তানজিনা হোমিও কেয়ার

তানজিনা হোমিও কেয়ার Homoeopathy treatment & consultant

পুরুষের যৌন দুর্বলতা: কারণ ও হোমিওপ্যাথি সমাধান :আজকাল অনেক পুরুষ যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন—কিন্তু লজ্জা বা ভুল ধারণার কারণে ...
19/01/2026

পুরুষের যৌন দুর্বলতা: কারণ ও হোমিওপ্যাথি সমাধান :

আজকাল অনেক পুরুষ যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন—কিন্তু লজ্জা বা ভুল ধারণার কারণে বিষয়টি চেপে রাখেন।
🔹 সাধারণ কারণগুলো
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা
অনিয়মিত ঘুম ও শারীরিক ক্লান্তি
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন বা পর্ন আসক্তি
ধূমপান, নেশা, জাঙ্ক ফুড
হরমোনাল অসামঞ্জস্য, দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক বা দুর্বল হজম
আত্মবিশ্বাসের অভাব

🔹
হোমিওপ্যাথি রোগীকে সামগ্রিকভাবে দেখে—শুধু উপসর্গ নয়, কারণের গভীরে কাজ করে। সঠিক কেস টেকিং অনুযায়ী নির্বাচিত ঔষধ:
যৌন শক্তি ও স্ট্যামিনা বাড়াতে
স্নায়বিক ও মানসিক দুর্বলতা কমাতে
হরমোনাল ব্যালান্স উন্নত করতে
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী উন্নতিতে সহায়ক
⚠️ মনে রাখবেন: একেক জনের কারণ একেক রকম, তাই নিজে নিজে ঔষধ নয়—ব্যক্তিগত পরামর্শ জরুরি।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুক
10/01/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুক

08/01/2026

গর্ভধারণের জন্য ডিম্বাণু কীভাবে পরিপক্ব করবেন?

ডিম্বাণু থাকলেই গর্ভধারণ হয় না। গর্ভধারণের জন্য দরকার— ১.ফলিকলের সঠিক আকার,
২.ডিম্বাণুর ভালো গুণমান ও পরিপক্বতা।


🏵️ ফলিকল সাইজ: ১৮–২২ মিমি (ওভুলেশনের আগে)
✔️ যথাযথ হরমোন ব্যালান্স (Estrogen প্রধান)

★★ ডিম্বাণু ঠিকভাবে না বড়ো হওয়ার কারণ:
• হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
• PCOS / থাইরয়েড সমস্যা
• অতিরিক্ত স্ট্রেস ও কম ঘুম
• আয়রন, ভিটামিন D, B12, ফলেটের ঘাটতি
• ওজন খুব কম বা বেশি হওয়া

✅ করণীয়
✔️ ৭–৮ ঘণ্টা নিয়মিত ঘুম
✔️ স্ট্রেস কমানো
✔️ সুষম খাবার (প্রোটিন, সবুজ শাক, ওমেগা-৩, আয়রন, ভিটামিন D/B12)
✔️ হালকা হাঁটা ও যোগব্যায়াম
✔️ আদর্শ ওজন বজায় রাখা
❌ নিজে নিজে Clomid / Letrozole বা হরমোন খাবেন না।

⏳ মনে রাখবেন--
ডিম্বাণুর গুণমান উন্নত হতে ৯০–১০০ দিন সময় লাগে।

কোমরের হাড়ের মাঝখানে থাকা নরম ডিস্ক সরে গিয়ে পাশের নার্ভে চাপ দিলে তাকে ডিস্ক প্রোলাপ্স / স্লিপড ডিস্ক বলা হয়।🔹 L4–L5 → ...
05/01/2026

কোমরের হাড়ের মাঝখানে থাকা নরম ডিস্ক সরে গিয়ে পাশের নার্ভে চাপ দিলে তাকে ডিস্ক প্রোলাপ্স / স্লিপড ডিস্ক বলা হয়।
🔹 L4–L5 → ঝুঁকি কিছুটা বেশি (পা দুর্বল হওয়া, হাঁটায় সমস্যা)
🔹 L5–S1 → ঝুঁকি তুলনামূলক কম
🔹 যত উপরের লেভেল (L3–L4, L2–L3) → তত বেশি নার্ভ ড্যামেজ ও প্যারালাইসিসের আশঙ্কা

