বিসমিল্লাহ্ হোমিও হল।

বিসমিল্লাহ্ হোমিও হল। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিসমিল্লাহ্ হোমিও হল।, Doctor, Ranisankail, Dhaka.

আসসালামু আলাইকুম ❤️
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, এবং সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা অনলাইনে পেতে কল করুন - 01793957966 (হোয়াটসঅ্যাপ) অথবা পেজে ইনবক্স করুন।
চেম্বার লোকেশনঃ বালুবাড়ী পানির ট্যাংকি মোড়, সদর, দিনাজপুর। আসসালামু আলাইকুম।
আমাদের কাছে পাবেন খুচরা ও পাইকারি সব ধরনের গিফট আইটেম।
★ইসলামিক পণ্য,
★আতর
★ঘড়ি
★অর্গানিক ফুড
★ভেষজ আইটেম
★টি-শার্ট
★পান্জাবি
★লুঙ্গি
নিত্য প্রয়োজনীয় অসংখ্য কোয়ালিটি প্রোডাক্ট।

ঠিকানাঃ লালবাগ মোর, রংপুর।
মোবাইল: 01855336661

🚨 হঠাৎ ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে শরীর কীভাবে সংকেত দেয়? আপনি অবহেলা করছেন না তো? 🚨**হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড স...
03/05/2026

🚨 হঠাৎ ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে শরীর কীভাবে সংকেত দেয়? আপনি অবহেলা করছেন না তো? 🚨**
হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে (যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা Hyperglycemia বলা হয়), আমাদের শরীর কিন্তু একদম চুপ করে থাকে না...
নীরবে, ধীরে ধীরে সে কিছু সংকেত দিতে শুরু করে—যেগুলো আমরা অনেক সময় সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করে ফেলি! 😔
শরীরে ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে শরীর যে প্রাথমিক সংকেতগুলো দেয়:
💧 **ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া:** হঠাৎ করে যদি বারবার প্রস্রাবের বেগ আসে, সেটা শুধু বিরক্তিকর নয়... এটা হতে পারে শরীরের ভেতরের এক গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা! অতিরিক্ত সুগার বের করে দিতে আপনার কিডনি তখন রীতিমতো হিমশিম খায়।
🚰 **অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগা:** বারবার পানি খেতে ইচ্ছে করছে? গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে? এটা শুধু গরমের কারণে নয়... অতিরিক্ত প্রস্রাবের ফলে আপনার শরীর ভেতর থেকে পানিশূন্য হয়ে পড়ছে!
অসাড় **প্রচণ্ড ক্লান্তি বা দুর্বলতা:** অকারণে ক্লান্ত লাগছে? কোনো কাজ না করেও শক্তি পাচ্ছেন না? কারণ আপনার শরীর রক্তে থাকা গ্লুকোজ থেকে শক্তি নিতে পারছে না... আর আপনি ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। 😞
👁️ **মাথাব্যথা এবং ঝাপসা দৃষ্টি:** হঠাৎ চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা মাথা ধরার মতো অবস্থা—এসব কিন্তু সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে গেলে অনেক বড় ভুল হবে।
⚠️ **সুগার অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে শরীর আরও ভয়ংকরভাবে সংকেত দেয়!**
যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
* **বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া:** পেটের অস্বস্তি, বমি—শরীর যেন আর সহ্য করতে পারছে না।
* **নিশ্বাসে ফলের মতো গন্ধ:** নিশ্বাসে অদ্ভুত মিষ্টি বা পচা ফলের মতো গন্ধ বের হচ্ছে? মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে? এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপজ্জনক একটি লক্ষণ!
* **শ্বাসকষ্ট:** শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া—এটা একদমই হালকাভাবে নেওয়ার মতো বিষয় নয়।
* **বিভ্রান্তি বা মনোযোগের অভাব:** কথা জড়িয়ে যাওয়া, মাথা ঘুরে যাওয়া, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা অত্যন্ত জরুরি সতর্কবার্তা।
*সতর্কতা: এই লক্ষণগুলো দেখলে এক মুহূর্তও দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। কারণ, এখানে সময় নষ্ট করা মারাত্মক বিপজ্জনক হতে পারে!* 🏥
🧘‍♂️ **হঠাৎ ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে ভয় না পেয়ে, ঠান্ডা মাথায় যা করবেন:**
১. **ব্লাড সুগার পরীক্ষা করুন:** প্রথমেই জানুন—আসলে মাত্রাটা ঠিক কতটা বেড়েছে।
২. **প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন:** পানি এখানে আপনার সবচেয়ে বড় সহায়! এটি শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে অতিরিক্ত সুগার বের করতে সাহায্য করে।
৩. **শর্করা ও মিষ্টি জাতীয় খাবার বন্ধ:** এই সময় একটু কষ্ট হলেও মিষ্টি বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতেই হবে। 🚫
৪. **নির্ধারিত ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ:** নিজের ইচ্ছামতো ডোজ বাড়ানো বা কমানো একদম নয়—ডাক্তারের নির্দেশই এখানে শেষ কথা।
🚶‍♂️ **হালকা শারীরিক পরিশ্রম:** যদি সুগার খুব বেশি না হয়, তাহলে হালকা হাঁটাহাঁটি কিছুটা সাহায্য করতে পারে। **কিন্তু সাবধান!** সুগার যদি ২৫০ mg/dL-এর বেশি হয় এবং প্রস্রাবে কিটোন থাকে—তাহলে ব্যায়াম বিপদ ডেকে আনতে পারে।
🚑 **কখন দ্রুত হাসপাতালে ছুটবেন?**
যদি সুগার ৩০০ mg/dL বা তার বেশি হয়, আর সাথে বারবার বমি, তীব্র পেট ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা নিশ্বাসে অদ্ভুত গন্ধ থাকে—তাহলে এক মুহূর্ত দেরি না করে হাসপাতালে যান। এটি কোনো সাধারণ বিষয় নয়... এটি জীবন ঝুঁকির পরিস্থিতি হতে পারে!
🌿 **ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথি কীভাবে জাদুকরী কাজ করে?**
হঠাৎ করে সুগার অনেক বেড়ে গেলে অবশ্যই দ্রুত অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দরকার। তবে দীর্ঘমেয়াদে সুগার নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেকেই এখন বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন।
হোমিওপ্যাথিতে শুধু রোগের নাম ধরে চিকিৎসা হয় না... রোগীর পুরো অবস্থা—তার শরীর, মন, অভ্যাস—সবকিছু খুব গভীরভাবে বিবেচনা করা হয়! ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কিছু অত্যন্ত পরিচিত ও কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হলো:
🌱 **Syzygium Jambolanum:** খুব জনপ্রিয় একটি ওষুধ—বিশেষ করে অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও ঘন ঘন প্রস্রাবের ক্ষেত্রে এটি দারুণ কাজ করে।
🌱 **Uranium Nitricum:** ডায়াবেটিসের কারণে দুর্বলতা, হজমের সমস্যা আর অতিরিক্ত প্রস্রাবে এটি ভীষণ উপকারী।
🌱 **Phosphoric Acid:** রোগের কারণে যাদের মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি চরমে পৌঁছেছে, তাদের জন্য এটি বেশ কার্যকর।
🌱 **Cephalandra Indica:** তৃষ্ণা, সারা শরীরে জ্বালাপোড়া এবং রক্তে ইউরিয়া বেড়ে গেলে এটি খুব ভালো সাহায্য করে।
🌱 **Gymnema Sylvestre:** বারবার মিষ্টি খাওয়ার প্রবল প্রবণতা কমাতে এটি জাদুর মতো কাজ করে!
🌱 **Natrum Sulphuricum:** বংশগত ডায়াবেটিস বা লিভার-সংক্রান্ত সমস্যা থেকে সুগার বেড়ে গেলে এটি ব্যবহৃত হয়।
📢 **শেষ কথা:**
বন্ধুরা, হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কখনো সোশ্যাল মিডিয়া দেখে নিজে নিজে কিনে খাবেন না। কারণ সঠিক ওষুধ, সঠিক শক্তি (Potency) আর সঠিক মাত্রাই (Dose) এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ! অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য। ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদেরও সচেতন করুন! ❤️🙏

