05/07/2024
চলতি বর্ষা মৌসুমে অনেকেই জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। শরীরে জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথম ৭২ ঘন্টার মধ্যে অবশ্যই এনএস -১ (নন স্ট্রাকচারাল প্রোটিন-ডেঙ্গু পরীক্ষা) পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলেন ইমিরেটাস অধ্যাপক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। সম্প্রতি ডক্টর টিভি প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে এ পরামর্শ দেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, জ্বর আসার প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ডেঙ্গু এনএস১ পরীক্ষা করা উচিত। জ্বর আসার তিন দিনের মধ্যে করালেও হয়, তবে তিন দিন পর এনএস১ পরীক্ষা করালে কোনো লাভ হয় না।
ডেঙ্গু এনএস১ টেেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ হলে রোগীর ডেঙ্গু হয়েছে বলে ধরা হয়। আবার অনেক রোগীর ডেঙ্গু হলেও রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। সঠিক সময়ে টেস্ট করা করালে এমন ফল আসতে পারে। কেননা জ্বর আসার প্রথম তিন দিন পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তের মধ্যে পজিটিভ থাকে। এরপর তা নেগেটিভ হয়ে যায়। তখন রক্তে ওই ভাইরাসের উপস্থিতি মেলে না।
ডেঙ্গু জ্বর হলে শুধু প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ খেতে হবে। কোনোমতেই ব্যথার ওষুধ সেবন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকজাতীয় ওষুধ সেবন করা যাবে না। এসময় রোগীদের স্যালাইন, শরবত তথা তরল জাতীয় পানীয় গ্রহণ করার পরামর্শ দেন অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার ডেঙ্গু আক্রান্তদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন মনে করলে তারা অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হবেন। বিশেষ করে যেসব ডেঙ্গুরোগী ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি, লিভারের মতো জটিল রোগে ভুগছেন (কো-মরবিডি), তাদের কিছুতেই বাড়িতে রাখা যাবে না। অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হবেন।
অন্যরাও ডেঙ্গু শনাক্তের পর চিকিৎসকের পরামর্শমাফিক হাসপাতালে ভর্তি হবেন। কেননা দেরি করে হাসপাতালে ভর্তি হলে জটিলতা বাড়ে।
ডেঙ্গুরোগী হলেই রক্তে প্লেটলেট দরকার হয় না। রক্তের ক্ষয়জনিত হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বা রক্তাল্পতা, হেমোটোক্রিট এবং লাল রক্তকণিকার পরিমাণ (আরবিসি) জানতে কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি) পরীক্ষাটা বেশ ভূমিকা রাখে। সিবিসির রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকরা মারাত্মক ডেঙ্গু হচ্ছে কি না, সেটা বুঝতে পারেন এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেন।
ডা. আবদুল্লাহ আরও বলেন, প্লাটিলেট কাউন্ট ৪ বা ৫ দিন পর কমতে শুরু করে, তাই জ্বর শুরুর ৪-৫ দিন পর রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। আবার অনেকেই দিনে দুই তিনবার, এমনকি একই সঙ্গে একাধিক ল্যাবরেটরি থেকে প্লাটিলেট কাউন্ট করে থাকেন, যা অপ্রয়োজনীয়। মনে রাখতে হবে, প্লাটিলেট কাউন্ট ৪ বা ৫ দিন পর থেকে কমতে শুরু করে, তাই জ্বর শুরুর ৪ বা ৫ দিন পর রক্ত পরীক্ষা করা উচিত বলে জানান তিনি।
☎ HOTLINE : 01711-220499
সূর্যের হাসি ক্লিনিক, ওয়ারী
৭২ বিসিসি রোড, ওয়ারী ঢাকা-১২০৩
জয় কালী মন্দিরের পশ্চিম পাশে
ফোন ০২-৪৭১১৬৭৫৮
মোবাইল ০১৮১১২২০৪৯৯
#সূর্যের_হাসি_ক্লিনিক_ওয়ারী