Nobozatok

Nobozatok Nobozatok provides Mental & Physical healthcare services to women & Children.

জেনারেশন (Generation) নিয়ে কিছু কথা:------------------------------------------------------------Generation নামকরণ মূলত এ...
25/05/2025

জেনারেশন (Generation) নিয়ে কিছু কথা:
------------------------------------------------------------
Generation নামকরণ মূলত একটি নির্দিষ্ট সময়কালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মানুষের একটি গোষ্ঠীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, যারা একই ধরনের সামাজিক, অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে বড় হয়ে ওঠে। এই সময়কাল সাধারণত ১৫-২০ বছর ধরে হয়। প্রতিটি জেনারেশন তাদের সময়ের ঘটনার প্রভাব ও অভিজ্ঞতার কারণে একে অপর থেকে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়।

জেনারেশনের ধারনা অনেক পুরোনো হলেও, আধুনিক অর্থে জেনারেশন শ্রেণিবিন্যাস ও নামকরণ শুরু হয় ১৯ শতকের শেষ ভাগ থেকে, কিন্তু বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী ও মার্কেট গবেষকরা এই বিভাগগুলোর মাধ্যমে মানুষের আচরণ, মার্কেটিং প্রবণতা, প্রযুক্তি গ্রহণক্ষমতা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা শুরু করেন।

বিভিন্ন জেনারেশন নাম সময়কাল (প্রায়) বিশেষ বৈশিষ্ট্য / প্রেক্ষাপট:

The Lost Generation: ১৮৮৩–১৯০০ WWI ও সেই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দা; সাহিত্যিক ও দার্শনিকভাবে প্রভাবশালী।
The Greatest Generation: ১৯০১–১৯২৭ WWII অংশগ্রহণকারী; ত্যাগ ও কর্তব্যবোধের জন্য বিখ্যাত।
The Silent Generation: ১৯২৮–১৯৪৫ WWII ও Great Depression এর পর জন্ম নেয়া; শান্ত স্বভাবের, দায়িত্ববান।
Baby Boomers: ১৯৪৬–১৯৬৪ WWII-র পরে জন্মহার বেড়ে যায়; সামাজিক পরিবর্তনের পথিকৃৎ।
Generation X: ১৯৬৫–১৯৮০ ইন্টারনেটের আগের যুগ; স্বাধীনচেতা, কর্মমুখী।
Millennials (Gen Y): ১৯৮১–১৯৯৬ প্রযুক্তির উত্তরণ; সামাজিক মিডিয়া, স্মার্টফোন, চাকরির অনিশ্চয়তা।
Generation Z (Zoomers): ১৯৯৭–২০১২ ডিজিটাল নেটিভ; সামাজিক সচেতনতা ও ইনফ্লুয়েন্সার কালচারে বড় হওয়া।
Generation Alpha: ২০১৩–২০২৫ (চলমান) পুরোপুরি AI, automation ও ভার্চুয়াল যুগে জন্ম নেওয়া শিশু।

এসব নামকরণের ভিত্তি কী?

১. সামাজিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: যেমন Baby Boomers নামটি WWII-র পর জন্মহার বেড়ে যাওয়ার জন্য।
২. প্রযুক্তিগত পরিবর্তন: যেমন Millennials ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির যুগে বড় হয়।
৩. সংস্কৃতি ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য: যেমন Gen Z খুবই tech-savvy, দ্রুত পরিবর্তনশীল, এবং social justice-এ বিশ্বাসী।
৪. বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা ও মিডিয়া: Pew Research, McKinsey, Gallup, Time Magazine প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এসব নামকরণ ও সীমানা নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

জেনারেশন নামকরণ কেবল সময় অনুযায়ী নয়, বরং সেই সময়ের সমাজ, রাজনীতি, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ফল। এসব শ্রেণিবিন্যাস সমাজ বিশ্লেষণ, নীতি প্রণয়ন, এবং বাজার গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মেনোপজ একজন নারীর জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়। মেনোপোজ ঋতুচক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়াকে নির্দেশ করে। এটি শরীরের ওপর এবং ...
23/12/2024

মেনোপজ একজন নারীর জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়। মেনোপোজ ঋতুচক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়াকে নির্দেশ করে। এটি শরীরের ওপর এবং মনের ওপর নানাভাবে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে হাড়ের ওপর এর প্রভাব রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি।

মেনোপোজ কী?
মেনোপজ হলো প্রজনন বয়সের সমাপ্তি। যখন একজন নারীর প্রজনন জীবন শেষ হয়ে যায় সেটাই মেনোপজ। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে মেনোপজ। তবে গড়ে ৫১ বছর বয়সে মেনোপজ হয়। এ সময় ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যায় নারীদের।যখন প্রথম মাসিক শুরু হয় তখন সেটাকে বলে মেনার্কি আর যখন শেষ হয়ে যায় তখন সেটাকে বলা হয় মেনোপজ। সাধারণত ১৩ বছর বয়সে একটি মেয়ের মাসিক শুরু হয় আর ৫১ বছর বয়সে তা থেমে যায়। শেষবছরে মাসিক ১২ বার হওয়ার কথা, সেখানে বছরে তিন বার হলো- এমন হলে মেনোপজের পূর্ব লক্ষণ। এভাবে কোনো নারীর মাসিক অনিয়মিত হতে হতে যখন টানা এক বছর বন্ধ থাকে তখন ধরে নিতে হবে মেনোপজ হয়ে গেছে।

মেনোপজের লক্ষ্মণসমূহ:
১) কখনো তিন মাস, চার মাস মাসিক বন্ধ থাকতে পারে।
২) অনিয়মিত মাসিক হওয়া।
৩) বছরে মাসিক ১২ বার হওয়ার কথা সেখানে যদি বছরে দুই বা তিনবার হয়ে থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় এটি মেনোপজের পূর্ব লক্ষণ। এভাবে কোন নারীর মাসিক অনিয়মিত হতে হতে একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।
৪) এ সময়ে রিপ্রোডাক্টিভ ফাংশন বন্ধ হয়ে যায়। হরমোনার পরিবর্তন হয়। ডিম্বাশয় থেকে আসা হরমোন ইস্ট্রোজেন প্রোজেক্টেরন মেনোপজ এ বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে পিটুইটারি হরমোন বেড়ে যায়।
তখন কারো কারো ক্ষেত্রে শরীরে হট ফ্ল্যাশ হয়। অর্থাৎ শরীরে গরম অনুভূত হয় এবং মাথা গরম হয়ে যায়।
৫) রাতের বেলায় ঘাম হয়।
৬) ঘুম হয় না।
৭) মোট সুইং বেড়ে যায়।

মেনোপজের শারীরিক প্রভাব:
১) ডিম্বাশয় থেকে আসা হরমোন ইস্ট্রোজেন-প্রোজেস্টেরোন শরীরকে নিরাপত্তা দেয়, সেটি মেনোপজের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এই হরমোনের অভাবে হাড়ক্ষয় রোগ অস্টিওপোরোসিস দেখা দেয়। এতে পিঠে, হাঁটুতে, অস্থিসন্ধিতে ব্যথাসহ বিভিন্ন জায়গায় হাড়ের ব্যথা হয়।
২) অস্টিওপরোসিসে ভুগলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে ঝাঁঝড়া হয়ে যায়, একদম ফাঁকা ফাঁকা হয়ে যায়। কোনোরকম আঘাত লাগলে হাড় গ্লাসের মত ভেঙে যেতে পারে। কোনোভাবে পড়ে গেলেও হাড় ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যায়, সামনের দিকে শরীর ঝুঁকে পড়ে। বাঁকা হয়ে হাঁটতে দেখা যায় অনেক নারীকে। হৃদপিণ্ডের ওপরও মারাত্মক প্রভাব পড়ে এতে।

মেনোপজের মানসিক প্রভাব:
অনেকে মেনোপজ মেনে নিতে পারেন না, বিশেষ করে যাদের তাড়াতাড়ি মেনোপজ হয়। সাধারণত ৪৫ বছর বয়স থেকে মেনোপজ হলেও অনেকের ক্ষেত্রে ৪০ এর পরেই মেনোপজ হয়ে যায়। সে কারণে মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকেন অনেকে। যাদের সন্তান নেই, বিশেষ করে সেই নারীদের ওপর মারাত্মক মানসিক প্রভাব পড়তে দেখা যায়। কারো কারো ক্ষেত্রে ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস হয়, যে কারণে যৌনজীবনে প্রভাব পড়ে।

মেনোপজে খাদ্যাভাস:
১) ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, শাকসবজি, ফল, মাছ, দুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
২) যদি শরীরে লিপিড কনেন্ট বেশি থাকে, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন বা অন্য জটিল কোনো রোগ থাকে তাহলে সেই অনুযায়ী খাবার খেতে হবে।
৩) চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
৪) একইসঙ্গে মানসিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেনোপজে।

মেনোপজে করণীয়:
১)নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
২)নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করতে হবে।
৩)যোগ ব্যায়াম করতে হবে।
৪)সঠিক ডায়েট ফলো করে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৫)অন্য কোন সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজনে আমাদের গাইনীর পরামর্শ নিতে পারবেন।

মেনোপজের এক বছর পর আবার ব্লিডিং হওয়াকে পোস্ট মেনোপজাল ব্লিডিং বলে। এটা এক ধরনের ডিজঅর্ডার। কোনো ক্যানসারের জন্য হতে পারে, রক্তের ব্যাধি কিংবা জরায়ুর কোনো সমস্যার কারণে ব্লিডিং হতে পারে।সেক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং ব্লিডিং কেনো হচ্ছে তার কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে।
যেহেতু মেনোপজের কারণে শরীরে অনেক হরমোনাল পরিবর্তন হয় এবং এর ফলে বিভিন্ন সমস্যারও সম্মুখীন হতে হয় একজন নারীকে। তবে মেনোপজ একটি স্বাভাবিক ঘটনা। প্রত্যেক নারীর জীবনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

🌸পিসিওএস কে ভয় নয় জয় করুন🌸বর্তমানে আমরা প্রায়ই পিসিওস শব্দটি শুনে থাকি।তবে অনেকেই আমরা জানি না পিসিওএস আসলে কি এবং এর লক...
26/09/2024

🌸পিসিওএস কে ভয় নয় জয় করুন🌸

বর্তমানে আমরা প্রায়ই পিসিওস শব্দটি শুনে থাকি।তবে অনেকেই আমরা জানি না পিসিওএস আসলে কি এবং এর লক্ষণসমূহ কি? পলি’ শব্দের অর্থ অনেক এবং ‘পলিসিস্টিক’ শব্দের অর্থ অনেকগুলো সিস্ট। এটি একটি হরমোনজনিত রোগ। পিসিওএস (PCOS) এর প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো জরায়ু থেকে ডিম নির্গত না হওয়া। মেয়েদের শরীরে পুরুষ হরমোন। অর্থাৎ অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে ডিম্বাশয়ের আশেপাশে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়। ফলে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বড় হয়ে যে ডিম বের হওয়ার কথা, তাতে বাঁধা সৃষ্টি হয় এবং এক সময় ডিম বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। আর তখনই দেখা দেয় অনিয়মিত পিরিয়ড, বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিসের মতো নানা সমস্যা। রোগটি সাধারণত প্রজননক্ষম নারীদের (১৮-৪৪ বছর) মধ্যে দেখা যায়।

PCOS এর লক্ষ্মণসমূহ:

১)ডিম্বাশয়ের অস্বাভাবিকতা

কোনো কোনো মহিলার ক্ষেত্রে ডিম্বাশয় বড় হতে পারে এবং ডিমের চারপাশে ফলিকলস থাকতে পারে। যার কারণে ডিম্বাশয় নিয়মিত কাজ করতে পারে না।

২)ত্বকে পিগমেন্টেশন

পিসিওএস হলে রোগীর শরীরে বিভিন্ন জায়গায় পিগমেন্টেশন দেখা দেয়। বিশেষ করে ঘাড়ের পেছনে, বগলে কালো দাগ থাকে। এই দাগের কারণে অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে ভোগেন।

৩)ওজন বেড়ে যাওয়া

এ রোগে আক্রান্ত মেয়েদের ওজন ও বিএমআই (Body Mass Index calculator) স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। বিএমআই ২৫-৩০ হলে ওভারওয়েট এবং ৩০ এর বেশি হলে তাদের ওবিস বলা হয়। পিসিওএসে আক্রান্ত অন্তত ৫০ শতাংশ নারীই ওবিস। এদের ক্ষেত্রে অনেক সময় ওষুধ না খেলে পিরিয়ড হয় না। অনেক সময় ওজন মাত্রাতিরিক্ত কমে গেলেও এ সমস্যা হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি

৪)ব্রণের সমস্যা বেড়ে যাওয়া

পিসিওএস থাকলে অ্যান্ড্রোজেন হরমোন বেশি নিঃসরণ হয়। যার কারণে ত্বকে বেশি তেল উৎপাদন হয়। এ থেকেই পুরো মুখে ছোট ছোট ব্রণ দেখা দেয়। এই ধরনের ব্রণের মুখ কিছুটা চোখা হয়। মুখ ছাড়া পিঠ ও বুকেও হঠাৎ করে প্রচুর ব্রণ দেখা যেতে পারে।

৫)অবাঞ্চিত লোম ওঠা এবং চুল পড়া

পুরুষ হরমোন অর্থাৎ অ্যান্ড্রোজেনের উচ্চ মাত্রার ফলে বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় মুখের বাড়তি এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- বুক, পেট, থাইয়ের ভিতরের অংশে অতিরিক্ত লোম (হিরসুটিজম) দেখা দেয়। এছাড়া চুল পড়ার মতো সমস্যা বাড়তে থাকে এবং চুল পাতলা হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে পুরুষদের মতো টাক দেখা দিতে পারে।

৬)গর্ভধারণে অসুবিধা ও বন্ধ্যাত্ব

পিসিওএস থাকলে ডিম্বাণু নিঃসরণের চক্র অনিয়মিত হয় বলে গর্ভধারণে অসুবিধা হয়। যদি এ রোগসহ গর্ভধারণ সম্ভব হয়, তাহলে মিসক্যারেজের ঝুঁকি বাড়ে। আবার বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণও পিসিওএস। এ রোগে আক্রান্ত ওবিস রোগীরা যদি নিজেদের ওজন ৫ শতাংশ কমাতে পারেন, তাহলে তাদের পিরিয়ড নিয়মিত হতে শুরু করবে। আর ওজন ১০ শতাংশ কমাতে পারলে ডিম্বাশয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে এবং বন্ধ্যাত্বের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

PCOS প্রতিরোধে খাদ্য তালিকা

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম থাকলে মেয়েদের শরীরে সাধারণত ইনসুলিনের পরিমাণ কম থাকে। আবার পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলেও ঠিকমতো কাজ করে না। যার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। এ থেকে ডায়াবেটিস, হৃদরোগের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও দেখা যায়। তাই এ রোগের ক্ষেত্রে খাবার নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জরুরি। পিসিওএস প্রতিরোধের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি সুষম খাদ্য তালিকা মেনে চলতে হবে। এই রোগ প্রতিরোধে খাদ্য তালিকায় যেসব খাবার রাখতে হবে-

🌿ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার

পিসিওএস প্রতিরোধে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খেতে হবে। তাই খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল যেমন- ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, আপেল, পেঁপে, কমলা, মৌসুমি লেবু, তরমুজ, ডালিম, চেরি, লাল আঙুর, ব্ল্যাকবেরি ইত্যাদি। শাক-সবজির তালিকায় টমেটো, ব্রকলি, ফুলকপি, সবুজ শাক, কুমড়ো, ক্যাপসিকাম রাখুন। এছাড়া শুকনো মটরশুঁটি, মসুর ডাল ও অন্যান্য ডালও রাখুন খাদ্য তালিকায়।

🌿আমিষ

পিসিওএস রোগীদের জন্য উচ্চ আমিষসমৃদ্ধ খাদ্য খুবই প্রয়োজন। যেমন- মুরগির মাংস, মাছ, ডিম, দুধ, দই, ডাল ইত্যাদি। প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে প্রোটিন রাখতেই হবে।

