পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি

পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি "Whipping up easy, tasty recipes on video!

From quick meals to comfort food—watch, cook, and enjoy every bite."....A page for promotion of all Bangladeshi foods,curries and fruits.

বসন্তের বিকেলের এক অন্য রকম খারাপ লাগা🥲😋
16/02/2026

বসন্তের বিকেলের এক অন্য রকম খারাপ লাগা🥲😋

শুভ দুপুর🥰😍😍
16/02/2026

শুভ দুপুর🥰😍😍

ঘরের ব্যাটারে বললাম, জাইমা রহমান পিংক শাড়ি পরে ভোট দিতে গিয়েছে। শাড়িটা সুন্দর। সে কনফিডেন্টলি বললো, আড়ংয়ের শাড়ি।আমি জুম ...
13/02/2026

ঘরের ব্যাটারে বললাম, জাইমা রহমান পিংক শাড়ি পরে ভোট দিতে গিয়েছে। শাড়িটা সুন্দর।
সে কনফিডেন্টলি বললো, আড়ংয়ের শাড়ি।আমি জুম করে শাড়িটা দেখলাম, হাতের ভারী কাজ করা। আড়ংই মনে হলো।
হঠাৎ মাথায় আসলো, এটা আড়ংয়ের শাড়ি সেটা আমিই খেয়াল করি নাই। কিন্তু সেটা ব্যাটা বুঝলো কেম্নে?

জিজ্ঞাসা করলাম, তুই কেম্নে জানলি এটা আড়ংয়ের??

তার উত্তর ,ওই যে শাড়িতে ঝুনঝুনি আছে (ট্যাসেলের কথা বলছে 🙄)

আজব এক সংসার করি! আমি জাস্ট শাড়িটা দেখেই স্ক্রল করে চলে যাচ্ছিলাম, আর এই ব্যাডা মানুষ শাড়ির ট্যাসেল দেখে ব্র‍্যান্ডও গেস করে ফেলসে!

সিজারের পরে OT থেকে বের করার পর..!!শরীরের কাঁপুনি আর পানির পিপাসা!! অবশ ছেড়ে দেওয়া, পেটের কাটাজায়গায় যন্ত্রণা, এইগুল...
09/02/2026

সিজারের পরে OT থেকে বের করার পর..!!
শরীরের কাঁপুনি আর পানির পিপাসা!!
অবশ ছেড়ে দেওয়া, পেটের কাটা
জায়গায় যন্ত্রণা, এইগুলো যে নারী পার করে এসেছে
সে নারী অর্ধেক মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করেছে..!!
আর তুমি সেই নারীকেই বলছো তোমার
ধৈর্য নেই...!!

ডাক্তার নেই কেন—নার্সের দোষওয়ার্ডবয় নেই কেন—নার্সের দোষওষুধ নেই কেন—নার্সের দোষফ্যান ভাঙা, লিফট বন্ধ, বাথরুম নোংরা—নার্স...
05/02/2026

ডাক্তার নেই কেন—নার্সের দোষ
ওয়ার্ডবয় নেই কেন—নার্সের দোষ
ওষুধ নেই কেন—নার্সের দোষ
ফ্যান ভাঙা, লিফট বন্ধ, বাথরুম নোংরা—নার্সের দোষ
রিপোর্ট দেরি, বিল বেশি, ম্যানেজমেন্ট ফেইল—নার্সের দোষ
রোগী বেশি খারাপ কেন — নার্সের দোষ
ওয়ার্ডে সাপ্লাই নাই কেন— নার্সের দোষ
ক্লিনার কাজ করে না কেন — নার্সের দোষ
ফাইল হারায় কেন — নার্সের দোষ
রোগী না বলে কোথায় গেল — নার্সের দোষ
রোগী কথা শোনে না কেন — নার্সের দোষ
দালাল টাকা খায় কেন — নার্সের দোষ
ওষুধ দেওয়ার পরও কাজ হয় না কেন — নার্সের দোষ

👉 হাসপাতাল চলে না নার্স ছাড়া,
কিন্তু হাসপাতালের সব ব্যর্থতা চলে আসে নার্সের ঘাড়ে।

নার্সকে বানানো হয়েছে
সিস্টেমের ব্যর্থতার বলির পাঁঠা।

সম্মান নেই, নিরাপত্তা নেই, ক্ষমতা নেই—
তবুও দায় শুধু নার্সের!

এইটা অভিযোগ না,
এইটা বাংলাদেশি স্বাস্থ্যব্যবস্থার নগ্ন সত্য। 🔥

জীবনে এই প্রথমবার চোখের সামনে দেখলাম বন্ধুত্বের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।বাচ্চাটা অসুস্থ—CT স্ক্যান করাতে আনা হয়েছে।কিন্...
05/02/2026

জীবনে এই প্রথমবার চোখের সামনে দেখলাম বন্ধুত্বের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
বাচ্চাটা অসুস্থ—CT স্ক্যান করাতে আনা হয়েছে।
কিন্তু একা সে CT স্ক্যান রুমে ঢুকতেই রাজি নয়, কারণ মেশিনের ভিতর ঢুকতে ভয় পাচ্ছে।
প্রায় ২–৩ ঘণ্টা ধরে মা–বাবা, সবাই বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ।
ভয় আর অসহায়ত্বে শিশুটার চোখ ভরে যাচ্ছিল।
শেষমেশ ডাকা হলো তার সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে—তার বন্ধুকে।
বন্ধু আসতেই ভয় যেন অর্ধেক হয়ে গেল।
কিন্তু শর্ত একটাই—
“একসাথে মেশিনের ভিতর যাব, একসাথেই CT scan করাবো।”
আর ঠিক সেই কারণেই আজ এমন একটি দৃশ্য দেখা গেল—
দুজন বন্ধু, পাশাপাশি শুয়ে, ভয়ের মুখোমুখি।
এই ছোট্ট বন্ধুত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
বন্ধু মানে শুধু খেলাধুলা নয়,
বন্ধু মানে ভয়ের সময় হাত ধরে পাশে থাকা।
পৃথিবীর সব বন্ধুত্ব এমনই অটুট থাকুক।সংগৃহীত

ফুল হলো এমন একটা জিনিস যেটা দেখলে সবার মন ভালো হয়ে য়ায়❤️❤️❤️
02/02/2026

ফুল হলো এমন একটা জিনিস যেটা দেখলে সবার মন ভালো হয়ে য়ায়❤️❤️❤️

ময়দা দিয়ে তৈরি পাটিসাপটা পিঠা অত্যন্ত নরম এবং সুস্বাদু হয়। চালের গুঁড়ার ঝামেলা ছাড়াই শুধু ময়দা বা ময়দার সাথে সুজি...
01/02/2026

ময়দা দিয়ে তৈরি পাটিসাপটা পিঠা অত্যন্ত নরম এবং সুস্বাদু হয়। চালের গুঁড়ার ঝামেলা ছাড়াই শুধু ময়দা বা ময়দার সাথে সুজি মিশিয়ে এই পিঠা সহজে তৈরি করা যায়। নিচে ময়দার পাটিসাপটা পিঠার একটি সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:
#প্রয়োজনীয় উপকরণ
ব্যাটার বা গোলার জন্য: ১ কাপ ময়দা, ১/৪ কাপ গুঁড়ো দুধ , ২ টেবিল চামচ চিনি (স্বাদমতো), এক চিমটি লবণ এবং পরিমাণমতো লিকুইড দুধ বা পানি।
ক্ষীরসা বা পুরের জন্য: ১ কাপ লিকুইড দুধ, ১/২ কাপ গুঁড়ো দুধ, ১/৩ কাপ চিনি বা গুড় এবং ১ টেবিল চামচ ঘি।
#তৈরির পদ্ধতি
১. ব্যাটার তৈরি: একটি পাত্রে ময়দা, গুঁড়ো দুধ, চিনি এবং লবণ মিশিয়ে নিন। এতে অল্প অল্প করে লিকুইড দুধ বা পানি মিশিয়ে একটি পাতলা ও মসৃণ গোলা তৈরি করুন। গোলাটি ৩০ মিনিট ঢেকে রাখলে পিঠা বেশি নরম হয়।
২. পুর বা ক্ষীরসা তৈরি: কড়াইয়ে দুধ ও চিনি জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। এতে গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মিশ্রণটি আঠালো ও ঘন হয়ে ক্ষীরসায় পরিণত হয়।
৩. পিঠা ভাজা: একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য তেল ব্রাশ করে মাঝারি আঁচে গরম করুন। এক ডাবু গোলা দিয়ে প্যানটি ঘুরিয়ে পাতলা রুটির মতো ছড়িয়ে দিন।
৪. রোল করা: রুটির একপাশে লম্বা করে তৈরি করা ক্ষীরসা দিয়ে দিন এবং সাবধানে মুড়িয়ে রোল করে নিন। কয়েক সেকেন্ড রেখে নামিয়ে ফেলুন।
টিপস: ব্যাটার খুব বেশি ঘন বা ভারী করবেন না, তাহলে পিঠা শক্ত হয়ে যেতে পারে।

শুভ সকাল🧡🌹 সবাইকে গোলাপের শুভেচ্ছা💛🧡
28/01/2026

শুভ সকাল🧡🌹 সবাইকে গোলাপের শুভেচ্ছা💛🧡

শুভ দুপুর❤️❤️
21/01/2026

শুভ দুপুর❤️❤️

১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে, ইতালীয় অভিবাসীদের নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী জাহাজ ভয়াবহ আটলান্টিক ঝড়ের কবলে পড়ে...
19/01/2026

১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে, ইতালীয় অভিবাসীদের নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী জাহাজ ভয়াবহ আটলান্টিক ঝড়ের কবলে পড়ে। সেই জাহাজে ছিলেন আটাশ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি আন্তোনিও রুসো এবং তার পাঁচ বছরের মেয়ে মারিয়া। আন্তোনিওর স্ত্রী দুই বছর আগে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে মেয়েকে এমন এক ভবিষ্যৎ দিতে, যা ইতালি দিতে পারেনি, আমেরিকাই ছিল তার শেষ আশার জায়গা।

রাত ২টায় বিশাল ঢেউ জাহাজের ডেকের উপর আছড়ে পড়ে। তৃতীয় শ্রেণির যাত্রীদের ঘুমানোর নিচের অংশগুলোতে পানি ঢুকে যায়। জাহাজটি হঠাৎ তীব্রভাবে কাত হয়ে পড়ে। করিডোর জুড়ে চিৎকার ছড়িয়ে পড়ে, মানুষ আতঙ্কে সিঁড়ির দিকে ছুটতে থাকে—একে অন্যকে ধাক্কা দিতে দিতে, পিষে ফেলতে ফেলতে। আন্তোনিও তাদের খাট থেকে মারিয়াকে তুলে নেন এবং বাড়তে থাকা পানির ওপরে তাকে তুলে ধরে সামনে এগোতে থাকেন। কিন্তু ভিড় ছিল খুব ঘন, পানি বাড়ছিল খুব দ্রুত, আর জাহাজের ঢাল খুব বেশি খাড়া।

আন্তোনিও ভয়ংকর সত্যটা বুঝে যান—তারা লাইফবোটে পৌঁছাতে পারবে না।

আর মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল।
এই বিশৃঙ্খলার মাঝেই তিনি একটি ভাঙা জানালার মতো ছিদ্র (পোর্টহোল)-এ পৌঁছান, যা ঝড়ে ভেঙে গিয়েছিল। সেটি কেবল একটি শিশুর যাওয়ার মতোই বড়। তার ওপারে ছিল কালো, বরফশীতল আটলান্টিক মহাসাগর। দূরে তিনি পানির ওপর দিয়ে সার্চলাইটের আলো ঘুরতে দেখলেন—উদ্ধারকারী নৌকা আসছিল।

তিনি মারিয়ার দিকে তাকালেন— মেয়ে ভয়ে কাঁপছে, মায়ের জন্য কাঁদছে, তাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আছে।
আর তখনই তিনি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন, যা তার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে দেবে।

আন্তোনিও তার মেয়েকে সেই ছিদ্র দিয়ে ঠেলে দিলেন।
মারিয়া সমুদ্রে পড়ে গিয়ে চিৎকার করে উঠল। ঝড়ের গর্জন ভেদ করে আন্তোনিও তার দিকে চেঁচিয়ে উঠলেন—
“সাঁতার কাটো, মারিয়া! আলোর দিকে সাঁতার কাটো! জাহাজ আসছে! সাঁতার কাটো!”
তিনি জানতেন, তার মেয়ের বাঁচার একটা সুযোগ আছে।
তিনি জানতেন, তার নিজের বাচার উপায় নেই।
সাত মিনিট পর জাহাজটি ডুবে যায়। ডেকের নিচে আটকে পড়া তৃতীয় শ্রেণির আরও ১১৭ জন যাত্রীর সঙ্গে আন্তোনিও রুসোও ডুবে মারা যান। তার দেহ আর কখনো পাওয়া যায়নি।

পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে মারিয়া রুসোকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয়—তীব্র হাইপোথার্মিয়া ও প্রায় ডুবে যাওয়ার অবস্থায়, কিন্তু জীবিত। তাকে কম্বলে মুড়ে একটি হাসপাতাল জাহাজে নেওয়া হয়। সে তখন মাত্র পাঁচ বছরের একটি শিশু—অনাথ, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত, এক বিদেশি দেশে, ইংরেজি বলতে অক্ষম।
সে শুধু তার বাবার শেষ কথাগুলোই মনে রেখেছিল—
“আলোর দিকে সাঁতার কাটো।”

মারিয়াকে নিউইয়র্কের একটি অনাথ আশ্রমে রাখা হয়। বহু বছর সে বিশ্বাস করত, তার বাবা হয়তো এখনও বেঁচে আছেন। কেউ তাকে আন্তোনিও রুসোর ভাগ্যের কথা বলতে পারেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আশা রূপ নেয় বিভ্রান্তিতে… তারপর যন্ত্রণায়। সে এমন এক অচিন্তনীয় বিশ্বাসে পৌঁছে যায়—তার বাবা তাকে ফেলে দিয়েছেন, সে ভেবেছিলো সমুদ্রে ছুড়ে দেওয়ার মানে তিনি তাকে বাচাতে চাননি।

এই বিশ্বাস নিয়েই সে পঁচিশ বছর বেঁচে ছিল।
সে ত্রিশ বছর বয়সে গিয়ে সত্য জানতে পারে। ১৯১৭ সালের সেই জাহাজডুবির যাত্রী তালিকা পর্যালোচনা করতে গিয়ে এক গবেষক মৃতদের তালিকায় আন্তোনিও রুসোর নাম খুঁজে পান। তখনই মারিয়া জানতে পারে তার বাবা কী করেছিলেন—
আসলে মেয়ে বাঁচুক বলেই তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

মারিয়া রুসো ২০০৪ সালে, ৯২ বছর বয়সে মারা যান।

১৯৯৫ সালে, ৮৩ বছর বয়সে, জাহাজডুবি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার গল্প বলেন—
“আমি ভেবেছিলাম আমার বাবা আমাকে মেরে ফেলছেন। বুঝতে পারিনি, তিনি আমাকে বাঁচাচ্ছিলেন। বহু বছর ধরে ভেবেছি, তিনি আমাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। আসলে তিনি আমাকে জীবনের দিকে ছুড়ে দিয়েছিলেন।”

মারিয়া পরে বিয়ে করেন। তার চার সন্তান, নয় নাতি-নাতনি এবং ছয় প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী হয়—মোট একত্রিশজন উত্তরসূরি, যারা আজ অস্তিত্বশীল শুধুমাত্র একজন মানুষের অন্ধকার আটলান্টিকে নেওয়া অসম্ভব এক সিদ্ধান্তের কারণে।
“আমার জীবনের প্রতিটি জন্মদিন, প্রতিটি ভালো মুহূর্ত আছে, কারণ আমার বাবা নিজেকে নয়—আমাকে বেছে নিয়েছিলেন। প্রতিরাতে আমি সেই জানালার ফাঁকে তার মুখ দেখি। আমি তাকে চিৎকার করতে শুনি—‘আলোর দিকে সাঁতার কাটো’। আটাত্তর বছর ধরে আমি আলোর দিকেই সাঁতার কেটে চলেছি। আশা করি, আমি তাকে গর্বিত করতে পেরেছি।”

বাবা আন্তোনিও রুসো সম্পর্কে তার মেয়ের শেষ কথাগুলো ছিল খুবই সহজ—

“ধন্যবাদ, বাবা। আমাকে জীবনের দিকে ছুড়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তি আমো।”

কিছু ভালোবাসার কাজ এক জীবনের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহু প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকে।

প্রিয় বন্ধুরা,
বাবা মানে সেই মানুষ, যে নিজে ডুবে গিয়েও সন্তানের জন্য আলো খুঁজে দেয়।
বাবা মানে নিঃশব্দ ত্যাগ, যা বুঝতে আমাদের অনেক সময় লেগে যায়।
তার শক্ত হাতটাই শেষ ভরসা, যখন পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে আসে।
সংগৃহীত
#সংগৃহীত

হেমা মালিনী বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছেশ্রীদেবী বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছেরুবিনা ট্যান্ডন বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছ...
17/01/2026

হেমা মালিনী বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
শ্রীদেবী বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
রুবিনা ট্যান্ডন বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
করিশ্মা কাপুর বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
করিনা কাপুর বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
জুহি চাওলা বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
বিদ্যা বালান বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
সোনম কাপুর বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
লারা দত্ত বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
শিল্পা শেঠি বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
মহিমা চৌধুরী বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
অমৃতা অরোরা বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
রানি মুখার্জি বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
সারিকা বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
সাবানা আজমি বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
সঙ্গীতা বিজলানি বিবাহিত পুরুষ কে বিয়ে করেছে
লিষ্ট অনেক লম্বা। বিবাহিত পুরুষ কখনো সেকেন্ড হ্যান্ড হয় না, বিবাহিত পুরুষদের চাহিদা বেশি।
সুতরাং প্রিয় বিবাহিত পুরুষ সম্প্রদায়, আপনাদের কাছে সুখী জীবনের হাতছানি এখনও আছে, আপনাদের সুখের সুযোগ এখোনো শেষ হয়ে যায় নি।
আবার মস্তানী ছিলেন বাজীরাও'এর দ্বিতীয় পত্নী। তিনিও তাকে খুব ভালবাসতেন।
এদিকে মমতাজ হলেন শাহজাহানের অষ্টম স্ত্রী। আপনারা সবাই জানেন, তিনি তাকে এতই ভালবাসতেন যে তার স্মৃতিতে তিনি পৃথিবী বিখ্যাত তাজমহল বানিয়েছিলেন।
যোধা ছিলেন আকবরের তৃতীয় স্ত্রী। এবং তাদের ভালবাসার কথা আমরা এখনো আলোচনা করি।
ইতিহাস সাক্ষী, কোনো স্বামীই তার প্রথম স্ত্রীর মধ্যে সত্যিকারের ভালবাসা খুঁজে পাননি।
বিদ্যা বালন তৃতীয় স্ত্রী।
করিনা কাপুর দ্বিতীয় স্ত্রী।
শিল্পা শেঠি দ্বিতীয় স্ত্রী।
কিরন রাও দ্বিতীয় স্ত্রী।
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ.....
এগুলো সবই তথ্য মাত্র ।
আপনারা আবার বাড়িতে ট্রাই করতে যাবেন না।যদি করেন তার জন্য আমি দায়ী নই।

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি:

Share