Doctor's Journey by Dr. Rupa Das Polin

Doctor's Journey by Dr. Rupa Das Polin MBBS(Dhaka Medical College)| BCS(Health) | Assistant Surgeon(48th BCS) | Recommended (46th BCS)

 #বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৫যারা বিসিএস প্রস্তুতিতে একেবারেই নতুন এবং যারা বারবার পরীক্ষা দিয়েও প্রিলি উত্তীর্ণ হতে পারছেন না ...
09/05/2026

#বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৫

যারা বিসিএস প্রস্তুতিতে একেবারেই নতুন এবং যারা বারবার পরীক্ষা দিয়েও প্রিলি উত্তীর্ণ হতে পারছেন না তাদের জন্য আমার এই সিরিজের পোস্টগুলো হতে পারে জীবনরক্ষাকারী মহৌষধ।

গত পর্বে আমরা বাংলা ব্যাকরণ শুরু করেছিলাম।এই পোস্টেও থাকছে বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে আলোচনা।

বাংলা ব্যাকরণের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ টপিক যেগুলো থেকে প্রশ্ন আসেই,সেগুলো হলো-

✅সমাস
✅শব্দ,পদ,ধ্বনি,বর্ণ
✅প্রত্যয়
✅বাগধারা
✅বাক্য,বাক্য সংকোচন
✅সন্ধি
✅পরিভাষা,সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ,
✅উপসর্গ
✅বচন,লিঙ্গ,পুরুষ
✅প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
✅কারক
✅বিরাম চিহ্ন,ণ-ত্ব,ষ-ত্ব বিধান

আজকের পোস্টে সমাস দিয়ে শুরু করি।সমাস থেকে সাধারণত একটা সমস্তপদ দিয়ে সেটা কোন সমাস সেটা চিহ্নিত করতে বলে।যেমন-"হাট-বাজার"এটা কোন সমাস?অনেকেই অনেক আগে পড়েছেন।এখন কিছুই মনে নেই।আজকে এক পোস্টে সব ক্লিয়ার করে দিবো।

১।দ্বন্দ্ব সমাস-আমার ধারণা সব ভুলে গেলেও দ্বন্দ্ব সমাস সবার মনে আছে।তাও একটু বলে দেই।এখানে প্রত্যেকটা সমস্যমান পদের সমান গুরুত্ব থাকে।
যেমন-মা-বাবা,চা-বিস্কুট,আয়-ব্যয়,দা-কুমড়া।
মানে আপনি কোনো একটা পদকে ছোট করতে পারবেন না,আবার কোনো একটা পদকে বড় করতে পারবেন না।

২।দ্বিগু সমাস-সংখ্যা দেখেই চেনা যায় দ্বিগু।সংখ্যাবাচক ও একইসাথে মিলনার্থক কিছু পেলেই চোখ বুজে দ্বিগু দাগিয়ে দিবেন।
যেমন:চৌরাস্তা-চার রাস্তার সমাহার।এখানে সংখ্যা আছে(৪) আবার মিলনও আছে(৪ রাস্তা যেখানে মিলিত হয়েছে)

৩।বহুব্রীহি-এটা পুরো দ্বন্দ্ব সমাসের উল্টো।ওখানে যেমন দুই পদই সমান আর এখানে কোনো পদই প্রধান না।মানে সমস্তপদের অর্থ হবে পুরো আলাদা কিছু।যেমন-গায়ে হলুদ।এখানে "গায়ে"-র অর্থও বোঝায় না,হলুদের অর্থও বোঝায় না।বোঝায় একটা অনুষ্ঠানকে যেখানে গায়ে হলুদ দেয়া হয়।
এর মধ্যে আবার ভাগ আছে।

সমানাধিকরণ-নাম সমান হলেও তারা আসলে আলাদা।মানে পূর্বপদ বিশেষণ আর পরপদ বিশেষ্য।যেমন-নীলকণ্ঠ।এখানে নীল বিশেষণ আর কণ্ঠ বিশেষ্য।

ব্যাধিকরণ-দুইটাই বিশেষ্য।যেমন-ধামাধরা।
ব্যতিহার-দেখলেই চেনা যায়।গালাগালি,হাতাহাতি,চুলাচুলি।

৪।অব্যয়ীভাব-এটা চেনার একটাই উপায়।এখানে সমস্তপদে উপসর্গ থাকবে।যেমন-উপগ্রহ,প্রতিবাদ।

৫।কর্মধারয় সমাস-এখানে পরপদের অর্থ প্রধান।যেমন-সুন্দরলতা(এখানে লতাই মেইন বস্তু যাকে সুন্দর বলা হয়েছে।এখন কর্মধারয় এর মধ্যে আবার ভাগ আছে।সেগুলো চেনাও কোনো ব্যাপার না।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়-নামেই বোঝা যায়।মাঝের পদটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।যেমন-সিং চিহ্নিত আসন=সিংহাসন।এখানে চিহ্নিত অর্থাৎ মাঝের পদটি লুপ্ত হয়েছে।

উপমান কর্মধারয়-এখানে একটা মানদণ্ড থাকবে যেহেতু নামই উপমান।উদাহরণ-তুষারের ন্যায় শুভ্র-তুষারশুভ্র।এখানে মানদণ্ডটি হচ্ছে শুভ্র/সাদা।

উপমিত-এখানে তুলনা করা হয় কিন্তু মানদণ্ড উল্লেখ করা থাকে না।যেমন-মুখ চন্দ্রের ন্যায়=চন্দ্রমুখ।এখানে মুখ চন্দ্রের মতো হতে হবে কিন্তু চন্দ্রের মতো গোল/উজ্জ্বল হতে হবে সেই মানদণ্ডের উল্লেখ নেই।আগেরটায় যেমন ছিলো তুষার এর মতো সাদা।

রূপক-দেখলেই চেনা যায়।মনমাঝি=মন রূপ মাঝি।

৬।তৎপুরুষ-এটা বোঝার জন্য বিভক্তি বুঝতে হবে।আগে বিভক্তি পড়ে আসেন এটা পড়ার আগে।কোনটা দ্বিতীয়া বিভক্তি,কোনটা তৃতীয়া এটা বুঝলেই এই সমাস নিয়ে কোনো সমস্যা থাকবে না।

৭।ঝাড়া মুখস্থ করে ফেলবেন যেগুলো-প্রাদি সমাস,নিত্যসমান,নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি,সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি,নঞ তৎপুরুষ,নঞ বহুব্রীহি।

আর যেগুলোর পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তারাই অলুক সমাস।যেমন-মামার বাড়ি।

আজ এ পর্যন্তই।পরের পর্বে আবার কথা হবে।

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম স্পেশাল বিসিএস(কর্মরত)
৪৬তম জেনারেল বিসিএস(সুপারিশপ্রাপ্ত)

বিশেষ দ্রষ্টব্য - এখানে মৃত্যু বলতে বিসিএস কেন্দ্রিক স্বপ্নের অপমৃত্যু বোঝানো হয়েছে।

#বিসিএস

 #বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৪আমার এই সিরিজের মূল উদ্দেশ্য হলো যারা বিসিএসকে অনেক কঠিন ভাবে তাদের মন থেকে বিসিএস ভয় দূর করা আর য...
08/05/2026

#বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৪

আমার এই সিরিজের মূল উদ্দেশ্য হলো যারা বিসিএসকে অনেক কঠিন ভাবে তাদের মন থেকে বিসিএস ভয় দূর করা আর যারা বিসিএস প্রস্তুতিতে একদমই নতুন তাদের জন্য খুব সহজ ও সাবলীলভাবে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রতিটা বিষয়ের এমন একটা গাইডলাইন দিয়ে দেয়া যাতে খুব স্বল্পসময়ে শক্ত একটা বেইজ তৈরী হয়।আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আমার এই সিরিজটি যারা রেগুলার ফলো করবে এবং সেই অনুসারে চলবে তাদের বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ২০০ মার্কের মধ্যে মিনিমাম ১০০ মার্কের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাবে।

যাই হোক,আসল কথায় আসি।গত ২পর্বে আমি বাংলা সাহিত্য শেষ করেছি।এই পর্বে লিখবো বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে।

✅প্রথম প্রশ্ন-কী কী বই পড়তে হবে?
উত্তর:
১।নাইন-টেনের বাংলা ব্যাকরণ বই(পুরাতন ভার্সন এবং নতুন ভার্সন দুইটাই)
২।যেকোনো একটা পাবলিকেশন্স এর বিসিএস বই সিরিজের বাংলা ব্যাকরণ পার্ট।

নাইন-টেনের বইয়ের কথা শুনে অনেকেই ভয় পেয়ে যেতে পারেন যে আবার এতোকিছু পড়া লাগবে।কিন্তু আসলে এতো কিছু পড়া লাগে না।যা যা পড়া লাগবে সেগুলো ক্রমান্বয়ে আমি আপনাদেরকে বলে দিবো।৯-১০ এ থাকতে আমরা সবাই ব্যাকরণ পড়েছি।আপনারা অনেকে হয়তো ভাবছেন এখন তো সেগুলো মনে নেই।কিন্তু একবার পড়া শুরু করলে দেখবেন সবই আস্তে আস্তে মনে পড়ে যাবে।

এখন আমি বলবো কোন টপিকগুলো থেকে সবথেকে বেশি প্রশ্ন আসে আর সেগুলো কীভাবে পড়বেন-

১।বানান ও বাক্যশুদ্ধি-এই টপিক থেকে প্রশ্ন আসবেই।এটা ভালো করে পড়লে ১/২মার্ক শিওর।যেকোনো একটা ভালো পাবলিকেশন্স এর বই নিয়ে প্রথমে এই চ্যাপ্টারটা খুলে পড়া শুরু করেন।অনেকে বারবার পড়েও এই বানান ও বাক্যশুদ্ধিকরণ ভুল করে।তাই এটা নিয়ে আমি কালজয়ী একটা টিপস দিবো।বই খুলে দেখবেন বইয়ের পাতার এক সাইডে ভুল বানান আর অন্য সাইডে শুদ্ধ বানান লেখা।ভুল বানানের দিকে ভুলেও তাকাবেন না।শুধু শুদ্ধ বানানটাই দেখবেন তাহলে ভিজুয়াল মেমোরিতে ঐটাই গেঁথে থাকবে এবং পরীক্ষার হলে কনফিউশান হবে না।আশা করি বোঝাতে পেরেছি।আমার আর একটা স্পেশাল টিপস আছে।সেটা হলো অনেকেই যে বানানগুলোতে ই-কার ও ঈ-কার দুইটাই আছে সেখানে ভুল করে।আমার টিপস হলো যেহেতু ই-কার আগে আসে তাই আগে ই-কার হবে আর পরে ঈ-কার।যেমন-পিপীলিকা,নিশীথিনী,নিপীড়িত,নিমীলিত।
কিন্তু কিছু ব্যতিক্রম আছে কিন্তু সেগুলো আবার তিন বর্ণের শব্দ তাই মনে রাখা সহজ।যেমন-প্রতীতি,বাল্মীকি,উদীচী।আর যেসব ৪ বর্ণের শব্দে ২ও৪ নম্বর পজিশনে ই/ঈ কার থাকবে সেখানে দুইটাই ঈ-কার হবে।যেমন-হরীতকী,ভাগীরথী।
আর মরীচিকা বানানটার ক্ষেত্রে আমার ট্রিকস এর উল্টোটা হবে কারণ সেতো আসলেই এক মরীচীকা😀।

উ এবং ঊ কারের বেলায় ও সেইম নিয়ম।
সেমন-মুহূর্ত,মুমূর্ষু।

আরও কিছু বানান খুব কমনলি ভুল হয়।যেমন-স্বত্ব,সত্তা,স্বায়ত্ত,মহত্ত্ব।

আর একটা নিয়ম সবাই কম-বেশি জানেন।তৎসম শব্দ ব্যতীত অন্য কোথাও ঈ/ঊ/ষ বসবে না।

আপনি প্র‍্যাকটিস করার সময় যে বানানগুলো ভুল হতে পারে মনে করছেন ওগুলোর পাশে মার্ক করে রাখবেন আর খাতায় বারবার লিখবেন তাহলে আর ভুল হবে না।

আজকে এই পর্যন্তই।কথা হবে আবার পরের পোস্টে। ততক্ষণ পর্যন্ত বানান ও বাক্যশুদ্ধি পড়তে থাকুন।

(বিঃদ্রঃ-মৃত্যু বলতে এখানে স্বপ্নের মৃত্যুকে বোঝাচ্ছে)

