07/02/2026
আপনি কি এই ভুলটা করছেন?
অনেক মানুষ যখন অসুস্থতা, অশান্তি, ভয়, দুঃস্বপ্ন বা অস্বাভাবিক কষ্টে ভোগেন তখন সরাসরি ধরে নেন যে এটা জিন, জাদু বা বদনজরের সমস্যা। কিন্তু কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, সব কষ্টের কারণ আগে নিজেকে যাচাই করা জরুরি। অনেক সময় গুনাহ, ফরজ ইবাদতে অবহেলা, নামাজে অমনোযোগিতা, কোরআন থেকে দূরে থাকা কিংবা আল্লাহর ওপর ভরসার ঘাটতির কারণেও অন্তরে অশান্তি নেমে আসে।
রুকইয়াহ কোনো যাদু বা তাবিজ নয়। রুকইয়াহ হচ্ছে কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে রুকইয়াহ করেছেন এবং সাহাবিদেরও তা শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এতে কোনো সমস্যা নেই যতক্ষণ তা শিরক মুক্ত হয়।
অনেকেই আজকাল নিজের আমল ঠিক না করেই শুধু রুকইয়াহ করাতে চান। অথচ কোরআন বলে, আল্লাহ মুমিনদের জন্য কোরআনকে শিফা ও রহমত করেছেন। এই শিফা তখনই কাজ করে যখন মানুষের অন্তর আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। নামাজ ঠিক করা, সকাল সন্ধ্যার দোয়া পড়া, আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক ও নাস নিয়মিত পড়া এগুলোই হচ্ছে রুকইয়ার মূল ভিত্তি।
রুকইয়াহ করার আগে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত আমি কি নিয়মিত নামাজ পড়ছি, হারাম থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি, ঘরে কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে কি না। এসব ঠিক না করে শুধু রুকইয়াহকে সমাধান ভাবা অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে যায়।
তবে যদি সব চেষ্টা সত্ত্বেও সমস্যা বেশি মনে হয়, তাহলে অভিজ্ঞ ও সহিহ আকিদার রাক্বীর কাছে যাওয়া যেতে পারে, যিনি কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী রুকইয়াহ করেন, তাবিজ, শিরক বা ভ্রান্ত পদ্ধতি থেকে দূরে থাকেন।
সমস্যা বেশি মনে হলে আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীর সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনি কি এই ভুলটা করছেন?
অনেক মানুষ যখন অসুস্থতা, অশান্তি, ভয়, দুঃস্বপ্ন বা অস্বাভাবিক কষ্টে ভোগেন তখন সরাসরি ধরে নেন যে এটা জিন, জাদু বা বদনজরের সমস্যা। কিন্তু কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, সব কষ্টের কারণ আগে নিজেকে যাচাই করা জরুরি। অনেক সময় গুনাহ, ফরজ ইবাদতে অবহেলা, নামাজে অমনোযোগিতা, কোরআন থেকে দূরে থাকা কিংবা আল্লাহর ওপর ভরসার ঘাটতির কারণেও অন্তরে অশান্তি নেমে আসে।
রুকইয়াহ কোনো যাদু বা তাবিজ নয়। রুকইয়াহ হচ্ছে কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে রুকইয়াহ করেছেন এবং সাহাবিদেরও তা শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এতে কোনো সমস্যা নেই যতক্ষণ তা শিরক মুক্ত হয়।
অনেকেই আজকাল নিজের আমল ঠিক না করেই শুধু রুকইয়াহ করাতে চান। অথচ কোরআন বলে, আল্লাহ মুমিনদের জন্য কোরআনকে শিফা ও রহমত করেছেন। এই শিফা তখনই কাজ করে যখন মানুষের অন্তর আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। নামাজ ঠিক করা, সকাল সন্ধ্যার দোয়া পড়া, আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক ও নাস নিয়মিত পড়া এগুলোই হচ্ছে রুকইয়ার মূল ভিত্তি।
রুকইয়াহ করার আগে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত আমি কি নিয়মিত নামাজ পড়ছি, হারাম থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি, ঘরে কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে কি না। এসব ঠিক না করে শুধু রুকইয়াহকে সমাধান ভাবা অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে যায়।
তবে যদি সব চেষ্টা সত্ত্বেও সমস্যা বেশি মনে হয়, তাহলে অভিজ্ঞ ও সহিহ আকিদার রাক্বীর কাছে যাওয়া যেতে পারে, যিনি কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী রুকইয়াহ করেন, তাবিজ, শিরক বা ভ্রান্ত পদ্ধতি থেকে দূরে থাকেন।
সমস্যা বেশি মনে হলে আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীর সাথে যোগাযোগ করুন।
সচেতনতার জন্য সদকায়ে জারিয়্যাহ এর নিয়তে শেয়ার করুন।
সরাসরি সিরিয়াল বুক করুন-
01616-783326
01577267460