Professor Dr. Md. Ali Emran

Professor Dr. Md. Ali Emran Dr. Md. Ali Emran
MBBS,FCPS. Professor (Sports Medicine),
Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University

A sports medicine clinic under the physical medicine and rehabilitation department was officially established at Bangaba...
13/10/2023

A sports medicine clinic under the physical medicine and rehabilitation department was officially established at Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) on Thursday In order to provide more support to athletes recovering from injuries.

Jahid Ahsan Russell, the state minister for youth and sports, was the chief guest at the clinic's opening, while Syed Shahed Reza, the secretary general of the Bangladesh Olympic Association, attended as a special guest.

Before the opening ceremony, a discussion meeting was presided by Professor Dr. Md. Sharfuddin Ahmed , vice chancellor of BSMMU and president of the Bangladesh Association of Sports Medicine (BASM). Professor Dr. Md. Ali Emran, secretary general of BASM, emphasized the importance of establishing a sports medicine clinic at BSMMU.

"I think the long-standing issue will be resolved with the opening of the sports medical clinic because there was very little chance for the athlete to receive specialized care. I believe it has been a milestone in the country," Russell remarked.

Shahed Reza, secretary general of the BOA, commended the initiative and stated, "It has been a specialist matter and the sports medicine clinic will turn into a hospital one day, I believe. Bangladesh Olympic is prepared to assist the sports medical clinic by sending its physicians to get training abroad, as we are frequently invited to do."

Reza further requested the responsible authorities to come forward and have the doping tests conducted at BSMMU, as they frequently travel to India for sports doping tests.

"During the presentation before the University Grand Committee in need of having a sports medicine post at BSMMU in 2021, I collected some data that saw there were some 60 thousand athletes under more than 50 federations and associations. Unfortunately, there was no registered institute for their treatments related to sports and there was also no clear picture of how the athletes took their treatments," said Emran, the lone professor on sports medicine at BSMMU.

Emran also informed that they would emphasise on the sportsperson, sports trainers, sports organisers and sports officials at their clinic as all of them have to come through their respective sports federations or associations.

"It has been a milestone in the country," remarked the state minister for youth and sports.

শুধুমাত্র ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের চিকিৎসা দিতে দেশে প্রথমবারের মতো চালুু হলো স্পেশালাইজড স্পোর্টস মে...
13/10/2023

শুধুমাত্র ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের চিকিৎসা দিতে দেশে প্রথমবারের মতো চালুু হলো স্পেশালাইজড স্পোর্টস মেডিসিন ক্লিনিক। প্রতি শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বি-ব্লকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত হবে এই ক্লিনিক।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অনুমোদিত সকল স্পোর্টস ফেডারেশন এবং ক্রিয়া সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের কাছে ইতিমধ্যে ‘রোগী রেফারাল কার্ড’ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ফেডারেশনগুলো তার অধীনস্ত খেলোয়াড়দের সেই কার্ড দিয়ে উক্ত ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ স্পোর্টস মেডিসিন এর যৌথ আয়োজনে এই ক্লিনিকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ সাহেদ রেজা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ স্পোর্টস মেডিসিনের (বিএএসএম) চেয়ারম্যান এবং বিএসএমএমইউ-র ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম সালেক, মহাসচিব ডা. আলী ইমরান, বিএসএমএমইউ-র উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান খান, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, স্পোর্টস মেডিসিন ক্লিনিক উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এটি ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। এর মাধ্যমে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সকল ফেডারেশনকে একই ছাতার নিচে নিয়ে এসে ক্রীড়াবিদদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে পারবে।

বিএসএমএমইউ ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব স্পোর্টস মেডিসিনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই ক্লিনিকের কার্যক্রম ও পরিসর বৃদ্ধি করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশেই খুব শিগগিরই ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকারের ২০১৯-২০২৩ মেয়াদে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫০ কোটি টাকার সিডমানি প্রদান করেছেন। আমরা এ ফাউন্ডেশন থেকে প্রথমবারের মতো ক্রীড়া সম্মানী ভাতা চালু করেছি। চলতি বছর থেকে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছি। অস্বচ্ছল ও দুস্থ ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান অব্যাহত আছে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ স্পোর্টস মেডিসিনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম সালেক এবং মহাসচিব ডা. আলী ইমরান জানান, বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়বৃন্দ ভালো চিকিৎসার সুযোগ পেলেও তৃণমূল থেকে শুরু করে অন্যান্য পর্যায়ের ক্রীড়াবিদরা প্রায়শই সঠিক চিকিৎসা বা পরামর্শ পাননা। আবার অনেক খেলোয়াড় চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে চলে যায়। এসব সংকট দূর করা এবং সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সব পর্যায়ের খেলোয়াড় এবং খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সুচিকিৎসা প্রদান করাই এই ক্লিনিকের উদ্দেশ্য।

দেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো ‘স্পোর্টস মেডিসিন ক্লিনিক’

13/10/2023
20/09/2023
খেলাধুলায় ইনজুরি ও তার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা | সুরক্ষায় প্রতিদিন| Shurokkhai Protidin |7 August 2023- Channel 24
14/09/2023

খেলাধুলায় ইনজুরি ও তার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা | সুরক্ষায় প্রতিদিন| Shurokkhai Protidin |7 August 2023- Channel 24

খেলাধুলায় ইনজুরি ও তার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা | সুরক্ষায় প্রতিদিন | Shurokkhai Protidn | 7 August 2023অতিথি:০১. ড. অ্যান্ড্রিও তেসিনিয়র ....

ঈদ উৎসবে শরীর ব্যথার সমস্যাঃ জেনে রাখা ভালোসমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রধান দুইটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে একটি হোল ঈদ-উল-আজহা বা...
06/07/2023

ঈদ উৎসবে শরীর ব্যথার সমস্যাঃ জেনে রাখা ভালো

সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রধান দুইটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে একটি হোল ঈদ-উল-আজহা বা কোরবানির ঈদ। এই উৎসবে কোরবানির পশুগুলি জবাই করা হয় এবং জবাইকৃত মাংস পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং দরিদ্রদের মধ্যে বন্টন করা হয়। তবে, ঈদ-উল-আজহার এই আনন্দঘন মুহূর্তেও কোরবানির হাট থেকে আপনার খাবারের প্লেট পর্যন্ত ঘটতে পারে নানা বিপর্যয়, যার মধ্যে রয়েছে পশুগুলির হাতে জখম হওয়া থেকে শুরু করে হাড় , জয়েন্ট ও মাংসপেশির নানারকম ব্যথা-বেদনা ।
সমস্যা গুলো হতে পারেঃ
ক) কোরবানির পশু কেনার সময় হাটে।
খ) কেনার পর হাট থেকে পশু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে।
গ) কোরবানির পশু জবাই এবং এবং চামড়া ছাড়ানোর সময়।
ঘ) মাংস বিলি-বন্টনের সময়।
ঙ) একসাথে অনেক মাংস রান্না করার সময়।

ঈদ-উল-আজহা হোল আনন্দ উৎযাপনের সময়। তবে উৎসবের এই দিনটিতেও ঘটতে পারে-স্বাস্থ্যের জন্য এমন সম্ভাব্য বিপদগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি পশুগুলোকে সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে প্রয়োজন যথেষ্ট শারীরিক সক্ষমতা এবং পর্যাপ্ত সতর্কতা। তাই পশুদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ জনবল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব বিভিন্ন ধরনের আঘাত এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যথাজনিত সমস্যাগুলি সৃষ্টি করতে পারে।
যে সমস্যাগুলে হতে পারে:
১) কেটে যাওয়া এবং ছিলে যাওয়া:
পশুর হাটে সতর্ক ভাবে চলাচল করা খুবই জরুরি। গরু কিনতে গিয়ে গুঁতো খেয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া অথবা হাট থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ায় সময় রশির টানে পড়ে গিয়ে হাত-পা থেতলে যাওয়া একটি অতি পরিচিত সমস্যা। পশু জবাই করার সময় মাংশ কাটার সময় তীক্ষ্ণ ছুরিগুলির অনুপযোগী হ্যান্ডলিং করলে হাত বা আঙ্গুল কেটে যেতে পারে। আঘাতের ঝুঁকি কমাতে উপযোগী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২) পিঠ, কোমর এবং ঘাড়ে ব্যথা: সঠিক এবং যথাযথ দেহভঙ্গিমা অনুসরণ না করলে কোরবানির সময় বিশেষ করে
জবাইয়ের উদ্দেশ্য কোরবানির পশু শোয়ানোর সময়, মাংস কাটা এবং উঠানোর সময় এবং পরিবহনের সময় পিঠ, কোমর এবং ঘাড়ে 'স্প্রেইন' বা 'স্ট্রেইন' অথবা মাংশপেশীতে টান পরতে/ সংকুচিত হতে পারে। পিঠ, কোমর এবং ঘাড়ের মাংশে অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে ওজন ওঠানোর নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত, যেমন হাঁটু ভাজ করে বসে ওঠানো।
৩) ফ্রাকচার এবং ডিসলোকেশন:
পশুদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বা এদের মাধ্যমে সৃষ্ট জখমের কারনে এমনকি ফ্রাকচার বা হাড় ভেঙ্গে যাওয়া অথবা ডিসলোকেশন বা হাড় ছুটে যাওয়ার মত ভয়াবহ দুর্ঘটনাও ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। কোরবানির প্রক্রিয়াকরনের সময় একটি নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ যাতে এমন ঘটনাগুলি প্রতিরোধ করা যায়।
৪) পশুদের থেকে রোগ সংক্রমণ: অনেক সময় কোরবানির বেশ কয়েকদিন আগেই পশু কিনে বসতবাড়িতে রাখা হয়।
কোরবানির পশুদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বা তাদের দেহের তরল দ্রব্যের সংস্পর্শে আসলে 'জ্যূনোটিক ডিজিজ' সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ব্রুসেলোসিস, কিউ ফিভার এবং টিটেনাস ইত্যাদির মতো রোগগুলি পশুর কামড়, গুঁতো বা দূষিত পদার্থ যেমন মল-মুত্র , অন্ত্রের বর্জ্য, রক্ত ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে। সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সুরক্ষামূলক পোশাক পরিধান এবং যথাসময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে এই সংক্রমণগুলি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়াও যাদের রক্তে উচ্চ মাত্রায় 'ইউরিক এসিড' আছে বা গেঁটে বাতের ( Gouty arthritis) রোগীদের গরুর মাংশ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতার সাথে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।

প্রতিকার ও করণীয়ঃ
১) শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ:
কোরবানির প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা যথোপযুক্ত হ্যান্ডলিং পদ্ধতি, সঠিক নিয়মে কাটার সরঞ্জাম ব্যবহার এবং পশুদের আচরণ বোঝার জন্য প্রশিক্ষিত হওয়া উচিত যাতে আঘাতের ঝুঁকি কমানো যায়।
২) সঠিক দেহভঙ্গিমায় সকল কাজ করা।
৩) নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা:
সুরক্ষামূলক সামগ্রী যেমনঃ গ্লোভস, বুট এবং এপ্রন পরিধান করার মাধ্যমে কেটে যাওয়া, ছিলে বা ছেঁচড়ে যাওয়া এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে। সুরক্ষিত এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ আঘাতের বা ফ্রাকচারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
৪) যথাযথ সরঞ্জাম:
উপযুক্ত এবং ভাল মানের কাটার সরঞ্জাম ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ভোঁতা ও অনুপযুক্ত সরঞ্জাম দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৪) স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস:
পশু বা মাংস নিয়ে কাজ শেষ করার পরে সাবান এবং পানিতে হাত ধোয়ার মত স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস অনুশীলনের মাধ্যমে রোগ সংক্রমনের প্রসার প্রতিরোধ করা যায়।

ঈদ-উল-আযহার ধর্মীয় উদারতা এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, এই উৎসবমুখর পরিবেশ নিরবিচ্ছিন্ন ও বিপর্যয় মুক্ত রাখতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ এবং সুস্থ ভাবে ঈদ-উল-আযহা উৎযাপন করার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপযুক্ত প্রশিক্ষন দেওয়া, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস অনুশীলন, সঠিক দেহভঙ্গিমায় সকল কাজ সম্পাদন করা ও এসমস্ত তথ্য সবার কাছে প্রচার করা অতীব জরুরী। সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা আর যথাযথ নির্দেশিকা মেনে উৎসব পালনই নিশ্চিত করবে একটি আনন্দময়, আঘাত-মুক্ত ও উৎসব মুখর ঈদ-উল-আযহা!

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদুল আজহায় মহান আল্লাহ তায়ালা ধর্মপ্রাণ সকল মুসলমানদের ধর্মীয় আচার সহিভাবে পালনের মাধ্যমে কোরবানির তৌফিক দান করুন - সকলের কোরবানি কবুল করুন।

সবাইকে ঈদ মোবারক !

অধ্যাপক ডা. মোঃ আলী ইমরান
অধ্যাপক (স্পোর্টস্ মেডিসিন)
ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

Address

Popular Diagnostic Center Ltd, (Mirpur Branch)
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Professor Dr. Md. Ali Emran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Professor Dr. Md. Ali Emran:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category