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম স্পেশাল বিসিএস(কর্মরত)
৪৬তম জেনারেল বিসিএস (সুপারিশপ্রাপ্ত)

#বিসিএস

 #বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৩আজকে লিখবো বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় পোস্ট।আগের পোস্টে আমরা প্রাচীন ও মধ্যযুগ শেষ করেছি।এবার আসবে আধ...
04/05/2026

#বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-৩

আজকে লিখবো বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় পোস্ট।আগের পোস্টে আমরা প্রাচীন ও মধ্যযুগ শেষ করেছি।এবার আসবে আধুনিক যুগ।আধুনিক যুগ থেকে ১৫ নাম্বার আসে।আধুনিক যুগে এসে এতো কবি-সাহিত্যিক দেখে সবাই ভয় পেয়ে যায়।কিন্তু অল্প কিছু জিনিস পড়েই আমরা মিনিমাম ৫-৬ নাম্বার কমন পেতে পারি।আর বিসিএসের মতো কম্পিটিটিভ এক্সামে একটা মার্কস এর মূল্যও অসীম।

প্রথমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের জন্মসাল,জন্মস্থান,বাপ-দাদা-চৌদ্দগুষ্টির নামসহ মুখস্থ করে ফেলেন।যে যেই পাবলিকেশন্স এর বই কিনেছেন সেই বইয়ে উনাদের সম্পর্কে যা যা আছে এ টু জেড মুখস্থ করে ফেলেন।তাহলে এক মার্ক নিশ্চিত।এই ৩ জন বাদে বাকিদের শুধু ছদ্মনাম আর সাহিত্যকর্মের নাম জানলেই হবে।

এবার আসি পরের কথায়।মুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের থেকে এক মার্ক মিনিমাম আসে।সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেন-
মীর মশাররফ হোসেন,কায়কোবাদ,ফররুখ আহমদ,আখতারুজ্জামান ইলিয়াস,জহির রায়হান,মুনির চৌধুরী,সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ,সৈয়দ শামসুল হক,শামসুর রাহমান,শওকত ওসমান,ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ,হুমায়ুন আহমেদ।উনাদের সাহিত্যকর্ম খুব বেশি না।আমরা ৯/১০ ক্লাসে আর এইচএসসির বইয়ে কবি পরিচিতি তে অনেক কিছুই পড়ে এসেছি।তাই পড়ার সময় দেখবেন অনেক কিছুই চেনা চেনা লাগছে।পড়তে খুব একটা কষ্ট হবে না।

নারী কবি-সাহিত্যিক আছেন হাতে গোনা কয়েকজন।উনাদের থেকেও প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সেলিনা হোসেন,রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন,কামিনী রায়,কুসুমকুমারী দাস।

এছাড়াও আরও যাদের থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে-
মাইকেল মধুসূদন দত্ত,ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,প্রমথ চৌধুরী,মানিক বন্দোপাধ্যায়,প্যারীচাঁদ মিত্র,তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়,মোতাহের হোসেন চৌধুরী।

এর বাইরে আর লাগবে মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম,সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম,সাহিত্যবিষয়ক পত্রিকা।

মোটামুটি এগুলো পড়লেই আধুনিক যুগ থেকে ৫-৬ মার্ক কমন পাওয়া যেতে পারে।তাহলে যাদের প্রাচীন ও মধ্যযুগ পড়া শেষ তারা আধুনিক যুগ শুরু করুন।
(বিঃদ্রঃমৃত্যু বলতে এখানে স্বপ্নের মৃত্যুকে বোঝাচ্ছে)

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম স্পেশাল বিসিএস(কর্মরত)
৪৬তম জেনারেল বিসিএস(সুপারিশপ্রাপ্ত)

 #বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-২"আমার দ্বারা তো বিসিএস সম্ভবই না।বাংলা সাহিত্যে হাজার হাজার কবি সাহিত্যিক আর তাদের লক্ষ লক্ষ সাহিত...
01/05/2026

#বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-২

"আমার দ্বারা তো বিসিএস সম্ভবই না।বাংলা সাহিত্যে হাজার হাজার কবি সাহিত্যিক আর তাদের লক্ষ লক্ষ সাহিত্যকর্ম।এলিয়েন ছাড়া অন্য কারো পক্ষে এতো কিছু মনে রাখা সম্ভব নাকি!আর এইসব মুখস্থ করে কী লাভ?বৃথা কষ্ট,সময় নষ্ট।"

এগুলো ভাবছো তো?ব্যাপার নাহ।আমিও এইসবই ভাবতাম।পরে সিলেবাস আর প্রশ্নব্যাংক এনালাইসিস করার পর আমার মাইন্ডসেট এ পরিবর্তন আসলো।

গত পর্বে আমরা বিসিএস নিয়ে স্বপ্ন দেখা শিখেছি,ম্যানিফেস্টেশন শিখেছি।এবার চলে যাবো মূল পড়ালেখায়। আজকের পোস্ট এ টু জেড ফলো করলে ৪-৫ মার্ক গ্যারান্টেড।

বাংলা সাহিত্য দিয়েই শুরু করি।আমি যেহেতু প্রথম আলো ভাষা প্রতিযোগের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ও ন্যাশনাল ক্যাম্পার ছিলাম তাই সত্যি বলতে আমার বাংলার ব্যাসিক আগে থেকেই খানিকটা ভালো ছিলো।

আগের পর্বে সবাইকে সিলেবাস ডাউনলোড আর একটা প্রশ্নব্যাংক কিনতে বলেছিলাম।এবার বলবো নীলক্ষেত থেকে বিসিএসের ফুল এক সেট বই কিনে আনতে/অর্ডার করতে।বই খুলে প্রথমে অনেক ভয় করবে এটা স্বাভাবিক।কিন্তু আস্তে আস্তে পড়া শুরু করতে হবে।

সিলেবাস খুলেই আমরা দেখতে পারবো।বাংলা সাহিত্যে টোটাল ১৫মার্ক।এর মধ্যে প্রাচীন ও মধ্যযুগ মিলে ৫ মার্ক আর আধুনিক যুগে ১০ মার্ক।আমি যদি বলি প্রাচীন ও মধ্যযুগের ৫ মার্কের মধ্যে ৫-ই পাওয়া সম্ভব?হ্যাঁ।আমাদের প্রথম টার্গেট প্রাচীন ও মধ্যযুগ।আমরা সহজেই বুঝতে পারি যুগ যত আধুনিক হয়েছে তত নতুন নতুন কবি সাহিত্যিক এর আবির্ভাব ঘটেছে।তাই আধুনিক যুগের পড়া শেষ করা বোধহয় বাংলা সাহিত্যেগ্র‍্যাজুয়েশন কমপ্লিট করা ছাত্রের পক্ষেও সম্ভব নয়।অন্যদিকে প্রাচীন ও মধ্যযুগে এত কবি সাহিত্যিক ছিলোই না।আবার থাকলেও অনেক কিছু কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে।