🌿অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান যুক্ত চা ও মশলা

পিসিওএসে আক্রান্ত রোগীদের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হতে পারে। এ সমস্যা কমাতে খাদ্য তালিকায় অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান যুক্ত কিছু চা ও মশলা অবশ্যই রাখতে হবে। যেমন- গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, আদা, কাঁচা হলুদ, গোল মরিচ, তেজপাতা, মৌরি, জিরা, ধনে, লবঙ্গ, দারুচিনি ইত্যাদি।

🌿স্বাস্থ্যকর চর্বি

ওমেগা- থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবারগুলো এ রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। এ ধরনের খাবারের মধ্যে আছে স্যামন, টুনা, সার্ডিনস ও ম্যাকেরেল এর মতো বিভিন্ন ধরনের মাছ, চিয়া সিড, আখরোট, অ্যাভোকাডো, জলপাই তেল, বাদাম ইত্যাদি।

এসব খাদ্য পরিমিতভাবে গ্রহণের ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে, সেই সাথে মুক্তি মিলবে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম রোগটি থেকেও।

এ রোগে যেসব খাবারকে না বলতে হবে:

চিনিযুক্ত পানীয় যেমন- কোক, পেপসি ইত্যাদি

বিভিন্ন ভাজা খাবার, প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন- সসেজ, হ্যামবার্গার ও হট ডগ ইত্যাদি খাবার
পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন- সাদা ভাত, সাদা রুটি, পাস্তা, পেস্ট্রি ইত্যাদি

বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন- কেক, মিছরি, মিষ্টি দই, অতিরিক্ত চিনিসহ আইসক্রিম ইত্যাদি

বাংলাদেশের অনেক মেয়েই বর্তমানে পিসিওএস এ আক্রান্ত। জটিলতা থাকলেও এ রোগটি নিরাময় করা সম্ভব। তাই চিন্তিত না হয়ে ঠিকমতো সুষম ও পরিমিত খাদ্য তালিকা অনুসরণ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা।

এই রোগের চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ সম্পর্কে পরবর্তী পোস্টে জানবো।সাথেই থাকুন।


🌷নবজাতক বলা হয় কোন সময়কে?জন্মগ্রহণের পর প্রথম দুই সপ্তাহ সময় হচ্ছে নবজাতক কাল। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুর নাভি রজ্জু কেটে ...
18/09/2024

🌷নবজাতক বলা হয় কোন সময়কে?
জন্মগ্রহণের পর প্রথম দুই সপ্তাহ সময় হচ্ছে নবজাতক কাল। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুর নাভি রজ্জু কেটে শিশুকে পৃথক করা হয়, শিশুর ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবেশের মাধ্যমে শিশু সক্রিয় হয়ে শিশু কেঁদে ওঠে। নতুন পরিবেশের সাথে অভিযোজন করতে যেয়ে প্রথম সপ্তাহে শিশুর ১০% ওজন হ্রাস পায়। পরবর্তী সপ্তাহে শিশু আবার সেই ওজন অর্জন করে। এই অভিযোজন মূলত হয় নবজাতকের নতুন পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য তবে এই সময়টা বেশ ক্রুশিয়াল,কারণ প্রথম বছর শিশু মৃত্যুর হার বেশি থাকে। ১০০০ জনে ১৪ থেকে ২২ জন শিশু মারা যায়। তাই জীবনের প্রথম দুই সপ্তাহ শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়।💜

🍁রাত জাগবেন না কেন?রাত জাগার ফলে শরীরে ভিটামিনের অভাব সরাসরি হয় না, তবে ঘুমের অভাব শরীরের নানা প্রকার ভিটামিন এবং খনিজ উ...
16/09/2024

🍁রাত জাগবেন না কেন?
রাত জাগার ফলে শরীরে ভিটামিনের অভাব সরাসরি হয় না, তবে ঘুমের অভাব শরীরের নানা প্রকার ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, নিয়মিত রাত জাগার কারণে ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেসিয়াম এর অভাব দেখা দিতে পারে, কারণ পর্যাপ্ত ঘুম এবং সূর্যের আলো উভয়ই শরীরে ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেসিয়ামের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সহায়ক।

এছাড়া, ঘুমের ঘাটতি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে এবং ভিটামিন বি (বিশেষত ভিটামিন বি৬) গ্রুপের চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।তাই ন্যূনতম ৬ ঘন্টা ঘুম শরীর কে দিন যার ফলে আপনার শরীর ও ব্রেন ভাল থাকবে।💜

19/09/2023

অক্টোবর থেকে ঢাকা বিভাগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৩! পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

আপনি কি জানেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৪৯৭১ জন নারী মারা যায়❓ 💔

মনে রাখবেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এক ডোজ এইচপিভি টিকাই যথেষ্ট।

ভ্যাক্সইপিআই অ্যাপ অথবা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করার মাধ্যমে সবাই নিজ নিজ স্কুল অথবা ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র থেকে এইচপিভি টিকা গ্রহণ করতে পারবে 👉 www.vaxepi.gov.bd



W/ Ministry of Health and Family Welfare Directorate General of Health Services Gavi, the Vaccine Alliance EPI Bangladesh World Health Organization Bangladesh

01/12/2022

শীতে শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করছেন তো??!!""

শীত পড়তে শুরু করেছে। আর শীতে শিশুরা একটু বেশিই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে দুশ্চিন্তা না করে এ সময়টাতে শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা নিলে শীতেও আপনার সোনামণি থাকবে সুস্থ। শীতের সময়টা শিশুর বিশেষ যত্ন সম্পর্কে সচেতন থাকাটা জরুরী। শীতে সাধারণত শিশুরা সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বর, নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। শীতে আবহাওয়া শুষ্ক ও ধুলাবালি থাকার কারণেই মূলত শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টা অভিভাবকদের কিছুটা সচেতন থাকতে হবে।

🍀সচেতন হোন ঃ

শিশুদের ঠাণ্ডা বাতাস এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। যেহেতু শীতে এ রোগগুলো সংক্রামিত হয় তাই যতটা সম্ভব শিশুদের জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় কম নেয়াই ভালো। শিশুদের গামছা, রুমাল, তোয়ালে প্রভৃতি আলাদা হওয়া উচিত এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় শিশুদের দূরে রাখা উচিত। শিশুদের স্কুলে অথবা বাইরে নিয়ে গেলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করার অভ্যাস করাতে হবে। শিশুর এ ধরনের সমস্যায় আদা লেবু চা, গরম পানিতে গড়গড়া, মধু, তুলসী পাতার রস প্রভৃতি খাওয়ানো যেতে পারে। তবে সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

🍀গরম পানি

শিশুদের হালকা কুসুম গরম পানি পান ও ব্যবহার করানো উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর দাঁত ব্রাশ করা, হাত মুখ ধোয়া, খাওয়াসহ শিশুদের নানা কাজে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করলে এসময় শিশুরা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকবে। শীতেও শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। তবে গোসলের সময় শরীরের কাছাকাছি তাপমাত্রার হালকা গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। তবে খুব ছোট শিশু কিংবা ঠাণ্ডার সমস্যা আছে এমন শিশুর ক্ষেত্রে গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দেয়া যেতে পারে। অনেকেই শিশুকে জবজবে করে সরিষার তেল মাখিয়ে গোসল করিয়ে থাকেন। এতে গোসল শেষেও শিশুর চুল ভেজা থাকে এবং ঠাণ্ডা লাগে।

🍀খাবার

শীতের সময়টা শিশুদের খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ফলে তাদের শরীর খারাপ হয়ে যায়। তাদের ঘনঘন পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুদের ত্বকের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ডিমের কুসুম, সবজির স্যুপ এবং ফলের রস খাওয়ানো উচিত। বিশেষ করে গাজর, বিট, টমেটো শিশুদের ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াতে পারেন। শিশুরা এ সময় যেন কোনো ধরনের ঠাণ্ডা খাবার না খায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

🍀ত্বকের যত্ন

শিশুদের ত্বক বড়দের থেকে অনেক বেশি সেনসেটিভ। তাই তাদের ত্বক অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। শিশুর মুখে এবং সারা শরীরে বেবি লোশন, বেবি অয়েল, গ্লিসারিন, ভ্যাসলিন ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। তবে এগুলো অবশ্যই ভালোমানের হওয়া উচিত।

🍀নবজাতক শিশুর যত্ন

নবজাতকের তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা খুবই কম, তাই অল্প শীতেই তারা কাবু হয়ে যায়। যে বাচ্চা পূর্ণ ৩৭ সপ্তাহ মাতৃগর্ভে কাটিয়ে জন্ম নিয়েছে তার ক্ষেত্রে জটিলতা কম। সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। শিশু মায়ের পেটে উষ্ণ তাপমাত্রায় অবস্থান করে। তাই পৃথিবীর তাপমাত্রায় সে শীত অনুভব করে। তা ছাড়া শিশুর শরীরে তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি তৈরি হতেও সময় লাগে। শিশুকে উষ্ণ তাপমাত্রায় রাখতে হবে। যদি ঘরের তাপমাত্রা ২৫ সেলসিয়াস হয়, তবে সুতির কাপড় পরিয়ে কাঁথা দিয়ে মুড়ে রাখুন। এ মাত্রার নিচে হলে সোয়েটার ব্যবহার করতে হবে। বাচ্চা বুকের দুধ খাওয়ার সময় সাধারণত ঘেমে যায়। তাই ওই সময় সোয়েটার আলগা করে দিন। শীতে নবজাতককে অবশ্যই হাতমোজা, পা’মোজা ও কানটুপি পরাতে হবে।
টিপস:
🌸বাচ্চাকে ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ান। বুকের দুধে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। ফলে শিশু সহজে ঠান্ডা, কাশি ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয় না।

🌸 দিনে ঘরের জানালা খুলে রোদ ও নির্মল বাতাস ঘরে ঢুকতে দেওয়া ভালো, ঠান্ডা বাতাস এলেও ক্ষতি নেই। ঘরের মধ্যে ভিজা কাপড় না শুকিয়ে অবশ্যই রোদে শুকাতে হবে।

দিনশেষে আপনার সোনামণির সুস্থতার খেয়াল আপনাকেই করতে হবে।তাই তার যত্নেও যেন ত্রুটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।💜

একটি শিশুর প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল তার পরিবার। কাজেই একজন শিশুর শারীরিক , মানসিক , সামাজিক প্রভৃতি বিকাশগুলি ঘটতে শুর...
05/11/2022

একটি শিশুর প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল তার পরিবার।
কাজেই একজন শিশুর শারীরিক , মানসিক , সামাজিক প্রভৃতি বিকাশগুলি ঘটতে শুরু করে পরিবারের মধ্যেই। বর্তমান ডিজিটাল যুগে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে মানুষের মানসিক সমস্যা সংক্রামক ব্যাধির মতো ক্রমবর্ধমান। তাই যদি শিশুকে ছোটবেলা থেকেই পূর্ণ মানসিকতার সুষম বিকাশ ঘটানো যায় তবে ভবিষ্যৎ জীবনে শিশু নানারকম মানসিক সমস্যার মোকাবিলা করে একজন সুস্থ সবল সামাজিক মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। আর এই মানসিক দিকগুলো গড়ে উঠতে পারে একমাত্র পরিবারের মধ্যেকার পরিবেশ।

জেনে নেওয়া যাক যে কয়টি বিষয়কে নজরে রাখলে শিশুর মানসিক বিকাশকে সুষম করে তোলা যায় তার পরিবারের মধ্যেই –

🌼 খোলামেলা আলোচনা :-

মনে রাখা প্রয়োজন যে মন খুলে আলোচনা করলে মনের গভীরে কোনো ক্ষত জমা থাকে না। একজন মানুষের অনেক অভাব অভিযোগ না পাওয়ার বেদনা থাকতে পারে। পরিবারের প্রতিটি সদস্য যদি নিজের খোলামেলা কথা বলে তবে তার প্রভাব শিশুর ওপর পড়তে বাধ্য। এর ফলে শিশুও তার স্কুলের বন্ধুদের বা শিক্ষক শিক্ষিকাদের সম্পর্কে মনোভাব খোলাখুলি বলবে – যার ফলে তার ভেতরে কোনো লুকোনো আবেগ বা ক্ষত তৈরি হবে না।

🌼খেলা ও গল্প বলা :-

তোমার জন্য অনেক টাকা খরচ করছি , কত দামি খেলনা কিনে দিচ্ছি ‘- বন্ধুরা এইসব কথার চেয়ে যেটা জরুরি সেটা হলো – দামি খেলনা নয় – সঙ্গী হতে হবে। ছোটদের সঙ্গে খেলার সুযোগে অনেক কিছু শিক্ষাদানও সম্ভব হয়। মনে রাখতে হবে শিশুরা দামি খেলনা নয় – খেলার দামি সঙ্গ চায় বেশি।
আগেকার দিনে ঠাকুমা, দাদু, দিদাদের মুখে রূপকথার নানা গল্প শুনতে পারতো শিশুরা। বর্তমান যুগে সেই সুযোগ তাদের অনেক কম। শিশুরা গল্প শুনতে ভালোবাসে। তাদের কল্পনাপ্রবণ মন পাখা বিস্তার করতে পারে গল্পের মাধ্যমে। এর ফলে শিশুর মানসিক শক্তি দৃঢ়তা লাভ করে থাকে।

🌼সৃজনশীল কাজ বা খেলনা :-

শিশুর খেলনা হতে হবে আবিষ্কারধর্মী, নাটকীয় ও সৃজনশীল। কোনো কিছু নির্মাণ করা শিশুদের আগ্রহের বিষয়। বয়সভেদে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ উপযোগী খেলনা নির্বাচনে পরিবারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যে খেলনাগুলো শিশুর মানসিক বিকাশে সহায়ক হবে। কখনো কখনো সাধারণ গৃহকাজের সামগ্রীও তাদের মজার খেলার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। রুটি বানানোর সময় একটা আটার গলা দিয়ে বোলো তুমি এটা দিয়ে কী কী বানাতে পারো। দেখবে সাপ ব্যাঙ কত কি ওদের কল্পনায় চলে আসছে যাকে বাস্তব রূপ দিতে চেষ্টা করবে

🌼বই পড়া :-

বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই পড়ার মাধ্যমে শিশুর মানসিক বিকাশ প্রসারিত হয় এবং মনের ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বাড়ে। শিশু বয়েস থেকেই তাই শিক্ষামূলক বইয়ের পাশাপাশি গল্পের বই পড়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে। মাঝে মাঝে নানা ধরণের মজার মজার কাহিনীমূলক বই শিশুদের উপহার দিতে হবে। এতে শিশুদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুর বুদ্ধিমত্তা।

🌼মর্যাদা দান :-

আমরা কিন্তু শিশুদের ইচ্ছা ও ভাবনাগুলোকে অনেক সময় পাত্তা না দিয়ে তাদের ভাবনায় আঘাত করে থাকি। ছোটো বলে তাদের সিদ্ধান্ত বা পরামর্শগুলো নিয়ে ঠাট্টা করে বসি । এতে তার শিশু মন আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ধীরে ধীরে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। শৈশব থেকেই যদি তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাদের আলাদা করে মর্যাদা দান করা হয় তবেই সেই শিশুটির চিন্তন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তারাও অন্যদের সম্মান করতে শিখবে। পরিবারের উচিত শিশুদের কথাগুলো মন দিয়ে শোনা ও বোঝার চেষ্টা করা।

🌼ছবি আঁকা সংগীতচর্চা করা ইত্যাদি :-

শিল্পচর্চার মাধ্যমে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। ছবি আঁকার মাধ্যমে তার কল্পনা শক্তি যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি গান শোনার মাধ্যমে তার মনের ওপর চাপ অনেকটা কমে যায়। গান শুনলে মস্তিস্ক থেকে ডোপামিন নামক এক প্রকার হরমোন নিঃসৃত হয় যা শিশুকে উদ্দীপনায় ভরিয়ে রাখে। ফলে শিশুরা অসাধারণভাবে ভাবতে ও চিন্তা করতে শেখে। নতুন নতুন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী হয়ে ওঠে। তাই ছোটবেলা থেকেই ছবিআঁকা ও সংগীতের সাথে সম্পর্ক তৈরী করিয়ে দেওয়া উচিত।

🌼অধিক সময় কাটানো :-

আজকালকার বাবা মায়েদের চাকরিসূত্রে দিনের অনেকটা সময় কর্মস্থলে কাটাতে হয়। ফলে শিশুরা বাবা মায়ের সঠিক সান্নিধ্য পেয়ে ওঠে না। অনেকেই আবার সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ফলে ক্লান্তিবোধ করে , কারো কারো মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় সেই মেজাজ গিয়ে পরে শিশুদের ওপর ফলে শিশুরা আরো বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয় , একাকীত্ব বোধ করে। তার শিশু মনে জেগে ওঠা হাজারো রকম প্রশ্ন তার মনে চাপা পড়ে যায়। ধীরে ধীরে তার মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে। তাই যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন শিশুদের সাথে একটা কোয়ালিটি টাইম কাটানো উচিত বাবা মায়েদের। পরিবারেরও উচিত তাদের মনের কথা খুলে বলা।

এই বিষয় গুলো ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয়ে নজর রাখা প্রয়োজন – ব্যর্থ হলে কখনো শাস্তি দেওয়া কিংবা বকাবকি করা অনুচিত। আর মনে রাখা প্রয়োজন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যে বন্ধন তাও শিশুর মনকে প্রভাবিত করে। তাই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া হতে পারে কিন্তু এমন কথা কাউকে বলা উচিত নয় – যা শিশুরা শিখে গেলে তার ক্ষতি হতে পারে। মা বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ ও মধুর সম্পর্ক শিশু মনে পরম সুখ ও নিরাপত্তাবোধ জাগায়।

সর্বশেষ আপনার শিশুর মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিন্ত করার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। শিশুদের বেড়ে ওঠা হোক সুন্দর ও সুশৃঙ্খল। 💜

একটি বাচ্চার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ তার বেড়ে ওঠার পরিবেশ।একটি বাচ্চার সুষ্ঠু মেধা বিকাশে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পা...
27/10/2022

একটি বাচ্চার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ তার বেড়ে ওঠার পরিবেশ।একটি বাচ্চার সুষ্ঠু মেধা বিকাশে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বাবা মার মধ্যেকার সম্পর্ক ভাল থাকলে শিশুটি একটা সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠে,অপরদিকে একটা সমস্যাপূর্ণ সম্পর্ক হতে পারে আপনার বাচ্চার বেড়ে ওঠার পেছনে বাধার কারণ, হতে পারে তার মেধার বিকাশে বড় বাধা,পিছিয়ে পড়তে পারে সমাজের বাকীদের থেকে।তাই একটি বাচ্চা কে সুন্দর বিবেকবান মানুষ তৈরী করতে নিজেদের সম্পর্ক রাখুন বন্ধুত্বপূর্ণ।এই বিষয়ে আরো জানতে জয়েন করতে পারেন " নবজাতকের" ওয়েবিনারে,শুক্রবার সন্ধ্যায়। এক ঘন্টার একটা আলোচনা প্লাটেতে পারে আপনার চিন্তা ভাবনার।
নিচের লিংকে ঢুকে রেজিষ্ট্রেশন করে হতে পারেন আমাদের সাথে জয়েন,এবং নিজের প্রশ্নটি করতে পারেন আমাদের এক্সপার্টের কাছে।

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScNQGLDfDMzRbTIG3Gs78g1Hr6mM4b9cH3jjRmOMzQUfen9FQ/viewform

We are here to announce that Nobozatok is organizing a webinar “Influence of Relationship with Family members on Expecti...
22/10/2022

We are here to announce that Nobozatok is organizing a webinar “Influence of Relationship with Family members on Expecting mother and Fetus Development” to create awareness about the importance of mental health for the women who are planning to have babies, who have already conceived and who has children.
In the session we will cover:
• Influence of relationship when you preparing for being a mother
• Influence of relationship on a mother and a child during and after pregnancy
• How relationship effects on child growth and fetus development
• We will focus on relationship issues with: Current Partner, Parents, In Laws and other Family members

Our guest for the webinar:
1. Anjuman Parvin Ovi
MSc. in Early Childhood Development,
Chief Consultant,
Heaven Education Service, Bangladesh
SOS Intl. Award Winner 2019 (For designing childhood learning development focused on individual family needs).

Time: 07:30PM - 08:10PM on 28th October,2022.
Registration Deadline: 27th October 2022
Registration Fee: 50BDT. by Bkash- 01723369330 (Personal)
Registration Link: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScNQGLDfDMzRbTIG3Gs78g1Hr6mM4b9cH3jjRmOMzQUfen9FQ/viewform
**"Meet" joining link will be sent to your email by 27th October 2022.

🌸গুড ফুড ইজ গুড মুড🌸মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিকভাবে ফিট থাকলে তবেই কোনও ব্যক্তিকে সুস্থ বলা যায়। সবদিকে নজর রাখলেও বেশির...
21/10/2022

🌸গুড ফুড ইজ গুড মুড🌸

মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিকভাবে ফিট থাকলে তবেই কোনও ব্যক্তিকে সুস্থ বলা যায়। সবদিকে নজর রাখলেও বেশিরভাগ মানুষই তাদের মানসিক স্বাস্থ্যর প্রতি একদম খেয়াল রাখেন না।
মানসিক সুস্থতা পেতে মনকে চাপমুক্ত রাখতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা অনস্বীকার্য।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং মন কে প্রাণবন্ত রাখে,মন ভাল থাকলেই মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়,যা আপনার জীবনকে আর সুন্দর ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে।

