Health & Safety

Health & Safety Health & Safety
We are concern about your good health and safety. Health & Safety is a Medical & Surgical Equipment Retail Shop in Dhaka, Bangladesh.

We provide protective devices for Doctors, Workers & Industrials purposes like Surgical Face Mask, 3M N95 1860/8210 USA Protective Goggles, 3M/China PPE, Hand Gloves , Pulse Oximeter & Hand Sanitizer etc. We delivery these products to your door to door. We are concern about your good health & safety.

গতকাল মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৮৫০ জন ভর্তি রয়ে...
09/09/2022

গতকাল মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৮৫০ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭১১ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৩৯ জন।এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে আগস্টে মারা গিয়েছেন ১১ জন।

সুত্রঃ জাগোনিউজ২৪.কম

05/06/2021

আমি বিভিন্ন ভাবে আপনাদের সাবধান করার চেস্টা করছি দয়া করে বাচ্চাদের মুখে বিষ তুলে দিবেন না । নিজের আপন বাচ্চাকে আমরা বুঝে না বুঝে বিষ খাওয়াচ্ছি । বাজারে প্রাপ্ত হরেক রকমের চিপস, জুস, চকলেট, চুয়িংগাম, লাচ্ছি, লিচু, যত রকমের কোমল পানীয় ইত্যাদি বাচ্চাদের খাবার যা কিনা ক্যামিক্যালের তৈরী এবং সেগুলো যাতে না পঁচে তার জন্য ব্যাবহৃত প্রিজারভেটিভ সেটাও কেমিক্যাল । এত্ত এত্ত ক্যামিকালে তৈরী খাবার আমরা বাচ্চাদের মুখে তুলে দিচ্ছি । যে কারনে, অতীত যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে বাচ্চারা বেশী বেশী অসুস্হ হয়ে ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হচ্ছে।

এই মাত্র একটি বাচ্চা আমার চেম্বারে আসলো । প্রানের লাচ্ছিতে মাত্র দুইটা চুমুক দিছে, ওমনি তার মনে হল মুখের ভেতর পিপড়ায় কামড় দিচ্ছে (ছোট বাচ্চা বুঝিয়ে বলতে পারছে না ) এর প্রায় সাথে সাথেই তার সমস্ত মুখমন্ডল , শরীর ফুলে লাল হয়ে যাচ্ছে এবং চুলকাচ্ছে মেডিক্যালের ভাষায় যেটাকে আমরা আর্টিকেরিয়া (Articaria) বলে থাকি । যদিও যে কোন ফুডে এ্যালার্জী থাকলে এমন হতে পারে, তবুও আমি বলবো এধরনের ক্যামিক্যাল যুক্ত খাবার আপনাদের শিশুকে যেকোন মুহুর্তে বিপদে ফেলতে পারে; আর এটার দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি আরো মারাত্নক যা কিনা আপনাকে বয়ে বেড়াতে হবে সুদীর্ঘ সময় । তাই এখনই সময় শিশুদের ঘরের তৈরী খাবার খাওয়ান বাজারের বিষাক্ত খাবার গুলো থেকে দুরে রাখুন নিজেরাও ঐ সকল খাবার থেকে বিরত থাকুন । ধন্যবাদ সবাইকে।

⛔🆘 সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার যখন আট থেকে দশ শতাংশ, তখন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। ⛔🆘
25/05/2021

⛔🆘 সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার যখন আট থেকে দশ শতাংশ, তখন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। ⛔🆘

সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণ আকস্মিকভাবে কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের অন্য অঞ্চলেও তা ছড়িয়ে .....

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনদিন আগে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি। মঙ...
25/05/2021

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনদিন আগে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মে) মাইক্রোবায়োলজির প্রাথমিক পরীক্ষায় মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। আরও একজন উপসর্গ নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

দেশে ভয়াবহ ভারতীয় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনদ

23/05/2021

🌀 ভয়ংকর ঘূর্নিঝড়ের তান্ডব শুরু 🌀
📣 রাত থেকেই শুরু হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস,আবহাওয়া অফিসের কড়া হুশিয়ারী। 📣

😇 আসসালামু আ'লাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুল্লাহ 😇🕌┏━━━━━━━ ﷽━━━━━━┓🕌🕋 📿 পবিত্র জুমু'আ মোবারক 📿 🕋🕌┗━━━━━━━ ﷽━━━━...
21/05/2021

😇 আসসালামু আ'লাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুল্লাহ 😇

🕌┏━━━━━━━ ﷽━━━━━━┓🕌
🕋 📿 পবিত্র জুমু'আ মোবারক 📿 🕋
🕌┗━━━━━━━ ﷽━━━━━━┛🕌

#পবিত্র_জুমুআ_দিনে_কয়েকটি_আমলঃ

১. সূরা কাহাফ পড়া (পুরো না পারলে প্রথম ১০ আয়াত)।

২. বেশি বেশি দুরুদ পড়া‌।

৩. আসতাগফিরুল্লাহ পড়া বেশি বেশি।

৪. আছর- মাগরিব পর্যন্ত সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা। ( এই সময়ের দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন ইনশা আল্লাহ) আমিন 🤲😇💐

ফিলিস্তিনে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।  😇💐  🇧🇩🇵🇸 😇💐🇵🇸
19/05/2021

ফিলিস্তিনে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
😇💐
🇧🇩🇵🇸 😇💐🇵🇸

اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ 😇🌙 ঈদের দিন পরস্পরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত ও মত ...
15/05/2021

اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ 😇

🌙 ঈদের দিন পরস্পরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত ও মত বিনিময়কালে রোজা ও রমজানের ভালো কাজগুলো কবুলের জন্য একে অপরের জন্য আমরা বেশি বেশি দোয়া করবঃ

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ صَالِحَ الأَعْمَالِ

উচ্চারণঃ ‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম সালিহাল আ’মাল।’

অর্থঃ ‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের ও আপনাদের ভাল কাজগুলো কবুল করুন।’
(বায়হাকি, হাদিস : ৩/৪৪৬)

🌙 রমজান মাসব্যাপী রোজা পালন, তারাবিহ, তাহাজ্জুদসহ নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত এবং মানুষের ভালো কাজগুলো কবুলে একে অপরের জন্য দোয়া ও কল্যাণ কামনা রয়েছে এ দোয়ায়।

🌙 মহান রাব্বুল আলামীন মুসলিম উম্মাহকে ঈদের দিন পরস্পরের সাক্ষাত ও মত বিনিময়কালে এ দোয়া বেশি বেশি করার তাওফিক দান করুন।
আমিন। 😇💐👍

#ঈদের_দিন_পরস্পরের_সঙ্গে_দেখা_সাক্ষাতে_যে_দোয়া_পড়তে_হবে

প্রশ্নঃ সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম কি? এর কোন সহিহ দলিল আছে কিনা?সালাতুত তাসবি নামাজ ২টি নিয়মে পরা যাবে সবাইকে পড়ার অনু...
09/05/2021

প্রশ্নঃ সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম কি? এর কোন সহিহ দলিল আছে কিনা?

সালাতুত তাসবি নামাজ ২টি নিয়মে পরা যাবে সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো,

#সালাতুত_তাসবির_নামাজের_গুরুত্ব_ও_ফজিলত।

🌿নিয়্যতঃ
━━━━━━━━━━━

নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা আরবা’আ রাকাআতি ছালাতিল তাসবীহ সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তায়ালা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবর।

অর্থঃ সালাতুত তাসবিহ চার রাকাত নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে কিবলামূখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবর ।

🌿আদায়ের সময়ঃ
━━━━━━━━━━━

জাওয়াল,সুর্যাস্ত,সূর্যোদয়,নামায এর জন্য নিষিদ্ধ ও মাকরুহ সময় বাদে দিন অথবা রাতের যেকোন সময় একবারে চার রাকাত এ এই নামায আদায় করতে হয়। কিন্তু যোহরের আগে পড়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

[ফাত্বয়াহ আলামগীরী]

🌿সালাতুল তাসবিহ নামাজের নিয়মঃ
━━━━━━━━━━━

চার রাকাত নামায।প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর,যে কোন সূরা পড়তে পারেন।তবে এই নামাযে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে,চার রাকাতে মোট (৭৫✖৪=৩০০) বার তাসবীহ পড়তে হবে।

🌺 ১ম নিয়ম 🌺
━━━━━━━━━━━

🌴তাসবীহ কিভাবে পরব?

سُبْحاَنَ الله وَالْحَمدُ للهِ وَلآَ اِلَهَ اِلاَّاللهُ وَاللهُ اَكْبرُ

উচ্ছারন: সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

●১. ১ম রাকাত এ সানা পড়ার পরে তাসবীহ টি ১৫ বার পড়তে হবে

●২. তারপর স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা অথবা অন্তত তিন আয়াত পড়ার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে।

●৩. এরপর রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ পরার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে

●৪. এরপর রুকু হতে দাড়িয়ে গিয়ে “রাব্বানা লাকাল হামদ” পড়ার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।

●৫. এরপর সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।

●৬. প্রথম সিজদা থেকে বসে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।

●৭. এরপর আবার সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।

●৮. তারপর একই ভাবে ২য় রাকাত পড়তে হবে, (সুরা ফাতিহা পড়ার আগে তাসবীহ টি ১৫ বার পড়তে হবে।)

●৯. অতপর ২য়রাকাত এর ২য় সিজদার পর “আত্তহিয়্যাতু…”, দরুদ আর দোয়া পড়ার পরে সালাম না ফিরিয়ে,২য় রাকাত এর মতো ৩য় এবং ৪থ রাকাত একই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। (তাসবীহ টি ১৫ বার পড়ে স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা পড়তে হবে)।

❏কোন এক স্থানে উক্ত তাসবীহ পড়তে সম্পূর্ণ ভুলে গেলে বা ভুলে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম পড়লে পরবর্তী যে রুকনেই স্মরণ আসুক সেখানে তথাকার সংখ্যার সাথে এই ভুলে যাওয়া সংখ্যাগুলোও আদায় করে নিতে হবে। আর এই নামাযে কোন কারণে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হলে সেই সিজদায়ে সাহুর সিজদা এবং তার মধ্যকার বৈঠকে উক্ত তাসবীহ পাঠ করতে হবে না। তাসবীহের সংখ্যা স্মরণ রাখার জন্য আঙ্গুলের কর গণনা করা যাবে না,তবে আঙ্গুল চেপে স্মরণ রাখা যেতে পারে।

❏আর কেহ যদি উপরোক্ত তাসবীহ বা কলেমার পরে “ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম” এই কালিমা যোগ করে তা অতি উত্তম । হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

[সূত্রঃ- এহইয়াউ উলুমুদ্দীন]

ইবনুল মুবারক ও অন্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সালাতুত তাসবীহ ও তার ফাযীলাত প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন।

আবু ওয়াহব বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে সালাতুত তাসবীহ প্রসঙ্গে আমি প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার বলবে, অতঃপর “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহ গাইরুকা" পাঠ করবে। অতঃপর পনের বার “সুবহানাল্লাহি ওয়াল-হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর আউযু বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং সূরা ফাতিহা ও তার সাথে অন্য সূরা পাঠ করবে। অতঃপর দশবার সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর রুকূতে গিয়ে দশবার, রুকু হতে মাথা তুলে দশবার, সাজদাহয় গিয়ে দশবার, সাজদাহ হতে মাথা তুলে দশবার এবং দ্বিতীয় সাজদাহয় দশবার উক্ত দু’আ পাঠ করবে। এভাবে চার রাকাআত নামায আদায় করবে। এতে প্রতি রাকাআতে পঁচাত্তর বার পাঠ করা হবে। প্রতি রাকাআতের প্রথমে এ দু’আ পনের বার পাঠ করবে, অতঃপর দশবার করে উক্ত দু’আ পাঠ করবে। যদি এ নামায রাতের বেলা আদায় করা হয় তবে আমি প্রতি দুই রাকাআত পর পর সালাম ফিরানো ভাল মনে করি। আর যদি দিনের বেলা আদায় করে তবে চাইলে দুই রাকাআত পর পর বা চার রাকাআত পরও সালাম ফিরাতে পারে।

আবু ওয়াহব বলেন, ‘আবদুল আযীয আমাকে জানিয়েছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেছেন, রুকু সাজদায় পরযায়ক্রমে তিনবার করে সুবহানা রব্বিয়াল আযীম' ও 'সুবহানা রব্বিয়াল আলা' পাঠ করার পর উল্লেখিত দু’আ পাঠ করবে। আবদুল আযীয বলেন, আমি ইবনুল মুবারককে প্রশ্ন করলাম, যদি এ নামাযে ভুল হয়ে যায় তবে ভুলের সাজদাহতে উক্ত দু’আ পাঠ করতে হবে? তিনি বললেন, না, এ দু’আ তো মোট তিনশো বার পাঠ করতে হবে। -সহীহ। তা’লীকুর রাগীব- (১/২৩৯)

বিঃ দ্রঃ সালাতুত তাসবীহ পড়ার আরো একটি নিয়ম রয়েছে। তবে উপরোল্লিখিত নিয়মটি উত্তম।

🌺 দ্বিতীয় নিয়ম 🌺
━━━━━━━━━━━

ইমাম তিরমিযী (رحمة الله) প্রখ্যাত তাবে-তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারাক (رحمة الله)-(ইন্তেকাল:১৮১ হি:) থেকে “সালাতুত তাসবীহ” আদায়ের আরেকটি নিয়ম উল্লেখ করেছেন।আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (رحمة الله) এর মতে এ অতিরিক্ত যিকর আদায়ের নিয়ম হলো:

●১. নামায শুরু করে শুরুর দোয়া বা সানা পাঠের পরে তাসবিহ ১৫ বার।

●২. সূরা ফাতেহা ও অন্য কোনো সূরা শেষ করার পরে এ তাসবিহ ১০ বার।

●৩. রুকুর তসবিহ পাঠ করার পর ১০ বার এ তাসবিহ।

●৪. রুকু থেকে রাব্বানা লাকাল হামদ বলে উঠে ১০ বার এ তাসবিহ।

●৫. প্রথম সিজদায় "সুবহানা রাব্বি আল আ'লা" ৩ বার পড়ে এ তসবিহ ১০ বার।

●৬. দুই সিজদার মাঝে ১০ বার এ তাসবিহ ও দ্বিতীয় সিজদায় আবার ১০ বার। মোট ৭৫ বার প্রতি রাক’আতে।

অর্থাৎ, এই নিয়মে কিরাআতের পূর্বে ও পরে দাঁড়ানো অবস্থায় ২৫ বার তাসবীহ পাঠ করা হয় আর দ্বিতীয় সিজদার পরে বসা অবস্থায় কোনো তাসবীহ পড়া হয় না।পূর্বের হাদীসে বর্ণিত নিয়মে কিরাআ’তের পূর্বে কোনো তাসবীহ নেই। দাঁড়ানো অবস্থায় শুধু কিরাআতের পরে ১৫ বার তাসবীহ পড়তে হবে। প্রত্যেক রাক’আতে দ্বিতীয় সিজদার পরে বসে ১০ বার তাসবীহ পড়তে হবে।

[মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে বুজ দান করুন।আমিন।]

🌿সালাতুত তাসবিহ নামাজ সুন্নাত নাকি নফল?
━━━━━━━━━━━

জবাব:

এই নামাজ জীবনে অন্তত একবার আদায় করার উপর অত্যাবশ্যক বা জোর দেয়া হয়েছে। আর পরবর্তী বার এটা সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদাহ কিংবা নফল হিসেবে গন্য হবে।

ফরজ ও ওয়াজিবের পরবর্তী পর্যায়ের নাম সুন্নাত। এই সুন্নাত আবার দুই প্রকারঃ

১) সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ (যা ছাড়লে কবীরা গুনাহ হয়)

২) সুন্নাতে জায়েদা বা সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদাহ (এটি ঐচ্ছিক সুন্নাত, পড়লে সওয়াব আছে, ছাড়লে গুনাহ নেই)

হাদিস শরীফে ইরশাদ হয়েছেঃ

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ لِلْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ: يَا عَبَّاسُ، يَا عَمَّاهُ، ” أَلَا أُعْطِيكَ، أَلَا أَمْنَحُكَ، أَلَا أَحْبُوكَ، أَلَا أَفْعَلُ لَكَ عَشْرَ خِصَالٍ إِذَا أَنْتَ فَعَلْتَ ذَلِكَ، غَفَرَ اللَّهُ لَكَ ذَنْبَكَ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَقَدِيمَهُ وَحَدِيثَهُ، وَخَطَأَهُ وَعَمْدَهُ، وَصَغِيرَهُ وَكَبِيرَهُ، وَسِرَّهُ وَعَلَانِيَتَهُ، عَشْرُ خِصَالٍ: أَنْ تُصَلِّيَ أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ، تَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٍ، فَإِذَا فَرَغْتَ مِنَ الْقِرَاءَةِ فِي أَوَّلِ رَكْعَةٍ، قُلْتَ وَأَنْتَ قَائِمٌ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ خَمْسَ عَشْرَةَ مَرَّةً، ثُمَّ تَرْكَعُ فَتَقُولُ وَأَنْتَ رَاكِعٌ عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ الرُّكُوعِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَهْوِي سَاجِدًا فَتَقُولُهَا وَأَنْتَ سَاجِدٌ عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ السُّجُودِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَسْجُدُ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ السُّجُودِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، فَذَلِكَ خَمْسَةٌ وَسَبْعُونَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ، تَفْعَلُ فِي أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ، إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تُصَلِّيَهَا فِي كُلِّ يَوْمٍ مَرَّةً فَافْعَلْ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَفِي كُلِّ جُمُعَةٍ مَرَّةً، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَفِي كُلِّ شَهْرٍ مَرَّةً، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَفِي عُمُرِكَ مَرَّةً“

ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আব্বাস ইবনে আব্দিল মুত্তালিব (رضي الله عنه) কে বলেছেন,হে চাচা! আঁমি কি আপনাকে দেব না? আঁমি কি আপনাকে প্রদান করব না? আঁমি কি আপনার নিকটে আসব না? আঁমি কি আপনার জন্য দশটি সৎ গুনের বর্ণনা করব না যা করলে আল্লাহ তা’আলা আপনার আগের ও পিছনের,নতুন ও পুরাতন,ইচ্ছায় ও ভুলবশত কৃত,ছোট ও বড়, গোপন ও প্রকাশ্য সকল গুনাহ মাফ করে দেবেন? আর সে দশটি সৎ গুন হলো:

❏ আপনি চার রাকাত নামাজ পড়বেন।

❏ প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়বেন।

❏ প্রথম রাকাতে যখন কিরা’আত পড়া শেষ করবেন তখন দাঁড়ানো অবস্থায় ১৫ বার বলবেন:

سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

❏ এরপর রুকুতে যাবেন এবং রুকু অবস্থায় (উক্ত দো’আটি) ১০ বার পড়বেন।

❏ এরপর রুকু থেকে মাথা ওঠাবেন এবং ১০ বার পড়বেন। এরপর সিজদায় যাবেন। সিজদারত অবস্থায় ১০ বার পড়বেন।এরপর সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন অতঃপর ১০ বার পড়বেন। এরপর আবার সিজদায় যাবেন এবং সিজদারত অবস্থায় ১০ বার পড়বেন। এরপর সিজদা থেকে মাথা ওঠাবেন এবং ১০ বার পড়বেন। এ হলো প্রতি রাকাতে ৭৫ বার। আপনি চার রাকাতেই অনুরূপ করবেন। যদি আপনি প্রতিদিন আমল করতে পারেন, তবে তা করুন। আর যদি না পারেন,তবে প্রতি জু’মাআয় একবার। যদি প্রতি জু’মাআয় না করেন তবে প্রদি মাসে একবার। আর যদি তাও না করেন তবে জীবনে একবার।

●(ক.) সুনানে আবু দাউদ,হাদীস নং- ১২৯৭

●(খ.) সুনানে ইবনে মাজাহ,হাদীস নং- ১৩৮৭

●(গ.) সহীহ ইবনে খুজাইমা,হাদীস নং- ১২১৬

●(ঘ.) সুনানে বায়হাকী কুবরা,হাদীস নং- ৪৬৯৫

●(ঙ.) তিরমিযি- ১/১০৬,হাদিস নং- ১২৯৯

[হাদীসটি সহীহ।]

🌱 উক্ত হাদীসকে যারা সহীহ বলেছেন🌱
━━━━━━━━━━━

●১. ইমাম আবু দাউদ,হাদীস নং-১২৯৭

[ইমাম আবু দাউদ হাদীস বললে,চুপ থাকলে সেটি তার কাছে সহীহ।]

●২. ইবনে হাজার আসকালানী (رحمة الله) বলেন, এর সনদটি হাসান। [আলখিছাল-১/৪১]

●৩. আল্লামা ওয়াদেয়ী বলেন,হাসান।

[সহীহুল মুসনাদ,হাদীস নং-৫৮২]

●৪. ইবনুল মুলাক্কিন বলেন,এর সনদ উত্তম।

[আবদরুল মুনীর-৪/২৩৫]

●৫. ইবনে হাজার আসকালানী (رحمة الله) বলেন,হাসান।

[তাখরীজুল মিশকাতুল মাসাবীহ-২/৭৮]

●৬. আহলে হাদিস গুরু নাসীরুদ্দীন আলবানী বলেছেন,হাদীসটি সহীহ।

[সহীহুল জামে,হাদীস নং-৭৯৩৭]

●৭. ইমাম তিরমিযি (رحمة الله) ‘সালাতুত তাসবিহ-সংক্রান্ত হাদিসকে বলেছেন : حسن صحيح আল-মুসতাদরাক কিতাবের মধ্যে এ হাদিস সম্পর্কে মন্তব্য করা হয়েছে : هذا حديث صحيح على شرط مسلم و شاهده حديث اليمانيين في صلاة التسبيح

তাছাড়া নাসির উদ্দিন আলবানি সালাতুত তাসবিহ’র হাদিস সম্পর্কে বলেছেন :

حسن الإسناد

[তিরমিযি হাশিয়াসহ : ২য়খন্ড,৩৪৭]

●৮. তুহফাতুল আহওয়াযির লেখক বলেন :

كان عبد الله بن المبارك يفعلها وتداولها الصالحون بعضهم من بعض وفيه تقوية للحديث المرفوع

অর্থ : আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (رحمة الله) সালাতুত তাসবিহ আদায় করতেন। নেককার-বুযুর্গগণ একজনের কাছ থেকে আরেকজন এ নামায শিখতেন। এর দ্বারা মারফু হাদিস আরো শক্তিশালী হয়েছে। অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের মতো মুহাদ্দিস এবং বুযুর্গ ব্যক্তিবর্গ সালাতুত তাসবিহ পড়ার দ্বারা বুঝা যায়, মারফু হাদিসটি সহিহ ও আমলযোগ্য। কারণ, কোনো বিষয়ে সালাফদের আমল থাকার অর্থই হচ্ছে বিষয়টি প্রমাণিত।

[২য় খণ্ড, পৃষ্ট: ৪৮৯]

●ইমাম তিরমিযিও প্রায় এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। সালাতুত তাসবিহ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে উক্ত হাদিসের অধীনে যে-কোনো ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখা যেতে পারে।

●এছাড়াও ইমাম দারা কুতনী (رحمة الله),খতীব আল বাগদাদী (رحمة الله),আবু মুসা আলা মাদানী, ঈমাম হাকেম (رحمة الله), ঈমাম সুয়ুতী (رحمة الله) প্রমুখ সহীহ বলেছেন।

এতগুলো মুহাদ্দিস হাদিসটি সহীহ ও হাসানের মর্যাদা দেবার পরও একে বাতিল বলা ধৃষ্ঠতা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।

●আর যারা দুর্বল বলেছেন তারা হলেন: ইমাম ইবনুল জাউযী,সিরাজুদ্দীন আল কাজউয়ীনী,ইবনে তাইমিয়াহ প্রমুখ।

তবে সার্বিক বিবেচনায় হাদীসটি হাসান,যা সহিহ হাদীসের আওতাভুক্ত। অতএব এ হাদীস অনুযায়ী আমল করা শুদ্ধ হবে। তারপরও একটি দলিল উপস্থাপন করলাম।যারা কথায় কথায় উক্ত ফজিলতপূর্ন আমলটিকে বাতিল বা বিদ’আত বলে ফতোয়া দেন তাদের জন্য:

●(ক.) দূর্বল হাদীসের ব্যাপারে ইমাম সুয়ুতি (رحمة الله) আর ইমাম নববীর বক্তব্য দেখুন-“দূর্বল (যদি জাল না হয় বা এর বিপরীতে সহীহ হাদীস বিদ্যমান না থাকে তবে সে) হাদীসের উপর আমল করা জায়েয বরং মুস্তাহাব”

[ইমাম নববী,আল আযকার,পৃঃ ৭]

●(খ.) “ফজিলতের ক্ষেত্রে দূর্বল গ্রহনযোগ্য”

[সূয়ূতী,তাদরীর রাবী ১/৩৫০; আবদুল হাই লাখনবী,যাফরুল আমানী ২০৯-২২৪]

লাইলাতুল কদরে বেশি বেশি পাঠ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাতটি সহিহ যিকর ও তাসবিহ➖➖➖➖➖◄◖❂◗►➖➖➖➖➖✴️ [যিকর নং: ০১] সুবহানাল্লাহ্...
09/05/2021

লাইলাতুল কদরে বেশি বেশি পাঠ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাতটি সহিহ যিকর ও তাসবিহ
➖➖➖➖➖◄◖❂◗►➖➖➖➖➖
✴️ [যিকর নং: ০১] সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে পড়া।
রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, সে ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ্’ বলবে, সে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সওয়াব পাবে;
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে, সে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সওয়াব পাবে;
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ২/১২৫২; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬/৩৪৪; হাদিসটি হাসান]
✴️ [যিকর নং: ০২] একটি গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ কমপক্ষে ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করা।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে—
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ
[মোটামুটি উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর]
অর্থ: আল্লাহ্ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা কেবল তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
◉ সে ১০টি গোলাম মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
◉ তার জন্য ১০০ সওয়াব লেখা হবে;
◉ তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে;
◉ ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং (সন্ধ্যায় বা রাতে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে)
◉ ওই দিনের হিসেবে কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে বেশি পড়বে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৩২৯৩; আবু দাউদ, আস-সুনান: ৫০৭৭]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেকটি দশবার করে বলবে, সে ইসমাঈল (আ.)-এর বংশের চারজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেওয়ার নেকি পাবে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৪]
✴️ [যিকর নং: ০৩] লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ খুব বেশি পরিমাণে পড়তে থাকা।
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘সর্বশ্রেষ্ঠ যিকর হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৩৮৩; হাদিসটি হাসান]
✴️ [যিকর নং: ০৪] ‘সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়া বিহামদিহি’ বেশি পরিমাণে পাঠ করা।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি—
سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وبِحَمْدِهِ
(সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়া বিহামদিহি—মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত; প্রশংসা কেবল তাঁরই) পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৪৬৪; হাদিসটি হাসান সহিহ]
✴️ [যিকর নং: ০৫] ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম’ বেশি করে পড়া।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা উচ্চারণে সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তা হলো—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বি‘হামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম।
অর্থ: আল্লাহ পবিত্র, প্রশংসা কেবল তাঁরই; মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত। [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৬]
✴️ [যিকর নং: ০৬] ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ ১০০ বার বা আরো বেশি পাঠ করা।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যদি কেউ দিনের মধ্যে ১০০ বার পড়ে—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ
(সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি—আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত; তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা) তার সকল (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৫]
✴️ [যিকর নং: ০৭] লা ‘হাউলা ওয়া লা কুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ’ বেশি বেশি পাঠ করা।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না?” আমি বললাম, নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বলেন, “তুমি বলো—
لَا ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
[উচ্চারণ: লা ‘হাউলা ওয়ালা ক্বুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ]
অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় নেই এবং (নেক আমল করার) কোনো শক্তি কারো নেই।’’ [বুখারি আস-সহিহ: ৪২০৬; মুসলিম, আস-সহিহ: ২৭০৪]
রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা রামাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ২০২০]
সুতরাং আজ রাতেও আমরা সাধ্যানুযায়ী নেক আমল করবো ইনশাআল্লাহ্। প্রকৃতপক্ষে, শেষ দশকের প্রতিটি রাতই সম্ভাবনাময়, যদিও বেজোড় রাতগুলোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। আর, আজ ২৫ তম রাত। সুতরাং, অবহেলা না করি।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের চিত্র...করোনাভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় ব্যাখ্যা...
08/05/2021

গত বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের চিত্র...

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ পাবেন এখানে--> https://t.co/GwRX1Kfql0 https://t.co/qWWzNRkNZV

Address

Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health & Safety posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram