রূপচর্চা

রূপচর্চা নিজেকে সুস্থ সবল ও সতেজ রাখতে রূপচর্চ?

সৌন্দর্যচর্চা করুণ গোসলের সময়ব্যস্ততা ভরা জীবনে নিজের শরীরের পরিচর্চা করা অনেকটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যারা কর্মব্যস্ত জীবনয...
31/10/2018

সৌন্দর্যচর্চা করুণ গোসলের সময়

ব্যস্ততা ভরা জীবনে নিজের শরীরের পরিচর্চা করা অনেকটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যারা কর্মব্যস্ত জীবনযাপন করেন তারা গোসলের সময় নিতে পারেন নিজের সংক্ষিপ্ত যত্ন। এতে সময় যেমন কম লাগবে, তেমনি আপনি হয়ে উঠবেন সজীব ও সুন্দর।

– গোসলের এক ঘণ্টা আগে তেল সামান্য গরম করে চুলে লাগান। গোসলের সময় bath time শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা কমে যাবে এবং চুল তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা সহজে হারাবে না। যাদের চুল স্বাভাবিক তারা চায়ের লিকার ঠান্ডা করে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। যাদের চুল তৈলাক্ত তারা পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। চুল হবে ঝরঝরে ও সুন্দর।

– যারা রোদের ঘোরাঘুরি করেন প্রচুর, তারা ত্বকের রোদেপোড়া ভাব কমাতে গোসলের সময় সাবানের পরিবর্তে সারা শরীরে উপটান ব্যবহার করুন। অথবা মুলতানি মাটির সাথে টমেটোর রস ও পানি মিশিয়ে সারা শরীরে মাখুন। পনেরো মিনিট রেখে গোসল করে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

– বাথরুমে সব সময় একটি ব্রাশ রাখুন। গোসলের পর ব্রাশ দিয়ে হাত পায়ের গোড়ালি ও নখ ঘষুন। এতে পা পরিষ্কারের পাশাপাশি পায়ের গোড়ালি থাকবে মসৃণ। এমনকি পেডিকিউর মেনিকিউর করার প্রয়োজনও খুব বেশি পড়বে না।

– যাদের প্রতিদিন গায়ে সাবান দেবার অভ্যাস তারা সাবানের পরিবর্তে ভালো মানের শাওয়ার জেল বা লিকুইড সোপ ব্যবহার করুন। প্রতিদিন সাবান ব্যবহার করলে ত্বক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়ে। গোসলের পর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

– যাদের ত্বক বেশি রুক্ষও, তারা গোসলের আগে সারা শরীরে অলিভ ওয়েল মাখুন। ১৫ মিনিট পরে গোসলে যান।

– একদিন অন্তর অন্তর স্ক্রাবিং করতে পারেন ভালো কোম্পানির বডি স্ক্রাবার দিয়ে।

প্রতিদিন একটু একটু করে করা এই যত্ন টুকুই আপনার ত্বক, চুল ও আপনাকে করে তুলবে স্বাস্থোজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়

 #পাঁচ_মিনিটে_দূর_করে_ফেলুন_কনুই_ও_হাঁটুর_কালো_দাগ।আজ আমি আপনাদের হাতের কনুই ও পায়ের হাঁটুর কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপ...
30/10/2018

#পাঁচ_মিনিটে_দূর_করে_ফেলুন_কনুই_ও_হাঁটুর_কালো_দাগ।

আজ আমি আপনাদের হাতের কনুই ও পায়ের হাঁটুর কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় দেখাবো।কালো দাগ দূর হয়ে আপনার হাত এবং পা ফর্সা হয়ে যাবে।
চলুন দেখে নেয়া যাক কি কি লাগবে এটি তৈরি করতেঃ
১ লেবুর রস
২ এলভেরা জেল
৩ লবন
৪ নারিকেল তেল
এই চারটি উপাদান একত্রে মিশিয়ে আপনার হাতের কনুই ও পায়ের হাঁটুতে লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করতে থাকুন।এভাবে টানা ১ মাস ব্যাবহার করলেই আপনার কনুই ও হাঁটুর কালো দাগ দূর হয়ে উজ্জ্বল ও ফর্সা হয়ে যাবে।

অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে চিনি-----------------------------------------------------মুখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোম খুব অস...
29/10/2018

অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে চিনি
-----------------------------------------------------
মুখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোম খুব অস্বস্তিকর। বিশেষ করে মেয়েদের মুখে, পিঠে, পায়ে অতিরিক্ত লোম সৌন্দর্য নষ্ট করতে যথেষ্ট।

আর লোম দূর করার বিভিন্ন পদ্ধতি বেশ কষ্টসাধ্য এবং ব্যয় সাপেক্ষও বটে। তবে দীর্ঘ দিন ধরেই লোমমুক্ত ত্বক সকলরই কাম্য।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাচীন মিশরের প্রায় সকল নারীই সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন। আর সেই সময়ের সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখনও ব্যবহৃত হয়।

বর্তমানে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ওয়াক্সিং। প্রাচীন মিশরে এই ধরনেরই একটি পদ্ধতি প্রচলিত ছিল যাকে বলা হতো ‘বডি সুগারিং’। এটি ওয়াক্সিংয়ের একটি পুরাতন ঘরোয়া পদ্ধতি এবং নিরাপদ।

এই পদ্ধতিতে গোড়া থেকে লোম দূর করা হয়, আর পুনরায় যখন লোম গজায় তখন আগের চাইতে পরিমাণে কম থাকে। শেইভিং এবং ওয়াক্সিংয়ের বিকল্প হিসেবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

তাছাড়া ওয়াক্সিংয়ে গরম তরল ব্যবহার করা হয় বলে ত্বক পুড়ে যাওয়ার একটি সম্ভাবনা থাকে। তবে এক্ষেত্রে তরলটি ঠাণ্ডা করে নিতে হয় বলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই পদ্ধতি!

