22/05/2026
একটা নিরীহ শিশুর এমন নৃশংস মৃ'ত্যু আমাদের সকলের হৃদয়কে কাঁপিয়ে দিয়েছে।
রামিসা নামের ছোট্ট একটি বাচ্চা মেয়েকে তার প্রতিবেশী সোহেল ও তার সঙ্গী মিলে প্রথমে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। তারপর ধ'র্ষণ করা হয় শুধু যৌনাঙ্গ দিয়ে নয়, পায়ু'পথেও। এত নির্যাতন করা হয় যে শিশুটির সেই জায়গা ফুলে লাল হয়ে যায়। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে হ'ত্যা করা হয়।
মর'দেহ টুকরো টুকরো করে গুম করার চেষ্টা চলে। তার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়, যৌ'নাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়, দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে নিয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয় এবং মাথা বালতিতে রাখা হয়।
সোহেল তার স্ত্রী স্বপ্নাকে ঘুমের কক্ষে সিটকিনি লাগিয়ে বাইরে থেকে আটকে রেখেছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু একটা ফ্ল্যাটের ভিতরে এত নির্যাতন, চিৎকার, কান্না, ধস্তাধস্তি আর মরদেহ কাটার শব্দ—এত কিছুর পরেও সন্তানের জননী স্বপ্নার ঘুম ভাঙেনি? পরে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
একজন মা হয়েও কীভাবে এমন ঘটনায় সহায়তা করতে পারেন, তা ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।
সোহেল নাকি আগেও মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া একজন অপরাধী। তারপরও প্রতিবেশীরা তাকে বিশ্বাস করেছিলেন। রামিসার মা-বাবাও হয়তো ভেবেছিলেন—তারও তো সন্তান আছে, নিশ্চয়ই ক্ষতি করবে না।
কিন্তু বাস্তবতা নির্মম।
আজ এই সমাজে আমরা এমন এক জাহেলিয়াতের যুগে পৌঁছে গেছি, যেখানে কোনো সম্পর্ক, কোনো বিশ্বাস আর নিরাপদ নয়। প্রতিবেশী, আত্মীয়—কাউকেই আর অন্ধভাবে বিশ্বাস করা যায় না।
আমি একজন ডাক্তার হিসেবে বলছি—
আপনার সন্তানকে আগলে রাখুন।
ছেলে হোক বা মেয়ে, কারো কাছে একা রেখে যাবেন না।
নিজের চোখে না দেখলে কাউকে বিশ্বাস করবেন না।
রামিসার এই অকাল'মৃত্যু যেন বৃথা না যায়। আমরা যেন সচেতন হই। আমাদের শিশুরা যেন নিরাপদ থাকে।
এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে এক হতে হবে।
আর পশুতুল্য সোহেলের দ্রুত ফাঁ'সির দ্বাবি জানিয়ে শেয়ার করুন।
Dr. Aminul Islam