Dr. Taslima Rahman Meem

Dr. Taslima Rahman Meem "The Mind Whisperer — guiding thoughts like the Pied Piper, but toward healing, not chaos."

25/12/2025
25/12/2025

🧠 নীরব দাম্পত্য দূরত্ব — মানসিক স্বাস্থ্য দৃষ্টিকোণঅনেক দাম্পত্য সম্পর্কে ঝগড়া নেই, তবুও ধীরে ধীরে বাড়ে আবেগগত দূরত্ব। ম...
25/12/2025

🧠 নীরব দাম্পত্য দূরত্ব — মানসিক স্বাস্থ্য দৃষ্টিকোণ

অনেক দাম্পত্য সম্পর্কে ঝগড়া নেই, তবুও ধীরে ধীরে বাড়ে আবেগগত দূরত্ব। মনোরোগবিদ্যায় একে বলা হয় — Emotional Disengagement (নীরব বিচ্ছিন্নতা)।

যা সাধারণত দেখা যায়—

• অর্থবহ কথোপকথন কমে যাওয়া
• অনুভূতি প্রকাশ এড়িয়ে চলা
• শুধু দায়িত্বভিত্তিক যোগাযোগ
• কাছাকাছি থেকেও একাকীত্ব অনুভব

অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে থাকে —

• দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ
• হতাশাজনিত আবেগগুটিয়ে থাকা
• ঝগড়ার ভয়ে কথা এড়িয়ে যাওয়া
• অপূর্ণ মানসিক অসন্তোষ

👉 সংসার চলে, কিন্তু আবেগিক সংযোগ কমে যায়।

শিশুদের উপর প্রভাব হতে পারে —
অনিরাপত্তা, চুপচাপ হয়ে যাওয়া, মনোযোগ ও আচরণে প্রভাব।

যখন পেশাদার সহায়তা জরুরি —
✔ দীর্ঘদিন অর্থবহ কথা নেই
✔ অনুভূতি শেয়ার এড়িয়ে যাওয়া
✔ সম্পর্কের ভেতর একাকীত্ব
✔ নীরবতা স্থায়ী হয়ে যাওয়া

সহায়ক হস্তক্ষেপ —
দম্পতি কাউন্সেলিং, যোগাযোগ দক্ষতা প্রশিক্ষণ, মানসিক চাপ ও মুড মূল্যায়ন।

💛 মনে রাখুন — কথা বলা ঝগড়ার শুরু নয়, এটি পুনঃসংযোগের সুযোগ।

#মানসিকস্বাস্থ্য #সম্পর্ক #পারিবারিকমানসিকস্বাস্থ্য

19/11/2025

Tired with overthiniking, do visit your psychiatrist

06/11/2025

Common myths about psychiatric drugs

ওসিডি চিকিৎসায় অবসেশনাল ডাউট : পর্ব-২🌪️ “সন্দেহের দুষ্টচক্র”—ওসিডিতে এক নীরব কষ্টের নাম🧠 অনেক ওসিডি রোগী চিকিৎসা শুরু কর...
26/10/2025

ওসিডি চিকিৎসায় অবসেশনাল ডাউট : পর্ব-২

🌪️ “সন্দেহের দুষ্টচক্র”—ওসিডিতে এক নীরব কষ্টের নাম

🧠 অনেক ওসিডি রোগী চিকিৎসা শুরু করার পর এক ধরনের “চিকিৎসা-নিয়ে সন্দেহ” এ ভোগেন।
ওষুধ ঠিকমতো কাজ করছে তো?
আমি কি আদৌ ভালো হব?
থেরাপি কি সঠিক পথে চলছে?

এই প্রশ্নগুলোই এক সময় তৈরি করে এক দুষ্টচক্র (vicious cycle) ⤵️

🔹 সন্দেহের জন্ম →
চিকিৎসা বা ওষুধ নিয়ে মনে সন্দেহ তৈরি হয়।

🔹 উদ্বেগ বৃদ্ধি →
সেই সন্দেহ থেকে জন্ম নেয় তীব্র মানসিক অস্থিরতা।

🔹 আশ্বাস খোঁজা →
রোগী বারবার চিকিৎসক বা প্রিয়জনের কাছে আশ্বাস খোঁজেন।

🔹 অস্থায়ী স্বস্তি →
আশ্বাসে সাময়িক স্বস্তি মেলে, কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সন্দেহ আবার ফিরে আসে।

🔁 চক্রের পুনরাবৃত্তি →
এইভাবে সন্দেহ–উদ্বেগ–আশ্বাস–স্বস্তি—আবার সন্দেহ... এক অন্তহীন চক্র।

💡 এই চক্র ভাঙার উপায় কী?

✅ খোলামেলা আলোচনা করুন — নিজের সন্দেহ চিকিৎসকের সঙ্গে ভাগ করুন।
✅ রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন — সচেতনতা নিজেই একধরনের থেরাপি।
✅ অনিশ্চয়তাকে মেনে নিতে শিখুন — সব উত্তর জানা না থাকাও স্বাভাবিক।
✅ বারবার আশ্বাস খোঁজার অভ্যাস কমান — এটি সন্দেহকে বাড়ায়।
✅ মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন করুন — বর্তমান মুহূর্তে থাকুন।
✅ ধৈর্য ধরুন — ওসিডি চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ হলেও কার্যকর।

🌱 শেষ কথা:
ওসিডির চিকিৎসায় সন্দেহ একটি সাধারণ, কিন্তু চ্যালেঞ্জিং বিষয়।
সঠিক জ্ঞান, মানসিক প্রস্তুতি ও বিশেষজ্ঞের সহযোগিতায়
এই দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। 💚

✨ সচেতন থাকুন, সহানুভূতিশীল হোন।
🩺 মানসিক স্বাস্থ্যও আপনার সুস্থতার অংশ।

📍Dr. Taslima Rahman
Psychiatrist | Mental Health Awareness Advocate

23/10/2025

Nurture your mental health

16/10/2025

টাইফয়েড ভ্যাক্সিন নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান বিশেষজ্ঞদের
--------
ফেসবুকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন সংক্রান্ত একটি লেখা ভাইরাল হয়েছে। লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন এবং ডিজিজ এপিডেমিওলজি সম্পর্কে তার কোন ধারনা নেই। তার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে পরে বলছি, প্রথমে তার লেখার দাবিগুলো ডিবাংক করি।

লেখক দাবী করেছেন আইসিডিডিআরবি নাকি গবেষণায় পেয়েছে দেশে টাইফয়েড আক্রান্তের হার ১% এবং সেখান থেকে বলতে চেয়েছেন ১০০ জনে ৯৯ জনেরই প্রাকৃতিকভাবে টাইফয়েড হয়না। প্রথমত,
আইসিডিডিআরবি এ ধরনের কোন গবেষণা করেনি। এটা আমার কথা না, জানিয়েছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের এসিস্টেন্ট সায়েন্টিস্ট ডা: গাজী সালাহউদ্দীন মামুন। বরং তাদের ACORN-HAI গবেষণায় তারা দেখেছেন ২ বছরে (২০২৩-২৪) হাসপাতালে ডায়রিয়া ও অন্যান্য ইনফেকশন নিয়ে ভর্তি হওয়া ৮২৯ জন রোগীর মাঝে ২৪৯ জনের (৩০% এর বেশি) রক্তে টাইফয়েড জীবানু বিদ্যমান।

এ সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় গবেষণাটি হয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তান এই তিন দেশ মিলিয়ে "এশিয়া প্রজেক্ট"-এ। ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার ২টি হাসপাতালের আউটডোরে যারা ৩ বা তার চেয়ে বেশি দিনের জ্বর নিয়ে এসেছে, ইনডোরে যারা সম্ভাব্য টাইফয়েড জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং কোন রকম আঘাত ছাড়া ক্ষুদ্রান্তের ছিদ্র নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং এমন ১৭,৪৪১ জনের মাঝে ৪৮৭৩ জনের (২৮%) রক্তে নিশ্চিতভাবে টাইফয়েডের জীবানু পাওয়া গেছে।

নেপালে ২২% এবং পাকিস্তানে ২৫% লোকের ক্ষেত্রে টাইফয়েডের জীবাণু পাওয়া গেছে। এই গবেষণায় আরও বলেছে বাংলাদেশে সমগ্র জনগোষ্ঠীতে নতুনভাবে টাইফয়েড (ইনসিডেন্স) রোগে আক্রান্তের হার প্রতি লাখে ৯১৩ জন (~১%)। ভাইরাল লেখাটির লেখক মূলত এই হিসাবটিই দিয়েছেন। এবং এখান থেকেই দাবী করেছেন ৯৯% লোক টাইফয়েড আক্রান্ত হয়না প্রাকৃতিকভাবে। গবেষণাটি আইসিডিডিআরবির নয়।

১% ব্যাপারটি খুবই কম মনে হতে পারে আপাত দৃষ্টিতে। তাই চলুন অন্যান্য রোগের সাথে তুলনা করি। বাংলাদেশে ১৯৯০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন রোগের হার ভিত্তিক সবচেয়ে বড় গবেষণা যেটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিখ্যাত জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত হয়েছে তার একজন ক্ষুদ্র সহলেখক ছিলাম আমি। আমাদের সেই গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সকল ধরনের ক্যান্সার এর হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৫৩০ জন (০.৫৫%), সকল ধরনের হৃদরোগের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৪৩৫৫ জন (৪.৫%), স্ট্রোকের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৮৩৪ জন (০.৮৭%)।

এই হিসাব থেকে কি বলা যায় যে প্রাকৃতিকভাবে দেশের ৯৯.৪৫% লোকের ক্যান্সার হবে না, ৯৫.৫% লোকের হৃদরোগ হবে না কিংবা ৯৯.১৩% লোকের স্ট্রোক হবে না? না, এটা বলা যায় না কারন মানুষের বয়স, ঝুকি, লিঙ্গ, অভ্যাস, ইত্যাদি নানা কিছুর ভিত্তিতে ঝুকির মাত্রা পরিবর্তি হয়। সহজ একটি উদাহরন দেই, ল্যানসেটে প্রকাশিত আমাদের গবেষণাটিতে আমরা পেয়েছি বাংলাদেশে ২০১৯ সালে সব ধরনের কারন জনিত মৃত্যুর হার ছিলো প্রতি লাখে ৭১৪ জন (০.৭১%)। তাহলে কি বলা যায় বাংলাদেশে ৯৯.২৯% লোকের কখনো মৃত্যু হবে না?!

অদ্ভূত শোনাচ্ছে না? ঠিক তাই, রাজিব সাহেবের হিসাবও একই রকম বাস্তবতা বিবর্জিত। বাস্তবে বর্তমান সময়ে প্রতি ৪ জনে ১ জন (২৫%) ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুকিতে আছেন। ২০১৯ সালে সকল মৃত্যুর কারনে মাঝে স্ট্রোক ছিলো ১ নাম্বার, ২য় কারন হৃদরোগ, ৩য় প্রধান কারন শ্বাসতন্ত্রের ক্রনিক রোগ।

ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণাটিতে আমরা দেখেছি বাংলাদেশে প্রতি লাখে ৫ জন টাইফয়েডে মৃত্যুবরণ করে যা মোট জনসং্খ্যার হিসেবে বছরে প্রায় ৮০০০ জন। এদের মাঝে ৬৮% শিশু, অর্থাৎ ৫৪৪০ জন শিশু। টাইফয়েড টিকার কার্যকারিতা ৮৫%, তাহলে এই ৬৮০০ জনের অন্তত ৪৬২৪ জন শিশু টিকার কারনে বেচে যাবে। এছাড়াও আরও হাজার হাজার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে বাচবে।

টাইফয়েড রোগের কেস ফ্যাটালিটি রেট অর্থাৎ এই রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২.৫% অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনে আড়াই জন মারা যেতে পারে। কোভিডের শুরুর দিকে এই হার ছিলো ২-৫% আর তাতেই সারা বিশ্ব বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। ভাগ্য ভালো যে টাইফয়েড হাচি কাশি বা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। মৃত্যু ছাড়াও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকের ক্ষুদ্রান্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া, রক্তপাত, লিভার ফেইলউর, সেপসিস এমনকি পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।

নিকটাত্মীয়দের মাঝে আমার বড় মামার টাইফয়েড জনিত কারনে পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে গিয়েছিলো। খুজলে এমন আরও অনেককেই পাবেন। আধুনিক যুগে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক এর কারনে টাইফয়েড এর চিকিৎসা সহজ হয়েছে কিন্তু ঘন ঘন অপিরিমিত মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারনে জীবাণুরা এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়ছে। দেখা গেছে আগে ছোট খাট এন্টিবায়োটিক খেলে সেরে যেত কিন্তু এখন উচ্চমাত্রা দামী রিসার্ভ এন্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসার খরচ ও বাড়ছে।

