15/11/2025
নানান দেশের রীলস সামনে আসে আজকাল। হুট করে সামনে আসলো এমন একটা রীল যেখানে একজন মা বাচ্চাকে কাশির উপশম হিসেবে পেয়াজ ও মধু একসাথে খাওয়াচ্ছে! কেন? কিভাবে এই দুইটা একসাথে কাজ করবে? আপনাদের মত আমার ও একই প্রশ্ন ছিলো। আসুন জানি একটু বিস্তারিত -
পেয়াজ + মধু—এই দু’টি একসাথে খেলে ঠান্ডা-কাশিতে কাজ করে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং কফ ঢিলা করার (expectorant) ক্ষমতার জন্য।
✅ কেন কাজ করে?
১) পেঁয়াজে থাকা Sulfur compounds
পেঁয়াজে থাকে Quercetin, Allicin ও sulfur compounds, যেগুলো—
শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়
নাক–গলা পরিষ্কার করে
কফ পাতলা করতে সাহায্য করে
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও কিছুটা কমায়
➡️ তাই সর্দি-কাশি, গলা বসে যাওয়া, নাক বন্ধ–এ কাজে দেয়।
২) মধু যেভাবে কাজ করে -
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা
গলার উপর soothing coating তৈরি করে
খুসখুসে কাশি কমায়
রাতে কাশির তীব্রতা কমায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) কিছুটা বাড়ায়
➡️ বিশেষ করে শুকনো/ড্রাই কাশিতে খুব কার্যকর।
৩) দু’টি একসাথে খেলে Synergistic effect -
পেঁয়াজের anti-inflammatory + expectorant প্রভাব
+মধুর soothing + antimicrobial প্রভাব
✔ গলা ব্যথা কমে
✔ কাশি কমে
✔ কফ সহজে বের হয়
✔ নাক–গলা খুলে আসে
✅ কিভাবে সাহায্য করে?
ঠান্ডায় (Common cold)
নাক বন্ধ কমায়
মাথা ভার হওয়া কমায়
গলার প্রদাহ (sore throat) কমায়
কফকে পাতলা করে সহজে বের করে (onion)
গলা ঘর্ষণ কমায় (honey)
কাশির ফ্রিকোয়েন্সি কমায়
✅ কিভাবে খাবেন?
পদ্ধতি-১:
১ চা চামচ মধু + ১ চা চামচ কাঁচা পেঁয়াজের রস
→ দিনে ১–২ বার
পদ্ধতি-২:
কুচানো পেঁয়াজে সামান্য মধু মিশিয়ে ২০–৩০ মিনিট রেখে রস বের হলে
→ ১ চামচ করে নেওয়া যেতে পারে
⚠️ যাদের খাওয়া উচিত না
১ বছরের নিচে শিশু
গ্যাস্ট্রিক খুব বেশি থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ সমস্যা করতে পারে
মধুতে অ্যালার্জি থাকলে
ডায়াবেটিস রোগীদের বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক না