Ideal Marriage Bureau-IMB

Ideal Marriage Bureau-IMB Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ideal Marriage Bureau-IMB, আমতলা, আরশিনগর, মোহাম্মদপুর, Dhaka.

বিজ্ঞ উলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত একটি বিশ্বস্ত প্লাটফর্ম। এখানে উম্মাহের আদর্শ দাম্পত্য জীবন গড়া, একাধিক বিবাহ, তালাক তথা জীবনের সকল বিষয়ে শরয়ী দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিস্তারিত জানতে IMB ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
🌐 imbmasnasulasa.com

01/04/2026

স্বামীর শরয়ী হক সমুহ। পর্ব-৬

স্বামীর আনুগত্য করা

মুফতী হাবীবুল্লাহ

01/04/2026

স্বামীর শরয়ী হক সমুহ। পর্ব-৫

স্বামীর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা

মুফতী হাবীবুল্লাহ

31/03/2026

স্বামীর শরয়ী হক সমুহ। পর্ব-৪

পুরুষ অভিভাবক মানেই কি পুরুষরা শ্রেষ্ঠ?

মুফতী হাবীবুল্লাহ

30/03/2026

স্বামীর শরয়ী হক সমুহ। পর্ব-৩

পুরুষ অভিভাবক হওয়ার মর্ম কি?

মুফতী হাবীবুল্লাহ

বিবাহের জন্য কি বয়স বাধা!অনেকে মনে করেন নারীদের বয়স হয়ে গেলে হয়তো বিবাহের প্রয়োজন নেই। এই কথাটি বাস্তবতার সাথে কতটুকু ...
29/03/2026

বিবাহের জন্য কি বয়স বাধা!

অনেকে মনে করেন নারীদের বয়স হয়ে গেলে হয়তো বিবাহের প্রয়োজন নেই। এই কথাটি বাস্তবতার সাথে কতটুকু মিল আছে?
অনেকে মনে করে, নারীদের বয়স হয়ে গেলে তাদের যৌন চাহিদা থাকেনা এজন্য তাদের বিবাহের দরকার নেই। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বিবাহ কি শুধু যৌন চাহিদা নিবারনের জন্য?
না। বিবাহ একজন নারীর সঠিক আশ্রয়স্থল এবং একাকিত্ব দূরকরণের একটি উত্তম পন্থা। সচারাচর দেখা যায় তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবা নারীদের একটু বয়স হয়ে গেলে পরিবার-সমাজ তাদের বিবাহে নিরুৎসাহিত প্রদান করেন। অথচ ইসলাম সব বয়সেই বিবাহে উৎসাহ প্রদান করেছেন।
মধ্যবয়স্কা ও পৌঢ় নারীদেরও যৌন চাহিদা থাকে। যা বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ দ্বারা প্রমানিত। অনেক বয়স্ক নারীরাও ব্যভিচারে জড়িয়ে যান। এতেই প্রমান করে যে, তাদের বিবাহের প্রয়োজন।
যারা বয়স্কা নারীদের বিবাহে বাধা প্রদান করে তারা অবশ্যই তাদের উপরে জুলুম করে। এক্ষেত্রে বেশি জুলুম করে তার পরিবার (ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন)। তাদের বক্তব্য হলো; এভাবেই বাকি জীবন কাটিয়ে দাও। অথচ সবাই স্বামি/স্ত্রী নিয়ে আনন্দ-ফুর্তিতেই আছে।

যেহেতু আমরা বয়স্কদের বিবাহ নিয়ে কাজ করে থাকি, সেহেতু আমাদের সাথে বিভিন্ন বয়স্কা নারীরা যোগাযোগ করেন। তারা মনের কথা পরিবারের কাছে খুলে বলতে পারেনা। কেননা, পরিবার চায় তাদের বিবাহ না হোক। আমাদের কাছে ঠিকই তাদের অভিরুচি প্রকাশ করে। তারাও স্বপ্ন দেখে। নতুন করে ভাবে। তাদের একজন স্বামী হবে— যার মাধ্যমে তাদের একাকিত্ব দূর হবে এবং বাকি জীবনটা সুখেদুঃখে কাটাবে। এমনকি অনেক নারীরা এটাও প্রকাশ করে যে, তাদের যৌবনের হেফাজতের জন্য হলেও স্বামী দরকার।

কিছু গল্প শেয়ার করি; নাহলে এটা যে কল্পকাহিনী নাকি অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি সেটা বোধগম্য হবেনা।

★কিছুদিন আগে এক বিধবা বয়স্কা নারী আসলেন। তার বয়স পঞ্চাশোর্ধ। তিঁনি একজন ধনী নারী। তাঁর স্বামী অনেক সম্পদ রেখে মারা গেছেন। তার ছেলেমেয়ে আছে। তাঁর একজন স্বামী দরকার। কিন্তু ছেলেমেয়েরা চায়না সে আবার বিবাহ করুক। অথচ তার এখনো চাহিদা আছে যার দরুন তার স্বামী জরুরি। অবশেষে সে তার ছেলেকে রাজি করিয়েছে তার বিবাহ দেওয়ার জন্য। তিঁনি আমাদেকে জানালেন যে, আমি কারো প্রথম স্ত্রী হবোনা। দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এগুলোর যেকোনো অপশনে আমি রাজি আছি। কেননা, এই বয়সে কারো একক স্ত্রী হতে হলে বৃদ্ধ পুরুষ ছাড়া পাবোনা। একাধিক স্ত্রী হলে আমার থেকে বয়সে কম পুরুষ পাবো। আমি চাই এমন একজন পুরুষ, যার শক্তি সামর্থ্য মোটামুটি বেশি।
আমি তাকে আশ্বস্ত করলাম যে, আশা করি আপনার মনের মত একজন নেককার স্বামী পাবেন ইনশাআল্লাহ।

★কিছুদিন আগে আরেকজন নারী যোগাযোগ করেছিলো। তার বয়স ৫৩ বছর এবং সে বিধবা। এক ছেলে দুই মেয়ে। দুই মেয়েকে বিবাহ দিয়ে দিয়েছে। সেও মোটামুটি ধনী। সে বিবাহ করতে চায়, অথচ তার ছেলেমেয়ে কেউ রাজি না। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, এতো বয়সে কেনো আপনি বিবাহ করতে চান?
উনি বললেন, আগে মেয়েরা ছিলো। নিজের চিন্তা না করে তাদেরকে মানুষ করেছি। এখন তাদের বিবাহ দিয়ে দিয়েছি। বিবাহের পর তারা স্বামীদেরকে নিয়ে খুশি আছে। অথচ আমি অভাগা একাকিত্বে ভুগছি। এমনকি আমার যৌন চাহিদা কমেনি। আমার একজন যুবক স্বামি দরকার। যিনি আমাকে বেশি সাপোর্ট করতে পারবে।
তিঁনি আমাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছিলেন। এবং তার জন্য চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু, সে তার ছেলে মেয়ের চাপে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

এমন অনেক বয়স্কা নারীরা জুলুমের শিকার হচ্ছে। এজন্য বয়স্কা নারীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। যাদের আশেপাশে বয়স্কা নারী আছে প্রয়োজন অনুপাতে তাদেরকে বিবাহের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাই।
এমন নারীদের পাশে IMB সবসময় থাকবে ইনশাআল্লাহ।


বিবাহকে সহজ করুন, জেনামুক্ত সমাজ গড়ুন—IMB

❝দেরিতে বিয়ের কুফল❞ইসলামে বিবাহ (নিকাহ) একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ও সামাজিক ব্যবস্থা। এটি শুধু দাম্পত্য সম্পর্কই নয়, বরং...
29/03/2026

❝দেরিতে বিয়ের কুফল❞

ইসলামে বিবাহ (নিকাহ) একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ও সামাজিক ব্যবস্থা। এটি শুধু দাম্পত্য সম্পর্কই নয়, বরং চরিত্র সংরক্ষণ, মানসিক প্রশান্তি ও সমাজের শুদ্ধতার মাধ্যম। বর্তমান যুগে বিভিন্ন কারণে অনেকেই দেরিতে বিয়ে করে, যার ফলে ব্যক্তি ও সমাজে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে দেরিতে বিয়ের কিছু কুফল নিচে আলোচনা করা হলো।

১. গুনাহে লিপ্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি:
মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি রয়েছে। বিয়ে দেরি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
আল্লাহ বলেন:
“তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ।”
(সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৩২)
দেরিতে বিয়ে করলে হারাম সম্পর্ক, দৃষ্টি ও চিন্তার গুনাহে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২. চরিত্রের পবিত্রতা রক্ষা কঠিন হয়ে যায়:
রাসূল স. যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন;
“হে যুবকগণ! তোমাদের মধ্যে যার বিয়ের সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে। কারণ, এটি দৃষ্টি সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।”
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
দেরিতে বিয়ে করলে এই সুরক্ষা বিলম্বিত হয়।

৩. মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্ব বৃদ্ধি:
বিয়ে মানুষের জীবনে শান্তি ও সান্ত্বনা নিয়ে আসে।
আল্লাহ বলেন:
“তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও।”
(সূরা আর-রূম ৩০:২১)
দেরিতে বিয়ে করলে এই মানসিক প্রশান্তি দেরিতে আসে, অনেক সময় হতাশা বা একাকীত্ব বাড়ে।

৪. সামাজিক ফিতনা বৃদ্ধি:
বিয়ে দেরিতে হলে সমাজে অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া ও নৈতিক অবক্ষয় বাড়তে পারে।
আল্লাহ বলেন:
“মুমিন পুরুষদের বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে…”
(সূরা আন-নূর ২৪:৩০)
বিয়ের মাধ্যমে সমাজে শালীনতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে, দেরি করলে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫. উত্তম সঙ্গী পাওয়ার সুযোগ কমে যাওয়া:
সময় বেশি দেরি হলে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
রাসূল (স.) বলেন:
“যখন তোমাদের কাছে এমন কেউ প্রস্তাব নিয়ে আসে যার দ্বীন ও চরিত্র তোমাদের পছন্দ হয়, তখন তার সাথে বিয়ে দাও।”
(তিরমিজি)
অযথা দেরি করলে ভালো প্রস্তাব হাতছাড়া হয়ে যায়।

৬. সন্তান ধারণে জটিলতা:
বয়স বেশি হলে অনেক সময় সন্তান ধারণে সমস্যা দেখা দেয়, যা পারিবারিক জীবনে প্রভাব ফেলে। ইসলাম সন্তানকে নিয়ামত হিসেবে দেখেছে।

ইসলাম সহজ ও স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থাকে উৎসাহ দেয়। বিয়ে দেরি না করে সামর্থ্য অনুযায়ী দ্রুত সম্পন্ন করা উত্তম। এতে ব্যক্তি পবিত্র থাকে, সমাজ সুস্থ থাকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।
তাই অযথা দেরি না করে, দ্বীন ও তাকওয়ার ভিত্তিতে সময়মতো বিয়ে করা একজন মুসলিমের জন্য উত্তম পথ।

বিবাহকে সহজ করুন, যেনা মুক্ত সমাজ গড়ুন—IMB

আসলেই কি সম্ভব!★গোধূলির বিকেলে অফিসে এক দম্পতি আসলেন। কুশল বিনিময় শেষে তাদেরকে বসতে দেওয়া হল। জিজ্ঞেস করলাম কি উদ্দেশ্...
28/03/2026

আসলেই কি সম্ভব!

★গোধূলির বিকেলে অফিসে এক দম্পতি আসলেন। কুশল বিনিময় শেষে তাদেরকে বসতে দেওয়া হল। জিজ্ঞেস করলাম কি উদ্দেশ্যে এসেছেন এবং আপনাদের পরিচয়।
বললেন আমরা দু'জন স্বামী-স্ত্রী। স্বামী বললেন, ইনি আমার বড় স্ত্রী। বর্তমান আমার দু'জন স্ত্রী আছে। এখন সুলাছা (তৃতীয়) বিবাহ করতে চাই, এজন্যই আপনাদের অফিসে এসেছি।
বোনকেও কিছু জিজ্ঞাসা করলাম। সে ব্যক্ত করলো যে, তার একজন বোন দরকার। সে শুধু তার সতীন'ই হবেন না, বরং বিশ্বস্ত একজন বোন হবে। তারা একে অপরের পাশে থেকে জীবন কাটাবে।
তাদেরকে আস্বস্ত করা হলো। বললাম, আমাদের অফিশিয়াল নিয়মে সামনে আগান এবং দো'য়া ও চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আল্লাহর ফায়সালা হলে অবশ্যই একজন "মার'আতে সলিহা" নারী পাবেন বলে আশা রাখি। তারা উভয়ই খুশি হলেন।

★সন্ধ্যার পরে আরেক বোন কল দিয়েছিলো। তার স্বামীকে দ্বিতীয় বিবাহ করাতে চায়। তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি এটা কেনো করাতে চান?
সে উত্তর দিলো, যৌবনের হেফাজতের জন্য দরকার। আমি বললাম; ঠিক আছে তাকে যোগাযোগ করতে বলুন।

এভাবেই প্রথম স্ত্রীরা এগিয়ে আসুক এবং হালাল কাজে সহযোগিতা করুক। যাতে করে কোনো পুরুষই হারাম গ্রহণ করতে না পারে। এবং একজন স্বামীহীন নারীর যেনো একটি নীড় হয়।
আজ এক নারীর হিংসার কারণে অন্য নারী বিপদগ্রস্ত!
জরিপ অনুযায়ী প্রায় ৪০ লক্ষ নারী স্বামীহীন দিনাতিপাত করছে। এই নারীদের দায়িত্ব কারা নিবে?
সামর্থ্যবান পুরুষেরা যদি দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে এসকল নারীদের বিবাহ করে দায়িত্ব নেয় আর প্রথম স্ত্রীরা যদি হিংসাপরায়ণ না হয়ে এটাকে সুন্দরভাবে গ্রহণ করে তাহলে এসকল নারীদের একটা সুন্দর ব্যবস্থা হবে। তাদের আর স্বামী ছাড়া অসহায় হয়ে দিনাতিপাত করতে হবেনা।

আল্লাহ তা'য়ালা একাধিক বিয়ের বিধান শুধুমাত্র পুরুষের জৈবিক চাহিদা নিবারনের মাধ্যম বানাননি— নারীদের হেফাজত, সংরক্ষণ ও সংবরণের মাধ্যমও বানিয়েছেন।

হে আল্লাহ! সকল নারীকে এটা বোঝার ও সকল পুরুষকে ইনসাফওয়ালা বানিয়ে দিন।

বিবাহকে সহজ করুন, জেনা মুক্ত জীবন গড়ুন—IMB

28/03/2026

কারামুক্তির পর হুজুরের প্রথম ভিডিও বার্তার বিস্তারিত আলোচনা । শেষ পর্ব।

Mamunurrashid Qasemee

28/03/2026

স্বামীর শরয়ী হক সমুহ। পর্ব-২

পুরুষ অভিভাবক হওয়ার কারণ

মুফতী হাবীবুল্লাহ

মুফতী মামুনুর রশীদ কাসেমী হাফি.. -এর ওয়াল থেকে—হালালেই বরকত, হালালেই শান্তি...বড় স্ত্রীকে নিয়ে ৪র্থ স্ত্রীর বাড়িতে বে...
27/03/2026

মুফতী মামুনুর রশীদ কাসেমী হাফি.. -এর ওয়াল থেকে—

হালালেই বরকত, হালালেই শান্তি...
বড় স্ত্রীকে নিয়ে ৪র্থ স্ত্রীর বাড়িতে বেড়াতে এলাম। এখানকার শ্বশুর-শাশুড়ি ও পরিবারের ভালোবাসা দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গেলাম। নিজের মেয়ের সতিনকেও যে এত আন্তরিকভাবে আপন করে নেওয়া যায়তা এই কাসেমী আলেম পরিবার থেকে নতুন করে শিখলাম।

কারাগার থেকে মুক্তির পর নিয়ত করেছিলাম—সর্বপ্রথম চার স্ত্রীকে নিয়ে চার শ্বশুরবাড়ি সফর করবো। এরপরই শুরু করবো কর্মজীবনের সব ব্যস্ততা, ইনশাআল্লাহ। ৪-৫ দিনের মধ্যেই সফরটি শেষ করার পরিকল্পনা।

আজ ১ম ও ৪র্থ স্ত্রীকে নিয়ে নাটোর ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করছি। গাড়িতে কোনো গায়রে মাহরাম নেই। পুরো পথজুড়ে দ্বীনি আলোচনা হলো, আর সিরাজগঞ্জের একটি হোটেল থেকে দুইজন মিলেই পছন্দ করে দিলো। ২ সতিন মিলে পছন্দ করে দুই পরিবারের জন্য বাজার করছে।।সুবহানাল্লাহ, কী চমৎকার মুহূর্ত!

পুরো রাস্তা ২ মা মিলে আমার দুই সন্তানকে কলে নিয়ে আসছে। দৃশ্যটি দেখছি আর অবাক হচ্ছি বাংলার জমিনে এটাও সম্ভব?

এরপর আরো হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য: ৪র্থ স্ত্রীর পরিবারের দাওয়াতে ১ম স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তাদের বাসায় পৌঁছালাম। পৌঁছানোর পর আমার বড় স্ত্রীর সন্তানদেরকে যে ভালোবাসা, আদর আর স্নেহে ভরিয়ে দিলেন শ্বশুর ও শ্যালকরাতা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

ঘরে ঢুকেই দেখি, ৪র্থ শাশুড়ি তার মেয়ের সতিন (আমার বড় স্ত্রী)কে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত। তার জন্য বিশেষ রান্না, যত্ন, সবকিছুতেই ছিল আন্তরিকতার ছাপ। শ্বশুর নিজ হাতে ডাব কেটে খাওয়ালেন, শিশুদের কোলে নিয়ে আদর করলেন। অসাধারণ এক পরিবেশ।

💚 সত্যিই, এটাই ইসলামের সৌন্দর্য। আল্লাহর বিধানকে ভালোবেসে গ্রহণ করলে সম্পর্কগুলো কতটা সুন্দর, স্বচ্ছ ও প্রশান্তিময় হয়, তা আজ নতুন করে অনুভব করলাম। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

আরও মজার বিষয় হলো, এখন ৪র্থ স্ত্রীকে নিয়ে ১ম শ্বশুরবাড়িতেও যেতে হবে! বড় শাশুড়ি নিজেই জোর দিয়ে বলেছেন, নতুন স্ত্রীকে অবশ্যই নিয়ে যেতে। ইনশাআল্লাহ, কিছুক্ষণের মধ্যেই রওয়ানা হবো।

এটাই বাস্তব ইসলাম। এটাই সৌন্দর্য, যেখানে হিংসা নয়, আছে ভালোবাসা ও গ্রহণযোগ্যতা। এটাই ইসলামী তাহযীব ও কালচার।

বাংলার জমিনে এখনো এমন অসংখ্য শ্বশুর-শাশুড়ি আছেন, যারা অন্তর থেকে আল্লাহর বিধানকে ভালোবাসেন। শুধু খুঁজে নিতে হবে সঠিক মানুষগুলোকে।

🌸 হালালেই বরকত, হালালেই নিরাপত্তা—এটাই আমাদের ইসলামী সংস্কৃতি। 🌸

27/03/2026

কারামুক্তির পর হুজুরের প্রথম ভিডিও বার্তার বিস্তারিত আলোচনা ।
১ম পর্ব

Mamunurrashid Qasemee

❝বিবাহ বিমুখতা মানবতার জন্য চরম হুমকি❞মানবসভ্যতার ধারাবাহিকতা, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হলো বিবাহ। ই...
27/03/2026

❝বিবাহ বিমুখতা মানবতার জন্য চরম হুমকি❞

মানবসভ্যতার ধারাবাহিকতা, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হলো বিবাহ। ইসলাম বিবাহকে শুধু একটি সামাজিক চুক্তি হিসেবে নয়, বরং ইবাদত, সুন্নাহ এবং মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। বর্তমান যুগে ক্রমবর্ধমান বিবাহ বিমুখতা সমাজ ও মানবতার জন্য একটি গভীর সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

কোরআনের দৃষ্টিতে বিবাহ:

আল্লাহ তাআলা বলেন;
“আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হলো—তিঁনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও, এবং তিঁনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।”
— (সূরা রূম ৩০:২১)
এই আয়াত স্পষ্ট করে যে, বিবাহ মানুষের মানসিক প্রশান্তি, ভালোবাসা ও করুণার উৎস। বিবাহবিহীন সমাজে এই ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

আরও বলেন:
“তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও…”
— (সূরা নূর ২৪:৩২)
এখানে বিবাহকে উৎসাহিত করা হয়েছে, যা প্রমাণ করে এটি একটি সামাজিক দায়িত্বও বটে।

হাদিসের আলোকে বিবাহের গুরুত্ব
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“বিবাহ আমার সুন্নাহ। যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হয়, সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।”
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
আরও একটি হাদিসে এসেছে;
“হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে; কারণ এটি দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।”
— (সহিহ বুখারি)

বিবাহ বিমুখতার ক্ষতিকর প্রভাব:

১. নৈতিক অবক্ষয় বৃদ্ধি। বিবাহ না করলে মানুষ অবৈধ সম্পর্কের দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা সমাজে ব্যভিচার, পরকীয়া ও অশ্লীলতা বাড়ায়।
২. মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্ব।
বিবাহ মানুষের মানসিক শান্তির একটি বড় উৎস। বিবাহ বিমুখতা একাকীত্ব হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার জন্ম দেয়।
৩. পারিবারিক ব্যবস্থা ধ্বংস।
পরিবার হলো সমাজের মূল ইউনিট। বিবাহ বিমুখতা পরিবার গঠনের পথ বন্ধ করে দেয়।
৪. জনসংখ্যা সংকট ও মানবজাতির ঝুঁকি
বিবাহ ও সন্তান জন্ম না হলে মানবজাতির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে।

আধুনিক প্রেক্ষাপটে বিবাহ বিমুখতার কারণসমূহ:
অতিরিক্ত ক্যারিয়ারমুখী মানসিকতা, অর্থনৈতিক ভয় বা অজুহাত, সামাজিক মিডিয়ার প্রভাব, হারাম সম্পর্কের সহজলভ্যতা।

এখানে ইসলামের সমাধান:
সহজ বিবাহ প্রচলন করা, মোহরানা ও বিয়ের খরচ কমানো, পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা এবং যুবসমাজকে ধর্মীয় শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা।

উপসংহার:
বিবাহ বিমুখতা কেবল ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি একটি সামাজিক ও মানবিক সংকট। ইসলাম এই সমস্যার সুস্পষ্ট সমাধান দিয়েছে—বিবাহকে সহজ করা এবং উৎসাহিত করা। তাই আমাদের উচিত কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিবাহকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সমাজকে এই ভয়াবহ সংকট থেকে রক্ষা করা।

শেষ কথা:
বিবাহ হলো মানবতার রক্ষাকবচ; আর বিবাহ বিমুখতা মানবতার জন্য সত্যিই একটি চরম হুমকি।

বিবাহকে সহজ করুন, জেনা মুক্ত সমাজ গড়ুন—IMB

Address

আমতলা, আরশিনগর, মোহাম্মদপুর
Dhaka

Telephone

+8801722446038

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ideal Marriage Bureau-IMB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ideal Marriage Bureau-IMB:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram