Elite Medical Care

Elite Medical Care আসসালামু আলাইকুম পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা
রমজানুল মোবারক🌙

'আসসালামু আলাইকুম বি'বাহিত অ'বিবাহিত ভাইরা যারা যৌ'ন স'মস্যায় আছেন দ্রু' ত বীর্য'পাত ও উ'ত্তানজনিত সমস্যায় ভুগছেন তাদে...
27/02/2025

'আসসালামু আলাইকুম বি'বাহিত অ'বিবাহিত ভাইরা যারা যৌ'ন স'মস্যায় আছেন দ্রু' ত বীর্য'পাত ও উ'ত্তানজনিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য সঠিক পরামর্শ এবং চি'কিৎসা সম্পূর্ণ অর্গানিক এবং ন্যাচারাল পদ্ধতিতে স'মস্যার সমাধান করুন সেবা নিন সুস্থ থাকুন
বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন






Dr Joynul Abedin

📞01604941192

30/10/2024

বিয়ের পর স্ত্রীর কাছে আপনিও চাইলে ভালো স্বামী হতে এই কাজ গুলো করে দেখতে পারেনঃ-

১.প্রথমে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন যে আল্লাহ আপনাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে একজন নারী কে স্ত্রী হিসেবে কিছু সময়ের জন্য দান করেছেন। অনেকেই আপনার মতো আছে যারা এই নিয়ামত থেকে বঞ্চিত। আবার অনেকেই এই নিয়ামতের কদর না করতে পেরে হাত ছাড়া করেছে।
আর নেক স্ত্রীর জন্য মৃ-ত্যু পর্যন্ত আল্লাহর কাছে অবিরাম দোআ করুন কেননা মনমানসিকতা বারবার পরিবর্তন হতে পারে।

২.স্ত্রীকে বুঝার চেষ্টা করুন। তার জ্ঞান, বুদ্ধি মন মানসিকতা, স্বভাব প্রকৃতি, দক্ষতা, গুণাবলী, দোষত্রুটি জেনে নিন।
একজন মানুষ হিসেবে আপনি ও শতভাগ পারফেক্ট না সেও না।ছোট খাট ভুল গুলো ক্ষমা করে দেন।

৩.তাকে আপনার মনের মতো গড়ে তুলার পরিকল্পনা নিন, আর এটা একদিনে হবে না, জোরাজোরি না করে আস্তেধীরে বুঝান।

৪.তার জ্ঞান, বুদ্ধি, যোগ্যতা, প্রতিভা, গুণাবলি বিকশিত করুন।তাকে সর্বগুনে ফুলের মতো প্রস্ফুটিত হতে দিন।

৫.তার মধ্যে যে দোষত্রুটি রয়েছে সেগুলো একজন সুচিকিৎসকের মতো নিরাময় করুন।কেননা তিনি তো আপনার ই স্ত্রী।

৬.তাকে আন্তরিকতার সাথে গভীরভাবে ভালোবাসুন।

৭.হাসি মনে, খুশি মনে,মন খুলে কথা বলুন।

৮.সবসময় ঝগড়া, মেজাজ খিটমিট, বকাঝকা করবেন না।
হিতে বিপরীত হবে।

৯.মাঝেমধ্যে তাকে নিয়ে তার পছন্দের জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবেন, চার দেওয়ালে সবসময় বন্দী রাখবেন না।

১০.তার বিশ্বাসের জায়গা ঠিক রাখেন আপনি যেটা আশা করেন সেটা নিজে করে তারপর তাকে শিখিয়ে নিবেন।নিজে যা করেন না সেগুলোর আশাকরা বোকামি।
এভাবেই তার বিশ্বাস,ভালোবাসার জায়গা দখল করে নিন।

30/10/2024

ভদ্রতা হলো স্বামী স্ত্রীর ঘরে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি এক থেকে দুইবার নক করবে,ডাকবে।খুব বেশি জরুরী হলে সর্বোচ্চ তিনবার। এবং সাড়া না পেলে ফিরে যাওয়া। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক পরিবারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার সামান্য প্রাইভেসিটুকু দেয়া হয়না। হুটহাট রুমে ঢুকে যাওয়া,দরজা লক দেখেও অনবরত ডাকাডাকি করা এবং ছিটকিনি দিলেই তুলকালাম একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা।

এটা খুব স্বাভাবিক যে গভীর রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময় স্বামী স্ত্রী দুজনের একে অপরের কাছাকাছি আসার ইচ্ছে হতে পারে। এখানে এমন হতেই পারে দিনে যেকোনো সময় দুজনে একত্রিত হয়েছেন এবং বাইরে কেউ এসে ডাকাডাকি করছে। আমি আপনাকে বলছি তখন সাড়া দিবেন না এবং সুন্নাহ এটাই যে নিরবতা বজায় না। পরবর্তীতে জরুরী কাজ শেষে বাইরের মানুষকে সাড়া দেয়া। কেউ বুঝে নিক বা না নিক,আপনি কোনো হারাম সম্পর্কে নেই।

দুজনের মধ্যকার প্রাইভেসি বজায় রাখুন এবং কোয়ালিটি টাইম বলুন বা ভিন্ন কিছু,তৃতীয় পক্ষ সহজে ঢুকে পড়তে চাইলে দরজা লক করে দিন। এমন হতেই পারে দরজা লাগালেই মনমালিন্য বেঁধে যায় তবুও এক্ষেত্রে ছাড় নয়! আপনার পরিবারে কিভাবে হক আদায় করে পরিবেশ শান্ত রাখবেন সেটা আমার থেকে আপনিই ভালো জানবেন।
এমন অনেক মানুষ আছে এই প্রাইভেসি না থাকার কারনটুকুর জন্যেও নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে,শয়তান ধোঁকা দিয়েছে,বিবাদ হয়েছে। তবে সাবধান থাকতে দোষ কোথায়?

28/10/2024

স্বামী স্ত্রী একে অপরের গোপন অঙ্গ দেখতে পারবে কি?
শরীয়তে তাতে কোন বাধা নেই। স্বামী স্ত্রী উভয়েই উভয়ের সর্বাঙ্গ নগ্নবস্থায় দেখতে পারে। (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ২/৭৬৬) এতে স্বাস্থ্যগত কোন ক্ষতিও নেই। ‘স্বামী স্ত্রীর একে অন্যের লজ্জাস্থান দেখতে নেই, বা হযরত আয়েশা (রঃ) কখনও স্বামীর গুপ্তাঙ্গ দেখেননি, উলঙ্গ হয়ে গাধার মত সহবাস করো না, বা উলঙ্গ হয়ে সহবাস করলে সন্তান অন্ধ হবে। সঙ্গমের সময় কথা বললে সন্তান তোৎলা বা বোবা হয়’ ইত্যাদি বলে যে সব হাদীস বর্ণনা করা হয়, তার একটিও সহীহ ও শুদ্ধ নয়। (দেখুন, তুহফাতুল আরুশ ১১৮ – ১১৯ পৃঃ)

28/10/2024

দিবারাত্রে স্বামী স্ত্রীর যখন সুযোগ হয়, তখনই সহবাস বৈধ। তবে শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত কয়েকটি নিষিদ্ধ সময় আছে, যাতে স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ নয়।

১। স্ত্রীর মাসিক অথবা প্রসবোত্তর খুন থাকা অবস্থায়। মহান আল্লাহ বলেছেন, “লোকে রাজঃস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তুমি বল, তা অশুচি। সুতরাং তোমরা রাজঃস্রাবকালে স্ত্রীসঙ্গ বর্জন কর এবং যতদিন না তারা পবিত্র হয়, (সহবাসের জন্য) তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। অতঃপর যখন তারা পবিত্র হয়, তখন তাদের নিকট ঠিক সেইভাবে গমন কর, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাপ্রার্থীগণকে এবং যারা পবিত্র থাকে, তাঁদেরকে পছন্দ করেন।” (বাকারাহঃ ২২২)

আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি তার ঋতুমতী স্ত্রী (মাসিক অবস্থায়) সঙ্গম করে অথবা কোন স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে, অথবা কোন গনকের নিকট উপস্থিত হয়ে (সে যা বলে তা) বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সঃ) এর অবতীর্ণ কুরআনের সাথে কুফরী করে।” (অর্থাৎ কুরআনকে সে অবিশ্বাস ও অমান্য করে। কারণ, কুরআনে এ সব কুকর্মকে নিসিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।) (আহমাদ ২/৪০৮, ৪৭৬, তিরমিযী, সহীহ ইবনে মাজাহ ৫২২ নং)

২। রমযানের দিনের বেলায় রোযা অবস্থায়। মহান আল্লাহ বলেছেন, “রোযার রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক।” (বাকারাহঃ ১৮৭)

আর বিদিত যে, রমযানের রোযা অবস্থায় সঙ্গম করলে যথারীতি তার কাফফারা আছে। একটানা দুইমাস রোযা রাখতে হবে, নচেৎ অক্ষম হলে ষাট জন মিসকীন খাওয়াতে হবে।

৩। হজ্জ বা উমরার ইহরাম অবস্থায়। মহান আল্লাহ বলেন, “সুবিদিত মাসে (যথাঃ শাওয়াল, যিলক্বদ ও যিলহজ্জে) হজ্জ হয়। যে কেউ এই মাস গুলোতে হজ্জ করার সংকল্প করে, সে যেন হজ্জ এর সময় স্ত্রী সহবাস (কোন প্রকার যৌনাচার), পাপ কাজ এবং ঝগড়া বিবাদ না করে।” (বাকারাহঃ ১৯৭)

এ ছাড়া অন্য সময়ে দিবারাত্রির যে কোন অংশে সহবাস বৈধ। (মুহাম্মাদ স্বালেহ আল-মুনাজ্জিদ)

28/10/2024

যাদের উত্তান জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য







Joynul Abedin,
01604941192

28/10/2024

আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার অন্ডকোষ টা ভালো আছে কিনা







Joynul Abedin,
01604941192

28/10/2024

শরীয়তে সমমৈথুন প্রসঙ্গে বিধান কি?
সমমৈথুনঃ পুরুষ সঙ্গম বা পুরুষ-পুরুষে পায়ুপথে কুকর্ম করাকে বলে। আর এরই অনুরূপ স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করাও। এটা সেই কুকর্ম, যা লুত (আঃ) এর সম্প্রদায় করেছিল। যেমন মহান আলাহ বলেন,

“ মানুষের মধ্যে তোমরা তো কেবল পুরুষদের সাথেই উপগত হও। ” (সূরা শূআরা ১৬৫ আয়াত)

তিনি আরও বলেন, “তোমরা তো কাম তৃপ্তির জন্য নারী ত্যাগ করে পুরুষদের নিকট গমন কর!” (সূরা আ’রাফ ৮১ আয়াত)

আল্লাহ তাঁদেরকে এই কুকাজের শাস্তি স্বরূপ তাঁদের ঘর বাড়ী উল্টে দিয়েছিলেন এবং আকাশ থেকে তাঁদের উপর বর্ষণ করেছিলেন পাথর। তিনি বলেন,

“(অতঃপর যখন আমার আদেশ এলো) তখন আমি (তাঁদের নগরগুলোকে) ঊর্ধ্বভাগকে নিম্নভাগে পরিণত করেছিলাম এবং আমি তাঁদের উপর ক্রমগত কঙ্কর বর্ষণ করেছিলাম।” (সূরা হিজর ৭৪ আয়াত)

সুতরাং উক্ত সম্প্রদায়ের মতো কুকর্মে যে লিপ্ত হবে সেও উপর্যুক্ত শাস্তির উপযুক্ত। তাই এমন দুরাচার প্রসঙ্গে কিছু সাহাবা (রাঃ) এর ফতোয়া হল, তাকে জ্বালিয়ে মারা হবে। কেউ কেউ বলেন, উঁচু জায়গা থেকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেলে তাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলা হবে। ৬২৬ (ইবনে জিবরীন)

এ বিষয়ে একাধিক হাদীসেও নবী (সঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে; এক হাদীসে তিনি বলেছেন, “যাকে লুত সম্প্রদায়ের মত কুকর্মে লিপ্ত পাবে, তাকে এবং যার সাথে এ কাজ করা হচ্ছে, তাঁকেও তোমরা হত্যা করে ফেল।” (তিরমিজী, ইবনে মাজাহ, মিশকাত ৩৫৭৫ নং)

28/10/2024

ইদানিং ব্লগে আর ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে হেয় করার প্রতিযোগিতা যেনো শুরু হয়েছে। যা সত্যই দুঃখজনক। ইসলাম এমন একটা সার্বজনীন ধর্ম যারা এর ছায়াতলে এসেছে শুধু মাত্র তারাই নয়, যারা একটু বিবেকবান, জ্ঞান বান, যে ধর্মেরই হোন না কেন তারাও এর প্রতি যুগে যুগে শ্রদ্ধাপ্রদর্শন করেছেন। বিশেষ করে ইসালামের নবী মুহাম্মদ সা: আর পবিত্র কুরআন নিয়ে যারাই গবেষণা করেছে তারাই বিস্ময়ে হতবাক হয়েছে। অথচ আজ সেই ধর্ম, নবী আর পবিত্র গ্রন্থ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা ধরনের বেয়াদবি আচরণ। অপরিপক্ক কথন। বর্তমানে ইসলাম বুঝার জন্য অনেক বই আর পবিত্র কুরআনের অনুবাদ বাজারে আছে। কেউ কেউ এর দু'একটা পড়েই ভাবছেন ইসলাম সম্পর্কে সব জেনে ফেলেছি। ইসলাম কে বুঝে ফেলেছি। কথা হল ইসলাম বুঝা কি এতো সহজ?

ইসলামকে বুঝতে গিয়ে বিশিষ্ট দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক মুরিস আল বুকাইলি বাইবেল কুরআন আর বিজ্ঞান নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন। একসময় তিনি পবিত্র কুরআনের বিস্ময়কর দর্শন আর বিজ্ঞানময়তায় আর্বিভুত হয়ে ইসলাম কবুল করেন। তার লেখা বাইবেল কুরআন আর বিজ্ঞান বইটি বাজারেতো বটে ইন্টারনেটেও পিডিএফ হিসেবে রয়েছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন বইটি। সেখানে মরিস বুকাইলি বলেছেন কুরআন নিয়ে গবেষণা করতে যেয়ে তাকে আরবী শিখতে হয়েছে। সাধারণ ইংরেজী অনুবাদের উপর তার আস্থা ছিল না। এর কারণ আরবী ব্যকরণ সঠিকভাবে না জানলে শুধু অনুবাদের উপর ভিত্তি করে গবেষণা করে সঠিক সিদ্ধান্তে আসা যায় না। এ জন্য মূল কে তিনি আকরে ধরে এগিয়েছেন। আর পরিশেষে তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন। এই কিতাবে কোন রকম অসংগতি নেই। যা তিনি পেয়েছেন বাইবেলে ভুড়ি ভুড়ি। এখন কথা হল সাধারণ অনুবাদ পড়ে যারা বলে, কুরআন এমন, রসুল এমন তেমন, তাদের নিজেদের মনগড়া বুজ নিয়ে কুরআন আর নবী তথা ইসলামের সমালোচনা করা যুক্তি যুক্ত কি? নিজে আরবী পড়ে কুরআন বুঝে ব্যাখ্যার পথে হাটলে ভাল। অন্যের অনুবাদ নির্ভর হয়ে কুরআন বুঝতে গেলে তা সবসময় সঠিক নাও হতে পারে। আবার যখন সেই অপরিপক্ক বুঝটার আলোকে লাগাম ছাড়া একটা মন্তব্য করা হয় তখন শুধু একটি ধর্মকেই ছোট করা হয় না। ছোট করা হয় একটি জাতি গোষ্ঠিকে। আর এতে দেখা দেয় নানা হানাহানি নৈরাজ্য।

ইসলাম সম্পর্কে জানা এবং তার যৌক্তিক সামালোচনা করার অধিকার সবার আছে। তবে তা হতে হবে শালীন আর যথেষ্ট গবেষণা ধর্মী। কারণ ইসলাম কোন ঠুনকো বিষয় নয়। হালকা ভাবে মশকরা বা হাসি ঠাট্টা করার আগে এটা ভাবা প্রত্যেক বুঝদারের জন্য জরুরী । তাই নয় কি? আর কুরআন কে বুঝার জন্য সহজ করে দিয়েছেন মহান আল্লাহ। তাই চিন্তাশিল দের গবেষনার জন্য তিনি আহবান করেন ।

27/10/2024

ভদ্রতা হলো স্বামী স্ত্রীর ঘরে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি এক থেকে দুইবার নক করবে,ডাকবে।খুব বেশি জরুরী হলে সর্বোচ্চ তিনবার। এবং সাড়া না পেলে ফিরে যাওয়া। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক পরিবারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার সামান্য প্রাইভেসিটুকু দেয়া হয়না। হুটহাট রুমে ঢুকে যাওয়া,দরজা লক দেখেও অনবরত ডাকাডাকি করা এবং ছিটকিনি দিলেই তুলকালাম একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা।

এটা খুব স্বাভাবিক যে গভীর রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময় স্বামী স্ত্রী দুজনের একে অপরের কাছাকাছি আসার ইচ্ছে হতে পারে। এখানে এমন হতেই পারে দিনে যেকোনো সময় দুজনে একত্রিত হয়েছেন এবং বাইরে কেউ এসে ডাকাডাকি করছে। আমি আপনাকে বলছি তখন সাড়া দিবেন না এবং সুন্নাহ এটাই যে নিরবতা বজায় না। পরবর্তীতে জরুরী কাজ শেষে বাইরের মানুষকে সাড়া দেয়া। কেউ বুঝে নিক বা না নিক,আপনি কোনো হারাম সম্পর্কে নেই।

দুজনের মধ্যকার প্রাইভেসি বজায় রাখুন এবং কোয়ালিটি টাইম বলুন বা ভিন্ন কিছু,তৃতীয় পক্ষ সহজে ঢুকে পড়তে চাইলে দরজা লক করে দিন। এমন হতেই পারে দরজা লাগালেই মনমালিন্য বেঁধে যায় তবুও এক্ষেত্রে ছাড় নয়! আপনার পরিবারে কিভাবে হক আদায় করে পরিবেশ শান্ত রাখবেন সেটা আমার থেকে আপনিই ভালো জানবেন।
এমন অনেক মানুষ আছে এই প্রাইভেসি না থাকার কারনটুকুর জন্যেও নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে,শয়তান ধোঁকা দিয়েছে,বিবাদ হয়েছে। তবে সাবধান থাকতে দোষ কোথায়?

27/10/2024

ইসলামী ধর্মগ্রন্থ কুরআনে যদিও বিশেষভাবে ""হস্তমৈথুন" এ কথা উল্লেখ করা হয়নি তবে "স্বকাম বা, "কাম" কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন

“যাদের বিবাহের সামর্থ্য নেই, আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম অবলম্বন করে।” (সূরা নুর ৩৩ আয়াত)।

27/10/2024

দোয়টি হলো : بِسْمِ اللّهِ اللّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَ جَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আরম্ভ করছি, তুমি আমাদের নিকট হতে শয়তানকে দূরে রাখ। আমাদের এ মিলনের ফলে যে সন্তান দান করবে, তা হতেও শয়তানকে দূরে রাখো।’

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elite Medical Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category