিষণ্ন অবস্থাকে আরও বিষণ্ন করে তোলে।

উৎসাহ দেবার জন্য বলছি। আমি এসএসসি'র পর থেকে ১০ বছর ধূমপান করেছি। আল্লাহর রহমতে গত ৬ বছর ১টিও খাইনি। ধূমপান ডিপ্রেশন বাড়ায়। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন রিসার্চও রয়েছে। বিষণ্নতা শেষমেশ আপনার যৌনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে।

এবং ধূমপান ছাড়ার জন্য কোনো রিপ্লেসমেন্ট (সিগারেটের বদলে অন্যকিছু) ফলপ্রসূ না৷ প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি আর আল্লাহর সাহায্য আপনাকে এ থেকে বাঁচাতে পারে। ধূমপান ছাড়তে পারলে যে ফুরফুরে ফ্রেশ স্বাধীন-স্বাধীন ফিলিংস, সেটা আপনার সমস্যাকে সলভ করবে অনেকখানি। গন্ধহীন মুখ, গন্ধহীন শরীর আপনাকে স্ত্রীর সামনে আরও কনফিডেন্ট করে তুলবে।

এভাবে টার্গেট নিন। দশদিন একটাও খাবেন না। এরপর আরও দশদিন বাড়ান। এরপর ভাবুন, ১০/২০ দিন যেহেতু সিগারেট ছাড়া থাকতে পেরেছি, অতএব বাকি জীবনও পারবো। আল্লাহর কাছে দুআ করুন। সদকা করে দুআ করুন।

এছাড়া ধূমপান করলে ধমনীর দেয়াল শক্ত হয়ে যায় (arterisclerosis), ধমনীর নমনীয়তা নষ্ট হয়। ফলে ব্লাডপ্রেসার বাড়ে। আমাদের লিঙ্গ রক্তনালী দিয়ে তৈরি, এটা কোনো পেশী না।

রক্তনালী রক্তে ভরে শক্ত হয়, রক্ত বেরিয়ে গেলে নরম হয়। সুতরাং রক্তনালীর যেকোনো সমস্যায় যৌন-অক্ষমতা হতে পারে। ধূমপান রক্তনালীর সমস্যা তৈরি করে। ফলে আজ হোক কাল হোক, আপনি যৌন অক্ষমতায় ভুগবেন।

সুতরাং যৌনজীবনে অজেয় খেলোয়াড় হতে ধূমপান ত্যাগ করুন।

©মিলনতত্ত্ব

📌 পরবর্তী পর্ব আগামীকাল পাবেন।

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ১]প্রতিটি পুরুষ মানুষেরই জীবনে এক বা একাধিকবার এই এপিসোড আসতে পারে কয়েকদিনের জন্য, কয়েক মাসে...
06/04/2026

📌লিঙ্গ শক্ত হচ্ছে না? [পর্ব ১]

প্রতিটি পুরুষ মানুষেরই জীবনে এক বা একাধিকবার এই এপিসোড আসতে পারে কয়েকদিনের জন্য, কয়েক মাসের জন্য।

সমস্যাটা যেটা হয়। আমরা স্ত্রীর কাছে অপমানিত ফীল করি। মন খারাপ হয়। আতঙ্ক ও মন খারাপের দরুন শারীরিক প্রকাশ হিসেবে পরের বারও ব্যর্থ হই। এভাবে বার বার হলে আরও আতঙ্কিত হই, ডিপ্রেশনে চলে যাই।

ডিপ্রেশন হয়েছে বলে ডিপ্রেশনের শারীরিক প্রকাশ হিসেবে বার বার ব্যর্থ হতে থাকি। এটা একটা দুষ্টচক্র (vicious cycle)। এখান থেকে বের হতে হলে চক্রটা ভাঙতে হবে। এই চক্র থেকে বেরোতে হবে।

দেহ চলে দেহের নিয়মে। এখানে আপনার কিসসু করার নাই। তবে মনের ক্ষেত্রে আপনার কিছু করার আছে।

১. স্ত্রীর পূর্ণ যৌনজ্ঞান থাকা জরুরি। যাতে আপনি অপমান ফীল না করেন। এটা যে স্বাভাবিকভাবেই মাঝেসাজে হতেই পারে, এমন বড় কিছু না, এটা স্ত্রীর জানতে হবে।

২. একটা সেক্স সেশনে লিঙ্গ দাঁড়ালো না। সেই সেশনে স্ত্রীকে অতৃপ্ত রেখে আসবেন না। ভগাংকুর নেড়ে, যোনিতে আঙুল প্রবেশ করিয়ে তাঁর অর্গাজম ঘটিয়ে ছাড়বেন। এই ভুলটা আমরা করি, স্ত্রীকে রেখে টেনশনে শুয়ে পড়ি।

ফলে প্রতিটা প্রচেষ্টায় আমাদের ডিপ্রেশন আরও বাড়ে। এমনকি চেষ্টা করতেও ভয় লাগে। বুড়ো আঙুলটা তো লিঙ্গের কাছাকাছি মোটা। ওটা ব্যবহার করুন। প্রতি সেশনে স্ত্রীকে সুখ পেতে দেখলে আপনার হীনম্মন্যতাটা অতটা গাঢ় হবে না। আমার দাঁড়াচ্ছে না, কিন্তু বউ তো মজা পাচ্ছে।

৩. আতঙ্কিত হবেন না। আতঙ্কের কিছু হয় নাই। হয়ত কোনো কিছু নিয়ে টেনশন করেছেন। হয়ত অফিসে কোনো সমস্যা চলছে। হয়ত ঘুমটা বা হাগুটা ক্লিয়ার হচ্ছে না। ঠিক হয়ে যাবে। এক দেড় মাস পরও ভাববেন: এটা হতেই পারে। ঠিক হয়ে যাবে। 'ঠিক হয়ে যাবে' ভাবলে আসলেই ঠিক হয়ে যাবে। 'আর কোনোদিন হবে না' ভাবতে থাকলে এটাই বাস্তবে হয়ে যাবে। সুতরাং সাবধান।

📌পরবর্তী পর্ব আগামীকাল পাবেন।

মেয়েদের চেহারা যে সুন্দর হওয়া কি important তা টের পাচ্ছেন? তার দ্বায়িত্ব ফাহিম আল চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি নিয়েছে। কেন? কা...
04/04/2026

মেয়েদের চেহারা যে সুন্দর হওয়া কি important তা টের পাচ্ছেন? তার দ্বায়িত্ব ফাহিম আল চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি নিয়েছে। কেন? কারণ সে ভাইরাল। সে মেয়েটার মতো ফ্যাকাসে রঙের রাস্তায় অনেক ফুল বিক্রেতাকে কিন্তু ফুল বলা হয়না - বিরক্ত করে বলে বকাবকি ও করা হয়।

অনেকের পরিবারেও এরকম কত বৈষম্য হয়। জাস্ট বিকজ তোমার অন্য সিবলিং তোমার থেকে বেশি সুন্দর তাই সব থেকে সুন্দর ড্রেসটা তাকে এনে দেয়া হয়। কারন তোমাকে তো এমনিও কোনো কিছুতে সুন্দর লাগে না।

শ্যামলা বা কম সুন্দর চেহারার কিংবা ভাইরাল না হওয়া মেয়েটাকে কেউ ফুলও বলবে না আবার তাকে কেউ আগলেও রাখেনা, বা তার খোঁজ খবর ও কেউ রাখেনা। স্বার্থপর এই মহাবিশ্বে কুৎসিত হওয়াই বোধহয় পাপ, দৃষ্টিভঙ্গির আদালতে।

☞ আবার ভাইবেন নাহ যে আমি এই মেয়েটার জন্য খুশি নাহ। অবশ্যই খুশি,মেয়েটা এখন সুন্দর একটা পরিবেশ পাবে।

কিন্তু রাস্তায় এরকম অনেক মেয়ে দেখি, ওর মতোই ফুল বিক্রি করে, বা রাস্তায় খালি বোতল টোকায় বা ময়লা তুলে। বিত্তশালী দের কাছে একটাই রিকোয়েস্ট যে আপনারা যেই পদক্ষেপ টা এই মেয়েটার জন্য নিলেন ঠিক তেমন ভাবেই বাকিদের জন্য নিবেন, তাহলেই দেশ টা এগিয়ে যাবে।

©মিলনতত্ত্ব #মিলনতত্ত্ব

Address

Dhaka
1000

Website

https://www.facebook.com/DesireShop.MilonTotto/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category