Mithila Khandaker

Mithila Khandaker | Psychologist | Content Creator |

08/01/2026

সবাই ভাবে কর্পোরেট মানেই স্টেবল লাইফ।
কিন্তু রিসেন্ট রিসার্চ বলছে, কর্পোরেট কর্মীদের মধ্যে ডিপ্রেশনের হার ৭–১৬% পর্যন্ত।
অতিরিক্ত কাজের চাপ, পারফরম্যান্স প্রেশার আর কাজ–জীবনের ভারসাম্যহীনতাই কি মূল কারণ?

একটি অভ‍্যেস বদলান, বদলে যাবে জীবন! নতুন বছর মানে শুধু calendar বদলানো না, এটা একটা new mindset তৈরী করার সুযোগও । এই বছ...
01/01/2026

একটি অভ‍্যেস বদলান, বদলে যাবে জীবন!

নতুন বছর মানে শুধু calendar বদলানো না, এটা একটা new mindset তৈরী করার সুযোগও । এই বছরে resolution হোক perfect হওয়ার না, বরং consistent হওয়ার। ছোট ছোট healthy habits, নিজের mental peace, boundaries সেট করা, আর নিজের সাথে আরেকটু বেশি kind হওয়া।

মনে রাখবেন, একদিনে কখনোই জীবন বদলায় না—কিন্তু একটা অভ্যাস বদলালে, ধীরে ধীরে পুরো জীবনটাই বদলে যেতে পারে।
✨ New year, new choices, better you!

-পাশে আছি 🙏

29/12/2025

রাত এলেই কি আপনার মাথার ভেতর নেগেটিভ চিন্তা বেড়ে যায়?
ঘুমাতে গেলেই অস্থির লাগে, বুক ধড়ফড় করে, ভয় পেয়ে যান?
তাহলে প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক— এটা কি Anxiety?

- মিথীলা খন্দকার
ব্যাচেলর অব সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এমএস ইন কাউন্সেলিং সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কনসালটেন্ট সাইকোলজিস্ট, লাইফস্প্রিং
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে WhatsApp করুনঃ
01333-405811 | প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা

ভেবেছিলাম “মানসিক চাপ বা stress management” নিয়ে লিখব! আর তো দরকার নেই লিখার নাকি? হাহাহা
29/12/2025

ভেবেছিলাম “মানসিক চাপ বা stress management” নিয়ে লিখব! আর তো দরকার নেই লিখার নাকি?

হাহাহা

নিজের রাগ বাচ্চার উপর চ‍্যানেল করা! How to fix it! Part-2 ( last part):1. Own your emotion first (Emotional responsibili...
27/12/2025

নিজের রাগ বাচ্চার উপর চ‍্যানেল করা!
How to fix it!

Part-2 ( last part):

1. Own your emotion first (Emotional responsibility নিন)

আমরা যেকোনো সময় বা যেকোনো বিষয়ে রেগে যেতেই পারি! রাগ আমাদের খুব বেসিক এবং খুব ভ‍্যালিড একটা ইমোশন! আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে তো নানা বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকে! সেটিও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া! কিন্তু ঠিক যেই মুহূর্তে আমরা নিজেদের সম্পর্কের মধ্যেকার কোন রাগ , ক্ষোভ কিংবা অভিমান নিজেরা প্রপার ওয়ে তে ম‍্যানেজ না করে নিজেদের সন্তানের উপর চাপিয়ে দেই, সেই সময় ই সম্পর্ক তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়, দাম্পত্য সম্পর্ক এবং বাবা-মার সাথে সন্তানের সম্পর্ক দুটোই!
আমরা ইমোশনালি ট্রিগারড থাকলে Clearly Think করতে পারিনা, সহজ ভাবে বলতে গেলে, আমাদের চিন্তা ধারা তার স্বচ্ছতা হারায় । আমরা বুঝতে পারি না, ঠিক কেন আমরা এতটা ডিস্টার্বড।

তাই সন্তানের ওপর রাগ দেখানোর আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—
“আমি কি ওর ওপর রেগে আছি, নাকি আমার partner–এর ওপর?” এটা আপনাকে একটা Clarity দেবে!
এই যেমন, স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে হয়তো তর্ক বা ঝগড়া হয়েছে। সন্তান দেরিতে পড়া শেষ করেছে বা হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করেনি, ভিডিও গেইম নিয়ে ব্যস্ত ছিল।

❌ “তুমি কখনোই কোনো কাজ ঠিকমতো করো না!”বলেই একটা চড় ।এটা না করে,
✅ “আজ আমি emotionally overwhelmed। একটু pause নিয়ে তারপর কথা বলি।”- এই কথাটা বাচ্চাকে না, নিজেকে বলা জরুরি! নিজেকে বোঝানো জরুরি ।

এই প্রসেস টা একটু ফলো করবেন, কারণ Parents যখন নিজের emotion–এর ownership নেন, তখন emotional dumping বন্ধ হয়।

2. Pause before reacting (Response > Reaction)

রাগ অনুভব করলেই সঙ্গে সঙ্গে react না করে 10–15 seconds pause নিন।
এই pause শিশুকে emotional safety দেয়।

যেমন,
শিশু কিছু ভেঙে ফেলেছে।যেটা বাচ্চাদের Curiosity থেকে ঘটতেই পারে! আমাদের Fine Motor skill যেভাবে ডেভেলপড, বাচ্চাদের কিন্তু নয়। তাই,
❌ চিৎকার ? NO. বরং
✅ গভীর শ্বাস → “আমি রেগে আছি, কিন্তু চিৎকার না করে কথা বলব।” ( Emotionally Triggered Brain সবসময় হাইপার অ‍্যাকটিভ-মনে রাখবেন)।

তাই, রাগ হলে একটু সময় নিন, রাগান্বিত অবস্থায় কোন Action /Behavior নয়। এটা emotional regulation modeling।আপনার ছোট্ট বাচ্চাটিও শিখবে, How to behave! কারণ সে দেখছে , বাবা-মার ও রাগ হয়, আর তারা হেলদি ওয়ে তে সেটা হ্যান্ডেল ও করেন!

3. Don’t make the child your messenger

অনেক parents partner–এর প্রতি রাগ indirectly সন্তানের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
❌ “তোমার বাবার মতোই তুমি irresponsible।” এটা না বলে,
✅ “এই কাজটা ঠিক হয়নি, এটা নিয়ে আমরা কথা বলব।”

মাথায় রাখতে হবে , Child ≠ partner মানে, আপনার বাচ্চা আর আপনার পার্টনার সমান সমান নন!
এই boundary টা স্পষ্ট হওয়া খুব জরুরি।

4. Separate discipline from anger ( রাগ আর বাচ্চা কে নিয়মানুবর্তিতা শেখানো এক নয়)

Discipline তখনই effective হয়, যখন সেটা calm state থেকে আসে।এলোমেলো মানসিক অবস্থায় আপনি নিজেও তো স্থির না তাই না? এটা মাথায় রাখতে হবে ।

❌ রাগ করে শাস্তি- “যাও এখন আমার সামনে থেকে! তোমার টিভি দেখা বন্ধ!” ( বাচ্চা হয়তো জানেই না কেন সে শাস্তি পেলো)
✅ শান্ত হয়ে বলা—
“এই behavior টা acceptable না। এর consequence এটা।” এটা পানিশমেন্ট! আর Behavior modification এ পরিমিত পানিশমেন্ট জায়েজ আছে ।

এতে child শিখে accountability, ভয় নয়।

5. Repair after rupture (ক্ষমা চাইতে শিখুন)

Parents যদি ভুল করেন, apology দুর্বলতা না, বরং strength।

“আজ আমি তোমার ওপর রাগ দেখিয়েছি। সেটা ঠিক হয়নি।
তুমি এর জন্য দায়ী না।” বলে একটু জড়িয়ে ধরা।
এটা শিশুর ভেতরের self-blame ভাঙে।

6. Validate the child’s emotion

শিশুর অনুভূতিকে ছোট করবেন না।আপনার যেমন রাগ হয়, ওর ও হতে পারে! আপনার যেমন কষ্ট হয়, ওরও হতে পারে! আপনার মত আপনার সন্তানের ও প্রতিটা ইমোশন ভ‍্যালিড।

❌ “এটা নিয়ে কাঁদার কিছু নেই।”
✅ “আমি বুঝতে পারছি তুমি hurt হয়েছ।”

Validation মানে সবকিছুই agree করা না,
Validation মানে emotion acknowledge করা।মনে রাখবেন ।

7. Create emotional boundaries at home

সব ঝগড়া শিশুর সামনে হওয়া উচিত নয়।এটুকু আমাদের ম‍্যানেজ করতে পারতে হবে!
শিশুকে বোঝান—
আপনাদের ব‍্যক্তিগত কিছু ইস্যু থাকতেই পারে, কিন্তু সেটার জন্য আপনার বাচ্চাটা দায়ী ও না, সাফার ও করবে না!
এতে শিশুর sense of safety তৈরি হয়।আপনার শিশুর নিরাপত্তা দেবার প্রধান দায়িত্ব কার?

-আপনার !

8. Work on the relationship, not the child

সমস্যার root যদি relationship হয়, solutionও সেখানেই।

• Couple communication improve করা
• প্রয়োজনে Counseling নেওয়া
• Healthy conflict resolution skills শেখা

👉 আপনার Child আপনার fixing কোন project না।Relationship এ healing টা মাঝে মধ্যে ফার্স্ট প্রায়োরিটি হয়ে দাঁড়ায় কিন্তু!

আপনি আপনার সুস্থ সম্পর্ক নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারেন সুস্থ সুন্দর একটা প‍্যারেন্টিং !
তাই আবারও বলছি, মানসিক স্বাস্থ্য কে একটু গুরুত্ব দিন! ভালো থাকুন-ভালো রাখুন!

পাশে আছি 🙏

Full video দেখতে Tap করুন 👇
25/12/2025

Full video দেখতে Tap করুন 👇

Parental Abuse.নিজের রাগ সন্তানের উপর চ‍্যানেল করছেন কি? পার্ট-১ এক সন্ধ্যায় ছোট্ট রাহা  তার পড়ার টেবিলে বসে ছিল। বই খ...
23/12/2025

Parental Abuse.

নিজের রাগ সন্তানের উপর চ‍্যানেল করছেন কি?
পার্ট-১

এক সন্ধ্যায় ছোট্ট রাহা তার পড়ার টেবিলে বসে ছিল। বই খোলা, কিন্তু পড়ায় মন দিতে পারছে না! চোখের সামনে অক্ষরগুলো ভেসে উঠছে না! বারবার পাশের রুম থেকে বাবা–মায়ের ঝগড়ার শব্দ ভেসে আসছে—কখনো উঁচু গলা, কখনো ধড়াস করে দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ।রাহা জানে, এই ঝগড়ার শেষটা কোথায় এসে থামবে।ওর অভ‍্যেস হয়ে গেছে এখন! সে জানে কি হবে এরপর! ঝগড়া থামবে ঠিকই, কিন্তু মা’র রাগটা থামবে না।মা তো বাবা কে কিছু বলতে পারবে না, সেই রাগ টা এসে পড়ে তার ওপর।অভ‍্যেস হয়ে গেছে রাহার।

“এতো বার করে বলেছি হোম ওয়ার্ক শেষ করো! এখনও হয়নি?” বলেই একটা চড় ।
“তোমার সব আবদার তো আমি মেটাতে পারবো না! সব সময় আমাকে বিরক্ত করো!”
“তোমার জন্যই এই সংসার এর বোঝা টেনে চলছি। তুমি না থাকলে কবেই চলে যেতাম!”

রাহা চুপ করে থাকে। সে কাঁদে না, প্রশ্নও করে না। সে শুধু ভাবে—
“তাহলে আমিই কি সব সমস্যার মূল?”

এই রাগের শিকড় কোথায়? (Where it truly stems from)

বৈবাহিক জীবন মানেই সেখানে সুখ আনন্দের পাশাপাশি টানাপোড়েন ও অশান্তি ও থাকবে! কিন্তু আমরা অনেকেই ব‍্যাপার গুলো সম্পর্কের মধ্যে সুস্থ ভাবে ম‍্যানেজ করতে হিমশিম খাই! অনেক দম্পতির সম্পর্কের ভেতরে থাকে unresolved resentment বা লুকানো ক্ষোভ ।emotional neglect বা অবহেলা , power imbalance বা ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা দীর্ঘদিনের communication gap।

এই আবেগগুলো সরাসরি partner–এর সঙ্গে শেয়ার করার সাহস বা ক্ষমতা আমাদের অনেকেরই থাকে না। কারণ সেখানে আছে confrontation–এর ভয়, ভেঙে যাওয়ার ভয়, কিংবা সম্পর্ক হারানোর আতঙ্ক।

ফলে সেই চাপা রাগ খুঁজে নেয় এক সহজলভ্য পথ—
যেখানে কোনো প্রতিরোধ নেই, কোনো পাল্টা যুক্তি নেই।
সেই পথটি হলো সন্তান।

শিশু তখন বাবা মার অজান্তেই হয়ে ওঠে তাদের একমাত্র emotional dumping ground।
এমন এক বোঝা বাবা মা ছোট্ট শিশুটির উপর চাপিয়ে দেন, যেটা বহন করবার ক্ষমতা সেই শিশুর নেই!

কতো বড় একটা ব‍্যাপার! ভাবুন তো?

বাবা–মা কীভাবে এই রাগ সন্তানের মধ্যে ঢেলে দেন (How anger gets transferred)

এটা খুব subtle ভাবে হয়, আমরা নিজেরাও হয়তো এমনটা পেয়েই বড় হয়েছি! তাই অনেক parents বুঝতেই পারেন না যে তারা তাদের বাচ্চার emotional harm করছেন।

খুব কমনলি যেটা আমরা করে ফেলি তা হলোঃ
• সামান্য ভুলে অতিরিক্ত shouting or harsh tone. অনেক সময় physical abuse ও করেন ।
• সবসময় দোষ খোঁজা → constant criticism.
• সন্তানের আবেগকে তুচ্ছ করা → “তুমি এত বেশি sensitive কেন?”- অথচ বাচ্চাটা হয়তো বেসিক ইমোশন টাই শেয়ার করতে চায়, আপনি সেটা নিতে পারছেন না কারণ আপনি Disturbed.

• ভালো কিছু করলেও appreciation না থাকা।
• নিজের ব্যর্থতা সন্তানের ওপর চাপানো → projection. “তোমার জন‍্যে ক‍্যারিয়ার ছেড়ে দিয়ে বাসায় বসেছি! “তোমার কারনে আমি আমার পড়াশোনা শেষ করতে পারিনি আরও কত কি!”
“সব বাদ দিয়ে তোমার পেছনে পড়ে আছি এই রেজাল্ট দেখার জন্য?”
“এই বার ক্লাস এ টপ করতে না পারলে দেখো কি করি!”

বাইরে থেকে মনে হয় আপনি discipline শেখাচ্ছেন!
কিন্তু শিশুর ভেতরে সেটা রূপ নেয় একটা fear-based parenting–এ, যার ফলাফল ভয়াবহ!

শিশুর মনে ধীরে ধীরে কী তৈরি হয় (The psychological damage)

শিশুর মস্তিষ্ক ও আবেগ তখনো developing stage–এ থাকে।সে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে পারে না, সে শুধু অনুভব করতে পারে ।

ফলে রাহার –র মতো শিশুরা শিখে ফেলে—
• “বাবা মায়ের রাগ বা ঝগড়া হলে আমি unsafe”.
• “ভালোবাসা পেতে হলে আমাকে perfect হতে হবে”
• “আমার অনুভূতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়” এমনকি আমিও নই!

এর ফল হিসেবে দেখা দেয়—
• Chronic anxiety ও hypervigilance
• Low self-worth ও self-doubt
• আবেগ চেপে রাখা → emotional numbness
• নিজের প্রয়োজন প্রকাশে অক্ষমতা কারন সে ভয়ে ভয়ে বড় হয়েছে।
• ভবিষ্যতে people-pleasing behavior বা conflict–avoidance. কারন সে শিখেইনি কনফ্লিক্ট ও যে সুন্দর ভাবে ম‍্যানেজ করা যায়!

অনেক সময় বড় হয়ে এই শিশুরাই বলে—
“আমি জানিই না আমি কী চাই।” They become lost.

দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব (Long-term impact) ঃ

শৈশবে যে রাগ তারা মেনে নিয়ে বা সহ্য করে বড় হয়, সেটাই পরিণত বয়সে তাদের “normal” বলে মনে হয়।
তাই তারা সহজেই জড়িয়ে পড়ে—
• Toxic relationships
• Emotional abuse
• Boundary না থাকা সম্পর্ক
• Repeated heartbreak ও burnout এ

অনেক ক্ষেত্রে এটি রূপ নেয় depression, panic attacks, এমনকি complex trauma–তে।

সবচেয়ে বেদনাদায়ক সত্য কি জানেন?

শিশু ভাবে না—“আমার বাবা–মা সমস্যায় আছে।”
শিশু ভাবে—
“আমিই যথেষ্ট ভালো নই।”

এই belief–টাই তার সারা জীবনের narrative হয়ে যায়।

তাই Parents–দের জন্য আমার মন থেকে একটা অনুরোধ,

আপনার রাগটা হয়তো আপনার সন্তানের জন্য নয়।
এটা আপনার সম্পর্কের ক্লান্তি, আপনার না–বলা কষ্ট, আপনার অপূর্ণ চাওয়া।
কিন্তু সেই আবেগ সামলানোর দায়িত্ব সন্তানের নয়।

আপনার সন্তান আপনার therapist না,
সে শুধু আপনার সন্তান।

“Children don’t need perfect parents,
they need emotionally regulated ones.”

তাই আপনার সন্তানকে ভালো রাখতে আপনার নিজের ইমোশনাল ইস‍্যুজ নিয়ে কাজ করুন! নিজেদের সম্পর্কের উপর কাজ করুন! ভালো থাকুন, ভালো রাখুন!

পাশে আছি 🙏







Child mental health & impact

22/12/2025

টিনএজ সম্পর্কের মধ্যে অনেক সময় teenager relationship বা প্রেমিক/প্রেমিকা pressure বা blackmail দিয়ে অন্যের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই ভিডিওতে আমরা দেখাবো কিভাবে Respect ও personal Boundary বজায় রেখে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়।

- মিথীলা খন্দকার
ব্যাচেলর অব সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এমএস ইন কাউন্সেলিং সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কনসালটেন্ট সাইকোলজিস্ট, লাইফস্প্রিং
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে WhatsApp করুনঃ
01333-405811 | প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা

How to Overcome Imposter Syndrome Part-2 ( last part)1️⃣ নিজের চিন্তা (Thoughts) চিহ্নিত করা ও নিজেকে প্রশ্ন করাইমোস্টার...
18/12/2025

How to Overcome Imposter Syndrome

Part-2 ( last part)

1️⃣ নিজের চিন্তা (Thoughts) চিহ্নিত করা ও নিজেকে প্রশ্ন করা

ইমোস্টার সিনড্রোম পুরো ব‍্যাপারটাই তৈরি হয় অযৌক্তিক চিন্তা থেকে।তাই প্রথম ধাপ হলো—মনে যে ভয় বা সন্দেহ উঠে আসে, তাকে ধরে ফেলা!

এই যেমন,
Tania ভাবছে— “আমি তো লাকি ছিলাম।”
এখানে তাকে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে—
“এর প্রমাণ কী?” “আমি ক’ঘণ্টা পরিশ্রম করেছি?”””এখানে কি আমার এফোর্ট নেই? সেটা কিভাবে সত্যি?”

চিন্তাকে Fact vs Feeling এ ভাগ করুন।
Rule হলো , Feeling is not the evidence.

2️⃣ নিজের অর্জনগুলো লিখে রাখুন (Evidence Journal)

Self-doubt counter করার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদ্ধতি—প্রমাণ জড়ো করা।

যেমন,
Tania একটা ছোট notebook / phone notes-এ লিখতে পারে—
• ৩ বছর research experience
• ২টি conference presentation
• supervisor-এর positive comments
• peer review success

দেখুন—নিজের অর্জন চোখে দেখলে self-trust শক্ত হতে থাকে।

3️⃣ Small Wins Celebrate করুন

অনেকেই অর্জনকে ছোট ভেবে কাটিয়ে দেয়। কিন্তু ছোট ছোট জয় মানে Confidence-এর building block।

যেমন ধরুন,
• Presentation শেষ? নিজেকে treat দিন! ছোট্ট একটা ট্রিট! হোক সেটা একটা কফি শপ এ যেয়ে শান্তি মত একটা কফি খাওয়া! তবুও!
• Feedback পেলেন? সেটা pinned করে রাখুন।
• New skill শিখলেন? নিজের progress acknowledge করুন।এই ব‍্যাপার গুলোই একটু একটু করে আপনাকে Self Confidence এর পথে হাঁটতে সাহায্য করবে

By Celebrating your progress , mind starts believing “I deserve this.”

4️⃣ Perfect না, Progress mindset Adopt করুন

Imposter Syndrome-এর পেছনে perfectionism বড় ভূমিকা রাখে।বাস্তবতা হলো— Perfect কেউই নয়, কিন্তু উন্নতি সবাই করতে পারে।

তানিয়ার কেইস থেকে বললে,
তানিয়া তার প্রত্যেকটা প্রেজেন্টেশন স্লাইড flawless না হলেও, তার delivery কতটা develop করেছে , বা উদ্দেশ্য সফল হয়েছে এটাতে focus করবে।
Target হবে- I have to be better than yesterday! এখানে পারফেক্ট হওয়াটা সবসময় বাধ্যতামূলক না!

5️⃣ Mistakes কে শেখার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা

ভুল মানেই অযোগ্যতা নয়—এটা Learning curve।
যেমন,
Presentation-এ Tania একটা data reference ভুল বলেছে।
Imposter mode → “আমি ব্যর্থ।”
Healthy reframing → “এটা থেকে আমি পরের বার data double-check করব।”

Mistake ≠ Failure
Mistake = Future Strength

6️⃣ Self-Compassion Practice করুন

নিজেকে harshly judge করা নয়—kindness দিয়ে approach করুন।
যেমন,যদি তার সহকর্মী বন্ধু একই ভুল করত, Tania কি এত কঠোর কথা বলত?
উত্তর হচ্ছে- না।
তাহলে নিজের জন্যও একই empathy প্রয়োগ করতে হবে।

Daily affirmation প্র‍্যাকটিস করতে হবে!

“আমি শিখছি। ভুল করার আমার অধিকার
আছে!”

7️⃣ Vulnerability Accept করুন & Help চাইতে শিখুন

Help চাওয়া দুর্বলতা নয়—এটা Growth collaboration।

এই যেমন,
Paper writing-এ Tania stuck → supervisor-এর guidance চাইতে পারে।
Support নেওয়া মানে আপনি পারেন না বা আপনি দুর্বল সেটা নয়! Confidence is built through connection.

8️⃣ Constructive Feedback Seek করুন

আমরা প্রমাণ ছাড়া নিজেকে ছোট করি। কিন্তু আসল কথাটা হল,Feedback আমাদের real picture টা দেখায়।

এখানে Tania নিজের research peers বা mentors থেকে honest review নিতে পারে।
যদি ৮ জনের ৭ জন বলেন “solid work”—mind learns to trust reality, not fear।

9️⃣ Comparison কমিয়ে নিজের journey-তে focus করুন

Social media achievements highlight করে, struggle নয়।জানেন তো?
আর Comparison, আপনার self-worth কে নাড়িয়ে দেয়!

Tania LinkedIn দেখেই ভাবে—“ওরা আমার চেয়ে ahead।”
Solution → নিজের growth timeline note করা।
📌 Yesterday’s Tania vs Today’s Tania — এটাই আসল comparison।

🔟 Identity shift—“আমি impostor নই, আমি learner।”

Self-belief পরিবর্তন মানে identity transform করা।
Instead of saying → “I don’t belong here”
Say → “I earned my place—এবং শেখার আরও জায়গা আছে।”

This single shift rewires brain perception.

দেখুন,

Imposter Syndrome একদিনে দূর হয়ে যাবার নয়!
বরং mindset, habits এবং self-awareness দিয়ে manage করা সম্ভব এটা!
যতোবার doubt আসবে—প্রতি বার evidence, compassion এবং practice দিয়ে counter করুন।

ধীরে ধীরে—Tania-এর মতো আপনি ও বলবেন:

💛 “আমি যোগ্য, আমি সক্ষম, আর আমার সাফল্য পুরোটাই আমার শ্রমের ফল।”

পাশে আছি 🙏

17/12/2025

এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে Task Management–এর সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি—Urgent vs Important Matrix, যা Eisenhower Matrix নামেও পরিচিত।
আপনি যদি প্রতিদিনের কাজের চাপে বিভ্রান্ত হন, কোন কাজ আগে করবেন বুঝতে না পারেন, অথবা Productivity বাড়াতে চান—তবে এই ভিডিওটি আপনার জন্য।

- মিথীলা খন্দকার
ব্যাচেলর অব সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এমএস ইন কাউন্সেলিং সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কনসালটেন্ট সাইকোলজিস্ট, লাইফস্প্রিং

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে WhatsApp করুনঃ
01333-405811 | প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা

ইমপোস্টার সিনড্রোম: সাফল্যের মাঝেও আত্মসন্দেহের লড়াইপার্ট-১রাত ২টা।ল্যাপটপের আলো ঘরটাকে ক্ষীণভাবে আলোকিত করে রেখেছে।তানি...
13/12/2025

ইমপোস্টার সিনড্রোম: সাফল্যের মাঝেও আত্মসন্দেহের লড়াই

পার্ট-১

রাত ২টা।
ল্যাপটপের আলো ঘরটাকে ক্ষীণভাবে আলোকিত করে রেখেছে।
তানিয়া আজ তার জীবনের সবচেয়ে বড় Professional achievement টা পেয়েছে—International Conference এ Research Presentation।উপস্থিত সবাই তার কাজের প্রশংসা ভূয়সী করেছে, হাততালি দিয়েছে, senior রাও “Brilliant work” বলে appreciate করেছেন!

কিন্তু মঞ্চ থেকে নেমে একা হোটেল রুমে ফিরে আসতেই বুকের মধ্যে এক অদ্ভুত শূন্যতা।তার মনে শুধু একটাই প্রশ্ন
“আমি কি আদৌ এটার যোগ্য ছিলাম?”

তানিয়ার চোখের কোণে পানি জমে।
সে ভাবতে থাকে—
“হয়তো আমি কাকতালীয়ভাবে সিলেক্টেড হয়েছি… হয়তো আমার কাজ ততটাও ভালো ছিল না…
একদিন ঠিকই সবাই বুঝে ফেলবে—আমি আসলে এতটা capable নই। তখন এই লজ্জা কিভাবে লুকাবো?”

এক কথায়, বাইরের দুনিয়া তাকে সফল বলছে, অথচ ভেতরে ভিতরে সে নিজেকে impostor মনে করছে।
এটাই Imposter Syndrome—
যেখানে অর্জন স্পষ্ট, কিন্তু আত্মবিশ্বাস দুর্বল।

ইমপোস্টার সিনড্রোম কী?

Psychologist Pauline Clance এবং Suzanne Imes প্রথম এই ধারণা তুলে ধরেন।

Imposter Syndrome হল এমন একটি internal belief system যেখানে—
• নিজের achievement কে যুক্তিযুক্ত মনে হয় না।বারবার self doubt চলে আসে আর ভাবতে থাকি, “। আমি বোধহয় এটা ডিসার্ভ করি না”!

• Success কে মনে হয় luck বা external factors এর ফল, নিজের পরিশ্রম টা overlooked হয়ে যায় ।

• ভেতরে কাজ করে constant fear of being “exposed”. একদিন সবাই জেনে যাবে আমি আদতেও এটার যোগ্য ছিলাম না, তখন সেটা হবে চরম লজ্জার ব্যাপার ।

• Appreciation গ্রহণ করাও uncomfortable হয়ে ওঠে। “আমাকে খুশি করার জন্য বলছে! লোক দেখানোর জন‍্য বলছে! আমি তো আর সত্যিকার অর্থে এত capable নই।

তো কি হচ্ছে এখানে? এখানে মূলত বাস্তব অর্জন ও নিজের perception-এর মধ্যে তৈরি হচ্ছে এক psychological gap—যার জায়গা দখল করে নিচ্ছে self-doubt বা আত্মসন্দেহ ।

কারা বেশি আক্রান্ত হন?
• High-achievers
• Perfectionist ব্যক্তিত্ব
• Women in academic & leadership roles
• First-generation success holders
• New job/role transitioners

এরা সাধারণত নিজেদের জন্য অত্যন্ত high standards নির্ধারণ করেন এবং slightest imperfection কেও অনেক সময় ব্যক্তিগত failure বলে মনে করেন।

মূল কারণ কি হতে পারে?

Imposter Syndrome সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না।
এর পেছনে থাকে অনেক layered psychological factors. কয়েকটা যদি বলি,

1. Family expectations & comparison( খুব ছোট বেলা থেকেই পেয়ে আসা তুলনার চক্র, আমরা যা-ই করি যত ভালই করি বাবা মার কাছে তা-ই কম পড়ে যায়! কিংবা বন্ধুদের সাথে constantly comparison).

2. Perfectionism-driven self-pressure ( নিজের কাজ ১০০% পারফেক্ট হতেই হবে এমন)।

3. Low self-worth beliefs ( আমি মনে হয় পারবো না, আমাকে দিয়ে কি আদৌ হবে?)

4. Sudden success or new environment ( যে সাকসেস এর জন‍্যে আমি খুব বেশি শ্রম দেইনি সেটা পেলে, অথবা নতুন পরিবেশে হঠাৎ অ‍্যাডাপ্ট করতে না পারলেও)

5. Social media comparison cycles ( খুব কমন একটা বিষয়! আমি যতই ভাল করি, ভাল থাকি না কেন, যখন সোশ্যাল মিডিয়া তে দেখি আমার চেয়েও কেউ ভাল করছে/খাচ্ছে/ পাচ্ছে/ ঘুরছে, সাথে সাথেই নিজেকে আর নিজের সবকিছু কে অর্থহীন লাগতে থাকে।)

অর্থাৎ মানুষ যত সফল হয়, কখনো কখনো ততই গভীর হয় তার self-doubt।

এবারে আসি, আপনি কি এতে ভুগছেন? আপনার যদি-

• প্রশংসা পেলে মনে হয়—“ওরা সত্যটা জানে না তো, তাই খুশি করার জন‍্য বলছে”!

• ছোট ভুলকেও নিজের অনেক বড় ব্যর্থতা মনে হয়।
• Success এর পরেও নিজের worth নিয়ে সন্দেহ হয়।
• নতুন opportunity accept করতে ভয়।

• Achievements কে underplay করার প্রবণতা থাকে।you can never feel proud of yourself!

বটম লাইন হলো, যদি তানিয়া র গল্পে আপনার নিজের ছায়া দেখতে পান তবে হয়তো আপনিও এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে হাঁটছেন।

দেখুন, আপনি যা অর্জন করেছেন, সেটা কোনো luck বা coincidence না—এটা আপনার skills, hard work আর competence-এর ফল।
Imposter syndrome শুধু মাত্র আপনার একটা inner voice—এটা সত্য না; আপনি আপনার সফলতা পুরোটাই ডিসার্ভ করেন ।

পাশে আছি 🙏




Address

Level 6, House 26 And 28, Road-6/C, Quantum Tower (Opposite Sector 12 Masjid Graveyard), Sector 12, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mithila Khandaker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category