Suicide Prevention Youth Society - SPYS

Suicide Prevention Youth Society - SPYS Su***de Prevention Youth Society is a su***de prevention and mental health organization

06/01/2026

আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ৫টি মূলমন্ত্র
“আপনার সম্মতি ছাড়া কেউ আপনাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে না।’’ – এলেনর রুজভেল্ট।

শেষ কবে আপনি নিজেকে এবং নিজের জীবনের চলার পথকে সন্দেহ করেছিলেন? সম্ভবত যখন আপনি ব্যর্থ হয়েছেন বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন। কিছু কঠিন সময়ে আমরা নিজের প্রতি আস্থা হারাই । এ সময় আমরা অনেক ভুল করি এবং নিজেকে লক্ষ্যহীন মনে হয়। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো গুরুত্ব হারায় এবং জীবনকে অর্থহীন লাগে। আমাদের নিজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং আমাদের জীবন সম্পর্কে ক্ষমতাহীন বোধ করি।

এই ক্ষেত্রে কিছু পরিকল্পনা আপনার আত্মবিশ্বাসে সহায়ক হতে পারে।

১। ইতিবাচক কথা বলুন

আমি জানি, আপনি কি ভাবছেন ! হাস্যকর ভাবছেন! শুধু ইতিবাচক কথা বলাই আমার সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট? হ্যাঁ, কিন্তু সম্পূর্ণ না।

ইতিবাচক কথাও কাজে লাগতে না পারে, যদি আমরা নিয়মানুবর্তী না হই। প্রতিদিন কিছু ইতিবাচক কথা আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলবে। কিছু ইতিবাচক কথা তৈরি করুন এবং প্রতিদিন এগুলো গুরুত্ব দিয়ে বলুন।

২। উপভোগ্য এবং অনুপ্রেরণামূলক কর্মকাণ্ড করুন

আনন্দ এবং উপভোগ্য বিষয় জীবনকে প্রাণবন্ত করে। তখন আমাদের অনুপ্রাণিত থাকা সহজ হই। আপনি যা উপভোগ করছেন, তা যা আপনি চান, তা করতে সাহায্য করে । অনুপ্রেরণামূলক কর্মকাণ্ড আপনার সমস্যাগুলো সহজ করে দেয়।

৩। নিজের যত্ন নিন

আপনি আপনার নিজের যত্নে অগ্রাধিকার দেন? জীবন আমাদের দৈনন্দিন পছন্দ এবং অভ্যাসের সাথে সংযুক্ত। সুতরাং যখন সমস্যা আপনাকে আঁকড়ে ধরে, তখন আপনার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড পরিত্যাগ করা উচিৎ নয়। সর্ব অবস্থায় পর্যাপ্ত খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম ও ধ্যান নিশ্চিত করুন।

৪। ভবিষ্যৎ ভেবে কাজ করুন

আমরা আমাদের ভুল কাজের জন্য নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারি। ইচ্ছাকৃতভাবে এবং ভবিষ্যৎ ভেবে সিদ্ধান্ত নিলে আপনি নিজের সম্পর্কে ভালো বোধ করবেন। তাই পরবর্তী সময় আপনি কিছু করার বা বলার আগে একটি গভীর শ্বাস নিন, এবং ফলাফল সম্পর্কে চিন্তা করুন। এটা নিজের কাজের প্রতি নিয়ন্ত্রিত হতে সাহায্য করবে।

৫। নিজের সেরা চেষ্টাটি করুন

আমরা কিছু ভালো দিন ও কিছু খারাপ সময় অতিক্রম করি। খারাপ সময়ও আমাদের নিয়ন্ত্রিত হয়ে সেরা কাজটি করা উচিত। আপনার খারাপ সময়ে নিজের সাথে কেবল একটি চুক্তি করুন যে, আপনি আপনার সর্বোত্তম চেষ্টাটি করবেন, ফলাফল কোনো ব্যাপার না। সবসময় কঠোর পরিশ্রম আপনাকে সফলতা এনে দেবে।

তথ্যসূত্র: সাইকসেন্ট্রালে প্রকাশিত Joe Wilner এর রচনার বাংলা অনুবাদ।

২০২৬ সালে আপনি কী করতে চান? নতুন বছর মানে শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়-নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ।২০২৬ হোক নিজ...
04/01/2026

২০২৬ সালে আপনি কী করতে চান?
নতুন বছর মানে শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়-নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ।২০২৬ হোক নিজের যত্ন নেওয়ার বছর,নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেওয়ার বছর।

✨ নতুন স্কিল শেখা।
✨ নিজের উন্নতিতে বিনিয়োগ।
✨ সেল্ফ কেয়ারকে গুরুত্ব দেওয়া।
✨ সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়া।
✨ সহানুভূতিশীল ও মানবিক চর্চা।
✨ প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানো।

মনে রাখবেন,ছোট ছোট ইতিবাচক পরিবর্তনই বড় পরিবর্তনের সূচনা করে।নিজের মানসিক সুস্থতা,আশা ও জীবনের মূল্যকে অগ্রাধিকার দিন—কারণ আপনি গুরুত্বপূর্ণ।

সুস্থ ও সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায়,আমরা আছি সর্বদায়— Su***de Prevention Youth Society (SPYS)

ুন_শুরু #নিজের_যত্ন #মানসিক_স্বাস্থ্য

আসুন আত্মহত্যাকে "লাল কার্ড" প্রদর্শন করি...
03/01/2026

আসুন আত্মহত্যাকে "লাল কার্ড" প্রদর্শন করি...

[ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও মানসিক স্বাস্থ্য]বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ও দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং মানসিক সুস্...
02/01/2026

[ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও মানসিক স্বাস্থ্য]

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ও দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং মানসিক সুস্থতা—এই দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২০২৬ সালকে সামনে রেখে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে টেকসই সাফল্য অর্জনের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালে কার্যকর ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা, যোগাযোগ ক্ষমতা, সমস্যা সমাধান ও দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়া ক্যারিয়ার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। পেশাগত জীবনে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা এবং দায়িত্বশীলতা বজায় রাখাও সফলতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার গুরুত্ব ক্যারিয়ারে অগ্রগতির চাপ অনেক সময় মানসিক ক্লান্তি ও হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ২০২৬ সালে মানসিক স্বাস্থ্যকে অবহেলা না করে নিয়মিত আত্মমূল্যায়ন ও আত্মযত্নের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম, কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য, ইতিবাচক সামাজিক সম্পর্ক এবং প্রয়োজনে পেশাদার মানসিক সহায়তা গ্রহণ মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও মানসিক স্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে নয়, বরং সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত কাজের চাপ এড়িয়ে সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা, বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা এবং আত্মসম্মান বজায় রেখে কাজ করাই একটি সুস্থ কর্মজীবনের ভিত্তি।

২০২৬ সালকে ফলপ্রসূ করতে হলে ক্যারিয়ার উন্নয়নের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার প্রতি সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও আত্মযত্ন—এই তিনের সমন্বয়ই একটি স্থিতিশীল, শান্ত ও সফল জীবনের পথ তৈরি করতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতনতার মাধ্যমে ২০২৬ সাল ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ের জন্যই ইতিবাচক পরিবর্তনের বছর হতে পারে।

বদরুল মোর্শেদ আসাদ
নির্বাহী পরিচালক,
স্কুল অব ক্যারিয়ার &
সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি।

সময় কখনো থেমে থাকে না। দেখতে দেখতে আরেকটি বছর—২০২৫—আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিল। এই বছর আমাদের দিয়েছে নানা অভিজ্ঞতা; কিছু ...
01/01/2026

সময় কখনো থেমে থাকে না। দেখতে দেখতে আরেকটি বছর—২০২৫—আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিল। এই বছর আমাদের দিয়েছে নানা অভিজ্ঞতা; কিছু আনন্দের, কিছু কষ্টের, কিছু সফলতার, আবার কিছু ব্যর্থতার। প্রতিটি ঘটনাই ছিল আমাদের জীবনের পাঠশালা। এখন নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনা, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন স্বপ্ন নিয়ে হাজির।
সময় কখনো থেমে থাকে না। দেখতে দেখতে আরেকটি বছর—২০২৫—আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিল। এই বছর আমাদের দিয়েছে নানা অভিজ্ঞতা; কিছু আনন্দের, কিছু কষ্টের, কিছু সফলতার, আবার কিছু ব্যর্থতার। প্রতিটি ঘটনাই ছিল আমাদের জীবনের পাঠশালা। এখন নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনা, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন স্বপ্ন নিয়ে হাজির।।
পুরাতন বছরকে বিদায় জানানোর অর্থ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়; বরং নিজের ভুলগুলো চিহ্নিত করা, সেগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নিজেকে আরও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিজ্ঞা করা। ২০২৫ হয়তো আমাদের সব চাওয়া পূরণ করতে পারেনি, কিন্তু আমাদের ধৈর্য, সহনশীলতা এবং বাস্তবতাকে বোঝার শক্তি দিয়েছে। এই অভিজ্ঞতাগুলোই ২০২৬–এর পথচলার পাথেয় হওয়া উচিত।
নতুন বছরে আমাদের প্রথম প্রয়োজন আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিসরে আমাদের আচরণ ও সিদ্ধান্তগুলো আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। হিংসা, বিদ্বেষ, অহংকার ও হতাশা পেছনে ফেলে সহমর্মিতা, মানবিকতা ও ইতিবাচক চিন্তার চর্চা বাড়াতে হবে।
২০২৬–এর পথচলায় মানবিক মূল্যবোধ হওয়া উচিত আমাদের প্রধান দিশারি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সহানুভূতির মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। পরিবারে শান্তি, সমাজে ন্যায়বোধ এবং রাষ্ট্রে দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব—এই তিন স্তম্ভে দাঁড়িয়েই একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা যায়।
এ বছর আমাদের আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নৈতিকতার উপর। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা ছাড়া কোনো উন্নয়নই টেকসই হয় না। পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সততার সাথে নিজের দায়িত্ব পালনই পারে ব্যক্তি ও জাতিকে এগিয়ে নিতে।
সবশেষে বলা যায়, ২০২৬ যেন হয় প্রতিশোধ বা বিভেদের নয়, বরং স্বপ্ন, উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বছর। অতীতের ভুলকে শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে, বর্তমানকে সচেতনভাবে কাজে লাগিয়ে এবং ভবিষ্যতের জন্য সৎ ও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলাই হোক আমাদের নতুন বছরের অঙ্গীকার।
নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবিক আলোর স্পর্শ—এই কামনায়।

পরিচালনা পর্ষদ,
সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি।

Happy New Year 2026Wishing you a year filled with laughter, prosperity, and the fulfillment of your dreams.May the comin...
31/12/2025

Happy New Year 2026

Wishing you a year filled with laughter, prosperity, and the fulfillment of your dreams.May the coming year be a chapter of love,success, & unforgettable moments.

Cheers to a fantastic New Year!

বিএনপি চেযারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় (ফজরের ঠিক পরে) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালি...
30/12/2025

বিএনপি চেযারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় (ফজরের ঠিক পরে) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।
তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের বীর যোদ্ধা,ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মারা গেছেন।(...
18/12/2025

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের বীর যোদ্ধা,ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মারা গেছেন।

(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দাম্পত্য সম্পর্ক কিভাবে সুস্থ ও সুন্দর রাখবেন১. পরিষ্কার ও নিয়মিত যোগাযোগ করুন-মন খুলে কথা বলা, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা...
04/12/2025

দাম্পত্য সম্পর্ক কিভাবে সুস্থ ও সুন্দর রাখবেন

১. পরিষ্কার ও নিয়মিত যোগাযোগ করুন-
মন খুলে কথা বলা, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা এবং সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা—এসবই যে কোনো সম্পর্কের শক্ত ভিত্তি।
২. পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখুন-
মতভেদ থাকলেও অপমান, তুলনা বা দোষারোপ নয়—সম্মান যেন কখনও হারিয়ে না যায়।
৩. ছোট ছোট ভালোবাসার প্রকাশ করুন-
একটি প্রশংসা, একটি হাসি বা ছোট কোনো সহযোগিতা—এসবই সম্পর্ককে জীবন্ত ও আনন্দময় রাখে।
৪. ঝগড়ার সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলুন-
সমস্যা নিয়ে কথা বলুন, মানুষটিকে আঘাত করবেন না। ‘তুমি সবসময়…’ ধরনের বাক্য এড়িয়ে চলুন।
৫. দায়িত্ব ভাগ করে নিন-
ঘর, সন্তান, অর্থ—সব দায়িত্বে দুজনের সমান অংশগ্রহণ সম্পর্ককে আরো স্থিতিশীল করে।
৬. প্রতিদিন মানসম্মত সময় কাটান-
১০–২০ মিনিট হলেও দু’জনের জন্য আলাদা সময় রাখুন—মোবাইল ও বিভ্রান্তি ছাড়া।
৭. প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন-
‘ধন্যবাদ’, ‘তুমি দারুণ করেছ’—এ ধরনের সহজ শব্দই সম্পর্ককে উষ্ণ ও প্রশান্ত রাখে।
৮. স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস ধরে রাখুন-
মিথ্যা, লুকোচুরি ও অযথা সন্দেহ সম্পর্ককে দ্রুত ভেঙে ফেলে। তাই বিশ্বাসই হোক প্রধান শক্তি।
৯. জটিল সমস্যায় পরামর্শ নিতে পিছপা হবেন না-
কাউন্সেলর, বয়োজ্যেষ্ঠ বা বিশ্বস্ত কারো পরামর্শ অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ককে নতুন দিশা দেয়।
১০. নিজের মানসিক ও আবেগিক সুস্থতার যত্ন নিন
নিজে সুস্থ থাকলে সম্পর্কেও ইতিবাচকতা, ধৈর্য ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।

বদরুল মুর্শেদ আসাদ
প্রধান নির্বাহী
সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি

Journey to Mental Healthসুস্থ মানসিক বিকাশ ও সুস্থ জীবনের পথচলা,মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়—এটি প্রতিটি মানুষের মৌ...
14/11/2025

Journey to Mental Health

সুস্থ মানসিক বিকাশ ও সুস্থ জীবনের পথচলা,মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়—এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন।দৈনন্দিন চাপ, কাজ, সম্পর্ক, জীবনযাপনের ব্যস্ততার মাঝে আমরা অনেকসময় নিজের অনুভূতি ও মানসিক সুস্থতার যত্ন নিতে ভুলে যাই।

Journey to Mental Health—এর লক্ষ্য: মানসিক স্বাস্থ্যকে স্বাভাবিক, আলোচনাযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য করে তোলা।

আমাদের মূল কার্যক্রম:
• মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি
• স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি ও বার্নআউট ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন
• Self-care ও Emotional wellbeing প্র্যাকটিস
• Healthy mindset ও positive lifestyle গড়ে তোলার পরামর্শ

আমাদের বিশ্বাস: “মানসিক সুস্থতাই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

আমরা কী বোঝাতে চাই?
সহায়তা চাওয়া দুর্বলতা নয়—এটি সাহসের পরিচয়।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা মানসিক শক্তির প্রতীক
আপনি একা নন, আমরা আছি পাশে।

✅ প্রয়োজন হলে পেশাদার সাহায্য নিন।
✅ কারও কথা শুনুন, প্রয়োজন হলে নিজের কথা বলুন।
✅ কারণ—Mental Health Matters.

বিশেষ নোট (সাপোর্টের জন্য): যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ দীর্ঘদিন ধরে হতাশা,একাকিত্ব বা আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগে থাকেন,তবে Su***de Prevention Youth Society - SPYS এর সহযোগিতা নিন।

Badrul Morshed Asad
Founder, Su***de Prevention Youth Society (SPYS)

মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা একাকিত্ব—এসবই ধীরে ধীরে মনকে দুর্বল করে দিতে পারে।নিজেকে একা ভাববেন না। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের সাহ...
14/11/2025

মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা একাকিত্ব—এসবই ধীরে ধীরে মনকে দুর্বল করে দিতে পারে।
নিজেকে একা ভাববেন না। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন, কথা বলুন বিশ্বাসের মানুষের সাথে।
সঠিক সময়ে সহায়তা নেওয়া জীবনকে নতুন আলো দেয়।
মনের কথা বলুন পেইজের ইনবক্সে।(গোপনীয়তা শতভাগ)

ছবিতে আপনারা যেই পিগিব্যাংক ভাঙ্গার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সেটা মূলত আমাদেরকে Rage Room কনসেপ্ট বুঝতে সাহায্য করে।Rage Room...
09/11/2025

ছবিতে আপনারা যেই পিগিব্যাংক ভাঙ্গার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সেটা মূলত আমাদেরকে Rage Room কনসেপ্ট বুঝতে সাহায্য করে।Rage Room আমাদের জন্য কিছুটা নতুন বিষয় হলেও জাপান,যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা,দুবাই,অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমানোর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম।
◑ Rage Room আসলে কি?এর ধারণা এসেছিলো কোথা থেকে?
Rage Room বা Anger Room হলো এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ নিরাপদভাবে বিভিন্ন জিনিস ভেঙে নিজের রাগ, ক্ষোভ, হতাশা প্রকাশ করতে পারে। সাধারণত প্লেট, বোতল, টিভি, কম্পিউটার ইত্যাদি ভাঙার ব্যবস্থা থাকে।
রেজ রুমের ধারণাটি প্রথমে জাপানে শুরু হয়েছিল, যেখানে এটি রাগ কমানোর একটি বিনোদন মাধ্যম হিসেবে চালু হয়েছিল। পরে এই ধারণাটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ডোনা আলেকজান্ডার ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি গ্যারেজে প্রথম রেজ রুম তৈরি করেন।সেখানে মানসিক চাপ কমানোর জন্য টিভি, গ্লাস, ফার্নিচার, প্রিন্টার, বোতল, ইলেকট্রনিক্সসহ নানা ভাঙার মতো বস্তু, সুরক্ষার জন্য হেলমেট, গ্লাভস এবং সেফটি গিয়ার দেওয়া হতো।যদিও Rage Room এর পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখা হয় তবুও এসব স্থানে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি নিয়োগ থাকেন যারা যেকোন দূর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করেন।
◑ Rage Room-এর পেছনের মনস্তত্ত্ব
মানসিকভাবে ভাঙা বা ধ্বংস করার কাজটি "Catharsis Theory" এর ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যার মানে হলো: একবার ভেতরের রাগ বা অনুভূতি শারীরিকভাবে প্রকাশ করলে, সেটা হালকা হয়ে যায়। তবে এটি সব সময় সকলের জন্য কার্যকর হয় না।এটি একটি ক্ষণস্থায়ী বন্দবস্ত। দীর্ঘমেয়াদের মানসিক চাপ কমাতে প্রয়োজন ইচ্ছা, ধৈর্য্য, কাউন্সিং ও মেডিটেশন।
বাংলাদেশে Rage Room প্রচলন যেহেতু সীমিত তাই তাৎক্ষণিক ভাবে মানসিক চাপ কমাতে আপনি রেজ রুমের আদলে কিছু কাজ করতে পারেন।যেমন -
- কুশন বা বালিশে ঘুষি মারা
- স্ট্রেস বল চেপে ধরা
- জোরে জোরে হাঁটা বা দৌড়ানো
- ডায়েরিতে রাগের কথা লিখে ফেলা
- একা চিৎকার করা (সেফ জায়গায়)
এছাড়া, আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি ঢাকাসহ কিছু শহরে এটি(Rage Room) চালু করার চেষ্টা করছে।

Jannatul Mawoa Anonna
Moderetor
Su***de Prevention Youth Society - SPYS

Address

Dhaka
1740

Telephone

+8801711669384

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suicide Prevention Youth Society - SPYS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Suicide Prevention Youth Society - SPYS:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram