14/08/2025
স্ট্রোক হলে এলোপ্যাথি শ্রেষ্ঠ নাকি হোমিওপ্যাথি শ্রেষ্ঠ,আমরা কোনটার উপর নির্ভর করবো..
মস্তিষ্কে প্রতি সেকেন্ডে ৭০০ মিলিয়ন নিউরন কাজ করে। যখন রক্ত চলাচল বন্ধ হয়, সেই নিউরনগুলো অক্সিজেন না পেয়ে ৩–৫ মিনিটেই মারা যেতে থাকে,ঠিক এই কারণেই স্ট্রোকের প্রথম ৩ ঘণ্টাকে বলে Golden Hour – এ সময় এলোপ্যাথি চিকিৎসা জীবনের জন্য অপরিহার্য। তবে তারপর কী হয়,,নিউরন মারা গেছে, স্নায়ু নিস্তেজ, শরীর সাড়া দিচ্ছে না।................. এখন প্রশ্ন......................
এই নিউরন ও স্নায়ু কি আর জেগে উঠতে পারে?
স্নায়ু পুনর্জাগরণ – যেখানে হোমিওপ্যাথি শুরু করে তার কাজ,এখানে শুরু হয় একটি অদৃশ্য কিন্তু বৈজ্ঞানিক সত্য হোমিওপ্যাথি কাজ করে সেই স্তরে, যাকে বলে Bioenergetic Information Healing হোমিও রেমেডিগুলো শরীরের নিজস্ব স্নায়ুবিক ইমপালস পুনরুজ্জীবিত করে।
Arnica মস্তিষ্কে ক্ষত স্থানে রক্ত চলাচল ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
Causticum প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করে – কথাবলা ফিরিয়ে আনে।
Baryta carb স্মৃতিশক্তি ও মানসিক ভারসাম্যে কাজ করে।
Natrum Sulph মস্তিষ্কে জমে থাকা পুরোনো রক্ত বা টক্সিক আবর্জনা দূর করে।
এইসব চিকিৎসা কেবল লক্ষণভিত্তিক নয়, ন্যানো লেভেলে কোষের তথ্যপ্রবাহে কাজ করে।
স্ট্রোক রিকভারিতে হোমিওপ্যাথি বনাম এলোপ্যাথি – এক নজরে তুলনা
জরুরি মুহূর্তে রোগীকে বাঁচাতে এলোপ্যাথি শ্রেষ্ঠ হোমিওপ্যাথি নয়।
স্নায়ু পুনর্জীবন এলোপ্যাথিতে সীমিত কিন্তু হোমিওপ্যাথি অনেক বেশি কার্যকর।
হাঁটা-চলা, কথা বলাএলোপ্যাথিতে ধীরে/অকার্যকর কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে সম্ভাবনাময় রিকভারি হয়।
চিকিৎসার খরচ এলোপ্যাথিতে অধিক যা অনেকের সম্ভব হয় না কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে তুলনামূলক কম যা সবার সাধ্যের মধ্যে ।
একটি বাস্তব সত্য,আপনি কি জানেন?
বহু স্ট্রোক করা রোগী যাদের কে হাসপাতাল থেকে বলেছিল এখন আর কিছু করার নেই,তাদের অনেকেই হোমিওপ্যাথিতে ফিরে পেয়েছেন হাঁটার ক্ষমতা, মুখের কথা, চোখের দৃষ্টি,এই কথা আপনি হয়তো গুগলে পাবেন না,কিন্তু আমার চেম্বারে বসে আমি প্রতিদিন সেই অলৌকিক বাস্তবতা দেখছি।
তাই আমি বলি – স্ট্রোক মানেই শেষ নয় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা আপনাকে শুধু আশ্বাস দেয় না,আমরা চেষ্টা করি স্নায়ুর ঘুম ভাঙাতে,আপনার প্রিয়জন যদি আজ হুইলচেয়ারে থাকেন –তাহলে বিশ্বাস রাখুন, হোমিওপ্যাথিতে আছে হাঁটার আশার সিঁড়ি।
#স্ট্রোক