এসো হোমিও শিখি

  • Home
  • এসো হোমিও শিখি

এসো হোমিও শিখি এসো হোমিও শিখি হেসে খেলে আনন্দের সাথে ১ম বর্ষে সিলেবাস অনুযায়ী ধারাবািহিকভাবে

17/01/2023

প্রশ্নঃ ২.৪৬ নিউমোনিয়ায় রোগে একোনাইটের লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
নিউমোনিয়ার প্রথম অবস্থায় যখন জ¦র বেশী থাকে এবং জ¦র আসিবার পূর্বে শীত লাগে তখন একোনাইট উপযোগী। শ্বাসনালীতে রক্ত সঞ্চয় হেতু প্রদাহ লক্ষণ বর্তমান থাকে। সাধারণতঃ নিউমোনিয়ার সহিত শুস্ক,তীব্র ও কষ্টকর কাশি থাকে। রক্ত কষের মত বা পানির মত গলায় উঠে আসে এবং উহাতে সামান্য রক্তের ছিট থাকে। রোগীর খবি ছটফটানি থাকে।

প্রশ্ন ২.৪৭ একোনাইটের হাঁপানী রোগের লক্ষণ লিখ।
উত্তরঃ
ফুসফুস ও মস্তিস্কে রক্তাধিক্য বশতঃ হাঁপানী। মুখশ্রী লাল, একবারে বেশী কথা বলতে পারা যায় না। শরীরের কোন তরুন উদ্ভেদ বসিয়া যাইবার ফলে হাঁপানী হলেও উহা উপকারী। হাঁপানী কাশির প্রথম অবস্থায় যখন প্রবল টান থাকে তখন ইহার ১ী ২/৩ ফোটা ২ আউন্স পানির সাথে মিশিয়ে ১ ঘন্টা পর পর সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। একোনাইটের লক্ষণযুক্ত হাঁপানীতে লালবর্ণের অতিসামান্য পরিমানে স্রাব হয়।

28/11/2022

১ম বর্ষের সিলেবাস অনুযায়ী

প্রশ্নঃ ২.৩৬ একোনাইট ন্যাপিল্যাস এ মৃত্যুভয় লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
মৃত্যুভয় হয়।মৃত্যু সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী করে। মৃত্যুর সময় নির্দিষ্ট করে বলে। রোগী আত্মীয়-স্বজদের অস্থির করে তোলে। শিশুরা মাকে দূরে যেতে দেয় না।

প্রশ্নঃ ২.৩৭ ”মৃত্যুভয় ও অস্থিরতা” একোনাইটের রোগীর আপনজনকে আরও অস্থির করে তোলে- আলোচনা কর।
উত্তরঃ
হঠাৎ করে রোগলক্ষণ দেখা দেয়। দেখেতে দেখতে রোগ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। রোগী অস্থির হয়ে ওঠে। অস্থিরতায় রোগী ছটফট করতে থাকে। মনে হয় এখনই প্রাণ বাহির হইয়া যাইবে। হৃদপিন্ডের ক্রিয়া দ্রæত চলতে থাকে । রোগী মনে করে মৃত্যু অনিবার্য। রোগী মনে করে সে কিছুতেই বাঁচবে না। রোগী মৃত্যু সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী করে। অস্থিরতা, ছটফটানি, উৎকন্ঠা ও মৃত্যুভয়, হতাশা, অশুভ ভতিষ্যৎ বানী প্রভৃতির মাধ্যমে রোগীর আপনজনকে অস্থির করে তোলে।

প্রশ্নঃ ২.৩৮ একোনাইটের প্রদাহ ও প্রদাহিক জ্বরের লক্ষণ লেখ।
উত্তর ঃ
যে কো পীড়ার প্রাথমিক অবস্থায় একোনাইট উপকারী। স্নায়ুশূল বেদনা, বাত বেদনা, মস্তিস্কের প্রদাহিক অবস্থা ইত্যাদি যে কোন বেদনাই হোক না কেন তাহাতে যদি ছটফটানি, প্রবল পিপাসা ও ভয় থাকে তাহা হইলে একানাইটের ক্রিয়া অব্যর্থ। আক্রান্ত স্থান স্পর্শ করা যায় না, কাটিয়া ছিড়িয়া ফেলার ন্যায় বেদনা একানাইটের লক্ষণ। প্রদাহিক জ¦রেও ইহা উপকারী। প্রদাহের মধ্যে অর্থাৎ যতক্ষণ প্রদাহ থাকে সেই সময়ের মধ্যে একোনাইট মন্ত্রশক্তিবৎ কার্যকরী।
প্রশ্নঃ ২.৩৯ একোনাইটের বৃদ্ধি ও উপশম কখন হয়?
উত্তরঃ
রোগবৃদ্ধিঃ সন্ধায়, রাতে বিছানা হইতে উঠিলে, গরম ঘরে, আক্রান্ত পার্শে^ শয়ন করলে, ভয় পাইলে।
উপশমঃ মুক্ত বাতাসে।
প্রশ্নঃ ২.৪০ একোনাইটের কাশির লক্ষণ অথবা ঘুংড়ি কাশির (Croup) লক্ষণ লিখ।
উত্তরঃ
১) অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম উত্তর পশ্চিমের বাতাস লাগিয়া কাশি।
২) কাশিতে দম আটকাইয়া যাইবার উপক্রম হইয়া রোগীর ঘুম ভাঙ্গিয়া যায়।
৩) শিশু কাশবার কালে গলা চাপিয়া ধরে।
৪) শুকনো খসখসে কাশি, অতিশয় শ্বাস কষ্ট, রাতে এবং মাঝ রাতে বাড়ে।
৫) কাশির সহিত স্বর ভঙ্গ, কাশির সময়ে কুকুরের ডাকের ন্যায় শব্দ।

প্রশ্নঃ ২.৪১ ভয়জনিত পীড়ায় একোনাইটের লক্ষণ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ
ভয়জনিত পীড়ায় একোনাইটের নির্দিষ্ট ঔষধ। ভয় পাইয়া মূর্ছা যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, গর্ভস্রাব, উদারাময়, কলেরা, কাঁপুনি, মাথাঘোরা, রজঃবোধ, প্রভৃতি হইলে একোনাইট ব্যবহার্য। ভয়জনিত পীড়ায় ইগ্নেশিয়া, ওপিয়াম, ভিরেট্রাম প্রভৃতি ঔষধগুলি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই পীড়ায় একোনাইটের বিশেষ লক্ষণসমূহ বর্তমান থাকলে এবং তৎসঙ্গে যদি শুস্ক ঠান্ডা বাতাস লাগিয়া পীড়ার উৎপত্তি হইয়াছে বুঝিতে পারা যায় তবে একোনাইটের অব্যর্থ ফল পাওয়া যায়।

প্রশ্নঃ ২.৪২ একোনাইটের বক্ষ পীড়ার লক্ষণ (প্লুরিসি লক্ষণ) লেখ।
উত্তরঃ
ফুসফুসের বেষ্টনী প্রদাহে অতি প্রারম্ভিক অবস্থায় অর্থাৎ কোন প্রকার রস ক্ষরণের পূর্বে বক্ষস্থলের উভয়পাশে সূচীভেদ, শীত ও পরে জ¦ালাপোড়া, জ¦রোত্তাপ লক্ষণ থাকলে, ঘাম বন্ধ হওয়া বা নির্মল বায়ুর অভাব জনিত কারণে রোগের উৎপত্তি হলে একোনাইট ব্যবহার্য। ইহাতে খোচা মারার মত ব্যাথা সবসময় থকে। যন্ত্রনায় রোগী স্থির থাকতে পারে না, ছটফট করতে থাকে, ভয় পায় ও প্রচন্ড পিপাসা লাগে।

প্রশ্নঃ ২.৪৩ একোনাইটের সর্দি লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
তরুন সর্দিতে, নাসিকার শ্লৈশ্মিক ঝিল্লির শুস্কতা, উত্তাপ, বায়ুতে দপদপকর প্রচন্ড শীরপীড়া, বার বার হাঁচি, সারা শরীরের পেশীতে সামান্য ব্যাথা, এজন্য হাঁচি দেওয়ার সময় বুক ধরিয়া রাখে। গা জ¦রভাব, নাক দিয়ে গরম তরল স্রাব নৃঃসৃত হয়। অসময়ে ঠান্ডা লাগিয়া সর্দির সাথে ভীষন মাথাব্যাথা, অস্থিরতা ও হাচি থাকলে অথবা শুস্ক বাতাসে ঘাম বন্ধ হয়ে সর্দি হলে একোনাইট বিশেষ উপযোগী।

১ম বর্ষের সিলেবাস অনুযায়ীপ্রশ্নঃ ২.৩৩ একানাইট ন্যাপের একটি প্রতিচ্ছবি অংকন কর। বা কি জাতীয় রোগের উপর একোনাইট ন্যাপিলাস ব...
27/11/2022

১ম বর্ষের সিলেবাস অনুযায়ী

প্রশ্নঃ ২.৩৩ একানাইট ন্যাপের একটি প্রতিচ্ছবি অংকন কর। বা কি জাতীয় রোগের উপর একোনাইট ন্যাপিলাস ব্যবহৃত হয়।
উত্তরঃ
হঠাৎ পীড়ার আক্রমন এবং দেখতে দেখতে তীব্র আকার ধারণ করে। এই লক্ষণটি প্রকাশ পেলে একোনাইট ন্যাপিলাস প্রয়োগ করা বিধেয়। ইহাতে প্রবল তৃষ্ণা, কাতরতা, অন্তজ¦ালা ও মৃত্যুভয় রোগীকে অস্থির করে তোলে। তবে ইহার লক্ষণ দীর্ঘকাল স্থায়ী থাকে না। ঔষধটি ক্রিয়াও ক্ষনস্থায়ী।
বলিষ্ঠ রক্তপ্রধান ব্যক্তিরাই একোনাইটের রোগী। ইহার প্রধান ক্রিয়াস্থল স্পাইন্যাল নার্ভাস সিস্টেমস অর্থাৎ মস্তিস্ক ও মেরুরজ্জার স্নায়ুমন্ডলী। রোগী আত্মীয় স্বজনকে পর্যন্ত অস্থির করে তোলে, মৃত্যুর সময় বলতে থোকে। এ সকল লক্ষণে একোনাইট ন্যাপিল্যাস উত্তম কার্যকারী।

প্রশ্নঃ ২.৩৪ ওলাউঠা বা কলেরা বা উদারাময়ে একোনাইট ন্যাপিলাসের লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
হঠাৎ চাল ধোয়া পানির মত কালচে বা শেওলার মত সবুজ অথবা তরমুজের ঘোলানির মত দাস্ত আরম্ভ হয়। একবার শরীর গরম, আবার শীতবোধ ও কাঁপুনি পরক্ষনেই প্রচন্ড পিপাসা, অস্থিরতা, কাতরতা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গে জ্বালা, মৃত্যুভয় দেখা দেয়, মনে হয় মলদ্বার দিয়ে গরম পানি বের হচ্ছে লক্ষণে একোনাইট ন্যাপিল্যাস ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্নঃ ২.৩৫ একোনাইটে উদর পীড়ার লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
দিনে গরম রাত্রে ঠান্ডা অবস্থায় পীড়া হলে একানাইট উপকারী। মল পাতলা পানির মত, বার বার হয়। মলের বর্ণ সবুজ, কাল, পিত্ত ও আম সংযুক্ত, শেওলার মত। পেটে খুব বেদনা হয়। শিশুর মল সবুজ বর্ণের হয়, পেটের বেদনায় অস্থির হয়ে যায় ও কাঁদে। বেদনায় ছটফটানি, কাতরতা ও মৃত্যুভয় প্রভৃতি লক্ষণের একোনাইট ন্যাপিল্যাস কার্যকরী।

19/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষ

প্রশ্নঃ ২৫- একোনাইট ন্যাপিলাস এর নির্দেশক লক্ষণ / চরিত্রগত লক্ষণ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ
একোনাইট ন্যাপিলাস এর চরিত্রগত বা নির্দেশক লক্ষণগুলো নিচেয় বর্ণনা করা হ’লঃ
১) রোগের আক্রমন হঠাৎ করে হয় এবং দেখতে দেখতে তা বৃদ্ধি পায়।
২) রোগের আক্রমন বিরতিহীনভাবে চলতে থাকে, কোন পর্যায়শীলতা নেই।
৩) রোগী ছটফট করে, অস্থিরতা, কাতরতা, কোন কিছুতেই স্বস্তি পায় না।
৪) মৃত্যু ভয়, মৃত্যু সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বাণী করে অর্থাৎ মৃত্যু সময় নির্দিষ্ট করে বলে।
৫) রোগী বাইরে যেতে, সরু রাস্তায় বা টানেলের মধ্যে দিয়ে চলতে ভয় পায়, জনতার ভয়।
৬) প্রচন্ড পিপাসা, বার বার পানি পান করে, পানি ছাড়া সবকিছুই তিতা লাগে।
৭) জ¦ালা-পোড়া অন্তর্দাহ কিন্তুু গায়ের জামা কাপড় খুললেই শীতবোধ হয়।
৮) অতিরিক্ত শীত বা গরমে রোগের আক্রমন হয়।
৯) পীড়া রাতে বৃদ্ধি পায়, খোলা বাতাসে উপশম হয়।
১০) রোগের তীব্রতায় কাউকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
১১) শুস্ক ঠান্ডা বাতাস লেগে বা ঘাম বন্ধ হয়ে কিংবা ভয় পেয়ে রোগের উৎপত্তি।
১২) মাংসপেশিতে প্রচন্ড ব্যাথা, যন্ত্রনা, ব্যাথার স্থানে অষাড়বোধ হয়।
১৩) শিশুর একগাল লাল অপরটি ফ্যাকাশে।

প্রশ্নঃ ২৬- একোনাইটের মানসিক লক্ষণ লেখ। অথবা একােনাইট ন্যাপিলাস এর মানসিক লক্ষণ বর্ণনা কর।
ডিএইচএমএস পরীক্ষা-২০১৫,২০১৭,২০১৮
উত্তরঃ
একোনাইট ন্যাপিলাস এর মানসিক লক্ষণ নিচেয় দেওয়া হ’লঃ
১) মৃত্যুভয় এবং মৃত্যু সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বাণী করে, মৃত্যুর সময় নির্দিষ্ট করে বলে।
২) রোগী বাইরে যেতে, সরু রাস্তায় বা টানেলের মধ্যে দিয়ে চলতে ভয় পায়, ভবিষ্যতের ভয়, ।
৩) অসহ্য ব্যাথায় রোগী পাগলের মত আচরণ করে।
৪) লোক সমাগমে যেতে চায় না।
৫) রোগী সর্বদা ছটফট করতে থাকে।
৬) সরু রাস্তায় বা টানেলের মধ্যে দিয়ে চলতে, রাস্তা পার হতে ভয় পায়।
৭) সর্বদা পরিবর্তনশীল মন।

মেটিরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষপ্রশ্নঃ ২৪- হোমিওপ্যাথিক ১ম বর্ষের সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যসূচীতে অন্তভূক্ত ঔষধের পূর্ণনাম লেখ।উত্ত...
17/11/2022

মেটিরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষ

প্রশ্নঃ ২৪- হোমিওপ্যাথিক ১ম বর্ষের সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যসূচীতে অন্তভূক্ত ঔষধের পূর্ণনাম লেখ।
উত্তরঃ
১) একোনাইট ন্যাপিলাস
২) এন্টিসোনিয়াম টার্টারিকাম
৩) আর্নিকা মন্টেনা
৪) বেলেডোনা
৫) ব্রায়োনিয়া এলবা
৬) ক্যামোলিনা
৭) চায়না বা সিঙ্কোনা অফিসিনালিস
৮) ইপিকাকুয়ানহা
৯) নাক্স ভোমিকা
১০) রাস টক্সিডেনড্রন
১১) ইথুজা সাইনাপিয়াম
১২) এলিয়াম সিপা
১৩) এলোসকোট্রিনা
১৪) এন্টিমোনিয়াম ক্রুডাম
১৫) এপিস মেলিফিকা
১৬) সিনা
১৭) ইগ্নোসিয়া
১৮) পডোফাইলাম ফিলটাম
১৯) চেলিপোনিয়াম মেজাস
২০) আর্সেনিকাম এলবাম
২১) এপোসাইনাস ক্যানবিনাম
২২) বোরাক্স
২৩) ক্রোটন টিগলিয়াম
২৪) গ্লোনোয়িন
২৫) ক্যাগনেসিয়াম কার্বনিকাম

প্রশ্নঃ ২৫ উলফ বেন বলতে কোন ঔষধকে বুঝায়? ইহার চারটি প্রধান নির্দেশক লক্ষণ লেখ।
উত্তরঃ
উলফ বেন বলতে আর্নিকা মন্টেনা নামক ঔষধকে বুঝায়। আর্নিকা মন্টেনা ঔষধের চারটি নির্দেশক লক্ষণ নিচেয় দেয়া হলঃ
ক) আঘাত বা পক্ষাঘাত জনিত কোন রোগ। শারীরিক বা মানসিক আঘাত।
খ) রোগী যে বিছানাতেই শয়ন তাহা শক্ত মরন হয়। সারা দেহে প্রচন্ড ব্যাথা। মনে হয় কেহ লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে।
গ) দেহের নীচের অংশ ঠান্ডা এবং উপরের অংশ গরম। ক্ষুধা থকে কিন্ত খাদ্যে অরুচি।
ঘ) ব্যাথা এত স্পকাতর যে কেউ স্পর্শ করে বা ঝাকি দেয় এই ভয়ে সবাইকে দূরে রাখে।

মেটেরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষপ্রশ্নঃ ২০ শীতকাতর কয়েকটি ঔষধের নাম লিখ।উত্তরঃ শীতকাতর কয়েকটি ঔষধের নাম নিচেয় দেওয়া হলঃ ক) থুজা ...
15/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষ
প্রশ্নঃ ২০ শীতকাতর কয়েকটি ঔষধের নাম লিখ।
উত্তরঃ
শীতকাতর কয়েকটি ঔষধের নাম নিচেয় দেওয়া হলঃ
ক) থুজা অসিডেন্টালিস (থুজা)
খ) চায়না অফিসিনালিস ( চায়না)
গ) সিপিয়া
ঘ) কস্টিকাম
ঙ) মেডোরিনাম
চ) গ্রাফাইটিস
ছ) নাইট্রিকাম এসিডাম ( নাইট্রিক এসিড)

প্রশ্নঃ ২১ হ্রাস-বৃদ্ধি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ
রোগীর রোগের প্রকোপ সামান্য কমে গেলে বা উপশম হলে বা কষ্ট লাঘব হলে রোগীর মধ্যে শান্তভাব, প্রশন্নতা ও প্রফুল্লতা পরিলক্ষিত হয়। একে পীড়ার হ্রাস বলে।

আবার, রোগীর রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে রোগীর অস্থিরতা, কষ্ট বৃদ্ধি, হতাশা ভাব পরিলক্ষিত। একে রোগীর পীড়া বৃদ্ধি বলে।

প্রশ্নঃ ২২ ক্রিয়ানাশক বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ
রোগীর ঔষধ নির্বাচন ভূল হলে বা সদৃশ ঔষধের মাত্রা বেশী হলে রোগীর রোগ লক্ষণ বেড়ে যায় বা অঙ্গের মারাত্মক বকিৃতি দেখা দেয়, তখন ঐ ঔষধের খারাপ প্রতিক্রিয়া বন্ধ বা নষ্ট করা জন্য যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তাকে ক্রিয়ানাশক বলে। যেমনঃ এলো সকোট্রিনার ক্রিয়ানাশক ঔষধ হল- নাক্স ভমিকা, ক্যামফর ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ ২৩ অনুপূরক ঔষধ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ
বিশেষতঃ ক্রনিক মায়াজমের বেলায় কোন কোন ঔষধ রোগীকে সম্পূন্ন আরোগ্য করতে পারে না। অপর একাট ঔষধ আরোগ্য ক্রিয়া সম্পন্ন করে রোগীকে সুস্থ করে তোলে। দ্বিতীয় ঔষধটিকে প্রথম ঔষধের অনুপূরক ঔষধ বলে। যেমন এলো সকোট্রিনার অনুপূরক সালফার।

প্রশ্নঃ ধাতুগত ঔষধ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ
ধাতুগত লক্ষনের উপর ভিত্তি করে যে সব ঔষধ বির্নাচন করা হয় তাদেরকে ধাতুগত ঔষধ বলে। যেমনঃ
ক) গরমকাতর ঔষধঃ সালফার, পার্লস, সিকেলী, এাপস মেলিফিকাস ইত্যাদি।
খ) শীতকাতরঃ থুজা অসিডেন্টালিস, চায়না অফিসিনালিস, সিপিয়া, কস্টিকাম, মেডোরিনাম ইত্যাদি।
গ) রক্ত প্রধান ধাতুর ঔষধঃ চায়না অফিসিনালিস, ইপিকাক, হ্যামামে ইত্যাদি।
ঘ) স্বান্তনা বা সমবেদনায় বৃদ্ধিঃ নেট্রাম মিউর, ইগ্নেশিয়া ইত্যাদি।

মেটেরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষ প্রশ্নঃ ১৯ জ¦রের কয়েকটি ঔষধের নাম লিখ।উত্তরঃ জ¦রে ব্যবহৃত কয়েকটি ঔসধের নাম নিচে দেওয়া হল- ক) এক...
14/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা- ১ম বর্ষ

প্রশ্নঃ ১৯ জ¦রের কয়েকটি ঔষধের নাম লিখ।
উত্তরঃ
জ¦রে ব্যবহৃত কয়েকটি ঔসধের নাম নিচে দেওয়া হল-
ক) একানাইট স্যাপিলাস
খ) বেলেডোনা
গ) ব্রায়োনিয়া এলবা
ঘ) আর্সেনিকাম এলবাম
ঙ) রাস টক্স
চ) আর্নিকা মন্টেনা

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষপ্রশ্নঃ ১৬ ঔষধ কি? উদাহরণ সহ লিখ।উত্তরঃ বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত কোন ভেষজ ফার্ম...
09/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষ

প্রশ্নঃ ১৬ ঔষধ কি? উদাহরণ সহ লিখ।
উত্তরঃ
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত কোন ভেষজ ফার্মকোপিয়ার নির্দিষ্ট নিয়মে প্রক্রিয়া করার পর যদি উহা রোগ উৎপাদন ও রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা অর্জিত হয় তখন তাকে ঔষধ বলে। যেমনঃ একোনাইট ন্যাপিলাস, আর্নিকা মন্টেনা, বেলেডোনা, নাক্স ভোমিকা ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ ১৭ হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলির উৎস সম্পর্কে লিখ।
উত্তরঃ
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহ সাধারনত ৭ টি উৎস থেকে পাওয়া যায়। নিচে উহা সম্পর্কে বর্ননা করা হলোঃ
ক) উদ্ভিজ্জ (Vegetables Kingdom), যেমনঃ নাক্স ভোমিকা, একানাইট ন্যাপিলাস ইত্যাদি।
খ) প্রাণীজ (Animal Kingdom), যেমনঃ এপিস মেলিফিকা, ক্যান্থারিস ইত্যাদি।
গ) খনিজ (Mineral Kingdom), যেমনঃ সালফার, গ্রাফাইট ইত্যাদি।
ঘ) রোগজ (Nosodes), যেমনঃ মেডোলিনাম, সেরিনাম ইত্যাদি।
ঙ) গ্রন্থিজ (Sercoes), যেমনঃ থাইরয়েডিনাম, কোলোষ্টারিন।
চ) শক্তিজ (Imponderabilia), যেমনঃ রেডিয়াম, এক্সরে ইত্যাদি।
ছ) এন্টিবায়োটিকস(Antibiotics), যেমনঃ পেনিসিলিন। ইহা ছাড়াও রয়েছে ভ্যাক্সিন (Vaccine)।

08/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষ
প্রশ্নঃ ১১- মেটেরিয়া মেডিকার শ্রেণী বিন্যাস কর, উদাহরণ সহ।
**ডিএইচএমএস পরীক্ষা-২০১৯, ২০১৭, ২০০৯
উত্তরঃ মেটেরিয়া মেডিকার শ্রেণীবিন্যাস নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ
ক) অঙ্গভিত্তিক মেটেরিয়া মেডিকা। যেমনঃ
১) পকেট মেনুয়্যাল অফ হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা- ডাঃ উইলিয়াম বোরিক।
২) টিকস্ট বুক অফ মেটেরিয়া মেডিকা – ডাঃ এস.কে ডুবে।
খ) মৌলিক লক্ষণ ভিত্তিক মেটেরিয়া মেডিকা। যেমনঃ
১) ঔষধ পরিচয়-ডাঃ নরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়
২) কীনোটস- ডাঃ এইচ সি এলেন।
৩) লিডার ইন হোমিওপ্যাথিক থেরাপিউটিক্স- ডাঃ ই.বি. ন্যাস।
গ) ব্যাপক ভিত্তিক মেটেরিয়া মেডিকা। যেমনঃ
১) লেকচার অন হোমিওপ্যথিক মেটেরিয়া মেপিকা-ডাঃ জে.টি. কেন্ট।
২) ডিকশনারী অব প্রাকটিক্যল মেটেরিয়া মেডিকা-ডাঃ জে.এইচ. ক্লার্ক

প্রশ্নঃ ১২- অদ্ভুদ লক্ষণ বলতে কি বুঝ? অথবা
অস্বাভাবিক লক্ষণ কি?
উত্তরঃ
যে সব লক্ষণ মানবদেহের স্বাভাবিক আচার-আচরণের সম্পূন্ন বিপরীত অথবা অদ্ভুদ অবস্থা যা ঔষধ ও রোগীর বিশেষ অবস্থা নির্দেশ করে তাকে অদ্ভুদ বা অস্বঅভাবিক লক্ষণ বলে। যেমনঃ
১) বুক ধড়পড়ানি, তাড়াতাড়ি হাঁটলে উপশম হয়- আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম ও সিপিয়া ইত্যাদি।
২) রোগী দৈহিক গঠনে পুরুষ কিন্তুু মেয়েলি স্বভাব-ইগ্নেশিয়া।
৩) প্যারালাইসড রোগীর অবস স্থানে তাপ অনুভব করা-ফসফরাস

প্রশ্নঃ- উপস্বর্গ (Symptom) কি? বা উপস্বর্গ কাকে বলে?
উত্তরঃ
সুস্থ মানবদেহে শক্তিকৃত ঔষধ স্থুল মাত্রায় প্রয়োগ করলে বা মানবদেহ প্রাকৃতিকভাবে রোগাক্রান্ত হলে জীবনীশক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে মানবদেহ ও মনের স্বাভাবিক অনুভূতি, কাজ-কর্ম ও অঙ্গসমূহের গঠন ইত্যাদির বিকৃতি ঘটে। এই বিকৃত অবস্থাকে উপসর্গ বা লক্ষণ বলে। এক কথায় উপসর্গ বা লক্ষণ হল রোগের ভাষা।

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষপ্রশ্নঃ ০৮ মেটেরিয়া মেডিকা উদ্দেশ্য কি? অথবা  মেটেরিয়া মেডিকা কেন লিপিবদ্ধ করা হয়েছে? উত্তরঃ সুস্...
07/11/2022

মেটেরিয়া মেডিকা-১ম বর্ষ
প্রশ্নঃ ০৮ মেটেরিয়া মেডিকা উদ্দেশ্য কি? অথবা
মেটেরিয়া মেডিকা কেন লিপিবদ্ধ করা হয়েছে?
উত্তরঃ
সুস্থ মানবদেহে শক্তিকৃত ঔষধ স্থুল মাত্রায় প্রয়োগ করলে মানবদেহে ও মনে যে, অস্বাভাবিক লক্ষণসমূহ প্রকাশ পায় তাহা স্থায়ীভাবে, সুশৃংখল ভাবে, সুনির্দিষ্ট নিয়মে লিপিবব্ধ করে রাখা হয় মেটেরিয়া মেডিকা বইখানাতে। চিকিৎসকগণ যেন তা হতে প্রয়োজণীয় ঔষধটি নির্বাচন করতে পারেন। প্রতিটি ঔষধের রোগারোগ্য করার ক্ষমতা, লক্ষণসমষ্টি মুখস্থ করে রাখা কোন চিকিৎসকের পক্ষে সম্ভব না। তাই প্রতিটি পরীক্ষিত অমিশ্র ঔষধের ভেষজচিত্র লিপিবদ্ধ করে রাখাই হচ্ছে মেটেরিয়া মেডিকা উদ্দেশ্যই ।

প্রশ্নঃ ০৯- কে সর্বপ্রথম হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা রচনা করেন?
উত্তরঃ ডাঃ ক্রিশ্চিয়ান ফেড্রিক স্যামুয়েল স্যানিম্যান সর্বপ্রথম হেমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা রচনা করেন।

প্রশ্নঃ ১০ প্রথম হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার নাম কি? উহা কত সালে ও কত খন্ডে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ
প্রথম হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার নাম মেটেরিয়া মেডিকা পিউরা। উহা ৬ খন্ডে প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সংস্করণের প্রকাশকাল নিম্নে দেওয়া হলঃ

খণ্ড প্রকাশকাল
১ম সংস্করণ ২য় সংস্করণ ৩য় সংস্করণ
১ম ১৮১১ খৃঃ ১৮২২ খৃঃ ১৮৩০ খৃঃ
২য় ১৮১৬ খৃঃ ১৮২৪ খৃঃ ১৮৩৩ খৃঃ
৩য় ১৮১৭ খৃঃ ১৮২৪ খৃঃ
৪র্থ ১৮১৮ খৃঃ ১৮২৫ খৃঃ
৫ম ১৮১৯ খৃঃ ১৮২৬ খৃঃ
৬ষ্ঠ ১৮২১ খৃঃ ১৮২৭ খৃঃ

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো হোমিও শিখি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share