14/10/2025
চিকনগুনিয়া জ্বরের করণীয়।
প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছো। আজকে আপনাদের বিশেষ একটা জ্বরের কথা নিয়ে আলোচনা করব। আজকাল আমরা অনেকেই শুনেছি এবং জেনেছি।
ডেঙ্গু জ্বরের মতো, অনেক পূর্ব থেকেই চিকন গুনিয়া জ্বর প্রায়ই আমরা দেখতে পাচ্ছি।
চিকুনগুনিয়া জ্বর হল ভাইরাল রোগ,যা চিকুনগুনিয়া ভাইরাস দ্বারা শ্রেষ্ঠ এবং সংক্রমিত মশার কামড়ে এই হয়।
প্রধান কারণ : প্রত্যেক বছরের যে কোন সময় দেখা দিতে পারে। এই জ্বর সাধারণত তিন থেকে সাত দিন থাকে।
এই জ্বর বেশি সংক্রমিত হলে পেশী ব্যাথা দীর্ঘদিন স্থায়ী লাভ করে। এই জ্বর কিন্তু ডেঙ্গুর মত না প্লাটিনেট কমবে না।
জ্বরের লক্ষণ :
১. হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২ থেকে ১০৪ ডিগ্রি) পর্যন্ত জ্বর হতে পারে।
২. তীব্র জয়েন্টে ব্যাথা, এবং ফুলে ওঠা ভাব থাকতে পারে।
৩. প্রচন্ড মাথা ব্যথা হতে পারে।
৪. ব্যাথা অনেক সময় মেরুদন্ড পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।
৫. বমি বমি ভাব হতে পারে।
এই সমস্ত লক্ষণ দেখা দিলেই অবশ্যই একজন ডাক্তারের কাছে শরণাপন্ন হতে হবে।
খাবার বিধি নিষেধ :
চিকুনগুনিয়ায় কোন খাবার বেঁচে খেতে হয় না। তারপরও এমন কোন খাবার খাওয়া যাবে না যে ব্যথা বেড়ে যায়। পর্যাপ্ত তরল যেমন ফলের রস, ডাবের পানি, সাধারণ পানি পর্যাপ্ত গ্রহণ করতে হবে। বিশ্রাম নেয়া অত্যাবশ্বক। দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের কাছে যাবেন। হোমিওপ্যাথিতে এই রোগ ভালো ফল লাভ হয়।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :
১. Belladonna: চোখ প্রচন্ড লাল, প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, অত্যন্ত গরম, একটুতে চমকে ওঠে। শক্তি 3xবা 6 ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দুই ঘন্টা পর পর সেবন করতে হয়।
২. Bryonia Alba : জ্বরের সাথে, সারা শরীর বেদনা চুপ করে থাকলে শরীর ব্যথা করে, সকল যন্ত্রণায় বেড়ে যায়, প্রবল পিপাসা, অধিক পানি যদি পান করে, সে ক্ষেত্রে শক্তি 30 বা 200
চার ঘন্টা অন্তর অন্তর ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩. Rhus Tox : রোগী সাতশেতে জায়গায় বসবাস করলে, সর্দি, কাশি শরীরে বেদনা, এ পাস ওপাশ এবং শট পটানি থাকলে। শক্তি 6বা 30 তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর সেবন করতে হবে।
৪. Arsenic Alb : গাত্রদাহ, ছটফটানি মৃত্যু ভয়, ঘন ঘন জল পান, মল ভীষণ দুর্গন্ধ, দিবা রাত্রি জ্বর বারোটা পর্যন্ত বৃদ্ধি হলে। শক্তি 30 বা 200 সকাল বিকাল দুইবার সেবন করতে হবে।
তাই দেরি না করে অবশ্যই একজন ভালো অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে
চিকিৎসা নিবেন ভালো থাকবেন।
আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন।
পৃথিবীর সকল প্রাণী ভালো থাকুক।
সিনথিয়া হোমিও হল।
ডাক্তার এনামুল হক
ডি . এম. এইচ. ঢাকা।