NetMed24

NetMed24 We are the most convenient online pharmacy netmed24.com in Bangladesh. At netmed24.com, we help you look after your own health effortlessly.

Which is one of the most trusted pharmacy, with over 20+ years experience in dispensing quality medicines.

25/01/2023
Good bye legend rest in peace
30/12/2022

Good bye legend rest in peace

 #কিডনিতে_পাথর_কেন_হয়আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত...
28/12/2022

#কিডনিতে_পাথর_কেন_হয়

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ হল কিডনি। শরীরে জমে থাকা নানা রকম বর্জ্য পদার্থ পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। আমাদের দেশে কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সংখ্যাটা দিন দিন বেড়েই চলছে! বিশেষ করে কিডনি স্টোন বা বৃক্কে পাথর জমার সমস্যার কথা এখন প্রায়শই শোনা যায়।

কিডনির সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম হল স্টোন বা পাথর হওয়ার সমস্যা। কিডনি স্টোনের প্রাথমিক লক্ষণগুলি নির্ভর করে পাথর কিডনির কোথায় এবং কী ভাবে রয়েছে তার উপর। তাছাড়া, কিডনিতে হওয়া পাথরের আকার-আকৃতিও এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচার্য বিষয়। আসুন এ বার কিডনিতে পাথর জমার বা হওয়ার কারণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক…

কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ:

#রক্তবর্ণের প্রসাব।

#গা বমি বমি ভাব বা বমিও হতে পারে।

#কোমরের পিছন দিকে তীব্র ব্যথা হওয়া। তবে এই ব্যথা সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। এই সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছালে ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কিডনিতে পাথর জমার কারণ:

কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও সঠিক ভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয়কে কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ মনে করেন চিকিৎসকরা। যেমন:

শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব বা কম পানি খাওয়া।

বার বার কিডনিতে সংক্রমণ হওয়া। সংক্রমণ হলে তার জন্য যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করা।

মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে পনির, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।
শরীরে ক্যালসিয়ামের আধিক্য ইত্যাদি।
সতর্কতা:

কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি এড়াতে চাইলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে।

কখনও দীর্ঘ ক্ষণ প্রসাব চেপে রাখবেন না! প্রসাবের বেগ আসলে চেষ্টা করবেন সঙ্গে সঙ্গে প্রসাব করার।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে।

অতিরিক্ত মাত্রায় দুগ্ধজাত খাবার না খাওয়াই ভাল।

বার বার ইউরিন ইনফেকশন বা কিডনিতে সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং যথাযথ চিকিৎসা শুরু করুন।

হাঁপানি বা অ্যাজমা স্থায়ীভাবে আরোগ্য সম্ভবইংরেজি নাম অ্যাজমা এবং বাংলায় হাঁপানি বলা হয়; যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস...
22/12/2022

হাঁপানি বা অ্যাজমা স্থায়ীভাবে আরোগ্য সম্ভব

ইংরেজি নাম অ্যাজমা এবং বাংলায় হাঁপানি বলা হয়; যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বা অ্যাজমা ফুসফুস এবং শ্বাসনালির প্রদাহজনিত রোগ।

কারণ: হাঁপানি জিনগত এবং পরিবেশগত কারণে হয়। পারিবারিক ইতিহাসে যাদের পিতার বা মাতার বংশে এ্যালার্জি, ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগা বা হাঁপানি রয়েছে তারা হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি রয়েছেন।
এ ছাড়াও ছোট বেলায় নিউমোনিয়া হলে অথবা চর্মরোগ ইনজেকশন বা মলমের প্রলেপ দ্বারা চিকিৎসা করলে পরবর্তীতে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। পরিবেশগত কারণগুলোর মধ্যে বায়ুুদূষণ এবং বাতাসে এ্যালার্জেন বা এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হাঁপানি রোগের কারণ।

উপসর্গ: হাঁপানির বৈশিষ্ট্য হলো বারবার শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া ও কষ্টসহকারে শ্বাস নেয়া, বুকে চাপ ধরা বা বুকের পেশি শক্ত হওয়া, শ্বাসনালী সরু হয়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বল্পতা (শ্বাসকষ্ট) এবং কাশি। উপসর্গ দেখা দেয়ার পর ফুসফুস থেকে কফ তৈরি হতে পারে কিন্তু তা সহজে বের হতে চায় না। ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষণগুলো রাতে বা দিনে যেকোনো সময় বেড়ে যেতে পারে এবং সহজেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যেতে পারে। আবার ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে বিশেষ করে শীতকালে কারও কারও হাঁপানি বৃদ্ধি পায়। আবার অনেকের হাঁপানি বর্ষাকালে, বৃষ্টির পানিতে এমন কি গোসলের পরেও বৃদ্ধি পায়।

চিকিৎসা: হাঁপানি বা অ্যাজমা চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথিক খুবই কার্যকরী ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। হাঁপানি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ভাণ্ডারে হাঁপানি রুগীর চিকিৎসার জন্য সোরিনাম, মেডোরিনাম, আর্সেনিক অ্যালবাম, ন্যাট্রাম মিউর, ন্যাট্রাম সালফ, কার্বোভেজের মতো অসংখ্য কার্যকরী ওষুধ রয়েছে। এসব ওষুধ সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলেই হাঁপানি বা অ্যাজমা সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে হাঁপানি রোগীরা বিনা কষ্টে স্বল্প সময়ে সম্পূর্ণরূপে স্থায়ীভাবে আরোগ্য লাভ করে। এ কারণে হাঁপানি রুগীসহ জটিল ও দুরারোগ্য রুগীগণ সঠিক চিকিৎসা গ্রহণের জন্য হোমিওপ্যাথির দিকে ঝুঁকছেন।

 #শীতে_প্রতিদিন_আদা_খাচ্ছেন_তো?শীতের মৌসুমে আসলেই রোগ-ব্যাধির পরিমাণ যেন পাল্লা দিয়ে বেড়ে। খুসখুসে কাশিই হোক কিংবা বদ হজ...
19/12/2022

#শীতে_প্রতিদিন_আদা_খাচ্ছেন_তো?

শীতের মৌসুমে আসলেই রোগ-ব্যাধির পরিমাণ যেন পাল্লা দিয়ে বেড়ে। খুসখুসে কাশিই হোক কিংবা বদ হজম দূর করতে ওষুধ খেয়েও কাজ হয় না। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, আদার পানি খেলে খুব সহজেই মৌসুমি রোগ দূর করা সম্ভব।

১. হজমের সমস্যা, বুকজ্বালা বা গ্যাস অম্বলে আদা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. শরীরের ব্যথা কমাতে আদা খুবই উপকারি। আদার রসে উপস্থিত জিঞ্জেরল ব্যথানাশক ওষুধ আইবুপ্রোফেনের মতো কাজ করে।

৩. বছরখানেক আগে একদল মার্কিন গবেষক দাবি করেন, আর্থ্রাইটিস বা অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের প্রদাহের মতো সমস্যাও কমে যেতে পারে আদার রসে।

৪. মিশিগান ইউনিভার্সিটির মার্কিন গবেষকদের মতে, ক্যানসারের কোষগুলোর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে আদার রস।

৫. মাইগ্রেনের সমস্যা উপশমে আদার প্রভাব আশ্চর্য রকমের। আদার অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম।

৬. ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আদা অতুলনীয়। ক্যালরি চটজলদি বার্ন করতে সক্ষম এই উদ্ভিদ। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করায়,মেটাবলিজম রেট বাড়ায়, ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদা অত্যন্ত কার্যকরী। এর জন্য প্রতিদিন ৭৫ থেকে ১০০ মিলিগ্রাম আদাই যথেষ্ট।

৮. ঠাণ্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যায় আদার রস খুবই কার্যকরী।

৯. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,ব্যাক্টেরিয়াঘটিত যে কোনো সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।

১০. বমি বমি ভাব,শারীরিক অস্বস্তি কমাতে আদাকুচি মুখে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।

 #শীতে_শিশুর_সুস্থতায়_বাড়তি_সতর্কতাশীতে শিশুর রোগ মূলত এসময় শিশুরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠাণ্ডা, কাশি, সর্দি এবং অ্যাজমা...
14/12/2022

#শীতে_শিশুর_সুস্থতায়_বাড়তি_সতর্কতা

শীতে শিশুর রোগ
মূলত এসময় শিশুরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠাণ্ডা, কাশি, সর্দি এবং অ্যাজমায় বেশি আক্রান্ত হয়। আর সঙ্গে সিজোনাল জ্বর তো রয়েছেই।

সাধারণত পুষ্টিহীনতায় ভোগা, কম ওজনের শিশুরাই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।

সতর্কতা

• শিশুকে নিয়মিত হাত ধোয়ায় অভ্যাস করান

• খাবার তৈরির সময় ডায়াপার পরিবর্তন ও নাকের সর্দি মোছার হাত পরিষ্কার করুন

• শিশুকে শেখাতে হবে যে সে যেন তার চোখ ও নাকে হাত না দেয়। বাচ্চা যখন চোখ ও নাকে হাত দেয় তখন তার হাত থেকে জীবাণু শরীরে ঢুকে যায়

• আপনার শিশু যদি জ্বর, বমি, ডায়রিয়া ও চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত হয় তবে তাকে আশেপাশের বাচ্চাদের সংস্পর্শে যাওয়া থেকে বিরত রাখুন

• শিশু অসুস্থ হলে মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে এবং নিয়মিত খাবার খাওয়াতে হবে

• লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তার ঠাণ্ডা না লাগে

• তাদের ধুলাবালি থেকেও দূরে রাখতে হবে।

চিকিৎসা
নিউমোনিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা গেলে ১৫ দিনের চিকিৎসায়ই শিশু ভালো হয়ে যায়। আর ভাইরাস জনিত জ্বরও ৩-৫ দিনেই সেরে যায়। শিশুকে জন্মের পর থেকে সবগুলো টিকা দিন। টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও খাওয়াতে হবে। সবগুলো টিকা নিয়মিত দিলে শিশু বিভিন্ন মারাত্বক রোগ থেকে রক্ষা পায় এবং তার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

শিশু একটানা তিন দিনের বেশি অসুস্থ থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 #সবুজ_টমেটো_শরীরের_জন্য_কতটা_উপকারী?সবুজ টমেটো খেলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ি...
11/12/2022

#সবুজ_টমেটো_শরীরের_জন্য_কতটা_উপকারী?

সবুজ টমেটো খেলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-

প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে : ভিটামিন সি-তে ভরপুর সবুজ টমেটো এই মৌসুমে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও ভিটামিন সি শরীর থেকে আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।

অন্ত্রের জন্য ভাল : কাঁচা টমেটোয় যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার রয়েছে, যা এই শীতের সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি দেয়। এ ছাড়াও ক্যান্সার,হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এই টমেটো।

ত্বক এবং চোখের জন্য ভাল : টমেটোয় থাকা বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ তৈরিতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। ভিটামিন এ চোখের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে। পাশাপাশি, ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়িয়ে দেয়।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: সবুজ টমেটোয় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।

ক্যানসার প্রতিরোধী : টমেটোয় থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এই টমেটোয় উচ্চ মাত্রায় 'টমাটিন' নামক যৌগ থাকায় ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে শরীরে ছড়াতে দেয় না।

রান্নায় দেওয়ার পাশাপাশি সবুজ টমেটো সালাদ হিসেবে খেতে পারেন । এ ছাড়াও বানিয়ে নিতে পারেন সবুজ টমেটোর চাটনি।

গলা-বুক জ্বালাপোড়া করে কেন? কী সমাধানমুখ থেকে পাকস্থলীতে সংযোগ রক্ষা করে যে নালি তাকে খাদ্যনালি বা ইসোফেগাস বলে। খাদ্যনা...
06/12/2022

গলা-বুক জ্বালাপোড়া করে কেন? কী সমাধান

মুখ থেকে পাকস্থলীতে সংযোগ রক্ষা করে যে নালি তাকে খাদ্যনালি বা ইসোফেগাস বলে। খাদ্যনালির শেষ প্রান্তে ও পাকস্থলীর শুরুতে পেশিবহুল একটি ভাল্ব বা কপাটিকা থাকে। এ কপাটিকার কাজ হচ্ছে খাদ্যনালি থেকে খাবার এলে তা খুলে গিয়ে পাকস্থলিতে প্রবেশ করানো। এরপর দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে হজমের জন্য সজোরে সংকুচিত হয়। কিন্তু ভাল্ব দুর্বল হলে বা কোনো কারণে কাজ করতে অক্ষম হলে খাবার ওপরে উঠে আসে। ফলে পাকস্থলী থেকে উলটা পথে খাবার ও পাকস্থলীতে অবস্থিত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড এবং পিত্তরস খাদ্যনালিতে অর্থাৎ ওপরে উঠে আসে। ফলে হজম প্রক্রিয়ার ব্যাঘাত ঘটে। এটিই অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা রিগারজিটেশন। এর ফলে গলা-বুক জ্বালাপোড়া করে। হায়াটাস হার্নিয়া নামক রোগেও এ সমস্যা হয়।

কখন একে রোগ বলা হয়

কোনো ব্যক্তির অ্যাসিড রিফ্লাক্স যদি সপ্তাহে দুদিন বা তার বেশি হয় তখন রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এ সময় রোগীর নিত্যদিনের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে। চিকিৎসকরা ওষুধের পাশাপাশি তার জীবনাচরণ পরিবর্তনের পরামর্শ দেন। এ লক্ষণকে অবহেলা করা যাবে না। দেখা গেছে, রিফ্লাক্স ডিজিজে কোনো রোগী পাঁচ বছরের অধিক সময় ধরে ভুগতে থাকলে এবং এর চিকিৎসা না নিলে তার খাদ্যনালিতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। খাদ্যনালি চিকন বা সরু হয়ে গিয়ে রোগীর অস্বস্তিবোধ বাড়ে এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ব্যত্যয় ঘটায়। খাদ্যনালির এ অবস্থাকে ব্যারেট ইসোগাস বলে। শতকরা ২-৩ ভাগ রোগীর এ জটিলতা হয়। খাদ্যনালীর প্রাচীরে ইরোমেন বা ক্ষয় হলেও এ সমস্যা হয়।

কাদের এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি

প্রথম ও প্রধান কারণ হচ্ছে যারা স্থূলকায় বা শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আরেকটি কারণ হচ্ছে যাদের জন্মগতভাবেই এ কপাটিকা বা ভাল্বের গঠন দুর্বল। সঠিক ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্থ না হওয়াও এ রোগের কারণ। পেট ভরে খাওয়া বা মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া, খাবার তালিকায় বেশিরভাগ সময় চর্বি ও তেলজাতীয় খাবারের আধিক্য যাদের থাকে তাদের রিফ্লাক্স ডিজিজ হয়ে থাকে। জীবনাচরণের মধ্যে খাওয়ার পরপরই পানি খাওয়া, খাওয়ার পর পরই শুয়ে যাওয়া বা টাইট করে প্যান্টের বেল্ট বা পায়জামার গিঁট বাঁধা। এ ছাড়া যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল এবং যারা ধূমপান, অ্যালকোহল ও বেশি বেশি চা কফি পান করেন তাদের এ সমস্যার তীব্রতা বেশি হয়।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি

রোগীর লক্ষণ শুনেই প্রধানত এর ডায়াগনোসিস করা হয় ও ওষুধ দেওয়া হয়। এরপরও সমস্যা না কমলে এন্ডোসকোপির মাধ্যমে অন্ন নালির পিএইচ নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া এন্ডোসকপির আপারজিআইটি পরীক্ষা কখনো করা হয়। কোনো কোনো রোগীর রিফ্লাক্স ডিজিজের সঙ্গে পেট বা ডিওডেনামে আলসার বা ঘা বা ক্ষত থাকতে পারে যাকে পিইউডি (PUD) বলে।

রোগের ম্যানেজমেন্ট

রোগীকে প্রথমেই তাদের খাদ্যাভ্যাস, বদ অভ্যাস ও জীবনাচরণের পরিবর্তনের কথা বলা হয়। সঙ্গে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই) জাতীয় ওষুধ যাকে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বলা হয় তা ৬-৮ বা ১২ সপ্তাহের জন্য দেওয়া হয়। এ ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যানাটোপ্লাজল, র‌্যাবিপ্রাজল, ইসমোপ্রাজল, ওমিপ্রাজল, ল্যানসোপ্লাজল, ডেক্সল্যানসোপ্লাজল ইত্যাদি। দিনে কখনো একবার বা দুবার এ ওষুধ দেওয়া হয়। সাধারণত সকালে নাশতা খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এ ওষুধ সেবনের কথা বলা হয়। বলাইবাহুল্য, বাংলাদেশের সব ফার্মাসিউটিক্যালসে এ প্রোডাক্টগুলো রয়েছে এবং এ দেশে সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধ হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নামে পরিচিত এ ড্রাগগুলো। এ ছাড়া রোগের লক্ষণ ও চুকা ঢেঁকুর ওঠা কমানোর জন্য খাওয়ার পর সোডিয়াম এলজিনেট ও সোডিয়াম বাইকার্বোনেট নামক সিরাপ দেওয়া হয়। যা খাওয়ার পর খেতে হয়। রাতে লক্ষণ বেশি হলে এইচ টু ব্লকার বা ফ্যামেটিডিন জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। পেট ব্যথা বা কামড়ালে সুকরালফেট দেওয়া হয়।

কখন সার্জারি প্রয়োজন

২-৩ ভাগ রোগীর সার্জারি লাগে। এন্ডোসকোপির মাধ্যমে খাদ্যনালির ভেরিসেসের চিকিৎসা করা হয়। আমাদের দেশে মূলত অস্ত্রোপচারের সাহায্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর নাম ফানডোপ্লিকেশন। খাদ্যনালির মিউকাস রিসেকশন নামক অপারেশনও করা হয়। কেউ কেউ রেডিও ফ্রিকোরেন্সি অ্যাবলেশন বা ক্ষতস্থান পুড়িয়ে দেন। ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে বা ওষুধ যোগ করে এবং অবশ্যই লাইফস্টাইল পরিবর্তন করেও যদি সমাধান না হয় তবেই সার্জারি লাগে।

জরুরি বিষয় যা মেনে চলবেন

* পেট ভরে খাওয়া যাবে না, পাকস্থলীর এক-তৃতীয়াংশ খালি রাখতে হবে। যখন পেটে চাপ বোধ করবেন বা অস্বস্তি বোধ হবে তখনোই খাবার গ্রহণ বন্ধ রাখতে হবে।

* খাওয়ার পরপরই পানি না খেয়ে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর তা গ্রহণ করুন। পানি গ্রহণ অবশ্যই বসে ধীরে ধীরে করবেন। খাওয়ার মাঝে বা পরপরই অল্প পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে পেট যেন এক-তৃতীয়াংশ অবশ্যই খালি থাকে।

* ঘরে তৈরি ফ্রেশ খাবার গ্রহণ করুন। তৈলাক্ত, ভাজা-পোড়া, মসলা ও চর্বিযুক্ত এবং গ্রিল খাবার পরিহার করুন।

* ধূমপান, অ্যালকোহল পান বন্ধ করুন। চা, কফিতে সমস্যা হলে তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকুন। অনেকের দুধ বা দুধজাতীয় খাবারে বা চকোলেটে এ সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে এ খাবার বাদ দিন।

* কিছু ওষুধ যেমন-উচ্চরক্তচাপের ওষুধ ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, মানসিক অবসাদ দূর ও ঘুমের ওষুধে এ রিফ্লাক্স ডিজিজ হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

* খাওয়ার পর পরই শুতে বা ঘুমাতে যাওয়া যাবে না কিংবা শারীরিক কোনো পরিশ্রম করবেন না। খাওয়ার আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত।

* গর্ভবতীদের যেহেতু পেটের ওপর চাপ বাড়ে তাই পাকস্থলীর মুখের ভাল্ব দুর্বল হয়ে এ লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে জীবনধারার পরিবর্তন করতে পারলেই উপকার পাওয়া যায়।

* রাতে এর লক্ষণ কমানোর জন্য বালিশ ৪-৮ ইঞ্চি উঁচু করে মাথা রেখে শোয়া ভালো।

* বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে তাই এ সাবধানতা মেনে চলা উচিত।

Address

25/5, Taj Square, Tajmahal Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NetMed24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to NetMed24:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram