Cancer Care by Dr.Salam

Cancer Care by Dr.Salam Diagnosis, treatment, counselling
(1)

ক্যান্সার মানেই শেষ না-সঠিক চিকিৎসা মানেই নতুন জীবনের শুরু! এখন ক্যান্সার চিকিৎসা আরও উন্নত, আরও নির্ভুল, আরও কার্যকর। Cance Care and Tips রয়েছে আপনার পাশে - প্রিয়জনের জন্য সেরা চিকিৎসা নিশ্চিত করতে।

Try it
28/04/2026

Try it

“ডাক্তার সাহেব, প্রথমে শুধু কনুইতে ছোট একটা দাগ ছিল…হালকা খোসা উঠত, মাঝে মাঝে চুলকাত 😟ভাবছিলাম সাধারণ অ্যালার্জি—তাই গুর...
28/04/2026

“ডাক্তার সাহেব, প্রথমে শুধু কনুইতে ছোট একটা দাগ ছিল…হালকা খোসা উঠত, মাঝে মাঝে চুলকাত 😟
ভাবছিলাম সাধারণ অ্যালার্জি—তাই গুরুত্ব দিইনি।

এর মধ্যে দীর্ঘদিনের ধূমপানের অভ্যাস ছিল 🚬
প্রতিদিনের সিগারেট, অনিয়মিত জীবনযাপন আর মানসিক চাপ—সব মিলিয়ে ধীরে ধীরে দাগগুলো হাত, পা, পিঠ, মাথার ত্বক—এমনকি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ল… 😔

আজ আমার চেম্বারে আসা এই রোগীর গল্পটা অনেকেরই বাস্তবতা।

সোরিয়াসিস (Psoriasis) অনেক সময় ছোট একটি দাগ দিয়েই শুরু হয়।
ধূমপান 🚬, অতিরিক্ত মানসিক চাপ 😣, কিছু ওষুধ 💊, অ্যালকোহল 🍷, কিছু খাবার🥩,স্থূলতা ⚖️ ও অবহেলা—এসব কারণে রোগটি দ্রুত বাড়তে পারে।

অনেকে বুঝতেই পারেন না—
প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসই রোগকে আরও জটিল করে তুলছে।

সোরিয়াসিস শুধু ত্বকের সমস্যা নয়,
এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমের দীর্ঘমেয়াদি একটি অবস্থা 🩺

সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

অবহেলা নয়—সচেতনতাই প্রথম চিকিৎসা 🙏

#सोरायसिस fans ডাঃ মুরাদ হোসেন

Chicken Pox
28/04/2026

Chicken Pox

Oral Lychinoid Lesion
28/04/2026

Oral Lychinoid Lesion

ঘটনা ১: আমার ফ্রেন্ডলিস্টে একজন মহিলা ছিলেন যিনি প্রায়ই আমাকে মেসেজ করতেন। তাকে অবশ্য আমি চিনি না। কোন এক চিকিৎসা সংক্র...
28/04/2026

ঘটনা ১: আমার ফ্রেন্ডলিস্টে একজন মহিলা ছিলেন যিনি প্রায়ই আমাকে মেসেজ করতেন। তাকে অবশ্য আমি চিনি না। কোন এক চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে অন্য কোন পেইজে প্রথমে কথা হয়েছিল তারপর উনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলেন। আমি একসেপ্ট করে নিয়েছিলাম। এরপর থেকে উনি বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ আমার কাছ থেকে নেন। সেটা কোন সমস্যা না। সমস্যা হলো, উনি একদিন আমাকে পরপর দুটি টেক্সট করলেন। টেক্সট এসেছে আমি দেখেছি কিন্তু আমি ব্যস্ত থাকায় রিপ্লাই করিনি যদিও মেসেঞ্জারে একবার ঢুকে আমার হাজবেন্ডের টেক্সটের রিপ্লাই করেছিলাম। এবং আমি মনে করি এটা আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। আমার প্রায়োরিটি লিস্টে কে থাকবে সেটা আমিই নির্ধারণ করবো। আমি অনলাইন হয়েছি অথচ ওনার প্রশ্নের উত্তর দেইনি কিংবা মেসেজটা দেখিনি এটা উনার বিরাট গায়ে লেগেছে। উনি মেসেজ গুলো ডিলিট করে দিয়েছেন।

একটু পর দেখলাম উনি আমাকে টেক্সট করেছেন,
-প্রয়োজনের সময় যদি পরামর্শ না পাওয়া যায় তাহলে এমন বন্ধুর দরকার নেই।

আমি কথাটা গায়ে মাখলাম না শুধু ওনাকে আনফ্রেন্ড করে দিলাম। কোন উত্তর দিলাম না কারণ উনি আমার বন্ধু নন।

ওমা ভদ্রমহিলা(!!!) ইনবক্সে আমাকে যা তা বলা শুরু করলো! আমি কেন তাকে আনফ্রেন্ড করেছি? আমার সাহস হলো কি করে! মানুষকে কসাই ডাক্তাররা এভাবেই অবমূল্যায়ন করে?

আমি শুধু একটা রিপ্লাই দিলাম।
-ডাক্তারি আমার প্রফেশন। আমি দাতব্য চিকিৎসালয় খুলে বসিনি। বসলেও সেটা আপনার জন্য প্রযোজ্য না কারণ আপনি সেই কাতারে পড়েন না। এতদিন আপনাকে যে সমস্ত পরামর্শ দিয়েছি সেই জন্য আমার যেই ফি টা আসে সেটা দয়া করে আমাকে পাঠিয়ে দেবেন। চাইলে আপনাকে আমার বিকাশ নম্বর দিতে পারি।

একটু পর উনি আমাকে ব্লক করে দিলেন।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি অন্য কাউকে দেবেন না।

ঘটনা ২: বিয়ের পরপর এক বন্ধুর মা এলেন আমার বাসায়। সপ্তাহের দুই দিন আমরা হাজব্যান্ড ওয়াইফ দুজনেই আমার বাড়ি অর্থাৎ আমার বাবার বাড়িতে থাকি। আন্টির সাথে আমার সুসম্পর্ক বরাবরই ছিল স্কুল ফ্রেন্ডের মা বলে কথা। যাইহোক আমার হাজবেন্ডের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিলাম। আমার হাজব্যান্ড কিছুক্ষণ কথা বলে বাইরে গেল।

অমনি আন্টি বলে উঠলেন,
-আমি ভেবেছিলাম তুমি আর রাজিব সম্পর্কে আছো। উল্লেখ্য আমার বন্ধুটির নাম রাজিব।

হেসে মাথা নাড়ালাম।
- আপনি ভুল জানেন আন্টি আমরা শুধুই বন্ধু।

-কিন্তু আমার ছেলে তো অন্যভাবে দেখেছে সব সময়।

আমি এসব জানতাম না একটু বিরক্ত হলাম। তবু হাসি মুখে বললাম,
-এখন আর কি করার আছে? যার ভাগ্য যেখানে।

-এই ছেলের মধ্যে এমন কি দেখলে যে কয়েক দিনের পরিচয় বিয়ে করে ফেলতে হলো?

মেজাজ খারাপ হলো, উনাকে কি আমার কৈফিয়ত দিতে হবে!
-ভালো লেগেছে, বাবা-মা পছন্দ করেছে, আমার আপত্তি করার কিছু ছিল না। তাই পারিবারিকভাবে ছোট্ট পরিসরে বিয়ে করে ফেলেছি। কোন সমস্যা আন্টি?

-অবশ্যই সমস্যা, তুমি ডাক্তার তোমার হাজব্যান্ড তো ডাক্তার না। এই ছেলের সাথে তোমার যায়?

-আপনার ছেলের সাথে যায়?

মহিলা নিশ্চুপ চোখে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। দৃষ্টি বলে দিচ্ছে হ্যাঁ ওটাই সঠিক।

-না আন্টি যায় না কারণ আপনার ভাষ্যমতে আমার হাজব্যান্ড যেহেতু ডাক্তার নয় তাই তাকে বিয়ে করা আমার উচিত হয়নি, আপনার ছেলেটিও ডাক্তার না। আপনার ছেলে আমার সমবয়সী। তার চেয়ে আমার ইনকাম অনেক বেশি। কিছুদিন পরেই সে ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা শুরু করবে। অন্তত বাংলাদেশের ছেলেরা এই ব্যাপারে এখনো অতটা উদার হতে পারেনি। আমার হাজব্যান্ড এখনই যথেষ্ট এস্টাবলিস্ট এবং ম্যাচিউরড, তার এসব ভাবার সময় নেই।

মহিলা চায়ের কাপ আছড়ে রেখে উঠে চলে গেলেন। এরপর আর কোনদিন আমার সাথে তার দেখা হয়নি।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি কাউকেই দেবেন না। ভদ্র মহিলাকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি বিধায় নির্দ্বির্ধায় ওনাকে অনেক সম্মান করতাম এবং পছন্দ করতাম কিন্তু উনার মনে এটা ছিল তা জানতাম না। আর মনে মনে থাকলেও আমার বিয়ের পরে সেটা প্রকাশ করা ওনার কি উচিত হয়েছে?

ঘটনা ৩: কো*ভিডের সময় আমার খালুর চাকরি চলে গেল। খালা যদিও একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে তবুও দুটি সন্তান নিয়ে সে যথেষ্টই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। আমি প্রায় প্রতিমাসেই আমার সাধ্যমত সে যেন না বুঝে এমন ভাবে খালাতো দুই বোনের বাহানা দিয়ে কিছু টাকা দিতাম না। এমন কোন বড় এমাউন্ট না তবে আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের জন্য সেই টাকাটা নেহায়েত কম না। এভাবে প্রায় ৭/৮ মাস চলল।

এক মাসে আমি ব্যস্ত থাকায় টাকা দিতে দেরি হল কিন্তু ভুলে যাইনি। সে আমাকে ফোন করে হাই হ্যালো কেমন আছিস ভালো আছিস নাকি? কোন কিছুর ধার‌ না ধেরে বলল,
-কিরে এই মাসের টাকা কোথায়! বাসা ভাড়া দিতে হবে না? আমার বাড়িওয়ালা তাগাদা দিয়ে গেছে।

আমি আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম,
- তুমি কি আমার কাছে কোন টাকা পাও?

কিছুক্ষণ নীরবতার পর সে বললো,
- যেটা কন্টিনিউ করতে পারবি না সেটা শুরু করার দরকার কি? টাকাটা পাঠিয়ে দে, বাড়িওয়ালা বিকেলের মধ্যে দিতে বলেছে ।

আমি টাকা দেইনি, এরপর আর এক টাকাও দেইনি। চোখের সামনে কষ্ট করতে দেখেছি, নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা দেখেছি কিন্তু এক পয়সাও দেইনি। যে উপহার কে অধিকার ভেবে নেয় এবং সেটা না পেলে খারাপ ব্যবহার করে তাকে সম্মান দেয়ার কোন প্রয়োজন আমি অন্তত বোধ করি না। হ্যাঁ ঈদে আমার বোনদেরকে গিফট দিয়েছি কিন্তু এরপর থেকে আর একটি পয়সাও দেইনি।

তাই বলছি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্মান এবং প্রায়োরিটি কাউকেই দেবেন না।

