HealthYou

HealthYou How to stay Full, Smart & Fit… I’ve got you covered!

15/11/2025

নানান দেশের রীলস সামনে আসে আজকাল। হুট করে সামনে আসলো এমন একটা রীল যেখানে একজন মা বাচ্চাকে কাশির উপশম হিসেবে পেয়াজ ও মধু একসাথে খাওয়াচ্ছে! কেন? কিভাবে এই দুইটা একসাথে কাজ করবে? আপনাদের মত আমার ও একই প্রশ্ন ছিলো। আসুন জানি একটু বিস্তারিত -

পেয়াজ + মধু—এই দু’টি একসাথে খেলে ঠান্ডা-কাশিতে কাজ করে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং কফ ঢিলা করার (expectorant) ক্ষমতার জন্য।

✅ কেন কাজ করে?
১) পেঁয়াজে থাকা Sulfur compounds
পেঁয়াজে থাকে Quercetin, Allicin ও sulfur compounds, যেগুলো—
শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়
নাক–গলা পরিষ্কার করে
কফ পাতলা করতে সাহায্য করে
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও কিছুটা কমায়

➡️ তাই সর্দি-কাশি, গলা বসে যাওয়া, নাক বন্ধ–এ কাজে দেয়।

২) মধু যেভাবে কাজ করে -
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা
গলার উপর soothing coating তৈরি করে
খুসখুসে কাশি কমায়
রাতে কাশির তীব্রতা কমায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) কিছুটা বাড়ায়

➡️ বিশেষ করে শুকনো/ড্রাই কাশিতে খুব কার্যকর।

৩) দু’টি একসাথে খেলে Synergistic effect -
পেঁয়াজের anti-inflammatory + expectorant প্রভাব
+মধুর soothing + antimicrobial প্রভাব
✔ গলা ব্যথা কমে
✔ কাশি কমে
✔ কফ সহজে বের হয়
✔ নাক–গলা খুলে আসে

✅ কিভাবে সাহায্য করে?
ঠান্ডায় (Common cold)
নাক বন্ধ কমায়
মাথা ভার হওয়া কমায়
গলার প্রদাহ (sore throat) কমায়
কফকে পাতলা করে সহজে বের করে (onion)
গলা ঘর্ষণ কমায় (honey)
কাশির ফ্রিকোয়েন্সি কমায়

✅ কিভাবে খাবেন?

পদ্ধতি-১:
১ চা চামচ মধু + ১ চা চামচ কাঁচা পেঁয়াজের রস
→ দিনে ১–২ বার

পদ্ধতি-২:
কুচানো পেঁয়াজে সামান্য মধু মিশিয়ে ২০–৩০ মিনিট রেখে রস বের হলে
→ ১ চামচ করে নেওয়া যেতে পারে

⚠️ যাদের খাওয়া উচিত না
১ বছরের নিচে শিশু
গ্যাস্ট্রিক খুব বেশি থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ সমস্যা করতে পারে
মধুতে অ্যালার্জি থাকলে
ডায়াবেটিস রোগীদের বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক না

10/10/2025

📅 আজকে বিশ্ব ডিম দিবস (World Egg Day)
ডিম শুধু একটি সাধারণ খাবার নয়, এটি একটি “নিউট্রিশন পাওয়ার হাউস”
ডিমের উপকারিতা — বিজ্ঞান যা বলে:
🧠 উচ্চমানের প্রোটিন — ডিমে রয়েছে সব ধরণের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড যা পেশি গঠনে সহায়তা করে।
🩸 ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরপুর — ডিমে আছে ভিটামিন D, B12, B2, ফসফরাস ও সেলেনিয়াম যা হাড়, ত্বক ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য দারুণ উপকারী।
👁️ চোখের জন্য ভালো — ডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন চোখকে বয়সজনিত সমস্যা থেকে সুরক্ষা দেয়।
🧬 ব্রেইন হেলথ — ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্ক ও নার্ভ সিস্টেমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

❌ ডিম নিয়ে কিছু প্রচলিত মিথ ও আসল সত্য:
❌ “ডিম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়” → ✅ রিসেন্ট গবেষণা অনুযায়ী, বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে ডিমের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ে এবং হার্টের ক্ষতি করে না।
❌ “ডিম খেলে মোটা হয়ে যায়” → ✅ ডিমে প্রোটিন ও হেলদি ফ্যাট আছে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
❌ “ডিম শুধু ব্রেকফাস্টে খাওয়া যায়” → ✅ ডিম দিনের যেকোনো বেলায় খাওয়া যায় — সালাদ, স্ন্যাকস বা মেইন কোর্স হিসেবে।

নতুন গবেষণা অনুযায়ী:
✅প্রতিদিন ১টা করে ডিম খাওয়া হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি বাড়ায় না, বরং পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।
✅যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য ডিম লিন প্রোটিন সোর্স হিসেবে দারুণ উপকারী।

🥚 ডিম খাওয়ার কিছু টিপস:
🥦 সেদ্ধ বা পোচ ডিম সবচেয়ে হেলদি অপশন
🧂 বেশি তেল বা মাখন ছাড়া রান্না করুন
🍳 ডিমের সাথে শাকসবজি মিশিয়ে খেলে পুষ্টিমান বেড়ে যায়
তাই আজকের দিনে ডিমকে ভয় না পেয়ে প্লেটে জায়গা দিন!
“একটা ডিম – প্রতিদিন, শক্তি বাড়ে অনায়াসে” 🥚💪

#ডিম

28/09/2025

✨ ওজন কমাতে গিয়ে হঠাৎ স্টাক হয়ে গেল?

ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই একটা পর্যায়ে এসে স্টাক বা প্লাটু হয়ে যায়। মানে, ডায়েট মেনে চললেও আর ওজন কমছে না। এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সমাধান আছে! 👇

✅ ১. ক্যালোরি এডজাস্ট করুন
একই ডায়েট অনেকদিন চালালে শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়। তাই মাঝে মাঝে সামান্য ক্যালোরি কমানো বা বাড়ানো প্রয়োজন।

✅ ২. প্রোটিন বাড়ান
ওজন কমাতে গেলে পেশী ধরে রাখা জরুরি। পর্যাপ্ত প্রোটিন (ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল) খেলে মেটাবলিজম বাড়ে।

✅ ৩. ব্যায়াম এ বৈচিত্র আনুন
শুধু হাঁটা নয়—স্ট্রেংথ ট্রেনিং, কার্ডিও, যোগা বা HIIT যোগ করুন। শরীরকে চমকে দিন!

✅ ৪. পানি ও ঘুম ঠিক রাখুন
পানি কম খাওয়া ও ঘুমের অভাব মেটাবলিজম স্লো করে দেয়। প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম নিন।

✅ ৫. স্ট্রেস ম্যানেজ করুন
স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল ওজন কমাতে বাধা দেয়। মেডিটেশন, বই পড়া বা পছন্দের কাজে সময় দিন।

✅ ৬. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান
শাক-সবজি, ফল, ওটস, ডাল—এসব খাবার পাচনতন্ত্র ভালো রাখে ও বেশি সময় পেট ভরা রাখে।

✅ ৭. স্ন্যাকস রিভিউ করুন
“হেলদি” লেবেল দেওয়া অনেক খাবারেও লুকানো চিনি ও ক্যালোরি থাকে। তাই ছোট ছোট স্ন্যাকসের দিকে খেয়াল রাখুন।

✅ ৮. একদিন রিফিড দিন
কখনও কখনও একদিন সামান্য বেশি ক্যালোরি (যেমন ফল, হোলগ্রেইন বা প্রিয় খাবার) খেলে শরীরের মেটাবলিজম আবার ত্বরান্বিত হয়। (অবশ্যই নিউট্রিশনিস্ট এর পরামর্শ মত)

✅ ৯. শরীরের মাপ দেখুন, শুধু ওজন নয়
ওজন না কমলেও কোমর, হিপ, বাহু—এলাকার মাপ কমছে কি না খেয়াল রাখুন। অনেক সময় ফ্যাট কমে কিন্তু পেশী বাড়ায় ওজন অপরিবর্তিত থাকে।

✅ ১০. নিয়মিত থাকুন, হাল ছাড়বেন না
ওজন কমানো একটি লং-টার্ম জার্নি। প্রতিদিন সামান্য উন্নতি একটা সময় গিয়ে বড় ফল দেয়।

👉 মনে রাখবেন, প্লাটু ভাঙতে ছোটখাটো পরিবর্তনই যথেষ্ট। ধৈর্য, সচেতনতা ও লাইফস্টাইলের সঠিক ভারসাম্য আপনাকে আবারও এগিয়ে নেবে।

04/09/2025

🥚 হাই ব্লাড প্রেশার থাকলেও ডিম খাওয়া যাবে কি?