এখন এই প্রাচীন যুগে কী আছে?
উত্তর-কিছুই নেই।শুধু আছে চর্যাপদ।চর্যাপদ এর নাম আমরা সবাই শুনেছি। এটি বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন।এখান থেকে পড়ার মতো জিনিস খুবই কম।এক দিনের মধ্যেই পড়ে ফেলা সম্ভব।গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১।কে আবিষ্কার করেন?কবে কোথা থেকে করেন?
২।চর্যাপদের অন্যান্য নাম
৩।চর্যাপদের ভাষা
৪।চর্যাপদের পদসংখ্যা ,পদকর্তাদের নাম

এবার আসি মধ্যযুগে।মধ্যযুগের পড়া পড়তে ৩দিনের বেশি লাগবে না।এখান থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো-
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য
বৈষ্ণব পদাবলী
মঙ্গলকাব্য
ময়মনসিংহ গীতিকা
অবক্ষয় যুগ
আরাকান রাজসভা
আলাওল
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর
এর সাথে এক্সট্রা দুইটা যুগ পড়া লাগে-অবক্ষয় যুগ ও অন্ধকার যুগ।

আসল কথা হলো বাংলা সাহিত্যের বইটা নিয়ে বসে পড়েন আর প্রাচীন ও মধ্যযুগ পড়ে তামা তামা করে ফেলেন।একটা লাইন,একটা ওয়ার্ডও যেন বাদ না যায়।দাঁড়ি-কমা সহ মুখস্থ করে ফেলেন।বিসিএস প্রিলিতে ৫ মার্ক কিন্তু মুখের কথা না।০.৫ মার্কের জন্যেও মানুষ বাদ পড়ে,এত কমপিটিশন।

তাহলে আমাদের বিসিএস প্রস্তুতি শুরু হোক বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগ দিয়ে।এটা শেষ করার পর দেখবেন পড়ার একটা ফ্লো চলে আসবে আর নিজের মধ্যে একটা কনফিডেন্স গ্রো করবে।আজ এ পর্যন্তই।অপেক্ষা করুন পরের পর্ব পর্যন্ত।

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম স্পেশাল বিসিএস (কর্মরত)
৪৬তম জেনারেল বিসিএস (রিকমেন্ডেড)

#বিসিএস

(Disclaimer:এখানে মৃত্যু বলতে একটা স্বপ্নের মৃত্যুকে বোঝানো হয়েছে)

 #বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-১কী?অবাক হচ্ছেন ক্যাপশন দেখে?কথাটা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে।বিসিএস ক্রেজ এতটাই বেড়েছে।আমি কিন্তু এম...
28/04/2026

#বিসিএস_অথবা_মৃত্যু-১

কী?অবাক হচ্ছেন ক্যাপশন দেখে?কথাটা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে।বিসিএস ক্রেজ এতটাই বেড়েছে।আমি কিন্তু এমনটাই ভাবতাম।বিসিএস ক্যাডার আমাকে হতেই হবে।এখানে মৃত্যু বলতে কিন্তু অন্য কিছু ভাববেন না।এটা ক্যারিয়ারের মৃত্যুকে বোঝায় আরকি।

ইনবক্সে প্রচুর রিকোয়েস্ট পাচ্ছি বিসিএসের প্রস্তুতি বিষয়ক পোস্ট করার জন্য।তাই আজকে এমন কিছু সিক্রেট জিনিস লিখবো যা প্রস্তুতি শুরু করার আগে/প্রস্তুতির সময়ে আপনাকে কেউ বলবে না।

তার আগে চোখ বন্ধ করে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করে ৩বার বলুন "আমাকে বিসিএস ক্যাডার হতেই হবে"।হ্যাঁ,এটাকে বলে ম্যানিফেস্টেশন। মেনিফেস্টেশন (Manifestation) হলো ইতিবাচক চিন্তা, বিশ্বাস এবং ফোকাসের মাধ্যমে আপনার মনের সুপ্ত ইচ্ছা বা লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপান্তর করার একটি প্রক্রিয়া।

যাকে জিজ্ঞেস করবেন সেই বলবে "বিসিএস অনেক কঠিন।লাখে একজন ক্যাডার হয়"।আপনার প্রথম কাজ হলো এসব কথা না শোনা।আমি আপনাদের গ্যারান্টি দিয়ে বলছি বিসিএস কঠিন না।কঠিন হলো আত্মবিশ্বাস তৈরী করা।আমি বিসিএস নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট দিয়ে আপনাদের আত্মবিশ্বাস তৈরীতে পাশে থাকবো।

১।বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করার সঠিক সময় কখন?
উত্তর-আজকের এই মূহুর্তই বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করার সঠিক সময়।আমার তো আর বয়স বেশিদিন নেই।"আমার তো গ্র‍্যাজুয়েশন শেষ ,এখনো শুরু করিনি।আমার বন্ধুদের একবার পড়া শেষ"।এইসব ভাবনা মাথায় আসছে তো।সব ভুলে যান।এখন থেকে আপনার সময় শুরু।

২।কীভাবে শুরু করবো?
উত্তর-কল্পনা দিয়ে।শুনতে হাস্যকর লাগবে।কিন্তু শুরুতে আপনাকে কল্পনা করতে হবে আপনি পড়ছেন,পড়ছেন আর পড়ছেন।দিনরাত টেবিলে বসে খাটছেন।তারপর আজ থেকে ২/৩ বছর পরে আপনি একজন বিসিএস ক্যাডার।সবাই আপনাকে সম্মান করছে।আপনার মা-বাবার মন আনন্দে ভরে উঠছে।টাকা-পয়সা নিয়ে আর চিন্তা করা লাগছে না।এই স্বপ্ন দিয়েই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।

৩।কী কী বই কিনবো?
উত্তর-আগেই টাকা খরচের চিন্তা করছেন কেন?এখনই আগে বিসিএসের সিলেবাস ডাউনলোড করে মিনিমাম ৩ বার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন।সিলেবাস সম্পর্কে আইডিয়া না থাকলে এত মোটা মোটা বই কিনে অথৈ সাগরে হাবুডুবু খাবেন।এরপর একটা প্রশ্নব্যাংক কিনে আনেন এবং বিগত বছরের প্রশ্নগুলো পড়া শুরু করেন।এরপর নিজে নিজে মিলিয়ে দেখেন সিলেবাসের কোন অংশগুলো থেকে প্রশ্ন বেশি আসে।আপনি নিজেই বুঝে যাবেন কোন টপিকগুলো বেশি পড়তে হবে।

আজ এ পর্যন্তই।শোনা যাচ্ছে সামনে ডাক্তারদের একটা স্পেশাল বিসিএস আসবে।যত যাই বলেন আমাদের দেশে বিসিএসের মূল্য এখনও অপরিসীম।তাই ডাক্তাররা এখনই পড়তে বসে যান।স্পেশাল বিসিএস হারালে,কাঁদতে হবে আড়ালে।

নেক্সট স্পেশাল বিসিএস পর্যন্ত আমার এই "বিসিএস অথবা মৃত্যু" সিরিজ চলবে.......

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ,কে-৭৫)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম স্পেশাল বিসিএস (কর্মরত),পজিশন-১০৭
৪৬তম জেনারেল বিসিএস(রিকমেন্ডেড)-পজিশন-২২৩

"ডাক্তারের কাছে গেলেই একগাদা টেস্ট ধরিয়ে দেয়।দিবে না কেন?ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক থেকে কমিশন খায় তো।আর ওষুধের কথা তো বাদই দিল...
26/04/2026

"ডাক্তারের কাছে গেলেই একগাদা টেস্ট ধরিয়ে দেয়।দিবে না কেন?ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক থেকে কমিশন খায় তো।আর ওষুধের কথা তো বাদই দিলাম।হাজার হাজার টাকার ওষুধ দেয় কোম্পানির লোকদের খুশি করে গিফট নেয়ার জন্য"

কী? আপনিও এমন ভাবেন তো?তাহলে আমার এই পোস্ট আপনার জন্যই।

আজকে মনের কষ্ট থেকে একটা কথা বলবো, একদম হাসপাতাল/চেম্বারের অভিজ্ঞতা থেকে।

প্রায়ই রোগীরা একটু রাগ নিয়ে জিজ্ঞেস করেন—“ম্যাডাম,এতগুলো টেস্ট দিলেন কেন?”“এত ওষুধ কি আসলেই দরকার আছে?”

প্রশ্নগুলো একদম স্বাভাবিক। আপনার জায়গায় আমি থাকলেও হয়তো একই প্রশ্ন করতাম।

কিন্তু একটা জিনিস হয়তো বাইরে থেকে বোঝা যায় না—আমরা যখন একজন রোগী দেখি, তখন শুধু একটা উপসর্গ দেখি না। একই লক্ষণের পেছনে ৩–৪টা সম্ভাব্য রোগ মাথায় রেখে এগোতে হয়।

ধরুন একজন রোগীর পেট ব্যথা নিয়ে এসেছে—এটা গ্যাস্ট্রিকও হতে পারে, আবার ইনফেকশন, এমনকি অন্য কোনো সিরিয়াস সমস্যার শুরু হতে পারে। এখন যদি আন্দাজে ওষুধ দেই, আর ভুলটা হয়ে যায়—ক্ষতিটা কিন্তু রোগীরই।আর দোষ হবে ডাক্তারের।

এই কারণেই অনেক সময় টেস্ট দরকার হয়।যাতে নিশ্চিত হওয়া যায়—আমরা ঠিক জায়গায় আঘাত করছি কিনা।

আর ওষুধের ব্যাপারটা—অনেকেই মনে করেন “একটা রোগ, একটা ওষুধ” হওয়া উচিত। বাস্তবে অনেক সময় তা হয় না। একটা ইনফেকশন হলে জীবাণু মারার জন্য এন্টিবায়োটিক ওষুধ লাগে, সাথে ব্যথা কমানোর ওষুধ,জ্বর কমানোর ওষুধ,ব্যাথার/জ্বরের ওষুধ খেলে যে গ্যাস হয় তার ওষুধ—এইগুলো যোগ হয়। বাইরে থেকে তখন মনে হয়, অনেক বেশি ওষুধ।

আবার একজন মধ্যবয়স্ক রোগী হঠাৎ করে দুর্বলতা নিয়ে আসলো।এটা দুই একজন রোগীর ক্ষেত্রে দুঃচিন্তা/গরমে ডিহাইড্রেশন থেকেও হতে পারে।কিন্তু আমরা স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরীক্ষা করে দেখতে চাইবো কেন এটা হচ্ছে।এর জন্যে টেস্ট দিব-

১।CBC-রক্তে হিমোগ্লোবিন এর লেভেল কতো।এটা কমে গেলে দুর্বল লাগতে পারে।কোনো ইনফেকশন এর সাইন আছে কিনা।এটাও দুর্বলতার কারণ হতে পারে।

২।RBS-রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে/বেড়ে গেলেও দুর্বল লাগে।

৩।Serum Electrolytes-শরীরে বিভিন্ন লবণের ভারসাম্য নষ্ট হলে দুর্বল লাগতে পারে।

৪।Serum Creatinine-কিডনির সমস্যার কারণেও শরীরে বর্জ্য পদার্থ বেড়ে গিয়ে দুর্বল লাগতে পারে।

৫।ECG-হার্টের যেকোনো সমস্যায় দুর্বল লাগতে পারে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে একটু সামান্য দুর্বলতার কারণ খুঁজে বের করার জন্যই ৫ টা টেস্ট দিতে হচ্ছে।কারণ বাইরে থেকে দেখে এই রোগ ধরা সম্ভব নয়।আবার কোনো রোগ মিস হয়ে গেলে রোগীর জীবনসংশয় হতে পারে।

সরকারি হাসপাতালে গেলেও এই টেস্টগুলো দিবে।সরকারি হাসপাতালে রোগীর বেশি টেস্ট করিয়ে তো ডাক্তারের আর কোনো লাভ নেই।বেশিরভাগ ডাক্তারের ক্ষেত্রে ক্লিনিকে টেস্ট দিয়েও লাভ নেই।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা—ভালো কোনো ডাক্তার ইচ্ছা করে রোগীর খরচ বাড়াতে চান না। কারণ শেষ পর্যন্ত রোগী সুস্থ না হলে,ডাক্তারেরই দুর্নাম হয়।

তবে এটাও ঠিক—আপনার প্রশ্ন করার অধিকার আছে।কোনো টেস্ট বা ওষুধ বুঝতে না পারলে, নির্দ্বিধায় সম্মানের সাথে প্রশ্ন করবেন।দয়া করে ডাক্তারকে চার্জ করতে যাবেন না।এতে ডাক্তারের টেম্পার ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।রোগীর ভালোর জন্য ওষুধ দিয়ে রোগীর/রোগীর লোকের কাছে দুটো বাজে কথা শুনতে কি ভালো লাগার কথা?

আর শেষ কথা হলো,আমাদের সমাজের সকল প্রফেশনে ভালো খারাপ দুই ধরনের মানুষই আছে।যদি কিছু ডাক্তার অসততার প্র‍্যাকটিস করে থাকেন তাদের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।তাদের বিচার সৃষ্টিকর্তা করবেন।

সচেতন হোন,সুস্থ থাকুন।

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ডিএমসি)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
মেডিকেল অফিসার,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,বালিয়াকান্দি,রাজবাড়ী

কনস্টিপেশন (Constipation) বা কোষ্ঠকাঠিন্য: ছোট সমস্যা মনে হলেও বড় বিপদের শুরু হতে পারে!প্রতিদিন এমন একজন/দুইজন রোগী পাই ...
21/04/2026

কনস্টিপেশন (Constipation) বা কোষ্ঠকাঠিন্য: ছোট সমস্যা মনে হলেও বড় বিপদের শুরু হতে পারে!

প্রতিদিন এমন একজন/দুইজন রোগী পাই যারা বলেন—
“২–৩ দিন পর পর পায়খানা হয়”,
“পায়খানা খুব শক্ত”,
“অনেক চাপ দিতে হয়”
"পায়খানার রাস্তায় ব্যাথা হয়/জ্বালাপোড়া করে"

কনস্টিপেশন কেন হয়?
✔️ পানি কম খাওয়া
✔️ আঁশযুক্ত খাবারের অভাব (শাকসবজি, ফল)
✔️ শারীরিক পরিশ্রম কম
✔️ দীর্ঘদিন ল্যাক্সেটিভের(avolac) উপর নির্ভরতা
✔️ কিছু রোগ (যেমন: হাইপোথাইরয়েড, IBS type C)
✔️ মানসিক চাপ

অবহেলা করলে মারাত্মক জটিলতা হতে পারে
- পাইলস (Hemorrhoids)
- এনাল ফিশার
- ফিস্টুলা
-দীর্ঘমেয়াদে কোলনে সমস্যা

সমাধান ও প্রতিরোধ:
- প্রতিদিন ২–৩ লিটার পানি পান করুন
-প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ফাইবারযুক্ত খাবার বাড়ান (সবজি, ফল, ইসবগুলের ভুসি)
- নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম
-চাপ পেলেই দেরি না করে টয়লেটে যান
- অকারণে ল্যাক্সেটিভ(avolac) ব্যবহার করবেন না

Some extra tips-আমি সাধারণত ওষুধের পাশাপাশি রোগীদের এই সহজ টিপসগুলো ফলো করতে বলি।এতে তারা দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হন।

১।অনেকেই ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানেন না।সারারাত ধরে ভিজিয়ে রেখে খান।এতে কিন্তু কোনো কাজ হয় না।ভুসি খাওয়ার সঠিক নিয়ম হচ্ছে এক গ্লাস পানিতে ২/৩ চামচ ভুসি দিয়ে সাথে সাথে খেয়ে ফেলা।আর এটা খাবার খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পরে খাওয়া ভালো।যাদের দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য এর সমস্যা তারা প্রতিদিন ২ বেলা ইসবগুলের ভুসি এভাবে খেলে উপকার পাবেন।

২।হাই কমোডে পায়খানা করার সময় পায়ের নিচে একটা টুল দিয়ে বসবেন।এতে রেক্টাম ও মলদ্বার সোজা থাকে তাই সহজে পায়খানা পরিস্কার হয়।

৩।আপনার অফিসে/বাইরে কোথাও জার্নিতে গেলে সাথে একটা বড়সড় পানির বোতল রাখুন।ডিহাইড্রেশন হলে পায়খানা সহজেই শক্ত হয়ে যায়।

৪।প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট টাইমে বাথরুম করার অভ্যাস করুন।

৫।পায়খানা সহজে বের না হলে বেশি চাপাচাপি করবেন না।১৫ মিনিটের বেশি সময় টয়লেটে বসে থাকবেন না।এতে পাইলস/এনাল ফিশারের মত সমস্যা বাড়ে।

৬।ফাস্টফুড/বেকারি আইটেম/শর্করা জাতীয় খাবার কম খাওয়া।

৭।প্রতিদিন নিয়ম করে রাতে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো।

৮।প্রোবায়োটিক খাবার খাওয়া যেগুলো আমাদের গাট হেলথ/অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।আমাদের দেশি প্রোবায়োটিক ফুড এর মধ্যে আছে টক দই/পান্তা ভাত এগুলো

প্রয়োজনে এমবিবিএস ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিন—নিজে নিজে/ডাক্তার ব্যতীত অন্য
কারো কথা শুনে ওষুধ খাবেন না।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?
-দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকলে
- পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
-হঠাৎ ওজন কমে গেলে
-৪০ বছরের পর নতুন করে কনস্টিপেশন শুরু হলে

মনে রাখবেন:
কোষ্ঠকাঠিন্য মানেই ভয়ের কিছু নয়।সঠিক চিকিৎসা পেলে এবং কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
মেডিকেল অফিসার
বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,রাজবাড়ী।

প্রায়ই প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া?ঘন ঘন প্রস্রাব করতে ওয়াশরুমে যেতে হচ্ছে?তাও মনে হচ্ছে প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে না? আমি একজন চ...
17/04/2026

প্রায়ই প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া?ঘন ঘন প্রস্রাব করতে ওয়াশরুমে যেতে হচ্ছে?তাও মনে হচ্ছে প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে না?

আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিনই আমার হসপিটাল/চেম্বারে এমন অনেক রোগী পাই—
“ডাক্তার, প্রস্রাবে জ্বালা করছে”, “বারবার টয়লেটে যেতে হচ্ছে”, “অল্প অল্প প্রস্রাব হচ্ছে”—
এগুলোই মূলত Urinary Tract Infection/প্রস্রাবে সংক্রমণ (UTI)-এর লক্ষণ।অনেক সময় এসব কোনো লক্ষণই থাকে না।রোগী এসে বলে তার শুধু জ্বর আর পেটে ব্যাথা।এমন রোগীদেরও প্রস্রাব পরীক্ষা করে ইনফেকশন ধরা পরে।

UTI কী?
UTI (Urinary Tract Infection) হলো মূত্রনালির যেকোনো অংশে—যেমন ইউরেথ্রা, ব্লাডার বা কিডনিতে—ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ।

UTI কেন হয়?
সবচেয়ে সাধারণ কারণ হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া (বিশেষ করে E. coli) মূত্রনালিতে ঢুকে সংক্রমণ করা। তবে আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাবের কারণে বিশেষ করে গ্রামের নারীদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি হওয়ার কিছু কারন আছে।যেমন-

-পানি কম খাওয়া
-দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখা
-ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব
-নারীদের ক্ষেত্রে ইউরেথ্রা ছোট হওয়া
-ডায়াবেটিস বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা

⚠️ কারা বেশি ঝুঁকিতে?

-নারী
-গর্ভবতী মা
-ডায়াবেটিস রোগী
-বারবার ক্যাথেটার ব্যবহারকারী

💊 চিকিৎসা কী?

-সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)
-পর্যাপ্ত পানি পান
-ব্যথা বা জ্বালা কমানোর ওষুধ

❗নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া/চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কারো পরামর্শে ওষুধ খাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর—রোগ সারবে না, বরং জটিল হবে।

প্রতিরোধের উপায়

-প্রতিদিন ২.৫–৩ লিটার পানি পান করুন
-প্রস্রাব চেপে রাখবেন না
-টয়লেট ব্যবহারের পর সামনে থেকে পেছনে পরিষ্কার করুন
-পরিষ্কার ও শুকনো অন্তর্বাস ব্যবহার করুন
-প্রতিদিন গোসলের পর এক মগ কুসুম গরম পানিতে এক চামচ লবণ মিশিয়ে প্রস্রাবের রাস্তা পরিস্কার করুন।
শেষের উপদেশটা আমি কমবেশি সব রোগীকেই দেই কারণ এটা খুব ইফেকটিভ।

প্রতিরোধের জন্য অনেকসময় ক্র‍্যানবেরি জুস/লং-টার্ম এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।কিন্তু এগুলো ব্যয়বহুল হওয়ায় বাংলাদেশের অধিকাংশ রোগীকে এগুলো প্রেসক্রাইব করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না বরং তাদেরকে ইউটিআই প্রতিরোধের অন্য উপায়গুলো সম্পর্কে বলে দেই।

✨ শেষ কথা:
UTI ছোট সমস্যা মনে হলেও অবহেলা করলে কিডনিতে সংক্রমণ পর্যন্ত হতে পারে। এই সংক্রমণ একসময় রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে যাকে Urosepsis বলে এবং এটা জীবনঘাতিও হয়ে উঠতে পারে।তাই লক্ষণ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েরা আরও বেশি করে সতর্ক হোন কারণ গর্ভাবস্থায় ইউটিআই আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে।

📌 সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
মেডিকেল অফিসার
বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,রাজবাড়ী।

আমার এই পেইজের যাত্রা আমি শুরু করবো আমার মেডিকেলে চান্স পাওয়ার গল্প দিয়ে।আমি ২০১৭-১৮ সেশনে ১৫৬তম হয়ে আমার ড্রিম মেডিকেল ...
28/03/2026

আমার এই পেইজের যাত্রা আমি শুরু করবো আমার মেডিকেলে চান্স পাওয়ার গল্প দিয়ে।আমি ২০১৭-১৮ সেশনে ১৫৬তম হয়ে আমার ড্রিম মেডিকেল কলেজ ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পাই।তোমরা যারা মেডিকেলে পড়তে চাও বিশেষ করে টপ মেডিকেল কলেজে তারা আমার এই পোস্ট মনোযোগ দিয়ে পড়লে আর উপদেশগুলো ফলো করলে অবশ্যই উপকৃত হবে।অনেকেই অনেক উপদেশ দেয় কিন্তু আজকে আমি তোমাদের জন্য আমার নিজের জীবন থেকে নেয়া টপ ১৫টা হ্যাক শেয়ার করবো।

১।প্রথমেই বলবো প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করতেই হবে যেভাবেই হোক।আমি যত রাতই হোক ওইদিন কলেজে/প্রাইভেটে/কোচিংয়ে স্যাররা যতটুকু পড়িয়েছেন ততটুকু শেষ না করে কখনোই ঘুমাতাম না যত রাতই হোক।পড়া একবার জমতে শুরু করলে শুধু জমতেই থাকবে,শেষ আর হবেনা কোনোদিন।

২।মেডিকেলের প্রিপারেশন শুরু করার প্রথম ধাপ হিসাবে আমি একটা মেডিকেলের কোয়েশ্চেন ব্যাংক/বিগত বছরের প্রশ্নের বই কিনে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে পড়তে বলবো।এখান থেকে ১/২ টা প্রশ্নও কমন আসে আবার একটা সলিড ধারণাও তৈরী হবে যে কেমন প্রশ্ন আসে আর মেইন বই পড়ার সময় নিজেই বুঝতে পারবে যে কোন টপিকগুলো পরীক্ষায় আসার মতো।

৩।সাথে রাখতে হবে একটা বিসিএস কোয়েশ্চেন ব্যাংক।এটা আমি সাজেস্ট করি সাধারণ জ্ঞান আর ইংলিশের জন্য।

৪।স্টুডেন্টরা সবচেয়ে বেশি ঝামেলায় পরে সাধারণ জ্ঞান নিয়ে।অনেকে সাধারণ জ্ঞানের জন্য অনেক বড় বড় বই পড়ে কিন্তু আমি বলবো এগুলো স্রেফ সময় নষ্ট। কারণ এতকিছু পড়তে কষ্ট হয় অনেক বেশি।পরে দেখা যায় এতকিছু মাথায় থাকে না আবার এতকিছু পড়ার পর কমন না আসলে অনেক খারাপ লাগে।সাধারণ জ্ঞানের জন্য আমি সাজেস্ট করি বিসিএস কোয়েশ্চেন ব্যাংক,মেডিকেল কোয়েশ্চেন ব্যাংক আর কোচিং এর ম্যাটেরিয়ালস(সেটা যে কোচিং-ই হোক না কেন)।কোচিং থেকে সাধারণ জ্ঞানের যে বই/শিটগুলো দিবে ওগুলো আর ওদের পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সলভ করবে।এগুলো করলেই ৬-৭টা কমন পড়বেই।

৫।ইংলিশের জন্যেও এই দুইটা কোয়েশ্চেন ব্যাংক সাজেস্ট করবো এবং একইসাথে কোচিংএর ম্যাটেরিয়ালস।মাঝে মাঝে ইংলিশ পত্রিকার একটা কলাম পড়তে পারো।
ওইসব আজকের বিশ্ব,নতুন বিশ্ব,এমপিথ্রি,এপেক্স,জয়কলি এইসব বই পড়তে আমি একেবারেই নিরুৎসাহিত করি।এগুলো পড়া ছাড়াই আমি ডিএমসিতে চান্স পেয়েছি।

৬।সবথেকে বেশি মার্কস আসে বায়োলজি থেকে।বায়োলজি আবুল হাসান স্যার আর গাজী আজমল স্যারের বইয়ের একটা লাইনও মুখস্থ ছাড়া পরীক্ষার হলে যাওয়া যাবে না।মনে রাখবে যারা ডেডিকেটেডলি মেডিকেলের প্রিপারেশন নেয় তারা বায়োলজি এত ভালো করে পড়ে যে একটা প্রশ্নও ভুল করবে না।তুমি সেখানে একটা ভুল করলেই অনেক পিছিয়ে যাবে।তাই সাধারণ জ্ঞান আর ইংরেজি নিয়ে বেশি চিন্তা না করে আগে বায়োলজি দুইটা বই খুব খুব ভালোভাবে শেষ করো।

৭।ফিজিক্সের কঠিন কঠিন সূত্র পড়ে সময় নষ্ট না করে ছোট ছোট সূত্র দিয়ে ক্যালকুলেটর ছাড়া মুখে মুখে ম্যাথ প্র‍্যাকটিস করো।আর এমসিকিউ আসার মতো লাইনগুলো বারবার পড়ো।

৮।ক্যামিস্ট্রি প্রশ্ন বেশ কঠিনই আসে আমার মতে।আর ক্যামিস্ট্রিতে মার্কসও বেশি।তাই বায়োলজির পরেই বেশি জোর দিতে হবে ক্যামিস্ট্রিতে।জৈব যৌগের খুব বেশি কঠিন বিক্রিয়া পড়ে সময় নষ্ট না করে কমন জিনিসগুলো বারবার পড়ো।

৯।প্রতিটা বইয়ের অনুশীলনী সলভ করবে অবশ্যই।এখান থেকেও পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার রেকর্ড আছে।

১০।রিভিশন,রিভিশন,রিভিশন।
রিভিশনের কোনো বিকল্প নেই।একটা টপিক তুনি যতই ভালো পারো না কেন যতবার রিভিশন দিবে তত তোমার কনফিডেন্স বাড়বে,পরীক্ষার হলে কনফিউশান কমবে।

১১।যাদের সহজে পড়া মুখস্থ হয় না তাদেরকে বলবো মুখস্থ হোক না হোক সারাদিন টেবিলে বসে থাকবে।টেবিল থেকে উঠা যাবে না যতো কষ্টই হোক।একসময় ঠিকই আয়ত্ত্বে চলে আসবে।দরকার হলে লিখে লিখে পড়বে।

১২।ভর্তি পরীক্ষার তিন মাস মোবাইল ফোন ইউজ করা যাবে না(পড়াশুনার কাজ ব্যতীত)।সকল সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট অফ করে রাখবে।

১৩।সবাই বলে ব্যাসিক ক্লিয়ার করে পড়তে কিন্তু ব্যাসিক কী জিনিস এটাই অনেক স্টুডেন্ট বোঝে না।ব্যাসিক আসলে অন্য গ্রহের আজব কোনো বিষয় না।তুমি পড়ার সময় আগেই মুখস্থ করতে না যেয়ে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবে যে এটা কেন হলো। যেটা বুঝতে পারবে না সেটা ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে বুঝে নেয়া/কোনো স্যার বা সিনিয়রকে জিজ্ঞেস করে বুঝে নিয়ে তারপর মুখস্থ করাকেই ব্যাসিক ক্লিয়ার করে পড়া বলে।

আমি একটা ব্যাসিক বলি শোনো।আমরা সবাই প্রানীকোষ আঁকতে পারি।সেখানে দেখি যে rough endoplasmic reticulum গুলো nucleus এর সাথে এটাচড থাকে।কেন থাকে কেউ বলতে পারবে?এটা আজকে খুঁজে বের করবে যেখান থেকে পারো।এভাবে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবে আর উত্তর খুঁজে বের করবে।

১৪।যত বেশি পরীক্ষা দিবে তত বেশি নিজের দুর্বলতা ধরতে পারবে।তাই পরীক্ষা দেয়ার বিকল্প নেই।বিভিন্ন কোচিং সেন্টার আর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রচুর পরীক্ষা দিবে।

১৫।এতকিছুর পরেও সবথেকে বেশি কাজ করে প্রার্থনা/দোয়া।যে যেউ ধর্মের সেই ধর্মমতে সৃষ্টিকর্তাকে সবসময় স্মরণ করবে

একটা লাস্ট কথা বলি-তোমরা নিজেরাও জানো যে চান্স পেলে হিরো,চান্স না পেলে জিরো।তাই আর সময় নষ্ট নয়।আজকে থেকেই শুরু করে দেও "মিশন মেডিকেল"।সবার জন্য শুভকামনা।

(নিচের ছবিটা ডিএমসিতে ইন্টার্নশিপের সময় ইমার্জেন্সি ওটি থেকে তোলা)

ডাঃ রুপা দাস পলিন
এমবিবিএস(ডিএমসি)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
৪৮তম বিসিএস কর্মরত(বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,রাজবাড়ী)
৪৬তম বিসিএস(সুপারিশপ্রাপ্ত)

27/03/2026

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor's Journey by Dr. Rupa Das Polin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share