বিয়ে করতে হবে

বিয়ে করতে হবে Have to Get Married || বিয়ে করতে হবে!
কাইরাল কারবোন...

যারা দ্রুত বিয়ে করতে চান তারা নিচের এই প্রেসক্রিপশন ফলো করুন। বিয়ে করতে হবে
25/02/2026

যারা দ্রুত বিয়ে করতে চান তারা নিচের এই প্রেসক্রিপশন ফলো করুন। বিয়ে করতে হবে

স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে সারাদিন ঝগড়া চলে।অথচ তাদের পাশের ফ্ল্যাট থেকে সারা দিনরাত হাসির শব্দ শোনা যায়। __স্বামী একদিন ...
22/02/2026

স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে সারাদিন ঝগড়া চলে।অথচ তাদের পাশের ফ্ল্যাট থেকে সারা দিনরাত হাসির শব্দ শোনা যায়।

__স্বামী একদিন আর থাকতে না পেরে পাশের বাসার ভদ্রলোককে জিজ্ঞাসা করলেন,
__আচ্ছা ভাই, আমাদের
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সারাদিন ঝগড়া হয়, আর আপনাদের বাসা থেকে সবসময় হাসির আওয়াজ
পাওয়া যায়।
__আচ্ছা, আপনারা ঝগড়া না করে এত সুখে কি করে থাকেন বলুন তো?

পাশের বাসার ভদ্রলোক রেগে বললেন,
__কে বলেছে আমরা সুখে আছি?
ঝগড়া করি না এটা কে বলল?

__ইয়ে মানে… তাহলে যে আপনাদের বাসা থেকে সবসময় হাসির আওয়াজ শুনতে পাই…

__আরে ধুর, আমার বউ এর সাথে সবসময় ঝগড়া লেগেই আছে।
আর ঝগড়া হলেই ও হাতের কাছে যা পায় আমার দিকে ছুঁড়ে মারে।
আমার গায়ে লাগলে ও হাসে, আর না লাগলে আমি হাসি।

ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে

বিয়ে করতে হবে 👀
11/02/2026

বিয়ে করতে হবে 👀

০৫ মাসে মাত্র ০৩ বার শারীরিক সম্পর্ক(স-হবাস)  হয়েছে,বাচ্চা নেওয়ার পর। আমাদের বিয়ে হয়েছে ৩ বছর,  এর মধ্যে ৫ মাসের একটা ...
04/02/2026

০৫ মাসে মাত্র ০৩ বার শারীরিক সম্পর্ক(স-হবাস) হয়েছে,বাচ্চা নেওয়ার পর।

আমাদের বিয়ে হয়েছে ৩ বছর, এর মধ্যে ৫ মাসের একটা বাচ্চা আছে। আমার বয়স ২৫, হাসবেন্ডের ৩২।
বাচ্চা হওয়ার পর থেকে হাসবেন্ডের সাথে আগের মতো বন্ডিং টা আর নেই, সে যতটা কেয়ার করতো, সে সব ৭০% কমে গেছে।

একা একা সারাক্ষণ বাচ্চা সামলাই, বাট রাত হলে সে কখনো মাথায় হাত বুলিয়ে একটা বার আদর বা শান্তনাও দেয়না।

বাচ্চা হওয়ার এই ৫ মাসে ৩ বার শুধু শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে, তাও ২/৩ মিনিটের মতো।

আমি সিজারিয়ান মা।
আমার অনেক ইচ্ছে করে, তার সাথে ইন্টি*মেট হতে, বাট সে হতে চায়না।

কারণ জিজ্ঞেস করলে, বলে এখন নাকি ইন্টারেষ্ট পায়না, বাচ্চার প্রোপার্টি মনে হয়। তার শরীর নাকি দূর্বল।

বাট আমি দিন দিন মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছি, হাসবেন্ডের কাছে শারীরিক - মানসিক কোনো শান্তি পাচ্ছি না। উল্টো বাচ্চা একা হাতে মানুষ করতে হচ্ছে।

আচ্ছা, সব পুরুষ ই কি এমন??
খারাপ চিন্তা কখনো মাথায় আসেনা, বাট ইচ্ছে করে অনেক। ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছি দিন দিন। কিভাবে বুঝালে হাসবেন্ড বুঝবে😭🥺🥺🥺

চেম্বারে একজন যৌ-ন হ্যারেজমেন্ট নারীর বক্তব্য........

একজন পুরুষের সাধারণত এই সমস্যাগুলো বেশি হয়ে থাকে, এ সমস্যার সমাধান ও প্রতিকার অবশ্যক। এবং অবশ্যই সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরী।

—ডা.আসিফ আনোয়ার

১ম ছবি-এক নারী  বলেন - প্রায় ৩৫ বছর আগে নিউ জার্সিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাথে ওরাল সে*ক্স করতে বাধ্য করা হয়েছিল। ওই ...
01/02/2026

১ম ছবি-
এক নারী বলেন - প্রায় ৩৫ বছর আগে নিউ জার্সিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাথে ওরাল সে*ক্স করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
ওই নারী আরো জানান , ঘটনার সময় তার বয়স ছিল প্রায় ১৩-১৪ বছর এবং ওরাল সে*ক্স করার সময় তিনি ট্রাম্পকে কা’মড়ে দিয়েছিলেন। কা’মড় দেওয়ার পর মেয়েটির মুখে আ’ঘাত করা হয়।

২য় ছবি-
আরেকজন নারী উল্লেখ করেন - প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প - "ক্যা’লেন্ডার গার্লস" নামে পার্টির আয়োজন করতেন। জেফরি এপস্টাইন সেখানে শিশুদের নিয়ে আসতেন এবং ট্রাম্প তাদের নিলামে তুলতেন । সেখানে ট্রাম্প আঙুল দিয়ে শিশুদের গোপ’নাঙ্গ মেপে দেখতেন এবং তাদের টা’ইটনেস অনুযায়ী রেটিং দিতেন। অতিথিদের মধ্যে বয়স্ক পুরুষেরা ছিলেন যার মধ্যে ইলন মাস্কও অন্তর্ভু’ক্ত ছিলেন।

ডন জুনিয়র ট্রাম্প, ইভানকা ট্রাম্প এবং এরিক ট্রাম্পও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাটর্নি অ্যালান ডারশোভিৎজ এবং বব শাপিরোও সেখানে ছিলেন।

সে আরো জানায়, আমাদের রুমে নিয়ে যাওয়া হতো এবং ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের সাথে যৌ’নকর্মে বাধ্য করা হতো। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আমাকে ধ*র্ষণ করেন তখন আমার বয়স ছিল ১৩ বছর।

৩য় ছবি-
আরেকজন অভিযোগকারী জানান - ১৯৮৪ সালে যখন তার বয়স ১৩ বছর এবং তিনি গর্ভবতী ছিলেন, তখন তাকে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান যে তার সে*ক্স ট্রাফিকিং (যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) এবং তার নবজাতক কন্যাকে হত্যা ও লাশ সরিয়ে ফেলার ঘটনায় উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন। অভিযোগকারীর দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অর্থের বিনিময়ে নিয়মিত যৌ*নকর্মে বাধ্য করতেন এবং তার চাচা যখন তার নবজাতক শিশুকে হ*ত্যা করেন, তখন ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

৪র্থ ছবি-
একজন অনলাইন অভিযোগকারী জানিয়েছেন যে, তিনি ১৯৯৫-১৯৯৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার র‍্যাঞ্চো পালোস ভার্ডেসের ট্রাম্প গলফ কোর্সে একটি সে*ক্স ট্রাফিকিং(যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) চক্রের শিকার এবং সাক্ষী ছিলেন।
তিনি জানান ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল ছিলেন এসব সে* ক্স পার্টির দালাল বা ম্যাডাম, যার গ্রাহকদের মধ্যে এপস্টাইন, রবিন লিচ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

অভিযোগকারী জানান তিনি সেখানে নানা যৌ*নকর্মে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং গুঞ্জন ছিল যে কিছু মেয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল যাদের হত্যা করে ওই গলফ কোর্সেই পুঁতে ফেলা হয়েছিল। তিনি আরও জানান ট্রাম্পের তৎকালীন নিরাপত্তা প্রধান তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি যদি কখনো এসব নিয়ে মুখ খোলেন তবে তাকেও "অন্যদের মতো মেরে নয় নম্বর হোলের পেছনে সার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।"

৫ম ছবি-
আরেকজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন যে, তার কাছে হাই-প্রোফাইল সে*ক্স পার্টি এবং ড্রাগ কা’র্টেলের সাথে লেনদেনের ভিডিও আছে। তিনি রবিন লিচকে একটি পার্টিতে এক কিশোরীকে শ্বা’সরোধ করে হ*ত্যা করতে দেখেছেন বলেও দাবি করেছেন।

📌 সর্বশেষ : নতুন বাংলাদেশে যারা আমে*রিকার গোলামী করছে তাদের কে নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। অস ভ্যদের গোলামী করে এই দেশে সারভাইভ করা যাবে না।

31/01/2026

দরকার বিয়ের কার্ড, দিতেছে ফ্যামিলি কার্ড; হায়রে সমাজ..! 🙂

প্রতিমাসে ১০ হাজার😎ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে
25/01/2026

প্রতিমাসে ১০ হাজার😎
ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে

আজকে একটু স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লিখব । যে লেখাটা লেখার জন্য গত আড়াই বছর ধরে  নিজেকে নিজেই সাহস যোগাচ্ছি । এই সাহস কাউকে ...
17/01/2026

আজকে একটু স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লিখব । যে লেখাটা লেখার জন্য গত আড়াই বছর ধরে নিজেকে নিজেই সাহস যোগাচ্ছি । এই সাহস কাউকে দেখে ভয় পাওয়ার জন্য নয় .. মানসিক সাহস !

কারণ যে তিনটা ঘটনা আমি বর্ণনা করব সেই ঘটনা গুলো আমি নিজে সরাসরি দেখেছি ।কাছ থেকে দেখেছি তাদের কষ্ট , মানসিক অস্থিরতা আর অজস্র অশ্রু বিসর্জন । সাথে আমি নিজেও কেঁদেছি , মানসিক অস্থিরতায় বেশ কিছু রাত ঘুমাতে পারিনি । দুঃস্বপ্ন হয়ে তাড়িয়ে বেরিয়েছে ঘটনা গুলো। নিস্ফল আক্রোশে গুমড়ে মরেছি ! কিন্তু করার কিছু কি আদৌ ছিল আমার ? শুধু মানসিক সান্তনা দেয়া ছাড়া ?

ঘটনা এক:

ঘটনাটা আমার এক অফিসের এক নারী শ্রমিকের । সে সময়ে মেয়েটা সাত মাসের গর্ভবতী ছিল । সেই অফিসের ডাক্তার হিসাবে প্রতিটি গর্ভবতী মেয়েকে আমি চিনতাম । তাদের চিকিৎসা , নিয়মিত ফলোআপ , টিকা , মাতৃকালীন ছুটির রিকমেন্ডেশন , এবং ছুটি শেষে ফেরত এলে তাদের ফিটনেস দেয়া সব কিছু আমি নিজেই করতাম । সেই সুবাদে মেয়েগুলোর সাথে আমার বেশ আন্তরিকতা হয়ে যেত ।তারা তাদের জীবনের ছোট ছোট সুখ দুঃখ গুলো আমাকে শেয়ার করতো । আমি শুনতাম , কখনো পরামর্শ দিতাম আবার আজাইরা ছুটি চাইতে আসলে ধমকও দিতাম ।
একদিন সকালে অফিসে বসতে না বসতেই মেয়েটা হুড়মুড় করে আমার চেম্বারে ঢুকল । একটু বিরক্ত হয়ে তাকাতেই দেখি মেয়েটার চোখ মুখ ফোলা , চোখ দিয়ে মনে হচ্ছে এখনি রক্ত পরবে , ক্লান্ত - বিধ্বস্ত একটা বিষাদময় মুখ ! অথচ মেয়েটাকে দুদিন আগেও দেখেছি , সবকিছু স্বাভাবিক ছিল । চোখে প্রশ্ন নিয়ে জানতে চাইলাম - কি হয়েছে ? তোমার এ অবস্থা কেন ?

জবাবে মেয়েটা যা বলল তাতে কেউ বিশ্বাস করুন আর না করুন আমি পর পর চার রাত ঘুমাতে পারি নাই ! মেয়েটার আগে একবার বিয়ে হয়েছিল , সেই ঘরে একটা মেয়ে আছে । বাচ্চা মেয়েটার বয়স এগার বছর । নানীর কাছেই থাকত মেয়েটা । নানী মারা যাওয়াতে বাচ্চা টাকে তিনমাস ধরে নিজের কাছে এনে রেখেছে । একটা ঘরে খাটের উপর থাকে তারা স্বামী - স্ত্রী , নিচে তোষক পেতে মেয়েকে শোয়ায় ।
সারাদিন গর্ভাবস্থায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে রাতে এসে শোয়ামাত্র ঘুমিয়ে যায় । মনের মধ্যে আশা কিছুদিন পরেই তো মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবে , তখন সাধ মিটিয়ে মেয়েটার সাথে গল্প করতে পারবে ।

কিন্তু গতরাতে বাথরুমে যাবে বলে একা একাই উঠে বাথরুমের লাইট জ্বালাতেই সেই আলোতে দেখে তার স্বামী মেয়ের বিছানায় …..

মেয়েটা ভয়ে কুকড়ে আছে ! আর তার নিজেরই স্বামী নামক জানোয়ারটা বাচ্চা মেয়েটার সাথে …….

চিন্তা করুন তো ঐ মেয়েটার মানসিক অবস্থাটা ! নিজের মেয়ে আবার এদিকে নিজের বর্তমান স্বামী ! যার বাচ্চা সে নিজের জরায়ু তে ধারণ করেছে ।

মেয়েটা সেই অবস্থা দেখে আল্লাহ্ গো বলে একটা চিৎকার দিয়েই অজ্ঞান হয়ে যায় । মাঝরাতে ঐ চিৎকার রাতের নিস্তব্ধতা কে ভেঙ্গে খান খান করে দেয় !

মেয়েটার বোন পাশের ঘরে থাকতো । সেও একই অফিসে চাকরি করে । বিকট চিৎকারে বোন পাশের ঘর থেকে এসে দরজায় ধাক্কা ধাক্কি শুরু করে । ঐ জানোয়ার স্বামী অবস্থা বেগতিক দেখে দরজা খুলে পালিয়ে যায় ।

তারপর মেয়েটার জ্ঞান আসলে বাচ্চা মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করা হয় - এর আগেও এমন হয়েছে কিনা ! মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে বলে দেয় সব । গত তিনমাস থেকেই জানোয়ার টা এমন করছে । মেয়েটাকে ভয় দেখিয়েছে - যদি কাউকে বলে তাহলে ওর মাকে মেরে ফেলবে ।

ঘটনা শুনতে শুনতে আমার কেমন যেন বমি পেল । মনে হল আমি এখনি বমি করে ঘর ভাসিয়ে ফেলব । খুব কষ্ট করে বমিটাকে গিলে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করলাম ।
মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে জানতে চাইল - ম্যাডাম , এখন আমার মেয়েটা প্রেগনেন্ট হয়ে গেছে কিনা কিভাবে বুঝব ? আরো অন্য কোন সমস্যা হয়েছে কিনা বোঝার কোন উপায় আছে ?

মেয়েটাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলাম । আমার ফোন নাম্বার দিয়ে দিলাম , অসুবিধা হলে যেন যোগাযোগ করে ।
যাবার বেলায় আমাকে করুন গলায় জিজ্ঞেস করল - ম্যাডাম , আমি এখন কি করব ? ঐ শুয়োরের বাচ্চার বাচ্চা আমার পেটে , এটাকে এখন কি করব ?

আমি শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলাম । এর উত্তর তো আমি জানি না...

