Dr. Tanvir Ahamed

Dr. Tanvir Ahamed MBBS, MPH, MCGP (Family Medicine)
FD-MRCGP (UK)
BMDC Reg: A-137950

সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। আপনাদের পাশে থেকে জরুরি সময়ে সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ এবং সেবা পৌঁছে দিতে আমি একটি "হোয়াটসঅ্যাপ (Wh...
22/02/2026

সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। আপনাদের পাশে থেকে জরুরি সময়ে সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ এবং সেবা পৌঁছে দিতে আমি একটি "হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)" গ্রুপ চালু করেছি। মা, শিশু ও বয়ঃসন্ধি স্বাস্থ্যসহ যেকোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আপনারা সরাসরি আমার সাথে যুক্ত হতে পারেন।

জরুরি প্রয়োজনে পরামর্শ পেতে এবং স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে নিচের কিউআর (QR) কোডটি স্ক্যান করে অথবা লিংকের মাধ্যমে এখনই আমার এই গ্রুপে যুক্ত হতে পারবেন।

ডা. তানভীর আহমেদ
এম.বি.বি.এস, এম.পি.এইচ (মা, শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য)

আজ এই কিউট ছোট্ট রোগীটি আমার কাছে চিকিৎসার জন্য এসেছে। চেম্বারে প্রায়ই এধরণের শিশু রোগী বেশি পাচ্ছি। মাথায় এবং কপালে পুর...
22/02/2026

আজ এই কিউট ছোট্ট রোগীটি আমার কাছে চিকিৎসার জন্য এসেছে। চেম্বারে প্রায়ই এধরণের শিশু রোগী বেশি পাচ্ছি। মাথায় এবং কপালে পুরু হলুদ স্তরের এই সমস্যাটি দেখে মা-বাবা বেশ চিন্তিত ছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে আমরা 'ক্র্যাডল ক্যাপ' বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বলি।

ছোট্ট সোনামণিদের ক্ষেত্রে এটি খুব সাধারণ একটি বিষয়, তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সঠিক পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করেছি; ইনশাআল্লাহ দ্রুতই ওর এই কিউট হাসিমুখ থেকে সব অস্বস্তি দূর হয়ে যাবে। মা-বাবার প্রতি অনুরোধ—বাচ্চার ত্বকের এই স্তরগুলো কক্ষনো নখ দিয়ে খুঁটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন না। একটু ধৈর্য আর সঠিক যত্নই যথেষ্ট। আপনাদের দুশ্চিন্তা দূর করতেই আমরা আছি। শিশুটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক, এই দোয়াই করি। 🩺 নিখুঁত যত্নেই বাড়ুক আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ।

22/02/2026

বাংলা ভাষা কোনো স্থবির বা বদ্ধ জলাশয় নয়, বরং এটি একটি প্রবহমান নদীর মতো যা যুগের পর যুগ বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে। আমাদের মাতৃভাষার শব্দভাণ্ডারের দিকে তাকালে দেখা যায়, এর একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে বিদেশি শব্দ। ঐতিহাসিকভাবে ভারত উপমহাদেশে বিভিন্ন সময়ে পারস্য, আরব, তুরস্ক এবং ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা মানুষেরা তাদের সংস্কৃতি ও ভাষা নিয়ে এসেছিলেন। সেই সুবাদে আরবি, ফারসি, তুর্কি, পর্তুগিজ, ওলন্দাজ ও ইংরেজি শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় এমনভাবে মিশে গেছে যে, সেগুলোকে আজ আর 'বিদেশি' বলে মনেই হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, আইন-আদালত বা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত 'আদালত', 'নালিশ', 'আইন', 'ফয়সালা' বা 'ইনসাফ' শব্দগুলো মূলত আরবি ও ফারসি থেকে আসা। আবার ধর্মীয় ও আবেগীয় ক্ষেত্রে 'আজাদী', 'জিন্দাবাদ', 'গুনাহ', 'বেহেশত'—এই শব্দগুলো বাঙালির মুখে মুখে ঘোরে। পর্তুগিজরা এ দেশে আসার ফলে আমরা পেয়েছি 'আনারস', 'আলমারি', 'সাবান', 'চাবি'-র মতো অতি প্রয়োজনীয় শব্দ। আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের জয়যাত্রায় 'অক্সিজেন', 'টেলিফোন', 'কম্পিউটার' বা 'চেয়ার-টেবিল' তো আমাদের যাপিত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের শেখায় নিজের ভাষার প্রতি মমত্ববোধ এবং এর স্বকীয়তা বজায় রাখা। তবে এই স্বকীয়তা মানে অন্যকে বর্জন করা নয়। ভাষা বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, কোনো জীবন্ত ভাষা যখন অন্য ভাষার শব্দ গ্রহণ করে, তখন সেই ভাষার প্রকাশভঙ্গি আরও জোরালো হয়। 'জল' আর 'পানি' যেমন পাশাপাশি থেকে আমাদের তৃষ্ণা মেটায়, তেমনি 'স্বাধীনতা' আর 'আজাদী' শব্দ দুটি আমাদের লড়াইয়ের স্পৃহাকে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় উপস্থাপন করে। তাই বিদেশি শব্দ ব্যবহারে কোনো হীনম্মন্যতা বা দোষ নেই; বরং এগুলো আমাদের শব্দভাণ্ডারের অলংকার। ভাষার এই বৈচিত্র্যই প্রমাণ করে যে, বাংলা ভাষা কতটা উদার এবং পরিবর্তনকে গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে।

ডা. তানভীর আহমেদ

17/02/2026

জীবনকে সুন্দর করার ৯টি সহজ ম্যানারস (যা আমাদের মেনে চলা উচিত)

১. পাবলিক ইউরিনাল: পাশে খালি জায়গা থাকলে অন্য কারো একদম গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না। প্রাইভেসি বজায় রাখাটা একটা রুচিবোধ।

২. স্মার্টফোনের ব্যবহার: কারো সাথে কথা বলার সময় বা আড্ডায় ফোন পকেটে রাখুন। সামনের মানুষটার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। ফোনের স্ক্রিনে ডুবে থাকাটা চরম অভদ্রতা।

৩. বন্ধু যখন বিষণ্ণ: বন্ধুর মন খারাপ থাকলে সবসময় উপদেশের ঝুলি খুলবেন না। কথা না বলে শুধু পাশে বসুন। নিরবতা অনেক সময় হাজারটা কথার চেয়ে বেশি সান্ত্বনা দেয়।

৪. মনযোগী শ্রোতা: কেউ যখন কিছু বলে, তখন মন দিয়ে শুনুন। মাঝে মাঝে মাথা নেড়ে বা চোখের ইশারায় বোঝান যে আপনি তার কথা গুরুত্ব দিচ্ছেন। এতে মানুষ আপনাকে ভরসা করতে শিখবে।

৫. বন্ধুর সম্মান ও তার সন্তান: বন্ধুর বাচ্চাদের সামনে তাকে নিয়ে ভুলেও মশকরা করবেন না। মনে রাখবেন, একটা বাচ্চার কাছে তার বাবা-মা হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ 'হিরো'। তাদের সামনে বন্ধুকে ছোট করা মানে বাচ্চার কাছে তার হিরোকে ছোট করা।

৬. রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত: প্রচণ্ড রাগ বা ইমোশনের বশে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না। মনে রাখবেন, গরম মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সারাজীবনের আফসোসের কারণ হতে পারে।

৭. কথার দাম: নিজের 'জবান' ঠিক রাখুন। আপনি মুখ দিয়ে যা বলছেন, সেটা যেন কোনো লিখিত চুক্তির চেয়েও শক্তিশালী হয়। কথা দিলে তা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন।

৮. নিরবতার শক্তি: কোথায় চুপ থাকতে হয় সেটা শেখা অনেক বড় একটা শিল্প। সব তর্কের জবাব দেওয়ার দরকার নেই, মাঝে মাঝে চুপ থাকাই হলো সেরা প্রতিবাদ।

৯. আত্মসম্মান ও যত্ন: কেউ দেখুক বা না দেখুক, নিজের যত্ন নিন। পরিপাটি থাকুন, পরিষ্কার থাকুন। নিজের জন্য নিজে সেরা মানুষটা হয়ে ওঠার চেষ্টা করুন।

06/02/2026

ভাত নাকি রুটি: ওজন কমাতে কোনটি বেশি কার্যকর? 🍚🆚🫓

ওজন কমাতে গেলেই আমরা ভাত ছেড়ে রুটি ধরি। কিন্তু ডাক্তার হিসেবে আমি বলছি, আপনার ওজন কমবে কি না তা নির্ভর করে খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI)এবং খাদ্যের পরিমাণ এর ওপর।

🧬 গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কী?

এটি একটি মাপকাঠি যা জানায় কোনো খাবার রক্তে কত দ্রুত চিনি (Glucose) বাড়ায়।

★ সাদা ভাত (High GI): এর GI প্রায় ৭০-৭৩। এটি দ্রুত রক্তে সুগার বাড়ায় এবং দ্রুত খিদে লাগিয়ে দেয়।
★ আটার রুটি (Medium GI): এর GI প্রায় ৫২-৫৫। এটি রক্তে সুগার ধীরে বাড়ায়, তাই পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকে।

📊 মূল পার্থক্যগুলো একনজরে:

১. ক্যালরি: ১০০ গ্রাম ভাতে প্রায় ১৩০ ক্যালরি থাকে, আর একটি মাঝারি রুটিতে থাকে ৮০-১০০ ক্যালরি। ভাতের বদলে ৫টি রুটি খেলে ওজন কমবে না, বরং বাড়বে।
২. তন্তু বা ফাইবার: রুটিতে ভাতের চেয়ে ফাইবার বেশি, যা হজমে দেরি করায় এবং ক্ষুধা কমায়।
৩. সোডিয়াম: ভাতে সোডিয়াম নেই বললেই চলে, কিন্তু আটার রুটিতে প্রাকৃতিক সোডিয়াম থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের রুটি খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

💡 আমার পরামর্শ:

★ ভাত প্রেমী হলে: সাদা ভাতের বদলে লাল চালের ভাত (Brown Rice) বেছে নিন। এর GI রুটির মতোই কম।
★ পরিমাণ ঠিক রাখুন: প্লেটের অর্ধেকটা সবজি দিয়ে পূর্ণ করুন। বাকি অর্ধেক কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন দিয়ে পূরণ করুন।
★ রুটি বনাম ময়দা: রুটি যেন অবশ্যই লাল আটার হয়। সাদা আটা বা ময়দার রুটি ভাতের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর।

ভাত বা রুটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আপনি কতটা ক্যালরি গ্রহণ করছেন। ওজন কমাতে পরিমিত খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই।

আপনার পছন্দ কোনটি? ভাত নাকি রুটি? কমেন্টে জানাতে পারেন।

৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা।৩৬মাস অবধি ট...
27/01/2026

৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা।
৩৬মাস অবধি টাকা পাবেন!❤️
২য় সন্তানের ক্ষেত্রেও আপনি ভাতা পাবেন।তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে পাবেন না!

💚💚 কে কে আবেদন করতে পারবেন?
👉 বর্তমানে গর্ভাবস্থার ৪–৬ মাস চলছে
👉বয়স ২০-৩৫ মধ্যে হতে হবে
👉 ANC (Antenatal Care) কার্ড আছে(যেকোন সরকারি হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করবেন)
👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) রয়েছে
👉 ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত

💚💚 কিভাবে আবেদন করবেন?
নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,পৌর ডিজিটাল সেন্টার অথবা সিটি কপোরেশন অফিসে যাবেন।
অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে,
ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনটি সাবমিট করবেন।
❌কোনরকম আর্থিক লেনদেন করবেন না!

💚💚 যে কাগজপত্র লাগবে:
👉 ANC কার্ড (গর্ভকালীন চেকআপ কার্ড)
👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
👉নিজস্ব সচল মোবাইল নম্বর, ব্যাংক একাউন্ট ও অন্যান্য মৌলিক তথ্য

⏰ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা:
🗓️ প্রতি মাসের ১–২০ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে
➡️ সময় পার হলে সেই মাসে আবেদন গ্রহণ নাও হতে পারে
অনেক মা সঠিক সময়ে আবেদন না করায় এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।
তাই
👉 তাই ৪ মাস পূর্ণ হলেই দেরি না করে ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন
👉 ANC চেকআপ নিয়মিত করুন—এটি শুধু ভাতার জন্য নয়,সন্তান ঠিকমত বড় হচ্ছে কিনা সার্বিক অবস্থা জানার জন্য❣️

ANC কার্ড কেমন হয় সেটির ছবি দিয়ে দিচ্ছি।

Dr. Tanvir Ahamed
MBBS, MPH (Maternal & Child Health)

সবাইকে আসসালামু আলাইকুম। চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবা করা আমার পরম সৌভাগ্য। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে যেন কোনো মানুষ অসহা...
15/01/2026

সবাইকে আসসালামু আলাইকুম। চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবা করা আমার পরম সৌভাগ্য। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে যেন কোনো মানুষ অসহায় বোধ না করেন, সেই ক্ষুদ্র লক্ষ্য থেকে আমি কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে 'ফ্রি' এবং 'হাফ' ভিজিটের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

★ যাদের জন্য ভিজিট সম্পূর্ণ ফ্রী (০/-):

* আমার মায়ের পক্ষের সকল আত্মীয়-স্বজন।
* আমার বাবার পক্ষের সকল আত্মীয়-স্বজন।
* সম্মানিত মসজিদের ইমাম সাহেবগণ।
* মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ।
* যেকোনো অভাবগ্রস্ত বা দুস্থ মানুষ।