উপকরণ

দুই কাপ চিনি। এক কাপের চারভাগের একভাগ লেবুর রস। এক কাপের চারভাগের একভাগ পানি। তাপ মাপার জন্য একটি ‘ক্যান্ডি থার্মোমিটার’।

পদ্ধতি

সব উপকরণ একটি সসপ্যানে নিয়ে অল্প তাপে গরম করতে হবে। এর মাঝে একটি ‘ক্যান্ডি থার্মোমিটার’ বসিয়ে দিতে হবে তাপ পরিমাপের জন্য। খেয়াল রাখতে হবে যেন তাপ আড়াইশো ফারেনহাইটের উপর না যায়।

পুরো পদ্ধতিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে ঠান্ডা করে একটি বয়ামে ভরে রাখতে হবে। এই মিশ্রণ পরে ব্যবহার করার জন্য গরম করার প্রয়োজন হবে। তাই এমন বয়ামে রাখুন যেন পরে মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা প্যানে গরম করা যায়।

এরপর খুব মিহি বুননের সুতি কাপড় নিতে হবে। কাপড়টি এক ইঞ্চি মোটা ফালি করে কেটে নিতে হবে।

এবার আগের মিশ্রণটি ঠান্ডা করে নিতে হবে যেন তা ত্বকের কোনও ক্ষতি করতে না পারে। চাইলে হাতের উল্টা পিঠে অল্প একটু নিয়ে সেটি ত্বকের জন্য সহনীয় কিনা যাচাই করা যেতে পারে।

এরপর একটি পাতলা কাঠি বা প্লাস্টিকের পাতের সাহায্যে পুরো অবাঞ্চিত লোমের জায়গায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এরপর সুতি কাপড়টি উপরে ভালোভাবে বিছিয়ে ওয়াক্সিংয়ের সময় যেভাবে টেনে তোলা হয় সেভাবে টেনে তুলতে হবে।

এভাবে ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম উঠে আসবে. এবং পরে পরিমাণও কমে আসবে।

ভ্রু করে তুলুন আকর্ষণীয়-----------------------------------------------------চোখের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় সুন্দর...
27/10/2018

ভ্রু করে তুলুন আকর্ষণীয়
-----------------------------------------------------

চোখের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় সুন্দর আকারের ঘন ভ্রু। তাই যাদের ভ্রু পাতলা তারা স্বাভাবিক ভাবেই একটু মনোকষ্টে থাকেন। তবে চাইলে ঘরোয়া কিছু চর্চায় ভ্রু পুরু ও ঘন করা যায়।

ঘরোয়া পদ্ধতি

বিভিন্ন ধরনের তেল

অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, নারিকেল তেল ও বাদামের তেলে আছে পুষ্টিকর প্রাকৃতিক উপাদান। প্রতিদিন অলিভ অয়েল দিয়ে মালিশ করলে ভ্রু হবে মোটা ও ঘন। এসব তেলে আছে ভিটামিন-ই যা ব্যবহারে আদ্রতা ঠিক থাকে এবং প্রতিদিন ব্যবহারে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়ে।

ভ্যাসলিন

প্রতিদিন ভ্রুসহ-এর আশপাশের জায়গায় দুই থেকে তিনবার ভ্যাসলিন ব্যবহারের ফলে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়বে। কেননা ভ্যাসলিন ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রাতের বেলা পুরো ভ্রুতে বা ভ্রু কম আছে এমন জায়গায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে সারারাত রেখে দিলেই ধীরে ধীরে ভ্রুর ঘনত্ব বাড়বে। তবে ভ্যাসলিন লাগিয়ে রোদে বের হওয়া উচিত নয়।

কৃত্রিম পদ্ধতি

আই-পেন্সিল ও পাউডার

পাউডার ব্যবহার করে ইচ্ছে মতো ভ্রু হালকা ও গাঢ় করা যায়। তবে নির্ভর করবে চুলের রং, পোশাক ও কতটুকু পরিমাণ ভ্রুর ঘনত্ব চাচ্ছেন তার উপর।

মেইকআপের সাহায্যে ভ্রু ঘন দেখানোর জন্য লাগবে তিন ধরনের শেইড, ব্রাশ এবং ভ্রু তোলার জন্য ছোট চিমটা বা টোইজার্জ।

ভ্রু ঘন দেখাতে চুলের রং থেকে একটু গাঢ় শেইড ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ভ্রু স্বাভাবিক ও মনোরম দেখাতে আই শ্যাডোর মতো ভ্রু শ্যাডো দিয়ে ভ্রু ভরাট করে নেওয়া যেতে পারে। তারপর কৌণিক ব্রাশ দিয়ে ভ্রুর উপরে এবং আশপাশে শ্যাডো লাগাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আই-ভ্রু লাইনের আশপাশে বেশি শ্যাডো না লাগানো হয়।

তবে ভ্রুর আশপাশে যদি কাটাদাগ বা ক্ষত থাকে সেক্ষেত্রে আই-পেন্সিল ব্যবহার করাই ভালো।

কন্ডিশনার ও হেয়ার গ্রোথ পণ্য

বারবার ভ্রু না তুলে ভ্রু'র কন্ডিশনার ব্যবহার করা ভালো। ভ্রু কন্ডিশনারে থাকা পুষ্টিকর উপাদান এক সপ্তাহে প্লাক করা ভ্রু পুনরায় গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া ভ্রু গজাতে বা ঘন করতে চাইলে 'হেয়ার গ্রোথ' পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

ঘরে বসে নেইল আর্টের ৭টি সহজ পদ্ধতি------------------------------------------------------------------------------------নখ...
26/10/2018

ঘরে বসে নেইল আর্টের ৭টি সহজ পদ্ধতি
------------------------------------------------------------------------------------

নখ সাজাবেন যেভাবে

প্রথমে হাত দুটিকে ঘরে বসেই মেনিকিউর করে নিন। হ্যান্ড ক্রিম/লোশন লাগান। নেইল কাটার দিয়ে নখে পছন্দমত যে কোন শেপ করে নিন। নেইল ফাইল দিয়ে ঘষে নখের ধারালো অবস্থা দূর করুন।

বেইস কোট নেইল পলিশ দিয়ে সব নখগুলোকে একবার পলিশ করুন। এবার পছন্দমত বেইস নেইল পলিশ তিন টানে প্রতি নখে দেবার চেষ্টা করুন। পোশাকের রঙের সাথে মিল রেখে একাধিক রঙের নেইল পলিশ ব্যবহার করতে পারেন। কনট্রাস্ট রঙও ভালো লাগবে।

নেইলপলিশের রঙ হালকা হলে একবার শুকানোর পর আরেকবার লাগিয়ে নিন। এতে নখের রঙ গাঢ় দেখাবে। নখের ‌উজ্জ্বলতা বাড়াতে সবশেষে একবার টপকোট নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন।

কটনবাডে রিমুভার লাগিয়ে নখের পাশে চামড়ার উপর লেগে থাকা নেইল পলিশ মুছে ফেলুন। একই ভাবে পায়ের নখও সাজাতে পারেন।

নিচে যারা একেবারেই নতুন নেইল আর্ট করছেন তাদের জন্য সহজ কয়েকটি নেইল আর্ট দেখানো হলো:

১. একুরিয়াম নেইল আর্ট

যা যা লাগবে

ফেক নেইল ১ সেট, ছোট চুমকি ২ পদের, ছোট পুতি ২ পদের, গ্লু, তুলি ১ টি, গুড়োজরি, ড্রপার ১টি।

এখন নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন

—ফেক নেইল ১ হাতে পরে নিন;

—নখের যে পাশ ফাঁকা সেখান থেকে নখের ভিতর ছোটো ছোটো চুমকি, পুতি, গুড়োজড়ি অল্প করে লাগিয়ে নিন;

—ড্রপার দিয়ে নখের ভিতর কয়েক ফোটা পানি দিন;

—তুলিতে অল্প গ্লু নিয়ে ফাঁকাটুকু আটকে দিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল একুরিয়াম নেইল আর্ট;

—সবগুলো ফেক নখ এভাবে সাজান;

—তুলি দিয়ে আসল নখের ওপর গ্লু লাগান। এবার ফেক নখটি ভাল করে চেপে লাগিয়ে নিন।

২. স্টাম্পিং নেইল আর্ট

প্রয়োজনীয় উপকরণ

স্ট্যাম্পার, টেমপ্লেট, স্ক্রাপার, রিমুভার প্যাডস, নেইল পলিশ ১/২টি, বেইস কোট ও টপকোট নেইল পলিশ।

—নখের উপর বেসকোট পলিশ লাগান।

—টেমপ্লেটের যে কোন একটি ডিজাইন বেছে, তাতে পছন্দমত রঙের নেইল পলিশ লাগিয় নিন। নেইল পলিশ আবশ্যই ঘন হতে হবে।

—একটি স্ক্র্যাপার হাতে নিন। স্ক্র্যাপারটি দিয়ে টেমপ্লেটের উপর দেয়া নেইল পলিশ খুব দ্রুত ডান থেকে বামে টেনে নিয়ে যান।

—স্টাম্পার দিয়ে টেমপ্লেটের উপর টিপুন, এটাতে নকশা উঠে আসবে। নখে নকশা দিতে স্ট্যাম্পারটি দ্রুত নখের উপর বসান এবং একটু চাপ দিয়ে ধরে ডান থেকে বামে ঘুরিয়ে আনুন। দেখুন নকশাটি নখে কী চমৎকার লেগে গেছে।

—আরো একবার টপকোট নেইল পলিশ লাগান।

—সবগুলি নখে একই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

—একাধিক রঙ ব্যবহার করতে পারেন।

—রিমুভার প্যাডস দিয়ে টেমপ্লেট ও স্ক্র্যাপার মুছে রাখুন পরে ব্যবহারের জন্য।

৩. স্কচ টেপ নেইল আর্ট

এটি সহজ নেইল আর্ট। খুব সহজেই সবাই স্কচ টেপ দিয়ে নখে বিভিন্ন ধরনের নকশা করতে পারবেন। নতুনদের জন্য এটি একেবারেই সহজ পদ্ধতি।



যা লাগবে

পছন্দমত বেইস নেইল পলিশ কয়েকটি, স্কচ টেপ, ছোট কাচি, বেইস কোট ও টপ কোট নেইল পলিশ, রিমুভার, কটন বাড।

—নখে বেইস কোট নেইল পলিশ লাগান।

—স্কচ টেপ কাচি দিয়ে কেটে যে কোনো নকশা করে নখে লাগিয়ে দিন।

—অন্য আরেকটি রঙের নেইল পলিশ দিয়ে স্কচ টেপের উপর থেকে ফাঁকা অংশ ভরিয়ে নিন।

—স্কচ টেপ দ্রুত তুলে ফেলুন

—নখের পাশে চামড়ায় লেগে থাকা বাড়তি নেইল পলিশ কটন বাডে রিমুভার লাগিয়ে আলতো করে তুলে ফেলুন।

—সব শেষে নখ চকচকে করতে টপ কোট নেইল পলিশ দিয়ে শেষ করুন।

—নকশা অনুযায়ী একাধিক রঙ ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ওয়াটার মার্বেল নেইল আর্ট

পানি দিয়ে করা নেইল আর্টের পদ্ধতি সহজ ও সুন্দর। যে কেউ এই পদ্ধতিতে নখ বর্ণিল করে উপস্থাপন করতে পারবেন। এ পদ্ধতিও নতুনদের জন্যে একেবারেই সহজ।



যা লাগবে

ছোট একটি বাটি/ওয়ান টাইম কাপ, পানি, নেইল পলিশ বিভিন্ন রঙের ৩/৪ টি, কাচি , পেনসিল/কাঠি, কার্ড বোর্ড, স্কচ টেপ, কটন বাড, রিমুভার বা রিমুভার পেন।

—নখে বেইস কোট লাগিয়ে নিন।

—স্কচ টেপ বড় বড় টুকরা করে কেটে নিন। টুকরা করা স্কচ টেপ দিয়ে নখের চারপাশে থাকা আঙুলের চামড়া ভাল করে পেচিয়ে নিন, যাতে নেইল পলিশ লেগে না যায়।

—কাপে নরমাল পানি নিন। নেইল পলিশ একে ফোটা করে নিয়ে পানিতে ফেলুন। প্রথম ফোটা ছড়িয়ে গেলেও পরেরগুলি কমতে থাকবে।

—কাঠি দিয়ে পানিতে থাকা রঙের উপর ইচ্ছামত দাগ কাটুন/ডিজাইন করুন।

—স্কচ টেপ প্যাচানো আঙুল ডিজাইন করা পানির মধ্যে দিয়ে রাখুন ও চারপাশের বাড়তি নেইল পলিশ কাঠি দিয়ে সরিয়ে ফেলুন।

—এখন পানি থেকে হাত উঠিয়ে নিয়ে কাচি দিয়ে কেটে স্কচ টেপ তুলে ফেলুন।

—কটন বাডে রিমুভার লাগিয়ে নখের চারপাশ পরিষ্কার করে নিন।

৫. নেইল পেন আর্ট

যা লাগবে

কয়েকটি বিভিন্ন রঙের নেইল পলিশ, নেইল আর্ট পেন এক সেট, সক অফ বেইস কোট ও টপ কোট নেইল পলিশ।

—নখে বেইস কোট নেইল পলিশ লাগিয়ে নিন।

—একটি পছন্দমত রঙের নেইল পলিশ দিয়ে নখগুলি পলিশ করুন। ইচ্ছে হলে প্রতি নখে আলাদা রঙের নেইল পলিশ দিতে পারেন।

—নেইল আর্ট পেনের প্যাকেট থেকে পছন্দ মত রঙের কলম নিয়ে ইচ্ছামত নকশা করুন। নখে একাধিক রঙ ব্যবহার করতে পারেন।

—সবশেষে টপ কোট নেইল পলিশ দিন।

৬. ব্রাশ নেইল আর্ট

যা লাগবে

নেইল আর্ট ব্রাশ এক সেট, নেইল পলিশ ৩/৪টি, রিমুভার, কটন বাড, বেইস কোট ও টপ কোট নেইল পলিশ।

—সবগুলি নখে বেইস কোট নেইল পলিশ দিন।

—এর ওপর পছন্দ মত রঙিন নেইল পলিশ দিয়ে শুকিয়ে নিন।

—ছড়ানো ব্রাশটিতে যে কোনো একটি রঙের নেইল পলিশ লাগিয়ে আড়াআড়ি ভাবে কয়েক বার টান দিন। এখন শুকিয়ে নিন ভাল ভাবে। এরপর আরেকটি রঙের নেইল পলিশ দিয়ে একই ভাবে ব্রাশ করুন। এভাবে ২/৪ রঙ দিয়ে করতে পারেন।

—টপ কোট নেইল পলিশ দিয়ে ব্রাশ নেইল আর্ট শেষ করুন।

৭. বিডস নেইল আর্ট

যা লাগবে

গোল্ডেন কালার বিডস (বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইনের পুঁতি দেয়া যাবে), বেইস নেইল পলিশ গোল্ডেন-কালো, টপ কোট ও বেইস কোট নেইল পলিশ, টুথপিক ১টি।

—প্রথমে নখে বেইস কোট নেইল পলিশ লাগান।

—কালো রঙের বেইস নেইল পলিশ দিন।

—টপকোট নেইল পলিশও লাগিযে নিন।

—নখের গোড়ার দিক থেকে নকশা করে গোল্ডেন নেইল পলিশ দিয়ে এঁকে নিন। কাঠিতে সামান্য একটু নেইল পলিশ লাগিয়ে নিয়ে নকশার উপর দ্রুত পুঁতি লাগান তিন ধাপে।

—বিডসের উপর আরেকবার টপ কোট নেইল পলিশ দিয়ে শেষ করুন (এতে বিডস আটকে থাকবে ও চকচকে দেখাবে)।

—প্রতিটি নখে একই নকশা বা আলাদা নকশা করতে পারেন।



নখের যত্নে কিছু সাবধানতা

১. কিউটিক্যাল কেয়ার (ছবি-kiss)
২. রিপেয়ার
৩. গ্রোথ
৪. স্টেথনিং

সতর্কতা
শক্ত কোনো কিছু, ধাতব পদার্থ, সুচালো, ধারালো কিংবা নখ দিয়ে খুঁচে নখের শুকনো নেইল পলিশ কখনোই তুলবেন না। এতে নখে আঘাত লেগে নখ ফেটে বা ভেঙে যেতে পারে কিংবা যে কোনো ধরনের রক্তাক্ত ক্ষতি হতে পারে। অল্প করে তুলা নিয়ে তাতে রিমুভার লাগিয়ে নখের উপর আলতো করে কিছুক্ষণ চেপে রাখুন, নেইল পলিশ গলে তুলার সাথেই উঠে আসবে।

ড্রাইয়ার ল্যাম্প সতর্কতা

প্রলিড নেইল ল্যাম্প/ড্রাইয়ার ল্যাম্প
nail-8এটি একটি স্বতন্ত্র ও নিরাপদ জেল ল্যাম্প। উচ্চমানের প্রযুক্তিতে করা এই যন্ত্রটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে নেইল পলিশ দ্রুত শুকিয়ে ফেলে। এটাতে প্রয়োজন মত তাপ দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং চকচকে ফিনিশিং তৈরি করা যায়। তাপমাত্রা আলোর উজ্জ্বলতা ধরে রাখে লাইট পরিবর্তন করতে হয় না। নখে জেল লাগিয়ে আঙুল যন্ত্রটির মধ্যে দিলেই (২০/৩০ সে:) জেল শুকিয়ে যায়।

সতর্কতা
মেশিনটি পানি বা পানির কাছাকাছি স্থানে ব্যবহার করা যাবে না। পানির মধ্যে মেশিনটি পড়ে গেলে সাথে সাথে প্লাগটি খুলে ফেলতে হবে। ব্যবহারের পর এর লাইটটি খালি হাতে স্পর্শ করবেন না। গরমে আপনার হাত পুড়ে যেতে পারে। ব্যবহারের পর মেশিনের প্লাগ সবসময় খুলে শুষ্ক স্থানে রাখবেন।

ব্রণের দাগ দূর করে নিমতেতো নিমের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি রূপচর্চাতেও নিমপাতা অতি দরকারি। ত...
25/10/2018

ব্রণের দাগ দূর করে নিম

তেতো নিমের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি রূপচর্চাতেও নিমপাতা অতি দরকারি। ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে এই ভেষজ। নিমের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে পারে। চুল পড়া বন্ধ করতেও এটি অতুলনীয়। জেনে নিন রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার।

নিমপাতা বেটে পেস্ট তৈরি করুন। ১ চিমটি হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন পেস্টে। ত্বকে ফেসপ্যাকটি লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। এটি ত্বক উজ্জ্বল করবে ও ব্রণের দাগ দূর করবে।
বলিরেখা দূর করতেও কার্যকর নিম। এজন্য নিমপাতা গুঁড়া করে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। না শুকানো পর্যন্ত পেস্টটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক টানটান থাকবে। ত্বকের অতিরিক্ত তেলও দূর হবে এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে।
ব্রণের দাগ দূর করার জন্য নিমপাতা বেটে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে দাগের উপর লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

ঠোঁট ফাটছে?শীত না আসলেও হুটহাট হিমেল বাতাসের পরশ টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। প্রকৃতির এই পরিবর্তনে শুষ্ক হতে শুরু করেছে ত্বক। ...
24/10/2018

ঠোঁট ফাটছে?

শীত না আসলেও হুটহাট হিমেল বাতাসের পরশ টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। প্রকৃতির এই পরিবর্তনে শুষ্ক হতে শুরু করেছে ত্বক। বিশেষ করে ঠোঁটে শীতের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে একটু আগেভাগেই। পুরো শীতকালজুড়েই সুন্দর ও মসৃণ ঠোঁট পেতে চাইলে যত্ন নেওয়া শুরু করুন এখন থেকেই।

গোলাপের পাপড়ি
৫/৬টি গোলাপের পাপড়ি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন আধা কাপ দুধে। পরদিন পাপড়ি বেটে সামান্য দুধ মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
লেবু ও মধু
১ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। পরিষ্কার ঠোঁটে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে লিপবাম লাগান।
গ্লিসারিন ও লেবু
একটি লেবুর রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখবন্ধ বয়ামে রেখে দিন। চাইলে ফ্রিজে রাখতে পারেন। ঠোঁট শুষ্ক হয়ে গেলে ভ্যাসলিনের মতো ব্যবহার করতে পারেন মিশ্রণটি। ঠোঁট নরম ও কোমল হবে। ১ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে লেবু ও গ্লিসারিনের এই মিশ্রণ।
কফি, মধু, লেবু
আধা চা চামচ কফি পাউডারের সঙ্গে আধা চা চামচ মধু, ১ চা চামচ চিনি ও অর্ধেকটি লেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ঠোঁটে ঘষুন ৫ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকটি মরা চামড়া দূর করার পাশাপাশি নরম ও মসৃণ করবে ঠোঁট।

মেছতা দূর করার ঘরোয়া উপায়------------------------------------------------------------------------------------মেছতার সমস্...
23/10/2018

মেছতা দূর করার ঘরোয়া উপায়
------------------------------------------------------------------------------------

মেছতার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। মেছতা হওয়ার অন্যতম কারণ অপরিচ্ছন্ন ত্বক। ঘরোয়া উপায়ে মেছতা দূর করা ও ত্বক পরিষ্কার করার উপায়-

লেবুঃ
ত্বককে উজ্জ্বল করতে, ত্বকের কালো দাগ দূর করতে লেবুর জুড়ি নেই। এটি ব্লিচের কাজ করে। লেবুর রসের উচ্চমাত্রার সাইট্রিক এসিড ত্বকের অধিক তেল শোষণ করে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

তাজা লেবুর রস ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এটি প্রতিদিন অথবা সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করুন।

এক চা চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক চা চামচ টমেটোর রস মিশিয়ে এটি ত্বকে লাগিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন এবং ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এক মাস এটি করলে ত্বকের মেচতা দূর হবে।

টমেটোঃ
টমেটোর রস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

টমেটোর পাল্প ত্বকে ম্যাসাজ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এবং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন অথবা সপ্তাহে তিন- চার দিন ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে পরিষ্কার ও সজীব করে।

আলুঃ
আলুর রস মেচতার দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এটি চোখের চার পাশে জমে থাকা কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) দূর করতে সাহায্য করে।

মুলতানি মাটিঃ
মুলতানি মাটি ত্বকের মরা কোষ পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের এক্সট্রা অয়েল শুষে নিয়ে ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে।

গোলাপজল, সবুজ চা, শসার রস, লেবুর রস এবং পানি ও মুলতানি মাটির মিশ্রণটি তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এক চা চামচ টমেটোর রস এবং চন্দন গুঁড়া, দুই চা চামচ মুলতানি মাটি একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটা সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যালোভেরাঃ
অ্যালোভেরা জেল ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। সম্পূর্ণ জেল ত্বকে শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যালোভেরা জেল দুই চা চামচ, এক চা চামচ লেবুর রস এবং চিনি একসাথে মিশিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ঘষুন। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এটি ব্যবহার করুন।

স্ট্রবেরিঃ
স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, হাইড্রোক্সি এসিড, স্যালিলিক এসিড, অ্যালিজিক এসিড সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের মরা কোষ দূর করে, দাগ, একনে এবং ত্বক ফাটা থেকে রক্ষা করে। দুই থেকে তিনটি স্ট্রবেরি চটকে নিন। দুই চা চামচ দই এবং মধু মিশিয়ে নিন। হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর এটি পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি-----------------------------------------------------------------------------...
21/10/2018

তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি
------------------------------------------------------------------------------------

মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে। দেখে নেই কি কি উপায়ে ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমিয়ে আনা যায়।

লবনঃ লবনের এক আকর্ষণীয় গুন রয়েছে যা, আমাদের অনেকেরই অজানা। লবন আমাদের ত্বকের ভিতর থেকে ময়লা ও দূর করার ক্ষমতা রাখে। একটি স্প্রে বোতলে ১ কাপ পানি নিয়ে এতে ১ টেবিল চামচ লবণ গুলে নিয়ে মুখের তৈলাক্ত স্থানটিতে স্প্রে করুন। কিছু সময় অপেক্ষা করে টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে মুখের তৈলাক্ততা কমে যাবে।

শশা-লেবুঃ ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে শশা আর লেবু ব্যবহার করা যায়। একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ শসার রস নিয়ে এতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে, একটি তুলার সাহায্যে মুখে পুরো মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। শশার রস ত্বকের তেল গ্রন্থি থেকে তেল বের করে তৈলাক্ততা দূর করবে, আর লেবুর রসে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্রন উঠার সম্ভবনা কমিয়ে দিবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করতে হবে।

মুলতানি মাটি ও গোলাপজলঃ ২ টেবিল চামুচ মুলতানি মাটির সাথে পরিমানমত গোলাপজল নিতে হবে, যেন ঘন পেস্টের সৃষ্টি হয়। এখন পেস্টটি পুরো মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে হালকা কুসুম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে দ্রুত তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

টমেটোঃ ত্বকের তৈলাক্ত দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে টমেটোর ব্যবহার। টমেটো ত্বকের তেল গ্রন্থি শুকাতে সাহায্য করে। তাই স্থায়ীভাবে তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই একটি টমেটো নিয়ে ব্লেন্ড করে, টমেটোর পিউরি তৈরি করে, ৫-৭ মিনিটের মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের তৈলাক্ততা দূর হয়ে যাবে।

তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করবেন যেভাবে -----------------------------------------------------------------------------নিজেকে সুন...
20/10/2018

তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করবেন যেভাবে
-----------------------------------------------------------------------------

নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ ব্যবহার করেন অনেক নারীই। তবে ত্বক তৈলাক্ত হলে মেকআপ করা নিয়ে মুশকিলে পড়তে হয়। কারণ তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণের জন্য অনেক সময় মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করার সময় কিছু নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে। আর এইসব নিয়ম মেনে চললে আপনি ঘরে বসে নিজে নিজেই করতে পারেন পারফেক্ট মেকআপ যা আপনার মুখের অতিরিক্ত তেলকে নিয়ন্ত্রণ করে আপনার সাজকে পরিপূর্ণ করে তুলবে।

মেকআপ করার আগে ত্বককে এক্সফ্লোয়েট করা অনেক জরুরি। প্রথমে ভালো কোনো স্ক্রাব দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এতে করে আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা বের হয়ে যাবে এবং আপনার ব্ল্যাকহেডস কিছুটা কম দেখাবে। এরপর গরম তোয়ালে মুখে চেপে মুখ মুছে নিন।

মুখ ধোয়ার পর যেকোনো মশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। মেকআপ করার ক্ষেত্রে মশ্চারাইজার লাগানো অনেক জরুরি। খেয়াল রাখতে হবে মশ্চারাইজার যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রী এবং ওয়াটার বেইস হয়। সম্ভব হলে এটা মেকআপ লাগানোর ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে এটা লাগিয়ে নিন।

এরপর মুখে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশন যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয়। ফাউন্ডেশন লাগানোর সময় ব্রাশ ব্যবহার না করে হাত দিয়েই ভালোভাবে ব্লেন্ড করার চেষ্টা করুন। ত্বকে লাগানোর আগে এক ফোঁটা পানি অথবা একটু মশ্চারাইজার মেশান।

ফাউন্ডেশন লাগানোর পর কম্প্যাক্ট পাওডার লাগানোর আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার একটা ব্রাশ দিয়ে আস্তে আস্তে আপনার মুখের শেড অনুযায়ী কম্প্যাক্ট পাওডার লাগিয়ে নিন। হাল্কা করে গালের দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পাউডার লাগিয়ে নিন। পাউডার লাগানোর জন্য মুখের তেল কম নিঃসরণ হবে এবং ন্যাচারাল লাগবে। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশনের রঙ এর সঙ্গে কম্প্যাক্ট পাউডারের রঙ যেন মিলে যায়।

ব্রণের গর্তের দাগ দূর করার প্রাকৃতিক কিছু সহজ উপায়----------------------------------------------------------------------...
19/10/2018

ব্রণের গর্তের দাগ দূর করার প্রাকৃতিক কিছু সহজ উপায়
------------------------------------------------------------------------------------

অনেকের কাছেই ব্রন একটি বিশাল আতঙ্কের নাম । এমনকি ব্রণ সেরে উঠার পরও থেকে যায় এদের অবাঞ্ছিত দাগ। ব্রণের গর্তের দাগ ত্বকের সৌন্দর্য কমিয়ে দেয় অনেকটাই। অনেকেরই দেখা ব্রণের কাল দাগ চলে গেলেও রয়ে যায় অসুন্দর গর্তের দাগ গুলো এবং সহজে যেতেও চায় না।
গবেষকদের মতে, নানা কারণেই ব্রণ হতে পারে। ব্রণ যে কোনও বয়সের মানুষের ত্বকেই দেখা দেয়, কিন্তু টিনএজারদের ত্বকে ব্রণ বেশি হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রণ দেখা যায়।

ব্রণ স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে থাকে। ব্রণের ক্ষত দাগকে মূলত একনে স্কার বলা হয়। ব্রণ হাত দিয়ে খুঁটলে এমন দাগ দেখা দেয় ত্বকে। আর এই ক্ষত দাগগুলোকে ত্বক হতে খুব সহজে মুছে ফেলা যায় না। তাই আসুন জেনে নেই কেমন করে ব্রণের ক্ষত নির্মূল করা যায় –

অ্যালোভেরা জেলঃ অ্যালোভেরা জেল প্রকৃতির আশীর্বাদ স্বরূপ। এই একটা উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা থেকে মু্ক্তি দেয়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরা স্বচছ্ব জ়েলীর মত উপাদান, এটি ব্যবহার করুন। দিনে যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে দেবে বিরক্তিকর ব্রণের গর্তের দাগ থেকে মুক্তি।

টমেটোঃ টমেটোতে আছে ভিটামিন ‘এ’ যা ব্রণ ও ব্রণের দাগ দুটোই সারিয়ে তোলে। তাছাড়া এতে আছে ত্বকের ক্ষয়-ক্ষতি সারিয়ে তুলার প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট। মাঝারি আকারের টাটকা টমেটো নিন। একে সমান ২ ভাগে ভাগ করুন। এবার দুই গালে ম্যাসাজ করুন। এতে গর্তের দাগ হালকা হবে এবং মুখে রোদে পোড়া ভাবও কমবে।

বরফ কুচিঃ বরফ কুচির ব্যবহারে ব্রণের গর্ত হালকা হয়। ঘরে বসে স্কার সারানোর জন্য বরফ কুচি ব্যবহার করে থাকেন। পাতলা কাপড় বা তুলোতে একটা বরফের টু্করো নিয়ে গর্তের জায়গায় ১৫-২০ মিনিট ঘষে লাগান। এতে ত্বকে আরামদায়ক অনুভুতির পাশাপাশি সারিয়ে দেবে গর্তের দাগ।

তুলসী পাতাঃ ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

কাঁচা হলুদঃ কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবং চন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

মধুঃ মধু এমন একটি পরিচিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী। প্রাচীন কাল থেকেই রূপচর্চার জন্য মধুর ব্যবহার প্রচলিত হয়ে আসছে। মধু মিষ্টতা খাবার হিসাবেও খুব ভালো। ফ্যাট কম থাকায় এটি আপনাকে ফিট থাকতে যেমন সাহায্য করবে তেমনি নিয়মিত ব্যবহারে সারিয়ে তোলে ব্রণের গর্তের দাগ।

ভিটামিন-ই তেলঃ ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে সহজ ও কার্যকারি সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি ব্রণের কালো দাগ সারাতেও সাহায্য করে।

★রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার জাদু★সময়মতো ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। এ জন্য যে দামী প্রসাধনী ...
18/10/2018

★রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার জাদু★

সময়মতো ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। এ জন্য যে দামী প্রসাধনী কিনতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার হাতের কাছের জিনিস দিয়েই নিতে পারবেন ত্বকের যত্ন।

আমাদের শরীরের চামড়ায় প্রতিনিয়ত মৃতকোষ গুলা উঠে গিয়ে সেখানে নতুন কোষ জন্মায়। মৃতকোষ শরীরের উপরিভাগে ময়লার আস্তরণ তৈরি করে এবং এতে ত্বকের মসৃণটা কমে গিয়ে ত্বক হয়ে যায় খসখসে। তাই মৃতকোষ পরিষ্কার করার জন্য স্ক্রাব হল সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি। চালের গুড়া ভাল স্ক্রাব এর কাজ করে।

ব্যবহার পদ্ধতি-
– চালের গুড়া ( ২ টেবিল চামচ) + দুধ (২ চা চামচ ), লেবুর রস(২ চা চামচ ) পরিমান মতো পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণ টা পুরো মুখে আলতো করে লাগান। ১০ মিনিট পর হাল্কা করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে ১/২ দিন এটা ব্যবহার করতে পারেন। এটা শুধু মুখে না আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

– যাদের মুখ খুব বেশি তৈলাক্ত তারা দুধ এর বদলে শসার রস মিশাতে পারেন।

– শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে দুধ ব্যবহার করতে পারেন , চাইলে কমলার রস,(২ চা চামচ) যোগ করতে পারেন। কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

উপকারিতা-
১/ চালের গুড়া ব্রণের দাগ কমায়।
২/ ত্বককে মসৃণ করে।
৩/ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৪/ ব্ল্যাক হেডস কমায়।

সাবধানতা-
জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে।
রোজ রোজ এটা করতে যাবেন না এতে ত্বকের উপকারের চাইতে ক্ষতি হয়ে যাবে।

Address

Suit 4A, Road 1, Block G, Banasree, Rampura
Dhaka
1219

Telephone

+8801677018981

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রূপচর্চা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

ঘরোয়া পদ্ধতিতে রুপচর্চা করুন

আজকাল প্রসাধন সামগ্রীর দাম শুনলে আতকে উঠতে হয়। আর দামের কথা বাদ দিলেও রাসায়নিক প্রসাধনী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত নয়। কিন্তু আপনি তরি-তরকারি ও দৈনন্দিন খাবারে ব্যবহৃত সামগ্রী দিয়েও সহজেই নিজের রূপকে অপরূপ করে তুলতে পারেন। এতে ব্যয়ও যেমন কম, আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।

১. আটা ক. রান্না ঘরের আটা আপনার ত্বক পরিচর্যায় অনেক সহায়ক হতে পারে। যে ধরনেরই ত্বক হোক না কেন, আটা সব ত্বকের জন্যেই ভালো কাজ করে। ১ টেবিল চামচ পরিষ্কার আটা নিয়ে তার সাথে গরুর কাঁচা দুধ, একটু কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে মুখে মেখে ১০/১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলবেন।

খ. আটা পানিতে ফুটিয়ে পেস্টের মতো করে মুখমন্ডলে লাগালে মুখের ছিট ছিট তিলে দাগ অনেক হালকা হয়ে যায়।