যেসব খাবার খেলে মানসিক স্বাস্থ্য থাকবে ভাল:
১)ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার যেমন—আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড, তৈলাক্ত মাছ যেমন সার্ডাইনস, সলমন, ক্যানোলা তেল ইত্যাদি।
2)প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন—দই, বাটার মিল্ক, ঘরে তৈরি আচার।
৩)দানাশস্য—
বাদামি চাল, ওটমিল, বাজরা, গম।
৪)অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন—
বেরি,টমেটো,সবুজ শাকসবজি, ডার্ক চকোলেট, আদা এবং হলুদ।
৫)ভিটামিন ডি—
সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস। আর ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবারগুলি হলো মাশরুম, ডিমের কুসুম, সলমন।
৬)ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার—
ডার্ক চকোলেট, কলা, কাজু, বাদাম এবং মটরশুটি।
৭)মিষ্টি আলু-
মানসিক চাপের বড় কারণ কোর্টিসোল হরমোনের ক্ষরণ। মিষ্টি আলু এই হরমোনের ক্ষরণের পরিমাণ কমায়। মন ভাল থাকে।
৮)সামুদ্রিক মাছ-
স্যামন বা ওই জাতীয় সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ এবং ভিটামিন ডি থাকে। এই দু’টিও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৯)ব্রকোলি-
এটিতে সালফোরাফেন নামক উপাদান রয়েছে। যা অবসাদের পরিমাণ কমায় এবং মন শান্ত করে।
১০)ক্যামোমাইল চা-
এই চায়ের বেশ কিছু উপাদান ঘুমোতে সাহায্য করে। রাতে এই চা খেলে ঘুম ভাল হয়। ফলে মনও ভাল থাকে।
১১)রসুন-
বহু গবেষণা থেকেই প্রমাণিত রসুনের বেশ কিছু উপাদান উদ্বেগ এবং অবসাদ থেকে মনকে দূরে রাখে।

নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। তাই মানসিক রোগ যেন বাসা না বাঁধে সেদিকে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে।নিজেকে ভালবাসুন,মানসিক ভাবে ও শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকুন। দিন শেষে মন ভরে হাসুন এবং ইতিবাচক থাকুন।😊

🌸স্লিপ ইজ দা বেস্ট মেডিটেশন 🌸আমাদের মন ও শরীর ভালো রাখতে পরিমিত ঘুমের কোন বিকল্প নেই, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পুষ্টিকর খাবার...
18/10/2022

🌸স্লিপ ইজ দা বেস্ট মেডিটেশন 🌸

আমাদের মন ও শরীর ভালো রাখতে পরিমিত ঘুমের কোন বিকল্প নেই, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এর মতই পরিমিত নিদ্রা আবশ্যক। নিজেকে সুস্থ রাখতে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের সাত থেকে আট ঘন্টার পরিপূর্ণ ঘুম আবশ্যক।

কিন্তু সময়ের সাথে ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অফিস, বাসা কিংবা ব্যক্তিগত কাজের মাঝে নির্বিঘ্নে ঘুমের জন্য লম্বা সময় বের করা বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে।অথচ নিত্যদিনের জীবনে নিজেকে সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে পরিমিত বিশ্রাম ও ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চলুন জেনে আসি পরিমিত ঘুম কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আমাদের শরীর ও মনকে ভালো রাখতে :

🍀স্মৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ রাখে:
ঘুমের ঘাটতির ফলে মস্তিষ্কের উপরে খুব সহজেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যার ফলে স্মৃতিশক্তিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। নিয়ম মেনে যতটা ঘুমানো হবে, স্মৃতিশক্তি ততই ভালো থাকবে। কারণ ঘুমের মাঝে আমাদের মস্তিষ্ক সেই সকল ঘটনাগুলো নিয়ে কাজ করে, যা জেগে থাকার সময় আমরা করি, দেখি বা বলি। এমনকি কোন কিছু শেখা হলে সেটাও ঘুমের মাঝে ঝালাই হয় স্মৃতিতে। তাই ঘুম যতটা ভালো হবে, ততই স্মৃতিশক্তি ভালো থাকবে।

🍀কমায় মানসিক চাপের মাত্রা:
এখানে একটি বিষয় জানিয়ে রাখা প্রয়োজন। কম ঘুমের মতোই, প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুম মস্তিষ্কের উপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। এই বাড়তি চাপ রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। যা থেকে হৃদযন্ত্রের উপরেও চাপ পড়ে। তাই শুধু মস্তিষ্ক নয়, হৃদযন্ত্রকেও সুস্থ রাখতে চাইলে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের সাত-আট ঘণ্টার ঘুম প্রয়োজন।

🍀সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে:
পরিমিত মাত্রায় ঘুমের ফলে সৃজনশীলতার মাত্রা বৃদ্ধি পায় নিজ থেকেই। ঘুমের মাঝে মস্তিষ্ক বাইরের বাড়তি ঝামেলা ও কাজের বাইরে নিজের মতো করে কাজ করার সময় পায়। যা সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। এছাড়াও সাময়িক বিশ্রাম ঘুমের মতই সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

🍀প্রতিরোধ করে ওজন বৃদ্ধি:
ঘুমের তারতম্য ও কম ঘুমের ফলে গুরুত্বর প্রভাব পড়ে হরমোনের উপরে। কম ঘুম কর্টিসল তথা স্ট্রেস হরমোন তুলনামূলক বেশি নিঃসৃত করে। এই হরমোন ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী

নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। তাই মানসিক রোগ যেন বাসা না বাঁধে সেদিকে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে।নিজেকে ভালবাসুন,মানসিক ভাবে ও শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকুন। দিন শেষে মন ভরে হাসুন এবং ইতিবাচক থাকুন।😊

Address

Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801723369330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nobozatok posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nobozatok:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram