15/04/2026
প্রাক-ডায়াবেটিস এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, কিন্তু তা এখনো ডায়াবেটিস হিসেবে ধরা পড়ে না। তবে এটিকে অবহেলা করা ঠিক নয়, কারণ এটি ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার একটি বড় সতর্কবার্তা।
বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, যদি জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা না হয়, তাহলে প্রাক-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় ৫০% মানুষ ৫–১০ বছরের মধ্যে ডায়াবেটিসে পরিণত হতে পারেন।
এই অবস্থায় সাধারণত তেমন কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ থাকে না। তবে অনেক সময় ঘাড়ের পেছনে, বগল বা কুঁচকির জায়গায় কালচে দাগ দেখা যেতে পারে, যাকে অ্যাকানথোসিস নিগ্রিক্যান্স বলা হয়। এটি মূলত শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধের একটি লক্ষণ।
যখন অবস্থা ধীরে ধীরে ডায়াবেটিসে রূপ নেয়, তখন কিছু উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। যেমন—অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্ষুধা, দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, হাত-পায়ে ঝিনঝিন ভাব, বারবার সংক্রমণ হওয়া এবং ক্ষত শুকাতে সময় লাগা।
এটি শুধু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় না, বরং হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা ও স্ট্রোকের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি করে।
এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। নিয়মিত শরীরচর্চা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টিবিদের পরামর্শে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এছাড়া ধূমপান থেকে দূরে থাকা, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো সচেতনতা গড়ে তুললে প্রাক-ডায়াবেটিস থেকে ফিরে আসা সম্ভব।
🩺 ডাঃ এস. এম আকমাল আলী গোলাপ
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত ডায়াবেটিক কাউন্সেলর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01930-694120
🏥 বিডিএন পল্লবী ডায়াবেটিস সেন্টার
কাউন্সেলিং বেইজড ডায়াবেটিস ও ডিজিটালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
📍 ১/১১ পল্লবী, সেতারা টাওয়ার (নিচতলা), মিরপুর, ঢাকা – ১২১৬