★ যাদের জন্য হাফ ভিজিট (৫০% ছাড়):

* সকল স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী।

---

★ চেম্বারের তথ্য:

ডাঃ তানভীর আহমেদ
এমবিবিএস (ঢাকা), এমপিএইচ (মা ও শিশু), এমসিজিপি, এফসিজিপি (ফ্যামেলি মেডিসিন)।
এফডি-এমআরসিজিপি (লন্ডন)
বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন: A-137950
জেনারেল ফিজিশিয়ান ও সনোলজিস্ট।

★ রোগী দেখার সময়:
রবি থেকে বৃহস্পতিবার: সকাল ৯টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

★স্থান:
"সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার"
পাইলট স্কুল রোড, সাবুতলা (পোস্ট অফিসের পূর্ব পার্শ্বে), লোহাগড়া বাজার, নড়াইল।

★ সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ:
📞 ০১৭৩৪-৮৭৮৩৪৭
📞 ০১৮৪৪-২৬৪৯৫৯ (অফিস)

> "সুস্থ থাকুন, সেবার সুযোগ দিন। আপনার সুস্বাস্থ্যই আমাদের কাম্য।"

24/12/2025
24/11/2025

হাসপাতাল মানে জীবন বাঁচানোর জায়গা। কিন্তু অসতর্কতা এর উল্টোটা ঘটাতে পারে। ধরুন, হাসপাতালের একজন কর্মী সঠিক উপায়ে জীবাণুনাশক ব্যবহার করলেন না, অথবা তাড়াহুড়োয় হাত ধুতে ভুলে গেলেন।

এর ফল হয় মারাত্মক। একটি **'রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া'** (সুপারবাগ) দ্রুত আইসিইউ বা ওয়ার্ডের মাধ্যমে এক দুর্বল রোগী থেকে অন্য দুর্বল রোগীর শরীরে সরাসরি ছড়িয়ে পড়ে। এতে সাধারণ অপারেশনের রোগীও এমন সংক্রমণে আক্রান্ত হন, যা কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সারে না। সামান্য অসাবধানতা সেখানে বহু জীবন কেড়ে নেওয়ার কারণ হতে পারে!

অন্য দিকে পোল্ট্রি বা গবাদি পশুর খামারে রোগ প্রতিরোধের জন্য বা দ্রুত বৃদ্ধির জন্য যখন নিয়মিত অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, তখন পশুর ভেতরের ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে।

এই রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়াবাহী মাংস যখন আমরা খাই, তখন সেই রেজিস্ট্যান্স খাদ্যচক্রের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। আপনি যখন সুস্থ আছেন, তখন হয়তো বুঝতে পারছেন না। কিন্তু ভবিষ্যতে আপনার যেকোনো সংক্রমণে সাধারণ ওষুধ আর কাজ করবে না! এটি নীরবে পুরো জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

---

কেন এই দুটি ক্ষেত্র ফার্মেসী থেকে ঔষধের ডোজ কমপ্লিট না করার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক?

ফার্মেসি থেকে ডোজ অসম্পূর্ণ করলে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয় আপনার নিজের শরীরে। কিন্তু—

1. হাসপাতালের রেজিস্ট্যান্স: এটি সরাসরি অসুস্থ ও দুর্বল মানুষের মধ্যে ছড়ায় এবং তাৎক্ষণিক জীবনঘাতী হয়।
2. পশুপালনের রেজিস্ট্যান্স: এটি খাদ্যচক্রের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ সুস্থ-অসুস্থ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে একটি বিশাল জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে।

আমাদের করণীয় কী?

এই নীরব মহামারী ঠেকাতে আমাদের সবার ভূমিকা নিতে হবে:

★ প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনবেন না বা খাবেন না।
★ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের কোর্স সম্পূর্ণ করুন, ভালো বোধ করলেও থামবেন না।
★ পরিবার ও আশেপাশে সচেতনতা বাড়ান।

---
\ #অ্যান্টিবায়োটিকরেজিস্ট্যান্স \ #সুপারবাগ \ #স্বাস্থ্যসচেতনতা \ #জনস্বাস্থ্য \ \ #স্বাস্থ্যবিধি

ফলিক এসিড গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি (নিউরাল টিউব ত্রুটি) প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক...
27/10/2025

ফলিক এসিড গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি (নিউরাল টিউব ত্রুটি) প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোষ বিভাজন ও নতুন ডিএনএ গঠনে সহায়তা করে, যা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।

Address

Dhaka
1341

Telephone

+8801642113599

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tanvir Ahamed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Tanvir Ahamed:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram