27/12/2025
নিজের রাগ বাচ্চার উপর চ্যানেল করা!
How to fix it!
Part-2 ( last part):
1. Own your emotion first (Emotional responsibility নিন)
আমরা যেকোনো সময় বা যেকোনো বিষয়ে রেগে যেতেই পারি! রাগ আমাদের খুব বেসিক এবং খুব ভ্যালিড একটা ইমোশন! আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে তো নানা বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকে! সেটিও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া! কিন্তু ঠিক যেই মুহূর্তে আমরা নিজেদের সম্পর্কের মধ্যেকার কোন রাগ , ক্ষোভ কিংবা অভিমান নিজেরা প্রপার ওয়ে তে ম্যানেজ না করে নিজেদের সন্তানের উপর চাপিয়ে দেই, সেই সময় ই সম্পর্ক তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়, দাম্পত্য সম্পর্ক এবং বাবা-মার সাথে সন্তানের সম্পর্ক দুটোই!
আমরা ইমোশনালি ট্রিগারড থাকলে Clearly Think করতে পারিনা, সহজ ভাবে বলতে গেলে, আমাদের চিন্তা ধারা তার স্বচ্ছতা হারায় । আমরা বুঝতে পারি না, ঠিক কেন আমরা এতটা ডিস্টার্বড।
তাই সন্তানের ওপর রাগ দেখানোর আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—
“আমি কি ওর ওপর রেগে আছি, নাকি আমার partner–এর ওপর?” এটা আপনাকে একটা Clarity দেবে!
এই যেমন, স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে হয়তো তর্ক বা ঝগড়া হয়েছে। সন্তান দেরিতে পড়া শেষ করেছে বা হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করেনি, ভিডিও গেইম নিয়ে ব্যস্ত ছিল।
❌ “তুমি কখনোই কোনো কাজ ঠিকমতো করো না!”বলেই একটা চড় ।এটা না করে,
✅ “আজ আমি emotionally overwhelmed। একটু pause নিয়ে তারপর কথা বলি।”- এই কথাটা বাচ্চাকে না, নিজেকে বলা জরুরি! নিজেকে বোঝানো জরুরি ।
এই প্রসেস টা একটু ফলো করবেন, কারণ Parents যখন নিজের emotion–এর ownership নেন, তখন emotional dumping বন্ধ হয়।
2. Pause before reacting (Response > Reaction)
রাগ অনুভব করলেই সঙ্গে সঙ্গে react না করে 10–15 seconds pause নিন।
এই pause শিশুকে emotional safety দেয়।
যেমন,
শিশু কিছু ভেঙে ফেলেছে।যেটা বাচ্চাদের Curiosity থেকে ঘটতেই পারে! আমাদের Fine Motor skill যেভাবে ডেভেলপড, বাচ্চাদের কিন্তু নয়। তাই,
❌ চিৎকার ? NO. বরং
✅ গভীর শ্বাস → “আমি রেগে আছি, কিন্তু চিৎকার না করে কথা বলব।” ( Emotionally Triggered Brain সবসময় হাইপার অ্যাকটিভ-মনে রাখবেন)।
তাই, রাগ হলে একটু সময় নিন, রাগান্বিত অবস্থায় কোন Action /Behavior নয়। এটা emotional regulation modeling।আপনার ছোট্ট বাচ্চাটিও শিখবে, How to behave! কারণ সে দেখছে , বাবা-মার ও রাগ হয়, আর তারা হেলদি ওয়ে তে সেটা হ্যান্ডেল ও করেন!
3. Don’t make the child your messenger
অনেক parents partner–এর প্রতি রাগ indirectly সন্তানের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
❌ “তোমার বাবার মতোই তুমি irresponsible।” এটা না বলে,
✅ “এই কাজটা ঠিক হয়নি, এটা নিয়ে আমরা কথা বলব।”
মাথায় রাখতে হবে , Child ≠ partner মানে, আপনার বাচ্চা আর আপনার পার্টনার সমান সমান নন!
এই boundary টা স্পষ্ট হওয়া খুব জরুরি।
4. Separate discipline from anger ( রাগ আর বাচ্চা কে নিয়মানুবর্তিতা শেখানো এক নয়)
Discipline তখনই effective হয়, যখন সেটা calm state থেকে আসে।এলোমেলো মানসিক অবস্থায় আপনি নিজেও তো স্থির না তাই না? এটা মাথায় রাখতে হবে ।
❌ রাগ করে শাস্তি- “যাও এখন আমার সামনে থেকে! তোমার টিভি দেখা বন্ধ!” ( বাচ্চা হয়তো জানেই না কেন সে শাস্তি পেলো)
✅ শান্ত হয়ে বলা—
“এই behavior টা acceptable না। এর consequence এটা।” এটা পানিশমেন্ট! আর Behavior modification এ পরিমিত পানিশমেন্ট জায়েজ আছে ।
এতে child শিখে accountability, ভয় নয়।
5. Repair after rupture (ক্ষমা চাইতে শিখুন)
Parents যদি ভুল করেন, apology দুর্বলতা না, বরং strength।
“আজ আমি তোমার ওপর রাগ দেখিয়েছি। সেটা ঠিক হয়নি।
তুমি এর জন্য দায়ী না।” বলে একটু জড়িয়ে ধরা।
এটা শিশুর ভেতরের self-blame ভাঙে।
6. Validate the child’s emotion
শিশুর অনুভূতিকে ছোট করবেন না।আপনার যেমন রাগ হয়, ওর ও হতে পারে! আপনার যেমন কষ্ট হয়, ওরও হতে পারে! আপনার মত আপনার সন্তানের ও প্রতিটা ইমোশন ভ্যালিড।
❌ “এটা নিয়ে কাঁদার কিছু নেই।”
✅ “আমি বুঝতে পারছি তুমি hurt হয়েছ।”
Validation মানে সবকিছুই agree করা না,
Validation মানে emotion acknowledge করা।মনে রাখবেন ।
7. Create emotional boundaries at home
সব ঝগড়া শিশুর সামনে হওয়া উচিত নয়।এটুকু আমাদের ম্যানেজ করতে পারতে হবে!
শিশুকে বোঝান—
আপনাদের ব্যক্তিগত কিছু ইস্যু থাকতেই পারে, কিন্তু সেটার জন্য আপনার বাচ্চাটা দায়ী ও না, সাফার ও করবে না!
এতে শিশুর sense of safety তৈরি হয়।আপনার শিশুর নিরাপত্তা দেবার প্রধান দায়িত্ব কার?
-আপনার !
8. Work on the relationship, not the child
সমস্যার root যদি relationship হয়, solutionও সেখানেই।
• Couple communication improve করা
• প্রয়োজনে Counseling নেওয়া
• Healthy conflict resolution skills শেখা
👉 আপনার Child আপনার fixing কোন project না।Relationship এ healing টা মাঝে মধ্যে ফার্স্ট প্রায়োরিটি হয়ে দাঁড়ায় কিন্তু!
আপনি আপনার সুস্থ সম্পর্ক নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারেন সুস্থ সুন্দর একটা প্যারেন্টিং !
তাই আবারও বলছি, মানসিক স্বাস্থ্য কে একটু গুরুত্ব দিন! ভালো থাকুন-ভালো রাখুন!
পাশে আছি 🙏