Dr. Farhana Kobir

Dr. Farhana Kobir ধন্যবাদ পেইজ এ আসার জন্য ফলো দিয়ে পাশে থাকার অনুরোধ রইলো

মেয়েরা একবার হলেও পড়বে, লিখতে চাইনিশুধু কোন না কোন বোনের উপকারে আসবেতাই লিখলাম।আর যদি একজন বোনের ওউপকারে আসে তাহলে আমার ...
06/07/2024

মেয়েরা একবার হলেও পড়বে, লিখতে চাইনি
শুধু কোন না কোন বোনের উপকারে আসবে
তাই লিখলাম।আর যদি একজন বোনের ও
উপকারে আসে তাহলে আমার লিখাটা স্বার্থক
হবে।

গরীব ঘরের একটি সহজ সরল মেয়ে নাম
তার নেহা। বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান নেহা
অনেক কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে মেয়েটিকে
তারা পড়া শোনা করাচ্ছেন।মেয়েটা লেখাপড়ায় ও ফাস্ট, অনেক মেধাবী একটি
ছাত্রী। জি পি এ ফাইভ নিয়ে ঢাকায় একটি
ভাল কলেজে ভর্তি হয়েছে।এখানে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছে।
মেয়েটি অনেক স্বপ্ন দেখতো অনেক
লেখা পড়া করে ভাল একটা জব করবে।
বাবা মা কে নিয়ে একটু ভাল ভাবে বাঁচবে।
অনেক মন দিয়ে পড়াশোনা করে যাচ্ছে
মেয়েটা।

কয়েক মাস পর কলেজের একটা ছেলে
নেহা কে প্রপোজ করলো ছেলেটার নাম
ছিল রাজিব। ভিষন ভাল ছেলে তার পরও
নেহ প্রপোজ টা গ্রহন করেনি, সে রাজিবকে
বলল তোমাকে ফিরিয়ে দিচ্ছি না যদি অপেক্ষা
করতে পারো তাহলে অকে।রাজিব বলল আমি
তোমার জন্য সারা জীবন অপেক্ষা করবো।

এই ভাবে দিন গেল মাস গিয়ে বছর গেল
এখন নেহা ফাইনাল ইয়ার এ দুই মাস
পর তার ফাইনাল পরিক্ষা। নেহার এক
বান্ধবীর বিয়ে, নেহা কে অনেক
মিনতি করে যাওয়ার জন্য রাজি করেছে।

এখন নেহা ভাবছে বড় লোক বান্ধবীর
বিয়ে একটু ভাল করে পার্লারে সাজ গুজ করে
যেতে হবে। কিন্তু টাকা পাবে কই সে রাজিব
কে গিয়ে বললো আমাকে ১ হাজার টাকা
ধার দিতে পারবে মাস শেষে দিয়ে দেব।
রাজিব বলল আচ্ছা দিব, পরের দিন নেহা
চলে গেল একটি পার্লারে তার আরেকটা
বান্ধবী কে নিয়ে। জীবনের প্রথম গেছে
সে পার্লারে সাজতে।আর সেই পার্লারের
মেয়েটা ছিল একটা খারাপ মেয়ে, টাকা
ওয়ালার ছেলেদের সাথে মেয়েটির হাত
ছিল, সে সুন্দর সুন্দর মেয়েদের কে ফাদে
ফেলে ঐ পয়সা ওলাদের কাছে পাটিয়ে
দিত।

নেহা তার ফাদে পড়ে গেল, নেহা কে বলল
আপু আপনি উপরের রুমে চলে যান ওখানে
স্পেশাল সাজ দেওয়া হয় আর এখানে
সিট ও খালি নেই সে চলে গেল উপরের
রুমে। আর যেতেই রুমের ভিতর তিনটা
ছেলে ছিল দুজনে নেহার মুখে কাপর দিয়ে
বেধে নিল একজনে দরজা লাগিয়ে দিল
পরে মেয়েটি কে দুজন ধরে রাখলো এক জন
ধর্ষণ করল।ছিঃ এরা আবার নিজেকে পুরুষ
বলে, তিন জন মিলে বন্ধ রুমে একটি অসহায়
মেয়েকে রেপ করে এদের কে হিজড়া বললে
হিজড়া দের ও অপমান করা হবে।ওরা তো
পশুর চেয়েও জঘন্য। ভাবতে অবাক লাগে
ওরা ও কোন মায়ের গর্ভে জন্ম নিছে।
ধিক্কার জানাই এই রকম পুরুষ দের।

নেহার বান্ধবী পার্লারের মেয়েটা কে বলল
আমার বান্ধবী কই সে বলল তোমার
বান্ধবী অনকে আগেই চলে গেছে তার

পর সেও চলে গেল। ওরা নেহা কে দুইদিন

রেপ করে ছাড়ল। মেয়েটি তখন আদ মরা

কি করবে গিয়ে বান্ধবী কে সব বলল,

বান্ধবী নেহা কে নিয়ে থানায় মামলা

করলো। নেহা কে হাসপাতালে নেওয়া হল

সত্যি তাকে রেপ করা হয়েছে কি না তা

পরিক্ষা করার জন্য কিন্তু ডাক্তার টাকা

খেয়ে ভুল রিপোর্ট দিল আর পুলিশ ঘুষ

খেয়ে কোর্ট এ মিথ্যে সাক্ষী দিল ভাল

মেয়ে টা কে চরিত্রহীনা বানিয়ে দিল।

এই হল আমাদের দেশের আইন ব্যবস্থা।

যেখানেই শুধু বড় লোক রাই বিচার পায়

আর গরিবের কোন বিচারই নেই।

ভাবতে অবাক লাগে?

এখন এই অসহায় মেয়েটি সমাজে কি

ভাবে মুখ দেখাবে।পরের দিন ই মেয়েটির

ভিডিও টি ইন্টার নেটে ছেড়ে দিল।

গ্রামের মানুষরা দেখে মেয়েটির বাবা মাকে

অনেক অপমান করছে আর বলছে তোমরা

শহরে পড়ার নাম করে মেয়েটি কে দিয়ে

খারাপ কাজ করাচ্ছো ছিঃ ছিঃ । গ্রামের লোকের

অপমান সহ্য না করতে পেরে নেহার বাবা

মা দুজনেই বিষ খেয়ে সুইসাইড করলেন।

নেহা সেই কথা শুনে সেও গলায় দড়ি দিয়ে

সুইসাইড করল,আর নেহা মারা যাওয়ার

পর রাজিব টা ও পাগল হয়ে গেল।চারটা প্রান

আর একটা ভালবাসার ঘর অকালে ঝরে গেল..............

শেষকথাঃসব বোন দের অনুরোধ করে বলছি যে তোমরা অপরিচিত কোন পার্লারে একা কখনো যাবেনা।আর গেলে নিজের ভাই অথবা

বোন কে নিয়ে যাবে। কারন আপন তো

আপনই।কে জানে এই রকম ঘটনা কার জীবনে ঘটে যায়।আর আমার এই পোস্ট টা

লাইক না দিয়ে একটা শেয়ার দাও যাতে

সারা দেশের বোনেরা পড়তে পারে আর একটু

সচেতন হতে পারে।

ধন্যবাদ...

04/12/2023
শীতকালে ঠান্ডা থেকে বাঁচার উপায় উপযুক্ত শীতকালীন পোশাক পরুনঠান্ডার দিনে ঠান্ডা বাতাস এড়াতে কান,মাথা ইত্যাদি ঢাকা দিনএকট...
28/11/2023

শীতকালে ঠান্ডা থেকে বাঁচার উপায়
উপযুক্ত শীতকালীন পোশাক পরুন
ঠান্ডার দিনে ঠান্ডা বাতাস এড়াতে কান,মাথা ইত্যাদি ঢাকা দিন
একটি সুষম খাদ্য ও যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন সি খাওয়া দরকার, ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে যান
গরম জলে স্নান করে ভাল করে গা শুকিয়ে নিন
ঠান্ডা লাগলে গলায় খুশখুশে ভাব, নাক-চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথা ভার হয়ে থাকার মতো সব বিরক্তিকর উপসর্গ দেখা দেবেই। সাধারণ সর্দি-কাশিতে কমসে কম এক সপ্তাহ পুরো নাজেহাল অবস্থা হয়ে থাকে। ওষুধপত্রে তেমন একটা কাজ হয় না। কারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করার মতো কার্যকর ওষুধ খুব একটা নেই। ঠান্ডা কিংবা সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

১. কাশি ও সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে কমপক্ষে তিন ফুট দূরে থাকুন। কাশি কিংবা সর্দি থেকে জীবাণুগুলো বাতাসে ভর করে ছোটে। যদি তার একটি আপনার চোখে কিংবা নাকে এসে পড়ে, তাহলে কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি আক্রান্ত হবেন কাশি কিংবা সর্দিতে।

২. বারবার আপনার হাত দুটি ধুয়ে নিন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঠান্ডা ছড়ায় পরোক্ষ শারীরিক সংস্পর্শে। অর্থাৎ একজন অসুস্থ ব্যক্তির ঠান্ডার জীবাণু নাক থেকে হাতে স্থানান্তরিত হয়। সে যখন কোনো বস্তু স্পর্শ করে তখন হাত থেকে জীবাণু সেই বস্তুতে লেগে যায়। ঠান্ডার জীবাণু জড়বস্তুতে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।
৩. বদ্ধ জায়গায় সতর্ক থাকুন। অফিসঘরগুলোতে বায়ু সঞ্চালন দুর্বল থাকে বলে সেখান থেকে ঠান্ডার ভাইরাসগুলো মিলিয়ে যেতে পারে না। অল্প আর্দ্রতায় শ্লেষ্মাঝিল্লি শুকিয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবে সেখানে ভাইরাস এসে জুড়ে বসে। তাই অফিসঘরে কিংবা বদ্ধ স্থানে ঠান্ডার ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো লবণ-পানির নেসাল স্প্রে ব্যবহার করা।

৪. বেশি করে তরল পান করুন। আপনি যদি বেশি করে তরল পান করেন, তাহলে শরীর থেকে জীবাণু দূরীভূত হবে এবং শরীরে জীবাণু আক্রান্ত হওয়ার জন্য যে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল তাও পূরণ হবে। এ সময় দৈনিক কমপক্ষে আট গ্লাস পানি, ফলের রস কিংবা অন্যান্য ক্যাফেইনমুক্ত তরল খাওয়া উচিত।
৫. নাক ও চোখ বেশি বেশি ঘষবেন না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ প্রতি এক ঘণ্টায় তার নাখ ও চোখ অন্তত তিনবার স্পর্শ করে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি আপনার এ রকম করতেই হয়, তাহলে দয়া করে আঙুলের মাথা দিয়ে চোখ ও নাক ঘষবেন না।

৬. বিছানা ছেড়ে ব্যায়াম করুন। সপ্তাহে তিনবার মুক্ত বাতাসে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা ব্যায়াম যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো কিংবা নাচা আপনার শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগের সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করে।

৭. আপনার রান্নাঘরের সামগ্রী জীবাণুমুক্ত রাখুন। রান্নাঘরের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো স্পঞ্জ ও ডিশব্যাগ। এগুলো ভেজা থাকে বলে এখানে ঠান্ডার জীবাণু বংশ বৃদ্ধি করে। এই জীবাণুকে দূর করার উৎকৃষ্ট উপায় হলো সপ্তাহে দু-তিনবার ডিশওয়াশার দিয়ে এগুলো পরিষ্কার করা।

৮. ভিটামিন ই ও সি খান। এখন বিশ্বাস করা হয় যে, ভিটামিন ই দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু চর্বি ও তেলজাতীয় খাবারে এটা বেশি থাকে বলে যাঁরা স্বল্প চর্বিযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত, তাঁরা খাবার থেকে ভিটামিন ই খুব একটা বেশি পান না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন ১০০-২০০ আইইউ সমৃদ্ধ ভিটামিন ই ট্যাবলেট খান।
৯. অ্যালকোহল পরিহার করুন। অনেকেই ভাবতে পারেন, অ্যালকোহল পান করলে ঠান্ডার হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। তবে সত্যিকার অর্থে শারীরিক অন্য অসুবিধার সৃষ্টি করে। ফলে তা পরিহার করাই ভালো।

১০. কাশিকে প্রশমিত করুন। কাশি হলে সেটাকে প্রশমন করার চেষ্টা করুন। এর জন্য দুই ধরনের সিরাপ রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাশির ওষুধ খেতে পারেন।

১১. প্রতি রাতে চমৎকার ঘুম দিন। চমৎকার একটি ঘুম শরীরের রোগপ্রতিরোধ কোষগুলোর ক্ষমতা বাড়ায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে আট ঘণ্টা চমৎকার ঘুমে জীবাণু ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

১২. সঠিক ডি কনজেসট্যান্ট ব্যবহার করুন। নাক বুজে গেলে ডি কনজেসট্যান্ট ড্রপ ও স্প্রে মুখে খাবার ওষুধের চেয়ে দ্রুত আপনার উপসর্গমুক্ত করবে। মুখে খাবার ওষুধ অনেক সময় হৃৎস্পন্দনকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে উচ্চ রক্তচাপ কিংবা হৃদরোগের রোগীরা তা খেতে পারেন না। তবে পরপর তিনদিনের বেশি এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেকোনো ওষুধ ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

১৩. গলাব্যথার আরামদায়ক ব্যবস্থা খুঁজুন। এক কাপ পানিতে এক চা চামচ লবণ দিয়ে গড়গড়া করলে ভালো কাজ হয়, বলেছেন মিশিগান স্টেটের ডা. মারে। তবে চা ও মধু ভালো কাজ করে। মেডিকেটেড লজেন্সে থাকে মেনথল, যা গলার অনুভূতি নাশ করে। প্রকৃতপক্ষে গলাব্যথার কোনো উপকার করে না। তাই গলাব্যথার জন্য লবণ-পানির গড়গড়াই উৎকৃষ্ট।

১৪. প্রাকৃতিক প্রতিষেধক ব্যবহার করুন। তুলসি গাছের পাতা ট্যাবলেট কিংবা ক্যাপসুলের চেয়ে বেশি কার্যকর। প্রাকৃতিক এই প্রতিষেধককে ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন। যদি অ্যালার্জি না হয়,তাহলে তুলসির রস খান। ঠান্ডা আপনাকে ছেড়ে যাবে।
১৫. স্বল্প চর্বিযুক্ত মুরগির স্যুপ খান। যেকোনো গরম তরল উপসর্গ নিরসনে সাহায্য করে। তবে মুরগির স্যুপ ঠান্ডায় বিশেষভাবে স্বাচ্ছন্দ্যকর প্রতিক্রিয়া ফেলে বলেছেন ডিউক ইউনিভার্সিটির ভাং গ্রাডিসন। এই স্যুপে থাকে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ।

পোস্ট ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে শেয়ার দিবেন।
পরবর্তী পোস্ট পেতে পেইজ এ লাইক দিন

নেতার মত নেতা একজনই থাকে........দেশকে নিয়ে সে, যে স্বপ্ন আঁকে.......❤️
28/09/2023

নেতার মত নেতা একজনই থাকে........
দেশকে নিয়ে সে, যে স্বপ্ন আঁকে.......❤️

14/06/2023

মানুষ কতোটা বেকার হলে সব জন্মদিন উইশ এর স্ক্রিনশট তুলে স্টোরি তে দেয়!😂😕

ফুল বিক্রি করা মেয়েটা !সে জানে না,নিজেই একটা ফুল।
16/04/2023

ফুল বিক্রি করা মেয়েটা !সে জানে না,নিজেই একটা ফুল।

আজকে  আলোচনা করব পারিবারিক কলহে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সর্ম্পকে,কিভাবে হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাধ্যমে পারিবারিক ঝগড়া, স্বামীর ...
13/04/2023

আজকে আলোচনা করব পারিবারিক কলহে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সর্ম্পকে,

কিভাবে হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাধ্যমে পারিবারিক ঝগড়া, স্বামীর স্ত্রীর মধ্যে অমিল বা দাম্পত্য কলহ (স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া) ও অহেতুক মিথ্যা সন্দেহ দূর করা যায়।

ডাঃ টাইরেল একদা আমাকে বলেন যে যখন কোন স্বামী এসে অভিযােগ করেন তার স্ত্রী অত্যন্ত বদরাগী ও খিটখিটে এবং কিছুতেই সে আমাকে সহ্য করতে পারেনা তার সঙ্গে ঘরবাস করতে পারছিনা। একমাত্রা ক্যামােমিলা (Chamomilla) তাকে দিই এবং সে সংসারে শান্তি ফিরে পায়, আমি অনেক সময় ইহা দেখেছি।
~ ডাঃ এড়ওয়ার্

সবাইকে সন্দেহ করার প্রবনতা, নিজের বা অন্যের উপর আস্থার অভাব, হিংসুটে ভাব, অযথা অভিশাপ দেওয়া, মিথ্যা কসম খাওয়া, স্মরণশক্তি হ্রাস পায়, হাঁটার সময় মনে হয় কেউ তাকে অনুসরণ করছে, এখনই ভয়ঙ্কর কিছু একটা ঘটবে এমন ভয়, কেউ যেনো তাকে আদেশ করছে (অশরীরি / ভূত - প্রেত) এবং অন্যজন তাকে নিষেধ করছে ইত্যাদি লক্ষণে এনাকার্ডিয়াম (Anacardium orientale) যাদুর ন্যায় কাজ করে - এনাকার্ডিয়াম (Anacardium orientale)
পারিবারিক ঝগড়া করার ঝোক বন্ধ করতে থুজা ২০০ অব্যর্থ। প্রতি সপ্তাহে একমাত্রা করে দিতে হবে যদ্দিন না এই প্রবণতা দূর হয়।
~ডাঃ চ্যাটার্জি

দাম্পত্য কলহে স্বামী-স্ত্রীকে বা স্ত্রী-স্বামীকে অনর্থক সন্দেহ করে স্ত্রীকে তালাক বা তাড়িয়ে দেয় বা স্ত্রী রাগ করে বাপের বাড়ী চলে যায় বা ভীষণ ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয়। সংসারে আগুন ধরে। কেউ কারাে কথা মানে না, বিশ্বাসও করে না, সবাই নিজেকে নির্দোষ মনে করে ও অন্যের উপর দোষ চাপায়, নিজের দোষ থাকা স্বত্তেও - ল্যাকেসিস (Lachesis)

থুজা বা ল্যাকেসিসের মিথ্যা সন্দেহে যে কত বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে।

হিপারের (Hepar Sulph) ধ্বংসকারী রােগের করাল গ্রাসে যে কত জীবন অকালে ঝরছে বা ঘর দুয়ার পুড়েছে বা ভেঙ্গেছে।

এসিড নাইটিকের (Nitric Acid) জেদে আজও যে কত হাজার হাজার মামলা চালু থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার অপব্যয় হচ্ছে)

(ফুরিক এসিডের উৎকট যৌন বাসনার খপ্পরে পড়ে কত মেয়ে যে হাইজাক হয়েছে ও সতীত্ব হারিয়েছে

(হাইড্রোফেবিনাম সৃষ্ট ভয়ে যে কত পুরুষ কাপুরুষ বনেছে

অরামের নিরাশায় মগ্ন হয়ে প্রেমে বঞ্চিত হয়ে কত লােক যে আত্মহত্যা করছ।

থুজা (Thuja oc) ও নেট্রাম মিউওরের (Natrum Mur) প্রভাবে কতো সুখের সংসার দোযখে পরিনত হয়ছে।(প্রিয়তমা কে হারিয়ে,প্রেমে ব্যর্থ হয়ে,শোকতাপে)

বিউফো রানার (BUFO RANA) কারনে কতো যুবক যে সোনার জীবন শেষ করে দিয়েছে।

ফসফরাসের (Phosphorus) বিষের জন্য যে কতো সতীত্ব নষ্ট হয়ছে।

প্লাটিনা (Platina),এপিস (Apis Mel),ট্যারেন্টুলা (Tarantula) অতি কামুকতা কতো নারীকে যে স্বামী হারা করছে।

সিপিয়ার (Sepia) উদাসীনতার জন্য কতো আনন্দের সংসার নিরানন্দ মরুময় করছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Farhana Kobir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category