ঘটনা ২ :

দিনটি ছিল শনিবার । আমার জন্য বিশাল ব্যস্ততার দিন । অফিসে সেদিন থাকে রোগীদের লম্বা লাইন । সারাদিন বিভিন্ন ঝামেলা সামলিয়ে বিকালে চেম্বারে ঢুকেছি । চেম্বারেও বেশ ভীড় ছিল সেদিন ।আল্ট্রাতে বসেছি । ছয় সাতটা আল্ট্রার পর বোরকা পরা আপাদমস্তক ঢাকা একজন রোগী ঢুকল ।

আল্ট্রা করতে আসছে কিন্তু পেট বের করে না । আমার সিস্টার একদিক দিয়ে কাপড় গুছিয়ে ঠিক করে দেয় আর সে সেকেন্ডের মধ্যে কাপড় নামিয়ে ফেলে । বেশ কয়েকবার এমন হওয়ার পর আমি তাকে বললাম - আপনি আগে কাপড় উঠানোর জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেন আর আমি বাকি আল্ট্রা গুলি করে ফেলি ।

মেয়েটা দ্রুত উঠে গেল । তারপর আরো ছয় সাতটা আল্ট্রা হয়ে যাবার পর সেই বোরকাওয়ালী আবার ঢুকল ।
আবার রেডি করতে গেলে সেই আগের কাহীনি ।মেজাজ কতক্ষণ ঠিক থাকে ? তাকে বেশ কড়া গলায় বললাম - এমন করছেন কেন ? কী সমস্যা ?

মেয়েটা চুপ। রিসিট টা হাতে নিয়ে দেখলাম তলপেটের আল্ট্রা করতে এসেছে । বয়স দেখলাম চৌদ্দ বছর । পিচ্চি মানুষ বলেই হয়তো এত লজ্জা পাচ্ছে ভেবে সিস্টার কে বললাম ওর সাথে কে এসেছে উনাকে ডাক ।
মেয়েটার মা এসেছে । কিন্তু তিনি দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না , অসুস্থ । আল্ট্রা রুমের ভিতরে একটা চেয়ারে তাকে বসতে দিলাম ।

এইটুকু আন্তরিকতায় তিনি কেঁদে ফেললেন । আমি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম । কাঁদতে কাঁদতে নিজেই বলতে লাগলেন - ম্যাডাম আমার পাকস্থলির ক্যানসার । দুইবার অপারেশন হয়েছে । মেয়েটার ঠিকমত যত্ন করতে পারি না বলে মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম । সেখানে আমার নিজের বাবা আমার এই একরত্তি সোনামনিটারে প্রেগনেন্ট করে ফেলেছিল ম্যাডাম !!আমাকে আকারে ইংগিতে মেয়েটা অনেক কিছু বলেছে কিন্তু আমি নিজেই অসুস্থ বলে ওসব পাত্তা দেইনি । ভেবেছি নানীর বাড়িতেই ভাল থাকবে ।আমি আজ আছি কাল নেই ।

অনেক বড় ভুল করেছিলাম .. তার খেসারত দিচ্ছি !
গত সপ্তাহে এমআর করিয়েছি .. আজ দেখতে আসছি কোন অসুবিধা আছে কিনা !

আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম । সেই বমিভাব টা ফিরে এল আবার । মনে হচ্ছিল বমি টা হয়ে গেলে আমার একটু অস্বস্তিটা কমতো !

এই ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের মনের অবস্থাটা কেমন সেটা কি ভাষা দিয়ে বুঝানো সম্ভব ?

কাকে বিশ্বাস করবে একটা মেয়ে ? নিজের জন্মদাতা বাবার কাছেও নিজের নাড়িছেড়া ধন নিরাপদ নয় !

ছি.. ধিক্কার দেবার মতন যথেষ্ট শব্দও আমার জ্ঞানে নেই !
আড়াই বছর আগের এই ঘটনাটাও আমাকে ঘুমাতে দেয়নি অনেক দিন । বমি বমি ভাবটাও ছিল বেশ কিছুদিন।

আমি জানিনা আড়াই বছর পর সেই মা টা এখন বেঁচে আছেন কিনা ? জানিনা সেই বাচ্চা মেয়েটা এখন কোথায় আছে , কার কাছে আছে ,কেমন আছে ….?

ঘটনা ৩:

এই ঘটনা টা আমাকে বেশ তৃপ্তি দেয় । খুলে বলি - একদিন অফিসের এইচআর থেকে আমাকে জানানো হল - গতরাতে একটা মেয়ে অফিস ছুটির পর বাসায় ফিরছিল। রাস্তার দুইপাশে শালবন থাকায় গাজীপুরের এই দিকটা বেশ সুনসান । মেয়েটার সাথে আরো দুটি মেয়ে ছিল । হেঁটেই যাচ্ছিল সবাই । একটা অটো পাওয়ায় পাশের দুই মেয়ে লাফ দিয়ে উঠে চলে যাওয়াতে এই মেয়ে একলা একলা যাচ্ছিল ।পরে নাকি মেয়েটাকে কে বা কারা ধর্ষনের চেষ্টা করেছে । আপনি একটু মেয়েটার সাথে কথা বলে তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বুঝে এর পরের করণীয় কি আমাদের গাইড করুন ।

আমি শুধু বললাম - পাঠান ।

একটু পরেই মেয়েটা আসলো আমার চেম্বারে । বয়স হবে বত্রিশ থেকে পয়ত্রিশের মধ্যে । সারামুখে আচরের দাগ , সামনের তিনটা দাঁত ভাংগা , বাম চোখ ফুলে ঢেকে গেছে , সামনের একগাছি চুল নাই । মাথায় দুই তিন জায়গায় কেটে রক্ত জমে শক্ত হয়ে আছে । আমি কথা শুরুর আগে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নিলাম ।

আমি বললাম - তোমার কে কে আছে রে মা ?
তিনি জানালেন - তার তিন মেয়ে । স্বামী আরেকটা বিয়ে করে চলে গেছে দশ বছর আগেই । মেয়েদের নিয়ে তিনি একাই জীবন যুদ্ধ করে চলছেন । দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন । আর ছোট টাকে স্কুলে পড়ান । যা বেতন পান তাতে মা বেটির দুজনের সংসার ভালই চলে ।
তারপর জানতে চাইলাম - গতকাল কি হয়েছিল বলতো !
তিনি বললেন - আমার ক্ষতি করতে পারে নাই ম্যাডাম । ব্যাটা একাই আছিলো। ব্যাটার হাতে চাকু আছিলো , হেইডার মাথা দিয়া প্রথমে আমারে বিভিন্ন জায়গায় ঘাও দিছে ।রাস্তা থেকে মুখ ছাপ দিয়ে ধইরা বনের মধ্যে নিয়া আমার উপরে চইড়া বইছিল ।আমি নড়তে চড়তে পারি নাই । পরে বিপদ বুইঝা আমি লোকটার লগে ভাও দিছি । এমনেও বিপদ অমনেও বিপদ । চিৎকার করলেও কেউ হুনবো না ।
লোকটারে কাকুতি কইরা কইলাম - আমি এমনেই রাজি আছি , চাকুর ঘাও দিয়েন না ।
ইতিমধ্যে আমার ওড়না কই ফালাইছে কইতে পারি না । চাকুর ঘাওয়ে জামা বিভিন্ন জায়গায় ছিঁড়া রক্ত পরতাছে ।
আমার এই কথায় লোকটা একটু ঢিল দিতেই ধাক্কা দিয়া লোকটারে ফালাইয়া দিয়া উইঠা দৌড় দিছিলাম । কিন্তু ধইরা ফেলছিল আমারে । কিন্তু আর শোয়াইতে পারে নাই । ধস্তাধস্তি করতে গিয়া আমি সুযোগমত লোকটার বিচি ধইরা এমন টান মারছি লোকটা ব্যথায় হুইয়া পরছে । চাকুটা পাশেই ছিল । হেইডা নিয়া লোকটার বিচি বরাবর দিছিলাম ফ্যাস । কিন্তু হারামজাদা লোকটা হাত দিয়া ঠেস দেওয়াতে যুতমত লাগে নাই কিন্তু দেহেন ম্যাডাম এইটুক কাইট্টা আনছি !

বলতে বলতে একটুখানি মাংসের টুকরা হাতের মুঠ খুলে দেখালো আমাকে! সত্যি সত্যিই সেটা অন্ডকোষ বা স্ক্রোটামের অংশবিশেষ ছিল !

আমি সঙ্গে সঙ্গ উঠে দাঁড়িয়ে মেয়েটাকে একটা স্যালুট দিলাম! সাবাস মেয়ে!!! খুশিতে আমার চোখে তখন জমেছে আনন্দঅশ্রু!
—ডা. ফাহমিদা মাহবুব

ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে

নেন আরো করেন দ্বিতীয় বিয়ে! ফজরে আগে আসার কারণে আমার এক বন্ধু আমাকে সবসময় হিংসা করত। যতবারই সে তড়িঘড়ি করে মসজিদে আসত আ...
12/01/2026

নেন আরো করেন দ্বিতীয় বিয়ে!

ফজরে আগে আসার কারণে আমার এক বন্ধু আমাকে সবসময় হিংসা করত। যতবারই সে তড়িঘড়ি করে মসজিদে আসত আমাকে মসজিদেই পেত!

একবার সে আমাকে এর গোপন রহস্য জিজ্ঞেস করল, তুমি কীভাবে সর্বদা এতো তাড়াতাড়ি মসজিদে চলে আসো?

আমি তাকে বললাম : আল্লাহর কসম, আমার দুই স্ত্রী আছে। তারা আমার সেবা করার জন্য সবসময় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আলহামদুলিল্লাহ।

আমার বন্ধু উৎসাহিত হয়ে আরেকটি বিয়ে করে নিলো। এরপর থেকে সেও আমার সাথে মসজিদেই ঘুমায়!

ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে

মানুষ চাইলে কী না অসম্ভব? ১৯ সন্তানের জননী সৌদি মহীয়সী নারী হামদা আল রুওয়ালী। বয়স সবেমাত্র বিয়াল্লিশ। তার বড় সন্তানের বয়...
12/01/2026

মানুষ চাইলে কী না অসম্ভব?

১৯ সন্তানের জননী সৌদি মহীয়সী নারী হামদা আল রুওয়ালী। বয়স সবেমাত্র বিয়াল্লিশ। তার বড় সন্তানের বয়স তেইশ আর সর্বকনিষ্ঠ সন্তান চার মাসের। তিনি শুধুমাত্র উনিশ সন্তানের জননী তথা গৃহিণী তা কিন্তু নয়। সন্তান লালনপালনের পাশাপাশি তিনি নিজের চাকরি এমনকি লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন।

তিনি একাধারে চাকরিজীবী, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাশাপাশি উনিশ সন্তানের জননী। মাশা-আল্লাহু তাবারকাল্লাহ। উনিশ সন্তানের মধ্যে দশজন পুত্র ও নয়জন কন্যাসন্তান। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো সম্প্রতি তিনি এতকিছু সামলানোর পর এই বয়সে এসে ডাক্তারি কমপ্লিট করেছেন।

আরবি এক ইউটিউব চ্যানেলে তার একটি সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়। সেখানে তাকে সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, 'আপনি এতো কিছু সামলান কী করে?, তার সরল উত্তর, 'আমি দিনের বেলা সন্তানদের দেখাশোনা এবং চাকরি করি। আর রাতের বেলা নিজের পড়াশোনা ও ব্যবসাবাণিজ্যে সময় দিই সাধ্যমত।

ভাবা যায় কিছু?
যেই যুগের নারীসমাজ কেরিয়ার ও শরীর নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে সন্তান নিতে অনাগ্রহ দেখায়, চাকরিজীবী হলে চাকরি বাঁচাতে সন্তান নেন না নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত, (যদিও পরবর্তীতে তারা চাইলেও সন্তান হয় না) সন্তান নিলেও দুয়েকটার অধিক নয় নীতি ফলো করে সেই যুগে এক নারী উনিশ সন্তানের জননী হওয়া ব্যবসাবাণিজ্য ও লেখাপড়া সামলানো চাট্টিখানি কথা নয়।

আরো মজার বিষয় হলো সন্তান লালনপালন কষ্টসাধ্য জেনেও এতোগলো সন্তানের জনক বা জননী হতে পারা নিঃসন্দেহে মহা সৌভাগ্যের ও গর্বের বিষয়। পাশাপাশি একাধিক সন্তান নিলেও যে নিজের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছা যায় সৌদি নারী হামদা আল রুওয়ালী তার উজ্জ্বল উদাহরণ। হে বাঙ্গালী নারীসমাজ, শিক্ষা নিন এই সৌদি মহীয়সী নারী থেকে।

শতসহস্র স্যালুট হে মহীয়সী বোন হামদা আল রুওয়ালী।

ফলো করুনঃ বিয়ে করতে হবে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিয়ে করতে হবে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to বিয়ে করতে হবে:

Share