04/12/2020
👉 #খালিপেটে_জিরা_ভেজানো_পানি_খেলে_কি_সত্যিই_ওজন_কমে?
🙂
ওজন কমিয়ে ফেলার দুইটা ভালো দিক আছে – এক তো ছিমছাম, টানটান চেহারায় যে কোনও ধরনের পোশাক দেখতে ভালো লাগে। দুই নম্বর হচ্ছে- ওজন কমালেই হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস, হরমোনের সমস্যার মতো নানা অসুখ-বিসুখও নিয়ন্ত্রণে আসতে আরম্ভ করে। কিন্তু যাঁরা খেতে ভালোবাসেন, বা সারাদিনের খাটাখাটনির পর ক্লান্ত শরীরটাকে টেনে টেনে জিম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পান না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে তাঁরা এমন কিছু উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন যাতে পরিশ্রম না করলেও কাজ হবে।
🙂
প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে, তেমন কোনও শর্টকাট কিন্তু এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি যেখানে প্রচুর খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি পরিশ্রম না করেও ওজন হুড়মুড়িয়ে কমতে আরম্ভ করবে। আপনার প্রতিদিনের শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ সুসম্পন্ন করার জন্য যতটা ক্যালোরির চাহিদা তৈরি হয় শরীরে, তার চেয়ে কম ক্যালোরি খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করালে ও সেই সঙ্গে কায়িক পরিশ্রম করে আরও খানিকটা খরচের ব্যবস্থা করলেই একমাত্র ওজন ধীরে ধীরে কমতে পারে। তবে এ কথা ঠিকই যে, এমন কিছু ঘরোয়া সমাধানও আছে যা ট্রাই করলে ফ্যাট বার্ন হওয়ার হার বাড়ে। তেমনই একটি হচ্ছে জিরা পানি।
🙂
জিরার মধ্যে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, তা হজমের পক্ষে সহায়ক, কনস্টিপেশন সারাতেও তার কার্যকর ভূমিকা আছে। তা শরীর থেকে বাড়তি টক্সিন বের করে দেয় এবং বাড়ায় বিপাক ক্রিয়ার হার। যাঁরা ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের শরীর ঠান্ডা রাখতে জিরা পানি সহায়ক। তাই ডায়েটিং, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খালি পেটে জিরা পানি খেলে আপনার ওজন কমার হার দ্রুত গতি পাবে, তাই নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই!
🙂
কীভাবে তৈরি করবেন-
এক বড় গ্লাস পানি এক চা-চামচ জিরা ভিজিয়ে রেখে দিন সারা রাত। পরদিন সকালে পানিটা ছেঁকে খেয়ে ফেলুন। সামান্য একটু লেবু দিয়েও খেতে পারেন। যাঁরা বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন নিয়মিত, তাঁরা এক বোতল পানিতে দুই চা-চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখুন। এক গ্লাস সকালে খালি পেটে খান, বাকি দুই গ্লাস খেতে হবে দুপুর ও রাতে খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে। তবে এর চেয়ে বেশি খেলে কিন্তু গা বমির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
🙂