02/04/2021
আদর্শ ( Adarsha ) প্রকাশনী থেকে এবারের বইমেলায় খুব শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সঠিক খাদ্য ও জীবনাচার নিয়ে লেখা আমাদের প্রথম বই "অকাল বার্ধক্য ও রোগ প্রতিরোধ"। সবাইকে বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
পাঠক শ্রেণি: সব বয়সের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ। 😊
“খাওয়ার জন্য বাঁচা, নাকি বাঁচার জন্য খাওয়া” এই কথাটার সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। উত্তরটা জানা সত্ত্বেও আমরা অনেক সময় খাবারের ব্যাপারে কোনোরকম ভাবনা চিন্তা না করেই খাবার খেয়ে থাকি। আবার অনেক সময় কোন খাবারটা ভালো আর কোন খাবারটা মন্দ তা জানার পরও আমরা প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে খাবারের ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে চাই না।
একুশ শতকের শুরুর দিকে পৃথিবীতে প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ কোনো না কোনো কারণে মারা যাচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে মৃত্যু অবধারিত জেনেও কিন্তু হোমো সেপিয়েন্সরা বসে নেই। কেমন করে আয়ু বাড়ানো যায় আর বয়স হওয়াকে বিপরীতে নেয়া যায় সেই পদ্ধতি বের করার জন্য গবেষকরা কাজ করে চলেছেন। এই গবেষণা কার্যক্রমের নাম “আয়ু বৃদ্ধিকরণ” (Life extension) যেখানে চেষ্টা করা হচ্ছে এমন সব প্রযুক্তি বের করতে যাতে করে ১২৫ বছরের সর্বোচ্চ জীবনসীমার চেয়েও বেশী দিন বাঁচা সম্ভব হয়।
শুধুমাত্র ভুল খাবার নির্বাচনের ফলেই নানা রকম রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। শুরু হয়ে যেতে পারে অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া।
এই বইয়ে চেষ্টা করা হয়েছে খাবার এবং জীবনাচারের ব্যাপারে সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন করতে যাতে পাঠক বইটি পড়ে নিজেই বুঝতে পারেন কোন খাবারগুলো এবং কেমন জীবনাচার তাঁর সুস্থ থাকার জন্য বেশি কার্যকর।।
রকমারি থেকে প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে আজকে থেকে। ^_^
https://www.rokomari.com/book/213133/okal-bardhokko-o-rog-protirodh
প্রতিদিন প্রায় দেড় লাখ মানুষ কোনো না কোনো কারণে মারা যায়; তাই বলে মানুষ কিন্তু বসে নেই। কেমন করে আয়ু বাড়ানো যায় আর অকাল বার্ধক্য রুখে দেওয়া যায়, সেই পদ্ধতি বের করার জন্য গবেষকেরা কাজ করে চলেছেন। যৌবন ধরে রাখার অকার্যকর সব থেরাপি আর পণ্য পৃথিবীব্যাপী বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য করে যাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উল্টো সেগুলোই হচ্ছে দ্রুত মৃত্যুর কারণ।
মৃত্যুর শীর্ষ কারণ হিসেবে আছে বহুল পরিচিত বেশ কিছু রোগ, যেমন: হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস - যার অধিকাংশের পেছনে মূল কারণ হলো খাদ্যাভ্যাস আর জীবনযাত্রার পদ্ধতি। এগুলোই ডেকে আনে মুটিয়ে যাওয়া, চোখের সমস্যা, পেশির ব্যথা, বলিরেখা, চুল পড়ে যাওয়াসহ নানারকম বার্ধক্যের উপসর্গ। অন্যদিকে, এসব রোগে আক্রান্তরাই ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে কম সক্ষম।
কোন ধরণের খাবার ও অভ্যাস আমাদের স্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে, কোন ধরণের খাবার আমাদের রীতিমত অথর্ব করে তোলে, খাবারের ভিটামিন ও মিনারেলের পরিমাণ এবং তা গ্রহণের মাত্রা- এমন জরুরি বিষয়গুলোই তুলে ধরা হয়েছে তথ্যপ্রমাণনির্ভর এ বইটিতে।।