যেখানে ৭-১০দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও অনেক শিশু মা'রা যাচ্ছে, সেখানে এই সপ্তাহে আমি ১৫-১৭টা হামের শিশুকে চিকিৎসা দিয়েছি...
03/05/2026

যেখানে ৭-১০দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও অনেক শিশু মা'রা যাচ্ছে, সেখানে এই সপ্তাহে আমি ১৫-১৭টা হামের শিশুকে চিকিৎসা দিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ সর্বোচ্চ ৫/৬ দিনে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছে।

সুতরাং মানুষ তো হোমিওপ্যাথিতে ঝুঁকবেই।

🛑শরীরের অতিরিক্ত ওজন /চর্বি কমানোর হোমিও ঔষধ 🛑🔵Calcarea Carbonica-সহজে মোটা,শরীরের চর্বি হয়, ভূড়ি হয়।এরা থলথলে,নাদুসনুদ...
02/05/2026

🛑শরীরের অতিরিক্ত ওজন /চর্বি কমানোর
হোমিও ঔষধ 🛑
🔵Calcarea Carbonica
-সহজে মোটা,শরীরের চর্বি হয়, ভূড়ি হয়।এরা থলথলে,নাদুসনুদুস, গোলগাল মুখমণ্ডল।
-পেট ও উরুতে চর্বি বেশি,মাথা বড়ো।
-বেশি ঘাম (বিশেষ করে মাথায়)।
-ডিম পছন্দ,দুধ অপছন্দ।
-ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
এসব লক্ষণে ক্যালকেরিয়া কার্ব উত্তম মেডিসিন।

🔵 Graphites
-স্থূল ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে।
-ত্বক শুষ্ক ও ফাটা, আটসাট শরীর।
-অলস স্বভাব,মিউজিক অপছন্দ।
-মহিলাদের মাসিক স্রাবে গন্ডগোল। দীর্ঘদিন মাসিক হয়না।

🔵 Natrum Muriaticum
-মানসিক কষ্ট জমিয়ে রাখে।
-দীর্ঘদিনের কষ্ট, হতাশা থেকে মোটা হওয়ার প্রবনতা।
-Natrum mur শুধু চিকন নয় মোটা হওয়ার প্রবণতা ও থাকে।
-গরম কাতর, গোসল প্রিয়, ঠান্ডা খাবার ভালোবাসে।
-খিট খিটে মেজাজের, সান্ত্বনা অপছন্দ।
-লবন, তিতা খাবার পছন্দ।
এসব লক্ষণে এই মেডিসিন উপযোগী।

🔵 Lycopodium

-উপরের অংশ শুকনা, নিচের অংশে মেদ।বিশেষ করে নিতম্বের দিকে।
-বিকালে ক্ষুধা বাড়ে,ক্ষুধা সহ্য করতে পারে না।
-প্রচুর গ্যাস্ট্রাইটিস।
-স্বার্থপর, কৃপণ লোক। রাগ বেশি।

🔵Fucus Vesiculosus (Mother tincture)
-থাইরয়েড/মেটাবলিক সমস্যা থাকলে
হজম ধীরে হয়।
সাধারণত ১০-১৫ ফোঁটা দিনে দুই থেকে তিনবার পানিতে মিশিয়ে।

🔵 Phytolacca Berry (Q)
-স্থূলতা /চর্বি,ভূড়ি কমাতে প্রচলিত
সাধারণত ১০–১৫ ফোঁটা, দিনে ২–৩ বার (পানিতে মিশিয়ে)

🔴🔴এছাড়া প্রোপার কেইস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

🔷🔶ঔষধের পাশাপাশি ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

ডা. কেন্টের ১২টি পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা:১। দীর্ঘকালীন রোগের বৃদ্ধি, শেষ পর্যন্ত রোগীর ক্রমাবনতি।ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝত...
02/05/2026

ডা. কেন্টের ১২টি পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা:

১। দীর্ঘকালীন রোগের বৃদ্ধি, শেষ পর্যন্ত রোগীর ক্রমাবনতি।

ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝতে হবে জীবনীশক্তি খুব দুর্বল, ফলে গভীর অ্যান্টি-সোরিক ওষুধ সহ্য করতে পারছে না। তাই দীর্ঘকালীন রোগ বৃদ্ধি। বা 30 শক্তির বেশি অর্থাৎ উচ্চ শক্তির ঔষধ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। নিম্ন শক্তির ঔষধ ব্যবহার করা উচিত ছিল। রোগের কারণে শরীরের কোন যন্ত্রের পরিবর্তন হয়ে গেছে। রোগ সারার অবস্থায় নাই। এই দীর্ঘকালীন বৃদ্ধিকে এখন‌ই কোন নিম্ন শক্তির ঔষধ দিয়ে উপশম করা দরকার। নচেৎ জীবন সংশয় হওয়ার আশঙ্কা আছে। এরূপ অবস্থায় প্রথম থেকেই নিম্ন শক্তির ঔষধ দিয়ে জীবনী শক্তিকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করা ভালো।

২। দীর্ঘকালীন বৃদ্ধি ও শেষে ধীরগতিতে রোগের উন্নতি।

ব্যাখ্যা : ঔষধ প্রয়োগের পর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ রোগ বৃদ্ধির পর যদি অল্প অধীর গতিতে উপশম হতে থাকে, তাহলে বুঝবেন শরীরের ভিতরে অল্প হলেও টিসুর পরিবর্তন শুরু হয়েছে। জীবনীশক্তি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে রোগ সারার দিকে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে রোগের গতি প্রকৃতি লক্ষ্য করে যেতে হবে। ঔষধ ঘন ঘন দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। তা কয়েক মাসও হতে পারে।

৩। তড়িঘড়ি কিন্তু সংক্ষিপ্ত ও জোরালো রোগ বৃদ্ধি, তারপর শুরু হয় অতি দ্রুত গতিতে রোগের উন্নতি।

ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝতে হবে জীবনীশক্তির প্রতিক্রিয়া খুবই জোরালো, শরীরে কোন যান্ত্রিক পরিবর্তন হয়নি, অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্রের খারাপ কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক্ষেত্রে রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হবে ও নিরাময় দীর্ঘস্থায়ী হবে। এই বৃদ্ধি হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধি। অস্বাভাবিক নয়। বুঝতে হবে, ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়েছে কিন্তু শক্তি ও মাত্রা একটু বেশি হয়েছে। ঔষধ প্রয়োগের পর বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেলে, ঔষধ পুনঃ প্রয়োগ করা যাবে না। তরুণ রোগের ক্ষেত্রে প্রায় এসব লক্ষ্য করা যায়।

৪। কিছু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে দেখা যায় ঔষধ প্রয়োগের পর রোগ আদৌ বৃদ্ধি হয় না বরং স্বাভাবিক নিরাময়ের দিকে যাচ্ছে।

ব্যাখ্যা : এ অবস্থা থেকে বোঝা যায় ঔষধের শক্তি ও মাত্রা সঠিক হয়েছে, যা সচরাচর আশা করা যায় না। জীবনীশক্তি যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। শরীরের কোন যান্ত্রিক পরিবর্তন হয়নি।

৫। রোগ লক্ষণ সমূহের প্রথমে উপশম শুরু হলো তারপরে বৃদ্ধি হতে থাকলো।

ব্যাখ্যা : ওষুধ প্রয়োগের কয়েক দিন বা ১/২ সপ্তাহ পর থেকে ঔষধ প্রয়োগের আগের অবস্থা ফিরে আসে। অনেক সময় কিছু লক্ষণ নিয়ে ফিরে আসে।

ডা. কেন্ট এর দুটি কারণ ব্যাখ্যা করেছেন যথা :

(ক) নির্ধারিত ঔষধটি হয়তো আংশিক সঠিক হয়েছে, ফলে রোগ পূর্ণ নিরাময়ের বদলে, উপশম হয়েছিল তাই কয়েকদিনের মধ্যে আবার লক্ষণগুলি ফিরে আসছে। এর মানে রোগীকে ধাতুগত ভাবে যথাযথ বিচার বিশ্লেষণ করা হয়নি।
কিন্তু যদি ঔষধ সুনির্বাচিত হয়েছে বলে মনে হয় তাহলে আরো উচ্চ শক্তি প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাতেও রোগলক্ষণ ফিরে ফিরে আসলে, আরো উচ্চ শক্তি দিতে হবে।

(খ) তাতেও নিরাময় না হলে বুঝবেন রোগটি সারার অবস্থায় নাই। সে ক্ষেত্রে নির্বাচিত ঔষধের নিম্নশক্তি দিয়ে রোগটিকে উপশম করে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

মন্তব্য : সুনির্বাচিত আন্টি-মায়াজমটিক ঔষধে ১/২ মাত্রাতেই কাজ হয় ও পূর্ণ আরোগ্য হয়।

৬। ঔষধ প্রয়োগের পর খুব কম সময়ের জন্য রোগ লক্ষণ উপশম হয়।

ব্যাখ্যা : ঔষধ প্রয়োগের পর দীর্ঘকালীন ও স্থায়ী রোগ আরোগ্য থাকার কথা কিন্তু তা থাকছে না। কারণ এমন কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে আছে ফলে এমন হচ্ছে।
যথা : কেউ নেশা জাতীয় দ্রব্য তামাক, জর্দা, মদ ইত্যাদি সেবন করে, ফলে ঔষধের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। এসব ত্যাগ করলেই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে এটাই প্রমাণ হয় যে ঔষধ নির্বাচন সঠিক আছে, রোগীর জীবনীশক্তি ঠিক আছে।
অনেক সময় চিররোগের ক্ষেত্রে রোগ না সারার পিঁছনে কোন ধাতুগত কারণ লুকিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন আন্টি-মায়াজমটিক ঔষধ প্রয়োগে বাধা দূর হয়ে স্থায়ী আরোগ্য হয়। আবার এমনও হতে পারে যে দেহের অভ্যান্তরে যন্ত্রাংশ খুব খারাপ অবস্থায় আছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে। যা চিররোগের ক্ষেত্রে হয়, সে ক্ষেত্রে ফলাফল অস্থায়ী হতে পারে।
অচির রোগের ক্ষেত্রে ঔষধ পুনঃ পুনঃ প্রয়োগ করা উচিত, তাতে প্রতিবারেই অল্প সময়ের জন্য হলেও উপশম দেখা দিবে, শেষ পর্যন্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে।

৭। রোগ লক্ষণগুলি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়েছে তবুও রোগী পূর্ণভাবে সুস্থতা অনুভব করছে না।

ব্যাখ্যা : হোমিওপ্যাথি মতে ঔষধ প্রয়োগের পর রোগ লক্ষণগুলি বিলুপ্তি হওয়ার সাথে সাথে মন ভালো হবে, শরীরে জোর পাবে, মন ও শরীর তাজা হবে, ক্ষুধা, ঘুম হজম, মল, মুত্র ত্যাগ স্বাভাবিক হবে, স্বাছন্দবোধ করবে। কিন্তু এর ব্যাতিক্রম হলে বুঝবেন রোগী সুস্থ হয়নি।
রোগী ও পূর্ণ সুস্থতা ফিরেও আসছে না; কারণ দেহ অভ্যন্তরে এমন কিছুর অভাব আছে বা দেহের যন্ত্রাংশের এমন কিছু স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে যে , রোগীকে খানিকটা সুস্থ করলেও পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে পারছে না।
যদিও ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়েছে, যথেষ্ঠ সময় নিয়ে কাজ করছে, রোগ লক্ষণ দুর হয়েছে, তবুও রোগী পূর্ণ না হয়ে আংশিক সুস্থ হচ্ছে।
বুঝতে হবে এ রোগটি সম্পূর্ণ সুস্থ হবে না বা হবার নয়।

৮। এমন কিছু কিছু রোগী আছে যারা প্রত্যেকটি ঔষধ সেবন করে প্রুভারের মতো আচরণ করে।

ব্যাখ্যা : এইসব রোগীরা অল্পতেই এমনই উত্তেজিত যে, যে কোন বাহিরের বস্তুতে সে অদ্ভুত উত্তেজিত হয়, ঠিক তড়কা রোগীর মতো। যে কোন কারণেই হোক এদের স্নায়ুতন্ত্র ভীষণভাবে উত্তেজিত হয়। এদের শরীর হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রুভিংয়ের জন্য বেশ উপুযুক্ত। বিশেষ করে উচ্চতর শক্তি প্রয়োগ করলে এদের শরীরে ঔষধের লক্ষণাবলী পরিস্কারভাবে ফুটে উঠে।

এসব ক্ষেত্রে তরুণ রোগ সারাতে কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু চির রোগে উচ্চতর শক্তির ঔষধ প্রয়োগ করলে এই ধরণের রোগীরা অদ্ভুত আচরণ করে। তবে ৩০, ২০০ শক্তিতে স্বাভাবিক আচরণ করে।
মন্তব্য : এসব রোগীরা দুরারোগ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সারার অযোগ্য।

৯। প্রুভারদের উপর হোমিও ঔষধের কার্যাবলী ।

ব্যাখ্যা : সুস্থ প্রুভারদের দ্বারা সঠিক পদ্ধতিতে নিখুঁত ও সম্পূর্ণভাবে প্রুভিং হওয়া উচিৎ। কারণ তা থেকেই নিখুঁত মেটিরিয়া মেডিকা তৈরী হবে। তাতে প্রুভাররা উপকৃত হন। প্রুভারদের ধাতুগত বৈচিত্র ভালো ভাবে লক্ষ্য করে লিখে রাখা উচিত। কারণ প্রুভিংয়ের পর কোন পরিবর্তন হলে তা প্রুভিংকৃত ঔষধের লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং ঔষধের লক্ষণাবলী স্পষ্ট হবে। অর্গাননে নিদৃষ্ট করা আছে কিভাবে প্রুভিং হওয়া উচিত।

১০। ঔষধ প্রয়োগের পর নতুন নতুন লক্ষণাবলী দেখা দেয়।

ব্যাখ্যা : যদি দেখা যায় ঔষধ প্রয়োগের পর প্রচুর পরিমানে নতুন নতুন লক্ষণ বার বার ফিরে আসছে আবার চলেও যাচ্ছে কিন্তু রোগীর চিহিৃত নিদৃষ্ট লক্ষণাবলী যাচ্ছে না বা সারছে না তা হলে বুঝবেন ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়নি।
হয়তো এটা ঠিক যে এগুলো রোগীর নতুন লক্ষণ নয়। এগুলি পুরানো লক্ষণ, যা রোগীর স্বরণে ছিলো না।
এসব ঘটনা প্রমান করে ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়নি। নতুন করে ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।

১১। ঔষধ প্রয়োগের পর রোগীর পুরানো লক্ষণাবলী একের পর এক ফিরে আসছে।

ব্যাখ্যা : যদি দেখা যায় পুরানো লক্ষণাবলী একের পর ফিরে আসছে, কিছুদিন পর চলেও যাচ্ছে এবং ক্রমশ সুস্থবোধ করছে, তাহলে বুঝবেন রোগী সারার পথে
আছে। এক্ষেত্রে ঔষধ পুনঃ প্রয়োগ প্রয়োজন নাই। লক্ষণাবলীর এই আসা-যাওয়া বহুদিন চলতে পারে, মাসের অধিক কাল চলতে পারে। লক্ষ্য করতে হবে লক্ষণগুলি দেহের অভ্যন্তর হতে বাহির দিকে, উপর থেকে নীচের দিকে, দেহের বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের দিকে যাচ্ছে কি না ?
যদি দেখা যায় পুরানো কোন লক্ষণ এসে চলে না গিয়ে থেকে গেল তাহলে ঔষধটি পুনঃ প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে বা নতুন কোন ঔষধ নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে।

১২। ঔষধ প্রয়োগের পর থেকে রোগ লক্ষণাবলী উল্টো পথে চলছে।

ব্যাখ্যা : রোগ সারার নিদৃষ্ট নিয়ম আছে। যথা :
(ক) রোগীর রোগ লক্ষণসমূহ উপর থেকে নীচ অর্থাৎ মাথা থেকে পায়ের দিকে যাবে।
(খ) দেহের অভ্যন্তর হতে বাহির দিকে যাবে।
(গ) দেহের বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্ব অঙ্গের দিকে যাবে।
কিন্তু যদি দেখা যায় রোগ লক্ষনগুলি এই নিয়মের উল্টোপথে চলছে তাহলে বুঝতে হবে রোগটি সারার পথে নাই। এবং ক্রমশই রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যথা - চর্মরোগ ভালো হয়ে হাঁপানী দেখা দিলো বা বাতের অসুখ ভালো হয়ে হার্টের অসুখ দেখা দিলো। এই লক্ষণ মোটেও ভালো নয়। দ্রুত এই অবস্থাকে প্রতিষেধক করতে হবে। এই ভাবে রোগ লক্ষণ উল্টো পথে প্রসারিত হলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

♦️টেরিজিয়ামে(Pterygium) ব্যবহৃত হোমিওঔষধ♦️🔴Argen Nit-চোখে জ্বালাপোড়া ও খচখচে অনুভূতি।  চোখ লাল এবং conjunctiva irritate...
01/05/2026

♦️টেরিজিয়ামে(Pterygium) ব্যবহৃত হোমিওঔষধ♦️

🔴Argen Nit
-চোখে জ্বালাপোড়া ও খচখচে অনুভূতি। চোখ লাল এবং conjunctiva irritated. ঘন স্রাব থাকতে পারে।
- আলোতে তাকালে কষ্ট (photophobia)।
- চোখে যেন বালি পড়েছে এমন অনুভূতি
-দীর্ঘদিনের conjunctival irritation-এর সাথে fleshy growth
-এছাড়া রোগী গরম কাতর,মিষ্টি খেলে গ্যাস বাড়ে।উচ্চ শব্দে বায়ু নিঃসরণ হয়।কোথাও যেতে গেলে টয়লেটে যায় এবং খুব তাড়াহুড়ো করা স্বভাব।উচ্চ দালান দেখলে,গাড়ি দেখলে ভয় করে।

🔴 Calcarea Fluor
- চোখের ঝিল্লি মোটা হয়ে কর্নিয়ায় এগোলে ।
- ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টেরিজিয়ামে।
- চোখ লাল হয়ে যায় এবং চুলকায়।
-চোখ ঘষলে চোখ চুলকানি কমে।

🔴Euphrasia Officinalis
- চোখে জ্বালা, অশ্রু, লালচে ভাব
- টেরিজিয়ামের শুরুতে চোখে জ্বালা ও অস্বস্তি থাকলে
- চোখে ধুলা ঢোকার মতো অনুভব।
-চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখের কোন
হেজে যায়।

🔴 Ruta Graveolens
- চোখে ক্লান্তি ও চাপ লাগা
- বেশি পড়াশোনা বা স্ক্রিনে তাকানোর পর জ্বালা
- চোখের উপর চাপজনিত সমস্যা।

🔴 Natrum Muriaticum
- সূর্য বা আলোতে চোখে অস্বস্তি
- চোখে অশ্রু পড়া, হালকা ফোলা ভাব
- টেরিজিয়ামের সাথে চক্ষু শুষ্কতা।
-পানি/ঠান্ডা দিলে ভালো লাগে।

🔴Nitric Acid

- চোখে তীক্ষ্ণ সুচ ফোটার মতো ব্যথা।
- conjunctiva-তে জ্বালা ও কাঁচা ঘা-এর মতো irritation.
- চোখ লাল এবং স্পর্শে অস্বস্তি. ঠান্ডা বাতাসে কষ্ট বাড়ে।
- চোখের কোণায় ক্ষয় বা ulcer tendency থাকতে পারে
-প্রস্রাব, পায়খানায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ।
-রোগী প্রচুর রাগী স্বভাবের। ক্ষমা করার প্রবণতা থাকে না।

🔴Silicea
- দীর্ঘস্থায়ী টেরিজিয়াম
- বারবার চোখে ইনফেকশন হলে
- শরীরের অপ্রয়োজনীয় বৃদ্ধি (growths) কমাতে সহায়ক

🔴Ratanhia

--চোখে টেরিজিয়াম এবং এর সাথে যদি
পাইলস বা অর্শের সমস্যা থাকে।
-অর্শে প্রচন্ড জ্বালা যন্ত্রণা থাকে। মরিচ লাগার মতো।
-চোখ লাল হয়ে যায় এবং জ্বালা থাকে।

🔴Thuja Occidentalist

-টেরিজিয়ামে থুজা খুব ভালো মেডিসিন।
শরীরের যেখানে সেখানে আঁচিল হওয়ার প্রবণতা।
-রোগী মোটাসোটা, জোড়া ভ্রু।সনান ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস।
-উড়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়া, মৃত মানুষের স্বপ্ন দেখে।

❤️♦️টেরিজিয়াম সারাতে হলে পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি করতে হবে ।প্রোপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

🛑এলার্জি/আর্টিকেরিয়ার হোমিও ঔষধ🛑♦️Apis mel-এপিস মেলের আমবাতের উদ্ভেদগুলো দাগড়া দাগড়া, গোলাপি বা হালকা সাদাটে বর্ণ। তাত...
01/05/2026

🛑এলার্জি/আর্টিকেরিয়ার হোমিও ঔষধ🛑

♦️Apis mel
-এপিস মেলের আমবাতের উদ্ভেদগুলো দাগড়া দাগড়া, গোলাপি বা হালকা সাদাটে বর্ণ। তাতে প্রচন্ড চুলকানি জ্বালা ও হুল ফোটানো ব্যাথা থাকে। চুলকানি বিকাল তিনটায় এবং সন্ধ্যায় বৃদ্ধি পায়। রোগীর পিপাসা এবং প্রস্রাব খুবই কম।

♦️Arsenic Alb
-চুলকানি, জ্বালা গরমে উপশম।
-চুলকানি রাতে বৃদ্ধি। এবং দিনরাতের মধ্যভাগে বৃদ্ধি।
-রোগী শীতকাতর, খুঁতখুঁতে, উৎকণ্ঠা, উত্তেজিত।
-সহজেই বিরক্ত হয় এবং মৃত্যু ভয়।

♦️Allium Cepa
- নাক দিয়ে পানি ঝরা
- চোখে জ্বালাপোড়া
- হাঁচি, ঠান্ডাজনিত এলার্জিতে খুব কার্যকর

♦️Natrum Muriaticum
- রোদে বের হলে এলার্জি দেখা দেয়।
দিন মানে চুলকানি বাড়ে, তাপের ভিতর চুলকানি বাড়ে।
- চিকন চাকান, ঠোঁট শুকানো, স্নেহপ্রবণ, চুপচাপ স্বভাব
- সাইনাস ও স্কিন এলার্জিতেও ভালো কাজ করে।

♦️Histaminum
- সাধারণ এলার্জিক প্রতিক্রিয়ায়
- চুলকানি, হাঁচি, চর্মরোগে সহায়ক
- এলার্জি প্রতিরোধে ভালো কাজ করে

♦️Rhus Toxicodendron
- শরীরে ফুসকুড়ি, চুলকানি ।
- ঘামে, পানিতে,ঠান্ডায় এলার্জি ।
- গায়ে ঘাম লেগে এলার্জি হলে কার্যকর।
-রাত্রে চুলকানি বাড়ে।
-শান্ত মেজাজের রোগী।

♦️Sulphur
- বারবার চুলকানি, চামড়ায় ফুসকুড়ি ।
- গরমে সমস্যা, গোসল করতে চায় না ।
প্রচন্ড নোংরা। ঘামে দুর্গন্ধ।
- এলার্জি পুরানো হলে ভালো ফল দেয়।

♦️ Urtica Urens
-সকল প্রকার এলার্জিতে চুলকানি, জ্বালা, কাটা ফোঁটার মতো যন্ত্রণা থাকে।
-শরীরের নানা স্থানে উদ্ভেদ বের হয়। ঘুমালে উদ্ভেদগুলো মিলে যায় আবার ঘুম থেকে জাগলে উদ্ভেদ বের হয়।

♦️ Natrum sulph
-পিত্তাধিক্য জনিত এলার্জি বা আমবাতে ইহা অতি উৎকৃষ্ট ঔষধ।
-রোগীর মেজাজ অত্যন্ত খিটখিটে এবং বর্ষা বা আদ্র আবহাওয়ায় রোগের লক্ষণাদির বৃদ্ধি।
-জলের ভেতর,জলের কাছের শাক সবজিতে বৃদ্ধি।
-রোগী গরম কাতর।ডায়রিয়া চলাকালীন সময়ে ভালোবোধ করে।
---
⚫⚫এলার্জি রোগ স্থায়ীভাবে সারতে হলে পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং করে মেডিসিন প্রয়োগ করতে হবে।
❤️❤️সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

🩺 থাইরয়েডের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের মেটাবলিজম, শক্তি উৎপাদন ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে ...
30/04/2026

🩺 থাইরয়েডের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের মেটাবলিজম, শক্তি উৎপাদন ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটলে তা ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, বিশেষত হৃদযন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রাথমিক পর্যায়েই লক্ষণ শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

────────────────────────
থাইরয়েডের প্রধান লক্ষণসমূহ

⚕️Hypothyroidism (হরমোনের স্বল্পতা)
• অতিরিক্ত ক্লান্তি
• ওজন বৃদ্ধি
• ঠান্ডা বেশি লাগা
• কোষ্ঠকাঠিন্য
• চুল পড়া

⚕️Hyperthyroidism (হরমোনের আধিক্য)
• ওজন হ্রাস
• বুক ধড়ফড়
• হাত কাঁপা
• অতিরিক্ত ঘাম
• মানসিক অস্থিরতা

সাধারণ লক্ষণ
• গলায় ফুলে যাওয়া (Goiter)

────────────────────────
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও নির্বাচন লক্ষণ

(রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ ও মানসিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা হয়)

Calcarea Carbonica
স্থূল গঠন, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা, মাথায় অতিরিক্ত ঘাম, সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া

Sepia
হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, মানসিক উদাসীনতা, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা, ঠান্ডা-গরমে সংবেদনশীলতা

Lycopodium Clavatum
পেট ফাঁপা, গ্যাস, ডান পাশের সমস্যা, বিকালের দিকে উপসর্গ বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাসের অভাব

Natrum Muriaticum
মানসিক কষ্ট চেপে রাখা, মাথাব্যথা, চুল পড়া, লবণ গ্রহণের প্রবণতা

Iodium
অতিরিক্ত ক্ষুধা থাকা সত্ত্বেও ওজন হ্রাস, অস্থিরতা, উত্তেজনা; Hyperthyroidism-এ প্রযোজ্য

Thyroidinum
থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতার অসামঞ্জস্যতায় ব্যবহৃত; ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস উভয় ক্ষেত্রে বিবেচ্য

────────────────────────
চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ
• নিয়মিত থাইরয়েড ফাংশন পরীক্ষা (TSH, T3, T4) করা প্রয়োজন
• স্ব-চিকিৎসা পরিহার করুন
• অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন
• সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

────────────────────────
হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিভঙ্গি
হোমিওপ্যাথি রোগ নয়, রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় চিকিৎসা প্রদান করে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী উপকার প্রদান করতে সক্ষম।

────────────────────────
সতর্কতা
প্রতিটি রোগীর লক্ষণ ভিন্ন। তাই একক ঔষধ সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়। সঠিক রোগ নির্ণয় ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসাই সফলতার মূল ভিত্তি।

লেখাটি পড়ে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিন, শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিন। আপনার মতামত জানিয়ে দিন।
ডাঃ মোঃ ইয়াকুব আলী সরকার।

🛑নাকের হাড় বাঁকার হোমিও ঔষধ 🛑★নাকের হাড় বাঁকা বলতে সাধারণত Deviated Nasal Septum (DNS) বোঝায়।নাকের ভেতরে যে মাঝের দেয়াল ...
30/04/2026

🛑নাকের হাড় বাঁকার হোমিও ঔষধ 🛑
★নাকের হাড় বাঁকা বলতে সাধারণত Deviated Nasal Septum (DNS) বোঝায়।
নাকের ভেতরে যে মাঝের দেয়াল (septum) থাকে, সেটি যদি সোজা না থেকে একদিকে বেঁকে যায়, তখন তাকে নাকের হাড় বাঁকা বা DNS বলা হয়।
♦️লক্ষণ
-এক পাশে বেশি নাক বন্ধ থাকে
-শ্বাস নিতে কষ্ট হয়
-ঘন ঘন সর্দি বা সাইনাসের সমস্যা
-নাক ডাকা (snoring)
-কখনও মাথাব্যথা

♦️চিকিৎসা:
-হালকা হলে ওষুধে নিয়ন্ত্রণ করা যায়.
-বেশি সমস্যা হলে অপারেশন (Septoplasty) করা লাগে।
🛑ব্যবহৃত হোমিও ঔষধ 🛑

♦️Lemna minor
নাকের হাড় বাঁকা।
নাক বন্ধ, বিশেষ করে সাইনাসের সমস্যা
নাক দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।
নাকের পলিপ থাকলে ভালো কাজ করে।

♦️Teucrium marum verum
-নাকে পলিপ। নাকের হাড় বাঁকা। নাকে ঘ্রান শক্তি নেই।
-নাক চুলকায়, বারবার হাত দিতে ইচ্ছে করে
নাক বন্ধ ও অস্বস্তি,মনে হয় নাকের ভেতর কোন শক্ত জিনিস আছে। নাক ঝাড়লে সেটা বের হবে। এর সাথে গুড়া কৃমির সমস্যা থাকে।
♦️Kali bichromicum
ঘন, আঠালো (stringy) স্রাব।
সাইনাসে ব্যথা (বিশেষ করে কপালে)
নাক বন্ধ।
♦️ Nux vomica
-রাতে নাক বেশি বন্ধ
-ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ে
-অল্পতেই সর্দি লাগে।রাত জাগে।
ধূমপান মদপানের অভ্যাস,ভুনা খাবার পছন্দ।
প্রচুর রাগী,কোষ্ঠকাঠিন্য,পায়খানা পরিষ্কার হয় না।
♦️Silicea
দীর্ঘদিনের (chronic) সমস্যা।বারবার সাইনাস ইনফেকশন।শরীর দুর্বল, ঠান্ডা সহ্য হয় না।
-পায়খানা কষা,মল রিসিড করে।পা ঘামে।ঘামে দুর্গন্ধ।
♦️Arnica mont
- আঘাতের পর হলে প্রথমে ভাববো।
-গরম ভাপ নিলে আরাম।
-নাকে প্রচন্ড ব্যথা।রোগী নাক কোথাও ঘা লাগার ভয়ে থাকে।

❤️❤️এছাড়া,Alum,Lyco,caust,merc,ruta,staph,sulph,phos,conf calc,calc f
তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

🛑মুখের অবাঞ্ছিত লোমের হোমিও ঔষধ🛑 ♦️Sepia  - হরমোন ভারসাম্যহীনতা  - গালের ওপর ও ঠোঁটের ওপর লোম  - মাসিক অনিয়ম, গা-হাত-পা ...
29/04/2026

🛑মুখের অবাঞ্ছিত লোমের হোমিও ঔষধ🛑

♦️Sepia
- হরমোন ভারসাম্যহীনতা
- গালের ওপর ও ঠোঁটের ওপর লোম
- মাসিক অনিয়ম, গা-হাত-পা ঠান্ডা
-জরায়ু সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে।
-চিকন চাকান, পুরুষালি চেহারা।
-প্রচন্ড উদাসীনতা, মুখে মেসতা এবং বিষন্নের ছাপ।

♦️ Thuja Occidentalis
- ত্বকে আঁচিল, লোম বেশি ।
- হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
- ত্বকে তৈলাক্ত ভাব
-ঘামে মিষ্টি গন্ধ।
-স্বপ্নবহুল নিদ্রা।
-নানান ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থাকে।
-পেটের ভিতর যেন জীবন্ত কিছু নড়াচড়া করে।

♦ Oleum Jecoris (Cod Liver Oil)
- দুর্বলতা, পুষ্টিহীনতা
- অতিরিক্ত লোম গজায়
- হরমোনাল ইমব্যালেন্স
-ঘন ঘন সর্দি কাশি লাগে।

♦️ Calcarea Carbonica
- স্থূলতা, অতিরিক্ত ঘাম
- হরমোন সমস্যা , মাসিকের সমস্যা।
- শরীরে ঘন লোম
-নানান ধরনের ভয় কাজ করে।
-ডিম খাবার প্রবল ইচ্ছা।
-দুধ পছন্দ নয় এবং সহ্য হয় না।

♦️Pulsatilla
-পিরিয়ড অনিয়মিত, দেরিতে হয়
পিরিয়ডের রং/পরিমাণ বারবার পরিবর্তন হয়।
PCOS-এর ক্ষেত্রে প্রায়ই ব্যবহৃত
-তৈলাক্ত খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে।মুখে তিতা/অরুচি
-খুব আবেগপ্রবণ, সহজে কাঁদে
সান্ত্বনা পেলে ভালো লাগে (Nat mur-এর উল্টো)
একা থাকতে চায় না, সঙ্গ চায়
মুড দ্রুত পরিবর্তন হয়।কোমল স্বভাব।

♦️Natrum muriaticum
-মানসিক দুঃখ-চাপ থাকলে,
-চুপচাপ, একা থাকতে চায়
পুরনো কষ্ট মনে রাখে
ঠোঁট ফাটা, ত্বক শুষ্ক
লবণ খেতে পছন্দ।
-কোষ্ঠকাঠিন্য, সান্ত্বনা পছন্দ নয়।

♦️Lycopodium clavatum
- মাসিকের গোলমাল
- গ্যাস-অম্বল এবং অতিরিক্ত লোম ।
- আত্মবিশ্বাসহীনতা
-প্রচন্ড সেন্টিমেন্টাল, ধন্যবাদ দিলেও কান্না করে।
-শীতকাতর, গরম খাবার এবং মিষ্টি খাবার পছন্দ।
-প্রচন্ড রাগী এবং কৃপণ স্বভাবের।

---

🔴🔴রোগীর সামগ্রিক লক্ষণাবলী নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে। টোটালিটি অফ সিমটম এর ভিত্তিতে যে মেডিসিন আসে সে মেডিসিন প্রেসক্রাইব করতে হবে। ধন্যবাদ।

৩০ মাসের বাচ্চার অপারেশন?আমরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম… 😢⭐ কাস্টমার রিভিউ | এডিনয়েড (Adenoid) সমস্যা থেকে উন্নতি।👩‍👧 রোগী: তানি...
29/04/2026

৩০ মাসের বাচ্চার অপারেশন?
আমরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম… 😢
⭐ কাস্টমার রিভিউ | এডিনয়েড (Adenoid) সমস্যা থেকে উন্নতি।
👩‍👧 রোগী: তানিয়া (বয়স: ৩০ মাস)
👨‍⚕️ চিকিৎসা: হোমিওপ্যাথিক.
🗣️ অভিভাবকের অভিজ্ঞতা:
আমার বাচ্চা তানিয়ার এডিনয়েড সমস্যা ধরা পড়ে।
ওর নাক সবসময় বন্ধ থাকতো, মুখ দিয়ে শ্বাস নিতো, ঘুমের সময় নাক ডাকতো এবং মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে লালা বের হয়ে যেতো।
প্রথমে একজন ডাক্তার দেখালে, প্রথম দিনেই অপারেশন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন।
এত ছোট বাচ্চার জন্য বিষয়টা আমাদের কাছে অনেক ভয় লাগছিলো।
👉 এরপর আমরা ডা. আল ইব্রাহীম স্যারের শরণাপন্ন হই।
তিনি ধৈর্য সহকারে পুরো কেসটা বুঝে, অপারেশন না করে প্রথমে ২ মাস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।
🌿 চিকিৎসা ও যত্নের ফলাফল:
✔️ এডিনয়েডের গ্রেড কমেছে
✔️ নাক ডাকা সম্পূর্ণ বন্ধ
✔️ মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক কমেছে
✔️ ঘুম এখন স্বাভাবিক
✔️ আগের মতো বারবার ঘুম ভেঙে যায় না
আলহামদুলিল্লাহ, এখন বাচ্চা অনেক ভালো আছে 😊
💊 হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি:
ডা. আল ইব্রাহীম স্যার শিশুর পুরো constitution অনুযায়ী চিকিৎসা করেছেন,
যেখানে Adenoid enlargement কে শুধু লোকাল সমস্যা হিসেবে না দেখে,
শরীরের সামগ্রিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি:
❌ সব এডিনয়েডের ক্ষেত্রে অপারেশন দরকার হয় না
✔️ সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি সম্ভব
তবে গুরুতর অবস্থায় অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
🙏 আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি:
যারা বাচ্চার এডিনয়েড নিয়ে চিন্তায় আছেন,
তারা হুট করে অপারেশনের সিদ্ধান্ত না নিয়ে
একবার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ট্রাই করে দেখতে পারেন।
📞 পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন-
ডা. আল ইব্রাহীম।
ডি.এইচ.এম.এস (রহোমেক)
বিএইচবি (ঢাকা)
কনসালটেন্টঃ হোমিও মেডিসিন (ক্রনিক ডিজিজ)
বিশেষজ্ঞঃ চর্ম, যৌন, মহিলা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ।
গভঃ রেজি. নং: ৪৬৪২৬
মোবাইল: 01821-609297 (হোয়াটসঅ্যাপ)
বিসমিল্লাহ হোমিও হল, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।

হোমিওপ্যাথি ঠিক কতটা দ্রুত কাজ করতে পারে? কয়েকটি একিউট কেইস বলছি।কেইস ০১) রোগী ক, বয়স ১২, সপ্তাহ ধরে জ্বর। খালের পানিতে ...
28/04/2026

হোমিওপ্যাথি ঠিক কতটা দ্রুত কাজ করতে পারে? কয়েকটি একিউট কেইস বলছি।

কেইস ০১)
রোগী ক, বয়স ১২, সপ্তাহ ধরে জ্বর। খালের পানিতে কয়েকদিন দীর্ঘসময় গোসলের পর থেকে রোগের সূত্রপাত।
উচ্চ জ্বর, কাশি, কিন্তু প্রধান সমস্যা রোগীর বুকে, কাশি দিলে বুকে ব্যথা, এমনকি বুকে হালকা চাপ দিলেও প্রচন্ড ব্যথা, বুকে হাত দিয়ে চাপ দিলে শ্বাসকষ্ট।

অতি দূর্বলতা, পিপাসাহীন, মাথা ভার বোধ।

রোগীকে জেলসেমিয়াম ১০এম দেয়া হয়, পরের দিন থেকে রোগী সুস্থ, জ্বর নাই, বুকে ব্যথা নাই। তবে দূর্বলতা এখনও রয়েছে।
(এ কেসটিতে ডাঃ ধীমান রায় স্যার সরাসরি হেল্প করেছেন)

কেইস ০২)
রোগী খ, বয়স ৪৫, এমারজেন্সি ফোন দিয়ে চেম্বারে এসে হাজির।
বাসা থেকে গেলাম, রোগীর প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট, প্রচন্ড অস্থিরতা।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম এখন কী কষ্ট হচ্ছে আপনার।
রোগী তার সাথে থাকা মহিলার নিকট পানি চাইলেন, পানি পানি.... (অস্থিরতার সাথে, যেন দরিয়া শুকিয়ে আছে)

আর্স এলব ১০এম খাওয়ালাম। বড়জোর ১ মিনিটের মধ্যে রোগী শান্ত, টেবিলে মাথা রেখে রেস্ট নিচ্ছে।

কেইস ০৩)
রোগী গ, বয়স ৩ মাস, স্ক্যাবিস, পুরো শরীর মাথা ছড়িয়ে পড়েছে। ভয়াবহ অবস্থা।
এ পিচ্চিকে জন্মের কয়েকদিন পর প্রাইভেট পার্টে ক্র্যাক থেকে ব্লিডিং এর জন্য এসিড নাইট ২০০ দিয়েছিলাম এবং ভালো হয়ে যায়।
এবারও স্ক্যাবিসে এসিড নাইট একডোজ এসিড নাইট দেয়া হয়।
কয়েকদিন পর জানতে পারি, রোগী পুরোপুরি সুস্থ।

কেইস ০৪)
রোগী ঘ, বয়স ১৮, তিনদিন ধরে জ্বর, ১০৪ পর্যন্ত বাড়ে। প্রচন্ড শীতভাব নিয়ে জ্বর আসে, এই গরমেও কয়েকটা কম্বল মুড়ি দিয়ে চেপে ধরতে হয়।
প্রথমে শীতভাব, কাঁপুনি, পিপসাহীনতা দেখে জেলস ১০এম দেয়া হয়, উন্নতি না হওয়ায় পালস ২০০, বেল ১০এম, ৫০এম ব্যর্থ প্রয়োগ হয়। পরবর্তীতে আবার জেলস ১০এম দেয়া হয়, রোগী ওদিন থেকেই মোটামুটি সুস্থ, জ্বর নাই বললেই চলে, কাপুনি শীত নেই,....
(এ কেসটিতে ডাঃ ধীমান রায় স্যার সরাসরি হেল্প করেছেন)

কেস ০৫)
রোগী ঙ, বয়স ১০ মাস, জ্বর।
মাথা গরম পা ঠান্ডা লক্ষণে বেল ১০এম দেয়া হয়। ওদিনই সুস্থ আলহামদুলিল্লাহ।

কেস ০৬)
রোগী চ, বয়স ৪০+, ডায়রিয়া, বমি। বারবার পায়খানা, দূর্বলতা।
ভিরেট্রাম ২০০ দেয়া হয়, রাতে জানানো হয় রোগীর আর পায়খানা হয়নি।

কেস ০৭)
নবজাতকের কেস, সিজারিয়ান বার্থ। বাচ্চার প্রস্রাব হচ্ছে না।
একোনাইট ৩০, ১৫ মিনিট পরপর ২ বার প্রয়োগের পরই স্বাভাবিক প্রস্রাব হয়েছে।

এ কয়েকটি কেস এ কয়েকদিনে ম্যানেজ করা হয়েছে। এরকম শতশত কেইসের উদাহরণ দেয়া যাবে দৈনন্দিন প্রাকটিস থেকে।
এখানে কোন কেইসেই প্যাথলজিক্যাল ডায়াগনোসিসের হেল্প নেয়া হয়নি। এখানে কোন কেইসেই দ্রুত উপশমের জন্য স্থুলমাত্রায় টিংচার, প্যাটেন্ট দেয়া হয়নি।

আসলে আমাদের ব্যর্থতা, নলেজের সীমাবদ্ধতার কারনে আমরা হেরে যাই, আর নিজের লজ্জা চাপিয়ে দেই হোমিওপ্যাথির ঘাড়ে।

সঠিকভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা গেলে খুব অল্পতেই রোগীকে আরোগ্য উপহার দেয়া সম্ভব।
ডাঃ আসলাম হাওলাদার স্যার।

Address

Ranisankail
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিসমিল্লাহ্ হোমিও হল। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category