10/04/2020
কিছু সচেতন সিদ্ধান্ত জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য তৈরী করতে পারে-
হৃদরোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা। সচেতনতার অংশ হিসেবে শুধু জানলেই হবেনা, বিষয় গুলো মেনে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। হৃদরোগ এবং আরও অন্যান্য জটিল রোগের অন্যতম কারণ হচ্ছে ধূমপান। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের জন্য ধূমপান পরিহার করতে হবে। হৃদরোগ এবং কিছু মেটাবলিক ডিজিজ যেমন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি খাদ্যাভ্যাসের সাথে সম্পর্কযুক্ত হওয়ায় খাদ্য তালিকা থেকে শর্করা, অতিরিক্ত তৈল ও চর্বি জাতীয় খাবার, এবং রেড মিটের পরিমান কমিয়ে শাকসবজি, ও মাছের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। এককথায় পরিমিত ও সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। সেই সাথে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটতে হবে কমপক্ষে ৪০ মিনিট। জিনগত কারণে আমাদের হৃদযন্ত্রের রক্তনালী গুলো কিছুটা সরু হওয়ায় খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি বয়স ৪০ এর উর্ধে হলেই দুই এক বছর পর পর কিছু রুটিন চেকআপ যেমন, ECHO, ETT, ECG, রক্ত পরীক্ষা করে জানতে হবে কোন সমস্যা আছে কিনা। এই পরীক্ষা গুলো সরকারি হাসপাতালে কম খরচেই করা যায়। রুটিন চেকআপকে মোটেই অবহেলা করা যাবেনা কারণ হার্ট অ্যাটাক এর পূর্বে হৃদরোগ শনাক্ত করা হৃদরোগ চিকিৎসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ । একবার হার্ট অ্যাটাক করলে রোগী সুস্থ হলেও হার্টের কার্যক্ষমতা কমে যায়। রুটিন চেকআপ এর ব্যাপারে স্ত্রীরা স্বামীকে উৎসাহিত করতে পারে। সবাইকে মনে রাখতে হবে হৃদরোগে হটাৎ মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি কিন্তু কিছু সচেতন সিদ্ধান্ত জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য তৈরী করতে পারে।