লেখক দাবী করেছেন টাইফয়েডের ভ্যাকসিন ইউরোপ আমেরিকায় দেয়া হয়না। ঠিক, কেননা সে দেশে টাইফয়েড এর জীবানু নেই। টাইফয়েড এর জীবাণু দক্ষিন এশিয়ায় বেশি তাই এখানে টিকা দেয়া হয়। এটাই গণ টিকার নিয়ম, যে দেশে যে রোগ বেশি সে দেশে সেই টিকা। একই কারনে ইউরোপ আমেরিকায় যক্ষার টিকা দেয়া হয়না।

আমি ইংল্যান্ডে ৪ বছর থেকেছি, বর্তমানে কানাডায় আছি। এসব যায়গায় গণটিকা দেয়া হয় মিজেলস, মামপ্স, হেপাটাইটিস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস সহ নানা রোগের বিরুদ্ধে। এছাড়াও প্রতি সিজনে ইনফ্লুয়েঞ্জা এর টিকাও দেয়া হয় বিনামূল্যে, বয়স্কদের দেয়া হয় হার্পিস জুস্টারের টিকা। আমাদের দেশে এগুলোর প্রচলন নেই। অনেকে নিজ পয়সায় কিনে নেন। টাইফয়েড অনেক মানুষ বিশেষ করে শিশুদের আক্রান্ত করে বলেই সরকার পয়সা খরচ করে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।

লেখক রাজিব সাহেব বলছে এতে ওষুধ কোম্পানির লাভ। টাইফয়েড এই টিকার দাম ২-৩ হাজার টাকা বড়জোর, অন্যদিকে টাইফয়েড আক্রান্ত হলে ৭-১৪ দিনের এন্টিবায়োটিক, জ্বর ও অন্যান্য লক্ষণ নিরাময় মিলিয়ে ওষুধের মোট খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেটার আলাদা খরচ এবং রোগ জটিল হলে সামগ্রিক খরচ বেড়ে লক্ষাধিক টাকা হয়ে যেতে পারে। সুতরাং ভ্যাকসিন দিয়ে সবাইকে সুরক্ষিত করাটা ওষুধ কোম্পানির জন্য বেশি লাভজনক নাকি এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ বিক্রি করা বেশি লাভ জনক?

টাইফয়েডের যে ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে সেটি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত। এটি কোন পরীক্ষালব্ধ ভ্যাকসিন নয়। এর কার্যকারিতা প্রমানিত। এটি নেপাল ও পাকিস্তানেও দেয়া হয়েছে, ভারতের অনেকগুলো রাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, ইরাক, ঘানা, লাইবেরিয়া, জিম্বাবুয়ে সহ বহু দেশে এই ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। কানাডায় টাইফয়েড জীবাণু নেই তবে কানাডিয়ানরা এই সব দেশের কোনটিতে যেতে চাইলে ভ্রমণ সতর্কতা হিসেবে টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিতে বলে।

এবার আসি লেখক রাজিব আহামেদ এর কথায়। এই ব্যক্তি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন। তিনি একজন সেলস ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট অর্থাৎ ব্যবসায়িক পণ্য বিপনন সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ। সেলস নিয়ে তিনি কর্পোরেট ট্রেনিং দেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ ও জার্নালিজম ডিপ্লোমা। তিনি নিজেকে স্বাস্থ্য গবেষক বলে পরিচয় দেন কিন্তু তার কোন প্রকাশিত গবেষণা পত্র নেই। তবে তিনি বাংলায় স্বাস্থ্য বিষয়ক ও মার্কেটিং বিষয়ক নানা বই লিখেছেন। তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক বই লেখা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্পোরেট কর্মশালার আয়োজন করেন যার ফি ২০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত! অর্থাৎ তার একটি সেশনের মূল্য টিকার দামের চেয়ে বেশি।

অবধারিতভাবেই তিনি তার স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা প্রপাগান্ডা বিশ্বাসযোগ্য করতে ধর্মের আশ্রয় নেন। অথচ টাইফয়েড টিকা গ্রহণের ব্যাপারে উৎসাহিত করে বক্তব্য দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ইসলামি পন্ডিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বনামধন্য জনাব আ ফ ম খালিদ হোসেন (লিংক প্রথম কমেন্টে)। ধর্মীয় রেফারেন্সের ক্ষেত্রে খালিদ হোসেনে ভরসা রাখবেন নাকি মার্কেটিং গুরু রাজীব আহামেদে?

তবে আমি যেহেতু বাংলাদেশে থাকি না, বাংলাদেশে রোগীদের চিকিৎসায় যুক্ত নই, কোন ওষুধ কোম্পানির সাথে জড়িত নই, স্বাস্থ্য বিষয়ক কোন বই লিখি না বা ২৫ হাজার টাকার ওয়ার্কশপ করাই না তাই এই লেখার পেছনে আমার কোন কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট বা স্বার্থ জড়িত নেই। রাজিব আহমেদ এর ক্ষেত্রে আছে। তবুও আমার কথা বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে নিজেই খুজে দেখতে পারেন, আমি কমেন্টবক্সে আমার দেয়া তথ্যের রেফারেন্স যোগ করেছি। গবেষণা প্রবন্ধ পড়ার অভ্যাস না থাকলে আপনি চ্যাট জিপিটিকেও জিজ্ঞেস করতে পারেন।

মোদ্দাকথা হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক দেখে কোন ইনফ্লুয়েন্সার এর কথায় বিভ্রান্ত হবেন না বিশেষ করে স্বাস্থ্য তথ্যের ব্যাপারে। তথ্য দেখলে তা যাচাই করুন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যেমন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসি, এফডিএ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সেবা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বৈজ্ঞানিক জার্নাল। শিক্ষিত হোন, সচেতন হোন যেন কেউ আপনাকে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

লেখক:
ডা. মো: মারুফুর রহমান
এমবিবিএস, এমপিএই (এপিডেমিওলজি), এমএসসি (মলিকুলার মেডিসিন),
পিএইচডি ক্যান্ডিডেট
ডিভিশন অফ ক্লিনিক্যাল মেডিসিন,
দ্যা ইউনিভার্সিটি অফ শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য
dr.marufrhmn@gmail.com

ওসিডি রোগীর চিকিৎসায় 'অবসেশনাল ডাউট': এক জটিল চক্র 🌀পর্ব-১অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) একটি জটিল মানসিক রোগ, যেখা...
08/10/2025

ওসিডি রোগীর চিকিৎসায় 'অবসেশনাল ডাউট': এক জটিল চক্র 🌀
পর্ব-১

অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) একটি জটিল মানসিক রোগ, যেখানে আবেশ বা অবসেসন এবং তাড়না বা কম্পালসন—এই দুটি বিষয় রোগীর জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসাজনিত একটি বিশেষ সমস্যায় ভোগেন, যাকে বলা হয় 'অবসেশনাল ডাউট' বা অযাচিত সন্দেহ। এই সন্দেহ চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় এক নতুন জটিলতা তৈরি করে, যেখানে রোগী কেবল রোগ নিয়ে নয়, বরং তার চিকিৎসার কার্যকারিতা নিয়েও অবিরাম সন্দেহে ভোগেন।

কেন হয় এমন সন্দেহ?
চিকিৎসার সময় এই সন্দেহ নতুন রূপ নেয়, যা রোগীর সুস্থতার পথে বাধা তৈরি করে। চলুন জেনে নেই এর কিছু কারণ:

ওষুধ কাজ করছে কি না: ওসিডি’র ওষুধ (যেমন—এসএসআরআই) কাজ করতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস সময় লাগে। কিন্তু রোগীর আবেশিক সন্দেহ তাকে এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ধৈর্য রাখতে দেয় না। ফলে তার মনে প্রশ্ন জাগে, ওষুধটি আদৌ কাজ করছে কি না?

ডোজের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ: অনেক রোগী দ্বিধায় ভোগেন যে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধের ডোজ কি সঠিক? ডোজ বেশি হলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয় এবং কম হলে কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ তাদের মনে অশান্তি তৈরি করে।

চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ: ওষুধের পাশাপাশি যে থেরাপি (যেমন: কগনিটিভ বিহেভিয়েরাল থেরাপি বা এক্সপোজার অ্যান্ড রেসপন্স প্রিভেনশন) দেওয়া হয়, তা নিয়েও রোগীর মনে আবেশিক সন্দেহ বাসা বাঁধতে পারে। রোগী ভাবতে পারেন, "থেরাপিস্টের পরামর্শ কি আমার জন্য ঠিক?" বা "এই থেরাপি কি আদৌ আমাকে সাহায্য করতে পারবে?"

রোগের নির্ণয় নিয়ে সন্দেহ: অনেক ক্ষেত্রে রোগী নিজের রোগ নির্ণয় নিয়েও সন্দেহ করে। তারা প্রশ্ন করে, "আমার কি সত্যিই ওসিডি আছে, নাকি অন্য কিছু?" এই ধরনের সন্দেহ তাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে।

এই জটিল চক্র থেকে মুক্তির পথ কী?
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমরা জানি, এই 'অবসেশনাল ডাউট' চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রোগীর সন্দেহগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে, তাদের সাথে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। রোগীর পরিবারের সদস্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

#ওসিডি #মানসিকস্বাস্থ্য #অবসেশনালডাউট #মনোরোগবিশেষজ্ঞ #মানসিকসুস্থতা #থেরাপি #সন্দেহ #চিকিৎসা

✨ অভিভাবকত্বে বাবার ভূমিকা ✨আমরা সন্তান লালন-পালনে মায়ের গুরুত্ব নিয়ে প্রায়ই আলোচনা করি। মা-ই প্রথম শিক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক...
17/09/2025

✨ অভিভাবকত্বে বাবার ভূমিকা ✨

আমরা সন্তান লালন-পালনে মায়ের গুরুত্ব নিয়ে প্রায়ই আলোচনা করি। মা-ই প্রথম শিক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক, লালন-পালনকারী। তার দায়িত্বের শেষ নেই। কিন্তু একটি প্রশ্ন — বাবার ভূমিকা কোথায়?

🔹 ইসলাম বলে, বাবা হলেন পরিবারের কওয়াম— রুটি-রুজির যোগানদাতা, অভিভাবক। কিন্তু তাঁর দায়িত্ব কেবল মাথার উপর ছাদ দেওয়া বা খাবার জোগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সন্তানদের অন্তর, তাদের আবেগ, তাদের আচার-আচরণ গঠনে বাবার ভূমিকা অপরিসীম।

💡 সবচেয়ে বড় শিক্ষা বাবা সন্তানদের দিতে পারেন — তাদের মায়ের প্রতি ভালো আচরণ করে। রসূল ﷺ এর সুন্নাহ এটাই শেখায়। যখন সন্তান দেখে, বাবা মায়ের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করছেন— তখন বাচ্চারাও তা অন্তরে ধারণ করে। তারা নিরাপদ বোধ করে, ঐক্যের শক্তি শেখে, সম্মান করতে শেখে।

কিন্তু যদি সন্তান মাকে অবহেলিত, অসম্মানিত, ক্লান্ত বা একা দেখে— তবে তা তাদের অন্তরে ক্ষত তৈরি করে, যা আমরা বুঝতেই পারি না।

🚨 আপনি কি জানেন?
২০২৪ সালের UN রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে নারীদের প্রতি সহিংসতার হার এখনও অত্যাধিক। প্রায় প্রতি তিনজনের মধ্যে দুইজন (৭২.৬ শতাংশ) কখনও না কখনও তাদের জীবনে সঙ্গীর সহিংসতার শিকার হয়েছেন, এবং অর্ধেকেরও বেশি (৫৪.৭ শতাংশ) গত ১২ মাসে এই সহিংসতার অভিজ্ঞতা পেয়েছেন।

🔴 এর ভয়াবহ প্রভাব—
• যে ছেলে মাকে নির্যাতিত হতে দেখে, তার ভবিষ্যতে নিজের স্ত্রী/সঙ্গীকে নির্যাতন করার সম্ভাবনা ১০ গুণ বেশি।
• যে মেয়ে বাবাকে মাকে মারতে দেখে বড় হয়, তার যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ৬ গুণ বেশি।
💔 শুধু তাই নয়—
শৈশবে যেসকল শিশু নির্যাতনের শিকার হয় বা এর সাক্ষী থাকে, তাদের বড় হয়ে দেখা দিতে পারে:
👉 বিষণ্নতা ও উদ্বেগ
👉 আত্মসম্মানহীনতা
👉 ব্যক্তিত্বের সমস্যা
👉 আরও নানা দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা

🌿 তাই, একজন বাবা যদি সত্যিই চান সন্তান যেন সুস্থ মানসিকতার মানুষ হয়ে বড় হয়— তবে প্রথম কাজ হলো সন্তানের মায়ের প্রতি সুন্দর আচরণ করা।
কারণ —
👉 যখন মা সমর্থন, সম্মান ও ভালোবাসা পান, তখন তিনি বিকশিত হন।
👉 আর যখন মা বিকশিত হন, তখন সন্তানও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।
❤️ পরিবারের সুর বাবা-ই ঠিক করেন। আর এই সুরই সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।

📌 প্রিয় বাবারা, মনে রাখুন: আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হচ্ছে তার মায়ের প্রতি আপনার সম্মান।

Conducted this basic first aid training as a resource person in the factory premises for developing skillful workers in ...
17/09/2025

Conducted this basic first aid training as a resource person in the factory premises for developing skillful workers in Bangladesh

“মা, তুমি সবসময় তোমার ফোনে থাকো।”আমার মেয়ের এই কথাটাই ছিল আসলে আমার ঘুম ভাঙার ডাক।আমাদের বাচ্চারা আমাদের চোখের সামনেই ...
15/09/2025

“মা, তুমি সবসময় তোমার ফোনে থাকো।”
আমার মেয়ের এই কথাটাই ছিল আসলে আমার ঘুম ভাঙার ডাক।

আমাদের বাচ্চারা আমাদের চোখের সামনেই বড় হচ্ছে।
কিন্তু আমরা যখনই ভেবে না দেখে ফোন হাতে নেই, তখন আমরা হারিয়ে ফেলি সেই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো—যা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।

📱 আজ একটু থেমে ভাবুন—
ফোন কীভাবে আমাদের আর আমাদের সন্তানের মাঝে নীরবে দেয়াল তুলে দিচ্ছে? এখানে আছে ১০টি ব্যাখ্যা:

১️⃣ Emotional connectivity কমে যায়
হঠাৎ হাসি, “মা, এটা দেখো!”, কিংবা হঠাৎ একখানা আলিঙ্গন—আমরা মনোযোগ না দিলে এসবই মিস হয়ে যায়।

২️⃣ তারা শেখে Divided attention স্বাভাবিক
যখন তারা দেখে আমরা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আধা-মনোযোগে শুনছি, তখন তারা ভাবে যেকোনো conversation এ পূর্ণ মনোযোগ না দিলেও হয়।

৩️⃣ একঘেয়েমি সহ্য করার শক্তি হারায়
প্রতিটি ফাঁকা সময় যদি আমরা স্ক্রলিংয়ে ভরি, তারা ভাবে নীরবতা মানেই অস্বস্তি, উদ্দীপনা মানে শান্তি ।

৪️⃣ সন্তান হীনমন্যতায় ভোগে
শিশু ভাবে—“মা যদি আবার ফোন বেছে নেয়, তবে আমি হয়তো ততটা গুরুত্বপূর্ণ নই।”

৫️⃣ সময় চোখের পলকে উড়ে যায়
একটু স্ক্রল করতে গিয়ে দেখি আধা ঘণ্টা উধাও। সেই সময়টা ইবাদত, ঘর, বা সন্তানদের জন্য বরাদ্দ হতে পারতো।

৬️⃣ Dilemma তৈরি হয়
আমরা যদি সবসময় ফোনে থাকি, তবে তাদের ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ আসলে কতটা কার্যকর?

৭️⃣ অমূল্য স্মৃতিগুলো হারিয়ে যায়
কিছু মুহূর্ত একবার চলে গেলে আর কোনো ছবি বা ভিডিওতে ধরা যায় না।

৮️⃣ আসল আনন্দ ঝাপসা হয়ে যায়
যখন আমরা ফাঁকা সময় পূরণ করি শুধু বিনোদনে, তখন বাচ্চারা পারিবারিক সময়ের চেয়ে ডিভাইস কে ভাবে আনন্দের উৎস ।

৯️⃣ আমাদের Emotional strength কমে যায়
ফোন নিঃশব্দে আমাদের ঘরের শক্তি আর প্রশান্তি শুষে নেয়।

১০⃣ আমানতের প্রতি অবহেলা
আমাদের সন্তানরা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মূল্যবান আমানত। প্রতিবার যখন আমরা তাদের বদলে বিভ্রান্তিকে বেছে নিই, তখন একদিন হয়তো মনে হবে—ইশ! যদি আরেকটু ভিন্নভাবে প্রায়োরিটি সেট করতে পারতাম।

💭 আজ একবার ফোনটা একটু দূরে রাখুন।
হয়তো সেই ছোট্ট মুহূর্তটাই ধরা দেবে, যা আপনার সন্তানের মনে সারা জীবন থেকে যাবে। 🌸

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Taslima Rahman Meem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category