ঘটনা ৪: আমার স্কুল ফ্রেন্ড আসিফ নতুন বিয়ে করেছে। ডাক্তারি পাস করার পর পরই যেহেতু আমাদের বাড়ির কাছাকাছি তাই প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আন্টি আঙ্কেল আমাকে ডাকত। এই প্রেসার মেপে দেওয়া, সুগার দেখে দেওয়া, এছাড়াও বিভিন্ন ইমারজেন্সিতে। আমি সব সময়ই তাদের খোঁজখবর রেখেছি এবং কখনোই না করিনি। তো বন্ধুর বিয়ের পর দায়িত্ব আরো বাড়লো। এক সময় বন্ধুর বউ প্রেগন্যান্ট হলো। প্রথম চেকআপটা আমি হাসিমুখে বাড়িতেই করে এলাম। এখানে বলাই বাহুল্য আমি কিন্তু তাদের কাছ থেকে একটা পয়সাও নেই না আর আমার দিক থেকে এটাই স্বাভাবিক। যাই হোক, কিছুদিন আগে যখন আমার ছোট ফুপু মা*রা গেল, এত রাতে গাড়ি পাওয়া ছিল মুশকিল। আমার বন্ধুটির রেন্ট এ কারের বিজন্যাস। অতি দ্রুত তাকে ফোন করে একটা গাড়ির ব্যবস্থা করতে রিকোয়েস্ট করলাম। সে হাই তুলে বলল,
-এগুলোর বুকিং আগেই দিতে হয় রে।
-আশ্চর্য মৃ*ত্যু কি বুকিং দিয়ে আসে, আমি অবাক!
-না তা না, আচ্ছা ঠিক আছে আমি ব্যবস্থা করছি।

আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম কিন্তু পরবর্তীতেই আমি একটু ধাক্কা খেলাম।
-শোন, নরমালি তো আমরা ৫০০০ টাকা নেই যেহেতু এত রাতে এত ইমার্জেন্সিভাবে বলছিস তাই তুই আট হাজার টাকা দিস আমি ম্যানেজ করে দিচ্ছি। বলে ও ফোনটা রেখে দিল।

আমি টাকা দিয়েছিলাম এবং ওই গাড়ি দিয়েই গিয়েছিলাম।

পরের চেকআপে আমি যখন ওর বাড়ি গেলাম না এবং ওর ফোন ধরলাম না তখন ভাবিকে নিয়ে ও সরাসরি আমার চেম্বারে চলে এল। আমি চেকআপ করলাম এবং ওষুধ দিলাম। ওরা যখন উঠে যাচ্ছিল ঠিক তখন বললাম,
-আমার ভিজিট ১০০০ টাকা, তুই বন্ধু মানুষ তাই ২০০ টাকা কম দে, সমস্যা নেই। তবে এরকম হুটহাট চলে আসলে কিন্তু হবে না। আমার চেম্বার ব্যস্ত থাকে, অবশ্যই এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এর পরের বার থেকে আসবি।

সে হতভম্ব হয়ে টাকা বের করে দিয়েছিল।

সব মানুষ আপনার সদিচ্ছা বহন করতে পারে না। কেউ কেউ ভালোবাসাকে দুর্বলতা ভাবে, সাহায্যকে অধিকার মনে করে, আর নীরবতাকে অপরাধ ধরে নেয়, সম্মানকে বিনয়কে প্রাপ্য মনে করে। তাই জীবনে সবচেয়ে জরুরি যেটা শিখতে হয়, তা হলো কোথায় থামতে হবে। সম্মান দিন, সাহায্য করুন, পাশে দাঁড়ান কিন্তু নিজের আত্মসম্মানের দামে নয়। কারণ যে মানুষ উদার মনে পরামর্শ দেয়াকে অধিকার মনে করে, যে মানুষ সম্মানকে প্রাপ্য মনে করে, যে মানুষ উপহারকে দাবি বানায়, তারা কখনোই কৃতজ্ঞ হতে শেখে না। আর নিজের সীমা রক্ষা করা কখনো স্বার্থপরতা নয়। এটা আত্মরক্ষার সবচেয়ে পরিণত ভাষা।

#সীমারেখা
লেখা - সুবর্না শারমিন নিশী

গিলতে কষ্ট? অবহেলা নয়, পরীক্ষা করুনখাদ্যনালীর ক্যান্সার অনেক সময় চুপচাপ বাড়তে থাকে। শুরুতে তেমন কোনো সমস্যা বোঝা যায়...
28/04/2026

গিলতে কষ্ট? অবহেলা নয়, পরীক্ষা করুন

খাদ্যনালীর ক্যান্সার অনেক সময় চুপচাপ বাড়তে থাকে। শুরুতে তেমন কোনো সমস্যা বোঝা যায় না, পরে ধীরে ধীরে লক্ষণ দেখা দেয়—যেমন গিলতে কষ্ট হওয়া, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, বা গলায় অস্বস্তি লেগে থাকা।

কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল—এর অনেকটাই আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তামাক ব্যবহার, অ্যালকোহল, আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস—এইগুলোই প্রধান ঝুঁকির কারণ, এবং এর বেশিরভাগই এড়ানো সম্ভব। তাই একটু সচেতন হোন—তামাককে না বলুন, অ্যালকোহল সীমিত করুন, আর প্রতিদিনের খাবারে বেশি করে ফল ও শাকসবজি রাখুন।

সবচেয়ে জরুরি—নিজের শরীরের কথা শুনুন। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন লাগলে অবহেলা করবেন না। যত তাড়াতাড়ি খেয়াল করবেন, তত বেশি বাঁচার সম্ভাবনা বাড়বে। নিজের স্বাভাবিক অবস্থাটা চিনুন, সেটার উপর ভরসা রাখুন, আর প্রয়োজনে দেরি না করে পরীক্ষা করান।
Dr Rajib

প্যারোটিড টিউমার ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যথা শুরু হয়
28/04/2026

প্যারোটিড টিউমার
ছড়িয়ে পড়ার পর
ব্যথা শুরু হয়

5 SIGNS OF OVULATIONOvulation is the most fertile period in a woman’s cycle.For those wanting a child, this is the only ...
28/04/2026

5 SIGNS OF OVULATION

Ovulation is the most fertile period in a woman’s cycle.

For those wanting a child, this is the only window available to get one.

For others that don’t, it’s equally important to be aware of this period.

What signs show you’re ovulating?
How do you calculate it?

Let’s find out 👇
READ AND SHARE

1.Increase cervical mucus
2.increase Body Temperature
3.Increase Sexual Desire
4.ovulation Pain
5.Breast Tenderness

হেড-নেক ক্যান্সার মুখ, জিহ্বা, গলা, নাক, সাইনাস বা স্বরযন্ত্রে হতে পারে। লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—মুখে ঘা ভালো না হওয়া, গিলতে...
28/04/2026

হেড-নেক ক্যান্সার মুখ, জিহ্বা, গলা, নাক, সাইনাস বা স্বরযন্ত্রে হতে পারে। লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—মুখে ঘা ভালো না হওয়া, গিলতে কষ্ট, গলায় গাঁট, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, দীর্ঘদিন ব্যথা, কানে ব্যথা বা ওজন কমে যাওয়া। ধূমপান, জর্দা, অ্যালকোহল ও HPV বড় ঝুঁকির কারণ।

চিকিৎসা নির্ভর করে স্টেজ ও অবস্থানের উপর—সার্জারি, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি, targeted therapy বা immunotherapy দেওয়া হতে পারে। আগে ধরা পড়লে চিকিৎসার সফলতা বেশি।

#হেড_নেক_ক্যান্সার

মেরুদণ্ডের ভিতর অনেকটা এরকমই ঘটে।ডিস্ক যেভাবে নার্ভে চাপ দেয়।
28/04/2026

মেরুদণ্ডের ভিতর অনেকটা এরকমই ঘটে।
ডিস্ক যেভাবে নার্ভে চাপ দেয়।

 #কন্ঠশিল্পীর_ক্যান্সার_জয়ের_১৯_বছরঃ২০০৭ সালে যখন তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন সেই খবরটি সারা দেশের সংগীতপ্রেমীদের স...
27/04/2026

#কন্ঠশিল্পীর_ক্যান্সার_জয়ের_১৯_বছরঃ

২০০৭ সালে যখন তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন সেই খবরটি সারা দেশের সংগীতপ্রেমীদের স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
​তার এই লড়াইয়ের প্রধান ধাপগুলো ছিল নিম্নরূপঃ

​১. রোগ শনাক্তকরণ ও কঠিন সময়
​২০০৭ সালে সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে লিম্ফোমা ক্যান্সার শনাক্ত হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তার অগণিত ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। সেই সময়টি তার জীবনের অন্যতম কঠিন একটি অধ্যায় ছিল।

​২. শনাক্ত হবার পরই তিনি যথাযথভাবে চিকিৎসা গ্রহন করেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাকে অসংখ্য কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি নিতে হয়েছিল, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল।

​৩. মনের জোর ও পরিবারের ভূমিকা
​সাবিনা ইয়াসমিন সবসময়ই একজন দৃঢ়চেতা মানুষ। চিকিৎসার সময় তিনি ভেঙে না পড়ে বরং সাহসের সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন। তার পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে মেয়ে বাঁধন এবং সংগীত জগতের সহকর্মীরা তাকে প্রতিনিয়ত সাহস জুগিয়েছেন। দেশের মানুষের দোয়াও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করেছিল।

​৪. সুস্থতা ও সংগীতে প্রত্যাবর্তন
​দীর্ঘ লড়াই শেষে ২০০৮ সালের দিকে তিনি ক্যান্সারমুক্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি আবার মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ান এবং গান গাওয়া শুরু করেন। তার ফিরে আসাটা ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

​কেন তার গল্পটি গুরুত্বপূর্ণ?

১।​সচেতনতা: তিনি প্রমাণ করেছেন ক্যান্সার মানেই অবধারিত মৃত্যু নয়।
২।​সাহস: মরণব্যাধির সাথে লড়াই করার জন্য মানসিক শক্তি যে কতটা জরুরি, তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন।
৩।​অনুপ্রেরণা: বর্তমানে তিনি ক্যান্সার সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন এবং রোগীদের সাহস দেন।
​সব বাধা পেরিয়ে আজও তিনি তার সুমধুর কণ্ঠ দিয়ে বাংলা গানের জগতকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন। তার এই জয় আমাদের শেখায় যে, ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক চিকিৎসা থাকলে যেকোনো অন্ধকার কাটিয়ে আলোতে ফেরা সম্ভব।

#সাবিনা_ইয়াসমিনের ক্যান্সার জয়ের গল্পটি কেবল একজন শিল্পীর সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নয়, বরং এটি হাজারো মানুষের জন্য এক অদম্য সাহসের প্রতীক।

আলহামদুলিল্লাহ।

জনসচেতনতায়
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান

27/04/2026

Core Biopsy Lung
Avoid FNAC if you Suspect Cancer

Address

Rafa Medical Services, 46 Mohakhali, Bottala, Near TB Gate, Behind Insurance Academy
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801715090807

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cancer Care by Dr.Salam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Cancer Home BD

Cancer Home is the pioneer private specialist center in Bangladesh. We focus equally on two core activities: cancer treatment and clinical awareness.

Our aim is to provide high quality medical care with a personal touch. Cancer Home presents a warm, personal and caring environment as delivered by friendly staff and dedicated professionals. We understand the needs of our patients, and their family members such that the patient care experience is the result of many individuals working together to ensure the best possible care management.

Our clinics are the famous largest cancer treatment center in Bangladesh. Almost all variants of the disease are treated here. As there are no other forms of people getting to know about our cancer treatment successes, we have found that almost all cancer patients visiting us are doing so because they are personally aware of another patient suffering from cancer or similar life threatening disease.