অনেকেই মনে করেন ডিম খেলে ব্লাড প্রেশার বেড়ে যায়। আসলে বিষয়টা পুরোপুরি সঠিক নয়।

✅ ডিম একটি সুপারফুড – এতে উচ্চ মানের প্রোটিন, ভিটামিন B12, ভিটামিন D, আয়রন, জিঙ্ক এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে, যা শরীরের জন্য খুবই দরকারি।

হাই ব্লাড প্রেশার রোগীদের জন্য ডিম খাওয়ার নিয়মঃ

✅প্রতিদিন ১টা পুরো ডিম (১টা কুসুমসহ) খাওয়া নিরাপদ।
✅চাইলে কুসুম বাদ দিয়ে ২–৩টা সাদা অংশ (egg white) খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রোটিন বেশি, ফ্যাট কম।
✅সিদ্ধ বা পানি পোচ করা ডিম বেস্ট অপশন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে ভাজা ডিম এড়িয়ে চলা ভালো।

❌বিফ, খাসি, ডিপ ফ্রাইড খাবার যেগুলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট বেশি, সেগুলোই আসলে হাই BP-এর জন্য বেশি ক্ষতিকর — ডিম নয়।

🤔কেন ডিম খাওয়া উচিত?

✅প্রোটিন শরীরের পেশী শক্তি ও এনার্জি বাড়ায়।
✅ডিমে থাকা ওমেগা-৩ হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর জন্য উপকারী।
✅কোলিন (Choline) মস্তিষ্ক ও মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে।
👉 তাই, হাই ব্লাড প্রেশার থাকলেও সম্পূর্ণ ডিম খাওয়া যেতে পারে — তবে পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ রেখে, আর সঠিকভাবে রান্না করে।

23/08/2025

" ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং " বর্তমানের সবথেকে বেশি চর্চিত ও জনপ্রিয় একটি উপায় ওজন কমানো ও সুস্থতার জন্য!
কিন্ত নারীদের ক্ষেত্রে কি সবসময় এই ফাস্টিং করা উচিত বা করা যায়? আজকে জানবো মাসের কোন কোন সময়ে ফাস্টিং করা যেতে পারে এবং কোন কোন সময়ে ফাস্টিং এর সময় কমিয়ে আনতে হবে বা করা যাবে না।

📅 ফাস্টিং করতে পারবেন যে সকল সময়ে-

*মাসিকের প্রথম ১০ দিন (মাসিক + প্রাইমারি ফলিক্যুলার ফেজ) :
✅ এই সময়কালে Intermittent Fasting (১৩-১৫ ঘণ্টা) করা যেতে পারে এবং সপ্তাহে ১ বার ২৪ ঘণ্টার ফাস্টিং ও করা যেতে পারে।
✅ শরীর এই সময় ইনসুলিন সেন্সিটিভ থাকে এবং ইস্ট্রোজেন হরমোন বাড়তে থাকে, তাই ফাস্টিং করা সহজ হয়।

*মাসিকের ১১-১৫ দিন (ওভুলেশন ফেজ):
✅ এই সময় ফাস্টিং করা যেতে পারে , তবে পরিমিত হওয়া ভালো।
✅ ইস্ট্রোজেন হরমোন একদম হাই থাকে ফলে ফ্যাট বার্নিং ভালো হয় এবং সাধারণত ক্ষুধা কম লাগে।

🚫 নারীদের কখন ফাস্টিং করা উচিত নয়:

মাসিকের ১৬-২৮ দিন (লুটিয়াল ফেজ):
❌ এই সময় দীর্ঘক্ষণ ফাস্টিং করা উচিত নয়।
❌ প্রোজেস্টেরন হরমোন বাড়তে থাকে, তাই শরীরের হরমোন ব্যালেন্সের জন্য বেশি ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন হয়।
✅ এই সময় কম সময়ের জন্য ফাস্টিং করা যেতে পারে (১২-১৩ ঘণ্টা) অথবা একদমই না করা ভালো, বিশেষ করে মাসিকের ৫-৭ দিন আগে।

📍 বিশেষ ক্ষেত্রসমূহ:
⛔গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী → ফাস্টিং করা উচিত না ( steady nutrients প্রয়োজন)।

⛔যদি মাসিক অনিয়মিত হয় বা বন্ধ থাকে → যতক্ষণ না পর্যন্ত হরমোন ব্যালেন্স ফিরে আসে, ততক্ষণ কম সময়ের জন্য ফাস্ট করা যেতে পারে।

⛔পেরিমেনোপজ / মেনোপজ → এই সময় ফাস্টিং করা যেতে পারে কারণ সাইকেল হরমোনগুলি ততটা প্রভাবশালী থাকে না।

- তাসমিয়া আফসিন


#ডায়েটিশিয়ান_পরামর্শ #নারীস্বাস্থ্য

11/08/2025

*সীজনাল জ্বর হলে কী খাবেন এবং কেন?**

মৌসুম বদলের সময় জ্বর হওয়াটা খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। এই সময় শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই, সঠিক খাবার খাওয়া শরীরকে দ্রুত সুস্থ করতে সাহায্য করে। এমন জ্বর হলে কী কী খাবেন, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. **ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার:**
* **কারণ:** ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
* **কী খাবেন:** কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকী, স্ট্রবেরি এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফল ও সবজি।

২. **আদা ও মধু:**
* **কারণ:** আদার মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা গলা ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। মধু কাশি কমাতে সহায়ক।
* **কীভাবে খাবেন:** আদা কুচি করে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন অথবা আদা চা পান করতে পারেন।

৩. **রসুন:**
* **কারণ:** রসুনে অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
* **কীভাবে খাবেন:** রসুন কাঁচা খেতে পারেন অথবা তরকারিতে ব্যবহার করতে পারেন। রসুনের স্যুপও খুব উপকারী।

৪. **broth বা স্যুপ জাতীয় খাবার:**

* **কারণ:** গরম স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং পুষ্টি চাহিদা পূরন করে, একই সাথে এটি হজম করাও সহজ।
* **কী খাবেন:** চিকেন স্যুপ, ভেজিটেবল স্যুপ, এগ স্যুপ ইত্যাদি।

৫. **প্রোবায়োটিক খাবার:**
* **কারণ:** প্রোবায়োটিক খাবার হজমক্ষমতা বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।
* **কী খাবেন:** দই, ইয়োগার্ট, কিমচি ইত্যাদি।

৬. **ফল ও সবজি:**
* **কারণ:** ফল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে।
* **কী খাবেন:** সবুজ শাকসবজি, গাজর, মিষ্টি আলু, আপেল, কলা ইত্যাদি।

৭. **ডাবের পানি / স্যালাইন / শরবত / ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক্স:**
* **কারণ:** ডাবের পানিতে ও উপরোক্ত পানীয় গুলোতে প্রচুর পরিমাণে ইলেকট্রোলাইট থাকে, যা শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
* জ্বরের সময় শরীর দুর্বল হয়ে যায়, তাই এগুলো শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

৮. **তুলসী পাতা:**
* **কারণ:** তুলসী পাতায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
* **কীভাবে খাবেন:** কয়েকটি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা তুলসী চা পান করতে পারেন।

৯. **পর্যাপ্ত পানি পান করুন:**
* **কারণ:** জ্বর হলে শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়, তাই ডিহাইড্রেশন এড়াতে প্রচুর পানি পান করা উচিত।
* দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

**যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত:**
* ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার: এই ধরনের খাবার হজম করতে অসুবিধা হয় এবং শরীরকে দুর্বল করে তোলে।
* প্রক্রিয়াজাত খাবার: প্রক্রিয়াজাত খাবারে পুষ্টি উপাদান কম থাকে এবং এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
* অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার: মিষ্টি খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

সীজনাল জ্বর হলে সঠিক খাবার গ্রহণ করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি। যদি জ্বর বেশি হয় বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

27/07/2025

🔥 পোড়ার রোগীর জন্য “Burn Recovery Super Shake” 🥛

“Burn Recovery Super Shake” হলো পোড়া রোগীর জন্য একটি উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালোরিযুক্ত, সহজে হজমযোগ্য এবং মুখে স্বাদযুক্ত পুষ্টিকর পানীয়। এটি দ্রুত আরোগ্য প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে, ক্ষত সারাতে সহায়তা করে এবং দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে অত্যন্ত কার্যকর।

🔳 উপকরণ:

ফুল ফ্যাট দুধ বা গুঁড়া দুধ মিশানো দুধ — ১ কাপ

সেদ্ধ করা ডিমের সাদা অংশ — ১টি

পাকা কলা — ১টি (মিষ্টি ও ভিটামিনের উৎস)

খেজুর — ২টি (প্রাকৃতিক মিষ্টি)

পিনাট বাটার — ১ চা চামচ (প্রোটিন ও শক্তি বাড়াতে)

🔳 প্রস্তুত প্রণালী:

1. ডিমের সাদা অংশ ভালো করে সেদ্ধ করে নিন।

2. ব্লেন্ডারে দুধ, কলা, খেজুর এবং সেদ্ধ ডিমের সাদা অংশ দিন।

3. পিনাট বাটার দিতে চাইলে দিন।

4. সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ শেক তৈরি করুন।

5. ঠান্ডা বা কুসুম গরম পরিবেশন করুন।

6. দিনে অন্তত ২ বার এই শেক খাওয়ানো উচিত।

⭐ কেন এই শেক সবচেয়ে উপকারী?

পোড়া রোগীর শরীরে দ্রুত টিস্যু পুনর্গঠন ও ক্ষয় ক্ষতির প্রতিকার করতে প্রচুর শক্তি ও প্রোটিন দরকার।

এই শেক তাদের জন্য একদম উপযোগী কারণ—

🔺উচ্চ ক্যালোরি সরবরাহ: ১ গ্লাসে ৩০০-৪০০ ক্যালোরি, যা দ্রুত শরীরের শক্তি পূরণ করে।

🔺উচ্চ প্রোটিন: ১৫-২০ গ্রাম প্রোটিন, যা পোড়া ক্ষত দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

🔺সহজে হজম হয়: তরল এবং মসৃণ হওয়ায় মুখে খাওয়া সহজ হয়।

🔺ফলের স্বাদ: রোগীর খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়ায়।

🔺সহজ উপকরণ: বাজার বা ঘরে সহজে পাওয়া যায়।

🟥 অতিরিক্ত টিপস:-
মুখে খাওয়ানো সমস্যা হলে, ন্যাসোগ্যাস্ট্রিক টিউবের মাধ্যমে শেক দেয়া যেতে পারে।

⚠️ সতর্কতা:

পোড়ার তীব্রতা ও রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া অবশ্যক।এই শেকটি পোড়া রোগীর শরীরের দ্রুত পুনরুদ্ধার, শক্তি বৃদ্ধি ও ক্ষত নিরাময়ে উপযোগী।ঠিকমতো ডাক্তারের নির্দেশনা মেনে খাওয়ালে রোগীর জন্য খুবই ভালো ফল আসবে।চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত খাবারে পরিবর্তন বা অতিরিক্ত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

তথ্য সূত্র:Chelsea and Westminster
Hospital

কন্টেন্ট: লুৎফুন নাহার তাইমুম সেতু
পোস্টার: জান্নাতুল মাওয়া তন্নী

27/07/2025
26/07/2025

এই মৌসুমের ফল গাব, যা একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর ফল। এটি বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত।

চলুন জানি গাবের কিছু উপকারীতা সম্পর্কে :
1. **পুষ্টিকর**: গাব ফল প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।
2. **অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট**: এই ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, যা দেহকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।
3. **হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক**: গাব ফলের ফাইবার পরিমাণ বেশি, যা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
4. **ওজন নিয়ন্ত্রণ**: কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবারের কারণে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
5. **রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ**: গাব ফল ইনসুলিন রেসিস্টেন্স বাড়াতে সাহায্য করে।

গাব ফলে প্রতি 100 গ্রাম এ ৬৮ ক্যালরি পাওয়া যায় তাই এটি একটি লো-ক্যালোরি ফল, যা ডায়েটিং এ সাহায্য করবে।
প্রতি 100 গ্রাম গাব ফলে সাধারণত নিম্নলিখিত নিউট্রিয়েন্ট থাকে:
- **কার্বোহাইড্রেট**: 15.5 গ্রাম
- **প্রোটিন**: 1.2 গ্রাম
- **ফ্যাট**: 0.6 গ্রাম
- **ফাইবার**: 3.6 গ্রাম
- **ভিটামিন সি**: 20.5 মিলিগ্রাম (যা দৈনিক চাহিদার প্রায় 34%)
- **পটাসিয়াম**: 348 মিলিগ্রাম

গাব ফল স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর একটি ফল, যা স্বাদেই নয়, বরং পুষ্টি গুণেও সমৃদ্ধ। এটি নিয়মিত খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

07/07/2025

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HealthYou posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram