Travelling With Stethoscopes

Travelling With Stethoscopes Doctor Couple
Shehzaib, Our Son ❤️
Bangladeshi 🇧🇩
Travelling is LIFE 🇲🇻🇧🇹🇳🇵🇮🇳🇮🇩🇱🇰🇸🇬🇲🇾

21/04/2026

মালাই লাচ্ছি 🧿❤️

শুভ সকাল ❤️
21/04/2026

শুভ সকাল ❤️

08/04/2026

Copied and Pasted from Marufur Rahman Opu Sir:

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশুরোগ বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ শাকিল আহমেদ স্যার চমৎকারভাবে হামের টিকা ক্যাম্পেইন বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মিজেলস আউটব্রেক রেসপন্স গাইডলাইন ২০২২ এবং ইমিউনোলজিক্যাল বেসিস অফ ইমিউনাইজেশন মডিউল ৭ এর আলোকে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন যা সাধারণ মানুষের জানা জরুরী।

১) আমার বাচ্চাকে কি চলমান হামের টিকা ক্যাম্পেইনে টিকা দেবো?
- আপনার বাচ্চার বয়স যদি ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস (৫ বছর) এর মাঝে হয় তাহলে অবশ্যই টিকা দেবেন। আগে হামের টিকা যে কয় ডোজই দেয়া থাকুক তার সাথে এর সম্পর্ক নেই এমনকি আগে হাম হয়ে থাকলেও চলমান ক্যাম্পেইনে টিকা দিয়ে দেবেন।

২) আমার বাচ্চার ৯ মাস ও ১৫ মাসে দুই ডোজ হামের টিকা পেয়েছে। আবারও কি এই ক্যাম্পেইনে টিকা দেবো?
- হ্যাঁ দেবেন, কোন অসুবিধা নেই। ৬০ বছর ধরে এই টিকা সারা পৃথিবীতে চলছে এবং এটি নিরাপদ টিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

৩) আমার বাচ্চার ৯ মাসে প্রথম ডোজ পেয়েছে, এখন ১১ মাস। ১৫ মাসে ২য় ডোজ পাবার কথা। তাকে কি এখন টিকে দেবো?
- হ্যাঁ দেবেন, ১১ মাসে এখন টিকা দেবেন, ১৫ মাসের টা ১৫ মাসে থাকবে আগের মতই। কারন এখন সারাদেশে হামের আউটব্রেক চলছে। এই সময়ে আক্রান্তের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এটি নিয়মিত ডোজের পাশাপাশি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে দেয়া হচ্ছে।

আউটব্রেক পরিস্থিতিতে টিকাদানের সাধারণ নিয়ম অনেকক্ষেত্রে পরিবর্তন করা হয়। যেমন হামের টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয় ৯ মাসে। এর আগ পর্যন্ত বাচ্চা সুরক্ষিত থাকে টিকা নেয়া মায়ের কাছ থেকে আসা এন্টিবডি দিয়ে কিন্তু তা ক্রমশ কমতে থাকে ৩ মাসের পর। ৯ মাসের আগে টিকা দিলে টিকার ইমিউনাইজেশন রেসপন্স একটু কম হয় ৯ মাসের তুলনায়। তাই ৬ মাসে টিকার রেসপন্স কিছুটা কম হলেও আউটব্রেক পরিস্থিতিতে তা বাচ্চাদের অনেকাংশে সুরক্ষা দিতে সক্ষম। পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান শিডিউল (৯ মাস ও ১৫ মাস) চালু রাখতে হবে পুর্ণমাত্রায় সুরক্ষার জন্য। অর্থাৎ ৬ মাসে টিকা নেয়া বাচ্চা ৩ ডোজ টিকা পাবে।

৪) আমার বাচ্চা ৮ মাস ১০ দিনে টিকা নিয়েছে। পরের ডোজ কি ৯ মাসে নেবে?
- একটি কথা মনে রাখতে হবে দুটি টিকার ডোজের মাঝে ব্যবধান থাকতে হবে ২৮ দিন। যেমন কেউ ৮ মাস ১০ দিন বা ২০ দিনে টিকা দিলে তার পরের ডোজ ৯ মাসে হবে না, তার কিছুদিন পরে হবে (ন্যুনতম ২৮ দিন হিসাব করে)।

৫) ব্লাড ট্রান্সফিউশন এর ক্ষেত্রে টিকা নেয়া যাবে?
- কেউ যদি ব্লাড ট্রান্সফিউশন/প্লেটিলেট/প্লাজমা ইত্যাদি দিলে স্বাভাবিক সময়ে টিকাদান এর সময় কিছুটা পেছানো হয়। কিন্তু আউটব্রেক পরিস্থিতিতে এটিও শিথিল। অর্থাৎ ব্লাড প্রোডাক্ট ট্রান্সফিউশনের কারনে টিকাদান দেরি করা যাবে না।

৬) বাচ্চা স্টেরয়েড পাচ্ছে কিংবা কেমোথেরাপি নিচ্ছে, তারা টিকা নিতে পারবে?
- কোন বাচ্চা যদি হাই ডোজ স্টেরয়েড পান কিংবা ক্যান্সারের জন্য কেম থেরাপি নিতে থাকে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এর সরাসরি পরামর্শ মেনে টিকা নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭) আমার বাচ্চার জ্বর/সর্দি কাশি সেক্ষেত্রে টিকা নিতে পারবে?
- অল্প জ্বর বা সর্দি কাশি হলে নিতে পারবে। কিন্তু অনেক জ্বর, হাসপাতালে ভর্তি হবার মত অসুস্থতা থাকলে বা এই মুহুর্তে শরীরে হাম থাকলে এই মুহুর্তে হামের টিকা নেয়া যাবে না।

মিজেলস তথা হামের টিকা অত্যন্ত নিরাপদ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই সামান্য। অন্যান্য টিকার মতই কোন কোন বাচ্চার এই টিকা নেবার পরে টিকাদানের স্থানে হালকে ফুলে যেতে পারে, ব্যথা হতে পারে, হালকা জ্বর আসতে পারে, শরীরের কোথাও কোথাও র‍্যাশ হতে পারে, এগুলো মিজেলস ভ্যাকসিনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

হামের জন্য সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। চিকিৎসকেরা আক্রান্ত রোগীকে ভিটামিন এ দেন হামের প্রভাব থেকে চোখ রক্ষা করতে ও নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষা বাড়াতে। সুতরাং সবচেয়ে বিচক্ষণ কাজ হচ্ছে টিকা দেয়া। আপনার বাচ্চার বয়স ৬ মাস থেকে ৫ বছর হলে অবশ্যই চলমান ক্যাম্পেইনে টিকা দেবেন আগে বা পরের নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে। এতে আপনার বাচ্চা যেমন সুরক্ষা পাবে তেমনি হার্ড ইমিউনিটি বৃদ্ধির কারনে সারাদেশের সকল বাচ্চা সুরক্ষা বলয়ে চলে আসবে।

অধ্যাপক ডাঃ শাকিল আহমেদ স্যারকে অশেষ ধন্যবাদ এই তথ্যগুলো জানানোর জন্য। স্যারের মূল ভিডিওটির লিংক কমেন্টে।

ডা. মোঃ মারুফুর রহমান
চিকিৎসক ও গবেষক
এমবিবিএস, এমপিএইচ, এমএসসি, পিএইচডি

হামের টিকা দিন।
04/04/2026

হামের টিকা দিন।

Small capsule, Big protection—Vitamin A in Measles!
31/03/2026

Small capsule, Big protection—Vitamin A in Measles!

29/03/2026

জ্বর,চোখ লাল,ঠান্ডা কাশি,শরীরে র‍্যাশ হামের লক্ষন।অবশ্যই ডা: দেখাবেন।

29/03/2026

সুই*সাইড করতে গিয়েও একদম শেষ মুহুর্তে ফিরে এসেছে এমন একজনের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছিল।

আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- কার জন্যে সুই*সাইড করতে গিয়েছিলেন?
মেয়েটা নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল- একটা ছেলের জন্যে।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম - তাহলে সুই*সাইড করার শেষ মুহুর্ত থেকে ফিরে আসলেন কিভাবে?

মেয়েটা বলল- আমি ফ্যানের সাথে ঝুলে ফাঁ*স দিতে গিয়েছিলাম। ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায়ও লাগিয়ে ফেলেছিলাম।

নিচের চেয়ারটা পা দিয়ে ফেলে দিলেই আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে। বাসায়ও তখন কেউ ছিল না যে আমাকে বাঁচাবে।

কি মনে করে যেন চেয়ার না ফেলেই গলার ওড়না পেচিয়ে অনেকক্ষণ যাবত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কেমন যেন পাথরের মত লাগছিল নিজেকে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - তারপর কি এমন হলো যে বেঁচে ফিরলেন?
মেয়েটা বলল- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার মাথায় অনেকগুলো ভাবনা আসছিল তখন। যৌক্তিক কোন ভাবনা না, এলোমেলো সব চিন্তাভাবনা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি ভাবনা?

মেয়েটা জবাব দিল- দেখুন যে ছেলেটার জন্যে আমি আ*ত্মহ*ত্যা করতে গিয়েছিলাম আমার মৃত্যুতে তার কোন ক্ষতিই হবে না। কোন অনুশোচনাও হবে না।

সে বরং আমাকে বাদ দিয়ে যাকে বিয়ে করেছে সে মেয়েকে নিয়েই সুখে শান্তিতে দিন কাটাবে।

দিব্যি হেসেখেলে দিন পার করবে। মাঝখানে থেকে যা ক্ষতি হবার সব আমারই হবে। আমি ভেবেছিলাম আমার আ*ত্মহ*ত্যার মাধ্যমে ওকে বুঝাব, আমি ওকে কতটা ভালোবাসি।

কিন্তু সবশেষে মনে হলো আমার মৃত্যুটা ওর কাছে খুব বেশি হলে অপমৃত্যু মনে হবে এর চাইতে বেশি কিছু না।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - এগুলো মনে হবার পরই ফাঁস খুলে নেমে পড়েছিলেন.?
মেয়েটা উত্তর দিল- না। তখন আমার পুরনো অনেক স্মৃতিই মনে পড়েছিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি স্মৃতি?

মেয়েটা বলল- বিয়ের অনেকদিন পর্যন্ত আম্মুর বাচ্চা হচ্ছিল না। এটা নিয়ে দাদু বাড়ির সংসারে সবসময় নানান অশান্তি হতো। তারপর দীর্ঘ ছয় বছর পর আমি জন্মাই।

আম্মু বলেছিল আমি না-কি অনেক ছোট অবস্থায় জন্মেছিলাম। আমার ওজন ছিল মাত্র ১৩০০ গ্রাম।
বাঁচব কি-না সেটা নিয়ে ডাক্তাররা আশঙ্কায় ছিলেন।আব্বুও অনেক ভেঙে পড়েছিলেন।

আব্বু কখনো ওঝা, কবিরাজ এসবে বিশ্বাস করতেন না। শুধুমাত্র আমার কথা চিন্তা করে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরের এক কবিরাজের কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

কবিরাজ নাকি বাবাকে অনেকগুলো কঠিন শর্ত দিয়েছিল। তিনদিন আব্বুকে শুধু পানি আর চিড়া খেয়ে কাটাতে হবে। আরও কি কি যেন শর্ত দিয়েঠিল।

আব্বু সবকিছু করেছিলেন শুধুমাত্র আমাকে বাঁচানোর জন্যে।

অনেক কষ্ট করে আব্বু আম্মু মিলে আমাকে একটু একটু করে বড় করেছেন। সে-ই আমি কিনা একটা ছেলের জন্যে নিজেকে শেষ করে ফেলব। নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছিল তখন।

অনেকক্ষণ ওভাবেই গলায় ওড়না পেচিয়ে চেয়ারটাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এলোমেলোভাবে তখন এসব ভাবনা বারবার আসছিল মাথায়।

তারপর ওভাবে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটা সময় পর নেমে আসি। ফাঁস খুলে ফেলি। তারপর চুপচাপ টেবিলে বসে অনেকক্ষণ যাবত বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

বাইরে গাছের পাতা নড়তেছে, পাখিরা উড়তেছে।ভাবছিলাম আমি মারা গেলে গাছের একটা পাতা নড়াও থামবে না, পাখিরাও আগের মতই উড়বে।

কারো কিচ্ছুই হবে না। যা হবার সব আমার আর বাবা-মায়েরই হবে। এগুলো আগে কখনো নোটিশ করা হয়নি, ওইদিন বসে বসে করেছিলাম। তারপর সুই*সাইড নোটটাও ছিঁড়ে ফেলেছিলাম।

এতক্ষণ যাবত মেয়েটার কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনছিলাম আমি।

মেয়েটা আবারও বলতে শুরু করল- অনেকক্ষণ বসে থাকার পর কি করব ভেবে না পেয়ে একটু চা বানাতে গেলাম। অনেক সময় নিয়ে, যত্ন করে বানালাম। খেয়ে দেখলাম অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।

আমি তেমন একটা চা বানাই না, বানাতে পারিও না। আম্মুই সবসময় বানায়। ভাবলাম আজকে আম্মু আব্বুকেও চা বানিয়ে খাওয়াই।

উনাদের অফিস থেকে আসার সময়ও হয়ে গিয়েছিল তখন।

তারপর যত্ন করে দুকাপ চা বানালাম। আসার পর আব্বু আম্মুকে চা দিলাম। ভেবেছিলাম ভালো হবে না। কি না কি আবার বলে। এটা ভেবে আমি আমার রুমে চুপচাপ বসে ছিলাম।

একটু পর আব্বু আমার রুমে এসে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন - মা, চা নাকি তুমি বানিয়েছো? অনেক ভালো হয়েছে তো। এখন থেকে প্রতিদিন তুমি চা বানিয়ে খাওয়াবা কিন্তু।

জানেন, ওই মুহুর্তে না আমার নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষটা মনে হচ্ছিল।

মনে হচ্ছিল- আমার আরও অনেকদিন বাঁচা দরকার। আব্বু আম্মুর জন্যে কিংবা নিজের জন্যে হলেও। অন্তত আব্বুকে প্রতিদিন চা বানিয়ে খাওয়ানোর জন্যে হলেও

Ibrahim Khalil Shawon

26/03/2026

Eid Mubarak 😇

23/03/2026

Eid Mubarak ✨️🌙❤️

Hello 🤗🤗🤗
22/03/2026

Hello 🤗🤗🤗

Address

73/A, Airport Road, Nikunja 2, Khilkhet, Dhaka
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travelling With Stethoscopes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Travelling With Stethoscopes:

Share