১. সঠিক ব্যায়াম (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
✔ McKenzie extension
✔ Pelvic tilt
✔ Core muscle strengthening (ধীরে ধীরে)

এড়িয়ে চলবেন:
সামনের দিকে ঝুঁকে ব্যায়াম
সিট-আপ
হঠাৎ মোচড় দেওয়া
ভারী যোগাসন

. লাইফস্টাইল সংশোধন:
শক্ত বিছানা (হার্ড বোর্ড + পাতলা তোশক)
নিচু হয়ে বসা নয়
চেয়ারে বসলে কোমরে সাপোর্ট
দীর্ঘক্ষণ একভাবে বসে না থাকা

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ
পেটের অতিরিক্ত ওজন = কোমরের ওপর অতিরিক্ত চাপ
👉 ৫–১০% ওজন কমলেই ব্যথা অনেক কমে
🏋️‍♂️ ৪. সঠিকভাবে ওজন তোলা
✔ হাঁটু ভেঙে
✔ পিঠ সোজা রেখে
❌ কোমর বেঁকিয়ে নয়

⚽ ৫. কোন খেলাধুলা এড়াবেন
❌ ফুটবল, ক্রিকেট, দৌড়, লাফ
✔ হালকা হাঁটা, সাঁতার (বিশেষ করে Backstroke)
🌿 হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপনা (সহায়ক চিকিৎসা)
👉 লক্ষণ, কারণ ও রোগীর সামগ্রিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ওষুধ নির্বাচন জরুরি।

🔹 বেশি ব্যবহৃত কিছু কার্যকর ঔষধ:
🔸 Rhus tox
নড়াচড়া শুরুতে ব্যথা
চলাফেরা করলে ধীরে ধীরে আরাম
🔸 Bryonia
নড়াচড়া করলেই ব্যথা বাড়ে
এক জায়গায় চুপচাপ থাকলে ভালো
🔸 Kali carbonicum
কোমরে দুর্বলতা
বিছানায় উঠতে-বসতে কষ্ট
🔸 Hypericum
স্নায়ুর ব্যথা
পায়ে শিরশির, বিদ্যুৎ লাগার মতো অনুভূতি
🔸 Calcarea fluorica
দীর্ঘদিনের ডিস্ক সমস্যা
লিগামেন্ট ও টিস্যু দুর্বলতা

মানুষের অর্থের লোভ না থাকলে সবাইকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে সাজেশন দিত। এক গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধ বিক্রি হয় বছরে কোটি কোটি টাকার
05/01/2026

মানুষের অর্থের লোভ না থাকলে সবাইকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে সাজেশন দিত।
এক গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধ বিক্রি হয় বছরে কোটি কোটি টাকার

05/01/2026

রকেফেলার যুগে পেট্রোকেমিক্যাল ড্রাগস বনাম হোমিওপ্যাথির ঐতিহাসিক বাস্তবতা।
✒️ শামীম রেজা

১৯শ শতকের শেষভাগ এবং ২০শ শতকের শুরুর দিকে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তখনকার সমাজের অভিজাত শ্রেণি, রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে লেখক, শিল্পপতি এবং সাধারণ জনগণও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রতি আস্থা রাখতেন। আমেরিকায় তখন শতাধিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল ছিল, যার মাধ্যমে বোঝা যায় এ চিকিৎসা পদ্ধতির গ্রহণযোগ্যতা কতটা বিস্তৃত ছিল। এমনকি জন ডি. রকফেলার, যিনি ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম ধনী ব্যক্তি, নিজে একাধিকবার হোমিওপ্যাথির প্রশংসা করেছেন এবং বলেছিলেন – “Homeopathy is a progressive and aggressive step in medicine.”

কিন্তু এ প্রশংসার আড়ালে ছিল এক গভীর বৈপরীত্যে এবং মুনাফালোভী চরিত্র। রকফেলার খুব শীঘ্রই উপলব্ধি করেন যে, পেট্রোকেমিক্যালস থেকে উৎপন্ন ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি একটি সম্ভাবনাময়, বিশাল মুনাফার ক্ষেত্র।উল্লেখ্য হোমিওপ্যাথিতে কোনো প্যাটেন্ট নেই,তাই প্যাটেন্ট এর মাধ্যমে একচেটিয়া ব্যবসা ও বিশ্বব্যাপী প্রভাব বজায় রাখা যাবে না।আরো একটি বিষয় হলো কোনো রোগী যদি একেবারে সুস্থ হয়ে যায় তাহলে সেই কাস্টমার হাত ছাড়া হয়ে যাবে।তাই শুধু সিম্পটোম ম্যানেজ করে মূল রোগের নির্মূল না করে একই রোগীকে আজীবন কাস্টমার বানিয়ে মুনাফা ভোগ করতেই থাকবে। নানাবিধ দিক বিবেচনা করে তিনি নিজে হোমিওপ্যাথিতে আস্থা রাখলেও, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অন্যান্য সিক্রেট গ্লোবাল এজেন্ডা বাস্তবায়নের স্বার্থে ফার্মাসিউটিক্যাল ও এলোপ্যাথিক চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করেন। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় কূটকৌশল ছিল ১৯১০ সালে প্রকাশিত Flexner Report, যা ছিল কার্নেগি ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং রকফেলার ফাউন্ডেশনের প্রভাবাধীন।

ফ্লেক্সনার রিপোর্ট মূলত মেডিকেল শিক্ষাকে মানসম্পন্ন করার নামে একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রতিষ্ঠা করে, যার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক, হার্বাল, ন্যাচারোপ্যাথিক এবং অন্যান্য অল্টারনেটিভ চিকিৎসা পদ্ধতিগুলিকে ‘অবৈজ্ঞানিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। পরবর্তী সময়ে, এই রিপোর্টের সুপারিশ অনুযায়ী বহু হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সরকারিভাবে শুধু এলোপ্যাথিক চিকিৎসাই 'প্রমাণভিত্তিক' বলে স্বীকৃতি পায়।

এছাড়াও, American Medical Association (AMA)-এর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। আর এই AMA প্রতিষ্ঠিতই হয়েছিল হোমিওপ্যাথিক এসোসিশন এর প্রতিক্রিয়ায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থার সত্যতাকে চাপা দিতে। তারা চিকিৎসকদের জন্য এমন এক নিয়ম চালু করে, যেখানে বলা হয়েছিল – “যদি তুমি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা চর্চা করো, তাহলে তোমার সদস্যপদ এবং চিকিৎসা লাইসেন্স বাতিল করা হবে।” এভাবে হুমকি ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে অল্টারনেটিভ চিকিৎসা পদ্ধতিকে প্রান্তিক করে ফেলা হয়।তারা হোমিওপ্যাথগণের জ্ঞানের ব্যাপারে খুব শঙ্কিত ছিল। তারা জানত যে মূলধারার চিকিৎসকগণ যদি একবার জানতে পারেন যে হোমিওপ্যাথি কি করতে পারে, তাহলে তারা কখনোই আর বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করবে না। এখানেই তাদের খেলা শেষ।

তবে সব চেয়ে বড় আইরনি হলো, রকফেলার পরিবার নিজস্ব তিনজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে তাঁদের চিকিৎসা নিতেন। অর্থাৎ তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য প্রাকৃতিক ও নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থা রাখলেও, বৃহত্তর জনসাধারণের জন্য এলোপ্যাথিক এবং রসায়নভিত্তিক ওষুধ ব্যবস্থাকেই চাপিয়ে দেন – মূলত বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে।তাছাড়া অসংখ্য এলিট, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করলেও সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে জানতে দেয় না। চার্লস ডারুইন এই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে অরিজিন অব স্পেসিস লেখেন। বর্তমানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের অনুমোদিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং Royal Medical Household‑এর প্রধান হলেন ডাঃ মাইকেল দিক্সন (Dr Michael Dixon)। তিনি ২০২২ সাল থেকে এই পদে রয়েছেন এবং এই হিসেবে তিনি Sovereign ও রাজপরিবারের মেডিকেল টিমের নেতৃত্ব দেন। অথচ জনসমক্ষে তিনিও হোমিওপ্যাথির বিষয়টি কৌশলে অবজ্ঞা করেন।উল্লেখ্য ফ্রিমেসনের অনেক সদস্যই হোমিওপ্যাথিক ডক্টর। ড. হ্যানিম্যান নিজেও ফ্রিমেসন সদস্য ছিলেন।পরে তিনি ইসলাম ধর্মে গ্রহণ করে মুসলিম হিসেবে মারা যান।



যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির গ্রহণযোগ্যতা অনেক সময় বিজ্ঞানের চেয়ে বেশি নির্ধারিত হয় অর্থনীতি, রাজনীতি ও ক্ষমতার দখলদারিত্বের মাধ্যমে। আজও হোমিওপ্যাথি বিশ্বের বহু দেশে, বিশেষ করে ইউরোপ ও ভারতে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু আমেরিকায় এর প্রভাব প্রায় মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলে আসছে – একটি সুপরিকল্পিত আর্থ-রাজনৈতিক নীতির মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র (References):

1. Abraham. Medical Education in the United States and Canada, 1910. Carnegie Foundation.

2. Coulter, Harris L. Divided Legacy: A History of the Schism in Medical Thought, Vol. 3.

3. Dana Ullman. Discovering Homeopathy: Medicine for the 21st Century.

4. AMA historical records, available via National Library of Medicine.

5. Gerson, Charlotte. Healing the Gerson Way, for perspectives on alternative medicine suppression.

হোমিওপ্যাথি 'জল' নয়, উপেক্ষার জবাব ১০ বাঙালির গবেষণায়।নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা।হোমিওপ্যাথি ওষুধ আসলে ওষুধ নয়, জল। এই প্র...
02/01/2026

হোমিওপ্যাথি 'জল' নয়, উপেক্ষার জবাব ১০ বাঙালির গবেষণায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা।
হোমিওপ্যাথি ওষুধ আসলে ওষুধ নয়, জল। এই প্রচার দীর্ঘদিনের। প্রায় সব হোমিওপ্যাথকেই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে এই তাচ্ছিল্যও উপেক্ষার শিকার হতে হয়েছে। তার জবারের মতো জবাব মিলল এইবার বিজ্ঞানসম্মত গবেষণায়। বিশ্ববন্দিত গবেষণ্য পত্রিকা এক্সপ্লোর (দি জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড হিলিং)-এর ১৯ অক্টোবর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে এমনই এক যুগান্তকারী গবেষণা। (সেখানে সুস্পষ্ট প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, হোমিওপ্যাথি ওষুধ জল বা 'প্লাসিবো' নয়। রোগীদের উপর তার প্রয়োগে যথেষ্ট ভালো কাজ হয়।

হাওড়ার মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই গবেষণা হয়। আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়াল সিনড্রোমের রোগীদের নিয়ে চলে গবেষশাটি। ৬০ জন রোগীকে দু'টি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। প্রতি ভাগে রাখা হয় ৩০ জনকে। দু'টি ভাগকেই পরিমিত ডায়েটে রাখা হয়। যেমন হাল্কা খাওয়া দাওয়া, পাতের শেষে টক দই গ্রহণ ইত্যাদি। ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ডাঃ শুভময় ঘোষ, মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষক চিকিৎসক ডা: আকাশদীপ দাস এবং বাল স্বাস্থ্যদপ্তরের হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মুনমন কোলে সহ ১০ জন চিকিৎসক এই গবেষণায় অংশ নেন।

গবেষণায় একটি গ্রুপের রোগীদের প্লাসিবো বা জল দেওয়া হয়। অন্যভাগের রোগীদের সুনির্দিষ্ট ডোজে দেওয়া হয় পালসেটিলা, নেট্রাম মিউর, খুজা সহ ৩৯ ধরনের হোমিওপ্যাথি ওষুধ। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত চলে গবেষণাটি। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, যে গ্রুপের ৩০ রোগীকে প্লাসিবো বা জল দেওয়া হয়েছিল, সেখানে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। আর যে গ্রুপের রোগীদের হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল, সেখানে অবস্থার উন্নতি হয়েছে ৩০ শতাংশ। সুতরায় নিন্দুকদের সমালোচনা যে সত্য নয়, তা প্রমাণিত হল ৯ পাতার গগবেষণা রিপোর্টে।

কিন্তু জল খাওয়ানোতেও কীভাবে একটি গ্রুপে রোগীদের শারীরিক অবস্থার ২ শতাংশ উন্নতি হল? গবেষণার গাইড শুভময়বাবু বলেন,

কারণ ডায়েট। দু'টি গ্রুপের প্রার্থীদেরই পরিমিত আহারে রাখা হয়। আইবিএস নিয়ন্ত্রণে ডায়েটের ভূমিকা থাকে। ওই উন্নতিটুকুর কারণ হল ডায়েট। তাৎপর্যপূর্ণ এই গবেষণা প্রসঙ্গে নিশিয় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ বলেন, আমাদের কাছে আসা বহু রোগীয় জানান, তাঁরা অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিও করেন। এত মানুষ যে প্যাথিতে ভরসা রাখেন, তাকে আমি হেয় করি না। আবার হোমিওপ্যাথির কাজ করার পদ্ধতি এখনও ধোঁয়াশাময়। তাই এই প্যাথিকে সমর্থনও করি না। তরুণ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ডাঃ সুমিত সুর বলেন, আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি-দুই চিকিৎসা বিদ্যাতেই ওষুধ হিসেবে। উপকারী ভেষজের ব্যবহার আছে। হোমিওপ্যাথির এই স্বীকৃতিতে আমরা মনেপ্রাণে খুশি।

আলহামদুলিল্লাহ!  তিনবছর এলোপ্যাথিক চিকিৎসা করে তিনলাখের বেশি টাকা খরচ করেও কনসিভ হয়নি।অবশেষে আল্লাহর রহমতে মাত্র দুইমাস ...
31/12/2025

আলহামদুলিল্লাহ! তিনবছর এলোপ্যাথিক চিকিৎসা করে তিনলাখের বেশি টাকা খরচ করেও কনসিভ হয়নি।

অবশেষে আল্লাহর রহমতে মাত্র দুইমাস হোমিওপ্যাথি খাওয়ার পর কনসিভ হয়েছে।
সবাই দোয়া করবেন যাতে আল্লাহ আর কোন পরীক্ষায় না ফেলেন।

আল্লাহ যেন বাচ্চাটা সুস্থ রাখেন. আমিন

অটিজম (Autism Spectrum Disorder) কোনো “হঠাৎ সেরে যাওয়ার” রোগ নয়। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি কন্ডিশন।তবে সঠিক ...
28/12/2025

অটিজম (Autism Spectrum Disorder) কোনো “হঠাৎ সেরে যাওয়ার” রোগ নয়। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি কন্ডিশন।
তবে সঠিক ব্যবস্থাপনায় অনেক শিশুর আচরণ, মনোযোগ, ভাষা শেখার ক্ষমতা ও দৈনন্দিন কার্যক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব।
,
হোমিওপ্যাথি অটিজমে মূলত supportive treatment হিসেবে কাজ করে। যেমন—
★ অতিরিক্ত রাগ ও জেদ কমানো
★ হাইপারঅ্যাক্টিভিটি নিয়ন্ত্রণ
★ ঘুম ও হজমের সমস্যা কমানো
★ভয়, সেনসিটিভিটি ও অস্থিরতা হ্রাস

হোমিওপ্যাথিতে অটিজমকে আলাদা রোগ না ধরে শিশুর সামগ্রিক লক্ষণ দেখে রেমেডি নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু commonly used remedies ও তাদের keynotes দেওয়া হলো---

🔹 Baryta carbonica
কথা বলতে দেরি
মানসিক বিকাশ ধীর
অপরিচিত ভয়, শিশুসুলভ আচরণ
🔹 Stramonium
চরম ভয়, অন্ধকারে ভয়
আক্রমণাত্মক আচরণ
হঠাৎ রাগ, screaming
🔹 Carcinosin
খুব সংবেদনশীল
perfectionism / suppressed emotions
strong family history (cancer, TB, diabetes)
🔹 Tuberculinum
restless
routine সহ্য করতে পারে না
mood দ্রুত বদলায়
🔹 Natrum muriaticum
social withdrawal
কথা কম, একা থাকতে চায়
আবেগ চেপে রাখে
🔹 Medorrhinum
hyperactivity
sleep reversal
impulsive behaviour

প্রতিটি শিশুই আলাদা—তাই অটিজমে individualised treatment সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কক্সিক্স (Coccyx) হচ্ছে মেরুদন্ডের শেষ অংশ। এর ব্যথাকে বলে Coccydynia.  মধ্যবয়সী এক মহিলা চেম্বারে এলেন ককসিডাইনিয়া সমস্...
09/12/2025

কক্সিক্স (Coccyx) হচ্ছে মেরুদন্ডের শেষ অংশ। এর ব্যথাকে বলে Coccydynia. মধ্যবয়সী এক মহিলা চেম্বারে এলেন ককসিডাইনিয়া সমস্যা নিয়ে। ব্যথা অনেকদিন ধরে ৭/৮ বছর। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও কমেনি। হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম তার নরমাল ডেলিভারি হয়েছে কয়েকবার।

Symphytum - দিলাম। ৭/৮ বছরের ব্যথা একদম নাই হয়ে গেল ১৫ দিন পর। আলহামদুলিল্লাহ

08/12/2025

কোন ফলে ভিটামিন C সবচেয়ে বেশি?

১. পেয়ারা
২. আমলকি
৩. লেবু
৪. কমলা

আপনি কি একজন নারী? লজ্জায় কিংবা ভয়ে নিজের গোপন সমস্যা লুকিয়ে যাচ্ছেন?অনেক মেয়েই নীরবে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন কিন্তু প্রকা...
08/12/2025

আপনি কি একজন নারী? লজ্জায় কিংবা ভয়ে নিজের গোপন সমস্যা লুকিয়ে যাচ্ছেন?
অনেক মেয়েই নীরবে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন কিন্তু প্রকাশ করেন না। পরে এক সময় সেটা ক্যা'ন্সারের মতো জটিল রূপ ধারণ করতে পারে।
★সাদা স্রাব (ঘন/পানি/দুর্গন্ধ)
★পিরিয়ড অনিয়ম,ব্যথা
★ তলপেট ভারী, জরায়ু নীচে নামা।
★যোনিতে চুলকানি বা জ্বালা
★ যৌন অঙ্গের ইনফেকশন
★ PCOS ও হরমোনজনিত সমস্যা
★ বেড ওয়েটনেস, শুস্ক যোনী
★বিবাহিত জীবনে অসন্তোষ বা ব্যথা-জ্বালা।
★ প্রস্রাবে জ্বালা বা ঘনঘন প্রস্রাব
★জরায়ু বা ওভারীতে সিস্ট
★থাইরয়েড সমস্যা
এগুলো সবই খুব সহজে নিরাময়যোগ্য। অথচ আমাদের একটু অসাবধানতার কারণে জটিল রূপ ধারণ করে।
রোগকে গোপন না করে পরামর্শ নিতে ইনবক্সে নক দিন।

Address

Boxnogor, Demra
Dhaka
1361

Telephone

01953168167

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তানজিনা হোমিও কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share