15/11/2022
★হিজামা সংক্রান্ত কিছু হাদিস:
★“নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
[ মুসলিম: ২২০৫]
★"হযরত জিব্রাঈল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।”
[ আল-হাকিম, ৭৪৭০]
★ “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।”
[ সুনানে তিরমিযী: ২০৫৩]
★“খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে জ্ঞান ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।”
[সুনানে ইবনে মাজাহ, : ৩৪৮৭]
★ "রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত; হিজামা লাগানো, মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি"।
[বুখারী; ৫৬৮১]
★ "হিজামা গ্রহণকারী কতোই উত্তম লোক! সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে!"
[সুনানে তিরমিযী; ২০৫৩]
★ হযরত আনাস (রা:) থেকে বর্ণিত;
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে"।
[ সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীছ নম্বর : ৩৪৮৬]
★ হযরত আনাস (রা:)থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে।”
[আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর : ৭৪৮২]
★ আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁধের দু’ পার্শ্বে এবং কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে হিজামা লাগাতেন এবং তিনি ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামা লাগাতেন।
[শারহুস সুন্নাহ, হা/৩২৩৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩৪৬৪; মিশকাত, হা/৪৫৪৬]