23/01/2026
IYCF কাউন্সেলর হিসেবে কাজ করা সহজ নয়।
সারাদিনের কাজের মাঝে কখনো শিশুদের প্রস্রাব–পায়খানা, কখনো টানা কান্না, কখনো মায়েদের রাগ আর হতাশা—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেক সময়ই অস্থির হয়ে ওঠে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা মায়েদের অনেক সন্তান থাকায় পরিস্থিতি প্রায়ই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চারপাশে এত শব্দ, চিৎকার আর কান্নার মাঝেই ধৈর্য ধরে সেবা আর কাউন্সেলিং চালিয়ে যেতে হয়।
অনেক সময় মাথা ব্যথায় অসহ্য লাগে, ক্লান্তি চেপে বসে।
তবু আমি চেষ্টা করি আমার জায়গাটা নিজের করে নিতে। ধৈর্য নিয়ে, হাসিমুখে, সম্মানের সাথে মায়েদের কথা শুনি এবং পাশে দাঁড়াই।
গতকালের এই ভিডিওটা সেই সময়ের—যখন আমি উইকলি রিপোর্ট শেষ করার টেনশনে ছিলাম, অথচ অনেক বেনিফিশিয়ারি সেবার অপেক্ষায়। পাশে বসে ছিল আমার ভলান্টিয়ার হামিমা, যে নিজেও রোহিঙ্গা কমিউনিটির একজন। তাকেও আমি সবসময় বলি—IYCF কর্নারে কাজ করতে হলে কখনোই শিশুদের ওপর বিরক্ত হওয়া যাবে না, যত ক্লান্তিই থাকুক।
এই কারণেই হয়তো রোহিঙ্গা মায়েরা আমাকে বিশ্বাস করে, ভালোবাসে, আমার কথা শোনে।
তাদের মুখে শুনি—
“আফারতুন বেশি মুশকিল অর আইজ্জা, অনে দুইজ্জা হাইয়ন নি, নইলে আঁরাততুন অনেরলাই হানা আনন পড়িত।”
এই ভালোবাসা আর বিশ্বাসই আমার সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। 🤍💝