Ziaur Rahman Al-Amin

Ziaur Rahman Al-Amin 🔴নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শ পেতে আমার পেজে লাইক ও ফলো দিয়ে যুক্ত থাকুন!

🔴আলহামদুলিল্লাহ! বাংলাদেশে হার্টের রিং এর দাম ১৫-৪০% পর্যন্ত কমানো হয়েছে।
05/08/2025

🔴আলহামদুলিল্লাহ!
বাংলাদেশে হার্টের রিং এর দাম ১৫-৪০% পর্যন্ত কমানো হয়েছে।

03/08/2025

🔴 নিকট আত্মীয় কেন ডোনার হবেন না⁉️
---------------------------------------------------

History behind the diagnosis
এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়।

ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন।

পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায় এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।

যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল।

এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না।
এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই।

এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে।

Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না
কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা।

সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট।

ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান।

পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে।

তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?

তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়।

কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।)

এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%, Lymphocyte 90%. ESR= 45.

পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন।
ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

:
নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে।

এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত।

বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,
বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।
*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)
*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)

♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি, ভাগিনা/ভাগিনী থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।

♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।

🔴হার্টে ব্লক হয়েছিল...গিয়েছিলেন দেবি শেঠির কাছে। যদিও কথিত আছে ওনার টীম কেবল অপারেশন করেন, উনি করেন না। যা হোক অপারেশন হ...
02/08/2025

🔴হার্টে ব্লক হয়েছিল...
গিয়েছিলেন দেবি শেঠির কাছে। যদিও কথিত আছে ওনার টীম কেবল অপারেশন করেন, উনি করেন না।
যা হোক অপারেশন হলো।
সফল অপারেশন। দেখতে দেখতে দেশে ফেরার সময় হয়ে গেল।সম্ভবত অপারেশন এর ৮ম দিন।।
এমন সময় পায়ে একটু ব্যথা, ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। দুই পায়েই। প্রথটায় কেউই পাত্তা দেননি। যখন দিলেন ততক্ষণে অনেক দেরি।
পায়ে সাডেন ব্লক হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।Acute Limb ischemia.
সিদ্ধান্ত দেয়া হলো, ডান পা হাটুর নিচে আর বাম পায়ের পাতার গোড়ালির সামনে থেকে কেটে ফেলতে হবে!
রোগীর মেয়ে নিজেও ডাক্তার। বিষয়টা মেনে নিতে পারলেন না। পারবেন কি করে! এসেছেন হার্টের বাইপাস করতে, এখন দুই পা হারানোর ঝুঁকি।
একটা কমপ্লেইন লিখে সরাসরি দেশে ফিরে এলেন।
দেশে ফিরে আমাদের আন্ডারে ভর্তি হলেন। মেডিকেল বোর্ড করলাম। চিকিৎসা শুরু হলো।
না...
পা আর কাটতে হয়নি। তবে পায়ের পাতার কিছু অংশ দু পাশেই হারাতে হয়েছে।
তবুও তিনি মহাখুশি। কারণ তার চাওয়া ছিল কষ্ট হলেও নিজের পায়ে হাটতে চান।
রোগীরা ব্যথা পায়, ডুকরে কাঁদে, নীরবে কাঁদে। আমার এই রোগীর কান্নার শব্দ শুনি নাই। নীরবে শুধু অশ্রু ঝরাতে দেখেছি।
দুটো পা হারাতে হবে এটা তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। কেউই পারা কথা না।
আজ এসেছিলেন প্রায় ৫ বছর পরে। নিজ পায়ে হেটে। সংগী এই বিশেষ জুতা। নিজের বিজনেস নিজেই দেখভাল করছেন। স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করছেন। এতেই যেন শান্তি তার।
গল্পটা আগেই লিখতে পারতাম। রোগী, রোগীর লোকের ভিডিও আগেই আপলোড করতে পারতাম। কিন্তু সাহস পাইনাই। সত্যি বলতে আগ্রহ পাইনি।
দেবি শেঠির কাছে বাইপাস অপারেশন করতে যেয়ে পা হারিয়ে এসেছেন এমন সংবাদ মার্কেট পাবেনা। মানুষ খাবেনা।
ভুল আমাদেরও হয়। হয় জটিলতা। তবে সবচেয়ে বেশি হয় সফলতা বা সাকসেস।
এই সাকসেস এর খবরগুলো এদেশে মার্কেট পায় না। যতটা মার্কেট পায় ভুল চিকিৎসার তকমা পাওয়া বেশিরভাগ জানা জটিলতাগুলো।
চিকিৎসা মানেই কেবল চিকিৎসক নয়। চিকিৎসক কেবল অন্যতম একটা উপাদান। প্রয়োজন দক্ষ নার্স থেকে শুরু করে সকল স্বাস্থ্য সেবক। সবার উপরে প্রয়োজন গুড গভার্নেস যেখানে স্বাস্থ্য খাত অগ্রাধিকার পাবে।
দেশের মানুষ দেশেই চিকিৎসা নিতে চায়। দেশি মুরগী, দেশী পেঁয়াজের মতো প্রয়োজনে বেশি দামে নিতে চায়।
দরকার শুধু তাদের আস্থার জায়গাটা তৈরি করা। এই জায়গাটা তৈরি করতে আন্তরিকতার সাথে সকলের এগিয়ে আসা জরুরি।
শুধুমাত্র চিকিৎসকের উপর অঙ্গুলি তুলে নিজের দায় শোধ করা যায় না।

ডা.সাকলাইন রাসেল

🔴বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা সম্ভব, শুধু দরকার মূল্যায়ন।অভিনন্দন টিম প্রধান চিকিৎসক ডা.কামরুল ইসলাম মামুন ও সংশ্ল...
02/08/2025

🔴বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা সম্ভব, শুধু দরকার মূল্যায়ন।অভিনন্দন টিম প্রধান চিকিৎসক ডা.কামরুল ইসলাম মামুন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে। এগিয়ে যাক বাংলাদেশ ❤️❤️🇧🇩

এই ভদ্রলোককে তোমরা সবাই চিনো কিন্তু ওনার ফেস দিয়ে চেনোনা। রক্ত সঞ্চালন অধ্যায়ে যে পড়ো, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম হার্টমেট-৩ না...
02/08/2025

এই ভদ্রলোককে তোমরা সবাই চিনো কিন্তু ওনার ফেস দিয়ে চেনোনা। রক্ত সঞ্চালন অধ্যায়ে যে পড়ো, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম হার্টমেট-৩ নামের মেকানিকাল হার্ট স্থাপন করেছেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির।
উনিই সেই জাহাঙ্গীর কবির, আজ নতুনভাবে আলোচনায় এসেছেন জামাতের আমিরের ওপেন হার্ট/বাইপাস সার্জারী করে। ৪ টা বাইপাস লাগছে জামাতের আমিরের,যা আল্লাহর রহমতে ভালোভাবে সম্পন্ন করেছেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির।

এই পর্যন্ত উনি ২৯০০০+ হার্ট সার্জারী করেছেন,চিন্তা করা যায়! ২৯ হাজার+। শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে এমবিবিএস পাশ করার পর শুরু হয় তার ডাক্তারি জীবন।

এমন দক্ষ অনেক ডাক্টার আমাদের দেশে রয়েছেন নেই শুধু ভালো সিস্টেম/ম্যানেজমেন্ট কিংবা প্রোপার টেকনোলজি। দিনশেষে সেই সিস্টেম এর দোহাই দিয়ে দক্ষ ডাক্টাররাও হারিয়ে যায় কিংবা হয়ে যায় আনপ্রফেশনাল।এই সিস্টেমকে ঠিক করার প্রধান দায়িত্ব তো রাজনীতিবিদদের, তাহলে হয়তো এমন অসংখ্য জাহাঙ্গীর কবিরকে আমরা পাবো।

জন্ডিসের অচিকিৎসা‼️জন্ডিস হাওয়ার পর 'লিভার পরিষ্কার' করার আজব চিকিৎসা নেওয়ার পর পুরো চামড়া পুড়ে রীতিমত ক্ষত বানিয়ে হাসপা...
01/08/2025

জন্ডিসের অচিকিৎসা‼️
জন্ডিস হাওয়ার পর 'লিভার পরিষ্কার' করার আজব চিকিৎসা নেওয়ার পর পুরো চামড়া পুড়ে রীতিমত ক্ষত বানিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কবিরাজ মহাশয়।
এসব অপচিকিৎসা এবং অসচেতনতা আমাদের দেশে এখনও চলছে।
জন্ডিস হলে আতংকিত না হয়ে আপনার কাছের উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে যান, যদি সমস্যা জটিল হয়ে থাকে তাহলে সেখান থেকেই আপনাকে পরবর্তী কোথায় যেতে হবে সেই পরামর্শও পাবেন।
অপচিকিৎসা, কবিরাজি, বনাজী এগুলো থেকে বিরত থাকুন।

#অপচিকিৎসা #জন্ডিস #স্বাস্থ্যবিধি #ডাক্তারের_পরামর্শ

25/07/2025

🧯 দুর্ঘটনাবশত শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে করণীয় 🔥
(হাসপাতালে আসার আগ পর্যন্ত)

🔥 পুড়লে আতঙ্কিত না হয়ে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

1. প্রথমেই আগুন থেকে নিরাপদ দূরত্বে যান।

বিদ্যুৎ, গ্যাস বা আগুনের উৎস বন্ধ করুন (যদি সম্ভব হয়)।

2. পোড়া জায়গায় ঠান্ডা পানি দিন (২০-৩০ মিনিট)।

ফ্লোইং পানি ব্যবহার করুন।

বরফ বা বরফ ঠান্ডা পানি দেবেন না – এতে টিস্যু আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

3. যদি কাপড় লেগে যায়, টানাটানি করবেন না।

পোড়া জায়গায় লেগে থাকা কাপড় কেটে সরিয়ে ফেলুন, কিন্তু ত্বকের সাথে লেগে থাকলে জোর করে খুলবেন না।

4. চিনি, মাখন, পাউডার বা অন্য কোনো কিছু লাগাবেন না।

এগুলো ইনফেকশন বাড়াতে পারে এবং চিকিৎসা জটিল করে তোলে।

5. পোড়া জায়গা পরিষ্কার, শুকনো ও নরম কাপড়ে ঢেকে দিন।

যেমন জীবাণুমুক্ত গজ বা পরিষ্কার সুতির কাপড়।

6. ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে।

তবে এলার্জি থাকলে বা অন্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

7. অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে যান।

শিশু, বয়স্ক, মুখ বা শ্বাসনালির কাছে পুড়লে একদম দেরি করবেন না।

🚑 পুড়ে যাওয়া ছোট মনে হলেও সঠিক চিকিৎসা না পেলে মারাত্মক হতে পারে। তাই সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

📣 জরুরি: আগুন বা গরম জিনিস ব্যবহার করার সময় সবসময় সতর্ক থাকুন।

#স্বাস্থ্য

24/07/2025

🔴ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই হাইপোগ্লাইসেমিয়াতে আক্রান্ত হন, অনেকেই বিষয়টি জানতে চেয়েছেন।

যখন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে (সাধারণত 4 mmol/L এর বেশি হলে কিছু জটিল শর্করা খাওয়ান (যেমনঃ বিস্কুট, রুটি, স্বাভাবিক খাবার )

❌ রোগীর যদি জ্ঞান না থাকে অথবা মুখে খেতে না পরে:
* মুখে কিছু দিবেন না।
* রোগীকে বাম দিকে কাত করে শুইয়ে দিন
* অতি দ্রুত হাসপাতালে নিন
* শিরাপথে / IV Dextrose (25-50 ml of 50% Dextrose
যদি 25% Dextrose Saline হয় তাহলে দ্বিগুণ পরিমাণ
দিতে হবে )
* অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে Glucagon
ইনজেকশন (1 mg IM বা SC) দেওয়া হয়।
ইনজেকশন অবশ্যই হাসপাতালে দিতে হবে।

*** প্রতিরোধের জন্য পরামর্শ:
* ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ ঠিকমতো নিতে হবে।
* নির্দিষ্ট সময়ে পরিমাণ মতো খাবার খাওয়া।
* অতিরিক্ত ব্যায়াম করার আগে শর্করা খাওয়া।
* রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত ফলোআপ করা
ইত্যাদি।
* কোন সময়ে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় তার আগের ওষুধের মাত্রা ঠিক করতে হবে।

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।

#স্বাস্থ্য
#হাইপোগ্লাইসেমিয়া

🛡️ টাইফয়েড টিকা এখন সরকারি ব্যবস্থাপনায়! 🛡️১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে EPI-এর অধীনে টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্যক্র...
23/07/2025

🛡️ টাইফয়েড টিকা এখন সরকারি ব্যবস্থাপনায়! 🛡️

১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে EPI-এর অধীনে টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্যক্রম।
৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ১ ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে — একদম বিনামূল্যে!

👧👦 অন্তর্ভুক্ত থাকছে –
প্লে গ্রুপ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।

💉 টাইফয়েড টিকা কেন জরুরি?
টাইফয়েড একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এই টিকা আপনার শিশুকে টাইফয়েড জ্বর থেকে নিরাপদ রাখে।

📌 টিকা নিতে যা দরকার:
✔️ ১৭-ডিজিটের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ
(না থাকলে এখনই করে ফেলুন)
✔️ EPI ক্যাম্পেইনের সময় ঘোষণার পর আপনার এলাকার EPI (Expanded Programme on Immunization) সেন্টারে যান
✔️ সঙ্গে নিন শিশুকে ও জন্মনিবন্ধনের সনদ

🌐 রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করুন:
👉 https://vaxepi.gov.bd

🔄 আগে যারা HPV টিকার সময় নিবন্ধন করেছেন, তাদের নতুনভাবে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার নেই।
➤ শুধু লগইন করে টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্টার করলেই হবে।
➤ মোবাইল নম্বর ভুলে গেলে “Forget Mobile Number” অপশন ব্যবহার করুন।

🚨 যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি –
১️. প্রথমে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
২️. এরপর টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন

সঠিক তথ্য জেনে, সময়মতো প্রস্তুতি নিন।
আমাদের শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য একসাথে এগিয়ে আসুন। ❤️

21/07/2025

একটু সহজ করে বলি।

দগ্ধ হওয়ার পরও যে সকল রোগী বেঁচে যায়, তারা পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকেন ইনফেকশন বা জীবাণু সংক্রমণের কারণে। কারণ আমার আপনার চামড়া দিয়ে জীবাণু সহজে ঢুকতে পারে না কিন্তু পুড়ে যাওয়া রোগীর চামড়া উন্মুক্ত ব‍্যাকটেরিয়ার জন‍্য। জীবাণু সংক্রমিত হয়ে multisystem organ dysfunction পর্যন্ত যেতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের হাসপাতালগুলোর পরিবেশও জীবাণুর প্রবেশের জন‍্য সহায়ক।

তাই second বা third degree burn এর রোগীদের পরবর্তীতে মৃত্যু ঝুঁকি থেকে বাঁচানো আরেকটা বিরাট যুদ্ধ।

এখন যদি রোগীর বেড সাইডে বা এমনকি ওই ইউনিটে অহেতুক ভিআইপিরা যান সেটা পুড়ে যাওয়া রোগীর জন‍্য উল্টো ক্ষতি। ভিআইপি ঘিরে প্রটোকল, মিডিয়া, উৎসুক জনতা তো আছেই।

Burn রোগীর চিকিৎসার অন‍্যতম বড় চ‍্যালেন্জ রোগীকে complication থেকে বাঁচানো। তার উপর অধিকাংশ আক্রান্ত ৭-১৫ বছর বয়সের মধ্যে।

হাসপাতালে এদের দেখতে না গিয়ে আপনি রাজনীতিতে একটু পিছিয়ে পরলেও মানুষ হিসেবে নিশ্চিত এগিয়ে থাকবেন।

অপারেশন ছাড়া নাকের পলিপের চিকিৎসা!!!!দাদিজান/নানিজানের স্বপ্নে প্রাপ্ত ঔষধ!!!হারবাল/ বনাজী/ হেকেমী ঔষধ!আসলে সবগুলোই এক ...
20/07/2025

অপারেশন ছাড়া নাকের পলিপের চিকিৎসা!!!!
দাদিজান/নানিজানের স্বপ্নে প্রাপ্ত ঔষধ!!!
হারবাল/ বনাজী/ হেকেমী ঔষধ!

আসলে সবগুলোই এক প্রকার এসিড। যা নাকের মাংসে লাগালে মাংস গলে গিয়ে নাকের রাস্তা বড় হয়। তবে একটু এদিক ওদিক হলেই সর্বনাশ।

Address

বাবর
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ziaur Rahman Al-Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category