Electro-Medical Engineering

Electro-Medical Engineering Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Electro-Medical Engineering, Dhanmodi 32, Dhaka.

07/04/2024

দুই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হলো ৯ সরকারি কলেজ। আমরা যদি সভ্য হতাম তাহলে কি করতাম? তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকার বড় বড় ৭টি সরকারি কলেজকে যুক্ত করার ফলে এই ৭ কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার কতটা উন্নতি হয়েছে তার একটা বিশদ গবেষনা করে দেখতাম। এমন কোন গবেষণা কি হয়েছে যে এতে ৭ কলেজের কতটা উন্নতি হয়েছে। কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার কি আদৌ কোন উন্নতি কিংবা অবনতি হয়েছে কিনা। আমাদের হুটহাট করে কোন কিছু করার অভ্যাস এখনো গেল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৭টি কলেজ নেওয়ার সিদ্ধান্তের আগে অনেক আলোচনা এবং অনেক পর্যালোচনার দরকার ছিল। সভ্য দেশ এমনই করে। কিন্তু আমাদের উঁচু মহলে কেউ একটা স্বপ্ন দেখলে হীরক রাজার দেশের মত করে বাস্তবায়নে লেগে পরে। আমাদের আগে অনার্স ৩ বছরের আর মাস্টার্স এক বছরের ছিল। হঠাৎ ক্ষমতাবান কেউ একজন বলল এখন থেকে ৪ বছরের অনার্স করতে হবে। ব্যস। হয়ে গেল। এতে যে শিক্ষার্থীরা ১ বছর বেশি পড়বে তার জন্য আমাদের যথেষ্ট শিক্ষক আছে কিনা, যথেষ্ট আবাসিক ব্যবস্থা আছে কিনা কেউ কিছু ভাবলো না। গণরুমের জন্ম ঠিক তখন থেকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই তার ঘানি টানতে পারছিল না অথচ তার উপর চাপিয়ে দিল তার চেয়ে ৩ কিংবা ৪ গুন ভার। আমি আমার বিভাগের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি আমার শিক্ষকরা কি পরিমান ব্যস্ত থাকে ৭ কলেজ নিয়ে। এই ব্যস্ততার কিছুটা কেরানির মত কাজ যেমন মিটিং করা, কে বা কারা প্রশ্ন করবে সিদ্ধান্ত নেওয়া আর বাকিটা প্রশ্ন করা, খাতা দেখা, প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার ডিউটি করতে যাওয়া। কাউকে এক দিন কোন একটি কলেজে যাওয়া মানে ঐদিন সেই শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ক্লাস বা অন্য কোন দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। এতে নিজ বিভাগের ছাত্ররাও ওই শিক্ষকের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হয়।

উন্নত বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে কি করা হয়? তারা সর্বদা দেখে শিক্ষকদের মেধাকে কিভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়। যেই কাজ একজন গ্রাজুয়েট দিয়ে করানো যায় সেটি একজন গ্রাজুয়েটকে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বানিয়ে তাকে দিয়ে করানো হয়। এতে ওই গ্রাজুয়েট ল্যাবে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে আবার আর্থিক সুবিধাও পায়। আর এই কাজে একজন অধ্যাপক যেই সময়টা দিতেন সেটা গবেষণা বা শ্রেণী কক্ষে পড়ানোতে দিতে পারে তাতে বিশ্ববিদ্যালয় তথা ছাত্ররা উপকৃত হয়। ভালো ভালো অধ্যাপকদের সময় বাঁচানোর জন্য পার্ট-টাইম শিক্ষক এবং adjunct শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হয়। আর আমরা কি করছি নিজের বিভাগের বাহিরে অন্য কলেজে যাওয়া আসায় সময় অপচয় করাচ্ছি, পরীক্ষার ডিউটিতে অপচয় করতে বাধ্য করছি। What a waste of resource!

এমনিতেই আমাদের যথেষ্ট শিক্ষক নেই। সেই শিক্ষকদের যদি দৌড়ের উপর রাখি তাহলে শিক্ষকদের চিন্তার জাবর কাটার সময় কোথায়? গবেষণাতো এমন জিনিস না যে বলবেন এখন এই ঘন্টা সময় দিলাম চিন্তা করে একটা আইডিয়া বের করেন তারপর সেটার উপর কাজ করে জলদি কিছু গবেষণা করে আর্টিকেল প্রকাশ করুন। না। তা সম্ভব না। শিক্ষকদের প্রচুর ফ্রি সময় থাকতে হবে। সৃষ্টিশীল মানুষদের জাবর কাটার সময় না দিলে সৃষ্টিশীল কাজ হবে না। ফিজিক্যাল কাজ চাপিয়ে দিয়ে করানো গেলেও সৃষ্টিশীল কাজের জন্য প্রচুর ফ্রি টাইম দরকার ঠিক যেমন ব্রেইনের প্রচুর ফ্রি এবস্ট্রাক্ট স্পেস লাগে। আমরা ব্রেইনের নিউরণের যতটুকু সর্বোচ ব্যবহার করি আমাদের ঠিক ততগুলোই নিউরন থাকলে এখন আমাদের ব্রেইন যতটা কাজ করে তার মিলিয়ন ভাগের ১ ভাগও করতে পারতো না। ব্রেইনের জন্য প্রচুর ফ্রি স্পেস লাগে আর সৃষ্টিশীল মানুষের জন্য প্রচুর ফ্রি সময় লাগে।

আমাদের নীতিনির্ধারকরা এটাই বুঝে না। অনেক সময় বলে ও সারা দিনে মাত্র একটা ক্লাস? ৮ জন ছাত্রকে যে সুপারভাইস করছি ওইটা দেখেন না? রাতদিন ওদের সাথে ফোন, জুম্ ও মেসেঞ্জারে আলোচনা করছি ঐটা দেখেন না, রাতদিন বসে আর্টিকেল লিখছি ওইটা দেখেন না? ফ্রি টাইম দেখেই মাথায় পাগ উঠে আর সেই সময়টাকে যেন কাজে লাগাই তার জন্যই এই ব্যবস্থা তাই না? তাতেও যদি দেশের এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর লাভ হতো আপত্তি থাকতো না। ওই ৭ টা কলেজকে একটু উন্নত করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতটা ক্ষতি করলেন সেটাতো দেখছেন না। এমনিতেই শিক্ষকদের বেতন কম হওয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্টটাইম পড়ায়। তার উপর ৭ কলেজ। তাহলে এইটাকে রেঙ্কিং-এ উপরে তুলবেন কিভাবে? একটা ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমপ্যাক্ট আর ৭টা মোটামোটি ভালো কলেজ ও ১টি তথৈবচ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক না। সত্যিকারের ভালো মানের একটি প্রতিষ্ঠানের ইমপ্যাক্ট বলে শেষ করা যাবে না। ধরুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যদি সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের মত হতো এই একটিই যথেষ্ট ছিল বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। বাঁচার জন্য কেউ ডুবন্ত তরীতে উঠলে সেই তরী নিজেও ডুবে অন্যকেও ডুবায়।

Hassan Mamun

03/04/2024

ভারতে বর্তমানে ২৩টি আইআইটি আছে যেগুলো ভারতের উচ্চ শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের বুয়েটকে কিছুটা আইআইটির সাথে তুলনা করা যায়। আইআইটিগুলো থেকে পাশ করে পৃথিবীর নানা দেশের বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে যেমন Sundar Pichai যাকে সবাই চিনে, আছে Atish Dabholkar যিনি প্রফেসর আব্দুস সালামের হাতে তৈরী ICTP ইতালির ডিরেক্টর এইরকম আরো অসংখ্য আছে। এদের অনেকেই আমেরিকা বা ইউরোপের বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করে একেকজন ভারতের অ্যাম্বাসেডরের মত ভারতের ইমেজ বিশ্বে উন্নত করছে। আমাদের বুয়েটও কম করছে না। বুয়েট থেকে পাশ করে যারা আমেরিকায় পিএইচডি করতে গিয়েছিল তাদের অনেকেই আমেরিকার বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় যেমন ক্যালটেক, ভার্জিনিয়া টেক, টেক্সাস টেকসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানের খ্যাতিমান প্রফেসর হয়েছে। ভার্জিনিয়া টেকের প্রফেসর বাংলাদেশের অধ্যাপক সাইফুর রহমান IEEE-র প্রেসিডেন্ট ছিলেন গত টার্মে। বুয়েট এলামনাই অনেকেই IEEE-র ফেলো। বুয়েট গ্রাজুয়েট Sayeef Salahuddin এখন UC Berkeley বিখ্যাত অধ্যাপক। প্রফেসর ফজলে হোসেন বিশ্বে ফ্লুইড ডাইনামিক্স এর সেরা ৫ জনের একজন। এই বুয়েট থেকেই ফজলুর রহমান খান আমেরিকায় লেখাপড়া করতে গিয়ে স্থাপত্যের আইনস্টাইন হয়েছিলেন। এইরকম অসংখ্য নাম বলা যাবে। এখন আমরা কি চাই? এত ভালো ভালো না ভেবে তাকে থামিয়ে দিতে হবে?

বলা হচ্ছে বুয়েটে জঙ্গি ও ধর্মীয় উগ্রবাদী মানুষ তৈরী হচ্ছে। সাথে এইটাও বইলেন বুয়েট ওয়ার্ল্ড ক্লাস স্কলারও তৈরী করছে। গতকাল জানলাম ওদের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ২০১৯ অক্টোবর থেকে বুয়েটের শিক্ষক হতে শুরু করে এবং ২০ জন শিক্ষক হয়। সেই ২০ জনের মধ্যে ৪ জন এখন এমআইটিতে পিএইচডি করতে যাচ্ছে, ১ জন UC বার্কলি, ২ জন যাচ্ছে ক্যালটেকে। বাংলাদেশের আর কোন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বলেনতো যে সেখান থেকে সর্বমোট এত জন ছাত্র এত ভালো ভালো জায়গায় লেখাপড়া করতে গেছে? বুয়েট ব্যতীত বাংলাদেশের প্রায় অন্যসব উচ্চশিক্ষার পাবলিক প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি আছে। ছাত্র রাজনীতি কি সেইসব জায়গায় জঙ্গি ও ধর্মীয় উগ্রবাদী মানুষ তৈরী আটকাতে পেরেছে? ছাত্রলীগ ছাত্রদল কিভাবে এইসব থামাবে? তারা কি আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করে? এদের দল যখন ক্ষমতায় থাকে এই সংগঠনগুলোর একেকজন ছাত্রনেতা একেকজন মনস্টার হয়ে উঠে। গেস্ট রুম টর্চার, জোর করে মিছিলে নেওয়া, ফাও খাওয়া ইত্যাদির কোন অপকর্ম কম করে? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইসব জারি রাখার লাইসেন্স দেওয়ার নামই ছাত্র রাজনীতি। জঙ্গি ও ধর্মীয় উগ্রবাদী মানুষ তৈরী থামাতে হলে দরকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রসার। আমাদের ক্ষমতাকেন্দ্রিক হাতের রাজনীতি যারা করে তারা কি এইসবে তোয়াক্কা করে?

ভারতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স বা IISc আছে যাকে বলা যায় ভারতের হার্ভার্ড বা অক্সফোর্ড অথবা কেমব্রিজ তার ওয়ার্ল্ড রেঙ্কিং হলো ২০০ থেকে ২৫০ এর মধ্যে। এটিই ভারতের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর কোন কোন বিভাগ যেমন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ হার্ভার্ড বা ক্যামব্রিজের চেয়েও ভালো। ২৩টি আইআইটি কিংবা IISc-তে ছাত্র রাজনীতি আছে? ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোতো বলে না এইটা সংবিধান পরিপন্থী। তাদের কেউ কোর্টেও যাচ্ছে না। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো এবং জনগণ মিলে আগলে রেখেছে। সেখানে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক বা আদর্শভিত্তিক কোন প্রকার রাজনীতি নেই। কেউ সেইসব প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি খোলার জন্য চাপও দিচ্ছে না। আবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় যাদবপুর ইউনিভার্সিটি আছে। সেটি আমাদের বুয়েটের মত একটি ইঞ্জিনীরিং ইউনিভার্সিটি। সেখানে রাজনীতি আছে বলে আইআইটিগুলোর ধারে কাছে নাই। বরং রাজনীতি আছে বলে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের মতোই।

আমাদের ক্ষমতাসীন দল কেন ছাত্র রাজনীতি চায়? তারা ছাত্রদের দিয়ে কেমন রাজনীতি করায়? এইগুলো বুঝতে হবে। এরা রাজনীতি চায় কারণ কোন প্রকার অর্থ ব্যয় না করে বিনা পুঁজিতে লক্ষ লক্ষ কর্মী পায় যারা তাদের গদি ঠিক রাখতে জীবন দিবে। কতটা স্বার্থপর আমাদের রাজনীতিবিদরা কল্পনা করা যায়? কেবল এদের নিজের হীন স্বার্থে ছাত্র রাজনীতির প্রসার চায়। একই কারণে এরা জেলায় জেলায় পারলে থানায় থানায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে চায়। যত বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ততবেশি ছাত্র তাদের দল করবে। অন্যদের রাজনীতি থামিয়ে দিবে। মারামারি আর দখদারিত্ব করে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কেউ সরকারের বিরুদ্ধে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে মেরেমুরে থামিয়ে দিবে। এমন স্বার্থপর রাজনৈতিক দল পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে আছে?

গতবছর সরকার বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ কমিয়ে জিডিপির মাত্র আবার বলি মাত্র ১.৭৬% বরাদ্দ দিয়েছিল। আমি তারপরদিন সংবাদপত্রে পড়েছি যে ওই বাজেট দেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ আনন্দ মিছিল করেছে। এইটা কি কল্পনা করা যায়? আমরা দেখি এবং জানি আমাদের ছাত্ররা আবাসিক হলগুলোতে কত অমানবিকভাবে থাকে। কোথায় ছাত্রনেতাদের আন্দোলন করা উচিত জিডিপির অন্তত ৫.৫% শিক্ষায় বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে। আর এরা বরাদ্দ কমানোর পরেও আনন্দ মিছিল করে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা লেখাপড়ার জন্য একটা টেবিল পায় না, একটা ঘুমানোর বিছানা পায় না, পুষ্টিকর খাবার পায় না এইসব নিয়ে কোন দাবি নেই। তাহলে কিসের ছাত্র রাজনীতি?

একটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ছাত্র রাজনীতি চাচ্ছে না। গতকালকের একটি ওপেন অনলাইন পোল দেখলাম সেখানে ৪০৪২ ভোটের মধ্যে ৯৯%ই ছাত্র রাজনীতি চায় না। বুয়েটে যদি তাদের সকল ছাত্রের মতামত নেওয়া হয় আমি নিশ্চিত সেখানকার কম করে হলেও ৯০% এর বেশি ছাত্রছাত্রী বলবে তারা ছাত্র রাজনীতি চায় না। আমি বর্তমান বুয়েটের অনেক ছাত্র শিক্ষকের সাথে কথা বলেছি। তাদের সবাই বলেছে গত কয়েকটা বছর দারুন কেটেছে। কোন সন্ত্রাস নাই, কোন প্রকার ঝামেলা নাই সব কিছু অসাধারণ সুন্দর পরিবেশে চলছে। আমরা কি অন্ধ? আমরা কি খারাপ যে নিজের স্বার্থের কারণে সমষ্টির ভালো হতে দিব না? বুয়েট আমাদের আইআইটি। বরং আমাদের অন্যান্য যেই সাইন্স & টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কুয়েট, রুয়েট, চুয়েটকেও কিভাবে প্রথমে বুয়েট পরে আইআইটির মত করা যায় সেইদিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

গতকাল দেখলাম ক্ষমতাসীন দলের বড় বড় নেতা থেকে শুরু করে অনেকেই বুয়েটকে গালমন্দ করছেন। বলছেন এরা বিদেশে চলে যায়, দেশের সার্ভিস দেয় না। দেশকে কি সেইভাবে গড়ে তুলেছেন? আমাদের মেধাবীরা উচ্চ শিক্ষা শেষে যদি ফিরে আসে তাদের চাকুরীর ব্যবস্থা করতে পারবেন? ভারততো বলে না সুন্দর পিছাই কেন আমেরিকায় চলে গেল? অতীশ ধাবলকর কেন বিদেশে চলে গেল? বিদেশে গিয়ে এরা আরও বড় আকারে দেশকে সার্ভ করছে। ইন্টেলের বড় পদে কয়েকজন বাংলাদেশী হওয়ায় এখন ইন্টেলে অনেক বাংলাদেশী চাকুরী পাচ্ছে। পৃথিবীর যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে প্রচুর চাইনিজ পাওয়া যায়। কারণ চাইনিজরা বড় পদে গেলে চাইনিজ নিয়োগ দেয়। বেশি বেশি রেমিটেন্স আসে। দেশের সুনাম বাড়ে। দেশের সুনাম একটি বিশাল জিনিস। এইটা কেবল একটি দেশের স্কলাররাই বাড়াতে পারে। তাই এখনো সময় আছে। বুয়েটকে বাঁচান। ছাত্র বা শিক্ষক রাজনীতি আমাদের কোন সমস্যার সমাধান না। বরং এই দুই রাজনীতি আমাদের শিক্ষাকে ধ্বংস করেছে, অনেকের মৃত্যুর কারণ হয়েছে, অনেককে টর্চারের কারণ হয়েছে। এইসবের মাধ্যমে আমরা কত মেধাবীর মেধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছি কে জানে? তাই থামান প্লিজ। আপনারা যাকে ছাত্র রাজনীতি বলছেন সেটা আসলে ছাত্র রাজনীতি না। বুইড়াদের পিছে থেকে তোষামোদি শেখা। এতে বরং ছাত্রদের মেরুদন্ড ভেঙে যাচ্ছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভুলে যাচ্ছে।

Hasan Mamun

29/04/2021
08/09/2020

📍Please be invited to join our webinar via Microsoft Teams📍

👉WEBINAR SERIES 2 : Compliance with the new USP series - Chapter 1 # Analytical Method Validation, Verification and Transfer💊

🗓Event Date: Wednesday September 23rd, 2020

⏰Event Time: 2.00 PM (BD time)

🎤Speaker: Dr. Ilona Matus

💻Location: Microsoft Teams

✏️CLICK HERE TO REGISTER : https://forms.gle/6ds6Cfsd2CnLet2b7

09/07/2020

Address

Dhanmodi 32
Dhaka
ZIPCODE

Telephone

01914733088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Electro-Medical Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Electro-Medical Engineering:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram