Bangladesh Medical And Dental Admission Test Question Help Line

  • Home
  • Bangladesh Medical And Dental Admission Test Question Help Line

Bangladesh Medical And Dental Admission Test Question Help Line This is the official page of BANGLADESH Medical & Dental Admission Care.

শিক্ষার্থীরা ডাক্তার হবার যে স্বপ্ন শৈশব থেকে নিজেদের মধ্যে লালন করে থাকে তাদের সেই স্বপ্নকে স্বপ্নবীজ থেকে মহীরুহে রূপ দেওয়ার জন্য কিংবা তাদের সাদা এ্যাপ্রোনের বর্ণীল জীবনকে রাঙিয়ে দেওয়ার জন্যই সহায়ক বন্ধু হিসেবে আবির্ভাব। প্রকৃতপক্ষে স্বপ্নরাজ্যে বিচরণের পথ যতটা মসৃণ , বাস্তবে সপ্নপূরণের পথ ততটাই বন্ধুর। তবুও কেউ না কেউ তো সফল হয়। সফল তারাই হয় যারা নিতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত, যাদের থাকবে স্বীয় চেষ্টা এবং যার উপর থাকবে সৃষ্টিকর্তার দয়া ও সৃষ্টিজীবের দোয়া। হ্যাঁ, সফলতা মানেই এগুলোর সমন্বয়। আর এই সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পালন করে আসছে সহায়ক ভুমিকা।

22/01/2021

.সরকারী মেডিকেল কলেজ
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদনের যোগ্যতাঃ
এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান মিলে ন্যূনতম জিপিএ ৯.০০ (৪র্থ বিষয় সহ)উপজাতীয় ও পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে জিপিএ ৮.০০ (৪র্থ বিষয় সহ)এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যা থাকতে হবেজীববিজ্ঞানে জিপিএ ৩.৫০ (কমপক্ষে)

পরীক্ষার মানবন্টনঃ
মোট নম্বর=৩০০পরীক্ষার ফলাফল থেকে যোগ হবে ২০০ নম্বর
এসএসসি তে প্রাপ্ত জিপিএ × ১৫=৭৫

এইচএসসি তে প্রাপ্ত জিপিএ ×২৫=১২৫
এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা ১০০ নম্বর
জীববিজ্ঞান-৩০, রসায়ন-২৫, পদার্থ-২০, ইংরেজি-১৫

সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি-৬, আন্তর্জাতিক-৪
পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা।প্রতিটি ভূল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে
পাশ নম্বর-৪০পূর্ববর্তী বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের সর্বমোট নম্বর থেকে ০৫ নম্বর কর্তন করে এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারী মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজ/ইউনিট এ ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সর্বমোট নম্বর থেকে ০৭.৫০ নম্বর কর্তন করে মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।রকা

05/01/2021

আগামী জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ নাগাদ চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। যদিও ডিসেম্বরের চলতি সপ্তাহেই ফল প্রকাশ করার কথা ছিল, কিন্তু জটিলতার কারণে তা এক মাস পিছিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল কবে প্রকাশ করা হবে তা শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীই তো বলেছিলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হবে, এখন আবার মন্ত্রীর কাছ থেকে জানতে হবে কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এখন কিছুই বলছি না। সংবাদ সম্মেলনে সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন। এ সময় কেন ডিসেম্বরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি, কেনই-বা ফল প্রকাশ করতে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগবে- তার ব্যাখা দেবেন ডা. দীপু মনি। করোনায় আক্রান্ত না হলে মন্ত্রী আরো আগেই তথ্যগুলো সাংবাদিকদের জানাতেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার জন্য যে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে তা এখনো অনুমোদনই হয়নি। ফলে চলতি মাসে এই পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা নেই। জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, নীতিমালা অনুমোদন হলে পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে ফল তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, পরীক্ষা না নিয়ে অটোপাস দিয়ে ফল প্রকাশের পর আইনি জটিলতা এড়াতে শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যমান আইনে সংশোধন করতে হবে। এরপর এই সংশোধনীর বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। অধ্যাদেশ জারির পর শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা যাবে। সংসদ অধিবেশন না থাকায় অধ্যাদেশ জারির বিকল্প নেই। এ ছাড়াও ফল প্রকাশের জন্য এখনো গাইডলাইন হাতে পায়নি শিক্ষাবোর্ডগুলো।

বোর্ডসূত্র জানিয়েছে, শিক্ষাবোর্ড আইনে বলা আছে-পরীক্ষা নিয়ে বোর্ড ফল প্রকাশ করবে। কিন্তু করোনার কারণে এবার পরীক্ষা হচ্ছে না। তাই, ফল প্রকাশের পর আইনি জটিলতার মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে জটিলতা এড়াতেই আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করা হবে। গত বৃহস্পতিবার সারাদিন বোর্ডের কর্তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে সভা করেছেন।


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভোরের কাগজকে বলেছেন, শিক্ষাবোর্ড আইন সংশোধনের জন্য জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হতে পারে। আইন সংশোধন হলে অধ্যাদেশ জারি হবে। এরপর সবকিছু প্রস্তুত করে শিক্ষাবোর্ডে পাঠাতে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগবে। বোর্ডে ফল প্রস্তুত করতে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগবে। তারপর ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনীর মতো এবার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা নেয়া হবে না। অষ্টমের সমাপনী ও মাধ্যমিকের ফলের গড় করে এবারের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের ফল নির্ধারণ করা হবে। গত ১ এপ্রিল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি অটোপাসের ফল তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের সমন্বয়ে আট সদস্যের গ্রেড মূল্যায়ন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়। চলতি মাসের শুরুতে কমিটি ফল তৈরিতে জিপিএ গ্রেড নির্ণয়ের বেশ কয়েকটি প্রস্তাবের সমন্বয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

04/12/2020

নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় জেলা কোটা কী?

নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মনে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি Confusing, সেটি হলো জেলা কোটা! আসুন জেনে নেই, সেটি কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

আমরা জানি, প্রতি বছর বাংলাদেশের সকল অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। সেই হিসেবে সে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো জেলার ছাত্র/ছাত্রী। যে-যেই জেলার ছাত্র-ছাত্রী হোক না কেন, সকল জেলার শিক্ষার্থীরা এই জেলার কোটার বেনিফিট পাবেনই।

নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে জেলা কোটা মানে হচ্ছে জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলাওয়ারি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউটের আসন বণ্টন। অর্থাৎ দেশের সকল জেলার শিক্ষার্থীরাই যেন নার্সিং শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে এবং নার্সিং প্রফেশনে আসতে পারে, সেজন্য এই জেলা কোটা রাখা হয়েছে।

# সরকারি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউটে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য মোট আসনের ২% সংরক্ষিত থাকে।

# অবশিষ্ট ৯৮% আসনের মধ্যে ৬০% প্রার্থী জাতীয় মেধা এবং ৪০% প্রার্থী জেলা কোটায় নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

সব শিক্ষার্থীদের এই জেলা কোটা আছে, এমন না যে A/B/C জেলার কোটা আছে, X/Y/Z জেলার কোটা নেই। অর্থাৎ সকল জেলার জন্যই জেলা কোটা বরাদ্দ আছে।

এবার চলুন উদাহরণ সহ ব্যপারটা ক্লিয়ার করি!!

√ সরকারি বিএসসি ইন নার্সিং কলেজ ১৩ টি, আসন ১২০০ টি।
√ সরকারি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট ৪৬ টি, আসনঃ ২৭৩০ টি।
√ সরকারি ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট ৪১ টি, আসনঃ ১০৫০ টি।

# বিএসসি ইন নার্সিং এ ১২০০ টি সীটের মধ্যে ৬০% শিক্ষার্থী বা ৭২০ জন জাতীয় মেধায় চান্স পাবে এবং বাকি ৪০% শিক্ষার্থী বা ৪৮০ জন জেলা কোটায় চান্স পাবে।

# একই ভাবে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারিতে ২৭৩০ টি সীটের মধ্যে ৬০% শিক্ষার্থী বা ১৬৩৮ জন জাতীয় মেধায় চান্স পাবে এবং বাকি ৪০% বা ১০৯২ জন জেলা কোটায় চান্স পাবে।

# অনুরূপ ভাবে ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে ১০৫০ টি আসনের মধ্যে ৬০% শিক্ষার্থী বা ৬৩০ জন জাতীয় মেধায় চান্স পাবে এবং বাকি ৪০% শিক্ষার্থী বা ৪২০ জন জেলা কোটায় চান্স পাবে।

সুতরাং বুঝতেই পারছো, এই জেলা কোটা টা সবার জন্যই প্রযোজ্য।

এবার আসো, Calculation করি! 😁

দেশে মোট জেলা ৬৪ টি।

✅ বিএসসি ইন নার্সিং এ জেলা কোটা আছে ৪৮০ টি; প্রতিটি জেলার জন্য বরাদ্দ = (৪৮০ ÷ ৬৪) = ৭.৫ জন ~ ৮ জন।
✅ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারিতে জেলা কোটা আছে ১০৯২ টি; প্রতিটি জেলার জন্য বরাদ্দ = (১০৯২ ÷ ৬৪) = ১৭.০৬ জন ~ ১৭ জন।
✅ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে জেলা কোটা আছে ৪২০ টি, প্রতিটি জেলার জন্য বরাদ্দ = (৪২০÷৬৪) = ৬.৫৬ জন ~ ৭ জন।

সো, গড়ে প্রত্যেকটা জেলা থেকে বিএসসি ইন নার্সিং ভর্তি ৮ জন, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারিতে ১৭ জন এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারিতে ৭ জন করে জেলা কোটায় নেওয়া হবে!

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
প্রতিটি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউট এর আসন/সীটের ক্ষেত্রে মেয়ে শিক্ষার্থী ৯০% এবং ছেলে শিক্ষার্থী ১০% নেওয়া হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, দেশের ৬৪ টি জেলাতেই বিএসসি ইন নার্সিং কলেজ, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট নেই। (কোথায় বা কোন জেলায় নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউট আছে, লিস্ট দেখে নাও)

উদাহরণঃ

Suppose, তোমার বাড়ি কুমিল্লায়, তুমি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারিতে আবেদন করবে। আর, ধরে নিই এবছর কুমিল্লা জেলা থেকে ১ হাজার জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

এখন দেখো,
এই ১ হাজার জনের মধ্যে ধরো ২০ জন জাতীয় মেধায় বিভিন্ন নার্সিং ইন্সটিটিউটে চান্স পেয়ে গেলো।

তাহলে, ১ হাজার জনের মধ্যে বাকী যে ৯৮০ জন আছে, এদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম ১৭ জন জনকে কুমিল্লা জেলা থেকে জেলা কোটায় নিয়ে নেওয়া হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় তোমরা যে নম্বরই পাও না কেন, তোমার কুমিল্লা জেলার সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে এই প্রথম ১৭ জন জেলা কোটায় চান্স পেয়ে যাবে। তবে অবশ্যই
পাশ মার্ক ৪০+ পেতে হবে।

আশা করি, তোমরা সবাই নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় জেলা কোটা কী তা ভালো করে বুঝতে পেরেছো!!?

নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ Facts যা না জানলেই নয়! 📣📣

নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউটে জাতীয় মেধায় (৬০%) চান্স পাওয়া সাধারণত নির্ভর করে ৩ টি বিষয়ের উপর, যথাঃ

⚠️ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর।
⚠️ HSC & SSC এর GPA এর উপর প্রাপ্ত নম্বর।
⚠️ আবেদন করার সময় প্রার্থীর পছন্দের ১০ টি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউট Choice দেওয়ার ক্রমানুসারে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের অর্জিত মেধাক্রম, নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউট পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে।

02/12/2020

চলতি বছরের বাতিল হওয়া উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) ফলাফল ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। আগেই বলা হয়েছিল, এবারের এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ করা হবে জেএসসি ও এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে।

ডিসেম্বরের মধ্যেই ২০২০ সালের এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কবে থেকে আবার ক্লাস শুরু হবে তা নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। তবে যখনই ক্লাস শুরু হবে শুরুর দিকে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে সবাইকে। সেক্ষেত্রে হয়তো সবার সব দিন ক্লাস নাও হতে পারে। তবে এসএসসি ও এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে জোর দেওয়া হবে বেশি। তাদের হয়তো একদিন বাদে বাকি সব দিনই ক্লাস নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তি হতে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করে ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

আরও পড়ুন: স্কুলে ভর্তির পদ্ধতি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এ সময় দীপু মনি বলেন, বর্তমানে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারি এবং অন্য ক্লাসগুলোর জন্য ভর্তি পরীক্ষা হয়। তবে চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে লটারি অনুষ্ঠানের সময় আগের মতো অভিভাবকরা শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

দীপু মনি বলেন, ঢাকা মহানগরীতে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার কোটা বিদ্যমান ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এবার ৫০ শতাংশ করা হবে। ক্লাস্টার ভিত্তিক লটারিতে বিদ্যমান একটি স্কুল পছন্দের পরিবর্তে পাঁচটি স্কুল পছন্দের সুযোগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, লটারিতে পূর্ণ স্বচ্ছতার মাধ্যমেই ভর্তি করানো হবে। ভর্তির সময় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ফি নিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভর্তি কার্যক্রম ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হবে।

আসন্ন বই উৎসবকে কেন্দ্র করে দীপু মনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারো পহেলা জানুয়ারিতেই বই উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এ বছর সমাবেশ করে বই বিতরণ করা হবে না। কোন পদ্ধতিতে বই দেওয়া হবে তার নির্দেশনা স্কুলগুলোকে দিয়ে দেওয়া হবে।

28/11/2020

মেডিকেল ভর্তি কোন ধরনের সহায়তা যদি কারো দরকার হয় তাহলে ইনবক্স এ মেসেজ করুন

30/09/2020

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং পরীক্ষার অন্তত ৩০ দিন আগে রুটিনের দাবিতে বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছেন।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসার প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী মুখে মাস্ক পড়ে এতে অংশ নেয়।

শিক্ষার্ক্ষীরা দাবি করেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। করোনার এই মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনোভাবেই শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক না। পরীক্ষায় অংশ নিলে তাদের পরিবারও করোনার ঝুঁকিতে পড়বে।

তারা বলেন, আমরা পরীক্ষা দিতে চাই। তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে হবে এবং পরীক্ষার ৩০ দিনে আগে রুটিন দিতে হবে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ঢাকা মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী জয়ন্ত দেব জানান, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগেই এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে দেশের লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে। এমন সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্য এই শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান।

চট্টগ্রাম জামেয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সামিউল সাফায়েত বলেন, সারা দেশে প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থী রয়েছে। তাদের সঙ্গে ১৪ লাখ পরিবারও সম্পৃক্ত। তাই করোনা পরিস্থিতে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আমাদের আজকের এই মানববন্ধন।

নাসিরনগর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সৌরভ দেব বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা পরীক্ষার জন্য কোনোভাবে প্রস্তুত না।

ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াসিন হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষার আয়োজন করলেও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেওয়াও সম্ভব হবে না।

16/06/2020

ঈদের আগেই উপবৃত্তির টাকা পাবে ১২ লাখ শিক্ষার্থী
এসপিএফএমএসপি, অগ্রণী ব্যাংক ও বিকাশের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সমন্বিত উপবৃত্তির আওতায় জিটুপি এর মাধ্যমে ১২ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর কাছে জুলাই থেকে ডিসেম্বর, ২০১৯ এর উপবৃত্তির টাকা পাবে।

বুধবার (২০ মে) সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে উপবৃত্তি দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে আমরা এক মহাদুর্যোগ মোকাবিলা করছি। এ দুর্যোগের সময় সরকার জনগণকে সহযোগিতা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। উপবৃত্তির টাকাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আগামী এক মাসের মধ্যে আরো ১২ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে আরো ৬০৬ কোটি টাকা এ খাতে বিতরণ করা হবে।
জানা গেছে, জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পারসন) পদ্ধতিতে টাকা পাঠাতে তৃতীয় কোনো পক্ষ জড়িত থাকে না বলে এতে কোনো রকমের ভোগান্তি থাকে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকে আজ ২৩৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আজকের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে। টিউশন ফি যাবে প্রধান শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে। যাদের বিকাশে অ্যাকাউন্ট আছে, তাদের বৃত্তির টাকা সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে চলে যাবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিকাশের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে।

09/06/2020

এসএসসি পরীক্ষা- ২০২০ এর পুনঃনিরীক্ষণ সংক্রান্ত যে কোন আবেদন কেবল SMS এর মাধ্যমেই করা যাবে। এ বিষয়ে বাের্ডে কারাে সাথে সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন নেই এবং কোন ধরনের আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় না। তাই এ সংক্রান্ত দর্শনার্থীদের বোর্ডে আসার দরকার নেই।

| ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নির্দেশিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন SMS এর মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হলো।

08/06/2020

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলেও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। আর ভর্তি পিছিয়ে যাওয়ায় আগামী ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরুর কোনোই সম্ভাবনা নেই।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। তবে ভর্তিসংক্রান্ত প্রাথমিক কাজগুলো ঠিক করে রেখেছে ঢাকা বোর্ড। এবারও ঢাকা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় ভর্তির কাজটি হবে।

গত রোববার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন পরীক্ষার্থী।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিসংক্রান্ত কাজগুলো ঠিক করে রেখেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বোর্ড। তখন সিদ্ধান্ত হয়েছিল গত মাসের শুরুর দিকে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করে ১০ মে থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হবে। ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়ে গেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এসএসসির ফল তৈরির কাজে শিক্ষার্থীদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নেই। কিন্তু ভর্তির কাজে শিক্ষার্থীদের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হয়। অনলাইনে আবেদনের কাজটি হলেও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী দোকানে গিয়ে আবেদন করে থাকে। এ ছাড়া প্রতিদিনই এ–সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অনেক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বোর্ডেও যেতে হয়। এ অবস্থায় ভর্তির কাজটি শুরু করতে চাচ্ছেন না তাঁরা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় ১৫ জুনের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

১৫ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভর্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এবার আবেদন হবে শুধু অনলাইনে। এসএমএসে আবেদন করা যাবে না।

অধ্যাপক জিয়াউল হক বলেন, যদি আগস্টেও ক্লাস শুরু করা যায় তাতেও একাদশ শ্রেণির ক্লাস নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা হবে না। কারণ, আগের ঘোষণা অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি আছে। ফলে জুলাইয়ে খুব বেশি ক্লাস নেই।

ভর্তির নিয়ম–কানুন চূড়ান্ত

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার শুধুই অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। এসএমএসে আবেদন করা যাবে না। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা অনলাইনে কমপক্ষে ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবে। আগের মতো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একজন শিক্ষার্থী কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনীত হলো, তা ঠিক করা হবে।

এবার ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার কোটা ছাড়া অন্য কোটা থাকছে না। তবে প্রতিবন্ধী, বিকেএসপির শিক্ষার্থী, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অসামান্য সাফল্যের (পুরস্কারপ্রাপ্ত) অধিকারী শিক্ষার্থী এবং প্রবাসীর সন্তানদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ সুবিধা পেতে তাদের সনাতন (ম্যানুয়ালি) পদ্ধতিতে সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে হবে। কলেজে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা এবং আবেদনকারীর অন্যান্য বিষয় যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে।

ভেবে–চিন্তে কলেজ পছন্দ দেওয়ার পরামর্শ

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক মো. হারুন-আর-রশিদ প্রথম আলোকে, উচ্চমাধ্যমিক মোট আসন নিয়ে সমস্যা নেই। এবার পাস করেছে প্রায় ১৭ লাখ পরীক্ষার্থী। আরা সারা দেশে ভর্তির জন্য আসন আছে প্রায় ২৯ লাখ।

তবে শিক্ষা বোর্ডের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, সমস্যা হলো, ভালো কলেজগুলোতে আসন কম। এ কারণে অতীতে দেখা গেছে, অনেকেই শুধু ভালো কলেজগুলোতে ভর্তির পছন্দ দেয়। কিন্তু এসএসসির ফল ও আসনের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় অনেকেই ভর্তি নিয়ে জটিলতায় পড়ে। এ জন্য কলেজ পছন্দের ক্ষেত্রে নিজের এসএসসি ও সমমানের ফল ও কলেজের আসন দেখে পছন্দক্রম দেওয়ার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

আরও সংবাদ
বিষয়:
সরকারশিক্ষাকরোনাভাইরাস

শিক্ষার অগ্রগতি ধরে রাখা হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অভিমত: করোনাকালে শিক্ষা
শিক্ষার অগ্রগতি ধরে রাখা হবে বড় চ্যালেঞ্জ
ঢাবির ল্যাবে করোনা পরীক্ষা আজ থেকে বন্ধ
ঢাবির ল্যাবে করোনা পরীক্ষা আজ থেকে বন্ধ
রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ–৫–এ এগিয়ে বগুড়া
রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ–৫–এ এগিয়ে বগুড়া
এসএসসিতে এগিয়ে রাজশাহী, পিছিয়ে সিলেট
এসএসসিতে এগিয়ে রাজশাহী, পিছিয়ে

Address


Telephone

+8801784128121

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Medical And Dental Admission Test Question Help Line posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram